Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • NIA:  এনআইএ হামলা নিয়ে তৎপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, সরাসরি ফোন ভূপতিনগর থানায়

    NIA: এনআইএ হামলা নিয়ে তৎপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, সরাসরি ফোন ভূপতিনগর থানায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির পর পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর বিস্ফোরণের তদন্তে গিয়ে শনিবার ভোর-রাতে আক্রান্ত হয়েছেন এনআইএ-র আধিকারিকরা। ভাঙচুর করা হয়েছে। দুজন আধিকারিক চোট পেয়েছেন। এনআইএ আধিকারিকরা তৃণমূল কর্মী বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানাকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় আক্রান্ত হন। এনআইএ (NIA) টিম চলে যাওয়ার পরও তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়ে এলাকাবাসী বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। এনআইএ-র বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছে। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পরও শাসকদলের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় এজেন্সির ওপর হামলার ঘটনায় এবার তৎপর হয়েছে কেন্দ্রও।

    কী পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র? (NIA)  

    এদিন ভোরে ভূপতিনগরে এনআইএ (NIA) টিমের উপর হামলার ঘটনায় পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সূত্রের খবর, অমিত শাহর মন্ত্রক থেকে ফোন করা হয়েছে ভূপতিনগর থানায়। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, কোন গ্রামের ঘটনা, ঠিক কী ঘটেছিল এবং এদিনের সার্বিক ঘটনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানতে চাওয়া হয়েছে ভূপতিনগর থানার থেকে। তদন্তকারীদের ঘিরে বিক্ষোভ, হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়েও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ফোনে খোঁজখবর নেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কান্ডে শনিবারই দু’জনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। এই গ্রেফতারি করতে যাওয়ার সময় বাধার মুখে পড়তে হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। এনআইএ-এর তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ধৃত দুই তৃণমূল নেতা বলাইচরণ মাইতি এবং মনোব্রত জানা দুজনেই বোমার তৈরির ষড়যন্ত্র করছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আরও জানিয়েছে, আতঙ্ক ছড়ানোই তাদের উদ্দেশ্য ছিল। দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করা হয়েছিল। এদিন বিচারক ৫দিনের এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: এনআইএ-র উপর হামলা! মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    এনআইএ বিরোধী স্লোগান তৃণমূল কর্মীদের মুখে, উঠছে প্রশ্ন

    সন্দেশখালির কায়দায় হামলা চালানো হয়েছে তদন্তকারী সংস্থার গাড়িতেও। এই ঘটনায় স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানাতে যাওয়ার সময় ফের এনআইএ-কে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু পরবর্তী সময়ে অভিযোগ দায়ের করতে পেরেছে এনআইএ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ শাসকদলের মদতে এই বাজি কারখানা চলতো। বিরোধীদেরও অভিযোগ, পুলিশ ও শাসকদলের মদতে শাসক দলের নেতারা এই কারখানা চালাতো। এদিন এনআইএ-র বিরুদ্ধে তৃণমূলের ঝান্ডা হাতে গ্রামে বিক্ষোভ দেখানো হয়। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তৃণমূল নেতা ফাল্গুনী নন্দের অভিযোগ, ভোটের সময় কেন এই ভাবে আমাদের কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: সরকারি হলে দলীয় প্রচার তৃণমূলের, বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

    Siliguri: সরকারি হলে দলীয় প্রচার তৃণমূলের, বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে (Siliguri) তৃণমূলের বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠল। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবে বিজেপি। শনিবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের লেকচার থিয়েটার হলে তৃণমূলের রাজ্য সরকারি কর্মচারী সমিতির সাংগঠনিক সভা ডাকা হয়েছিল। সেখানে দার্জিলিং আসনের তৃণমূল প্রার্থী গোলাম লামার সঙ্গে সকলের পরিচয় করানো হয়। পাশাপাশি সেখানে বিভিন্ন নেতারা বক্তব্য রাখেন। শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র গৌতম দেব মূল বক্তা ছিলেন। মেডিক্যাল কলেজের মতো সরাকারি জায়গায় এধরনের অনুষ্ঠানকে নির্বাচন বিধি ভেঙে করা হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

     রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দলীয় প্রচারে নামার নির্দেশ গৌতমের (Siliguri)

    রাজনৈতিক বক্তব্য রাখার পাশাপাশি বেশকিছু প্রতিশ্রুতির কথা বলেন মেয়র। শিলিগুড়ির (Siliguri) কাওয়াখালিতে অফিসপাড়া তৈরি করার মতো বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দেন গৌতম দেব। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা, স্বাস্থ্য সহ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মচারীরা। তাদের উদ্দেশ্যে গৌতম দেব বলেন, আপনারা এখান থেকে গিয়ে পাড়ায়-পাড়ায় ছোট ছোট বৈঠকের মধ্য দিয়ে আমাদের প্রার্থীকে জেতানোর আবেদনে প্রচার চালাবেন।

    আরও পড়ুন: মোদির সভা ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে, আশায় বুক বাঁধছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা

     কি বলছে বিজেপি?

    বিজেপির শিলিগুড়ি (Siliguri) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, মালদাতেও একই ঘটনা ঘটিয়েছে তৃণমূল। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মধ্যে সভা করে তৃণমূল নির্বাচনী প্রচার করল। সেখানে তৃণমূলের প্রার্থী সহ তাদের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এটা নির্বাচন বিধিভঙ্গের মধ্যে পড়ে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে এ নিয়ে নালিশ জানাবো। পাশাপাশি তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে আমার প্রশ্ন, যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দিতে পারছে না তৃণমূল সরকার, সেখানে কোন মুখে তাদের নিয়ে ভোট প্রচার করার পাশাপাশি তাদেরকে ভোটের কাজে নামারও আবেদন জানান? তৃণমূল দু’কান কাটা, তাই তাদের মধ্যে কোনও লজ্জা নেই।

    কী বলছে তৃণমূল?

    সরকারি জায়গায় দলীয় প্রচার করে চরম বেকায়দায় পড়ে গিয়েছে তৃণমূল। তবে, দলীয় নেতারা কেউ মুখ খুলতে চাইছে না। তবে,এদিন এই সভার শেষে গৌতম দেবকে সাংবাদিকরা নির্বাচন বিধিভঙ্গ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি এই বিষয় নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA Attacked: এনআইএ-র উপর হামলা! মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    NIA Attacked: এনআইএ-র উপর হামলা! মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগরে এনআইয়ের (NIA Attacked) উপর হামলার ঘটনায় মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশন। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা নির্বাচন দফতর থেকে রিপোর্ট চাওয়ার পাশাপাশি জেলার পুলিশ সুপারের রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক ও  নবান্নর থেকেও রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। ভূপতিনগরের ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজি, পুলিশ সুপার (পূর্ব মেদিনীপুর), এসডিপিও ও ভূপতিনগরের ওসি-র বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার জন্য কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

    কী ঘটেছিল

    ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কেঁপে উঠেছিল পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর। ওই বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যু হয়। আদালতের নির্দেশে বিস্ফোরণের তদন্ত করছে এনআইএ (NIA Attacked)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে শনিবার ভোরে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন আধিকারিকরা। সেখান থেকে দু’জন অভিযুক্তকে আটক করে গাড়িতে তোলার পরই গ্রামবাসীদের একাংশ হামলা চালায়। গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। ঘটনায় দুজন আধিকারিক জখম হয়েছেন। ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডে সম্প্রতি আটজনকে এনআইএ-র কলকাতার দফতরে হাজির দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযুক্তরা হাজিরা না দেওয়ায় শনিবার ভোরে গ্রামে পৌঁছন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    কমিশনের রিপোর্ট তলব

    ভোটের মুখে রাজ্যে এনআইএর (NIA Attacked) উপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন। শনিবারেই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা নির্বাচন দফতর ও জেলার পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে ঘটনার রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক ও  নবান্নর থেকেও। শান্তিপূর্ণ লোকসভা ভোটের জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যেপ্রথম দফায় ভোট ১৯ এপ্রিল। তার আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের উপর হামলা মেনে নিতে পারছে না নির্বাচন কমিশন। তাই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • CV Ananda Bose: “শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে গুন্ডামির”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে গুন্ডামির”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির পর এবার ভূপতিনগর। ইডির পরে এবার এনআইএ। আবারও (CV Ananda Bose) তদন্ত করতে গিয়ে আক্রান্ত সরকারি সংস্থার আধিকারিকরা। ঘটনাচক্রে, দুটি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় তৃণমূল। সন্দেশখালিকাণ্ডে অবশ্য মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হতেই তাকে ঝেড়ে ফেলতে বহিষ্কার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল। ভূপতিনগরে অবশ্য এখনও সেরকম কিছুই হয়নি। ভূপতিনগরের ঘটনার প্রেক্ষিতে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শনিবার তিনি বলেন, “এ ধরনের গুন্ডামি চলতে দেওয়া উচিত নয়…বিষয়টিকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।”

    এনআইএর ওপর হামলা (CV Ananda Bose)

    ঘটনার সূত্রপাত এদিন কাকভোরে। ভূপতিনগরে বিস্ফোরণকাণ্ডে অভিযুক্ত বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানা নামে দুই তৃণমূল নেতাকে আটক করতে গিয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। অভিযোগ, সেই সময় গ্রামবাসীদের একাংশ এনআইএর আধিকারিকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। তাঁদের গাড়ি ভাঙচুরও করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনা প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, “এনআইএ অফিসারদের ওপর আক্রমণ একটি খুবই গুরুতর বিষয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা মোটেই কোনও কৃতিত্বের বিযয় নয়।” তিনি (CV Ananda Bose) বলেন, “বিষয়টিকে লোহার মতো শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর পরিস্থিতি। সম্পূর্ণ গুরুত্ব সহকারে এর মোকাবিলা করতে হবে।” রাজ্যপালের সাফ কথা, “এ ধরনের গুন্ডামি চলতে দেওয়া উচিত নয়। পেশি শক্তির আইনি ক্ষমতা প্রতিস্থাপন করা উচিত নয়।”

    এনআইএর দাবি

    প্রাথমিক তদন্তের পর এনআইএর দাবি, ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এই দুই তৃণমূল নেতাই মূল চক্রী। এনআইএর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বোমা তৈরির ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলাই ও মনোব্রত। এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতেই ঘটানো হয়েছিল বিস্ফোরণ। সূত্রের খবর, এদিন এলাকার পাঁচটি জায়গায় হানা দিয়ে আটক করা হয় এই দুজনকে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে নাড়ুয়াবিল্লার বাসিন্দা রাজকুমার মান্নার বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। ঘটনায় মৃত্যু হয় তিনজনের। ৩ ডিসেম্বর এফআইআর দায়ের করে রাজ্য পুলিশ। পরে এনআইএ তদন্তের দাবিতে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। গত ৪ জুন তদন্তভার নেয় (CV Ananda Bose) এনআইএ।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু-বিরোধী প্রচার করছে মুসলমান বনে যাওয়া বামুনের ছেলে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: মোদির সভা ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে, আশায় বুক বাঁধছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা

    Jalpaiguri: মোদির সভা ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে, আশায় বুক বাঁধছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) নির্বাচনী জনসভা করতে আসছেন নরেন্দ্রে মোদি। দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক কথায় বলা যেতেই পারে জলপাইগুড়ি লোকসভা আসনে এক ইঞ্চি মাটি ছাড়তে নারাজ বিজেপি শিবির। কোচবিহারের পর এবার জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি ব্লকের ময়নাতলিতে সভা করবেন নরেন্দ্র মোদি। মোদির সভা ঘিরে ইতিমধ্যেই ধূপগুড়ি ব্লকের মাগুরমারী ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ময়নাতলি লাল স্কুল এলাকায় সভাস্থল নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে জোর কদমে। সব মিলিয়ে মোদির সভাকে ঘিরে এই মুহুর্তে  উন্মাদনা তুঙ্গে জলপাইগুড়ি জুড়ে।

    সভাস্থলে প্রস্তুতি তুঙ্গে (Jalpaiguri)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, জাতীয় সড়ক পার্শ্ববর্তী ময়নাতলি লাল স্কুল এলাকায় তিনি সভা করবেন। রাস্তার অপর প্রান্তেই তৈরি করা হচ্ছে হেলিপ্যাড। বেলা দুটো নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর আসার কথা রয়েছে। হেলিপ্যাড থেকে সড়কপথে উল্টো দিকের কৃষি জমিতে তার সভাস্থলে ঢুকবেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার বিষয় মাথায় রেখে আধা সামরিক বাহিনীর ডগ স্কোয়াড ও বম্ব স্কোয়াড এর কড়া নজরদারিতে সভামঞ্চ তৈরির কাজ চলছে। হেলিপ্যাড থেকে শুরু করে সভাস্থল, সভামঞ্চ সবক্ষেত্রেই বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। রীতিমতো ময়নাতলি এলাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীতে সভা স্থল মুড়ে ফেলা হয়েছে। জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) আসনে গতবার জয়ন্ত রায় জয়ী হয়েছিলেন। এবার দল তাঁকে প্রার্থী করেছে। এই আসনটি ফের নিজেদের দখলে রাখতে খোদ প্রধানমন্ত্রী প্রচারে আসছেন। আবার ধূপগুড়ি বিধানসভা উপনির্বাচনের তৃণমূল প্রার্থীর জয়ের পর ধূপগুড়ি মহকুমা ঘোষণা এবং সেই প্রার্থীকেই লোকসভা আসনে মনোনীত করাকে ছোট করে দেখতে চাইছে না বিজেপি। প্রধানমন্ত্রীর সভা কে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিজেপি কর্মীদের মধ্যে শুরু হয়েছে তুমুল উচ্ছ্বাস। দলের নেতা-কর্মীরা দাঁড়িয়ে থেকে সমস্ত কাজ তদারকি করছেন। সভায় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের যাতে কোনওরকম অসুবিধা না হয় তারজন্য পর্যাপ্ত জল এবং মেডিক্যাল টিমও থাকবে বলে বিজেপি সূত্রে জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শ্যাম প্রসাদ বলেন, মোদিজির সভায় কয়েক লক্ষ লোক হবে বলে আমরা আশা করছি। সাধারণ মানুষ দলীয় প্রার্থীকে ফের একবার আশীর্বাদ করবেন। এদিকে বায়ু সেনার হেলিকপ্টার দুদিন মহড়া দিয়ে গেছে অস্থায়ী হেলিপ্যাডে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gourbanga University: উপাচার্যের চেম্বার সিল করার নির্দেশ, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কঠোর রাজ্যপাল

    Gourbanga University: উপাচার্যের চেম্বার সিল করার নির্দেশ, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কঠোর রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের চেম্বার ‘সিল’ করে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনের তরফে শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার বিশ্বজিৎ দাসকে এই মর্মে মেল পাঠানো হয়। উপাচার্য যাতে আর বিশ্ববিদ্যালয়ে না ঢুকতে পারেন, তা নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্যপালের দফতর থেকে রেজিস্ট্রারকে মেইল মারফৎ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৷ 

    রাজভবনের নির্দেশ

    শুক্রবার উপাচার্য রজতকিশোর দে-এর গৌরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ৷ রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ দাসকে মেল করে বলা হয়েছে, গত ৩১ মার্চ রাজ্যপাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য রজতকিশোর দেকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন ৷ এবার উপাচার্যের চেম্বার সিল করে দিতে হবে ৷ কোনও পরিস্থিতিতেই রজতবাবু যাতে তাঁর ঘরে ঢুকতে না পারেন তার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে ৷ প্রয়োজনে পুলিশের সাহায্য নিয়ে অপসারিত উপাচার্য রজতকিশোর দে-কে আটকাতে হবে বলেও কড়া নির্দেশ দিয়েছে রাজভবন।

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    কী বললেন রেজিস্ট্রার

    গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকরী উপাচার্য হিসাবে গত অগাস্ট মাসে দায়িত্ব পান রজতকিশোর দে। রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোসই তাঁকে এই দায়িত্ব দিয়ে নিয়ে যান গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। ন’ মাসের মাথায় সেই আচার্যই পদ থেকে সরিয়ে দিলেন রজতকিশোর দে-কে। এদিকে আচার্যের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে রাজ্য। রজতকিশোর দে-কে উপাচার্য হিসাবেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় শিক্ষা দফতরের তরফে। এ প্রসঙ্গে রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “আমি যখন সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ অফিস থেকে বেরচ্ছি তখন নিজের মেইল দেখি৷ সেই সময় রাজ্যপালের দফতর থেকে আসা মেইলটি নজরে পড়ে৷ সেই মেইলে অধ্যাপক রজতকিশোর দে’র চেম্বার সিল করতে বলা হয়েছে ৷ তাতে কোনও অসুবিধে হলে পুলিশ প্রশাসনের সাহায্য নিতেও বলা হয়েছে৷ তবে এ নিয়ে আমি নিজে কোনও পদক্ষেপ করতে পারব না৷ আমার সেই অধিকার নেই৷ উপাচার্য এখন ছুটিতে৷ বিষয়টি কয়েকজন ইসি সদস্যকে জানিয়েছি৷ উচ্চশিক্ষা দফতরকেও জানাব৷ ইসির নির্দেশমতো আমাকে কাজ করতে হবে৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar Blast: বিস্ফোরণে উড়ে যায় তৃণমূল নেতার বাড়ি, উদ্ধার হয়  তিনজনের দেহ, সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল?

    Bhupatinagar Blast: বিস্ফোরণে উড়ে যায় তৃণমূল নেতার বাড়ি, উদ্ধার হয় তিনজনের দেহ, সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ছিল। ঠিক তার আগের রাতে ২ ডিসেম্বর সভাস্থল থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্নার বাড়ি বিস্ফোরণে উড়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ কাঁথির ভগবানপুর-২ ব্লকের ভূপতিনগর (Bhupatinagar Blast) থানার অর্জুননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাড়ুয়াবিলা গ্রামে বিস্ফোরণ ঘটে। তাতে মৃত্যু হয় রাজকুমার-সহ তিন জনের। যদিও বাড়ি থেকে ওই তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয়নি।

    তিন জায়গা থেকে তিনজনের ঝলসানো মৃতদেহ উদ্ধার হয় (Bhupatinagar Blast)

    পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে (Bhupatinagar Blast) মৃত্যু হয় তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্না ও তাঁর দুই ভাই বিশ্বজিৎ গায়েন ও বুদ্ধদেব মান্না ওরফে লালু। চাঞ্চল্যকর দাবি করেছিলেন নিহত তৃণমূল নেতার স্ত্রী লতা মান্না। তিনি বলেছিলেন, ঘটনার পরই কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তি তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন। তাঁরাই দেহ বাড়ি থেকে বার করে নিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু, কোথায় নিয়ে গিয়েছেন, তা জানেন না। পরদিন বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে পৃথক তিন জায়গা থেকে তিনজনের ঝলসানো মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ ঘটে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে গোড়া থেকে অভিযোগ করছে বিজেপি নেতৃত্ব। তা নিয়েই সন্দেহ দানা বাঁধে। প্রশ্ন ওঠে, তবে কি মৃতদেহ লোপাটের চেষ্টা করা হচ্ছিল? আর কেউ আহত কিংবা মারা গেছেন কি না, তা নিয়েও তৈরি হয় ধোঁয়াশা।

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    এনআইএ তদন্তের দাবি তোলে বিজেপি

    এনআইএ তদন্তের দাবি তোলে বিজেপি। চিঠি লেখা হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে। ভূপতিনগর বিস্ফোরণ (Bhupatinagar Blast) কাণ্ডে এনআইএ তদন্ত চেয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বসুর সঙ্গে দেখা করেন ভগবানপুরের বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি। কেন্দ্রীয় তদন্তের দাবি জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী অনিন্দ্যসুন্দর দাস। মামলাকারীদের অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে কয়েকদিন কেটে গেলেও সেখানে ফরেনসিক দল পৌঁছয়নি। তার ফলে প্রমাণ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হোক এনআইএ–কে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিস্ফোরণের ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখেছিলেন।

     এনআইএ-এর ওপর হামলা

    ২০২৩ সালের জুন মাসে ওই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-কে দেয় হাইকোর্ট। বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে চলতি বছরের মার্চ মাসে ৮ তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডেকে পাঠায় এনআইএ। কলকাতার এনআইএ দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মানবকুমার পয়রা, স্থানীয় তৃণমূল নেতা সুবীর মাইতি-সহ মোট ৮ জনকে তলব করা হয়। যদিও তাঁরা কেউ হাজিরা দেননি। এর আগে ৩ জনকে তলব করা হয়েছিল। যদিও তাঁরাও হাজিরা দেননি। সেই ঘটনার তদন্তে এবার পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে (Bhupatinagar Blast) গিয়ে আক্রান্ত হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি এনআইএ। ভূপতিনগর বিস্ফোরণ মামলায় তদন্তে গিয়েছিলেন এনআইএর-র তদন্তকারীদের একটি দল। সেই দলের ওপরেই হামলা হয়েছে। তদন্তকারীদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময়েই হামলা হয়। ওই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। হামলার ঘটনায় দুই এনআইএ আধিকারিক আহত হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Attack on NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডের মূলে ধৃত ২ তৃণমূল নেতাই,  বিবৃতি প্রকাশ এনআইএ-র

    Attack on NIA: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডের মূলে ধৃত ২ তৃণমূল নেতাই, বিবৃতি প্রকাশ এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কান্ডে শনিবারই দু’জনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ (Attack on NIA)। এই গ্রেফতারি করতে যাওয়ার সময় বাধার মুখে পড়তে হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। এনআইএ-এর তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ধৃত দুই তৃণমূল নেতা বলাইচরণ মাইতি এবং মনোব্রত জানা দুজনেই বোমার তৈরির ষড়যন্ত্র করছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আরও জানিয়েছে, আতঙ্ক ছড়ানোই তাদের উদ্দেশ্য ছিল।

    ৫ জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে গ্রেফতার ২

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আরও জানিয়েছে, পাঁচটি জায়গাতে তল্লাশি চালিয়ে এই দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি মনোব্রতের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। তখনই স্থানীয় মানুষজন আধিকারিকদের বাধা দেয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এনআইয়ের আধিকারিকরা অল্প-বিস্তার চোটও পেয়েছেন। সন্দেশখালির কায়দায় হামলা চালানো হয়েছে তদন্তকারী সংস্থার গাড়িতেও। এই ঘটনায় স্থানীয় (Attack on NIA) থানায় অভিযোগ জানাতে যাওয়ার সময় ফের এনআইএ-কে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু পরবর্তী সময়ে অভিযোগ দায়ের করতে পেরেছে এনআইএ।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির ছায়া ভূপতিনগরে, তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত এনআইএ-র আধিকারিকরা, ভাঙচুর করা হল গাড়ি

    ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ঘটে বিস্ফোরণ

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসেই পূর্ব মেদিনীপুরের নারুয়াবিলার গ্রামে রাজকুমার মান্নার বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁর বাড়িতে এই বিস্ফোরণ ঘটে (Attack on NIA) তিনিও তৃণমূল নেতা ছিলেন। এই ঘটনায় রাজকুমার নিজে গুরুতর জখম হন। তাঁর সঙ্গে যখন বিশ্বজিৎ গায়েন এবং বুদ্ধদেব মান্না নামের দুই ব্যক্তিও জখম হন। ঘটনাক্রমে তিনজনেরই মৃত্যু হয়। ২০২২ সালে ৩ ডিসেম্বর এই ঘটনায় রাজ্য পুলিশ এফআইআর দায়ের করে। কিন্তু সেই এফআইআর-এ বিস্ফোরক পদার্থ আইন প্রয়োগ করা হয়নি। পরবর্তীকালে মামলার জল গড়ায় হাইকোর্টে, এনআইএ তদন্তের দাবি করা হয়। ২০২৩ সালের ৪ জুন তদন্তভার হাতে নেয় এনআইএ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: ভূপতিনগরে আক্রান্ত এনআইএ, হামালাকারীদের সমর্থন মুখ্যমন্ত্রীর, কীসের স্বার্থে?

    Mamata Banerjee: ভূপতিনগরে আক্রান্ত এনআইএ, হামালাকারীদের সমর্থন মুখ্যমন্ত্রীর, কীসের স্বার্থে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে তদন্তভার রয়েছে এনআইএ-র ওপর। নিয়ম মেনে এই ঘটনায় ৮ জনকে তলব করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্তে গিয়ে শনিবার সাত সকালে আক্রান্ত হন এনআইএ আধিকারিকরা। মূলত তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তৃণমূলের সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নিন্দার পরিবর্তে হামলাকারীদের পক্ষে দাঁড়ালেন। এনআইএ-এর তদন্ত নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুললেন। যা নিয়ে বিরোধীরা তাঁকে তীব্র আক্রমণ করেছে। রাজ্যজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

    ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? (Mamata Banerjee)

    শনিবার রায়গঞ্জে রাত্রিযাপন করে দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনে যোগ দিতে যাওয়ার সময় রায়গঞ্জের কর্ণজোড়ায় অডিটোরিয়াম মাঠে হেলিকপ্টারে ওঠার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, “ওরা কি পুলিশকে জানিয়ে গেছিলো? ওরা কেন মধ্যরাত্রে পুলিশকে না জানিয়ে যাচ্ছে? নিয়ম হচ্ছে লোকাল পুলিশকে জানিয়ে যাওয়া। মধ্যরাতে যদি গ্রামের লোক দেখে হঠাৎ করে কিছু লোক আসছে পুলিশের ড্রেস পরে, তারা কি করে বুঝবে কিসের জন্য? আর নির্বাচনের আগে কেন গ্রেফতার করবে? যদি সবাইকে গ্রেফতার করে, বিজেপি কী মনে করে, সব বুথ এজেন্টদের গ্রেফতার করবে, সব ভোট ম্যানেজারদের গ্রেফতার করবে? এসব করে ওরা ভোটে জিতবে? শূন্য, শূন্যে গুলি ছুড়ছে। কি অধিকার আছে এনআইএ-র? শুধু বিজেপিকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য। বিজেপি নোংরামি খেলা খেলছে। আমরা সারা পৃথিবীতে এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলব!”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির ছায়া ভূপতিনগরে, তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত এনআইএ-র আধিকারিকরা, ভাঙচুর করা হল গাড়ি

    মমতার নির্দেশে এনআইএ হামলা, সুকান্ত

    বিরোধীদের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী যদি হামলাকারীদের এভাবে পাশে দাঁড়ায়, তাহলে থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস দেখাতে পারবে না। হামলাকারীদের এভাবে মদত দেওয়ার অর্থ, তিনিও এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ করেছেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Mamata Banerjee)। তিনি বলেন, পুরো বিষয়টি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঘটেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA Attacked: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    NIA Attacked: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগরে এনআইএ-এর ওপর হামলার ঘটনায় সরব হলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সন্দেশখালির পর ভূপতিনগর। ইডি-র পর এনআইএ। তিনমাসের মাথায় ফের রাজ্যে হামলার মুখে পড়ল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এই নিয়েই রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনকে এক হাত নিল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

    কী বললেন সুকান্ত

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনায় কেন্দ্র এবং বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। সুকান্তের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটেছে। সুকান্ত বলেন, ‘‘পুরো বিষয়টি ঘটেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে। স্থানীয় মানুষ নন, এঁরা চিহ্নিত তৃণমূল নেতা এবং কর্মী। যে ভাবে একের পর এক কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর আক্রমণ হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গকে দেখে মাঝেমাঝে আমাদের মনে হচ্ছে আফগানিস্তানে পরিণত হয়ে গিয়েছে। আমার মনে হয়, কেন্দ্রীয় সরকার, কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি এবং বিচারব্যবস্থার খুব তাড়াতাড়ি হস্তক্ষেপ করা উচিত। নচেৎ, পশ্চিমবঙ্গ আগামিদিনে ভারতের অঙ্গরাজ্য থাকবে, না কি থাকবে না, তা নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। বার বার দেশবিরোধী শক্তির সঙ্গে তৃণমূলের নাম জড়িয়ে যাচ্ছে। এটা অত্যন্ত চিন্তার বিষয়। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনেরও এই দল সম্পর্কে ভাবা উচিত।’’

    কী বললেন শুভেন্দু

    ভূপতিনগরে এনআইএ-এর ওপর হামলার ঘটনায় পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে এই দাবি জানিয়েছেন তিনি। সঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্ররোচনাতেই হামলা হয়েছে এনআইএ-র ওপর। শুভেন্দু লিখেছেন, ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এনআইএ। পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। যেহেতু এখন আইন – শৃঙ্খলা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণাধীন, তাই তাদের কাছে অনুরোধ করব ভূপতিনগর থানার ওসি, কাঁথির মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ও পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করুন। শুভেন্দুর দাবি, সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারিকরা আক্রান্ত হওয়ার পরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লাগাতার প্ররোচনা দিয়ে গিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি কোচবিহারের মাথাভাঙায় একটি রাজনৈতিক সভায় এনআইএ-কে নিয়ে কটূ মন্তব্য করেন।

    রাজ্যে ৩৫৫ ধারা জারির দাবি 

    পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে বিস্ফোরণ-মামলার তদন্তে দুই তৃণমূল কর্মীকে আটক করে নিয়ে আসার সময় এনআইএ-র গাড়িতে হামলা চালানো হয়। ইট,পাথর বৃষ্টি, ভাঙা হয় পুলিশের স্টিকার লাগানো গাড়ির কাচ। মাথা ফাটে এনআইএ আধিকারিকের। এনআইএ-র দাবি, ভূপতিনগর বিস্ফোরণ-মামলার তদন্তে দুই সন্দেহভাজন বলাইচরণ মাইতি ও মনোব্রত জানাকে আটক করে নিয়ে আসার সময়, তাদের গাড়িতে হামলা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই চলে ইট, পাথরবৃষ্টি।  বিজেপির তরফে রাজ্যসভার সাংসদ তথা মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে ৩৫৫ ধারা জারির দাবি তুলেছেন। তিনি বলেন “বাংলায় যে আইনের শাসন নেই, তা এঘটনা থেকেই স্পষ্ট। আদালতের নির্দেশে তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে বিএসএফের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। এর পরেও কী শান্তির ভোট সম্ভব?”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির ছায়া ভূপতিনগরে, তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত এনআইএ-র আধিকারিকরা, ভাঙচুর করা হল গাড়ি

    ভগবানপুরের বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেছেন, রাজ্যে যাতে আইনের শাসন কায়েম করা না যায়, তার জন্য সন্দেশখালির ধাঁচে হামলা করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আবার শিশির অধিকারী বলেছেন, “এই সব ঘটনা ভিতরে চলছিল। বাইরে প্রকাশ হল। সরকারের উস্কানি রয়েছে। এনআইএ তদন্ত করছে। সব প্রমাণ খতিয়ে দেখেছে। ওদের ডেকে পাঠানো হয়েছিল। যায়নি। তারপর যা পদক্ষেপ করার এনআইএ করেছে। আর সেটাকে বলপ্রয়োগ করে মানুষকে দেখাতে চাইছে কত শক্তিশালী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share