Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Modi Rally in Krishnagar: আজ কৃষ্ণনগরে মোদির সভা, সিএএ নিয়ে কি বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

    Modi Rally in Krishnagar: আজ কৃষ্ণনগরে মোদির সভা, সিএএ নিয়ে কি বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Rally in Krishnagar)। আজ, ২ মার্চ বাংলায় মোদির সফরের দ্বিতীয় দিন। সামনে লোকসভা নির্বাচন। শনিবার সেই লক্ষ্যেই কৃষ্ণনগরে সভা করবেন তিনি। তাঁর আগে একাধিক সরকারি প্রকল্পের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহর জুড়ে ট্র্যাফিক কন্ট্রোলও করা হয়েছে। শুক্রবার আরামবাগে জনসভা করেছেন মোদি। সেই মঞ্চ থেকে বাংলার শাসক দলকে নিশানা করেছেন তিনি। আজ কৃষ্ণনগরের জনসভায় সিএএ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কোনও বার্তা দেন কি না তার দিকেই নজর রয়েছে রাজনীতিকদের।

    আজ মোদির কর্মসূচি

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে যে সূচি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে রাজভবন থেকে সড়ক পথে বেরবে মোদির কনভয়। ৯টা ৪০ মিনিটে আরসিটিসি হেলিপ্যাড থেকে উড়বে মোদির কপ্টার। সকাল সাড়ে দশটায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছনোর কথা মোদির। সাড়ে দশটা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত সরকারি অনুষ্ঠান থেকে একাধিক সরকারি প্রকল্প উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সকাল ১১টা ৫ মিনিটে অনুষ্ঠান স্থল থেকে সড়ক পথে বেরিয়ে যাওয়ার কথা তাঁর। ১১টা ১০ মিনিটে এসে পৌঁছনোর কথা জনসভার স্থলে। সূচি অনুযায়ী সওয়া ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কৃষ্ণনগরে দলীয় সভা করার কথা মোদির। ১২টা ১০ মিনিটে কৃষ্ণনগর থেকে উড়বে মোদির কপ্টার। ১২টা ৫৫ মিনিটে পানাগড় থেকে মোদির বিমান উড়ে যাবে বিহারে।   

    মতুয়াদের উদ্দেশে বার্তা

    কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে মতুয়া ভোটের প্রভাব রয়েছে বেশ ভালো। মতুয়াদের দীর্ঘদিনের দাবি সিএএ। আজ কৃষ্ণনগর থেকে সিএএ নিয়ে কোনও বার্তা প্রধানমন্ত্রী দেন কি না, সেদিকে নজর রয়েছে বঙ্গবাসীর। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের হিন্দু সহ ৬টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভারতীয় নাগরিকত্ব দিতেই আনা হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। ২০১৯ সালে এই আইনটি সংসদের অনুমোদন পেয়ে তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর দাবি করেছিলেন, শীঘ্রই সিএএ কার্যকর হবে। কেন্দ্রীয় স্বরষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের গলাতেও শোনা গিয়েছিল একই সুর। উল্লেখ্য, সিএএ কার্যকর হলে, তার সবথেকে বেশি প্রভাব পড়তে পারে বাংলাতেই। বাংলাদেশ লাগোয়া নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় এর প্রভাব আরও বেশি করে পড়তে পারে। বিগত ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব ইস্যুতেই মতুয়া ভোটের সিংহভাগ বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছিল। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী কি বার্তা দেন তারই অপেক্ষায় মতুয়া সম্প্রদায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: প্রকাশিত ভাড়া-তালিকা, ৬ মার্চ মোদির হাতে উদ্বোধন গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রোর?

    Kolkata Metro: প্রকাশিত ভাড়া-তালিকা, ৬ মার্চ মোদির হাতে উদ্বোধন গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রোর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদির বঙ্গ সফরের মধ্যেই হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড-সহ ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর বিভিন্ন স্টেশনের ভাড়ার তালিকা শুক্রবারই প্রকাশ পেয়েছে। মেট্রো রেল (Kolkata Metro) কর্তৃপক্ষের ভাড়ার তালিকা প্রকাশের পড়েই জোর চর্চা চলছে তবে কি প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়েই উদ্বোধন হবে গঙ্গার নীচে মেট্রো প্রকল্পের? প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, তাহলে কি শীঘ্রই চালু হতে চলেছে হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা?

    ৬ মার্চ মোদির হাতে উদ্বোধন?

    প্রসঙ্গত, দু’দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার আরামবাগে সভা করেন তিনি। আজ শনিবার কৃষ্ণনগরে সভা রয়েছে মোদির। বিজেপি সূত্রে খবর, সব ঠিক থাকলে আগামী ৬ মার্চ ফের রাজ্যে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। বারাসতে সেদিন সভা হওয়ার কথা। মনে করা হচ্ছে সেই দিনই প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে উদ্বোধন হবে হাওড়া ময়দান-এসপ্ল্যানেড রুট সহ শহরের তিন মেট্রো পরিষেবার। তবে এ নিয়ে নিশ্চয়তা কিছু নেই এখনও।

    প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর মিলবে ট্রেন

    মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, ‘‘খুব শীঘ্রই মেট্রো হাওড়া ময়দান পর্যন্ত চালু (Kolkata Metro) হবে। হাওড়া থেকে রুবি বা দক্ষিণেশ্বর যেতে কত লাগবে, তার ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করা হল।’’ গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই হাওড়া ময়দান ও এসপ্ল্যানেডের মধ্যে পরিষেবা চালু করার লক্ষ্য স্থির করেছিল মেট্রো। পরে অবশ্য মেট্রোর তরফ থেকে জানানো হয় নতুন বছরের প্রথম দিকেই চালু হয়ে যাবে ৪.৮ কিলোমিটারের এই মেট্রোপথ (Kolkata Metro)। সূত্রের খবর, পরিষেবা চালু হয়ে গেলে ওই পথে ১৫ মিনিট অন্তর ট্রেন চালাবে কর্তৃপক্ষ। মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পরিষেবা চালু রাখার কথাও প্রাথমিক পরিকল্পনায় রয়েছে।

    গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটবে মেট্রো

    গঙ্গার উপরের জলস্তর থেকে ৩৩ মিটার নীচে সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে ছুটবে মেট্রো। নদী খাতের আরও ১৩ মিটার গভীরে রয়েছে জোড়া সুড়ঙ্গ। মেট্রোযাত্রীদের মাথার উপর দিয়ে বয়ে যাবে গঙ্গা নদী। কখন মেট্রো গঙ্গার নীচে প্রবেশ করছে তাও জানতে পারবেন যাত্রীরা। এর পাশাপাশি গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো যাওয়ার সময় যাত্রীরা (Kolkata Metro) ফোনে কথাও বলতে পারবেন। এ জন্য উচ্চমানের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। নদীর তলায় মাটির গভীরে বসানো হয়েছে অপটিক্যাল ফাইবারও। তাই, ইন্টারনেটও ব্যবহার করা যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: শনিবার কৃষ্ণনগরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা, চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি

    Nadia: শনিবার কৃষ্ণনগরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা, চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল ২রা মার্চ নদিয়ার পূণ্যভূমিতে পা রাখতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর তার জেরেই নিরাপত্তা বেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা নদিয়া (Nadia) এবং কৃষ্ণনগর শহর। কৃষ্ণনগর গভমেন্ট কলেজ ময়দানে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মোদির এই জনসভা। সেই সঙ্গে করবেন বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা। লোকসভা ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী আগমন যথেষ্টই রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য এই লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ ছিলেন মহুয়া মৈত্র। টাকার বিনিময়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অপরাধে তাঁর সাংসদ পদ বাতিল হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা মামলায় তদন্ত করছে বলে জানা গিয়েছে।

    বিজপির বক্তব্য (Nadia)

    প্রধানমন্ত্রী আসার আগেই তাঁর সভাস্থলে চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি। বিজেপি কর্মী সমর্থক থেকে শুরু করে জেলা এবং রাজ্য নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই সভাস্থল পরিদর্শন করে গেছেন। আজ সকাল থেকেও প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল পরিদর্শন করেন স্থানীয় বিজেপি কর্মকর্তারা। চলছে শেষ পর্বের চূড়ান্ত প্রস্তুতি। নদিয়া (Nadia) জেলা বিজেপির মিডিয়া কনভেনার সন্দ্বীপ মজুমদার বলেন, “শুধু জনসভাই নয়, জনসভা হওয়ার আগে গভমেন্ট কলেজ ময়দানের পাশেই আরও একটি সরকারি অনুষ্ঠান রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। যেখান থেকে মোদি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। তবে এই সরকারি প্রকল্প উদ্বোধনের মধ্যে নদিয়া জেলা তথা কৃষ্ণনগরের মানুষও বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হবেন।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তবে প্রধানমন্ত্রীর নদিয়া (Nadia) জেলায় আগমনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। নদীয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবাশীষ রায় বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন একটি জায়গা তাঁর সভাস্থল হিসেবে বেছে নিয়েছেন, যেখানকার সংসদ ছিলেন মহুয়া মৈত্র। যিনি একের পর এক প্রশ্নবানে সংসদে বিজেপিকে ধরাশায়ী করেছে। তাঁকে কালিমালিপ্ত করে সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিজেপি বুঝতে পেরেছে কৃষ্ণনগরের মাটিতে বিজেপির জয় কোনও ভাবেই সম্ভব নয়। তাই পায়ের তলার মাটি সরে যাওয়ার কারণেই আজ এই সভাস্থল কৃষ্ণনগরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তবে বাংলার মানুষ বিজেপিকে আর বিশ্বাস করে না। বাংলার মানুষ লোকসভা ভোটে বুঝিয়ে দেবে তৃণমূল কংগ্রেসই একমাত্র ভরসা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Recruitment Case: ৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীর জন্য নয়া প্যানেল, প্রাথমিক মামলায় পর্ষদকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Primary Recruitment Case: ৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীর জন্য নয়া প্যানেল, প্রাথমিক মামলায় পর্ষদকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকের একটি মামলার শুনানিতে ৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ করার জন্য নতুন প্যানেল প্রকাশ করার কথা বলল কলকাতা হাইকোর্ট।  শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে বলেছেন, ৩৯ জন চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ করার জন্য নতুন প্যানেল প্রকাশ করতে হবে। এই মামলায় ৯,৫৩৩ জনের নিয়োগের একটি প্যানেল প্রকাশ করার নির্দেশ আগেই দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। 

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    মামলাকারী চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, তাঁরা ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তাঁদের ওই প্রশিক্ষণের শংসাপত্র যদি গ্রাহ্য হয়, তবে সুপ্রিম কোর্টের প্যানেলের ৯,৫৩৩ জন চাকরিপ্রার্থীর চেয়েও তাঁদের প্রাপ্য নম্বর বেশি। এর পরেই হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে যে প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে, তা স্পর্শ করা যাবে না। তবে এই ডিএলএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের জন্য নতুন প্যানেল তৈরি করতে হবে। বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, ৩৯ জন প্রার্থীর ডিএলএড প্রশিক্ষণের শংসাপত্র আগে যাচাই করতে হবে। তাঁরা পাশ করেছেন কি না, দেখতে হবে। যদি দেখা যায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তৈরি প্যানেলের অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীদের থেকে মামলকারীরা বেশি নম্বর পেয়েছেন, তা হলে এঁদের জন্য আলাদা প্যানেল করতে হবে। সেই মতো নিয়োগ করবে পর্ষদ। আদালতে মামলাকারীদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম।

    আরও পড়ুন: ভোররাত পর্যন্ত বৈঠকে মোদি, লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত

    এর আগে অন্য ১২ জন চাকরিপ্রার্থীকে একই ভাবে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চ আদালত। ২০২২ সালে প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে ১২ জন চাকরিপ্রার্থী ডিএলএড, বিএড দু’রকম প্রশিক্ষণই নিয়েছিলেন। তাঁদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিএড প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করেই প্রাথমিক নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন তাঁরা। পরে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, প্রাথমিক স্কুলে পড়াতে পারবেন শুধু মাত্র ডিএলএড প্রশিক্ষিতেরাই। ফলে বিএড প্রশিক্ষিতেরা বাদ চলে যান। পরবর্তী সময়ে ডিএলএড প্রশিক্ষিত আরও ৩৯ জনও আলাদা করে মামলা করেন। ১২ জনের জন্য আলাদা মেধাতালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ আগেই দিয়েছিলেন বিচারপতি মান্থা। এবার ৩৯ জনের জন্য এল একই নির্দেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Seikh Shajahan: সিআইডির হেফাজতে শেখ শাহজাহান, জেরার মুখে কী বললেন জানেন?

    Seikh Shajahan: সিআইডির হেফাজতে শেখ শাহজাহান, জেরার মুখে কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তদন্তকারীদের প্রশ্নের সামনে মুখে যেন কুলুপ এঁটেছেন একদা সন্দেশখালির স্বঘোষিত বাঘ। শারীরিক ভাষায় ঝরে পড়ছে সেই এক ঔদ্ধত্য। ভেড়ি দখল, জমি দখল, শ্লীলতাহানি, ইডির ওপর হামলা, খুনের অভিযোগ যাঁর বিরুদ্ধে তাঁকে গতকালই দেখা গিয়েছিল পুলিশের সামনে স্পর্ধার সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে কোর্টে ঢুকছেন। সিআইডি অফিসারদের সামনে এমনই স্পর্ধা দেখাচ্ছেন তিনি, খবর সূত্রে। শুধুই উত্তর দিচ্ছেন, ‘‘এক কথা বারবার বলব না।’’

    আরও জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সারারাত ঘুমোননি তিনি। খাননি রাতের খাবারও। গত ৫ জানুয়ারি ইডির উপর হামলার ঘটনা ঘটে। তোলপাড় হয় সারা রাজ্য। এখানে নিজের ভূমিকার কথা মেনে নিয়েছেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে স্বীকার করেছেন যে, ইডির বিরুদ্ধে জনতাকে উস্কানি দিয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার পুলিশ সূত্রে এমনটাই জানানো হয়েছিল। এর পাশাপাশি সিআইডি-এর সঙ্গে অসহযোগিতা করছেন বলেই সূত্রের খবর রয়েছে। 

    লোকদেখানো সাসপেন্ড!  

    বৃহস্পতিবার ভোররাতেই মিঁনাখা থেকে সন্দেশখালির ‘ত্রাস’ শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে বসিরহাট মহকুমা আদালত গতকালই দশ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবারই সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল ভবন থেকে শাহজাহানকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এটা নিছকই লোকদেখানো। শাহজাহানের এতদিনের অপকর্মের খতিয়ান রাজ্য নেতাদের কাছে নেই, এমনটা হতে পারেনা।

    কী বলছে বিজেপি?

    বিজেপি তরফ থেকে গতকালই দাবি করা হয়েছে, গ্রেফতারির পর রাজকীয় কায়দায় আদালতে ঢুকতে দেখা যায় সন্দেশখালির কালপ্রিট শাহজাহানকে। তৃণমূল নেতার শারীরিক ভঙ্গি, পোশাক দেখলে মনে হবে না তিনি গ্রেফতার হয়েছেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি  সুকান্ত মজুমদার এনিয়ে বলেন, ‘‘পুলিশ মাথা নীচু করে হাঁটছে, আর শাহজাহান তাঁদের মাঝখান দিয়ে গটগট করে মাথা উঁচু করে এজলাসে ঢুকলেন! যেন অলিম্পিকে পদক জিতে এসেছেন।’’ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, ‘‘পুলিশ যে শাহজাহানের কথাতেই চলে, তা এই দিন ওঁর আদালতে ঢোকা বা বেরনোর ছবি থেকেই স্পষ্ট। পুলিশই এতদিন শেল্টার দিয়ে রেখেছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: লোকসভার আগে দুই তৃণমূল সাংসদ শিশির-দিব্যেন্দু কি পদ্ম শিবিরে?

    Purba Medinipur: লোকসভার আগে দুই তৃণমূল সাংসদ শিশির-দিব্যেন্দু কি পদ্ম শিবিরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলে শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) বিজেপি বিধায়ক। অপর দিকে বাবা সাংসদ শিশির অধিকারী আনুষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূল ছাড়েননি। লোকসভার আগে এই তৃণমূল কাঁথির সাংসদকে নিয়ে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। তিনি যে তৃণমূলের সঙ্গে নেই সেই কথাও খুব স্পষ্ট করে জানিয়েছেন। অপর দিকে তমলুকের তৃণমূলের সাংসদ দিব্যেন্দু বললেন, “আমি দাদাকে নিয়ে গর্বিত, সুযোগ পেলেই বিজেপিতে যোগদান করব।” আগামী ৭ মার্চ বিজেপির মেগা জয়েনিং কর্মসূচি রয়েছে। তাই এই যোগদান সভায় দুই তৃণমূল সাংসদ যোগদান করবেন কিনা তা নিয়ে রাজনীতির আঙ্গিনায় জল্পনা তৈরি হয়েছে। লোকসভার আগে দুজন তৃণমূল কি তাহলে পদ্ম শিবিরে?

    কী বললেন শিশির অধিকারী (Purba Medinipur)?

    কাঁথির (Purba Medinipur) এই বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারী বলেন, “তৃণমূল করার জন্য আক্ষেপ তো অবশ্যই হয়। ভুল, একপ্রকার ভুল সিদ্ধান্তই নিয়েছিলাম। সে দিন যদি আর একটু এগিয়ে-পিছিয়ে ভেবে এগোতাম, তাহলে হয়ত অনেকের রাজনীতিতে জন্ম হত না। অনেকেই বিদায় নিত। এই জিনিস দেখতে হত না।” একই সঙ্গে  রাজ্যের দুর্নীতি সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, “এই বালু সেই বালু! এই পার্থ সেই পার্থ! ভাবতে পারিনা। লোকসভায় বিজেপির ৪২ আসনে ৪২ পাবে। ঠিক করে নির্বাচন হলে তৃণমূল একটিও আসন পাবে না। তৃণমূলের পাতা বড় বড় ফাঁদ ফাঁস হয়ে গিয়েছে। সাধারণ মানুষ আর তৃণমূলে নেই।”

    দিব্যেন্দুর বক্তব্য

    লোকসভার আগেই পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) তমলুকের তৃণমূল সাংসদ দিব্যান্দু অধিকারী বলেন, “আর তো মাত্র কয়েকটা দিন। কারা যোগ দেবে আর কারা যোগ দেবে না তা ৭ তারিখেই স্পষ্ট হবে। আমি তৃণমূল দলে নেই ধরে নিতে পারেন। সাংসদ আছি। যতদিন মেয়াদ আছে আমি সাংসদ থাকব। দাদা আমাদের কাছে গর্বের দাদা। তাঁর জন্য আমাদের বুকটা সবসময় চওড়া হয়ে থাকে। সুযোগ পেলে অবশ্যই বিজেপিতে যোগদান করব। আগামীকাল হলদিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবো। সাংসদ হিসাবে আমাকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ইডি অফিসে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী! কোন পথে এগোচ্ছে তদন্ত?

    Sheikh Shahjahan: ইডি অফিসে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী! কোন পথে এগোচ্ছে তদন্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহাজাহান। গত ৫ জানুয়ারি তাঁকে ধরতে গিয়েই আক্রান্ত হয় ইডি। সে থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। টানা ৫৫ দিন গা ঢাকা দিয়েছিলেন শাহজাহান। অবশেষে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও ইডির দাবি, তথ্য লোপাটের চেষ্টা করা হবে। এমনকী শাহজাহানকে আড়াল করবে রাজ্য পুলিশ। তাই দ্রুত শাহজাহানকে ঘিরতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চলছে তারই প্রস্তুতি। এরইমধ্যে ইডি ডেকে পাঠিয়েছে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী অরুণ সেনগুপ্ত,  অরূপ সোমকে।

    অরূপ সোমকে তলব

    শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হতেই তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ব্যবসায়ী অরূপ সোমকে ডেকে পাঠাল এনফোরেসমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইডি’র সমন পেলেন তিনি। অনুমান, শাহজাহানের বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করতেই এই তলব। চলতি সপ্তাহেই অরূপের দক্ষিণ কলকাতার বিজয়গড়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহানের চিংড়ি মাছের ব্যবসা সংক্রান্ত মামলায় তলব করা হয়েছে ব্যবসায়ীকে। এই ব্যবসায়ী শাহজাহানের থেকে চিংড়ি মাছ নিয়ে অন্যান্য কোম্পানিদের বিক্রি করত বলে জানা গিয়েছে। এই কোম্পানির সঙ্গেই শেখ শাহজাহানের ব্যবসায়িক যোগাযোগ ছিল। তদন্তকারীরা মনে করছেন যে, রেশন দুর্নীতির সঙ্গে যেহেতু শেখ শাহজাহান ওতপ্রোতভাবে যুক্ত, ফলে তাঁর অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি কালো টাকা আসত ৷ সেই কালো টাকা অরূপ সোমের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা হত মাছের ব্যবসার নামে। ফলে কতবার কত কোটি টাকা তাঁদের মধ্যে লেনদেন হয়েছে, সেই সমস্ত বিশদে জানার জন্যই ফের অরূপ সোমকে ডেকে পাঠিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

    আরও পড়ুন: ইডি থেকে বাঁচতেই কি ইডি’র ওপর হামলার দায় স্বীকার শাহজাহানের?

    অরুণ সেনগুপ্তকে জেরা

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠ বিরাটির ব্যবসায়ী অরুণ সেনগুপ্তও হাজির হলেন ইডির দফতরে। সোমবারই তাঁর মেয়ে এসেছিলেন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে। সূত্রের খবর, বেশ কিছু নথি নিয়ে সোমবার তদন্তকারী সংস্থার দফতরে যান অরুণ-কন্যা। এরপরই এদিন যান অরুণ নিজে। আমদানি-রফতানির সংস্থা রয়েছে তাঁরও। চিংড়ি মাছের আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত কাজ করে তাঁর সংস্থা। শেখ শাহজাহান সম্পর্কে দ্বিতীয় যে ইসিআইআর হয়েছে, মূলত তা অরুণ সেনগুপ্তের সংস্থার একটি পুরনো এফআইআরের ভিত্তিতে। অরুণ সেনগুপ্ত সি ফুড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনেরও সদস্য। ইডি সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহানের সঙ্গে অরুণ সেনগুপ্তের সংস্থার লেনদেন সংক্রান্ত যোগ ছিল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে দেড় বছরের ছেলেকে খুন  করেছিল মা, ফাঁসির সাজা দিল আদালত

    Howrah: প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে দেড় বছরের ছেলেকে খুন করেছিল মা, ফাঁসির সাজা দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের পুত্র খুনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত মাকে ফাঁসির সাজা শোনাল আদলাত। একই সঙ্গে ফাঁসির শাস্তি ঘোষণা হয়েছে মায়ের প্রেমিকের বিরুদ্ধেও। এই রায় দিয়েছেন হাওড়া (Howrah) ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারপতি। ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    ফলকনামা এক্সপ্রেসে ট্রলি ব্যাগে ছিল দেহ (Howrah)

    ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল, ২০১৬ সালে। জানুয়ারি মাসের শুরুতেই হাওড়া (Howrah) রেল স্টেশনের ফলকনামা এক্সপ্রেসের ট্রলি ব্যাগের মধ্যে থেকে একটি শিশুর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে হাওড়া জিআরপি পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছিল। এরপর জিআরপি পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এরপর আজ দোষীদের শাস্তি ঘোষণা করে আদালত।

    স্বামীকে ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি ত্যাগ করছিল মা

    স্থানীয় (Howrah) সূত্রে জানা গিয়েছিল, নিজের স্বামীকে ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি ত্যাগ করেছিলেন হাসিনা সুলতানা। অন্ধ্রপ্রদেশের গুনটুর থেকে পালিয়ে প্রেমিক ভানু শাহর সঙ্গে চলে গিয়েছিলেন হায়দ্রাবাদের বানজারা হিলসে। এরপর দুই জনেই ঘর ভাড়া করে একসঙ্গে থাকছিলেন। কিন্তু এই প্রেমিক-প্রেমিকার কাছে পথের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল হাসিনার ছেলে জিশান। এরপর জানা যায় প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে নিজের ছেলেকে খুন করে ফলকনামা ট্রেনে ব্যাগের মধ্যে রাখা হয় দেহ। অপর দিকে মেয়ের খোঁজ পেতে হাসিনার বাড়ির লোক ছবি দিয়ে থানায় নিখোঁজের রিপোর্ট লেখায়। এরপর সেই সূত্র ধরে শুরু হয় রেল পুলিশের তদন্ত। আবার ট্রেনের মধ্যেই জিশানের মৃত দেহের সঙ্গে মেলে ছবিও। এরপর অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে হাওড়া জিআরপি পুলিশ গ্রেফতার করে হাসিনা এবং তাঁর প্রেমিককে। এরপর মামলা চলে কোর্টে এবং অবশেষে আজ ফাঁসির শাস্তি দেয় আদালত।

    সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য

    হাওড়া (Howrah) কোর্টের সরকারি আইনজীবী অরিন্দম মুখোপাধ্যায় বলেন, “সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ এবং তথ্যের ভিত্তিত্বে আজ দুই জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে কোর্ট। বিচারপতি সন্দীপ চক্রবর্তী, মা এবং তাঁর প্রেমিককে ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছেন।” অপর দিকে কোন্নগরে মাত্র ৮ বছরের শিশুকে নির্মম ভাবে হত্যার ঘটনায় মা এবং বান্ধবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রে জানা গিয়েছে, মা শান্তা এবং বান্ধবী ইফ্ফাত পারভিনের মধ্যে সমকামী সম্পর্ক ছিল। কিন্তু শিশু কি তাঁদের সম্পর্কের কাঁটা ছিল? কে খুন করল? এই সব বিষয়ে এখন তদন্ত চলছে। যদিও খুনের কথা এখনও কেউ স্বীকার করেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: “বিজেপির আন্দোলনের চাপে শাহজাহানকে ধরতে বাধ্য হল সরকার”, বললেন সুকান্ত

    Sheikh Shahjahan: “বিজেপির আন্দোলনের চাপে শাহজাহানকে ধরতে বাধ্য হল সরকার”, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপির লাগাতার আন্দোলনের কারণে এই সরকার শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হল।” বৃহস্পতিবার তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার হওয়ার পর এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তাঁর মতে, বিজেপি ও সন্দেশখালির মহিলাদের লাগাতার আন্দোলনের জেরে শাহজাহান শেখকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে রাজ্য সরকার।

    কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত বলেন, “বিজেপির ক্রমাগত আন্দোলনের জেরে এই সরকার শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হল। সরকার অস্বীকার করছিল। এমনকি তারা স্বীকারও করছিল না যে এরকম কিছু ঘটেছে। আমি আগেই বলেছি, যে আমরা শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে সরকারকে বাধ্য করব। আজ বিজেপি ও সন্দেশখালির মহিলাদের আন্দোলনের কারণে সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছেন (Sheikh Shahjahan)।”

    দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া

    বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া, “একটা ছিঁচকে মস্তানকে ধরতে এতদিন সময় লাগল। তাহলে যারা বড় বড় রাঘব বোয়াল ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাঁদের তো কোনওদিনই ধরতে পারবে না। তৃণমূলের নেতারাই তো বলে দিচ্ছে কাকে কবে ধরা হবে। সন্দেশখালির মানুষ নিরন্তর লড়াই করছেন।” তিনি বলেন, “সর্বভারতীয় চাপের জন্যই পুলিশ বাধ্য হয়েছে এই গ্রেফতার করতে। দেশজুড়ে সংবাদ মাধ্যমগুলিতে ডিবেট পর্যন্ত হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দেশখালি, শেখ শাহজাহান হচ্ছে টপিক। সবাই জানতাম, ওখানেই আছে। পুলিশই ধরছিল না। কোর্টের কানমলা খেয়ে এখন এই কাজ করছে।”

    আরও পড়ুুন: “শাহজাহান শেখের জন্য আমার কোনও সমবেদনা নেই”, বললেন প্রধান বিচারপতি

    বুধবার রাতেই এক্স হ্যান্ডেলে তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লিখেছিলেন, “সন্দেশখালির শয়তান শেখ শাহজাহানকে এতদিন মমতা সরকারের পুলিশ নিরাপদে রেখেছিল। মমতা সরকারের পুলিশের সঙ্গে রফা হওয়ার পরেই তাঁকে বেড়মজুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, পুলিশ হেফাজতেও তাঁকে একাধিক সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রাখা হবে। ঠিক যেমন ফাইভ স্টার হোটেলে দেওয়া হয়। তাঁকে মোবাইল ব্যবহার করার সুযোগও দেওয়া হবে। যেখানে তিনি ভার্চুয়ালি তাঁর দলের সদস্যদের নেতৃত্ব দিতে পারবেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, এমনকী উডবার্ন হাসপাতালে শাহজাহানের জন্য একটা বেড তৈরি রাখা হয়েছে। যদি শাহজাহান সেখানে কিছুদিন সময় কাটাতে চান, তার জন্য (Sheikh Shahjahan)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: এ কেমন গ্রেফতার শাহজাহান! কোমরে দড়ি পরানো দূর, গায়ে হাত পর্যন্ত দিতে পারল না পুলিশ

    Sheikh Shahjahan: এ কেমন গ্রেফতার শাহজাহান! কোমরে দড়ি পরানো দূর, গায়ে হাত পর্যন্ত দিতে পারল না পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুখ্যাত দুষ্কৃতী শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) সঙ্গে পুলিশের আচরণ দেখে হতবাক রাজ্যবাসী। সাধারণত দাগী অপরাধীদের আদালতে তোলার সময় কোমড়ে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেক সময় কোমড় ধরে বা হাত ধরে আদালতে তোলা হয়। কিন্তু, সন্দেশখালির বাদশা শাহজাহানকে কোমরে দড়ি পরানো তো দূরের কথা পুলিশ হাত পর্যন্ত দেওয়ার সাহস দেখাল না। আদালতের এজলাসে তোলার সময় কোনওভাবে মনে হচ্ছিল না শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বরং, তাঁর পিছনে যেভাবে পুলিশ ছিল তাতে তাকে এসকর্ট করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এমনই অভিযোগ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    সন্দেশখালির বাসিন্দারা কী বললেন? (Sheikh Shahjahan)

    সাদা জামা, সাদা প্যান্ট, ম্যাচিং করে ধূসর রঙের কোর্ট। পায়ে সাদা স্নিকার্স। ৫৫ দিন পর শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) এই সাজেই ধরা দিলেন। তবে গ্রেফতার হওয়ার পরও তাঁর শরীরে কার্যত দেখা গেল না কোনও উত্তাপ। তাঁর হাতে দেখা গেল না কোনও হ্যান্ডকাফ, কোমরে নেই দড়িও। আঙুল উঁচিয়ে এমন ভাবে আদালতে প্রবেশ করলেন যেন ‘জামাই’। তাহলে কি নিয়ম সবার জন্য আলাদা? এমনই প্রশ্ন তুলেছে সন্দেশখালিবাসী। তাঁদের বক্তব্য, শাহজাহান কোনও বীর পুরুষ নন। তিনি একজন ধর্ষণকারী। তাঁর বিরুদ্ধে জমি লুট, একাধিক খুন, বাড়ি ভাঙচুর, শ্লীলতাহানির মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে। এরকম একজন কুখ্যাত দুষ্কৃতীর সঙ্গে পুলিশের আচরণ মেলানো যাচ্ছে না। পুলিশের সামনেই খোশ মেজাজেই রয়েছে শাহজাহান। গ্রেফতার হওয়ার পর আদালতে তাঁকে জামাই আদর করে নিয়ে যাওয়া হল। তাহলে পুলিশ হেফাজতে শাহজাহান বহাল তবিয়তে থাকবে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি তাপস ঘোষ বলেন, আসলে ইডি-র হাত থেকে শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)  রক্ষা করতেই মরিয়া পুলিশ। তাঁকে লোকদেখানো গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে, পুলিশ এতদিন জামাই আদর দিয়ে, ভালো-মন্দ খাইয়ে রেখেছিল। আজ যখন লোক দেখানো গ্রেফতারের পর আদালতের উদ্দেশ্যে তাঁকে বার করা হচ্ছে, পুলিশ তাঁর হাতটুকু ধরার সাহস দেখাতে পারিনি। সিপিএমের জেলা নেতৃত্ব জোনাল কমিটির সদস্য কিংকর কান্তি রায় বলেন, পুলিশের ক্ষমতা নেই শাহজাহানের কোমরে দড়ি পরানোর। বারবার বিভিন্ন কেস দিয়ে শুধু পিসি টানবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share