Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Balurghat: “১ লক্ষ ভোটে সুকান্ত মজুমদারকে আমরা জয়ী করব”, বললেন বিজেপিতে যোগদানকারীরা

    Balurghat: “১ লক্ষ ভোটে সুকান্ত মজুমদারকে আমরা জয়ী করব”, বললেন বিজেপিতে যোগদানকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের বালুরঘাটে (Balurghat)  তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাল তৃণমূল। সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতি সহ শতাধিক তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন। ভোটের মুখে এই যোগদানের ঘটনায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা চাঙা হয়ে উঠেছে।

    কারা যোগদান করলেন? (Balurghat)  

    ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি রঞ্জিত সরকার, ওয়ার্ডের যুব সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস, মহিলা তৃণমূল সভাপতি টুম্পা সান্যাল সরকার, তৃণমূলের বুথ সভাপতি রবীন সূত্রধর-সহ শতাধিক কর্মী, সমর্থক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের (Balurghat) বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আজ ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের ওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট রঞ্জিত সরকারের নেতৃত্বে ওয়ার্ডের মহিলা প্রেসিডেন্ট টুম্পা সরকার, বুথ সভাপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন বুথের তৃণমূলের মহিলা নেত্রী এসেছেন। আরও অনেকে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিজেপির পতাকা তুলে নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদির কাজ দেখে। এতে ভোটের আগে আমাদের অনেকটাই শক্তিবৃদ্ধি হল।

    আরও পড়ুন: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    ১ লক্ষ ভোটে জয়ী করাই লক্ষ্য

    তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করে রঞ্জিত সরকার বলেন, আমি তৃণমূলে  নানা পদে থেকেছি। কিন্তু বিজেপি এখানে যা কাজ করেছে, তা দেখেই আমরা দল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিই। সুকান্ত মজুমদার বিভিন্ন পরিষেবা দিয়েছেন এই বালুরঘাটকে। অমৃত ভারত স্টেশন দিয়েছেন। তাই আমরাও বিজেপিতে এলাম। আর অনেকে আসতে চান, নানা কারণে আসতে পারছেন না। আমাদের টার্গেট সুকান্ত মজুমদারকে ১ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জেতানোর। সেই লক্ষ্যপূরণে আমরা নিজের এলাকায় কাজ করা শুরু করেছি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বালুরঘাট লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্বাচনী প্রচারে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় নরেন্দ্র মোদি এসে ঝড় তুলেছিলেন। এবার মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী সুকান্তর সমর্থনে বালুরঘাটে প্রচারে আসেন। শুক্রবার তপনে জনসভা করেছেন। এদিন রোড শো করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    Election Commission: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ এপ্রিল থেকেই রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন (lok sabha vote 2024), আর ভোট শুরু হতেই একেবারে কড়া হাতে পরিস্থিতি সামলাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার ভোটের দিনেই শক্তিপুর (Saktipur PS) ও বেলডাঙা থানার (Beldanga PS) ওসিকে সরানোর নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। শুক্রবার কমিশনের তরফে একটি চিঠিতে এই নির্দেশ এসেছে বলে জানা গিয়েছে। 

    কমিশনের বক্তব্য (Election Commission)

    কমিশন চিঠিতে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, “অবিলম্বে ওঁই দুই পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট ফাইল করতে হবে। কারণ হিসাবে দুই পুলিশকর্তাকে নির্দিষ্ট ভাবে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়ার পরও তাঁরা সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই তাঁরা আর ভোটের কাজ করতে পারবেন না। শক্তিপুর এবং বেলডাঙার ওই দুই অফিসারের নাম যথাক্রমে রাজু মুখোপাধ্যায় এবং মহম্মদ জামালউদ্দিন মণ্ডল।”

    ঠিক কী ঘটেছিল (Election Commission)?

    গত সপ্তাহে শক্তিপুর এবং বেলডাঙায় যে অশান্তি হয়েছিল, তার জন্য এই দুই পুলিশকর্তার কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগেই তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর। এই কারণেই দুই পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত পুলিশ হেডকোয়ার্টারেই (Headquater) থাকবেন তাঁরা।

    অন্যদিকে, ওই দুই পুলিশকর্তার বদলি হিসাবে তিন জন দক্ষ অফিসারের নামও পাঠাতে বলেছে নির্বাচন কমিশন। আগামিকাল বেলা ১১টার মধ্যেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ওই দুই থানার জন্য নতুন অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য বলেছে  কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককেই তাঁদের বদলি অফিসারের নাম পাঠানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ সেই শীতলকুচিতে ভোট দিতে এসে পাথরে ক্ষতবিক্ষত ভোটারের চোখ! অভিযুক্ত তৃণমূল

    আগেই বদল হয়েছে

    তবে এটাই প্রথম নয়। এর আগেও ভোটের মুখে আদর্শ আচরণবিধি লাগু হওয়ার পর থেকে এমন অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। রাজ্য পুলিশের ডিজির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজীব কুমারকে। একই সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম ও বীরভূম–এই চার জেলার জেলাশাসকদেরও বদলি করা হয়েছিল কমিশন (Election commission) তরফে। এগুলি ছাড়া আরও একগুচ্ছ অফিসার বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর এবার ভোট শুরু হতেই মুর্শিদাবাদ জেলার দুই থানার ওসিকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: যুবতীর সঙ্গে আশীলন আচরণে অভিযুক্ত তৃণমূল, নির্যাতিতার পাশে সন্দেশখালির প্রতিবাদী মহিলারা

    Raiganj: যুবতীর সঙ্গে আশীলন আচরণে অভিযুক্ত তৃণমূল, নির্যাতিতার পাশে সন্দেশখালির প্রতিবাদী মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটল রায়গঞ্জে (Raiganj)। আর সেই নির্যাতিতার পাশে দাঁড়াতে রায়গঞ্জে এলেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা। শুক্রবার রায়গঞ্জে আসেন সন্দেশখালির ১২জনের একটি দল। রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কার্তিক চন্দ্র পালের সমর্থনে কালিয়াগঞ্জে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর জনসভায় যোগ দেন তাঁরা। এমনকী হেমতাবাদে এক নির্যাতিতার পাশে দাঁড়ান তাঁরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Raiganj)

    ভোটের স্লিপ বিলি করতে গিয়ে এক মহিলার সঙ্গে অভব্য আচরণ করার অভিযোগ রায়গঞ্জে (Raiganj) হেমতাবাদে। জানা গিয়েছে, ভোটের স্লিপ দিতে এসে জল চেয়েছিলেন অভিযুক্ত। তারপরই বাড়ির এক যুবতীর সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন। অভিযুক্তকে গাছে বেধে মারধরের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। বিজেপির জেলা সভাপতিই ভিডিও পোস্ট করেন। অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক তৃণমূলের সমর্থক। এই ঘটনার পর অভিযোগকারী মহিলার সঙ্গে গিয়ে দেখা করেন সন্দেশখালির মহিলাদের ১২ জনের একটি দল। তাঁর পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, বিগত দিনে উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও একাধিক নারী নির্যাতনের অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিশেষ করে কালিয়াগঞ্জের সাহেবঘাটায় এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোরালো আন্দোলনেও নেমেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। এবারে লোকসভা নির্বাচনে সন্দেশখালির মহিলাদের বিজেপির হয়ে প্রচারে আসার ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    আরও পড়ুন: দুঃসহ জ্বালা! আজই কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪২ ডিগ্রি, চরম সতর্কতা জেলায় জেলায়

    সন্দেশখালির মহিলারা কী বললেন?

    এদিন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা বলেন, শুধু সন্দেশখালি নয়, গোটা পশ্চিমবঙ্গে নারীদের ওপরে যেভাবে অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারই বিরুদ্ধে আমরা প্রচারে নেমেছি। এই ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে কারণে আমরা এ জেলায় এসে মানুষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি। তৃণমূল ক্ষমতায় এলে ফের নারী নির্যাতন হবে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকারের বক্তব্য, নির্বাচনের আগেই যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে তাহলে ভোটে জেতার পর কি অবস্থা হবে তা ভেবেই ভোটারদের ভোট দেওয়া উচিৎ। তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি অরিন্দম সরকারের বক্তব্য, অভিযুক্ত তৃণমূল করেন কি না তা জানা নেই। আর সব দলেই খারাপ বা ভাল লোক থাকেন। যদি এমন কেউ করেই থাকেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দুঃসহ জ্বালা! আজই কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪২ ডিগ্রি, চরম সতর্কতা জেলায় জেলায়

    Weather Update: দুঃসহ জ্বালা! আজই কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪২ ডিগ্রি, চরম সতর্কতা জেলায় জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল জ্বর বা ভোট উত্তাপ সবকিছুকেই ছাপিয়ে যাচ্ছে তাপমাত্রার পারদ (Weather Update)। ক্রিকেট পাগল কলকাতায় রয়েছেন কিং কোহলি। রবিবাসরীয়  বিকেলে কেকেআর বনাম বেঙ্গালুরুর ম্যাচ। তবুও নিরুত্তাপ শহর। টিকিটের হাহাকার এখনও শোনা যায়নি ইডেন চত্বরে। গরমে যাব কি যাব না ভেবেই নাজেহাল ক্রিকেটপ্রেমীরা। ভোটে উত্তরবঙ্গে কী হয়েছে না হয়েছে তা নিয়েও চর্চা নেই চায়ের দোকানে। একটাই খবর, আজ কলকাতায় কত তাপমাত্রা?

    কলকাতার তাপমাত্রা

    জয়পুরে তাপমাত্রা (Weather Update) ৩২ ডিগ্রি, কলকতায় পারদ ছুঁল ৪১ ডিগ্রি। শহরের পারদ ৪২ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে আজই, শনিবার কলকাতায় চরম সতর্কতা জারি করল হাওয়া অফিস। আবহবিদদের আশঙ্কা, জেলায় জেলায় বইতে পারে লু। শুক্রবারই ৪১ ছুঁই ছুঁই ছিল কলকাতার পারদ । শুক্রবার কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। দমদম এবং সল্টলেক আগেই ৪০-এর গণ্ডি ছাড়িয়েছিল। শুক্রবারও সেই ধারা বজায় থাকল। দমদমে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। সল্টলেকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়েও দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি।  

    জেলায় জেলায় চলছে লড়াই

    বৈশাখের প্রথম সপ্তাহ থেকেই বাড়ছে তাপমাত্রা (Weather Update)। দেখা নেই কাল বৈশাখীর। দক্ষিণবঙ্গের ৮টি জেলায় গতকাল পারদ ছিল ৪২ ডিগ্রির ওপরে। গরমের নিরিখে রাজ্যে আবারও শীর্ষে পানাগড়। শুক্রবার সেখানকার তাপমাত্রা ছিল ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বৃহস্পতিবার শীর্ষে ছিল মেদিনীপুর। কিন্তু ফের শীর্ষস্থান দখল করল পানাগড়। গোটা রাঢ় বাংলা জুড়ে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। বাঁকুড়ায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। পুরুলিয়ায় ছিল ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বীরভূমের শ্রীনিকেতনে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সিউড়িতে দিনের তাপমাত্রা ৪৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আসানসোলে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। কৃষ্ণনগরে শুক্রবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মেদিনীপুরের তাপমাত্রা ছিল ৪৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। ঝাড়গ্রামে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। 

    আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা

    গরমে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। যদিও তার পরেও গরমের কারণে বহু মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দুপুরে রাজ্যের শিক্ষা দফতর সোমবার থেকে পাহাড় বাদে সমস্ত সরকারি স্কুলে গরমের ছুটি ঘোষণা করেছে। বেসরকারি স্কুলগুলিকেও এই চিন্তাভাবনা করতে বলেছে। কলকাতা-সহ জেলার অনেক বেসরকারি স্কুলই সোমবার থেকে ছুটি ঘোষণা করেছে। কিছু স্কুল অনলাইন ক্লাস নেওয়ার কথা জানিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: উত্তরবঙ্গে একইদিনে অমিত-রাজনাথ, ভোট-প্রচারে সভা দার্জিলিং, মালদা, মুর্শিদাবাদে

    Lok Sabha Election 2024: উত্তরবঙ্গে একইদিনে অমিত-রাজনাথ, ভোট-প্রচারে সভা দার্জিলিং, মালদা, মুর্শিদাবাদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাটের পর ফের উত্তরবঙ্গে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রথম দফার ভোট পর্ব (Lok Sabha Election 2024) মিটতেই দ্বিতীয় দফার প্রচারে ঝড় তুলতে চাইছে বিজেপি। রবিবারই দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে সভা করবেন অমিত। ওই দিনই অর্থাৎ রবিবার দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে সভা রয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়েরও। দার্জিলিঙের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ, মালদাতেও সভা করবেন রাজনাথ।

    অমিত শাহের সভা

    দার্জিলিং লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) আসনে ২০১৯ সালে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন রাজু বিস্তা। এ বার তাঁকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। দ্বিতীয় দফায়, ২৬ এপ্রিল সেখানে ভোট রয়েছে। তার আগে পাহাড়ে সভা করতে আসছেন অমিত। রাজ্যে এর আগে বালুরঘাটে সভা করে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে দার্জিলিং বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক সমীকরণের পাশাপাশি রয়েছে পৃথক রাজ্যের বিষয়টিও। সাধারণত দেখা যায় দার্জিলিঙে একই প্রার্থীকে দু’বার ভোটের টিকিট দেওয়া হয় না৷ কিন্তু মিথ বদলে এবারেও রাজু বিস্তাতে টিকিট দিয়েছে গেরুয়া শিবির ৷

    রাজনাথের সভা

    এবার ভোট প্রচারে (Lok Sabha Election 2024) এই প্রথম রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনিও সভা করবেন দার্জিলিঙে। তবে অমিত শাহের সঙ্গে একই মঞ্চে নয়। দার্জিলিঙের পরে রাজনাথের সভা রয়েছে মালদা উত্তর কেন্দ্রে। গত নির্বাচনী জয়ী খগেন মুর্মুকে এবারও প্রার্থী করেছে বিজেপি। তাঁর সমর্থনে সভা করবেন রাজনাথ। পরের সভা মুর্শিদাবাদে। এখানে বিজেপির প্রার্থী গৌরীশঙ্কর ঘোষ। গত নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। এবারও তিনি প্রার্থী। মুর্শিদাবামে বাম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম। মুর্শিদাবাদের পাশাপাশি মালদা দক্ষিণ কেন্দ্রের ভোটারদের উদ্দেশেও একই মঞ্চ থেকে বার্তা দেবেন রাজনাথ সিং। মালদা উত্তর এবং দক্ষিণ, মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে ভোট রয়েছে তৃতীয় দফায়, ৭ মে।

    আরও পড়ুন: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    রাজ্যে আসতে পারেন যোগী

    দ্বিতীয় দফার আগে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে (Lok Sabha Election 2024) আসছেন বিজেপি’র দুই হেভিওয়েট নেতা অমিত শাহ এবং রাজনাথ সিং৷ তালিকায় নাম রয়েছে যোগী আদিত্যনাথেরও৷  দলীয় সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যংয়েরনাথও সভা করবেন শৈলরানি দার্জিলিঙে ৷ তবে তিনি কবে সেখানে সভা করবেন সেই তারিখ এখনও চূড়ান্তভাবে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। বিজেপির শীর্ষ নেতাদের অনুমান উত্তরবঙ্গে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। তাই বরাবর সেখানে প্রচারে গুরুত্ব দেয় পদ্ম শিবির। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কলকাতার পারদ ছুঁল ৪০ ডিগ্রি! আরও বাড়বে তাপমাত্রা, কবে মিলবে স্বস্তি?

    Weather Update: কলকাতার পারদ ছুঁল ৪০ ডিগ্রি! আরও বাড়বে তাপমাত্রা, কবে মিলবে স্বস্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সল্টলেক, দমদমের মতো এবার কলকাতার (Kolkata Summer) পারদ ছুঁল ৪০ ডিগ্রি। শুক্রবার বেলা আড়াইটে পর্যন্ত কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল থেকেই সূর্যের তেজে বাইরে বেরনো দায় ছিল। সন্ধ্যে নামলেও বইছিল গরম হলকানি (Weather Update)। আগামী সাত দিনে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে।

    কোথায়, কত তাপমাত্রা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) পরিসংখ্যান বলছে, শুক্রবার বেলা আড়াইটে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা রয়েছে বাঁকুড়ায়। সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর পরেই আছে আসানসোল। সেখানকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছে ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। এ ছাড়া, শ্রীনিকেতনে শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছে ৪১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ক্যানিংয়ে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দমদমে ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সল্টলেকে ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পারদ উঠেছে।

    কবে মিলবে স্বস্তি

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, আপাতত দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র তাপপ্রবাহ জারি থাকবে। গরমের অস্বস্তি থেকে এখনই রেহাই মিলবে না। আগামী মঙ্গলবার থেকে কালবৈশাখীর দেখা মিলতে পারে। বিকেলের দিকে হালকা বৃষ্টি গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। তবে তার জেরে দক্ষিণবঙ্গে এখন অস্বস্তিকর গরম কমার সম্ভাবনা নেই। উল্টে আগামী তিন দিন তাপমাত্রা এক থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মঙ্গলবার পর্যন্ত গোটা দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    গরমে জোব্বা পরতে হবে না 

    শুক্রবার একটি বিশেষ বিবৃতি জারি করে কলকাতা হাই কোর্ট জানিয়েছে আইনজীবীদের আপাতত এই আবহাওয়ায় কালো জোব্বা পরতে হবে না। আদালতে সাধারণত নির্দিষ্ট পোশাকবিধি মেনেই পোশাক পরতে হয় আইনজীবীদের। তার মধ্যে অন্যতম ওই সিল্ক বা মোটা কাপড়ের কালো জোব্বা। আদালত চত্বরে যা-ও বা অনেকে জোব্বা খুলে হাতে রাখেন, এজলাসে গেলে তা না পরে উপায় নেই। কিন্তু গরমে ওই পোশাক বার বার খোলা-পরার যেমন অনুপযোগী, তেমনই অস্বস্তিকর গরমের মধ্যে ওই জোব্বা পরে এজলাস থেকে এজলাসে ছুটে বেড়ানো। আদালতকে এই অস্বস্তির কথা জানিয়ে দরবার করেছিলেন বহু আইনজীবী। অবশেষে সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে আগামী জুন মাসে আদালতের গ্রীষ্মাবকাশ শেষ হওয়া পর্যন্ত।

    স্কুলে ছুটি ঘোষণা

    একই সঙ্গে এই গরমের ফলে স্কুলগুলির ছুটি এগিয়ে আনা হয়েছে। সরকারি স্কুল সবই বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধআন্ত নিয়ে শিক্ষা দফতর। বেসরকারি স্কুলগুলিকেও গরমের ছুটি এগিয়ে আনার জন্য আবেদন করা হয়েছে। সেই মতো কলকাতা-সহ জেলার বিভিন্ন স্কুল হয় ছুটি দিয়েছে নতুবা স্কুল বন্ধ করে অনলাইন মোডে ক্লাস করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: সেই শীতলকুচিতে ভোট দিতে এসে পাথরে ক্ষতবিক্ষত ভোটারের চোখ! অভিযুক্ত তৃণমূল

    Lok Sabha Election 2024: সেই শীতলকুচিতে ভোট দিতে এসে পাথরে ক্ষতবিক্ষত ভোটারের চোখ! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও শিরোনামে শীতলকুচি। গণতন্ত্রের ভোট (Lok Sabha Election 2024) উৎসবে রেহাই পেলেন না সাধারণ ভোটারও। লোকসভা ভোটের প্রথম দফায় ‘রক্তারক্তিকাণ্ড’ ঘটল। শীতলকুচিতে (Sitalkuchi) ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে আক্রান্ত ভোটার (Voter), পাথরে ক্ষতবিক্ষত হল চোখ। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। ভোট দিতে আসাই যেন কাল হল কোচবিহারের ওই বাসিন্দার।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Lok Sabha Election 2024)?

    স্থানীয় জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন এক ভোটার। হঠাৎ অতর্কিতে হামলা হয়। দুষ্কৃতীদের আঘাতে চোখ ফেটে যায় ওই ভোটারের। এরপর যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে চিকিৎসকের কাছে গেলে চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান, ক্ষত গভীর। আপাতত ওই ব্যক্তির চোখে ব্যান্ডেজ করা হয়েছে। ছেলের এই অবস্থা দেখে চোখে জল এসে গিয়েছে মায়ের। ভোট দিতে এসে এভাবে আক্রান্ত হতে হবে, ভাবেননি তাঁরা। আক্রান্ত ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমরা তো চাই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হোক। কিন্তু সেটা আর ওরা কোথায় হতে দিল! ভোট দিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হয়, মার খায়!’

    আক্রান্ত ভোটারের বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে শীতলকুচির আক্রান্ত ভোটার বলেন, “আমি সকালবেলা ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিতে গিয়েছিলাম। তখন ভোট কাউন্টার খোলেনি। আমি ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। কাউন্টার খোলার পর আমরা ভোট (Vote) দিই। বাড়ি ফেরার সময় পিছনে চিৎকার চেঁচামেচির আওয়াজ শুনতে পাই। তৃণমূলের (TMC) লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি করছিল। আওয়াজ শুনে পিছন ফিরে দেখি পাথর ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে। সেই পাথর এসেই আমার চোখে লাগে।” তৃণমূলের লোকেরাই সেই পাথর মেরেছে বলে দাবি করেন আক্রান্ত ভোটার। এছাড়াও তিনি বলেন, “তাঁকে পুলিশ কিংবা কেন্দ্রীয় বাহিনী (CRPF) কেউ হাসপাতালে নিয়ে যায়নি।”

    বিধানসভা ভোটে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল

    প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল এই কেন্দ্র। চলেছিল গুলি। আর সেখানেই এবার ভোটার লাইনে দাঁড়িয়ে আক্রান্ত হলেন ভোটার। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ভোটের মরশুমে এমন ঘটনায় হইচই পড়ে গেছে এলাকায়। কিন্তু এত বড় একটা ঘটনা ঘটল কীভাবে? কোথায় ছিলেন নিরাপত্তাকর্মীরা? কেন এগিয়ে এল না কেন্দ্রীয় বাহিনী? তা নিয়ে উঠছে বিস্তর প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: সন্দেশখালির ছায়া দিনহাটায়, মহিলাদের প্রবল বিক্ষোভে পালিয়ে বাঁচলেন উদয়ন

    Cooch Behar: সন্দেশখালির ছায়া দিনহাটায়, মহিলাদের প্রবল বিক্ষোভে পালিয়ে বাঁচলেন উদয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের এলাকায় বিক্ষোভের মুখে পড়ে কার্যত পালিয়ে বাঁচলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা দিনহাটার (Dinhata) বিধায়ক উদয়ন গুহ। এদিনের ছবি মনে করিয়ে দেয় সন্দেশখালির স্মৃতি। কোচবিহারের (Cooch Behar) ভেটাগুড়ি এলাকায় মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পুলিশকে সঙ্গী করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান উদয়নবাবু (Udayan Guha)। ঘটনায় সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেতা নিশীথ প্রমাণিক।

    উদয়নের বিরুদ্ধে মহিলাদের প্রতিবাদ (Cooch Behar)

    এলাকার (Cooch Behar) এক পঞ্চায়েত সদস্যকে আটক করার প্রতিবাদে শুরু হয় বিক্ষোভ। ওই পঞ্চায়েত সদস্য আবার বিজেপি (BJP) নেতা। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর পরেই প্রতিবাদ শুরু করেন স্থানীয় মহিলারা। উদয়ন গুহর অঙ্গুলিহেলনে এসব করা হয়েছে বলে তাঁদের মত। উদয়নবাবু এরপর জোর দেখাতে ওই এলাকায় এসেছেন বলে চেঁচাতে শুরু করেন প্রতিবাদীরা। তাঁরা বিক্ষোভ শুরু করেন।

    মহিলাদের বক্তব্য

    স্থানীয় (Cooch Behar) মহিলাদের বক্তব্য, “এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছিল। উদয়ন গুহ নিজের মতো ভোট করানোর জন্য পুলিশকে বলে পঞ্চায়েত সদস্যকে গ্রেফতার করিয়ে দিয়েছেন। তিনি আসার পরেই এলাকার পরিস্থিতি অশান্ত হতে শুরু করে। প্রসঙ্গত ভোটের আগে দাপিয়ে বেরিয়েছিলেন উদয়ন গুহ। এদিনও বিভিন্ন জায়গায় তিনি দাপিয়ে বেড়ান। কিন্তু এলাকার মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে যেভাবে পালিয়ে গেলেন, তাতে তাঁর কতটা ইজ্জত শেষ রইল তা প্রশ্নাতীত।”

    নিশীথের বক্তব্য

    পাল্টা কোচবিহার (Cooch Behar) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রমাণিক (Nisith Pramanik) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী কয়েকদিন আগে বলেছিলেন মা-বোনেদের ঝাঁটা হাতে তৈরি থাকতে। মা-বোনেরা তৈরি আছেন। এবার তিনি দেখুন মা-বোনেরা এগিয়ে এলে কেমন লাগে। গোটা বাংলা ধীরে ধীরে সন্দেশখালি হয়ে উঠছে। উদয়ন গুহ যেখানেই যাচ্ছেন অশান্তি করছেন। তাই মহিলারা বিক্ষোভ দেখাবেনই।”

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতারের চেষ্টা পুলিশের, নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার শিলিগুড়িতে

    কী বললেন উদয়ন?

    যদিও দিনহাটার (Cooch Behar) বিধায়ক উদয়ন গুহ বলেন, “বিজেপির সাজানো বিক্ষোভ। কাউকেই গ্রেফতার করার নির্দেশ দিইনি। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা ভেবে গ্রেফতার করেছে বিজেপির ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতারের চেষ্টা পুলিশের, নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার শিলিগুড়িতে 

    Siliguri: বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতারের চেষ্টা পুলিশের, নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার শিলিগুড়িতে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা (Siliguri) কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়কে পুলিশের গ্রেফতারির চেষ্টায় উত্তেজনা ছড়াল শিলিগুড়িতে। বিজেপি বিধায়ককে আটকে দেয় পুলিশ। প্রথম দফার ভোট শুরু হতেই উত্তেজনা উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায়। লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটে (Lok Sabha Election 2024) উত্তরবঙ্গের তিনটি কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে জলপাইগুড়ি আসন। শিলিগুড়ি শহর লাগোয়া ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র জলপাইগুড়ি আসনের অন্তর্গত। এর মধ্যে রয়েছে শিলিগুড়ি পুরসভার সংযোজিত এলাকার ১৪ টি ওয়ার্ড। পরাজয় নিশ্চিত বুঝেই শিলিগুড়ির মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেব পুলিশ লেলিয়ে অনৈতিকভাবে তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ শিখ চট্টোপাধ্যায়ের। এই ঘটনায় বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। উত্তেজনা ছড়ায়।

    ঠিক কী হয়েছিল (Lok Sabha Election 2024)?

    ভোটের দিনে (Lok Sabha Election 2024) সকালে নিজের বিধানসভা (Siliguri) এলাকায় বুথে বুথে ঘুরে দলীয় কর্মীদের খোঁজখবর নিচ্ছিলেন শিখা চট্টোপাধ্যায়। সেইমতো তিনি দুপুরের পর শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে পৌঁছলে পুলিশ তাঁর গাড়ি আটকে সামনে বসে পড়ে। তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টাও করে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্বাচন বিধি ভেঙে বুথের মধ্যে ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন শিখাদেবী। পুলিশের এই ভূমিকায় বিজেপি নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে বিক্ষোভ দেখান। পুলিশ পিছু হটলে শিখাদেবীকে বের করে তাঁরা দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যান।

    “গৌতম দেবের নির্দেশেই পুলিশের এই কাজ”

    ভোটের (Lok Sabha Election 2024) দিনে এদিন দলীয় (Siliguri) কার্যালয়ে বসে শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমি এলাকার বিধায়ক। কাজেই এই বিধানসভা কেন্দ্রের সব জায়গাতেই আমার যাওয়ার অধিকার রয়েছে। আমি এভাবে সকাল থেকে বুথে বুথে ঘোরায় শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব চিন্তায় পড়ে যান। তাঁর ওয়ার্ডে পৌঁছলে আতঙ্কিত হয়ে পুলিশকে লেলিয়ে দেন তিনি। কেননা আমি যেভাবে এলাকায় ঘুরছি, তাতে তাঁর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থী বিপুল ভোটে এগিয়ে থাকবে। নিজের ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থীকে লিড দিতে না পারলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে গৌতম দেবকে। সেই আতঙ্কে তিনি পুলিশকে দিয়ে আমাকে অনৈতিকভাবে গ্রেফতারের চেষ্টা করা করেন। পুরুষ পুলিশ আমাকে টানা-হ্যাঁচড়া করেছে, এটা শ্লীলতাহানির সমান। আমি নির্বাচন কমিশনকে পুরো ঘটনা জানাব।

    আরও পড়ুনঃ টর্নেডোয় সর্বস্ব খুইয়েছেন, নেই ভোটার কার্ড! স্লিপ নিয়েই ভোট দিলেন ময়নাগুড়ির ভোটাররা

    শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের বক্তব্য

    শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র গৌতম দেব বলেন, “এদিন সকাল থেকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং ফুটেজে দেখেছি শিখা চট্টোপাধ্যায় বুথের ভিতরে ঢুকে যাচ্ছেন নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) বিধি ভেঙে। উনি এভাবে নিজের বুথের বাইরে অন্য কোনও বুথের মধ্যে ঢুকতে পারেন না। আমরা সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: টর্নেডোয় সর্বস্ব খুইয়েছেন, নেই ভোটার কার্ড! স্লিপ নিয়েই ভোট দিলেন ময়নাগুড়ির ভোটাররা

    Jalpaiguri: টর্নেডোয় সর্বস্ব খুইয়েছেন, নেই ভোটার কার্ড! স্লিপ নিয়েই ভোট দিলেন ময়নাগুড়ির ভোটাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার কার্ড নয়, এবার ভোটার স্লিপ নিয়েই ভোট দিলেন ময়নাগুড়ির (Maynaguri) ঝড়বিধ্বস্ত এলাকার ভোটাররা। গত ৩১ মার্চ বিধ্বংসী টর্নেডো ঝড়ে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ি ব্লকের বিস্তীর্ণ অংশের মানুষ সর্বস্ব খুইয়েছেন। বহু মানুষের অন্যান্য সামগ্রীর সঙ্গে হারিয়ে কিংবা নষ্ট হয়ে গিয়েছে ভোটার কার্ড। তাই ঝড়বিধ্বস্ত এলাকার মানুষদের যাতে ভোট দিতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেজন্য সেখানকার মানুষ ভোটের স্লিপ (voter slip) দেখিয়েই ভোট দিতে পারবেন বলে নির্বাচন কমিশন আগেই ঘোষণা করেছিল।

    আগেই দেওয়া হয় ভোটের স্লিপ (Jalpaiguri)

    সেই মতো প্রশাসনের তরফ থেকে ভোটের আগে ঝড়বিধ্বস্ত এলাকার মানুষদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয় ভোটের স্লিপ। ঝড়ে ঘড়বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মন খারাপের মাঝেও ভোট নিয়ে যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে বিধ্বস্ত এলাকার বাসিন্দাদের। গ্রামের বাসিন্দা শিবু রায় বলেন, ‘ভোট দিতে কোনও সমস্যা হয়নি। আমি আধার কার্ড (Adhar card) দেখিয়ে ভোট দিয়েছি। অনেকের সব কাগজই হারিয়ে গিয়েছে। তাঁরা ভোটার স্লিপ দেখিয়ে ভোট দিচ্ছেন। অনেকে হাসপাতাল থেকে টোটো করে এসে ভোট দিয়ে যাচ্ছেন।’

    ঝড়বিধ্বস্ত এলাকার পাশে বিজেপি

    উল্লেখ্য ঝড়ের পর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ অন্যান্য বিজেপি (BJP) নেতারা ঝড়বিধ্বস্ত এলাকায় গিয়েছিলেন। পাশাপাশি ধুপগুড়ির (Jalpaiguri) সভায় এসে ঝড়বিধ্বস্ত মানুষদের পাশে থাকার কথা শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) গলাতেও। তাই স্বাভাবিক ভাবেই ঝড়বিধ্বস্ত এলাকার ভোটের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলেরও৷ গত ৩০ মার্চ বিকেলে বিধ্বংসী টর্নেডোয় তছনছ হয়ে গিয়েছিল জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলার বেশ কিছু এলাকা। এই এলাকার মানুষ সম্পূর্ণ টিন দিয়ে নিজেদের বাড়ি তৈরি করে থাকেন। কয়েক মিনিটের ঝড়ের দাপটে খেলনার মতো উড়ে যায় একের পর এক বাড়ি। মানুষের সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়েছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share