Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sukanta Majumdar: তৃণমূলে ভাঙন! সুকান্তর হাত ধরে শয়ে শয়ে যোগদান বিজেপিতে

    Sukanta Majumdar: তৃণমূলে ভাঙন! সুকান্তর হাত ধরে শয়ে শয়ে যোগদান বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে শুক্রবার যখন প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন চলছে, ঠিক সেই সময় দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) জেলার বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার বোল্লা মন্দিরে পুজো দিয়ে ভোটের প্রচার শুরু করলেন। এরপর এক যোগদান সভায় শয়ে শয়ে তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন। এই ঘটনায় জেলা বিজেপি আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    যোগদান কর্মসূচি (Sukanta Majumdar)

    ভোট প্রচারে বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের চকমাধব এলাকায় যান প্রার্থী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রায় ২৫০ জন তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন। সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে এদিনের যোগদান কর্মসূচি পালন করা হয়। বিজেপিতে যোগদান করে গ্রামবাসীরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “চকমাধব গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে ২ কিলোমিটার রাস্তা বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। গ্রামের বাসিন্দারা সমস্যায় রয়েছে। যার ফলে একবার ভোট বয়কটর ডাক দিয়েছিল গ্রামবাসীরা। রাস্তার সমস্যার সমাধান না হওয়ায় এদিন ভোট প্রচারে গিয়ে সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন গ্রামবাসীরা।

    সুকান্তর বক্তব্য

    প্রচারে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আজ বোল্লা মায়ের কাছে পুজো দিয়ে বালুরঘাট ব্লকে ভোট প্রচার শুরু করলাম। প্রচারে লোকের উৎসাহ দেখে বুঝতে পারছি জয় নিশ্চিত। বালুরঘাট ব্লকের চকমাধব গ্রামে প্রচার করতে এসে প্রায় ২৫০ জন তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন। কারণ তাঁদের গ্রামে যাবার রাস্তা বেহাল। আমি তাঁদের আশ্বাস দিলাম আমি জেতার পর সর্বপ্রথম এই রাস্তাটি সংস্কার করব।”

    শুট এন্ড সাইটের অর্ডার

    প্রসঙ্গত এদিন ছিল প্রথম দফার নির্বাচন। প্রথম দফাতেই অশান্তি শুরু। শীতলকুচিতে বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ডাবগ্রাম ফুলবাড়িতে বিজেপি নির্বাচনী বুথে আগুন সহ তিন জেলার অশান্তি নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “ভোটে তৃণমূল কিছু করবে না, এটা হতে পারে না। সেই জন্য বারবার বলছি এই সিইও থাকলে নিরপেক্ষ ভাবে ভোট সম্ভব নয়। এই সিইও উস্কানিমূলক আচরণ করছে। ওনাকে সাসপেন্ড করা দরকার। স্পর্শকাতর জায়গাগুলোতে কমপক্ষে ৮ জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া দরকার ছিল। তাঁদের শুট অ্যাট সাইটের অর্ডার দেওয়া দরকার ছিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: “যতদিন তৃণমূল আছে হিংসা হবেই, জনগণই প্রতিরোধ করছে”, ভোট দিয়ে তোপ নিশীথের

    Nisith Pramanik: “যতদিন তৃণমূল আছে হিংসা হবেই, জনগণই প্রতিরোধ করছে”, ভোট দিয়ে তোপ নিশীথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই ভোটদান (Lok Sabha Election 2024) প্রক্রিয়া চলছে উত্তরবঙ্গের তিন আসনে। ইতিমধ্যেই নিজের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তথা কোচবিহার (Cooch Behar) লোকসভা আসনে বিজেপির প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। এদিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭/২০৬ নং বুথে ভোট দিলেন এই বিজেপি প্রার্থী। ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বের হন তিনি। নিজের ভোট দিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “যতদিন তৃণমূল আছে হিংসা হবেই, জনগণই প্রতিরোধ করছে।”

    কী বললেন নিশীথ?

    শুক্রবার ভোটদান সেরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik) বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাস করবার চেষ্টা করছে। সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করছে। বহু জায়গায় দুষ্কৃতীরা বুথ এজেন্টদের, সাধারণ ভোটারদের আটকাবার চেষ্টা করছে। আমাদের এখানকার মানুষ পঞ্চায়েত নির্বাচন, পুরসভা নির্বাচনেও ভোট দিতে পারেনি। তাই গণপ্রতিরোধ গড়ে উঠেছে।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন সকালেই কমিশনে জমা পড়ল ৩৮৩টি অভিযোগ, কী বললেন রাজ্যপাল

    উদয়ন গুহ প্রসঙ্গে নিশীথের বক্তব্য

    উদয়ন গুহ প্রসঙ্গে বিজেপি (BJP) প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik) বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছিলাম, উদয়ন গুহর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে। তিনি যেখানেই যাচ্ছেন কর্মীদেরকে প্রভাবিত করছেন, উস্কানিমূলক ভাষণ দিয়ে চলেছেন, তাই সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলা হচ্ছে, গাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যতদিন তৃণমূল আছে, হিংসা হবেই। তবে এবার জনগণই প্রতিরোধ করছে। ভোট কিছুটা শান্তিপূর্ণ হচ্ছে। তবে তাঁর গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত হলে আরও শান্তিপূর্ণ ভোট হত। তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস ভয় পেয়ে গিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।” উল্লেখ্য, অন্যদিকে সকাল থেকেই রাস্তায় রাস্তায় দেখা গিয়েছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে (Udayan Guha)। প্রার্থী না হওয়া সত্ত্বেও উপদ্রুত এলাকাগুলিতে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে এই তৃণমূল নেতাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: “নাম নেই, আমি নাকি মরে গিয়েছি”! ভোট দিতে পারলেন না বৃদ্ধা, অভিযোগে তোলপাড়

    Dhupguri: “নাম নেই, আমি নাকি মরে গিয়েছি”! ভোট দিতে পারলেন না বৃদ্ধা, অভিযোগে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল সাতটা নাগাদ ভোট দিতে গিয়েছিলেন। দেড় ঘণ্টা হয়ে গেলেও ভোট দিতে পারেননি। এরপর প্রিসাইডিং অফিসার বলেন, আপনার নাম বাতিল হয়ে গিয়েছে। এবছর কিছু হবে না। পরে দেখা যাবে। তিনি কাকে যেন ফোন করলেন, তবু কিছুই হল না। ঠিক এমনই অভিযোগ করলেন ধূপগুড়ির (Dhupguri) একজন বৃদ্ধা ভোটার। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। জীবিত ভোটার খাতায় কলমে ‘মৃত’!

    ভোট দিতে গিয়ে দেখেন ভোটার ‘মৃত’ (Dhupguri)

    এদিন জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) লোকসভা কেন্দ্রের ধূপগুড়ি (Dhupguri) পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বৈরাতিগুড়ি হাইস্কুলে ভোট কেন্দ্রে যান বাসন্তী দাস। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ১৫/১৮৬ নম্বর বুথে ভোট দিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তিনি নাকি খাতায় কলমে মৃত। তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ হয়ে গেছে। কাঁদতে কাঁদতে এই ভোটার বলেন, “আমাকে বলেছে আমি নাকি মরে গেছি। আমার নাম কেটে দিয়েছে ওরা। ভোট দিতে দেবে না বলে মৃত দেখিয়ে দিল।”

    ভোটারের বক্তব্য

    ধূপগুড়ির (Dhupguri) ভোটার বাসন্তী দাস বলেন, “প্রিসাইডিং অফিসার আমাকে বলেছেন, তাঁর কিছু করার নেই। ভোটার তালিকায় নাম নেই। ডিলিট হয়ে গেছে। তাই ভোট দিতে পারবেন না। তাই ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই আমাকে।” বৃদ্ধার ছেলে উজ্জ্বল দাস এই প্রসঙ্গে বলেন, “মা একা ভোট দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওখানে বলে তোমার নাম নেই। তুমি মৃত। মা বাইরে এসে আমাদের জানায়। ফের কথা বললে জানায়, নামের জায়গায় মৃত লেখা আছে। আমরা পরে বুঝে নেব। মা প্রায় দেড় ঘণ্টা ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারপরেও ভোট দিতে পারেননি। আমরা তো প্রতিবার এখানেই ভোট দিই। এবারে কী হল জানি না।”

    আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে তৃণমূল নেতা সুনীলের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ! ভোট শুরুর প্রথম দিনেই কী বার্তা দিলীপের?

    ভক্তিনগর এলাকায় একই ঘটনা ঘটেছে

    অন্যদিকে একই ভাবে খাতায় কলমে মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৪ নং ওয়ার্ডের বাল্মীকি বিদ্যাপীঠ স্কুলে। জানা গিয়েছে ভক্তিনগর এলাকার বাসিন্দা গোবিন্দ রায় নির্ধারিত সময়ে ভোট দিতে আসেন। লাইনে দাঁড়িয়ে তিনি যখন বুথে ঢোকেন তখন জানতে পারেন তালিকায় তাঁর নাম নেই। তিনি নাকি মৃত! তবে প্রশ্ন হচ্ছে যে ব্যক্তি নিজের পায়ে হেঁটে ভোটার লাইনে আসেন সেই ক্ষেত্রে কী করে তিনি মৃত হতে পারেন। এদিন গোবিন্দ রায় বলেন, “সকাল সকাল এসে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। বুথে পৌঁছাতেই জানতে পারি তালিকা অনুযায়ী আমি মৃত। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ভোট দিয়েছে। শুধু আমি ভোট দিতে পারলাম না।” বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের ভোটার নন। এমন সন্দেহ হলেই নাম বাদ দিয়ে দিচ্ছে প্রশাসন।

    ভোটের দিনেই অশান্তি

    প্রসঙ্গত এরকম একাধিক অভিযোগ উঠেছে তিন কেন্দ্রেই। বহু মানুষ ভোট দিতে পারেননি। এমনকি বিরোধী দলের এজেন্টকেও বসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। শাসক দল তৃণমূলের নেতারা বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ব্যাপক মারধর এবং অশান্তি করেছে খবর উঠে আসছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিজেপি অভিযোগ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনে। ধুপগুড়িতে (Dhupguri) জীবিত ভোটার এখন মৃত। ঘটনায় চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে। কোচবিহারের (Coochbehar) বিজেপি প্রার্থী (BJP) নিশীথ প্রামাণিক ভোট দিয়েই অভিযোগের সুরে বক্তব্য রেখে বলেন, উদয়ন গুহ যেখানে যাচ্ছেন অশান্তি পাকাচ্ছেন। সংবাদ মাধ্যমের গাড়িতেও হামলা করানো হচ্ছে। মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না। শুধু কোচবিহারে নয়, উত্তরবঙ্গের অন্যান্য কেন্দ্রেও উঠেছে রিগিং ও অনিয়মের অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Poll 2024: ভোটের দিন সকালেই কমিশনে জমা পড়ল ৩৮৩টি অভিযোগ, কী বললেন রাজ্যপাল

    Lok Sabha Poll 2024: ভোটের দিন সকালেই কমিশনে জমা পড়ল ৩৮৩টি অভিযোগ, কী বললেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রথম দফায় রাজ্যে তিন জেলায় ভোট গ্রহণ হচ্ছে। সকাল পেরিয়ে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই নানা জায়গা থেকে অভিযোগের পাহাড় জমা পড়েছে। সকালে নির্বাচন কমিশনের অফিসে ৩৮৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে। কমিশন জানিয়েছে, সব মিলিয়ে ১৯৫টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়েছে এখনও। রাজভবনের পিস রুমেও আসছে একের পর এক অভিযোগ। সূত্রের খবর, কমিশনের দিল্লির অফিস থেকে এ ব্যাপারে রাজ্য এবং জেলা নির্বাচনী দফতরের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। 

    রাজভবনের পিসরুমে অভিযোগ

    শুক্রবার সকাল ১০.৩০ মিনিট নাগাদ কলকাতার রাজভবনের পক্ষ থেকে পিস রুম খোলা হয়েছে ৷ লোকসভা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যদি কোনও অভিযোগ থাকে সাধারণ মানুষের, তাহলে তাঁরা ফোন করে সরাসরি সেই অভিযোগ জানাতে পারবেন রাজভবনে। রাজ্যপাল এদিন নিজে পিস রুমে ছিলেন। তাঁর সামনেই বেশ কিছু অভিযোগ আসে। রাজ্যপাল বলেন,’রাজনৈতিক অশান্তির অভিযোগ আসছে, পুলিশের বিরুদ্ধেও আসছে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ।’ রাজভবনের পিস রুমে সকাল থেকে এখনও পর্যন্ত ১৮৭টি অভিযোগ এসেছে ই-মেলের মাধ্যমে। কোচবিহার থেকে ভুয়ো ভোটের অভিযোগও এসেছে রাজভবনে৷

    কমিশনে জমা পড়া অভিযোগ

    এখনও পর্যন্ত কমিশনে মোট অভিযোগ জমা পড়েছে ৩৮৩ টি। তারমধ্যে ১৯৫ টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে কমিশনের দাবি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে কোচবিহারে, প্রায় ১৩২ টি। আলিপুরদুয়ার এ ৮৩ টি ও জলপাইগুড়ি তে ৫৯ টি।‌ এছাড়া কমিশনের সি-ভিজিল অ্যাপের মধ্যমে আলিপুরদুয়ার এ ৫০ টি, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি তে যথাক্রমে ১৫ ও ১৬ টি করে অভিযোগ জমা পড়েছে। পাশাপাশি সিএম‌এস (CMS) পোর্টালে আলিপুরদুয়ারে ২ টি, কোচবিহারে ২৫ টি ও জলপাইগুড়ি তে ১ টি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন।

    অশান্ত কোচবিহার

    আজ সকাল থেকেই কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গা থেকে হিংসার ঘটনা সামনে এসেছে। কোচবিহার জেনকিন্স স্কুলের বুথে উত্তেজনা দেখা যায় সকাল সকাল। অভিযোগ, নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করে বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি ও তৃণমূলের পতাকা লাগানো হয়েছে। এই বিষয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি। পরে ছবি-পতাকা সরিয়ে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। কোচবিহারের শীতকুচিতেও একাধিক হিংসার ঘটনা ঘটে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি কর্মীকে হাঁসুয়ার কোপ মারারও অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির পোলিং এজেন্টকে অপহরণের অভিযোগও উঠেছে। ২২১ নম্বর বুথের পোলিং এজেন্ট বিশ্বনাথ পালকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের বাইক বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে বিজেপি। এ বিষয়েও রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুন: ভোট-হিংসা ঠেকাতে কমিশনকে বার্তা রাজ্যপালের, কালীঘাট মন্দিরে দিলেন পুজো

    নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট তলব

    কোথাও বুথ থেকে এজেন্টকে বের করে দেওয়া, কোথাও বা বুথের সামনেই বিজেপি-তৃণমূলের সংঘর্ষ, আবার কোথাও বুথের অদূরে বোমা উদ্ধার- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা। এ বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। এত ফোর্সের পরও কোচবিহারে কীভাবে একের পর এক বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা, তা জানতে চেয়েই রিপোর্ট চাইল কমিশন। ১০০ শতাংশ বুথে ওয়েবকাস্টিং এবং প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকার পরেও কেন ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার নীতেশ ব্যাস (Deputy Election Commissioner Nitesh Vyas) রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবকে ফোন করে উদ্বিগ্নতার কথা প্রকাশ করেছেন। বুথের বাইরে কেন এরকম অশান্তি হচ্ছে। অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে নির্দেশ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dilip Ghosh: বর্ধমানে তৃণমূল নেতা সুনীলের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ! ভোট শুরুর প্রথম দিনেই কী বার্তা দিলীপের?

    Dilip Ghosh: বর্ধমানে তৃণমূল নেতা সুনীলের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ! ভোট শুরুর প্রথম দিনেই কী বার্তা দিলীপের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে গেলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বৃহস্পতিবার রাতে বর্ধমানের উল্লাসে সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে পৌঁছন দিলীপ। দু’জনের মধ্যে এক ঘণ্টারও বেশি সময় কথা হয়। প্রসঙ্গত দিলীপ ঘোষের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটারও ব্যবস্থা করেছিলেন সুনীল। তবে বিষয়টিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে উল্লেখ করেছেন দুজনেই। লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন দলের কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না এই তৃণমূল নেতাকে। তিনি বলেন, “দল ডাকেনি তাই নামিনি।” অপর দিকে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে প্রথম দফার ভোটে আক্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ।

    কী কারণে সুনীল-দিলীপের সাক্ষাৎ (Dilip Ghosh)?

    বর্ধমান শহরে ঢোকার মুখেই দু-নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে সাংসদ সুনীল কুমার মণ্ডলের বাড়ি। তাঁর বাড়ির নাম অভিযান। কী কারণে সুনীল মণ্ডলের সঙ্গে সাক্ষাৎ? এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “সুনীলদা আমার পুরনো বন্ধু। আমার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হল। একই ভাবে সেই কেক খাওয়ানো হয়েছে আমাকে। কিছুই করছেন না তিনি। অনুরোধ না করতেই চলে এসেছি আমি। রাজনীতির সঙ্গে কোনও যোগ নেই। এখন দেখা যাক কী করেন তিনি, কোথায় যান।”

    প্রথম দফায় অশান্ত নির্বাচন! প্রতিক্রিয়া দিলীপের

    প্রথম দফা নির্বাচন প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “তৃণমূলের পুরনো অভ্যাস, কোথাও বোমা পাওয়া যাচ্ছে, বন্দুক পাওয়া যাচ্ছে। আমার যেটা মনে হচ্ছে এবার পশ্চিমবঙ্গের ভোট শান্তিপূর্ণ হবে। যেমন রাম নবমীর মিছিল শান্তিপূর্ণ হয়েছে। টিএমসির অভ্যাস ঝগড়া করা, ভয় দেখানোর চেষ্টাও করে থাকে। মানুষ বুঝে গিয়েছে, তাই জবাব দেবে মানুষ।” প্রসঙ্গত বর্ধমানের কার্জন গেট চত্বরে বিজেপির পতাকা ছেঁড়া হয়। এনিয়ে শুরু হয় অশান্তি। এপ্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, “এসব ছিঁচকে চোরের মতো কোথাও দেওয়াল মুছে দিচ্ছে, পতাকা ছিঁড়ে দিচ্ছে। এসব করে ভোট হয়? যারা লড়তে পারে না, তারা এই ধরনের কাজ করে। তবে বেশিদিন চলবে না, ঠিক হয়ে যাবে। আমরাও দেখছি পুলিশ কী করছে, না হলে বাকিটা আমরাই করব।”

    আরও পড়ুনঃ কোথাও তৃণমূলের বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, হামলা! ভোটে অশান্ত উত্তরবঙ্গ

    শীতলকুচি প্রসঙ্গে বক্তব্য

    শীতলকুচি প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা উদয়ন গুহর জায়গা, গন্ডগোল হবেই। ওরা যেকটা আছে গন্ডগোল করে। গতবারের শিতলকুচি, সীতাইয়ের প্রার্থী এবারের লোকসভার প্রার্থী হয়েছে, সে লোকসভা ভোটের পরে পালিয়ে গিয়েছিল এলাকা ছেড়ে, ছ’মাস আসেনি। আমরা বলেছিলাম কাউকে তাড়াব না আমরা। দিনহাটা, কোচবিহারে বাংলাদেশ থেকে গুন্ডা নিয়ে আসা হয়, উৎপাত করা হয়। তারপরেও শীতলকুচি বিধানসভায় আমরা জিতেছি। এবার সব জায়গায় লিড পাবে বিজেপি।” অন্যদিকে প্রথম দফা ভোটের আগে বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে অশান্তি। রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে কোচবিহারে সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে নির্বাচন। এখনও পর্যন্ত ভোটের যা অভিযোগ, প্রায় সবই এই জেলা থেকে। রাজখরা, চান্দিমারি-সহ জেলার একাধিক জায়গা থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। শীতলকুচি থেকেও তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: কোথাও তৃণমূলের বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, হামলা! ভোটে অশান্ত উত্তরবঙ্গ

    Lok Sabha Election 2024: কোথাও তৃণমূলের বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, হামলা! ভোটে অশান্ত উত্তরবঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপের মধ্যে চলছে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024)। শুক্রবার সকাল থেকেই কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি আসনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ (phase 1 Voting) শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহারকে পাখির চোখ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission), কিন্তু এত নিরাপত্তার মধ্যেও ভোটগ্রহণ শুরু হতেই একাধিক জায়গায় বিজেপির ওপর তৃণমূলের হামলার অভিযোগ উঠে এসেছে। এলাকা অশান্ত করে বুথ দখল, ছাপ্পা এবং অপহরণের চিত্র উঠে এসেছে সর্বত্র।

    কোচবিহার-জলপাইগুড়িতে বিক্ষিপ্ত অশান্তি (Lok Sabha Election 2024)

    ভোট (Lok Sabha Election 2024) গ্রহণের দিনে সকাল থেকেই কোচবিহারের কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর উঠে এসেছে। বিজেপির (BJP) তরফ থেকে ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে পাঁচটি অভিযোগ জমা পড়েছে। কোথাও বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, কোথাও বা বিজেপির পোলিং এজেন্টকে (BJP Polling Agent) ঢুকতে বাধা। এমনকী অপহরণেরও অভিযোগ এসেছে বিজেপির তরফে। শিলিগুড়ির কাছে জলপাইগুড়ি লোকসভায় ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় ভালোবাসা মোড়ে ৮৬ নং বিজেপির পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আবার জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জ বিধানসভার ১৮/৯৭ বুথের দুটি বিজেপি পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    শীতলকুচিতে বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ

    শীতলকুচির গোসাইহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের বড় ধাপের চাত্রা এলাকায় ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিতে যাবার সময় এক বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, এদিন তিনি বড় ধাপের চত্রায় এলাকায় ২০১ নং বুথে ভোট দিতে যাচ্ছিলেন সেই সময় তৃণমূল (TMC) কর্মীরা তাঁকে বাঁশ দিয়ে মারধর করে। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আবার শালবাড়িতে বিজেপির এক যুব নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে বক্সিরহাট থানার শালবাড়ির ঘটনা। রাজগঞ্জের ১৮/২৫৪ নম্বর বুথে বিজেপির বুথ অফিসের সামনে তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    বিজেপির পোলিং এজেন্টকে অপহরণ

    কোচবিহারের দিনহাটায় বিজেপির পোলিং এজেন্ট বিশ্বনাথ পালকে বুথ (Lok Sabha Election 2024) থেকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। শুকারুরকুটির কুরশারহাটের ২২১ নম্বর বুথের সামনে থেকে বিজেপির পোলিং এজেন্টকে তৃণমূলের বাইক বাহিনী অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। কোচবিহার দক্ষিণের চারটি কেন্দ্রে বিজেপির পোলিং এজেন্টদের বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর

    বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

    দক্ষিণ কোচবিহারের গিরিয়াকুঠিতে বিজেপি সমর্থক কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির (BJP) অভিযোগ, বেছে বেছে তাদের সমর্থকদের বাড়ি চিহ্নিত করা হচ্ছে। বাঁশ, লাঠি, লোহার রড নিয়ে বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। সমস্ত ঘটনায় প্রথম পর্বের ভোটে (Lok Sabha Election 2024) তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে ভোটের (Loksabha Election 2024) প্রচারে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ভূমিকায় যে একেবারে খুশি নন, তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি। তাঁর মতে, একাধিক বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ আরও কঠোর হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা হয়নি। রাম নবমীর অশান্তির কারণ মমতা। তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল। ঠিক এমনটাই জানান শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), মমতার উস্কানিমূলক ভাষণ প্রসঙ্গে বলেন, “সংখ্যালঘু ভোট হারাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। অশান্তি ছড়ানো হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গোলমাল পাকানোর চেষ্টা হচ্ছে। পুলিশ যদি আগেভাগে ব্যবস্থা নিত, তাহলে এই ঘটনা ঘটার কথাই নয়। হিংসা নিয়ে সাত দিন ধরে চিৎকার করে গেছেন মমতা। নির্বাচন কমিশনের সাহস থাকলে তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” রাম নবমীর অশান্তির কারণ হিসেবে মমতার ষড়যন্ত্রকেই দায়ী করেছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি রাজ্যপালের উত্তরবঙ্গ সফর প্রসঙ্গে বলেন, “রাজ্যপালকে যে ভাবে উত্তরবঙ্গে আসা থেকে আটকেছে নির্বাচন কমিশন, সেটা সমর্থনযোগ্য নয়।”

    আরও পড়ুনঃ প্রথম দফা লোকসভা ভোটের আগেই কোচবিহারে কর্তব্যরত জওয়ানের মৃত্যু

    ফাঁসিদেওয়া ব্লকে নির্বাচনী প্রচারে শুভেন্দু

    বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের ফাঁসিদেওয়া ব্লকে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দার্জিলিং-এর বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার (Raju Bista) সমর্থনে প্রচার কর্মসূচি ছিল তাঁর। সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতৃত্বকে কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর ভাষণে উঠে আসে রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গ। আগেভাগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন রাম নবমীতে হিংসা হবে। এরপরই দেখা যায় বুধবার রাম নবমীর দিন মুর্শিদাবাদে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অগ্নিসংযোগ করা হয়। আশপাশের বাড়ি থেকে মিছিলকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: প্রথম দফা লোকসভা ভোটের আগেই কোচবিহারে কর্তব্যরত জওয়ানের মৃত্যু

    Lok Sabha Election 2024: প্রথম দফা লোকসভা ভোটের আগেই কোচবিহারে কর্তব্যরত জওয়ানের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) ভোট শুরুর আগেই ঘটল অঘটন। মৃত্যু হল কোচবিহারে (Cooch Behar) কর্তব্যরত এক জওয়ানের। মৃত জওয়ানের নাম কুমার নীলু। কোচবিহারের মাথাভাঙার বেলতলা এলাকায় একটি স্কুলে ভোটের ডিউটিতে ছিলেন ৪২ বছরের ওই জওয়ান। বিহার থেকে ভোটের ডিউটি (Election Duty) করতে কোচবিহারে এসেছিলেন তিনি। কর্তব্যরত অবস্থাতেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানা গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই জওয়ানের (CRPF jawan) আকস্মিক মৃত্যু ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। গোটা বিষয়টির ওপর নজর রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Lok Sabha Election 2024)?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান (CRPF jawan) কুমার নীলু বৃহস্পতিবার রাতে বাইশগুড়ি হাই স্কুলে ডিউটি করছিলেন। ভোট কেন্দ্রে ডিউটি করার সময়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁর নাক-মুখ থেকে রক্তপাত হতে শুরু করে। এরপর গভীর রাতে কুমার নীলুকে অসুস্থ অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেছিলেন তাঁর সহকর্মীরা। সেই অবস্থায় দেখে সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত (Unnatural death) বলে ঘোষণা করেন। এরপর দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে ওই কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানের। তবে রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট ভাবে বলা সম্ভবপর নয়।

    আরও পড়ুনঃভোট-হিংসা ঠেকাতে কমিশনকে বার্তা রাজ্যপালের, কালীঘাট মন্দিরে দিলেন পুজো

    ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট

    উল্লেখ্য, ১৯ এপ্রিল শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে গেছে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন (phase 1 Voting)। রাজ্যের আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ির সঙ্গে ভোট শুরু হল কোচবিহারেও। তফশিলি জাতিদের জন্য সংরক্ষিত আসনে মোট ২০৪৩টি বুথে ভোট নেওয়া হচ্ছে। কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ৭টি বিধানসভা এলাকাতেই চলছে ভোটগ্রহণ। রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে ১১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যেই ভোটদানের জন্য বুথে বুথে লাইন পড়েছে। যদিও ভোটের প্রথম দিনেই বিক্ষিপ্ত কিছু হিংসার খবর কোচবিহার থেকে এসেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট-হিংসা ঠেকাতে কমিশনকে বার্তা রাজ্যপালের, কালীঘাট মন্দিরে দিলেন পুজো

    Lok Sabha Election 2024: ভোট-হিংসা ঠেকাতে কমিশনকে বার্তা রাজ্যপালের, কালীঘাট মন্দিরে দিলেন পুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রথম দফায় ভোট চলছে উত্তরবঙ্গের তিন জেলায়। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে সেভাবে না হলেও কোচবিহারে সকাল থেকে বুথ দখল , ঝামেলার খবর মিলেছে। ভোটের দিন উত্তরের এই জেলায় সমস্যা হতে পারে ভেবেই সেখানে যেতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। কিন্তু কমিশন তাঁকে সেখানে যেতে বারণ করেছিলেন। তাই আর কোচবিহার যাননি রাজ্যপাল। শুক্রবার ভোটের দিন সকালে রাজ্যের মানুষের জন্য প্রার্থনা করতে কালীঘাট মন্দিরে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল বোস। সেখান থেকেই কড়া বার্তা দিলেন তিনি ৷

    রাজ্যপালের বার্তা

    শুক্রবার সকালে মন্দির চত্বর থেকেই রাজ্যপাল জানান, কোথাও হিংসা হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে ৷ এদিন রাজ্যপাল বলেন, “বাংলার মানুষ শান্তি ও সম্প্রীতি চায় ৷ বাংলার মানুষের সেটাই প্রাপ্য। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। যে কোনও হিংসা এবং হিংসা ছড়ানো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত ৷ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ ৷ এটি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।” তিনি ইমেল বা টেলিফোনে পিস রুমের মাধ্যমে ভোটের দিন সর্বক্ষণ মানুষের সঙ্গে থাকবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

    শুক্রবার উত্তরবঙ্গে যেতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। নির্বাচনের সময়ে কোচবিহারেই সারাদিন থাকতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে বারণ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। এরপর তৃণমূল অভিযোগ করেছিল, রাজ্যপাল আলিপুরদুয়ারও যেতে চাইছেন। অবশেষে নানা বিতর্কের পর উত্তরবঙ্গ সফরই বাতিল করেন বোস। শুক্রবার সকালে (Lok Sabha Election 2024) অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রার্থনা করে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন তিনি।  তাঁর কথায়, ভোট শান্তিপূর্ণ করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সাধারণ মানুষের অধিকার রয়েছে নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার। তেমনটাই যেন হয়, কালীঘাট মন্দিরে এসে এই প্রার্থনা করেছেন তিনি, জানান রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই! চরম তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা আট জেলায়

    Weather Update: কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই! চরম তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা আট জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহ শেষের ছুটিতেও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারবে না দক্ষিণবঙ্গবাসী (Weather Update)। আপাতত তীব্র গরম, লু-এর মতো পরিস্থিতি, আর্দ্রতা ভোগাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গকে। পশ্চিমের শুকনো হাওয়ায় গরম ও অস্বস্তি আরো বাড়বে বলেই ধারণা আবহাওয়া দফতরের। আজ, শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এই আট জেলায় চরম তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা দিয়েছে হাওয়া অফিস। শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের।

    কলকাতা ও শহরতলির তাপমাত্রা

    বৃহস্পতিবারই কলকাতার সল্টলেকে দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। সেখানে বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। দমদমে দিনের তাপমাত্রা ৪০-এর একটু আগেই থেমে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সেখানে দিনের তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ৩৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। আজ, শুক্রবার শহরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পেরোতে পারে বলে আশঙ্কা। এদিন আকাশ সারাদিন পরিষ্কার থাকবে। গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি আরও বাড়বে। শহরে সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ২৫ থেকে ৮৯ শতাংশ। 

    লোডশেডিংয়ের ভয়

    দিনভর ঝলসানো গরমে পাখার নীচেও ঘেমে স্নান করে যেতে হচ্ছে। তারই মধ্যে শহরের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। ভুক্তভোগীদের দাবি, কাউকে জানিয়েই লাভ হচ্ছে না। উত্তর-দক্ষিণ দমদম, সিঁথি, রাজারহাট-নিউটাউন চত্বরে বারবার লোডশেডিং হচ্ছে। সিইএসসি-র তরফে যদিও দাবি করা হয়েছে, বিদ্যুতের চাহিদা ও জোগানে সমস্যা নেই। কিছু জায়গায় ফিউজের গন্ডগোল হয়েছে। রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা আবার এই বিভ্রাটের জন্য দায়ী করছে বেআইনি সংযোগ ও আবেদনহীন এসি-র ব্যবহারকে। সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “বেআইনি বিদ্যুৎ সংযোগ ও বিদ্যুতের বরাদ্দ বাড়ানোর আবেদন না করে এসি বসানোয় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। বেআইনি সংযোগ নিয়ে গ্রাহকেরা সচেতন হোন, এই প্রত্যাশা করব।”

    জেলার তাপমাত্রা

    বৃহস্পতিবারও রাজ্যের ১৪টি জায়গায় দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সব থেকে বেশি তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল মেদিনীপুরে। সেখানে বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস! স্বাভাবিকের থেকে ৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। পানাগড়ে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। মেদিনীপুরের পাশাপাশি, হলদিয়ায় দিনের তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের থেকে ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। সেখানে বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

    আরও পড়ুন: প্রতি বুথে কড়া নিরাপত্তা, দ্বিতীয় দফাতেও ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী, জানাল কমিশন

    বাঁকুড়ায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। কলাইকুন্ডা, বর্ধমান, আসানসোল, পুরুলিয়া, ব্যারাকপুর, সিউড়ি, ঝাড়গ্রামে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে। পিছিয়ে নেই উপকূলবর্তী জেলাগুলিও। ডায়মন্ড হারবারে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। দিঘায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাগরদ্বীপে ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। ক্যানিংয়েও ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি ছাড়িয়েছে তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share