Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Bankura: “চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেকের ভাই”, বিস্ফোরক সৌমিত্র খাঁ

    Bankura: “চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেকের ভাই”, বিস্ফোরক সৌমিত্র খাঁ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের রায়ে ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়ে গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে এই ইস্যুতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই যোগ্যরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু করেছেন। এই আবহের মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বাঁকুড়ার (Bankura) সভায় বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সৌমিত্র খাঁ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেকের ভাই (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) রতনপুরে নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সৌমিত্র খাঁ বলেছেন, তৃণমূলে থাকার সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কিছু ছেলের চাকরির জন্য অনুরোধ করেছিলাম। তিনি তাঁর ভাই আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা বলেছিলেন। আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গেলে তিনি প্রার্থী পিছ আট লক্ষ টাকা দাবি করেন। সৌমিত্রর কথায়, ” আমি ওনার ছোট ভাই আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বললাম অভিষেকদা বলল চাকরি করে দেবেন। তো কী করতে পারবেন? আমায় বললেন, দাদা তোমার কাছ থেকে বেশি নেব না। এক কাজ করো আট লক্ষ টাকা আর দু’লক্ষ টাকা তোমার জন্য। মোট ১০ লক্ষ টাকা করে ১০০টা ক্যান্ডিডেট এনে দিতে পারো।”  এরপরই সৌমিত্র খাঁ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চোর দাবি করে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা আসতেন আমি তাঁর প্যান্ট জামা খুলে নিতাম।” শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ আদালত যে করছে তা বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্যে আরও পরিষ্কার হয়ে গেল। এই নির্বাচনে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    বড়জোড়ার (Bankura) তৃণমূল বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায় বলেন, “ওর হিম্মত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোশাক খুলে নেওয়ার? ও তো তিনটে-চারটে লোক আর পয়সার থলি নিয়ে ঘুরছে। আর এই ভোটে পাবলিক ওকে যোগ্য জবাব দেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rose Valley Case: রোজভ্যালি মামলায় সিবিআই চার্জশিটে সাধন-কন্যার নাম, আরও গাড্ডায় তৃণমূল

    Rose Valley Case: রোজভ্যালি মামলায় সিবিআই চার্জশিটে সাধন-কন্যার নাম, আরও গাড্ডায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। তার আগে আরও গাড্ডায় পড়ল তৃণমূল। রোজভ্যালি মামলায় (Rose Valley Case) সিবিআই যে চার্জশিট পেশ করেছে, সেখানে এক নম্বরেই রয়েছে শ্রেয়া পাণ্ডের নাম। শ্রেয়া উত্তর কলকাতার তৃণমূল নেত্রী। তাঁর বাবা প্রয়াত সাধন পাণ্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।

    শ্রেয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ (Rose Valley Case)

    চার্জশিটে সিবিআইয়ের অভিযোগ, রোজভ্যালির ২ কোটি ২২ হাজারেরও বেশি টাকা গিয়েছে শ্রেয়ার দুই সংস্থায়। রোজভ্যালির টাকায় চিনও ঘুরে এসেছেন এই তৃণমূল নেত্রী। ওড়িশার ভুবনেশ্বর আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছে, মন্ত্রিকন্যা হওয়ায় প্রভাবও খাটিয়েছেন শ্রেয়া। চিটফান্ড সংস্থা রোজভ্যালির (Rose Valley Case) বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যেত শ্রেয়াকে। তাঁর সংস্থা রোজভ্যালির বিভিন্ন কাজের বরাতও পেয়েছিল। অভিযোগ, মন্ত্রিকন্যা হওয়ার সুবাদে প্রাপ্য টাকার চেয়েও বেশি টাকা দেওয়া হয়েছিল শ্রেয়ার সংস্থাকে।

    সিবিআইয়ের দাবি

    সিবিআইয়ের দাবি, রোজভ্যালি চিটফান্ড জানা সত্ত্বেও শ্রেয়া এই সংস্থার ব্যবসা বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছেন। উল্লেখ্য, সিবিআই চার্জশিটে শ্রেয়ার নাম থাকলেও, ইডির চার্জশিটে নাম নেই তাঁর। ইডি সূত্রে খবর, তদন্ত চলছে। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে শ্রেয়ার নাম যোগ করা হতে পারে। সিবিআইয়ের চার্জশিটের এক নম্বরে শ্রেয়ার নাম রয়েছে শুনে, উত্তর কলকাতা বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় বলেন, “এই দুর্নীতির পয়লা নম্বর অভিযুক্ত হচ্ছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তিনি আপাতত জামিনে রয়েছেন। শ্রেয়ার নামও তালিকায় রয়েছে। আশা করি, ওঁর বিরুদ্ধেও উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে তদন্তকারী সংস্থা।” সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে অভিযুক্ত শ্রেয়া বলেন, “সরকারিভাবে আমায় কিছু জানানো হয়নি। এখনও অবধি আমার কাছে কোনও নোটিশ আসেনি।”

    আরও পড়ুুন: এবার ‘বিদেশ থেকে’ প্রাণনাশের হুমকি-ফোন জ্ঞানবাপী মামলার বিচারককে

    ২০১৩ সালে প্রকাশ্যে আসে সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারি। ওই মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন সংস্থার কর্ণধার সুদীপ্ত সেন, দেবযানী মুখোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে। এর পরে পরেই গ্রেফতার করা হয় আর এক চিটফান্ড রোজভ্যালির কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুকেও। তার পর একে একে প্রকাশ্যে আসে এমপিএস, পিনকন, টাওয়ার, ত্রিভুবন অ্যাগ্রো-সহ বেশ কিছু চিটফান্ডের নাম। সেই মামলায় এখনও জেলবন্দি রয়েছেন সুদীপ্ত, গৌতম, অনুকূল মাইতিরা (Rose Valley Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: পুলিশের পর সন্দেশখালিকাণ্ডে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই

    Sandeshkhali Incident: পুলিশের পর সন্দেশখালিকাণ্ডে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের পর এবার সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই। সন্দেশখালির ঘটনায় (Sandeshkhali Incident) আদালতের নির্দেশে তদন্তে নেমে ই-মেল আইডি তৈরি করে স্থানীয়দের অভিযোগ গ্রহণ করে সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, মেল আইডি খুলে দিতেই সন্দেশখালি থেকে আসা লিখিত অভিযোগ উপচে পড়ে সিবিআইয়ের মেলবক্সে। এরপর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার তদন্তকারী সংস্থা সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে নেমে শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল।

    চাপে পড়ে পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছিল শিবু-সহ মোট তিন জনের বিরুদ্ধে

    সন্দেশখালিকাণ্ডে এর আগে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) সহযোগী তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরার বিরুদ্ধে ধর্ষণের দুটি অভিযোগ দায়ের করেছিল পুলিশ। বসিরহাট মহকুমা আদালতে অভিযোগকারিণীর গোপন জবানবন্দির ভিত্তিতে শিবু হাজরার (Shibu Hazra) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল শিবু-সহ মোট তিন জনের বিরুদ্ধে। এ বার সন্দেশখালিকাণ্ডে নারী নি‌র্যাতনের অভিযোগ দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।
    ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের।

    ই-মেইলে আসা অভিযোগের ভিত্তিতে এক নির্যাতিতার বাড়ি গিয়ে কথা বলে সিবিআই

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ই-মেইলে আসা অভিযোগের ভিত্তিতে এক নির্যাতিতার বাড়ি গিয়ে কথা বলেন তাঁরা (Sandeshkhali Incident)। অভিযোগকারিনী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বয়ান রেকর্ড করে সিবিআই (CBI)। সেই বয়ানের ভিত্তিতে দায়ের করা হয়েছে ধর্ষণের অভিযোগ। তবে ধর্ষণে অভিযুক্ত কে বা কারা তা জানা যায়নি।

    গত ১০ এপ্রিল সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার সিবিআইকে (Sandeshkhali Incident) দেয় কলকাতা হাইকোর্টের

    উল্লেখ্য শাহজাহান পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথমে সিবিআই হেফাজত এবং তার পরে ইডি হেফাজতে ছিলেন। বর্তমানে জেলে রয়েছেন শেখ শাহজাহান। গ্রেফতার হয়েছেন শিবু-সহ শাহজাহানের শাগরেদরাও। গত ১০ এপ্রিল সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার সিবিআইকে (Sandeshkhali Incident) দেয় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে রাজ্য পুলিশকে সব রকম সাহায্য করার নির্দেশ দেয় আদালত। আর এর পরেই আদালতের নির্দেশে তদন্তে নেমে নারী নি‌র্যাতনের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরও প্যাঁচে ‘কালীঘাটের কাকু’, সুজয়কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই

    CBI: আরও প্যাঁচে ‘কালীঘাটের কাকু’, সুজয়কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা মিলেছে এমনটাই আদালতে জানিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। সেই আবহে জেলে গিয়ে তাঁকে জেরা করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হল সিবিআই (CBI)। প্রয়োজনীয় অনুমোদনের জন্য বুধবার কলকাতার বিচার ভবনের বিশেষ আদালতে আবেদন করেছে সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) কাণ্ডে তদন্তের জন্য তাঁকে জেরা করার প্রয়োজন আছে জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই (CBI)। এমনকি এই মামলায় দ্রুত অয়ন শীল ও শান্তনু বন্দোপাধ্যায়কেও জেরা করতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। আরও জানা গেছে আলিপুর আদালতকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছে এনিয়ে নগর দায়রা আদালত।

    রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার কলকাতার ফরেনসিক ল্যাবরেটরি থেকে একটি মুখ বন্ধ খামে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট তাদের দফতরে আসে বলে ইডি সূত্রে খবর। এরপর সেই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। লাইভ স্ট্রিমিং চলাকালীন তদন্তের স্বার্থে কয়েকটি বিষয় প্রকাশ্যে আনেননি। তবে দুই পক্ষের কথোপকথন থেকে জানা যায় কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট মিলেছে। তবে সেই রিপোর্টে খুশি নয় আদালত। কারণ কণ্ঠস্বর মেলার পর যা করণীয় তা করা হয়নি এমনটাই মনে করেছে আদালত। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কল রেকর্ডিং এবং পরে সংগ্রহ করা কণ্ঠস্বরের নমুনা ইতিবাচক রয়েছে একথা আদালতে জানানো হলেও যার সঙ্গে কথা সুজয়ের কথা হয়েছিল তাঁকে এখনও হেফাজতে নেওয়া হয়নি বলেই জানা গেছে। কণ্ঠস্বরের নমুনার রিপোর্ট চলে আসায় সেই জটিলতা অনেকটাই কেটে গেছে বলে তদন্তকারী সংস্থা (CBI) সূত্রে খবর।

    গ্রেফতার হওয়ার পর সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের দীর্ঘদিন ঠিকানা ছিল হাসপাতাল

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ার পর সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের দীর্ঘদিন ঠিকানা ছিল হাসপাতাল। অসুস্থতার অজুহাতে কখনও সরকারি আবার কখনও বেসরকারি হাসপাতালে থেকেছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। মাঝে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর হার্টে অস্ত্রপচার করা হয় বলে জানানো হয়। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে বারবার জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছে ইডি। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে কী উঠে এসেছে তা এখনও জানা যায়নি। প্রসঙ্গত ৩ জানুয়ারি জোকা ইএসআই হাসপাতালে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতাদের কলার ধরে চাকরির টাকা ফেরত নিন”, চাকরিহারাদের বার্তা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতাদের কলার ধরে চাকরির টাকা ফেরত নিন”, চাকরিহারাদের বার্তা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “লোকসভা ভোট শেষ হওয়ার পর তৃণমূল থাকবে না। যারা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন তাদের বলব, ভোটের আগে তৃণমূল নেতাদের কাছে যান, কলার ধরে চাকরির টাকা ফেরত নিয়ে নিন।” বৃহস্পতিবার এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, তৃণমূল আমলে যারা চাকরি পেয়েছেন, কার চাকরি থাকবে, কার চাকরি যাবে বলা অসম্ভব। তাঁদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা পড়াশুনা করে চাকরি পেয়েছেন, তারা তো টাকা দিয়ে চাকরি পাননি। তাহলে তো আটা ও ভুষি এক হয়ে যাচ্ছে। যারা ঘুষ নিয়ে চাকরি পেয়েছেন, তাদের চাকরি যাচ্ছে আর যারা পড়াশুনা করে চাকরি পেয়েছেন, তাদেরও চাকরি চলে যাচ্ছে।

    দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    এদিকে রাত পোহালেই দ্বিতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন। তার আগে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন বালুঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মূলত, বুথের অবস্থা কি তার খোঁজ খবর নিচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী। এদিন দুপুরে বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চকরাম এলাকায় যান বিজেপি প্রার্থী। সেখানে দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন সুকান্ত। পাশাপাশি ওই এলাকায় কিছু তৃণমূলের লোকজন একটু হুমকি দিচ্ছে। তারা আবার দিনের বেলা বেরতে পারে না বলে জানান বিজেপি কর্মীরা । দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন সুকান্ত মজুমদার এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এদিন বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার চিঙ্গিশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আলিপুর, গোপালপুর ও হিলি ব্লকের তিওর সহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেরান।

    আরও পড়ুন: শ্রীরূপার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে কমিশনে বিজেপি

    কী বললেন সুকান্ত?

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বুধবার তো প্রচার শেষ হয়েছে। তাই, এদিন বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছি। তাঁদের কোনও অসুবিধা হচ্ছে কি না, কেউ ভয় দেখাচ্ছে কি না এইসব শুনছি। ছোট খাটো ধমকানো চমকানো চলছে। ভয় দেখানো হচ্ছে, বিভিন্ন ভাতা বন্ধ হবে এইসব চলছে। মুর্শিদাবাদের বড়ঞাতে বোমা বাঁধতে গিয়ে তৃণমূল কর্মীর হাত উড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বোমা বাধঁতে গিয়ে হাত উড়েছে। পশ্চিমবঙ্গ হল বোমা শিল্পর জন্য বিখ্যাত। মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এইসব জায়গায় বোমা ঘরে ঘরে কুটির শিল্প এখন। বোমা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট প্রচারে বেরিয়ে কাঞ্চনকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিলেন কল্যাণ

    Lok Sabha Election 2024: ভোট প্রচারে বেরিয়ে কাঞ্চনকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিলেন কল্যাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Lok Sabha Election 2024) মুখে আবার সামনে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। ভোটের প্রচারে বেরিয়ে উত্তরপাড়ার বিধায়ক তথা অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিককে গাড়ি (campaign car) থেকে নামিয়ে দিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল প্রার্থী বিদায়ী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরেই মনমরা হয়ে কাঞ্চন বেরিয়ে গেলেন কল্যাণের প্রচার (election campaign) ছেড়ে। এই ঘটনার জেরে শুরুতেই তাল কাটে কল্যাণের প্রচারের।

    ঠিক কী হয়েছিল? (Lok Sabha Election 2024) 

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার সকালে কোন্নগর নবগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ভোট (Lok Sabha Election 2024) প্রচার ও জনসংযোগে বের হন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (kalyan bandhopadhyay)। এই প্রচারে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক এবং অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক (kanchan mallick)। কিন্তু প্রচার শুরু হতেই ঘটে বিপত্তি। গাড়ি থেকে নেমে যেতে বলা হয় বিধায়ককে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, কাঞ্চনকে দেখলেই গ্রামের মহিলারা ‘ভীষণ রিয়্যাক্ট’ করছেন। তাই তিনি কাঞ্চনকে তাঁর সঙ্গে গ্রামে প্রচারে যেতে মানা করেছেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,”আমি ওঁকে আগেই বলে দিয়েছিলাম, গ্রামে এসো না। আমি ব্যক্তি বিশেষের জন্য নই, আমি সমষ্টিগত মানুষের সুখের জন্য। একজনের সুখের জন্য আমি সমষ্টিগত মানুষকে কষ্ট দিতে পারব না।”এরপর কাঞ্চন এক দলীয় কর্মীর বাইকের পিছনে বসে সেখান থেকে বেরিয়ে যান। কাঞ্চনের অনুগামীদের সূত্রে খবর, ঘটনার পর তিনি কলকাতায় ফিরে গেছেন।

    আরও পড়ুন: শ্রীরূপার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে কমিশনে বিজেপি

    কাঞ্চনের বিয়ে নিয়েই শোরগোল টলিপাড়া থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায়

    প্রসঙ্গত, কাঞ্চন টলিউডের (tollywood actor) একজন জনপ্রিয় অভিনেত। কিন্তু, বর্তমানে ব্যক্তিগত কারণে শিরোনামে  আছেন তিনি। প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর খুব সম্প্রতি আবারো বিয়ে করেছেন অভিনেতা-বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক। আর কাঞ্চনের এই বিয়ে নিয়েই শোরগোল টলিপাড়া থেকে সোশ্যাল মিডিয়া সর্বত্র। আর এদিনের প্রচারে কাঞ্চনকে দেখে সেই নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে দাবি কল্যাণের। যদিও কল্যাণ স্পষ্ট করেননি, গ্রামের মহিলারা ঠিক কোনও কারণে কাঞ্চনকে নিয়ে আপত্তি করছেন। অন্যদিকে গোটা ঘটনায় কাঞ্চন মল্লিকের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Primary Tet 2022: প্রাথমিক টেটের প্রশ্নে ভুল, খতিয়ে দেখেতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহায্য চাইল হাইকোর্ট

    Primary Tet 2022: প্রাথমিক টেটের প্রশ্নে ভুল, খতিয়ে দেখেতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহায্য চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সালের প্রাথমিক টেট (Primary Tet 2022) পরীক্ষার ভুল প্রশ্নপত্র নিয়ে পদক্ষেপ করল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রশ্নপত্র যাচাইয়ে  যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে দিয়ে বিশেষ কমিটি গড়ার নির্দেশ দিল আদালত। এর আগে ২০১৭ সালে টেট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রে ভুল থাকার তদন্তে বিশ্বভারতী বিশ্বিবিদ্যালয়ের সাহায্য চেয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। 

    কী বলল আদালত

    ২০২২ সালে টেট (Primary Tet 2022) পরীক্ষায় মোট ২৩টি প্রশ্ন নিয়ে সংশয় রয়েছে। সেই ২৩ টি প্রশ্নের উত্তর নতুন করে যাচাই করতে যাদবপুরের উপাচার্যকে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গড়ার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। হাইকোর্ট জানিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে যাবতীয় নথি উপাচার্যকে দিতে হবে। তিনি কমিটিকে দিয়ে ওইসব প্রশ্নের সঠিক জবাব কি হতে পারে সে ব্যাপারে নিজেদের মতামত এক মাসের মধ্যে কোর্টকে জানাবেন। ১৯ জুন পরবর্তী শুনানিতে এই ব্যাপারে পরবর্তী নির্দেশ দেবে আদালত। ২০১৭ সালের মতো ২০২২ সালের প্রশ্নপত্রে ভুলের অভিযোগ তুলে হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন কয়েক জন চাকরিপ্রার্থী। বৃহস্পতিবার তাঁদের হয়েই আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম, বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায়। 

    আরও পড়ুুন: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    আগেও প্রশ্নে ভুল

    ২০১৭ সালের টেটে (Primary Tet 2022) ২১টি প্রশ্নে ভুল ছিল কি না, তা নিয়ে বুধবারই কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল বিচারপতি মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ। তিনি জানান, টেটে প্রশ্নপত্র ভুল ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবে বিশেষজ্ঞ কমিটি। সেই কমিটি গঠন করবেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। প্রাথমিকভাবে, প্রাইমারি টেট পরীক্ষায় ১৩টি প্রশ্নে ভুল আছে বলে জানা গিযেছিল। এরপর জানা যায়, ১৩ নয় ১৫টি প্রশ্নে ভুল আছে। সেই সংখ্যা বেড়ে ২১টি হয়ে যায়। সবশেষে এখন নতুন করে যে মামলা হয়েছে, তাতে প্রশ্ন ভুলের সংখ্য়া বলা হচ্ছে ২৩টি। ১৫০টি প্রশ্নের মধ্যে ২৩টি প্রশ্নেই ভুল কী করে হয়, বিষয়টি নিয়ে আগেই ক্ষোভপ্রকাশ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: “চোরেদের দল তৃণমূলে আর থাকব না”, অর্জুনের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন কাউন্সিলর

    Arjun Singh: “চোরেদের দল তৃণমূলে আর থাকব না”, অর্জুনের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন কাউন্সিলর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) গড় ভাটপাড়ায় ফের তৃণমূলে ভাঙন। ভাটপাড়া পুরসভার ১০  নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দলবল বিজেপিতে যোগদান করলেন। ভোটের আগে এই ধস নামার ঘটনায় ব্যাকফুটে শাসক দল। পাশাপাশি, ভাটপাড়ায় আরও শক্তি বাড়ালো বিজেপি। ভোটের আগে এই যোগদানে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা চাঙা হয়ে উঠেছেন।

    চোরদের দল তৃণমূলে আর থাকব না, বললেন দলত্যাগী কাউন্সিলর

    মঙ্গলবার রাতে ভাটপাড়া পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল পার্টি অফিসে হামলার চালানোর অভিযোগ উঠল দলেরই অন্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। হামলায় আক্রান্ত হলেন তৃণমূলের কাউন্সিলর সত্যেন রায় এবং তাঁর ছেলে শানু রায়। সত্যেনবাবু বলেন, পার্টি অফিসে একটি বিষয়ে আলোচনা চলছিল। পরে, সেটা নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। সে সময় তৃণমূল নেতা দেবরাজ ঘোষ দলবল নিয়ে এসে আমাকে প্রথম মারধর করে। আমার ছেলে আমাকে বাঁচাতে এলে তাকে বেধড়ক পেটানো হয়। কিছুদিন আগে তার কিডনির অপারেশন হয়েছে। তাকেও রেয়াত করেনি। আমি প্রথম দিন থেকে তৃণমূল করি, আজ এটাই ফল পেলাম। পরে ছেলেকে চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হামলার ঘটনার পর তৃণমূল নেতারা কেউ পাশে আসেনি। অর্জুন সিং (Arjun Singh) আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। যে দল আমাকে কোনও সম্মান দেয়নি, সেই দলের সঙ্গে আমি কোনও মতেই থাকতে পারবো না। তাই আমি বিজেপিতে যোগদান করলাম। চোরদের দলে আমি থাকবো না। আর বারাকপুরে পার্থ ভৌমিক হেরে বসে রয়েছে।

    আরও পড়ুন: শ্রীরূপার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে কমিশনে বিজেপি

    কী বললেন অর্জুন সিং? (Arjun Singh)

    বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, তৃণমূলের কাউন্সিলর ছিল। তাঁকে অপমান করা হচ্ছিল। মারধর করা হচ্ছিল। আমরা তো তৃণমূল কাউন্সিলরকে নিরাপত্তা দিতে পারি না। বিজেপি আসলে সন্মান পাবেন বুঝতে পেরেই তিনি দলে যোগ দিয়েছেন। আমার দলের কর্মীদের হামলা করলে তৃণমূল বুঝতে পারবে কী হবে। মানুষ তার যোগ্য জবাব এবার ভোটে দিয়ে দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোটের মুখে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে হাতের একাংশ উড়ল তৃণমূল কর্মীর, শোরগোল

    Murshidabad: ভোটের মুখে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে হাতের একাংশ উড়ল তৃণমূল কর্মীর, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে হাতের একাংশ উড়ল এক যুবকের। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বড়ঞা থানার মোনাইকান্দারা গ্রামে। এই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূলের লোকজনই রাতের অন্ধকারে বোমা বাঁধার কাজ করছিল। সেই বোমা ফেটেই এই বিপত্তি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বড়ঞা থানা এলাকার মোনাইকান্দারা গ্রামের বেশ কয়েকজন যুবক স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় পিছনের জঙ্গলে সকেট বোমা বাঁধার কাজ করছিল। তাদের সঙ্গে ছিল বাইরে থেকে আসা ২ বোমা কারিগর। অতিরিক্ত গরম ও তীব্রতা বাড়াতে নির্দিষ্ট মাত্রার থেকেও বেশি পরিমাণ বারুদ ব্যবহার করাতে ব্যাপক শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে, দাবি পুলিশ সূত্রের। বিস্ফোরণের জেরে দুজন জখম হন। এরমধ্যে একজনের হাতের একাংশ উড়ে যায়। গুরুতর জখম হলেন আরও এক জন। সকালে স্থানীয়রা হাতের কয়েকটি আঙুল ছিন্নভিন্ন অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে। মোনাই কান্দারা গ্রামের বাসিন্দা জিন্নাত আলি শেখ নামক ১৯ বছর বয়সী এক যুবকের হাতের বেশ কয়েকটি আঙুল উড়ে গেছে বলে স্থানীয়দের দাবি। এই জিন্নাত কলেজ পড়ুয়া। বিস্ফোরণের শব্দে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। ঘিরে রাখা হয় গোটা এলাকা। সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের ঘটনাস্থলে যেতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি বিস্ফোরণের পরেই আহতদের নিয়ে এলাকা থেকে গা ঢাকা দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। শাসক দলের মদতেই চলছিল এই কারবার। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে গ্রামে যায় পুলিশ। বোমার খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়।

    আরও পড়ুন: “মিটিং সেরে ফেরার পথে অস্ত্র নিয়ে হামলা চালাল দলেরই কর্মীরা”, গুরুতর আহত তৃণমূল কর্মী

    জখম যুবকের পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    আহত জিন্নাত আলির এক আত্মীয় বলেন ‘ খাওয়া দাওয়া করে জিন্নাত বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। তার কিছুক্ষণ পরে প্রচন্ড শব্দ হয়। খবর পাই বোমা বিস্ফোরণে অনেকে আহত হয়েছে। জিন্নাতের হাত উড়ে গেছে। আমরা গিয়ে কাউকে দেখতে পাইনি। কোথায় আছে, কারা নিয়ে গেছে কিচ্ছু জানি না। কলেজে পড়া একটা ছেলেকে প্রলোভন দিয়ে এরকম খারাপ কাজে যারা যুক্ত করেছে তাদেরকে গ্রেফতার করুক পুলিশ”।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    কংগ্রেস নেতা আজাদ মল্লিক বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালানোর জন্য বোমা তৈরি করছিল। এরপরই বিস্ফোরণ হয়েছে। আমরা দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। আর তৃণমূলের যে নেতার নির্দেশে বোমা বাঁধার কাজ হচ্ছিল, তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। অন্যদিকে, বিজেপি নেত্রী অনামিকা ঘোষ বলেন, ভোটে গন্ডগোল করার জন্য বোমা তৈরি করা হচ্ছিল। আমরা দোষীদের শাস্তি দাবি করছি। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: শ্রীরূপার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে কমিশনে বিজেপি

    Abhishek Banerjee: শ্রীরূপার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে কমিশনে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদহ দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থীর শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর জন্য অভিষেকের (Abhishek Banerjee) অশ্লীল মন্তব্য করার প্রতিবাদে এবার নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল বিজেপি (BJP)। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ECI) অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ পত্রে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই অভিষেকের এই মন্তব্যের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রাজ্য তা জানতে চেয়ে ডিজিকে চিঠি পাঠিয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশন (NCW)। চার দিনের মধ্যে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানাতে বলা হয়েছে মহিলা কমিশনকে। 

    ঠিক কী বলেছেন অভিষেক? (Abhishek Banerjee) 

    মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী নিজেকে নির্ভয়া দিদি হিসেবেই পরিচয় দিতে ভালোবাসেন। তাঁর ভোট প্রচারের গাড়িতেও নির্ভয়া দিদি লিখে তিনি প্রচার চালাচ্ছেন। মঙ্গলবার মালদা দক্ষিণে দলের প্রার্থীর হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে নাম না উল্লেখ করে বিজেপি প্রার্থীকে ‘বেহায়া’ বলে মন্তব্য করেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিজেপি প্রার্থী নিজেকে নির্ভয়া বলে দাবি করছেন। আপনি নির্ভয়া নন আপনি নির্মম, আপনি বেহায়া।” এরপরেই জাতীয় মহিলা কমিশন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পোস্ট করে অভিষেকের বিরুদ্ধে একজন মহিলা প্রার্থীকে অসম্মান করার অভিযোগ আনে। মহিলা কমিশন এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছে ,একজন মহিলা প্রার্থী যিনি নির্ভয়া নামে পরিচিত তাঁকে নিয়ে এমন মন্তব্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নারীর অধিকারকে অসম্মান করেছেন। এই ঘটনার পরেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের কাছে বিজেপির দাবি, “ডায়মন্ড হারবারের প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইন মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং কঠোর সাজা দিতে হবে।”

    আরও পড়ুন: “মিটিং সেরে ফেরার পথে অস্ত্র নিয়ে হামলা চালাল দলেরই কর্মীরা”, গুরুতর আহত তৃণমূল কর্মী

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    শিশির বাজোরিয়া এদিন বলেন, “অভিষেকের মন্তব্য নারীবিদ্বেষী। যিনি মহিলাদের জন্য কাজ করেন। যিনি সমাজের জন্য কাজ করেন। তাঁকে সহ্য করতে পারছেন না অভিষেক। তার দলের নেত্রী মহিলা অথচ অন্য দলের নেত্রীকে তিনি অকথ্য, নোংরা ভাষায় অপমান করেছেন। তিনি নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করেছেন। তৃণমূলের অনেক নেতাই নারীবিদ্বেষী। চলতি লোকসভা নির্বাচনে যাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অন্য কোন কেন্দ্রে প্রচার না চালাতে পারেন সে বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থীকে প্রচার থেকে সাসপেন্ড করার দাবি জানানো হয়েছে। উনি কম কথা বললে মহিলাদের কম অসম্মান হবে।” স্বাভাবিকভাবেই একদিকে দুর্নীতির অভিযোগ অন্যদিকে কথা বলে বেজায় অস্বস্তিতে পড়েছেন ডায়মন্ড হারবার এর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী।

    রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দিল জাতীয় মহিলা কমিশন

    জাতীয় মহিলা কমিনের পক্ষ থেকে অভিষেককে নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। অভিষেকের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা মহিলা কমিশনের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share