Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Loksabha Vote: রবিবারই রাজ্যে আসছে ফুল বেঞ্চ, কমিশনের চিন্তায় জামিন-অযোগ্য মামলা

    Loksabha Vote: রবিবারই রাজ্যে আসছে ফুল বেঞ্চ, কমিশনের চিন্তায় জামিন-অযোগ্য মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই, দেশে বেজে যাবে নির্বাচনের দামামা। তার আগে, রবিবার রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এসবের মধ্যেই বকেয়া জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোনায়াই এখন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কমিশনের।

    রবিবার রাজ্যে কমিশনের ১৩ সদস্যের টিম

    রাত পোহালেই রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। কমিশন সূত্রে খবর, ৩ মার্চ রাত সাড়ে দশটা নাগাদ কলকাতায় আসছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। তবে দুপুর নাগাদ রাজ্যে পা রাখবেন ইসি, ডেপুটি ইসি, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, সোশ্যাল মিডিয়া টিমের সদস্য সহ মোট ১৩ জন সদস্য। রবিবার দুপুর আড়াইটে থেকে চারটের মধ্যে তাঁরা কলকাতায় আসবেন বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে (Loksabha Vote)। ফুল বেঞ্চের সদস্যদের মধ্যে থাকছেন অরুণ গোয়েল, ধর্মেন্দ্র শর্মা, নীতেশ ব্যাস প্রমুখ। সেক্ষেত্রে ৩ মার্চের বৈঠক রাজীব কুমারের অনুপস্থিতিতেই হতে পারে। তবে, পরের দিনের যে বৈঠক, তার সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকছে বলেই জানা গিয়েছে।

    আগামী ২ দিন পর পর বৈঠক কমিশনের

    সূত্রের খবর, সোমবার ৪ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে আলাদা বৈঠক করবে কমিশন। এই বৈঠকের পরেই হবে জেলাশাসক ও পুলিশ অফিসারদের নিয়ে আলাদা বৈঠকে বসবে কমিশন। পুলিশ কমিশনার, ডিভিশনাল কমিশনার, আইজি-রা থাকবেন সেই বৈঠকে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কমিশন পৃথক বৈঠক করবে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজি-র সঙ্গে (Loksabha Vote)।

    কমিশনের চিন্তায় জামিন-অযোগ্য মামলা

    এই পরিস্থিতিতে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা চিন্তায় ফেলেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এবং রাজ্য প্রশাসনকে। তার কারণ, এক সপ্তাহ আগেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবকে নির্দেশ দিয়েছিল ফুল বেঞ্চ রাজ্যে আসার আগে যেন অতি অবশ্যই জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানাকে শূন্যতে পৌঁছে দেওয়া হয়। অর্থাৎ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রয়েছে যাদের বিরুদ্ধে তাদেরকে গ্রেফতার করা (Loksabha Vote)। সেই মোতাবেক গত সপ্তাহের শুক্রবার রাজ্যের সব জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং নোডাল অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করে উক্ত নির্দেশকে কার্যকর করতে বলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। যখন এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তখন সংখ্যাটা ছিল লক্ষাধিক যা এই মুহূর্তে ৪৬ হাজারের কাছাকাছি বলেই জানা গিয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত এক্সিকিউটেড জামিন অযোগ্য মামলার সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩৬৬।

    গতকালই রাজ্যে চলে এসেছে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    এদিকে, গতকালই রাজ্যে চলে এসেছে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটারদের (Loksabha Vote) মধ্যে ভয় দূর করতে এবং সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোট ঘোষণার আগে কমিশনের এমন পদক্ষেপ কার্যত নজিরবিহীন। কমিশনের সিদ্ধান্তেই বোঝা যাচ্ছে, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি ঠিক কতটা উদ্বেগজনক। এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। সূত্রের খবর, জামিন অযোগ্য ধারায় মামলার সংখ্যা কমানোর বিষয় নিয়ে রাজ্য পুলিশ যত দ্রুত সম্ভব পদক্ষেপ নিচ্ছে। যাতে ভোটাররা ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন এবং নিজেদের ভোট দিতে পারেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কল্যাণীর এইমস আটকাতে চেয়েছিল তৃণমূল সরকার, অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: কল্যাণীর এইমস আটকাতে চেয়েছিল তৃণমূল সরকার, অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়নে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল সরকার। শনিবার ঠিক এই ভাষাতেই রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন কৃষ্ণনগরের সভায় তাঁর ভাষণে উঠে আসে কল্যাণীর এইমস হাসপাতাল। তিনি জানান, কল্যাণীতে এইমস যাতে না হয় তার জন্য সবরকম চেষ্টা চালিয়েছে তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ভাষায়, ‘‘এখানে তৃণমূল সরকার বাংলাকে নিরাশ করছে। তৃণমূল মানে বিশ্বাসঘাতকতা, দুর্নীতি ও পরিবারতন্ত্র। পশ্চিমবঙ্গকে প্রথম এইমস দেওয়ার গ্যারান্টি দিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানেও বাধা দিতে চেয়েছিল। মোদির গ্যারান্টি মানে প্রতিশ্রুতি পূর্ণ হওয়ার গ্যারান্টি। পশ্চিমবঙ্গে বদল চাই। বাংলার বিকাশ হলে দেশের বিকাশ হবে।’’ মমতা সরকারকে কটাক্ষ করে তাঁর সংযোজন, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেস বাংলার লোককে গরিব বানিয়ে রাখতে চায়।’’

    গত ১০ বছরে সরকারি মেডিক্যাল কলেজে সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে

    প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘‘তৃণমূল গুন্ডামি, তোলাবাজির অনুমতি দেয়। কিন্তু কল্যাণীতে এইমসের জন্য ছাড়পত্র দিতে চায় না। কমিশন না দিলে তৃণমূল সরকার পারমিশন দেয় না।’’ এদিন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আরও জানান যে আয়ুষ্মান প্রকল্পে পাঁচ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য আটকে রেখেছে তৃণমূল সরকারই। পশ্চিমবঙ্গে আগে ১৪টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ছিল। বিজেপির আমলে তা গত ১০ বছরে বেড়ে ২৬টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    তৃণমূলের অর্থ

    এদিন তৃণমূলের নয়া অর্থও বাতলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি (Krishna Nagar Meeting of PM Modi) বলেন, “এখন তৃণমূলের অর্থ হল, তু, ম্যায় আউর করাপশন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল মা-মাটি-মানুষের স্লোগান দিয়ে বাংলার মায়েদের ভোট নিয়েছে। কিন্তু আজ মা-মাটি-মানুষ কাঁদছে। সন্দেশখালির মায়েদের কথা তৃণমূল শোনেনি। এখানে পুলিশ নয়, অপরাধী ঠিক করে কখন গ্রেফতার হবে।” প্রসঙ্গত, শুক্রবারই আরামবাগের সভা থেকে রাজ্যের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি, রেশন দুর্নীতি, গরু পাচার সহ নানা দুর্নীতির বিষয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যথা হল না কৃষ্ণনগরের সভায়ও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Krishnanagar Rally: “রাজ্যের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Modi Krishnanagar Rally: “রাজ্যের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাজ্যের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে।” শনিবার কৃষ্ণনগরের জনসভায় বঙ্গ বিজেপিকে এই লক্ষ্যমাত্রাই বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Krishnanagar Rally)। বাংলায় লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে ৪২টি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বঙ্গ বিজেপিকে লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন ৩৫টি আসন। আর আজ প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন ৪২-এ ৪২-ই চাই।

    তৃণমূলের অর্থ

    এদিন তৃণমূলের নয়া অর্থও বাতলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি (Modi Krishnanagar Rally) বলেন, “এখন তৃণমূলের অর্থ হল, তু, ম্যায় আউর করাপশন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল মা-মাটি-মানুষের স্লোগান দিয়ে বাংলার মায়েদের ভোট নিয়েছে। কিন্তু আজ মা-মাটি-মানুষ কাঁদছে। সন্দেশখালির মায়েদের কথা তৃণমূল শোনেনি। এখানে পুলিশ নয়, অপরাধী ঠিক করে কখন গ্রেফতার হবে।”

    ৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা

    গতবারের চেয়ে এবার যে আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে কেন্দ্রে ফিরতে হবে, তা ঢের আগেই দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে জানিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন তিনি ৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন। পরে অন্য এক জনসভায় জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পাবে ৩৭০টি আসন। আর বাকি ৩০টি আসন পাবে এনডিএ জোটের শরিকদলগুলি।”

    বাংলায় ৪২-এ ৪২-ই

    এর পরেই বাংলায় এসে বিজেপি কর্মীদের সামনে ৩৫টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আর প্রধানমন্ত্রী (Modi Krishnanagar Rally) জানিয়ে দিলেন তাঁর প্রয়োজন ৪২-এ ৪২টি আসনই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেভাবে রাজ্য সরকার চলছে, তা বাংলাকে নিরাশ করে দিয়েছে। এই সরকার বারংবার এত সমর্থন পেলেও, তাঁরা অত্যাচার ও বিশ্বাসঘাতকের দ্বিতীয় নাম হয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “বাংলার উন্নয়ন নয়, শাসক দলের কাছে পরিবারতন্ত্র এবং দুর্নীতি অগ্রাধিকার পেয়েছে। তৃণমূল বাংলার লোককে গরিব বানিয়ে রাখতে চায়, যাতে ওরা ওদের খেলা চালিয়ে যেতে পারে।”

    আরও পড়ুুন: “টিএমসি মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান”, জনসভায় তোপ মোদির

    শুক্রবারই আরামবাগের সভা থেকে রাজ্যের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (Modi Krishnanagar Rally)। রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি, রেশন দুর্নীতি, গরু পাচার সহ নানা দুর্নীতির বিষয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যথা হল না কৃষ্ণনগরের সভায়ও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ শুরু জেলায় জেলায়

    Lok Sabha Election 2024: ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ শুরু জেলায় জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও সরকারিভাবে বাজেনি লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) দামামা। কিন্তু, তার আগেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ। ইতিমধ্যেই বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায়। আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে মোতায়েন করা হয়েছে বাহিনী। ইতিমধ্যে দুই কোম্পানি বর্ধমানের শক্তিগড় এবং দেওয়ানদিঘি থানা এলাকায় লক্ষ্য করা গিয়েছে। ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত মানুষের বাড়িতেও বাহিনী যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

    বাহিনীর নজরে সন্দেশখালি (Lok Sabha Election 2024)

    লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা এখন কেবল মাত্র সময়ের অপেক্ষা। নির্বাচন কমিশন এখন থেকেই বিশেষ ভাবে তৎপর। কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যের পরিস্থিতিকে খতিয়ে দেখতে বঙ্গে আসছে। তাই নির্বাচন কমিশন আসার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে জেলায় জেলায়। দুই ২৪ পরগনার মধ্যে সংবেদনশীল জায়গাগুলির মধ্যে বিশেষ করে সন্দেশখালি এবং তৎসংলগ্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বসিরহাট পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে বিশেষ বৈঠক করা হয়েছে। নির্বাচনে সিআরপিএফ রাজ্যে মোতায়েন বিষয়ে নোডাল সংস্থা স্থাপনা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    প্রথম দফায় ১০০ কোম্পানি আসবে

    সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম দফায় ১০০ কোম্পানি আসবে রাজ্যে। এরপরে আরও ৫০ কোম্পানির ফোর্স নামতে পারে রাজ্যে। যদিও এখন নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাজ্যের প্রতি জেলায় ৫ কোম্পানি করে রাখতে চাইছে কমিশন। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী পুলিশ সুপারের অধীনে কাজ করবে। কমিশনের বক্তব্য, “ভোটের আগে মূলত মানুষের মনকে সন্ত্রাসের ভয় থেকে মুক্ত করতে এই বাহিনীর মোতায়েন করা হবে।” একই সঙ্গে জলপাইগুড়ি এবং শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দল রুটমার্চ করেছে আজ। ভোটারদের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হচ্ছে আগেরবার ভোট দিতে পেরেছিলেন কিনা। সবটা মিলিয়ে কমিশন, লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) আগে থেকেই এই রাজ্যের প্রেক্ষাপটে বেশ সাক্রিয় এবং তৎপর।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: সন্দেশখালির মহিলাদের মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করে ফের রাজ্যকে নিশানা মোদির

    PM Modi: সন্দেশখালির মহিলাদের মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করে ফের রাজ্যকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগের পরে কৃষ্ণনগরেও প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ভাষণে উঠে এল সন্দেশখালি প্রসঙ্গ। নিজের ভাষণে সন্দেশখালির মহিলাদের মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন নরেন্দ্র মোদি। এদিন তৃণমূলের নতুন নামকরণও নমো। একইসঙ্গে বাংলার মাটিতে আসন্ন লোকসভা ভোটে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটানোর লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘‘বাংলার নারীশক্তি দুর্গা রূপে রুখে দাঁড়িয়েছে’’

    তৃণমূল নেতারা দুঃসাহসের সব সীমা পার করে ফেলেছে বলে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার চায়নি সন্দেশখালির অপরাধী গ্রেফতার হোক।  কিন্তু বাংলার নারীশক্তি দুর্গা রূপে রুখে দাঁড়ানোয় এবং বিজেপির নেতারা তাদের পাশে থাকায় রাজ্য সরকার মাথা ঝোঁকাতে বাধ্য হয়েছে।’’ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আরও সংযোজন, ‘‘এখন মা মাটি-মানুষ তৃণমূলের কুশাসনে কাঁদছে।  সন্দেশখালির বোনেরা ইনসাফ চাইছে, তৃণমূল সরকার কর্ণপাতও করেনি। বাংলার এমন অবস্থা যে, পুলিশ নয়, এখানে অপরাধী ঠিক করে সে কবে আত্মসমর্পণ করবে, কখন তাকে গ্রেফতার করা হবে।’’

    টিএমসি সরকার কেলেঙ্কারির মাস্টার

    রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে বাধা দিচ্ছে বলেও এদিন অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, কেন্দ্রের সব উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বাধা দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্বাস্থ্য, নারী বিকাশের মতো একাধিক প্রকল্প আটকে রেখেছে রাজ্য সরকার। ঘরে ঘরে জল প্রকল্পেও তোলাবাজি চালাচ্ছে তৃণমূল, এমনটাই অভিযোগ মোদির (PM Modi)। রাজ্যে ২৫ লক্ষ ভুয়ো মনরেগা কার্ড তৈরি হয়েছে। যার কোনও অস্তিত্ব নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার টিএমসি সরকারকে কেলেঙ্কারির মাস্টার বলেও তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী।

    গ্রামে গ্রামে বিজেপি কর্মীদের যেতে বলেন প্রধানমন্ত্রী

    মোদির ভাষণে এদিন উঠে আসে রেশন কেলেঙ্কারির কথাও। তিনি বলেন, ‘‘এরা গরিবদের রেশন লুট করতেও পিছপা হয় না।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বিজেপি সরকার মানুষের জন্য কাজ করে, এটা মোদির গ্যারান্টি। বিজেপি কর্মীদের আগামী কয়েকদিনের কর্মসূচিও ঠিক করে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বিজেপি কর্মীদের গ্রামে গ্রামে গিয়ে আগামী ১০০ দিন ধরে বলতে বলেন, মোদিজী এসেছিলেন আপনাদের প্রণাম জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Krishnanagar Rally: “টিএমসি মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান”, জনসভায় তোপ মোদির

    Modi Krishnanagar Rally: “টিএমসি মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান”, জনসভায় তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূল কংগ্রেস মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান, এখানকার দুষ্কৃতীরাই শেষ কথা বলে। কখন তারা আত্মসমর্পণ করবে আর কখন গ্রেফতার হবে। তৃণমূল মানেই অত্যাচার এবং দুষ্কৃতীর দ্বিতীয় নাম। তৃণমূল মানেই বিশ্বাসঘাতক। তৃণমূল সরকার সব স্কিমকে স্ক্যামে পরিণত করে তুলেছে। স্কিমকে স্ক্যামে পরিণত করায় মাস্টারি করেছে তৃণমূল।” তোপ দেগে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ নদিয়ার কৃষ্ণনগরে (Modi Krishnanagar Rally) তৃণমূল সরকারের একাধিক দুর্নীতির অভিযোগকে হাতিয়ার করে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। রাজ্যে তৃণমূল বার বার ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে অভিযোগ করলে পালটা মোদি জাবাব দিলেন বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    কী বললেন মোদি? (Krishna Nagar)

    কৃষ্ণনগর কলেজের মাঠে মোদি (Modi Krishnanagar Rally) আজ বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের মানে বদলে গিয়েছে। টিএমসি-র নতুন মানে হল তু, ম্যায় অউর করাপশন হি করাপশান। বাড়ি বাড়ি গিয়ে যুবকরা একটি তথ্য দিন – মনরেগাতে ২৫ লক্ষ ভুয়ো জব কার্ড তৈরি হয়েছে। যে জন্ম গ্রহণ করেননি তাঁরও ভুয়ো জবকার্ড তৈরি হয়েছে। যে টাকা গরিব শ্রমিকের প্রাপ্য ন্যায্য টাকা, তা তৃণমূলের তোলাবাজরা তুলে নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ৬ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৫ বছর পর্যন্ত এই রেশন দেওয়া হবে। কিন্তু এই প্রকল্পে তৃণমূল জোর করে নিজেদের স্টিকার লাগিয়ে দিচ্ছে। ওঁরা গরিবের রেশন লুট করেছে।”

    মোদির গ্যারান্টি নিয়ে কী বললেন?

    কৃষ্ণনগর সভা থেকে মোদি (Modi Krishnanagar Rally) তৃণমূলকে সমালোচনা করে আরও বলেন, “নরেন্দ্র মোদি গ্যারান্টি দিয়েছিল কল্যাণীতে এইমস হাসপাতাল তৈরি করা হবে। সেখানে আজ এইমস হাসপাতাল তৈরি হয়েছে। তাও এ রাজ্যের তৃণমূল সরকারের পছন্দ হয়নি। বিজেপি সরকার আয়ুষ্মান প্রকল্পে পাঁচ লাখ করে চিকিৎসায় টাকা দেওয়ার সুবিধা করেছে। কিন্তু টিএমসি সরকার তা কার্যকর করতে দিচ্ছে না এই রাজ্যে। স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে শুরু করে মেডিক্যাল কলেজ আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই রাজ্যের পাট চাষী এবং জুট মিলগুলির জন্য আরও অনেক টাকা বরাদ্দ করা হবে।”

    ১১ কোটি টাকা বিনিয়গের ঘোষণা

    এদিন জনসভায় যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী (Modi Krishnanagar Rally) কৃষ্ণনগর সরকারি সভায় ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। ফরাক্কা থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত ৪ লেনের জাতীয় সড়ক উদ্বোধন করেন তিনি। বাজারসাউ-আজিমগঞ্জ ডবললাইন রেলপথের উদ্বোধন করেন তিনি। একই সঙ্গে পুরুলিয়ার তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের সূচনা করেন আজ। এই প্রকল্পে ১১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বসন্তে ফের ভিজবে কলকাতা! জেলায় জেলায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: বসন্তে ফের ভিজবে কলকাতা! জেলায় জেলায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন ধরেই গরম বাড়ছে শহরে।  দিনের বেলা তো বটেই রাতেও বেশ গরম অনুভূত হচ্ছে। তবে ফের হাওয়া বদলের কথা জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সোমবার থেকে নতুন করে বৃষ্টি শুরু হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। কলকাতাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সেই সঙ্গে দক্ষিণ এবং উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি হতে পারে।

    বৃষ্টির পূর্বাভাস

     হাওয়া অফিস জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই ফের ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে কলকাতা-সহ দুই বঙ্গের একাধিক জেলায়। ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। বৃষ্টি হতে পারে পাহাড়েও। শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও আছে কয়েকটি জেলায়। সোমবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে কলকাতায়। বৃষ্টির সম্ভা উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বাঁকুড়া এবং বীরভূমে। এই জেলাগুলিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত বৃষ্টি চলবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। শনিবার কলকাতার আকাশ শুষ্ক থাকলেও রবিবার থেকে মেঘলা আকাশ থাকবে। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি কম। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবারও দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হবে না বলেই পূর্বাভাস। 

    আরও পড়ুন: কড়া পদক্ষেপ ইউপিএসসির, জেনে নিন আবেদনের সময় মাথায় রাখতে হবে যে যে নিয়ম

    উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    শনিবার উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। বৃষ্টির বেশি সম্ভাবনা দার্জিলিং, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ার জেলায়। রবিবার বজ্রবিদ্যু-সহ বৃষ্টি হবে সংশ্লিষ্ট তিন জেলার পার্বত্য এলাকায়। সিকিমে তুষারপাতের প্রভাব পড়বে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায়। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাতেও হালকা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।  নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকেছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার সঙ্গে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। তারই দাপটে আবহাওয়ার এই বদল বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahadev Online Betting App: মহাদেব অনলাইন বেটিং মামলায় ৫৮০ কোটি টাকা ‘ফ্রিজ’ করল ইডি

    Mahadev Online Betting App: মহাদেব অনলাইন বেটিং মামলায় ৫৮০ কোটি টাকা ‘ফ্রিজ’ করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাদেব অনলাইন বেটিং অ্যাপ (Mahadev Online Betting App) মামলায় বেআইনিভাবে আয় করা ৫৮০ কোটি টাকা ফ্রিজ করল ইডি। এছাড়াও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশি অভিযানের মাধ্যমে ১.৮৬ কোটি টাকা এবং ১.৭৮ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই বেটিং সংস্থার বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযানে নামে। দিল্লি, কলকাতা, রায়পুর, ইন্দোর ও গুরুগ্রামে এই অভিযান চালানো হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বেটিং অ্যাপের মাধ্যমে অন্তত ৬ হাজার কোটি টাকা বেআইনিভাবে আয় করেছে এই সংস্থা। বিপুল অঙ্কের টাকা হাওলার মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে বলে মনে করছেন ইডি আধিকারিকরা। বেটিং অ্য়াপের (Mahadev Online Betting App) মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার কাজও চলত বলে জানতে পেরেছেন ইডির গোয়েন্দারা।

    আরও ২টি বেটিং অ্যাপ চালাত এই সংস্থা 

    জানা গিয়েছে, এই বেটিং সংস্থার তরফ থেকে ‘রেডি আন্না’ এবং ‘ফেয়ার প্লে’- এর মতো অন্যান্য অনলাইন বেটিং-ও চালানো হতো। ইডি আধিকারিকরা তদন্তে জানতে পেরেছেন, কলকাতার বাসিন্দা হরিশঙ্কর টিবরেওয়াল নামের একজন বর্তমানে দুবাইয়ে থাকেন। যিনি মহাদেব বেটিং অ্যাপের বেআইনি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। টাকা পাচারে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি। অনলাইন বেটিং অ্যাপের (Mahadev Online Betting App) এই মামলাতে ইতিপূর্বেই অসীম দাস, ভীম সিং যাদব, চন্দ্রভূষণ বর্মা, অনিল কুমার আগরওয়াল প্রমুখ ব্যক্তিদের ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে ইডি।

    বলিউড যোগ?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় ছত্তিশগড়ের একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি আমলার যোগ রয়েছে। ইডির দাবি, এখনও পর্যন্ত এই মামলায় ছত্তিশগড় ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ, মুম্বই ও দিল্লির ১৫ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে। মহাদেব বেটিং অ্যাপ (Mahadev Online Betting App) মামলায় বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতা ও বলিউড অভিনেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: নির্বাচনে কড়া নজরদারির জন্য কমিশন তৈরি করল বিশেষ অ্যাপ

    Election Commission: নির্বাচনে কড়া নজরদারির জন্য কমিশন তৈরি করল বিশেষ অ্যাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী হিসেব এবার অ্যাপেও। ফলে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত নির্বাচনের সময় নির্বাচনের হিসেব দেখভাল করার জন্য যে এজেন্সিগুলি কাজ করত, সেখানে হাতে কলমে কাজ করা হত এবং সেই সঙ্গে হাতে কলমেই হিসাব পাঠানো হত। এবার থেকে এই প্রথম তৈরি করা হল একটি অ্যাপ। এই অ্যাপের সাহায্যে নির্বাচনের আয়-ব্যয় সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ের ওপর নজর রাখতে পারবে নির্বাচন কমিশন।

    কমিশন সূত্রে খবর (Election Commission)

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, যে মুহূর্তে ২২টি এজেন্সি থেকে কোনও কিছু তথ্য পাওয়া যাবে, সেই তথ্য তৎক্ষণাৎ আপলোড করা হবে ওই অ্যাপে। শুধু তাই নয়, একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলিও যদি কোনরকম ভাবে কমিশনের নিয়মবহির্ভূত কোনও কাজ করতে যায় তাও তৎক্ষণাৎ ওই অ্যাপের মাধ্যমেই ধরা পড়ে যাবে। অর্থাৎ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এক নিমেষে সকলের কাজকে হাতের মুঠোর মধ্যে আনতেই কমিশনের এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরই পাশাপাশি শুক্রবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে একজন আন্ডার সেক্রেটারি পদাধিকারী সহ ২ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল আসে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে। যেখানে কমিশনের সমস্ত প্রযুক্তির ওপর নির্ভরকারী অ্যাপকে নিয়ে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেন তাঁরা। 

    জবাবদিহি করতে হবে কমিশনের কাছে

    বিশেষত এই অ্যাপে সবকিছুতেই একটি সময় নির্ধারণ করা আছে। সেই সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে সংশ্লিষ্ট কাজ, না হলে ওই অ্যাপ আর কোনও কাজ করবে না। কোনও প্রার্থী তাঁর মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তাঁকে তা সঙ্গে সঙ্গেই ওই অ্যাপের মধ্যে আপলোড করতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। কারও সময় যদি পেরিয়ে যায়, তাহলে ওই অ্যাপে আর কোনও কাজ করা যাবে না। এখানেই শেষ নয়। কেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা যায়নি, তার জবাবদিহি করতে হবে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে। এক কথায় বলাই যায় কমিশন এবার সব দিক থেকেই রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে। কোনও কিছুতেই কাউকেই রেয়াত করতে রাজি নয় জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “স্বাধীনতার পর বাংলা আর এগোয়নি”, কৃষ্ণনগরে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “স্বাধীনতার পর বাংলা আর এগোয়নি”, কৃষ্ণনগরে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “স্বাধীনতার পর বাংলা আর সে রকম এগোয়নি। অনেক সম্ভাবনা থাকলেও, বাংলা পিছিয়ে পড়তে থাকে।” শনিবার কৃষ্ণনগরের জনসভায় এক গুচ্ছ কর্মসূচির উদ্বোধন করে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “রেল পশ্চিমবঙ্গের গৌরবের একটি অধ্যায়। অথচ সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পিছিয়ে পড়তে থাকে বাংলা। গত দশ বছরে আমরা ওই ব্যবধান মেটানোর জন্য রেলের আধুনিকীকরণে বেশি করে জোর দিয়েছি। এখন বাংলায় রেলের জন্য আগের চেয়ে দ্বিগুণ অর্থ খরচ হচ্ছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আরামবাগে সাত হাজার কোটি টাকার বিকাশ যোজনার প্রকল্পের শিলান্যাস ও সূচনা করেছি, আজও ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও সূচনা করছি। এর ফলে রোজগারের নতুন পথ খুলবে। বাংলার যুবক-যুবতীদের সহায়তা করবে। রাজ্যকে বিকশিত ভারতের অংশ করার জন্য আমরা কাজ করে চলেছি।” তিনি বলেন, “পূর্ব ভারতের জন্য পশ্চিমবঙ্গ আমাদের দেশের কয়েকটি রাজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য আকাশপথ থেকে সড়কপথ, রেলপথের আধুনিকীরণের কাজ করছে আমাদের সরকার। আজ ফরাক্কা থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত জাতীয় সড়কের উদ্বোধন হল। দু হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এখন অর্ধেক সময়ে যাতায়াত করতে পারবেন দুটি জায়গার মানুষ।”

    চারটি রেল প্রকল্পের উদ্বোধন

    কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজের মাঠে এদিন প্রধানমন্ত্রী চারটি রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। রেলওয়ে, পেট্রোলিয়াম সহ বেশ কিছু প্রকল্পও ছিল। ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন তিনি। আজিমগঞ্জ-মুর্শিদাবাদ রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বাজারসৌ-আজিমগঞ্জ ডবল রেল লাইনের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: শিবরাত্রি কেন পালন করা হয়? মহাদেবের মাথায় জল ঢালার কারণ জানেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, “১১ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে রঘুনাথপুর এসটিপিপি ফেজ, ২১ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে মেজিয়া থার্মাল পাওয়ার স্টেশন তৈরি হয়েছে। আজিমগঞ্জ থেকে মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত নয়া রেললাইনের সূচনা হয়েছে। রামপুরহাট থেকে মুরারই পর্যন্ত ২৯.৪৮ কিলোমিটার থার্ড রেল পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গবাসী।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবারই আরামবাগে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সিলিন্ডারে এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট, কলকাতা বন্দরের নতুন কয়েকটি প্রকল্প, কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের আধুনিকীকরণের প্রকল্প এবং রাজ্যের তিনটি রেল প্রকল্পের সূচনাও করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
LinkedIn
Share