Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Weather Update: সকাল থেকে সঙ্গী ঘাম! কবে বর্ষা দক্ষিণবঙ্গে বলতে পারল না হাওয়া অফিস

    Weather Update: সকাল থেকে সঙ্গী ঘাম! কবে বর্ষা দক্ষিণবঙ্গে বলতে পারল না হাওয়া অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই চাঁদিফাটা রোদ। ঘেমে-নেয়ে এক সার। সারাক্ষণ জলে ডুব দিয়ে থাকলে ভাল নতুবা, জল গড়াবে মাথা থেকে পা। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিতে কাহিল শহরবাসী। গরমের ছুটি শেষে সবে খুলেছে স্কুল। ফের ছুটি বাড়ালে ভাল হয় এমনই ভাবনা, ছোট থেকে বড়দের। আপাতত আরও দুইদিন এমনই থাকবে আবহাওয়া জানাল হাওয়া অফিস। বৃহস্পতি এবং শুক্রবার বৃষ্টি (Monsoon) হতে পারে বিভিন্ন জেলায়। ইতিমধ্যে পশ্চিমের ৪ জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা (Weather Update) থাকছে।

    দক্ষিণে মৌসুমী বায়ুর প্রবেশ

    হাওয়া অফিস সূত্রে (Weather Update) খবের, ১৪ তারিখের আগে মৌসুমী বায়ুর (Monsoon) দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ নিয়ে কোনও আপডেট দেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। জুনের এক সপ্তাহ কেটে গেলেও ছিটেফোঁটা বৃষ্টির দেখা নেই। সাধারণত ১০ জুন দক্ষিণবঙ্গে মৌসুমী বায়ুর প্রবেশ করার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। উল্টে গরম বাড়ছে প্রতিদিন। গত ৩১ মে থেকে একই জায়গায় থমকে মৌসুমী অক্ষরেখা। এই সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণে মৌসুমী বায়ু আসার সম্ভাবনা নেই। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি দক্ষিণবঙ্গে আসতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। তবে তার আগে বৃহস্পতি ও শুক্রবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    গরমে নাজেহাল শহর থেকে জেলা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) বলছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় থাকছে চরম গরম ও প্যাচপ্যাচে ঘর্মাক্ত পরিস্থিতি। আগামী ২৪ ঘন্টায় আরও এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়তে পারে। আজ মঙ্গলবারও তেমনভাবে কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের চার জেলা  বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ায় তৈরি হতে পারে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। বুধবার বিকেলের পর থেকে পরিবর্তন হতে পারে আবহাওয়ার। বৃহস্পতি এবং শুক্রবার রাজ্যজুড়ে থাকছে বৃষ্টির সম্ভাবনা। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.১ ডিগ্রি বেশি। পাশাপাশি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ভোরে ৫৬ শতাংশ এবং বেলা বাড়লে ৮৫ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘন্টায় আরও ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়তে পারে।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    উত্তরে চলছে বৃষ্টি

    উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির (Monsoon) পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস (Weather Update)। উপরের দিকের পাঁচ জেলাতে বৃষ্টি চলবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার জেলাতে ভারী বৃষ্টি সঙ্গে দমকা বাতাসের পূর্বাভাস। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। বুধ ও বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির সঙ্গে দমকা ঝড়ো বাতাস বইবে মালদা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: শহরাঞ্চলের ভোট বিজেপির পক্ষে, রাজ্যের কতগুলি পুরসভায় এগিয়ে পদ্মশিবির?

    Lok Sabha Election 2024: শহরাঞ্চলের ভোট বিজেপির পক্ষে, রাজ্যের কতগুলি পুরসভায় এগিয়ে পদ্মশিবির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ভোটের নিরিখে (Lok Sabha Election 2024) কলকাতা পুরসভার অনেকগুলি ওয়ার্ডে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি (BJP)। শুধু কলকতা নয় লোকসভা ভোটের ফলাফল পুরসভাওয়াড়ি বিশ্লেষণ করলে বিজেপি এবং তৃণমূলের ব্যবধান চোখে পড়ার মতো। বাংলার ১২১টি পুরসভার মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৬৯টি পুরসভা এলাকায়। ধুলিয়ান এবং বহরমপুর পুরসভায় এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। বাকি ৫১টিতে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। কলকাতা পুরসভাতেও ওয়ার্ডভিত্তিক ভাবে বাড়ল বিজেপির ভোট।

    নানা ওয়ার্ডে এগিয়ে বিজেপি

    গ্রামীণ ভোটে তৃণমূলের ‘আধিপত্য’ থাকলেও দেখা যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ— পুর এলাকায় বিজেপির (BJP) পক্ষে সমর্থন বেশি। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩৭টিতে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু লোকসভা ভোটে সেই দাপট কিছুটা স্তিমিত। ৪৭ টি আসনে এগিয়ে গিয়েছে বিরোধী বিজেপি ও সিপিএম। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর ও ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় (Lok Sabha Election 2024) ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ডগুলি। ২০২২-এ কলকাতা পুরসভায় ১৩৪টি ওয়ার্ডে জিতেছিল তৃণমূল এবার তাদের লিডের সংখ্যা কমে হয়েছে ৯৮। 

    উত্তর কলকাতার ছবি

    উত্তর কলকাতার ২৪টি ওয়ার্ডে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি (BJP)। ৩৬টি ওয়ার্ডে এগিয়ে তৃণমূল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ২০টি ওয়ার্ড এগিয়েছিল বিজেপি। এ বার আরও বাড়তি চারটি ওয়ার্ডে এগিয়েছে তারা। উত্তর কলকাতার কাশীপুর বেলগাছিয়া বিধানসভার ২ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। শ্যামপুকুর বিধানসভা ৮,২১, ২৪ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জিতেছে বিজেপি। জোড়াসাঁকো বিধানসভার ২২, ২৩, ২৫, ২৭,৩৮,৪০, ৪১, ৪২ ও ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়। চৌরঙ্গী বিধানসভার ৪৫, ৪৭,৪৮,৪৯, ৫০, ৫১ ও ৫২ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছিল বিজেপি।

    দক্ষিণ কলকাতার ছবি

    কলকাতা দক্ষিণ লোকসভার অন্তর্গত মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের পাঁচটি ওয়ার্ড থেকে এগিয়েছে বিজেপি (BJP)। ভবানীপুর বিধানসভার ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২ ও ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভাল ব্যবধান এগিয়ে গিয়েছিল বিজেপি। কসবা বিধানসভার  ৬৭, ৯২, ১০৭ ও ১০৮ ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে গিয়েছে। কলকাতা বন্দর বিধানসভার ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছে বিজেপি।  বেহালা পূর্ব বিধানসভার ১১৬ ও ১১৮ নম্বর ওয়ার্ড এবং বেহালা পশ্চিমের ১১৯ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছে বিজেপি। 

    পিছিয়ে তৃণমূলের হেভিওয়েটরা 

    একাধিক হেভিওয়েট কাউন্সিলরদের ওয়ার্ডে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়ক, দক্ষিণ কলকাতার জেলা সভাপতি ও মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার-তাঁর ওয়ার্ড ৮৫। সেখানে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর আস্থাভাজন শশী পাঁজার নিজের ওয়ার্ড এবং তাঁর মেয়ে পূজা পাঁজার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডেও পিছিয়ে তৃণমূল। ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ও মেয়র পরিষদ অসীম কুমার বসুর ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। একই ছবি ৭২ নম্বরের তৃণমূল কাউন্সিলর ও মেয়র পরিষদ সন্দীপরঞ্জন বক্সীর ওয়ার্ডেও। এছাড়াও তৃণমূলের হেভিওয়েট কাউন্সিলর ও বরো চেয়ারপার্সন জুঁই বিশ্বাস, সুশান্ত ঘোষ, সুদীপ পোল্লে,  সাধনা বসু, সুস্মিতা ভট্টাচার্যের ওয়ার্ডে তৃণমূলের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তৃণমূল কাউন্সিলর সুদর্শনা মুখোপাধ্যায়ের ৬৪ নম্বর ওয়ার্ডেও ফুটেছে পদ্ম। তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে-র ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডেও এগিয়ে রয়েছে বিজেপি (BJP)। 

    আরও পড়ুন: “একযোগে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশ”, মোদিতে আস্থা রেখে বার্তা হাসিনার

    রাজ্যের নানা পুরসভায় এক ছবি

    গ্রামীণ ভোটে (Lok Sabha Election 2024) তৃণমূলের ‘আধিপত্য’ থাকলেও দেখা যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ— পুর এলাকায় বিজেপির (BJP) পক্ষে সমর্থন বেশি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যের ১২১টি পুরসভায় ভোট হয়েছিল। ভোটের ফলাফলে দেখা গিয়েছিল, নদিয়ার তাহেরপুর বাদ দিয়ে বাকি ১২০টি পুরসভাই জিতেছে তৃণমূল। তাহেরপুর ছিল সিপিএমের দখলে। কিন্তু এই লোকসভা ভোটে দেখা যাচ্ছে, সেই হিসেব উল্টে গিয়েছে। বালুরঘাট থেকে ঘাটাল, খড়্গপুর থেকে বাঁশবেড়িয়া— পুর এলাকায় পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। অধিকাংশ ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের অত্যাচারে বহু কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, দোকানে তালা”, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের অত্যাচারে বহু কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, দোকানে তালা”, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার জেরে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া। সোমবার ঘরছাড়া কর্মীদের সঙ্গে দেখা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের আমতলায় বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাসের বাড়িতে রয়েছেন ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীরা। সেখানে গিয়ে তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা শুনলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ঘরছাড়াদের সঙ্গে দেখা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)

    আক্রান্ত ঘরছাড়া কর্মীদের নামের তালিকা, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর নেতৃত্বের কাছ থেকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নিয়ে নেন। ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীরা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপত্তায় বাড়ি গিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন, তার জন্য অতি শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী স্বাধীনভাবে যাতে কাজ করতে পারে এবং আগামী দুর্গাপুজো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে রাখা হয়, সেই আবেদনও হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রাখা হয়েছে বলে বিরোধী দলনেতা জানান। শুভেন্দু বলেন, “এই লুটের ভোটের শেষ দেখে ছাড়ব। তবে, এই বিষয়টি আজকে বলছি না, আগামী বুধবার কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন করে জানাবো। চারটি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করব।” তারমধ্যে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী অভিজিৎ দাস থাকবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: “চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি”, দলের চেয়ারম্যানকে তোপ হুমায়ুনের

    এক হাজার কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, ছশো কর্মীর দোকানে তালা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “ডায়মন্ড হারবারে মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। সাংবাদিকরা পর্যন্ত নিজেদের ভোট দিতে পারেননি। এর আগেও এই কেন্দ্রে সৌমেন মিত্র, শমীক লাহিড়ীর মতো নেতারা ভোটে দাঁড়িয়ে জয়ী হয়েছিলেন। তাঁরা তো অত ভোট পাননি। আর তিনি (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) এত বড় নেতা যে তিনি ৭ লক্ষ ভোটে জয়ী হয়ে গেলেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না।” আর তৃণমূলের সন্ত্রাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ১০০০ বাড়ি ভাঙচুর করেছে তৃণমূল। ৬০০ কর্মীর দোকানে তালা ঝোলানো হয়েছে। বহু কর্মী ঘরছাড়া। আক্রান্ত সকল কর্মীর পাশে রয়েছে বিজেপি। এদিন সকলের অভাব-অভিযোগ শুনতে এসেছি। “

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘শাহজাহান-কর’ দিতে না পেরে ইটভাটা বিক্রি করেন একাধিক মালিক, আদালতে দাবি ইডির

    Sandeshkhali: ‘শাহজাহান-কর’ দিতে না পেরে ইটভাটা বিক্রি করেন একাধিক মালিক, আদালতে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের তৃণমূল দল লোকসভার ভোটে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেলেও, এখনও গলার কাঁটা সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। তিনি নাকি এলাকায় ‘শাহজাহান-কর’ চাপিয়েছিলেন। ইটভাটার মালিকদের উপর এই করের জুলুমবাজির জন্য বাধ্য হয়ে ভাটা বিক্রি করতে হয়েছে। এমনটাই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে আদালতে। বসিরহাটে শাসক দল তৃণমূল জয়ী হলেও, তৃণমূল নেতার এই কয়লা পাচারের তথ্য রাজনীতির আঙিনায় শোরগোল ফেলেদিয়েছে।

    ইটভাটা মালিকের বক্তব্য (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) অনেক ইটভাটার মালিক ইডির অফিসারদের কাছে তোলাবাজির অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। এক ভাটার মালিক জানিয়েছেন, “দাদার হুকুম মেনে ওঁদের কাছ থেকেই কয়লা কিনতে হতো।” প্রত্যেক ইটভাটার মালিকদের এই কর দিতে হতো। ভাটা চালাতে গেলে যে কয়লা লাগে, তা বলপূর্বক কিনতে হতো এই তৃণমূল নেতার কাছ থেকেই। এমনকী দাম বেশি দিয়ে খারাপ মানের কয়লাকেই ব্যবহার করতে হতো ভাটায়। এই ভাবে দিনের পর দিন চলতে থাকায় করের বোঝায় ইটভাটা বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। ঠিক এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। কিন্তু রাজ্যের কয়লা পাচার মামলায় শাহজাহানের কথা না উঠে আসলেও এইবার কয়লা দুর্নীতিতে তাঁর নামের সূত্র পাওয়া গিয়েছে।

    ইডির দাবি

    ইডি সূত্রের খবর, শাহজাহানের হুকুম মানতে বাধ্য হতেন সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ও ন্যাজাটের ২৯টি ইটভাটা মালিকেরা। ইট ভাটার ব্যবসায় প্রচুর কয়লা লাগে। তাই কয়লার জোগানে সবটাই নিয়ন্ত্রণ করতেন শাহজাহান। ইটভাটার মালিক রামালিক বার বার ‘দিদিকে বলো’ নম্বরে ফোন করে বেশ কয়েকবার অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি, বরং আরও অত্যাচারের শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। ভাটার মালিকদের প্রতি টন পিছু ২-৩ হাজার টাকা শাহজাহানকে দিতে হতো। কিন্তু এই বিরাট খরচের বোঝা বহন না করতে পেরে ধামখালির দুটি ইটভাটার মালিক নিজেদের ভাটা বিক্রি করে দিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ মালদায় ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! জেলা সভাপতির নামে দুর্নীতিবাজের পোস্টার

    বিজেপির বক্তব্য

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বিজেপি নেতা বিকাশ সিং বলেন, “আমরা অনেকবার বলে এসেছি, শেখ শাহজাহান অনেক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ইডির তদন্তে সেগুলিই উঠে আসছে। ২০১৬ সাল থেকে কয়লার কারবারের দিকে চোখ ছিল তাঁর।“

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে ভোট পরবর্তী হিংসা! বিজেপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Cooch Behar: কোচবিহারে ভোট পরবর্তী হিংসা! বিজেপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত কোচবিহারে (Cooch Behar)। জেলার তুফানগঞ্জ -২ ব্লকে বিজেপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপির পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের (Cooch Behar) গাবুয়ারডাঙা এলাকায় বিজেপির দলীয় কার্যালয় রয়েছে। রবিবার রাতে সেই কার্যালয়ে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এমনই অভিযোগ বিজেপির। ভেঙে ফেলা হয় কার্যালয়ে থাকা চেয়ার-টেবিল। একটি টিভিও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সোমবার বিজেপি কর্মীরা কার্যালয় ভাঙচুরের বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তৃণমূলই এই হামলা চালিয়েছে বলে বিজেপি কর্মীরা সরব হন। যদিও বিজেপির তোলা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির (Cooch Behar) শালবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পঙ্কজ দাস বলেন, “রবিবার রাত দশটা পর্যন্ত আমরা দলীয় কার্যালয়ে ছিলাম। সেখানে বৈঠক করছিলাম। কার্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পরই সেখানে তৃণমূল হামলা চালায়। আসলে আমাদের দলীয় কর্মসূচি ভেস্তে দিতেই তৃণমূল এই হামলা চালিয়েছে। এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে ওরা। এসব করে কোনও লাভ হবে না। বিষয়টি নিয়ে আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।” অন্যদিকে, শালবাড়ি-২ তৃণমূল অঞ্চল কমিটির চেয়ারম্যান পরিমল কারজি বলেন, “কিছু দিন আগেই ওই এলাকায় সালিশি সভার নাম করে বিজেপির শক্তি প্রমুখ-সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আর তার জেরেই এই ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। তৃণমূল সব সময় এলাকায় শান্তিরক্ষার চেষ্টা করে আসছে। সবই বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল। গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে বিজেপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: “চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি”, দলের চেয়ারম্যানকে তোপ হুমায়ুনের

    Murshidabad: “চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি”, দলের চেয়ারম্যানকে তোপ হুমায়ুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটতেই ফের দলের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন মু্র্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এতদিন ভোটের আগে ইউসুফ পাঠানের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। এবার তাঁর আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছেন রেজিনগরের বিধায়ক তথা জেলার চেয়ারম্যান রবিউল আলম চৌধুরী। হুমায়ুনের বক্তব্য সামনে আসতেই তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি (Murshidabad)

    এমনিতেই বহরমপুর (Murshidabad) লোকসভায় ইউসুফ পাঠান প্রার্থী হতেই দলের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। প্রার্থীর হয়ে খাটবেন না বলে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। যদিও দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ তাঁর মুখ বন্ধ করা সম্ভব হয়। এরপর ভোটপর্বে ‘লক্ষ্মীছেলে’ হয়েই থেকেছেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। দল বিড়ম্বনায় পরে, এমন কোনও কথা তাঁর মুখে অন্তত ভোটপর্বে শোনা যায়নি। তবে, ভোট মিটতেই আবারও দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন হুমায়ুন। হুমায়ুন বলেন, “ইউসুফকে জেতাতে আমাকে অনেক বাধা বিপত্তি পার করতে হয়েছে। জেলার সভাপতি বা জেলার যে নেতাদের হাতে ভোট পরিচালনার দায়িত্ব ছিল, তাঁরা আমার এলাকায় প্রচারে পর্যন্ত আসতে দেননি ইউসুফকে। একদিন আনা হয়, তাও ভরদুপুরে। আমার যে বিধায়ক, যিনি দলের চেয়ারম্যান হয়ে বসে আছেন, তিনি পর্যন্ত আমাদের মতো লোককে একদিনও বলেননি ইউসুফ পাঠানের হয়ে ভোটটা করতে হবে। এমনকী একদিন আসা বা কোনওভাবে সহযোগিতা করা, চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি। আমি নিজে যতটুকু পেরেছি, কর্মীদের পাশে থেকে তাঁদের সহযোগিতা করে কাজ করেছি।”

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    দলে প্রচুর প্রতিদ্বন্দ্বী আমার!

    হুমায়ুন আরও বলেন, “আমি অনেক পোড় খাওয়া রাজনীতির লোক। তাই মেনে নিয়েছি। ২০১২ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে আসি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে স্নেহ করেন, বকাঝকাও করেন। তবে, আমি মনে করি শাসন করার অধিকার তারই থাকে যিনি স্নেহও করেন। দলের মধ্যেও আমার প্রচুর প্রতিদ্বন্দ্বী আছে। তাঁরা চান না হুমায়ুন কবীর সম্মান নিয়ে দলে থাকুন। আমার ভোট করতে গিয়ে যেটা মনে হয়েছে, সেটাই বললাম।”

  • Malda: মালদায় ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! জেলা সভাপতির নামে দুর্নীতিবাজের পোস্টার

    Malda: মালদায় ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! জেলা সভাপতির নামে দুর্নীতিবাজের পোস্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর মালদায় (Malda) ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এবার তৃণমূল জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতিবাজের পোস্টার পড়ল। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে জেলাজুড়ে। রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল একক ভাবে পেয়েছে ২৯টি আসন। কিন্তু মালদা উত্তর এবং দক্ষিণ দুই কেন্দ্রেই হেরেছে তৃণমূল। জেলার উত্তরের আসনে জয়ী বিজেপি এবং দক্ষিণে জয় পেয়েছে কংগ্রেস। এই হারের দায় নিয়ে শাসক দলের অন্দরে ফাটল আরও স্পষ্ট হয়েছে।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Malda)?

    ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় তৃণমূলের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয়ে গিয়েছে। কয়েকদিন ধরেই সামজিক মাধ্যমে মালদা (Malda) জেলা সভাপতি ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে নানা সমালোচনার কথা প্রকাশ করছিলেন দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা। একই সঙ্গে জেলার শীর্ষ নেতা-নেত্রীরা একাধিকবার জেলার চেয়ারম্যান এবং সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এর মধ্যেই মালতিপুরের তৃণমূল কার্যালয়ে জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সির বিরুদ্ধে দুর্নীতিবাজের পোস্টার পড়েছে। শনিবার রাতে এই ঘটনা ঘটায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত জেলা সভাপতি নিজে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    মালদা (Malda) জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র আশিষ কুণ্ডু বলেন, “লোকসভা নির্বাচনে দুটি কেন্দ্রে আমাদের ফল খারাপ হয়েছে। এই নিয়ে কে কোথায় কে কী করেছে তা বলা সম্ভব নয়। আমাদের দলের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। আমরা আলোচনায় বসবো। নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলে সব ঠিক করে নেব।”

    আরও পড়ুনঃ রায়গঞ্জে মহিলাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কিডনি বিক্রি! পাচার চক্রের হদিশে চাঞ্চল্য

    বিজেপির বক্তব্য

    ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপির জেলা (Malda) সাধারণ সম্পাদক অম্লান ভাদুড়ি বলেন, “তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল সর্বত্র। তৃণমূলের জেলা সভাপতিকে কেউ মানতে চাইছেন না আর। গোটা মালদা জেলা জুড়েই এই ঘটনা ঘটছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ঘরছাড়া কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী

    Post Poll Violence: ঘরছাড়া কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১-এর ভয়ানক রাজনৈতিক রোগ ফিরে এসেছে ২০২৪-এ। ভোট মিটতেই শাসকদলের অত্যাচারে (Post Poll Violence) ঘরছাড়া হয়েছেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের হাজার হাজার কর্মী। আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগ বিজেপির সদস্য। এবার লোকসভা ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় ঘর ছাড়াদের নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিচারপতি প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার আদালতে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

    হাইকোর্টে বিজেপি কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে মামলা

    প্রসঙ্গত এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের গ্রীষ্মকালীন বেঞ্চের বিচারপতি কৌশিক চন্দ্র এবং অপূর্ব সিনহার ডিভিশন বেঞ্চ ৬ই জুন ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যের তীব্র সমালোচনা করেছিল। একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে সেদিন শুনানি হয়। শুনানি চলাকালীন ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে অবিলম্বে যাতে (Post Poll Violence) হিংসা বন্ধ হয় তার জন্য প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেদিন হাইকোর্টে রাজ্য পুলিশ অক্ষম হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার হুঁশিয়ারি দেয়। অভিযোগ উঠছে ভোট পরবর্তী হিংসায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘর ছাড়া হয়েছেন কয়েক হাজার। ইতিমধ্যেই কলকাতার মাহেশ্বরী ভবনে ঠাঁই দাওয়া হয়েছে বহু বিজেপি কর্মীদের। তাঁরা কবে বাড়ি ফিরতে পারবেন তার জন্য দিন গুনছেন। রাজ্যে সাত দফায় ভোট হয়েছে। অন্য বারের তুলনায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু ভোট শেষ হতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। এরপরই শুরু হয়েছে শাসক দলের অত্যাচার। খুন, জখম, মারধরের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁদের বাড়িঘর ঘিরে হামলা করা হচ্ছে। অনেকেই এর জেরে ঘরছাড়া হয়েছেন। তাই আক্রান্তদের নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ফিরে এল ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস (Post Poll Violence)

    প্রসঙ্গত ২০২১ সালেও ভোটের পর রাজনৈতিক হিংসার (Post Poll Violence) ঘটনা ঘটেছিল। বিজেপির কয়েক হাজার কর্মী এক বছরের বেশি সময় ঘরছাড়া ছিলেন। যারা ঘরে ফিরেছিলেন তাঁরাও নিজের ভিটে মাটিতে উঠতে পেরেছিলেন কয়েক মাস পর। অনেকে কোন রাজনৈতিক দল না করার মুচলেকা লিখে বাড়ি ফিরেছিলেন। এবারও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সেদিকেই যাচ্ছে বলে অভিযোগ রাজ্য বিজেপির নেতাদের। সেবার ভোটের পর বিভিন্ন কমিশন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরার পর প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছিল।

    আরও পড়ুন: মানিকতলা সহ রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন, তারিখ জানাল কমিশন

    এবার পরিস্থিতি আরো বিপজ্জনক বলে দাবি করা হচ্ছে বিজেপির তরফ থেকে। বিজেপির অভিযোগ এলাকায় এতটাই সন্ত্রাস (Post Poll Violence) যে বিষয়গুলো সামনে সামনে আনাও কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বহু ক্ষেত্রে বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমের সামনে আসছে না এতটাই সন্ত্রাস রয়েছে ওই সমস্ত গ্রামীণ এলাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপি’কে লিড দেওয়ার ‘অপরাধে’ চারদিন বন্ধ পানীয় জল-বিদ্যুৎ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Balurghat: বিজেপি’কে লিড দেওয়ার ‘অপরাধে’ চারদিন বন্ধ পানীয় জল-বিদ্যুৎ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার পরই বালুরঘাটের (Balurghat) গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ সামনে এল। এবার লোকসভায় গঙ্গারামপুর বিধানসভায় বিপুল ভোটে লিড পেয়েছে বিজেপি। এরপর পানীয় জল সরবরাহ এবং পথবাতি জ্বালানো নিয়ে টালবাহানা করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে। রবিবারই বিজেপি এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করে। এরপরই টানা চারদিন পরিষেবা বন্ধ রাখার পর পানীয় জল সরবরাহ ঠিক করা হয়। আর আংশিকভাবে পথবাতি জ্বালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    গঙ্গারামপুরে বিজেপি লিড পেতেই পরিষেবা শিকেয়! (Balurghat)

    গত ৬ জুন থেকে গঙ্গারামপুর (Balurghat) পুরসভা এলাকায় আচমকা পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকী  পুরসভা এলাকার পথবাতির কোনও আলো জ্বলেনি। গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকা থেকেই ভোটে পিছিয়ে ছিল গঙ্গারামপুরের ভূমিপুত্র তথা পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। ১২ হাজারেরও কিছু বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার লিড পেয়েছেন। এই গঙ্গারামপুর শহরের পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র। তিনি আবার তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রের ভাই। এই শহরেরই মানুষ তাঁরা। তারপরেও তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়েছেন ভোটাররা। কেন তৃণমূলের এই খারাপ ফল? এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে কাঁটা ছেড়া চলছে প্রতিনিয়ত।

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    আন্দোলনে বিজেপি

    সন্ধ্যার পর থেকে গঙ্গারামপুর (Balurghat) পুরসভার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে। শহরের ১৮ টি ওয়ার্ডের পানীয় জল ও পথবাতি বন্ধ রাখার প্রতিবাদে রবিবার বিজেপির পক্ষ থেকে গঙ্গারামপুরের জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। বিজেপির আন্দোলনের ফলে এলাকায় পানীয় জল পরিষেবা ঠিক হয়। গত চার দিন ধরে গোটা পুরসভায় এলাকায় পথবাতি পরিষেবা ঠিক হয়নি। এই বিষয়ে গঙ্গারামপুরবাসী বলেন, গত চারদিন ধরে গঙ্গারামপুরে  রাস্তার বেশিরভাগ জায়গায় কোনও আলো জ্বলছে না। কী কারণে এমনটা হচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি না।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, গঙ্গারামপুরে তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ি। এই এলাকার মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। এটাই অপরাধ! সেই রাগে তৃণমূল এসব করেছে। এই ধরনের নোংরামি করা ঠিক নয়।  কর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়ে আন্দোলন করেছে। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, বিজেপি সবসময় মিথ্যে কথা বলে, মিথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে ওরা রাজনীতি করতে চায়। কোনও যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য সমস্যা হতে পারে। অন্য কোনও কারণ নয়। আমরা বিষয়টি দেখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: রায়গঞ্জে মহিলাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কিডনি বিক্রি! পাচার চক্রের হদিশে চাঞ্চল্য

    Uttar Dinajpur: রায়গঞ্জে মহিলাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কিডনি বিক্রি! পাচার চক্রের হদিশে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জেলায় সক্রিয় কিডনি পাচার চক্র! এমনই অভিযোগে চাঞ্চল্য জেলা জুড়ে। এবারে এক মহিলাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কিডনি বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। সম্পূর্ণ টাকা না দিয়ে কিডনি বিক্রি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার রায়গঞ্জের বিন্দোল গ্রামপঞ্চায়েতের জালিপাড়া এলাকায়। এই চক্রের হদিশে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। 

    কীভাবে কিডনি পাচার (Uttar Dinajpur)?

    উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার হেমতাবাদ ব্লকের চৈনগর এলাকার বাসিন্দা মাইজালি বর্মন (৩৩) কিডনি পাচারের অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের তির জালিপাড়া এলাকার বাসিন্দা রবি জালির বিরুদ্ধে। মাইজালি বর্মনের অভিযোগ, নিজের দুই মেয়ের বিয়ে দেওয়ার পর প্রচুর টাকার ঋণে জর্জরিত ছিলেন। গত চার মাস আগে রবি জালির সাথে তাঁর আলাপ হয়, এরপর থেকেই রবি জালি তাঁকে কিডনি বিক্রি করার জন্য প্রোলোভন দেন। বিনিময়ে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে বলে রবি জালি জানান। এরপর কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে অপারেশন করে বাঁ দিকের কিডনি দেন মাইজালি। বিনিময়ে তাঁকে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হলেও বাকি ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে দেড় লক্ষ টাকা দিতে রাজি হলেও সেই টাকাও দেয়নি। সেই দেড় লক্ষ টাকা গত ৪ জুন চাইতে গেলে রবি জালি তাঁকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয়। মারধরের পাশাপাশি প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় তাঁকে। এরপর নিজের বাড়ি থাকতে পারছেন না তিনি। বর্তমানে রায়গঞ্জ এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে রয়েছেন তিনি। থানায় মারধরের অভিযোগ দায়ের করেন মাইজালি।

    আর্থিক সংকটে কিডনি বিক্রি

    প্রসঙ্গত, দুই মেয়ের বিয়ে দেওয়ার পর আর্থিক সংকট দেখা দেয় মাইজালির বর্মনের (Uttar Dinajpur)। স্বামী কার্তিক বর্মন ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। ঋণে জর্জরিত হওয়ায় কিডনি বিক্রি করতে রাজি হন তিনি। টাকার বিনিময়ে কিডনি বিক্রি করতে রাজি হলেও প্রতারণার ফাঁদে পড়বেন এটা ভাবতে পারেননি তিনি। তাই এখন সেই টাকা ফেরৎ পাওয়া এবং রবি জালির কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন।

    কিডনি পাচার চক্রের স্বর্গরাজ্য এই এলাকা

    উল্লেখ্য, একটা সময়ে রায়গঞ্জ (Uttar Dinajpur) ব্লকের বিন্দোল গ্রামপঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকা কিডনি পাচার চক্রের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছিলো। এই পাচার চক্রের মূল পান্ডা হিসেবে নাম উঠেছিল বিন্দোলের জালিপাড়া এলাকার বাসিন্দা রেজ্জাক ও কুদ্দুসের। যাদের ঘিরে শোরগোল পড়ে যায় রাজ্যজুড়ে। দীর্ঘদিন এই কিডনি পাচার চক্র বন্ধের দাবিতে আন্দোলন করে এসেছে ওই এলাকার বাসিন্দা সমাজকর্মী অশোক কুমার রায়। সেই আন্দোলনের জেরে নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন। পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে বন্ধ হয় এই কিডনি পাচার চক্র। সমাজকর্মী অশোক কুমার রায় বলেন, “১৯৯৭-৯৮ সালে প্রথম এই কিডনি পাচার চক্র শুরু হয়। দীর্ঘ আন্দোলন ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে এই চক্র গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে বন্ধ ছিল। আবারও এই চক্র সক্রিয় হলে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে। দরকার পড়লে আমরা ফের আন্দোলনে নামবো।”

    প্রশাসনের বক্তব্য

    অপরদিকে, ওই এলাকায় কিডনি পাচার চক্রের পান্ডারা সক্রিয় হওয়ায় অবাক স্থানীয় (Uttar Dinajpur) পঞ্চায়েত প্রধান জিন্নাতুল খাতুন। যদিও তিনি এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। প্রশাসনকেও এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলব। ওই মহিলা যদি ঘর ছাড়া হয়, তবে তাঁকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে আমি পদক্ষেপ নেব।”

    আরও পড়ুনঃ “তমলুকের জন্য ১০১ শতাংশ পরিশ্রম করেছি”, মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেবাংশুর

    অভিযুক্তের ভাইয়ের বক্তব্য

    যদিও রবি জালির বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে বলে দাবি করেছেন রবি জালির ভাই ও স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যা টুলটুলি জালির স্বামী ছবি জালি। তিনি বলেন, “ওই মহিলার দাদার কাছে টাকা পেতো তবে কিডনি বিক্রির সাথে এর কোনও যোগ নেই। সম্পূর্ণ অভিযোগ মিথ্যে। আমাদের বদনাম করার চেষ্টা করছেন ওঁই মহিলা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share