Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Election Commission: বুথের ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক, ভোটমুখী বাংলায় নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ

    Election Commission: বুথের ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক, ভোটমুখী বাংলায় নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসএইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এবার ভোটের চূড়ান্ত প্রস্তুতি দেখতে জ্ঞানেশ কুমারের ফুল বেঞ্চ আগামী ৯ মার্চ রাজ্যে আসছে। এই অবস্থায় নির্বাচনকে অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশন (Election Commission) আরও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আসন্ন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতের নির্বাচন কমিশন একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের (Polling Booth) ভেতরে এবং বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরার (CCTV) নজরদারি এখন থেকে বাধ্যতামূলক।

    নিশ্ছিদ্র নজরদারি (Election Commission)

    শুধুমাত্র বুথের প্রবেশপথ নয়, বুথের অভ্যন্তরেও ক্যামেরা বসাতে হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হল, ভোটগ্রহণের সময় কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা বা অনিয়ম ঘটছে কি না, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা। সোমবার সব জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার–সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। আর সেখানেই রাজ্যে ভোটের প্রাক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এদিন বুথে নজরদারি জোরদার করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজের কথা বলা হয়। সেই সঙ্গে বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রো অভজারভাররা। বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রস্তুতিতে স্পষ্ট এবার কোমর বেঁধেই নামতে চলেছে কমিশন (Election Commission)। তাই বাহিনী বৈঠকে কড়া বার্তার কথা বলা হয়েছে।

    ওয়েবকাস্টিং (Webcasting)

    প্রতিবার ভোটে বুথের ভিতরে বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি দেখা যায়। বুথের ভিতরে ভোটারদের বিশেষ দলের হয়ে ভোট দেওয়াকে বাধ্যতা মূলক করা হয়। এই ঘটনা যাতে এই বার না ঘটে তাই কমিশনের তরফে করা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বুথে কেউ অভাব্য আচরণ করলে এবার থেকে সরাসরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংবেদনশীল বুথগুলোতে সরাসরি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকবে, যার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকরা দূর থেকেই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে পারবেন। সিসিটিভি ফুটেজগুলো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখতে হবে, যাতে প্রয়োজনে যে কোনও অভিযোগের তদন্তে সেগুলোকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ক্যামেরা এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে কারচুপির সুযোগ না থাকে, তবে একইসঙ্গে ভোটারের গোপনীয়তা অর্থাৎ তিনি কাকে ভোট দিচ্ছেন যেন কোনওভাবেই লঙ্ঘিত না হয়।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    বিগত নির্বাচনগুলোতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ভোট লুঠ বা বুথ দখলের যে অভিযোগগুলো উঠেছিল, তা মোকাবিলা করতেই কমিশনের এই কড়া অবস্থান। এই ব্যবস্থার ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও বেশি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, ঝাড়গ্রাম-ওড়িশা থেকে একশো জন করে মোট দু’শো জন জুডিশিয়াল অফিসার আসছেন আগামী ৬ মার্চ। যে সব জায়গায় বিবেচনাধীন কেস রয়েছে সেখানে জুডিশিয়াল অফিসার থাকবেন। একই ভাবে যে যে জায়গায় বুথ তৈরি করা হয়েছে সেখানকার প্রস্তুতি এখনও পর্যন্ত সন্তোষজনক নয়। বুথগুলিতে জল ও বিদ্যুৎ-এর সঙ্কট রয়েছে। ফলত, সবটা খতিয়ে দেখতে হবে এবং তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

  • Shivraj Singh Chouhan: “জনস্বার্থে নয়, অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতেই মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা”, মমতাকে তোপ শিবরাজ সিং চৌহানের

    Shivraj Singh Chouhan: “জনস্বার্থে নয়, অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতেই মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা”, মমতাকে তোপ শিবরাজ সিং চৌহানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন যাত্রায় যোগদান করতে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ধরনা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তীব্র কশাঘাত করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj Singh Chouhan)। সোমবার কলকাতায় পা রেখেই তিনি অভিযোগ করেন, “এই ধরনা রাজ্যের সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য নয়, বরং অনুপ্রবেশকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার এক রাজনৈতিক কৌশল মাত্র। বাংলায় কোনও নারীই সুরক্ষিত নন—স্কুল, কলেজ, রাস্তাঘাট সর্বত্র আতঙ্ক ৷ আরজি কর-কাণ্ডে তথ্য লোপাটে সক্রিয় ছিল তৃণমূলের সিন্ডিকেট।”

    ‘ভোটব্যাঙ্ক’ অটুট রাখতেই এই ধরনার পথ (Shivraj Singh Chouhan)

    শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj Singh Chouhan) দাবি করেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যখন চরম অবনতি ঘটেছে, তখন মুখ্যমন্ত্রী জনস্বার্থকে উপেক্ষা করে কেবল নিজের রাজনৈতিক ভিত্তি ও ‘ভোটব্যাঙ্ক’ অটুট রাখতেই এই ধরনার পথ বেছে নিয়েছেন। এই রাজ্যের বড় সমস্যা হল অনুপ্রবেশ সমস্যা। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষের জন্য নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই ধর্নায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সরকার পরিবর্তনের পর তৃণমূল যে পাপ করেছে, তা সহজে মোছার নয়। সিন্ডিকেট রাজ কায়েম করে অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় স্থায়ী বসবাসের সমস্ত ব্যবস্থা করে দিয়েছে ওরা। আধার থেকে ভোটার কার্ড—সব ক্ষেত্রেই সহযোগিতা করেছে।”

    জল-জমি-জঙ্গল সর্বত্র দখল

    শিবরাজ সিং (Shivraj Singh Chouhan) রাজ্যের সম্পত্তিতে বহিরাগতদের অধিকার নিয়ে বলেন, “এই অনুপ্রবেশকারীরাই এখন বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে ভাগ বসাচ্ছে, এমনকি কর্মসংস্থানেও প্রভাব ফেলছে। জল-জমি-জঙ্গল সর্বত্র দখল চলছে। এরাই তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক৷ এসআইআর প্রক্রিয়ায় যখন অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে, তখন তাঁদের পক্ষেই রাস্তায় নামছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। কারণ, ওর আসল উদ্দেশ্য অন্য দেশের বাসিন্দাদের রক্ষা করা। বিভাজনের শুরু লর্ড কার্জনের আমলে। সেই পথেই হাঁটেন জিন্না। আর পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদিন বিভাজন করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    ‘স্বৈরাচারী’ শাসনের অবসান ঘটবে

    জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে পশ্চিমবঙ্গ (Mamata Banerjee)। শিবরাজ সিং (Shivraj Singh Chouhan) ভাষণে রাজ্যের একাধিক দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক অস্থিরতার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলার সাধারণ মানুষ তৃণমূলের এই ‘স্বৈরাচারী’ শাসনের অবসান ঘটিয়ে এক স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা চাইছেন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য আসন্ন নির্বাচনে বাংলার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ এই অগণতান্ত্রিক আচরণের যোগ্য জবাব দেবেন এবং বিজেপিকে সরকার গঠনের সুযোগ করে দেবেন।”

  • BJP: রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির রাহুল সিনহা, শমীক জমানায় বাড়ল গুরুত্ব

    BJP: রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির রাহুল সিনহা, শমীক জমানায় বাড়ল গুরুত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বিজেপির তরফে ঘোষণা করা হল ছ’টি রাজ্যের মোট ন’টি রাজ্যসভা (Rajya Sabha) আসনের প্রার্থীর নাম। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপির (BJP) প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল সিনহা। তালিকায় নাম রয়েছে নিতিন নবীনেরও। রাহুল বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। পরে হয়েছিলেন জাতীয় সম্পাদক। গত কয়েক বছর ধরে বিজেপির কোনও পদে অবশ্য ছিলেন না রাহুল।

    বিজেপির প্রার্থী রাহুল সিনহা (BJP)

    জাতীয় সম্পাদকের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে বসানো হয়েছিল অনুপম হাজরাকে। সেই সময় দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন রাহুল, যদিও বিজেপি ছাড়েননি। শমীক ভট্টাচার্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকে বঙ্গ বিজেপিতে গুরুত্ব বাড়তে থাকে রাহুলের। পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সভায় রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় প্রধান বক্তা হিসেবে পাঠানো হচ্ছিল রাহুলকে। এবার তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হল রাজ্যসভার সদস্য করে। প্রসঙ্গত, বিধানসভার যা বিন্যাস, তাতে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের চারটি এবং বিজেপির একটি আসনে নির্বাচিত হয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার কথা প্রার্থীদের। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল আগেই ঘোষণা করে দিয়েছে চার প্রার্থীর নাম। বিজেপিও ঘোষণা করে দিল তাদের প্রার্থীর নাম (BJP)। ফলত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বাংলার এই পাঁচজন।

    আর কোন কোন রাজ্য থেকে কে?

    এদিকে, গত ডিসেম্বরে নিতিনকে বিজেপির কার্যনির্বাহী সর্বভারতীয় সভাপতি করেছিল বিজেপি। দায়িত্ব নেন ২০ জানুয়ারি। তার আগে বিধানসভা নির্বাচনে বিহারের পাটনার বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন নবীন। তাই তিনি এখন বিধায়ক। যেহেতু সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে এখন নবীনকে বছরের অনেকটা সময় দিল্লিতেই কাটাতে হয়, তাই বিধানসভায় তিনি খুব একটা সময় দিতে পারবেন না বলেই মনে করেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই নিতিনকে পাঠিয়ে দেওয়া হল রাজ্যসভার সাংসদ করে। নিতিন ছাড়াও বিহার থেকে বিজেপির তরফে সংসদে যাচ্ছেন শিবেশ কুমার। অসম থেকে পাঠানো হচ্ছে তেরশ গোয়ালা এবং যোগেন মোহনকে। ছত্তিশগড় থেকে যাচ্ছেন (Rajya Sabha) লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া, ওড়িশা থেকে যাচ্ছেন মনমোহন সামল এবং সুজিত কুমার (BJP)।

     

  • Election Commission: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কমিশন অত্যন্ত তৎপর, ৯ মার্চ রাজ্যের ফুল বেঞ্চ আসার সম্ভাবনা

    Election Commission: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কমিশন অত্যন্ত তৎপর, ৯ মার্চ রাজ্যের ফুল বেঞ্চ আসার সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপের সমান্তরালে প্রশাসনিক তৎপরতাও এখন তুঙ্গে। সম্প্রতি ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (Special Intensive Revision বা SIR) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সম্ভাব্য পশ্চিমবঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে জল্পনা তীব্রতর হয়েছে। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে কমিশন (Election Commission) এখন অন্তিম মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখছে।

    নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সফর (Election Commission)

    সূত্রের খবর, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের ফুল বেঞ্চ আগামী ৯ মার্চ দু’দিনের সফরে রাজ্যে আসতে পারে। এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সাধারণত কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের এই ধরনের পরিদর্শনের পরপরই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বা তফসিল ঘোষণা করা হয়। এই সফরে কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন।

    ভোটার তালিকা ও এসআইআর বিতর্ক

    এবারের নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত বিষয় হলো ভোটার তালিকার সংশোধন। এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। খসড়া তালিকায় (SIR) ৭ কোটি ৮ লক্ষেরও বেশি নাম থাকলেও, বিভিন্ন কারণে প্রায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার নাম বাদ পড়েছে। বর্তমানে রাজ্যে অনুমোদিত ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ। প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ বা বিবেচনাধীন পর্যায়ে রয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, এই নামগুলোর যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে এবং যোগ্য প্রমাণিত হলে সম্পূর্ণ তালিকার মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার (Election Commission) নিশ্চিত করা হবে।

    বুথ বিন্যাস ও কেন্দ্রীয় বাহিনী

    ভোটার সংখ্যা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে কমিশন (Election Commission) এবার নতুন করে বড় আকারের বুথ পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। বর্তমানে রাজ্যে বুথের সংখ্যা ৮০,৬৮১টি। তবে নাগরিক সুবিধার কথা মাথায় রেখে বহুতল আবাসনগুলোতে কিছু অতিরিক্ত বুথ করা হতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) আসতে শুরু করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় অংশই থাকবে উত্তর ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদের মতো স্পর্শকাতর জেলাগুলোতে।

    নির্বাচনের সম্ভাব্য নির্ঘণ্ট ও পর্যায়

    ২০২১ সালের নির্বাচন আট দফায় অনুষ্ঠিত হলেও, ২০২৬-সালে কয় দফায় হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছে। নিরাপত্তার কড়াকড়ি এবং ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনা করে কমিশন সম্ভবত ছয় থেকে সাত দফায় ভোট গ্রহণ করতে পারে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই নতুন বিধানসভা গঠনের বাধ্যবাধকতা থাকায়, মার্চের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ভোট ঘোষণার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

    গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকাই (SIR) হলো মূল ভিত্তি। সেই তালিকার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক দায়িত্ব। আগামী সপ্তাহে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সফরের পর বাংলার নির্বাচনী চিত্রটি আরও স্পষ্ট হবে। অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর একটি নির্বাচনের (Election Commisison) প্রত্যাশায় এখন দিন গুনছে গোটা রাজ্য।

  • CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য আরও দু’টি কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য আরও দু’টি কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ), ২০১৯-এর অধীনে ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য আরও দুটি অতিরিক্ত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি গঠন করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (CAA)। রাজ্যে ক্রমবর্ধমান সংখ্যক আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর (Citizenship Applications)। এই সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিমবঙ্গে এখন মোট চারটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি সিএএর আওতায় দাখিল হওয়া নাগরিকত্ব দাবিগুলি পরীক্ষা ও নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকবে।

    কেন আরও কমিটি গঠন? (CAA)

    প্রশ্ন হল, কেন আরও কমিটি গঠন করা হল? সোমবার জারি করা এক সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সংশোধিত আইনের অধীনে ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সম্প্রসারণ প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছিল। আধিকারিকরা জানান, নতুন কমিটিগুলি মুলতুবি মামলাগুলির যাচাই ও নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া দ্রুততর করবে। সিএএর বিধি আনুষ্ঠানিকভাবে ১১ মার্চ, ২০২৪-এ বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত হয়। সংসদে আইনটি পাস হওয়ার প্রায় চার বছর পর তা কার্যকর করা হয় (CAA)। সর্বশেষ গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির সভাপতি হবেন ভারত সরকারের ডেপুটি সেক্রেটারি পদমর্যাদার নীচে নন—এমন এক আধিকারিক, যাঁকে ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও জনগণনা কমিশনার মনোনীত করবেন।

    কমিটির গঠন প্রণালী

    এছাড়ও কমিটিগুলিতে থাকবেন সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর একজন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট এলাকার ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও)-এর একজন মনোনীত প্রতিনিধি, ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার (এনআইসি), পশ্চিমবঙ্গের স্টেট ইনফরমেটিক্স অফিসার কর্তৃক মনোনীত একজন প্রতিনিধি, পশ্চিমবঙ্গের পোস্ট মাস্টার জেনারেল অথবা সমপদমর্যাদার কোনও মনোনীত ডাক কর্মকর্তা। এছাড়াও, কমিটির কার্যক্রমে দু’জন আমন্ত্রিত সদস্য অংশ নেবেন। এঁরা হলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রধান সচিব (স্বরাষ্ট্র) বা অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (স্বরাষ্ট্র)-এর দফতরের একজন প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট বিভাগের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের দফতরের একজন প্রতিনিধি। এর আগে, ১১ মার্চ ২০২৪-এ জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন ডিরেক্টর (সেন্সাস অপারেশনস) এবং সেখানে মোট সাতজন সদস্য ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯ সালে পাস হয় এবং ২০২৪ সালের মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় সরকার বিধি জারি করার পর তা কার্যকর হয়। এই আইন অনুযায়ী, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত নথিবিহীন অ-মুসলিম অভিবাসীরা, যাঁরা ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ বা তার আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার একটি পথ তৈরি করা হয়েছে (Citizenship Applications)। আইনটি পাস হওয়ার পর থেকেই এটি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয় হিসেবে (CAA) রয়ে গিয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এ নিয়ে বিতর্ক ও প্রতিবাদ হয়েছে।

     

  • Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের নাম পরিবর্তন করে ‘ঈশ্বরপুর’ রাখার দাবিতে ফের সরব হলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর সফরে এসে দলীয় এক সভায় দীর্ঘদিনের দাবিটিকে পুনরায় তুলে ধরেছেন। রবিবার, ১ মার্চ কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করেছে বিজেপি। তৃণমূলের দুর্নীতি এবং মাত্রা ছাড়া নারী ধর্ষণের বিরুদ্ধে জনমনে সাহস জোগাতে বিশেষ এই যাত্রা বলে দাবি বিজেপির।

    ঐতিহাসিক দাবির পুনরাবৃত্তি (Nitin Nabin)

    নিতিন নবীন (Nitin Nabin) তাঁর ভাষণে উল্লেখ করে বলেন, “ইসলামপুরের প্রাচীন পরিচিতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ‘ঈশ্বরপুর’ নামটি গভীরভাবে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে এই নাম পরিবর্তনের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। এই মাটির সঙ্গে  জড়িয়ে আছে হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন, সমাজসংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা এবং বিপ্লবী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি। ইসলামপুরকে ঈশ্বরপুর করার জন্য বিজেপি-র এই পরিবর্তন যাত্রাকে শঙ্খধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানান৷ ইসলামপুর আর থাকবে না, ঈশ্বরপুর হবে৷ আপনাদের স্বপ্ন পূরণ হবে৷ রাজবংশী সম্প্রদায়ের মহান সমাজ সংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা, বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি বিজড়িত এই মাটিকে ঈশ্বরপুর আমরা বানিয়েই ছাড়ব৷”

    তৃণমূলকে আক্রমণ

    নাম পরিবর্তনের দাবিকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) আরও বলেন, “বর্তমান শাসক দল তুষ্টিকরণের রাজনীতি করছে বলেই সাধারণ মানুষের ভাবাবেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। বাংলাদেশি রোহিঙ্গাদের জন্য কালো কোর্ট পড়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন, কিন্তু এখানকার মা বোনদের কিছু হলে তখন মুখ্যমন্ত্রী চুপ করে থাকেন। বাংলাদেশি ভোটারদের বাঁচানোর জন্য ধর্নায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু আমরা আসাম, বিহারে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের চিহ্নত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।”

    মনোবল চাঙ্গা করতেই সফর

    নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই দাবিকে বিভাজনের রাজনীতি বলে কটাক্ষ করলেও, বিজেপি সমর্থকরা এই দাবিকে স্বাগত জানিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গে দলের সংগঠন মজবুত করতে এবং কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই তাঁর এই সফর। নাম পরিবর্তনের এই আবেগকে তিনি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মানুষের দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে সচেষ্ট হবে।

  • Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোলপূর্ণিমা এবং বসন্ত উৎসবের আবহে কলকাতার ভবানীপুর এলাকায় হোলি উদ্‌যাপনে শামিল হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও এদিন তাঁকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে রঙের উৎসবে মেতে উঠতে দেখা যায়। ভবানীপুরের (Bhawanipur) হরিশ মুখার্জি রোড সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে শুভেন্দু অধিকারী সাধারণ মানুষের সঙ্গে আবির খেলেন এবং তাঁদের হোলির শুভেচ্ছা জানান।

    অশুভ শক্তির বিনাশ (Suvendu Adhikari)

    দোলের দিনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে শুভেন্দুকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। প্রথাগত রঙের উৎসবের পাশাপাশি ভক্তিমূলক গানেও অংশ নেন তিনি। গান ধরেন ‘গোরা গোরা গৌরাঙ্গ, হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই’। পরনে ছিল গৈরিক বসন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সমর্থকরা। হোলির উৎসবে অংশ গ্রহণে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাধুসন্তরা। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “নাস্তিকতা নিপাত যাক। সেকুলারিজ়ম নিপাত যাক। হিন্দুরা যাতে পশ্চিমবঙ্গে সুরক্ষিত থাকে এই প্রার্থনা করব।” সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, “হোলি হল অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সম্প্রীতির প্রতীক। এই উৎসবের রঙ যেন সাধারণ মানুষের জীবনে আনন্দ ও শান্তি বয়ে আনে, সেই কামনাই কামনাই জানাই।

    ভবানীপুর লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

    ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যাওয়ার পর ভবানীপুর (Bhawanipur) থেকে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে গত লোকসভা ভোটে এই এলাকায় তৃণমূলের তুলানয় অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। আগামী বিধানসভার নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিধানসভা। কারণ ইতিমধ্যে বিজেপির তরফে বিশেষ ওয়াররুম গঠন করা হয়েছে। এই এলাকায় ইতিমধ্যে এসএইআরে ৬০ হাজার নাম বাদ হয়েছে। ফলে ভোট অঙ্কের সমীকরণে হিন্দু ভোটের পাল্লা ভারি। অপর দিকে আরেক অনুষ্ঠানে মমতাও পাল্টা তোপ দেগে বলেছেন যে ভবানীপুরে তৃণমূলই জিতবে। বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) এই উপস্থিতি ও জনসংযোগ বিশেষ নজর কেড়েছে। তবে এদিন রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে উৎসবের মেজাজই ছিল প্রধান।

  • Parivartan Yatra: আমতায় রাজনাথ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মমতাকে পুরনো দিনের কথা মনে করালেন শমীক ভট্টাচার্য

    Parivartan Yatra: আমতায় রাজনাথ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মমতাকে পুরনো দিনের কথা মনে করালেন শমীক ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমতার জনসভায় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র (Parivartan Yatra) মঞ্চ থেকে এদিন তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর রাজনৈতিক ইতিহাসের কথা মনে করিয়ে দেন।

    ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’ (Parivartan Yatra)

    শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) তাঁর ভাষণে বলেন, “বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস যে রাজনৈতিক কৌশল গ্রহণ করছে, তা আসলে একটি ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’।” একই ভাবে সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্মতলার অনশন মঞ্চের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সে সময় মুখ্যমন্ত্রী যে রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখে পড়েছিলেন, সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এসেছিলেন আজকের মঞ্চে উপস্থিত রাজনাথ সিং। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অটলবিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আদবানির এনডিএ জোটের শরীক ছিলেন এবং বিজেপিকে অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। অথচ বর্তমানে সেই তৃণমূলের শাসনকালেই বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার (Parivartan Yatra) চালানো হচ্ছে।”

    বাংলার মাটি থেকেই পরিবর্তনের ডাক এসেছে

    শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) সুরেই সুর মিলিয়ে রাজনাথ সিংও এদিন তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করে বলেন, “এবার আর এদিক ওদিক হলে হবে না। আর টিএমসির অত‍্যাচার চলবে না। এবার মমতা যাচ্ছেন। বাংলার উৎসাহ তাই বলে দিচ্ছে। বাংলায় পরিবর্তন হলে দারুণ গতিতে উন্নয়ন হবে। বিকাশ আর প্রগতি কেউ আটকাতে পারবে না। বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য তৈরি এবং বর্তমান সরকারের দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে বিজেপিই রাজ্যে উন্নয়নের (Parivartan Yatra) জোয়ার আনবে।”

    রাজ্যে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    রাজ্যে পরিবর্তনের ডাকে বিজেপি একাধিক জেলা থেকে পরিবর্তন সংকল্পের (Parivartan Yatra) ডাক দিয়েছে। ইতিমধ্যে নানা প্রান্ত থেকে যাত্রা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের হেভি ওয়েট নেতারা এই কর্মকাণ্ডে যোগদান করেছেন। মমতার বিরুদ্ধে প্রচারকে আরও জোরদার করতে বিজেপি ভোটের প্রচারকে আরও জোরদার করেছে। রাজ্যের তৃণমূলকে সরিয়ে বিজেপি সরকার গঠন করতে দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সহ অনেক নেতা এখান বঙ্গে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। এই পরিবর্তন যাত্রার মূল লক্ষ্য হল মানুষের মনে তৃণমূলের ভয়কে দূরে সরিয়ে দেওয়া।

  • Nitin Nabin: শিলিগুড়িতে গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিতিন নবীনের, কী নিয়ে কথা হল?

    Nitin Nabin: শিলিগুড়িতে গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিতিন নবীনের, কী নিয়ে কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। সোমবার শিলিগুড়িতে গোর্খা সম্প্রদায়ের (Gorkha Community) প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো পুনরায় আলোচনায় উঠে এসেছে। বিজেপির তরফে দেওয়া হয়েছে আশ্বাস।

    গোর্খাল্যান্ড ও বিকল্প দাবি (Nitin Nabin)

    বঙ্গ বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ উপলক্ষে বর্তমানে রাজ্যে অবস্থান করছেন নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। এই সফরের মধ্যেই পাহাড়ের গোর্খা নেতাদের (Gorkha Community) সঙ্গে তাঁর এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আবেগ ও দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে আসন্ন নির্বাচনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করাই বিজেপির মূল লক্ষ্য।

    বৈঠকে উপস্থিত গোর্খা প্রতিনিধিরা পুনরায় পৃথক ‘গোর্খাল্যান্ড’ রাজ্যের দাবি উত্থাপন করেন। তাঁরা স্পষ্ট জানান, যদি পৃথক রাজ্য গঠন সম্ভব না হয়, তবে উত্তরবঙ্গকে একটি ‘কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ (Union Territory) হিসেবে ঘোষণা করা হোক। উত্তরবঙ্গের মানুষ দীর্ঘ দিন বাম এবং তৃণমূলের শাসনে উন্নয়নের ধারা থেকে উপেক্ষিত রয়েছে। তাই উত্তরবঙ্গের মানুষ সার্বিক উন্নয়ন চান। তবে বাংলার পরিবর্তন এলে পাহাড় সমস্যার গঠন মূলক সমাধান যে হবেই এই নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

    জিটিএ-র ব্যর্থতা

    গোর্খা নেতাদের অভিযোগ, ২০০৭ সালের আন্দোলনের পর গঠিত হওয়া গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (GTA) পাহাড়ের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও পাহাড়ের আর্থ-সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। র্জিলিংয়ের বিজেপি বিধায়ক নীরজ জিম্বা বলেন, “গোর্খারা বৈঠকে থাকলে গোর্খাল্যান্ড প্রসঙ্গ আসবেই।” তৃণমূলের শাসনে পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন পাহাড়ের নেতারা।

    বিজেপি নেতৃত্বের আশ্বাস সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান

    গোর্খা (Gorkha Community) প্রতিনিধিদের অভাব-অভিযোগ শোনার পর দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, “বিজেপি বরাবরই পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চায়। ২০২৬ সালে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই সমস্যার সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হবে।” অন্যদিকে, শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “পাহাড়ের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে এবং রাজ্যের ভৌগোলিক অখণ্ডতার ভারসাম্য বজায় রেখেই বিজেপি সমাধানের পথ খুঁজবে।”

  • Amit Shah: ‘তৃণমূল জিতলে ভাইপো হবেন শাসক’, মথুরাপুরের পরিবর্তন যাত্রায় মমতাকে তোপ অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘তৃণমূল জিতলে ভাইপো হবেন শাসক’, মথুরাপুরের পরিবর্তন যাত্রায় মমতাকে তোপ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনলে ভাইপো শাসক হবে”, মাথুরাপুরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র (Parivartan Yatra) আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ডাক দিয়ে নির্বাচনী প্রচারের এক নতুন অধ্যায় শুরু করল ভারতীয় জনতা পার্টি।

    কুশাসনে বিপর্যস্ত বাংলার জনগণ (Amit Shah)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) রায়দিঘিতে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন। তিনি তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করে রাজ্যে সুশাসন ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কুশাসনে বিপর্যস্ত বাংলার জনগণ এখন পরিবর্তন চাইছে। এই জনসঙ্কল্পকে আরও শক্তিশালী ও মুখর করে তুলতে বাংলার বিজেপি ‘পরিবর্তন যাত্রা’ (Parivartan Yatra) শুরু করেছে। আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র উদ্বোধনী কর্মসূচিতে কর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত থাকব। এই যাত্রার মাধ্যমে বিজেপির কর্মীরা রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে ‘অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা’র অঙ্গীকার পৌঁছে দেবেন।”

    যুবকদের চাকরিতে ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে

    এরপর মথুরাপুরে ভাষণ দেওয়ার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “বিজেপি সরকার হলে যুবকদের চাকরিতে ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে। আমরা ক্ষমতায় এলেই সপ্তম পে কমিশন করব। হুমায়ুন কবীরকে দিয়ে চক্রান্ত করে বাবরি মসজিদ করানো হচ্ছে। হুমায়ুন ও মমতা একই মুদ্রার দুই পিঠ। হুমায়ুন কবীরকে পরিকল্পনা করেই বাইরে বার করে বাবরি মসজিদ তৈরি করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বদলাতে আমরা আসিনি। পরিবর্তন (Parivartan Yatra) জনতাই করবে। আমরা অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বিদায় করবই।”

    এজেন্ডা কি মাদ্রাসার উন্নতি?

    তৃণমূলের শাসনে ভাইপোর দৌরাত্ম্য নিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “ভাইপোর শাসন থেকে মুক্তি চাইলে বিজেপিকে ভোট দিন। বঙ্গে ৫ দিক থেকে ছুটবে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা (Parivartan Yatra)। বিজেপিকে ৩৮ শতাংশ ভোট দিয়েছিলেন, ৭৭ আসন দিয়েছিলেন, কংগ্রেস-বামেদের শূন্যে পৌঁছেছিলেন। বিধানসভায় বাংলার বাজেট হয়েছে। সায়েন্স ও টেকনোলজির জন্য ৮০ কোটি টাকা দিয়েছেন। মাদ্রাসাগুলোর জন্য ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা দিয়েছেন। এজেন্ডা কী? রাজ্যে বিজ্ঞান প্রযুক্তির উন্নতির মাধ্য়মে কর্মসংস্থান এজেন্ডা নাকি মাদ্রাসার উন্নতি?”

    সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্ব

    পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, “এই যাত্রা রাজ্যের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে যাবে এবং মানুষের কাছে পরিবর্তনের (Parivartan Yatra) বার্তা পৌঁছে দেবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সরকারের বিকল্প হিসেবে বিজেপিকে তুলে ধরা।”

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোট শুরুর আগেই রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রক্রিয়ার সমান্তরালে বিজেপির এই কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ (Parivartan Yatra) বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো স্পর্শকাতর জেলায় অমিত শাহের (Amit Shah) এই সভা থেকে দুষ্কৃতীদের বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় উন্নয়ন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে হাতিয়ার করে শাসক দলকে চাপে ফেলার কৌশল নিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    বিজেপি সূত্রে খবর, এই পরিবর্তন যাত্রা রাজ্যের বিভিন্ন জেলা অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত কলকাতায় এক বিশাল সমাবেশের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে। এই যাত্রার প্রতিটি ধাপে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের হেভিওয়েট নেতারা উপস্থিত থাকবেন। আজ রায়দিঘিতে গিয়েছেন অমিত শাহ। ইসলামপুরে থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাওড়ার আমতায় সভা করবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

LinkedIn
Share