Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Hooghly: “গতবারের তুলনায় ডবল মার্জিনে আমরা জয়ী হব”, বিজেপি প্রার্থী হয়ে বললেন লকেট

    Hooghly: “গতবারের তুলনায় ডবল মার্জিনে আমরা জয়ী হব”, বিজেপি প্রার্থী হয়ে বললেন লকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার টিকিট পেয়েই সক্রিয় বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। লোকসভার পদপ্রার্থী হওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজেপি নেত্রী। হুগলি (Hooghly) লোকসভার ১৮ লক্ষ মানুষের আওয়াজ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো লোকসভায় যেতে বদ্ধপরিকর লকেট। তাঁর নাম গত শনিবার প্রেস কনফারেন্সে প্রকাশিত হতেই দলীয় পার্টি অফিসে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। উল্লেখ্য, আসন্ন লোকসভা উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় বিজেপি প্রথম দফায় সারা দেশে ১৯৫ জন প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে। তার মধ্যে এই রাজ্যের রয়েছেন ২০ জন প্রার্থী। এই ২০ জনের মধ্যে দেখা যায় হুগলি থেকে লকেট চট্টোপাধ্যায় পুনরায় টিকিট পেয়েছেন।

    কী বললেন লকেট (Hooghly)?

    হুগলিতে (Hooghly) প্রেসমিট করে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “গতবারের তুলনায় ডবল মার্জিনে আমরা জয়ী হব। তৃণমূল রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসায় বিজেপি কর্মীদের উপর ব্যাপক অত্যাচার করেছে। আমরা সেই ধাক্কা সামলে নিজেদের ঘর গুছিয়ে নিয়েছি। আমাদের কর্মীরা এলাকায় ভীষণ ভাবে সক্রিয় রয়েছেন। আমি প্রধানমন্ত্রী এবং দলের নেতৃত্বকে অনেক ধন্যবাদ জানাই। আমরা এবার ৩৫টি আসন বাংলা থেকে উপহার দেবো। আমি আমার রাজ্যের কথা সংসদে বলতে সক্ষম হয়েছি। লোকসভার আগে তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল শুরু হয়েছে, সরকার ভেঙে যেতে পারে। এলাকায় তৃণমূলের মদতে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে কিন্তু আমাদের সংগঠন অনেক মজবুত রয়েছে। এই বারে সংসদে ৪০০ আসন পাবে বিজেপি।”

    শুরু দেওয়াল লেখন

    রবিবার দুপুর থেকেই হুগলীতে (Hooghly) লকেটের সমর্থনে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। লকেটের সমর্থনে এলাকায় বিজপি কর্মীরা নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। এদিন চুঁচুড়া পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের পিপুলপাতি এলাকায় দেওয়াল লেখার সূচনা করেন খোদ প্রার্থী। পাশাপাশি কর্মীসভা, চায়ে পে চর্চার মাধ্যমে সারাদিনই ব্যস্ত থাকেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। জনসংযোগের মাধ্যমে অন্য দলগুলির তুলনায় প্রথম রাউন্ডে এগিয়ে থাকাই যে তাঁর লক্ষ্য তা তিনি এদিন বুঝিয়ে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মমতার সভার আগেই শুভেন্দু গড়ে ধরাশায়ী তৃণমূল, সমবায় বোর্ড দখল বিজেপির

    BJP: মমতার সভার আগেই শুভেন্দু গড়ে ধরাশায়ী তৃণমূল, সমবায় বোর্ড দখল বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমোর পূর্ব মেদিনীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা করার আগেই তৃণমূলকে জোর ধাক্কা দিল বিজেপি (BJP)। সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির নির্বাচনে জিতল বিজেপি। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চণ্ডীপুর ব্লকের বৃন্দাবনপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এড়াশাল সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির নির্বাচনে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে বিজেপি। লোকসভা ভোটের আগে শুভেন্দুর গড়ে জোর ধাক্কা খেল তৃণমূল।

    সমবায়ের ৬টি আসনে জয়লাভ করে বিজেপি (BJP)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চণ্ডীপুর ব্লকের বৃন্দাবনপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এড়াশাল সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির ভোটকে ঘিরে সকাল থেকে উত্তেজনা ছিল। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয় চণ্ডীপুর থানার পুলিশ। ওই সমিতিতে মোট ৯টি আসন। সব আসনেই প্রার্থী দেয় দুইপক্ষ। সমবায় সমিতি নির্বাচনে কোনও প্রতীক না থাকলেও সকাল থেকে লড়াই ও উত্তেজনা ছিল চরমে। ৯টি আসনের মধ্যে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি (BJP) ৬টি আসন পায়। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ৩টি আসনে জয়লাভ করে। জয়ের পর আবির খেলায় মেতে উঠেন জয়ী সমবায় সমিতির সদস্যরা থেকে বিজেপি কর্মীরা। আবির ও বাজি ফাটিয়ে উল্লাস করেন তাঁরা। এই জয় লোকসভা নির্বাচনের আগে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতি তরজা

    স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, এখানে কোনও প্রতীক থাকে না। বিজেপি অহেতুক উল্লাস করছে। প্রতীক থাকে না, তাই ব্যক্তি কেন্দ্রিক ভোট হয়। তাই, লোকসভায় এর কোনও প্রভাব পড়বে না। তমলুক সাংগঠনিক জেলার বিজেপির (BJP) সহ- সভাপতি পুলক কুমার গুড়িয়া বলেন, “সব থেকে পুরনো সমবায় সমিতি। ১০৪ বছরের বেশি পুরনো। সেখানেই তৃণমূল ও সিপিএম যেভাবে দুর্নীতি করে গিয়েছে তা বাঁচানোর জন্য এলাকার নেতৃত্ব থেকে ও স্থানীয় বাসিন্দারা গর্জে উঠেছেন। মানুষ তৃণমূলকে মেনে নিতে পারছেন না। তাই, লোকসভা ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের কাছে এই ফল বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর হাতেই সূচনা, গভীরতম মেট্রো স্টেশন এবার হাওড়ায় 

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর হাতেই সূচনা, গভীরতম মেট্রো স্টেশন এবার হাওড়ায় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া থেকে ধর্মতলা মাত্র ৮ মিনিটে। হাওড়া থেকে শিয়ালদা মাত্র ১১ মিনিটে। সৌজন্যে কলকাতা মেট্রো রেল (Metro Rail)। দীর্ঘ অপেক্ষার পর উদ্বোধন হতে চলেছে হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড মেট্রো রুট। সব ঠিক থাকলে আগামী ৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে চালু হবে সংশ্লিষ্ট রুট। মেট্রো সূত্রের খবর, আগামী বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এসপ্ল্যানেড স্টেশন থেকে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। তবে এখনই গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো সফর করবেন না তিনি।

    মেট্রো সফর এখন নয়

    সামনেই লোকসভা নির্বাচন। সূত্রের দাবি, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) মেট্রো সফর না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল, শুধু উদ্বোধন নয়, গঙ্গার ২৮ মিটার নীচ দিয়ে ঐতিহাসিক মেট্রো সফরেরও সাক্ষী থাকতে চান প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শুধু পতাকা নেড়েই তাঁকে ফিরে যেতে হবে। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) কর্তারা এসপ্ল্যানেড স্টেশন পরিদর্শনে যান। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন লালবাজার, পূর্ত, কলকাতা পুরসভা, দমকল সহ একাধিক রাজ্য সরকারি দফতরের আধিকারিকরা। তাঁরাই নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রধানমন্ত্রীকে এখনই গঙ্গার নীচে মেট্রো সফর করতে বারণ করেছেন।

    মোদির হাতেই সূচনা

    আগামী বুধবার, এসপ্ল্যানেড স্টেশনে নেমে মেট্রো উদ্বোধন সারবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। সেখান থেকেই গড়িয়া-এয়ারপোর্ট রুটের অন্তর্গত কবি সুভাষ-হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবির মোড়) এবং জোকা-বিবাদী বাগ রুটের অন্তর্গত তারাতলা থেকে মাঝেরহাট মেট্রোর উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তাঁর। রাস্তা থেকে লিফ্ট কিংবা এসক্যালেটর চড়ে চারটি প্ল্যাটফর্ম বিশিষ্ট এসপ্ল্যানেড স্টেশনে মেট্রোয় ওঠার জায়গায় পৌঁছতেই প্রধানমন্ত্রীকে প্রায় ২০০ মিটার হাঁটতে হবে। মেট্রোর উদ্বোধনের পরই মোদি রেসকোর্স থেকে বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে বারাসতে একটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাবেন। সেক্ষেত্রে মেট্রো চড়ে হাওড়া ময়দানে পৌঁছে তাঁকে সময়ে ফিরিয়ে আনা যথেষ্ট কঠিন। তাই শুধুমাত্র উদ্বোধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতেও সভা করবেন মোদি! কবে, কখন কী বললেন সুকান্ত? 

    গভীরতম মেট্রো স্টেশন

     ধীরে ধীরে সেজে উঠছে দেশের সবচেয়ে গভীরে তৈরি হওয়া মেট্রো স্টেশন (Metro Rail)। হুগলি নদীর পাশে, অন্যতম ব্যস্ত রেল স্টেশনের সঙ্গে জুড়ে তৈরি হওয়া হাওড়া মেট্রো স্টেশনের শেষ অধ্যায়ের কাজ হয়েছে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে। ৩০ মিটার নদীর গভীর দিয়ে দৌড়বে এই মেট্রো। নদীর তলায় দু’টি টানেল ৫২০ মিটারের। যার এক প্রান্তে হাওড়া, অন্যদিকে মহাকরণ। হাওড়া মেট্রো স্টেশনের গঠন কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। জমি থেকে ১০৫ ফুট নীচে এই স্টেশন। নীচে নামতে চারটি লেবেল ও পাঁচটি স্ল্যাব পেরতে হবে। সিঁড়ি ভাঙতে যাঁদের অসুবিধা তাঁরা চলমান সিঁড়ি ব্যবহার করবেন। থাকছে লিফটের ব্যবস্থাও। এর জন্য মেট্রো রেল সব ব্যবস্থাই রেখেছে আধুনিকভাবে। এই মেট্রো স্টেশনে থাকছে ২৬টি এসক্যালেটর। থাকছে ৭টি লিফট। চার তলা এই স্টেশনের দুই ও তিন তলায় আছে কন্ট্রোল ও মেকানিক্যাল রুম। মোট ৪টি প্ল্যাটফর্ম থাকছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Elections 2024: শিলিগুড়িতেও সভা করবেন মোদি! কবে, কখন কী বললেন সুকান্ত?

    Loksabha Elections 2024: শিলিগুড়িতেও সভা করবেন মোদি! কবে, কখন কী বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনকে (Loksabha Elections 2024) সামনে রেখে ফের বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার বারাসতের সভার পর আগামী শনিবার উত্তরবঙ্গে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রে খবর, সব ঠিক থাকলে ৯ মার্চ শিলিগুড়িতে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আরামবাগ, কৃষ্ণনগরের মতো শিলিগুড়িতেও কিছু সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করবেন তিনি। এছাড়াও ওই দিন সেখানে একটি জনসভা করার কথা তাঁর। উল্লেখ্য, বারাসতে সভার আগে মঙ্গলের রাতেই কলকাতায় পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi in Bengal)। তিনি রাজভবনে রাত কাটাবেন।

    শিলিগুড়িতে মোদি!

    রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কথায়, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গ সফর আপাতত ৬ মার্চ শেষ হচ্ছে না। আগামী মঙ্গলবার কলকাতায় চলে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। রাজভবনে রাত্রীবাস করার কথা তাঁর। তারপর আগামী ৯ মার্চ উত্তরবঙ্গ সফরে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। শিলিগুড়িতে সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি চব্বিশের লোকসভা ভোটের প্রচারে রাজনৈতিক জনসভাও করবেন নরেন্দ্র মোদি। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষে বা তৃতীয় সপ্তাহের শুরুতেই লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে বলা যায়, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই বাংলায় অন্তত হাফ ডজন সভা করে ফেলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। শনিবার শিলিগুড়ির সভা হলে নয় দিনে চারটি সভা করে ফেলবেন তিনি। 

    বারাসতে মোদি

    আগামিকাল, মঙ্গলবার রাতেই ফের কলকাতা আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ তিনি থাকবেন রাজভবনে। রাত্রিবাসের পর বুধবার, ৬ মার্চ সকালে কলকাতায় সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে বারাসতের উদ্দেশে রওনা দেবেন। সূত্রের খবর, ওড়িশায় কর্মসূচি সেরে বিমানে করে দমদম আসবেন মোদি ৷ সেখান থেকেই রাজভবনে যাবেন তিনি। এসপিজির কড়া নিরাপত্তায় গাড়ি চেপে রাত আটটা নাগাদ তাঁর ঢোকার কথা। বারাসতের সভায় সন্দেশখালির ‘নির্যাতিতা’ মহিলাদের সঙ্গেও আলাদা করে কথা বলতে পারেন মোদি। এদিনই প্রধানমন্ত্রী নদীর তলা দিয়ে দেশের প্রথম মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: “মঙ্গলবার বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করব”, বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Gangopadhyay: “মঙ্গলবার বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করব”, বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে শেষ দিন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay)। রবিবার নিজের মুখেই তিনি জানালেন, পদত্যাগ করবেন।

    কী বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আমি বিচারপতি পদ থেকে মঙ্গলবার পদত্যাগ করব। আগামিকাল বিচারপতি হিসেবে আমার শেষ দিন। আমি সেদিন কোনও বিচারের কাজ করব না। কতগুলি মামলা অর্ধেক হয়ে রয়েছে, সেগুলি আমার লিস্ট থেকে রিলিজ করতে হবে। এরপর আমাদের হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে মৌখিকভাবে জানাব। মঙ্গলবার আমাদের রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে জানিয়ে দেব। যে মুহূর্তে আমি চিঠিটা পোস্ট করব, সেই মুহূর্ত থেকে আমার রেজিগনেশন কার্যকর হবে। এটাই কনস্টিটিউশন ও কনস্টিটিউশন ল’ এর প্রবিশন। সেটা মঙ্গলবার হবে। এরপর আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেব।”

    “মাথা আমি এখনও নত করিনি”

    তিনি বলেন, “মঙ্গলবার দেড়টার সময় কোর্টে মাস্টারদা সূর্যসেন মূর্তির নীচে আমি আসব, সব প্রশ্নের উত্তর দেব।” বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “মাথা আমি এখনও নত করিনি।” তিনি বলেন, “কোনও ইঙ্গিতই আমি এখন দেব না। সংবাদ মাধ্যমের অকুণ্ঠ সমর্থন আমি পেয়েছি কাজের সময়। আমি ঋণী। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেভাবে মিডিয়া ক্রমাগত কথা বলে গিয়েছে, আমার কাজের যে সমর্থন পেয়েছি, আমি প্রণাম জানাতে চাই। মিডিয়ার কাছে আমি কিছু লুকাবো না।”

    আরও পড়ুুন: নদিয়ায় দুর্ঘটনার কবলে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতির কনভয়, তদন্তের দাবি জানালেন সুকান্ত

    কেন সূর্য সেনের মূর্তির নীচে (Justice Abhijit Gangopadhyay) দাঁড়িয়ে সব কথা বলবেন, এদিন তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “মাস্টারদার পায়ের নীচে দাঁড়িয়েই সব জবাব দেব। কারণ মাস্টারদার ফাঁসির যে অর্ডার হয়েছিল, তা এক সময় সই করেছিলেন হাইকোর্টের জজ। তিনি ব্রিটিশ ছিলেন। ক্ষুদিরামও তাই। হাইকোর্ট ভুল করেছিল। একজন স্বাধীনতা সংগ্রামীকে ফাঁসি দেওয়া উচিত হয়নি।” তিনি বলেন, “মাস্টারদার অবশ্য ফাঁসি হয়নি, ওঁকে আগেই মেরে ফেলা হয়েছিল বলে জানা যায়। যার স্বপক্ষে ডক্টর রাধাবিনোদ পাল টোকিও ট্রায়ালে বলেছিলেন, মাতৃভূমিকে রক্ষা করা কোনও ক্রাইম নয়। যে কারণে ডক্টর রাধাবিনোদ পালের মূর্তি আছে টোকিওয়। জাপানে তাঁর নামে রাস্তাও রয়েছে (Justice Abhijit Gangopadhyay)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: “মঙ্গলবার বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করব”, বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Gangopadhyay: “মঙ্গলবার বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করব”, বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে শেষ দিন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay)। রবিবার নিজের মুখেই তিনি জানালেন, পদত্যাগ করবেন।

    কী বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আমি বিচারপতি পদ থেকে মঙ্গলবার পদত্যাগ করব। আগামিকাল বিচারপতি হিসেবে আমার শেষ দিন। আমি সেদিন কোনও বিচারের কাজ করব না। কতগুলি মামলা অর্ধেক হয়ে রয়েছে, সেগুলি আমার লিস্ট থেকে রিলিজ করতে হবে। এরপর আমাদের হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে মৌখিকভাবে জানাব। মঙ্গলবার আমাদের রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে জানিয়ে দেব। যে মুহূর্তে আমি চিঠিটা পোস্ট করব, সেই মুহূর্ত থেকে আমার রেজিগনেশন কার্যকর হবে। এটাই কনস্টিটিউশন ও কনস্টিটিউশন ল’ এর প্রবিশন। সেটা মঙ্গলবার হবে। এরপর আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেব।”

    “মাথা আমি এখনও নত করিনি”

    তিনি বলেন, “মঙ্গলবার দেড়টার সময় কোর্টে মাস্টারদা সূর্যসেন মূর্তির নীচে আমি আসব, সব প্রশ্নের উত্তর দেব।” বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “মাথা আমি এখনও নত করিনি।” তিনি বলেন, “কোনও ইঙ্গিতই আমি এখন দেব না। সংবাদ মাধ্যমের অকুণ্ঠ সমর্থন আমি পেয়েছি কাজের সময়। আমি ঋণী। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেভাবে মিডিয়া ক্রমাগত কথা বলে গিয়েছে, আমার কাজের যে সমর্থন পেয়েছি, আমি প্রণাম জানাতে চাই। মিডিয়ার কাছে আমি কিছু লুকাবো না।”

    আরও পড়ুুন: নদিয়ায় দুর্ঘটনার কবলে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতির কনভয়, তদন্তের দাবি জানালেন সুকান্ত

    কেন সূর্য সেনের মূর্তির নীচে (Justice Abhijit Gangopadhyay) দাঁড়িয়ে সব কথা বলবেন, এদিন তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “মাস্টারদার পায়ের নীচে দাঁড়িয়েই সব জবাব দেব। কারণ মাস্টারদার ফাঁসির যে অর্ডার হয়েছিল, তা এক সময় সই করেছিলেন হাইকোর্টের জজ। তিনি ব্রিটিশ ছিলেন। ক্ষুদিরামও তাই। হাইকোর্ট ভুল করেছিল। একজন স্বাধীনতা সংগ্রামীকে ফাঁসি দেওয়া উচিত হয়নি।” তিনি বলেন, “মাস্টারদার অবশ্য ফাঁসি হয়নি, ওঁকে আগেই মেরে ফেলা হয়েছিল বলে জানা যায়। যার স্বপক্ষে ডক্টর রাধাবিনোদ পাল টোকিও ট্রায়ালে বলেছিলেন, মাতৃভূমিকে রক্ষা করা কোনও ক্রাইম নয়। যে কারণে ডক্টর রাধাবিনোদ পালের মূর্তি আছে টোকিওয়। জাপানে তাঁর নামে রাস্তাও রয়েছে (Justice Abhijit Gangopadhyay)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে মোদির দূত হিসেবে বাড়ি বাড়ি যাবেন বিজেপি কর্মীরা

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে মোদির দূত হিসেবে বাড়ি বাড়ি যাবেন বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১০০ দিন প্রতিটি গ্রামে যেতে হবে, প্রতিটি বাড়িতে যেতে হবে। গিয়ে বলতে হবে নরেন্দ্র মোদি আপনাদের প্রণাম পাঠিয়েছেন, আপনাদের আশীর্বাদ চাইছেন। শনিবার নদিয়ার  কৃষ্ণনগরে জনসভা থেকে বিজেপি কর্মীদের এই বার্তা দিয়েছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই বার্তা মাথায় রেখে রবিবার থেকেই জেলায় শুরু হচ্ছে সেই কর্মসূচি।

    বাড়ি বাড়ি যাবেন মোদির দূত (PM Modi)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা জেলা জুড়ে প্রতিটি বুথে বুথে এই কর্মসূচি চলবে। শনিবার নদিয়ার কৃষ্ণনগরে একটি প্রকাশ্য জনসভা করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লোকসভা ভোটের আগে তাঁর এই রাজনৈতিক কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্য ছিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। মূলত এই কর্মসূচি থেকে দলীয় কর্মীদের কি বার্তা দেন পাশাপাশি রাজ্যের জন্য কি কি বরাদ্দ করেন সেদিকে তাকিয়ে ছিলেন রাজ্যবাসী এবং বিজেপি কর্মীরা। জনসভা থেকে নরেন্দ্র মোদি বেশ কিছু আর্থিক বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেন রাজ্যবাসীকে। পাশাপাশি তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় বিভিন্ন প্রকল্প রাজ্যে বাস্তবায়িত হতে দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। অন্যদিকে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প গুলি নিজেদের নামে প্রচার করার চেষ্টা করছে এই সরকার। তিনি বলেন, লোকসভা ভোটের আগের দিন পর্যন্ত গ্রামে গ্রামে প্রতিটি বাড়িতে যাবেন। বলবেন, নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আপনাদের প্রণাম এবং আশীর্বাদ চেয়েছেন। এবার সেই বার্তা নিয়ে মাঠে নামতে চলেছে বিজেপির জেলা স্তর থেকে শুরু করে বুথ স্তরের কর্মীরা। রবিবার নদিয়ার উত্তর সাংগঠনিক জেলার একটি মিটিং হতে পারে। সেখানেই এই কর্মসূচি নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলবে। এদিন থেকে এই জেলার মোদির দূত হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় বাড়িতে বাড়িতে যাবেন বিজেপি কর্মীরা।

    বিজেপি-র জেলা সভাপতি কী বললেন?

    নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি-র সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস বলেন, ইতিমধ্যেই আমরা বিস্তর আলোচনা করেছি এই বিষয় নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীর বার্তাকে সামনে রেখে আমরা প্রতিটি বুথ স্তরে কর্মীদের নিয়ে প্রতিটি গ্রামে এবং বাড়িতে বাড়িতে যাব। প্রধানমন্ত্রী এই বার্তা আমরা সকলের কাছে পৌঁছে দেব এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।  প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) জনসভার পরেই দিল্লি থেকে বিভিন্ন রাজ্যে লোকসভার প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। নদিয়ার কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা না হলেও রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্র সহ বেশ কয়েকটি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। তাই লোকসভা ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা এবং তাঁর এই বার্তা অনেকটা কর্মীদের উৎসাহ যোগাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: সুকান্ত-শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর, কী আলোচনা হল জানেন?

    PM Modi: সুকান্ত-শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর, কী আলোচনা হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের সবক’টিই তাঁর চাই। শনিবার কৃষ্ণনগরের জনসভায় সে কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন গেরুয়া-তরণীর কান্ডারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তবে চাই বলেই দায় সারেননি তিনি। সভা শেষে আলাদা করে প্রধানমন্ত্রী রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলেন বঙ্গ বিজেপির দুই কান্ডারি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    দুজনের সঙ্গেই মিনিট পনের করে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, দলের প্রস্তুতি ঠিক কেমন, প্রচারের কৌশলই বা কী হবে, বঙ্গ বিজেপির দুই নেতাকে এদিন সেই পথই বাতলে দেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের একাধিক আমলা পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন বলেও প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) কাছে নালিশ জানান সুকান্ত-শুভেন্দু।

    এক্স হ্যান্ডেলে কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “শুভেন্দু অধিকারী ও ডঃ সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে দেখা হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আমাদের সুশাসনের কর্মসূচি কীভাবে আরও ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। তৃণমূল কংগ্রেসের অপশাসনের বিরুদ্ধে যেসব বিজেপি কার্যকর্তা লড়ছেন তাঁদের প্রত্যেকের সাহস, আবেগ ও লড়াইকে আমি কুর্নিশ জানাই। সমবেতভাবে আমরা পশ্চিমবঙ্গের জন্য এক উন্নততর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলব।”

    আরও পড়ুুন: বাংলার ২০ সহ ১৯৫ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন জানেন?

    সম্প্রতি সন্দেশখালিতে যেতে গিয়ে বারংবার বাধা পেয়েছেন সুকান্ত-শুভেন্দুরা। ১৪৪ ধারা জারি করা নিয়েও অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা। এ নিয়েও বিজেপির নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা। নদিয়া সাংগঠনিক জেলা নিয়ে কথা হয়েছে তাঁদের মধ্যে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর করা নিয়েও হয়েছে আলোচনা। এক (PM Modi) শ্রেণির আইএএস, আইপিএস অফিসার শাসকদলের পার্টি, ক্যাডার হিসেবে কাজ করছেন। যার ফলে রাজ্যে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা শূন্য হয়ে গিয়েছে। এমনই অভিযোগ করে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীকে আর্জি জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি (PM Modi)। তিনি বলেন, “দলের ঐক্যবদ্ধ চেহারা দেখে আমার ভালো লাগছে। ঐক্যবদ্ধভাবে লড়তে পারলে লোকসভায় প্রত্যাশার থেকেও ভালো ফল হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Lok Sabha Election: ভোটের ওয়েব কাস্টিংয়ে এআই প্রযুক্তি! নির্বাচনে নোডাল অফিসার চান বিরোধীরা

    Lok Sabha Election: ভোটের ওয়েব কাস্টিংয়ে এআই প্রযুক্তি! নির্বাচনে নোডাল অফিসার চান বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে (Lok Sabha Election) সবদিক থেকে ত্রুটিহীন এবং অভিযোগ-মুক্ত করে তুলতে এআই প্রযুক্তির সাহায্য নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন৷ অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনকেই নোডাল অফিসার নিয়োগ করার দাবি জানালেন বিরোধী নেতারা। বিরোধীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী জেলায় এলেও জেলা প্রশাসন তাদের হয় বসিয়ে রেখেছে, না হয় আসল জায়গায় না নিয়ে গিয়ে বিভ্রান্ত করেছে। তাই প্রতি পুলিশ জেলায় কেন্দ্রীয় স্তরে নোডাল অফিসার নিয়োগ জরুরি।

    কমিশনের নোডাল অফিসার

    প্রাথমিক ভাবে, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ৭ মার্চের মধ্যে রুট মার্চ করে এলাকায় মানুষের ভয় কাটাতে ৪ কোম্পানি (প্রায় ৪০০ জওয়ান) কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে বলে কমিশন সূত্রে জেলায় বার্তা এসেছে। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ৫টি থানা। ৬টি বিধানসভা। এর মধ্যে শমসেরগঞ্জ ও ফরাক্কা বিধানসভা দু’টি মালদহ দক্ষিণ লোকসভার অধীনে। বাকি ৪টি সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি ছাড়াও মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার লালগোলা, নবগ্রাম ও খড়গ্রাম বিধানসভা মিলে জঙ্গিপুর লোকসভা (Lok Sabha Election) কেন্দ্র। বিজেপির উত্তর মুর্শিদাবাদের জেলা সভাপতি ধনঞ্জয় ঘোষের দাবি, “নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ সত্বেও এখনও গোটা মুর্শিদাবাদ জেলাতেই বহু পুলিশ অফিসার রয়ে গেছেন যারা মুর্শিদাবাদ জেলায় ৫ থেকে ১২ বছর আছেন। এরা কেন্দ্রীয় বাহিনী সঠিক ভাবে পরিচালিত করবে না বলে আশঙ্কা রয়েছে। সবার নাম কমিশনকে পাঠানো হচ্ছে।”

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    নির্বাচনে এআই

    ইতিমধ্যেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা হচ্ছে। লোকসভা নির্বাচনও (Lok Sabha Election) তার ব্যতিক্রম নয়। কমিশন সূত্রে খবর, এআই ব্যাবহার করা হবে মূলত ওয়েব কাস্টিং-এর জন্য। যাতে নির্বাচনে কোথাও কোনওরকম কারচুপির সুযোগ না থাকে তাই এই ব্যবস্থা করার কথা ভাবছে কমিশন। ইতিমধ্যেই দরপত্র চাওয়া হয়েছে। একাধিক এজেন্সির সঙ্গে কথাও চলছে কমিশনের৷ একই সঙ্গে, কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে যে, ওয়েব কাস্টিং-এ এআই ব্যাবহারের ক্ষেত্রে একটি সমস্যা রয়েছে, সেটি হল এখনও ১০০ শতাংশ বুথে ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়নি৷  তবে সেই দিকে কাজ চলছে বলেও জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ২ দিনের বঙ্গ সফরে ২২ হাজার কোটির প্রকল্প ঘোষণা মোদির

    PM Modi: ২ দিনের বঙ্গ সফরে ২২ হাজার কোটির প্রকল্প ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সফর মাত্র দু’দিনের। তার মধ্যেই বাংলার জন্য ২২ হাজার কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে মাঝে মধ্যেই হাওয়া গরম করে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। সেই অভিযোগ যে নেহাতই ভোট কুড়নোর খেলা, তার প্রমাণ মিলল শুক্র ও শনিবারে। প্রথম দিন এ রাজ্যে ৭ হাজার কোটি টাকার ও পরের দিন আরও ১৫ হাজার কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী।

    কোন কোন প্রকল্প?

    শুক্রবার, প্রথম দিন হুগলির আরামবাগে রেল, বন্দর, তেলের পাইপলাইন, গ্যাস সরবরাহ এবং জল পরিশোধন প্রকল্পের শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। উদ্বোধন করেন হলদিয়া-বারাওনি তেলের পাইপলাইনের। এই পাইপলাইন যাবে বিহার-ঝাড়খণ্ড হয়ে। এ জন্য খরচ হয়েছে ২ হাজার ৭৯০ কোটি টাকা। ঝাড়গ্রাম, ডানকুনি, বাল্টিকুরি রেলের একাধিক লাইনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। হাজার কোটি টাকার পরিকাঠামো প্রকল্পের শিলান্যাসও করেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরে। খড়্গপুরে এলপিজি বটলিং প্ল্যান্টের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী। হাওড়া, বালি, কামারহাটি ও বরাহনগরে প্রস্তাবিত জল প্রকল্পের শিলান্যাসও করেন তিনি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    কৃষ্ণনগরে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের। এর মধ্যে রয়েছে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটও। তিনি বলেন, “রঘুনাথপুরে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে ১১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে।” ফরাক্কা থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত চার লেনের জাতীয় সড়কের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন করেন রামপুরহাট, আজিমগঞ্জ-মুর্শিদাবাদ নয়া রেললাইনেরও। মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী। রামপুরহাট-মুরারই থার্ড লাইনের উদ্বোধনও করেছেন।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    কৃষ্ণনগরে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আরামবাগে সাত হাজার কোটি টাকার বিকাশ যোজনার প্রকল্পের শিলান্যাস ও সূচনা করেছি, আজও ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও সূচনা করছি। এর ফলে রোজগারের নতুন পথ খুলবে। বাংলার যুবক-যুবতীদের সহায়তা করবে। রাজ্যকে বিকশিত ভারতের অংশ করার জন্য আমরা কাজ করে চলেছি (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share