Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Cyclone Sitrang: সিত্রাং এর প্রবাহে দীপাবলির আলো ম্লান হবার মুখে

    Cyclone Sitrang: সিত্রাং এর প্রবাহে দীপাবলির আলো ম্লান হবার মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও নতুন ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে চলেছে আমাদের রাজ্যে, সিত্রাং নামক ঘূর্ণিঝড়টি শক্তি বাড়িয়ে আন্দামান সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ থেকে। পোর্টব্লেয়ার থেকে ১১০ কিমি উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করেছে এই  নিম্নচাপ এবং সাগরদ্বীপ থেকে ১৪৬০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করেছে। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানা গিয়েছে আগামীকাল সোমবার দীপান্বিতা কালীপূজার দিন  পশ্চিমবঙ্গে এবং পরবর্তী দিন মঙ্গলবার বাংলাদেশের উপকূলের তিনকোনা দ্বীপের উপর আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়।

    পশ্চিমবঙ্গের দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুর সহ হাওড়া, হুগলি, নদীয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত ও ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার সর্বোচ্চ ৬৫ কিমি আর মঙ্গলবার ৯০ কিমি বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া।
    তবে দুই পরগণা আর দুই মেদিনীপুরে ১১০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে বলে আশঙ্কা। 
     সরকারের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকার সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সুন্দরবন এলাকায় ফেরি পরিষেবা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। 

    [tw]


    [/tw]

    সুন্দরবন কোস্টাল থানার তরফ থেকে মাইকে করে বিশেষ সতর্কতা মূলক প্রচার চালানো হয়েছে, মৎস্যজীবিদের মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সমুদ্র তীরবর্তী বাসিন্দাদের কয়েকটি দিন বিশেষ সতর্কতায় কাটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তেমন বুঝলে ফ্ল্যাড সেন্টারে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। 
    এই ঝড় পাশ্ববর্তী রাজ্য উড়িষ্যা হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে ভারতে যাবে। এই ঘুর্ণিঝড়ের কারণে পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু রাজ্যে সারাদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, মাঝে মাঝে ঝড় বিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। 
    কালীপূজার দিন সকাল থেকে নবান্নে থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিব সহ প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের।

    নবান্নের তরফ থেকে উপকূলীয় জেলার প্রশাসনকে যে কোনো পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে বলা হয়েছে।  সাইক্লোন সিত্রাং মোকাবিলায় এনডিআরএফের তরফ থেকে থাকবে পশ্চিমবঙ্গে ১৪টি পরিষেবা দল রাজ্যের উপকূল সহ বিভিন্ন স্থানে । ৪টি দল থাকবে দক্ষিন ২৪ পরগণায়, ২ দল থাকবে উত্তর ২৪ পরগণা ,৩ টি দল  পূর্ব মেদিনীপুর আর ১ টি দল পশ্চিম মেদিনীপুর,হুগলি ও নদীয়ায় থাকবে। এবং কলকাতা কর্পোরেশনে থাকছে দুটো দল।
    দক্ষিণ ২৪ পরগনার মধ্যে রয়েছে সাগর, কাকদ্বীপ, গোসাবা, কুলতলি, উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যে রয়েছে সন্দেশখালি এবং হাসনাবাদ। এছাড়া পূর্ব মেদিনীপুরের মধ্যে  দিঘাতে রয়েছে একটি টিম, রামনগরে দুটি টিম এবং হলদিয়াতে এনডিআরএফের টিম রয়েছে। হুগলির আরামবাগ, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, পশ্চিম মেদিনীপুরে হাসিমপুর, নদিয়া হরিণঘাটাতেও এনডিআরএফ টিম মোতায়েন রয়েছে। মূল কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে হরিণঘাটাতে সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নের এনডিআরএফের কন্ট্রোল রুম। কন্ট্রোল রুমের নাম্বার-  ৮০১৭১৬৬৬৫৫ । ২৪ ঘণ্টা এই হরিণঘাটার মেইন কন্ট্রোল রুম থেকেই চলবে গোটা পরিস্থিতির উপর নজরদারি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • TET Scam: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা মানিকের! কালীপুজো কাটবে ইডির হেফাজতেই

    TET Scam: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা মানিকের! কালীপুজো কাটবে ইডির হেফাজতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  টেট নিয়োগে (TET Scam)  দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। সিবিআই (CBI) তদন্তে রক্ষাকবচ পেলেও, ইডির (ED) গ্রেফতারি নিয়ে স্বস্তি পেলেন না পর্ষদের অপসারিত সভাপতি। ইডির গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে যে আর্জি করেছিলেন মানিক, বৃহস্পতিবার তা খারিজ করে দেওয়া হল। ইডির গ্রেফতারি সঠিক বলেই জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: শিবপুরে টাকা উদ্ধার-কাণ্ডে তদন্ত শুরু করল ইডি! জানেন কী খুঁজছে তারা?

    প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত মানিককে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল ইডি। সেই গ্রেফতারির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন মানিক। বৃহস্পতিবার মানিকের সেই আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু এবং বিচারপতি বিক্রম নাথের ডিভিশন বেঞ্চ। তাতেই তাঁরা জানিয়ে দেন, মানিককে ইডির গ্রেফতারিতে কোনও ভুল নেই। মানিকের গ্রেফতারি যথাযথ কি না, সে ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের জবাবে সোমবারই আদালতে ২৪ পাতার হলফনামা জমা দিয়েছিলেন ইডির আইনজীবী। ওই হলফনামায় মানিককে গ্রেফতারির নেপথ্যে থাকা পাঁচটি কারণও জানানো হয়। ইডি-র তরফে হাজির সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা মানিকের বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ আনেন। তথ্য লুকানো থেকে শুরু করে তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। মানিক ভট্টাচার্যের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া চাকরিপ্রার্থীদের তালিকার প্রসঙ্গ টেনে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগও করা হয়।

    আরও পড়ুন: গরু পাচার মামলায় কেরিম খানকে জেরা সিবিআইয়ের, হানা অনুব্রতর দিদির বাড়িতেও

    মানিকের আইনজীবী মুকুল রোহতগী জানান, এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা মানিক ভট্টাচার্যের বলে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বেআইনি নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় অনিয়মের অভিযোগ বাদ দিয়ে মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই বলেও দাবি করেন আইনজীবী। তাঁর মক্কেলের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না, বলেও আদালতে জানান তিনি। এর জবাবে শীর্ষ আদালতের তরফে রাজ্যের আদালতেই আবেদন জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Fatakesto Kali Puja: জানুন, সাতের দশকের কলকাতার ডন ‘ফাটাকেষ্ট ও তাঁর কালীপুজোর গল্প‌’

    Fatakesto Kali Puja: জানুন, সাতের দশকের কলকাতার ডন ‘ফাটাকেষ্ট ও তাঁর কালীপুজোর গল্প‌’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁকে ঘিরেই তৈরি হয়েছিল ‘এমএলএ ফাটাকেষ্ট’ সিনেমা। এই ফিল্মে মিঠুন চক্রবর্তীর সংলাপ- ‘‘মারব এখানে, লাশ পড়বে শ্মশানে’’— আজও সমানভাবে জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে। 

    জানেন, কে ছিলেন এই ফাটাকেষ্ট? এর উত্তর জানতে আমাদের যেতে হবে সাতের দশকে নকশাল আন্দোলনে উত্তাল কলকাতায়। প্রতিদিনই তখন হত্যালীলা চলছে, সারা রাজ্যের অলিগলি থেকে কলকাতার রাজপথে তখন রক্তের দাগ। কোথাও বৃষ্টির ফোঁটার মতো গুলিবর্ষণ হয়, তো কোথাও মুড়ি-মুড়কির মতো বোমাবাজি চলে। কলেজ স্ট্রিটের দেওয়ালে তখন নকশালদের দেওয়াল লিখন – ‘ফাটাকেষ্টর মুন্ড চাই’। তৎকালীন সময় থেকেই জনশ্রুতি রয়েছে, ‘নকশালদের ছোড়া বোমা নাকি তাঁর পায়ের কাছে পড়েও ফাটেনি, ওই বোমা তিনি উল্টোদিকে শট মারেন ঠিক ফুটবলের ধাঁচে’। তিনি যে ফাটাকেষ্ট। বোমা নিয়ে ফুটবল খেলা তো তাঁরই সাজে।

    এলাকার মসীহা বলুন অথবা রবিনহুড। অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ‘শাহেনশা’ চরিত্র তাঁর সঙ্গে অনেকাংশে মেলে, এমনটাই বিশ্বাস ছিল তাঁর ফ্যানদের। কলেজ স্ট্রিটের রাস্তা ধরে এলাকার মেয়েরা ‘নাইট শো’ দেখে নিশ্চিন্তে রাত্রিতে একাকী ফিরতে পারতেন যখন দেখতেন, তাঁদের পাহারার জন্য ‘ফাটাকেষ্ট’ বারোয়ারী মন্দিরের মেঝেতে তোয়ালে বিছিয়ে রাত্রিযাপন করছেন। কলেজ স্ট্রিটের এই ‘মসীহা’-র এমন অদ্ভূত নামকরণের কারণ তাঁর মুখমণ্ডল জুড়ে থাকা বসন্তের দাগ বলেই মনে করেন অনেকে। 

    আরও পড়ুন: নানারকমের সোনার অলঙ্কারই অনুব্রতর কালী প্রতিমার বৈশিষ্ট্য! জানেন কী কী রয়েছে সেই তালিকায়?

    আসল নাম কৃষ্ণচন্দ্র দত্ত। ‘নব যুবক সংঘ’-এর কালী পুজোর উদ্যোক্তা। নকশাল আমলে কলেজ স্ট্রিটে দুই মস্তানের সঙ্গে ব্যাপক ছুরির লড়াই হয় ‘কালীভক্ত’ কৃষ্ণচন্দ্র দত্তের। লড়াই জিতলেও শরীরে ব্যাপক ছুরিকাঘাতের কারণে ক্ষত সৃষ্টি হয় তাঁর। ভর্তি হন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। সুস্থ হয়ে পাড়ায় ফিরলে তাঁর নাম হয় ‘ফাটাকেষ্ট’। ছোটোখাটো চেহারা, সুঠাম দেহের অধিকারী ফাটাকেষ্টর কলেজ স্ট্রিটের কালীপুজো প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে সেই ছয়ের দশক থেকেই। কালীমায়ের ভক্ত কৃষ্ণচন্দ্র দত্ত ওরফে ফাটাকেষ্ট ‘তন মন ধন’ দিয়ে মায়ের আরাধনা করতেন। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় পুজোর উদ্বোধন করতেন। সারা এলাকা জুড়ে চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা থাকত, বিভিন্ন থিম দ্বারা সাজানো হত মায়ের মণ্ডপ। বিশালকায় মায়ের মূর্তির দর্শন করতে কাতারে কাতারে মানুষজন আসতেন।

    প্রচলিত বিশ্বাস মতে, নব যুবক সংঘের কালীপুজোয় একবার এক মহিলার ভর হয় কালী মূর্তির সামনে। ওই মহিলা তখন বলতে থাকেন ‘ছোট গ্লাসের জলে আমার চেষ্টা মেটেনা, আমাকে বড় গ্লাসে জল দিতে পারিস না তোরা’? তখন দেখা গেল মাতৃ প্রতিমার নৈবেদ্যতে রাখা জলের পাত্রটি সত্যিই ছোট। এই ঘটনার পরে বড় গ্লাসে দেবী কালীকে জলদানের রীতি রয়েছে ফাটাকেষ্টর কালীপুজোতে। 

    কালী পুজোর প্রাক মুহূর্তে একবার পরিচালক দুলাল গুহর ছবির কাজে কলকাতায় এসেছিলেন অমিতাভ বচ্চন, সদ্য মুক্তি পেয়েছিল “নমক হালাল” সিনেমা। বাচ্চা থেকে বুড়ো অবধি তখন মোহাচ্ছন্ন নমক হালালের সংলাপে। ফাটাকেষ্টর ঘনিষ্ঠ ছিলেন পরিচালক দুলাল গুহ। মূলত তাঁরই অনুরোধে সেবার নব যুবক সঙ্ঘের কালীপুজো উদ্বোধন করেন অমিতাভ বচ্চন। মঞ্চ বাঁধা হয় তাঁর জন্য। কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে তখন অমিতাভ বচ্চন বলছেন সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘নমক হালাল’ সিনেমার একের পর এক বিখ্যাত সংলাপ। শুধু তাই নয়। ফাটাকেষ্টর কালীপুজোতে তিনি মায়ের জন্য গড়িয়ে দিয়েছিলেন হীরের নাকছাবি। 

    দেশ-বিদেশ খ্যাত অসংখ্য সেলেব্রিটি যুক্ত থেকেছেন ফাটাকেষ্টর কালীপুজোর উদ্বোধনে। এই তালিকায় যে যে নামগুলো ছিল একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক। সিনেমা জগতের তারকা বিনোদ খান্না, শত্রুঘ্ন সিনহা থেকে সঙ্গীত জগতের হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, রাহুল দেব বর্মন, আশা ভোঁসলে, ক্রীড়া জগতের বিশ্ববিখ্যাত গোলকিপার লেভ ইয়াসিন – প্রতিবছর কালীপুজো উদ্বোধনে চাঁদের হাট বসতো নব যুবক সঙ্ঘে। প্রয়াণের আগের বছর অবধি ওই পুজোতে এসেছেন স্বয়ং উত্তম কুমার অবধি।

    ১৯৯২ সালে প্রয়াত হন কৃষ্ণচন্দ্র দত্ত ওরফে ফাটাকেষ্ট। কয়েকবছর আগেও তাঁর কালীপুজোর উদ্বোধন করে গেছেন প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। সীতারাম ঘোষ স্ট্রিটের এই কালীপুজো আজ একটা ‘মিথ’। নবযুবক সঙ্ঘের কালী পুজোর জগৎজোড়া খ্যাতির নেপথ্যে ছিল কালী মায়ের ভক্ত, ছোটখাটো চেহারার ওই দাপুটে মানুষটি। যাঁর কথায় নাকি এলাকার বাঘে গরুতে একসঙ্গে জল খেত বলেই বিশ্বাস করেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Anubrata Mondal: সিবিআই-এর তলব এড়িয়ে ই-মেল করলেন কেষ্ট কন্যা, কী লিখেছেন চিঠিতে?

    Anubrata Mondal: সিবিআই-এর তলব এড়িয়ে ই-মেল করলেন কেষ্ট কন্যা, কী লিখেছেন চিঠিতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই-এর ডাক এড়ালেন কেষ্ট (Anubrata Mondal) কন্যা সুকন্যা (Sukanya Mondal)। গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) জেলে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল, এমন পরিস্থিতিতে সুকন্যা মণ্ডলকে গতকাল সিবিআই ডেকেছিল। কিন্তু তিনি সিবিআই-এর দফতরে উপস্থিত না হয়ে পাঠিয়েছেন চিঠি। কী আছে চিঠিতে? সূত্রের খবর অনুযায়ী, সুকন্যা রয়েছেন রাজ্যের বাইরে। তাই তিনি সিবিআই-এর কাছে সময় চেয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন রাজ্যের বাইরে থাকার জন্য তিনি হাজিরা দিতে পারেননি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাঁর সংস্থার আয়–ব্যয়ের গড়মিলের নথি নিয়েই গতকাল, সোমবার সিবিআই সুকন্যাকে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল।

    তবে গতকাল শুধুমাত্র কেষ্ট কন্যা সুকন্যাকেই নয়, অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ বিদ্যুৎবরণ গায়েন-কেও হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল সিবিআই। আর তিনিও সুকন্যার মতই সিবিআই-এর ডাক এড়িয়ে গেলেন। তবে গতকাল সিবিআই-এর ডাক এড়ানোর কোনও কারণ জানানো হয়নি। সুকন্যার সংস্থা এএনএম অ্যাগ্রোকেম ফুড প্রাইভেট লিমিটেডকে নোটিস ধরিয়ে সেটির আয়ব্যয়ের যাবতীয় নথি চেয়ে সোমবার সুকন্যা ও বিদ্যুৎবরণকে তলব করেছিল সিবিআই।

    জানা গিয়েছে, আইনজীবী মারফত সিবিআইকে পাঠানো চিঠিতে সুকন্যা দাবি করেছেন, তাঁর বন্ধুর চিকিৎসার জন্য তিনি এখন চেন্নাইতে রয়েছেন। সেখান থেকে ফিরে এসে নিজেই যোগাযোগ করবেন তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে। ফলে তিনি সময় মত পৌঁছতে পারেননি। তবে পরবর্তীতে কবে তিনি হাজিরা দিতে যাবেন, তা এখনও জানা যায়নি। আরও জানা গিয়েছে, সুকন্যা ই-মেল করে সিবিআইকে নিজের সংস্থার আয়ব্যয়ের হিসাব দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: এবার কেষ্টকন্যা সুকন্যাকে দিল্লিতে তলব ইডির

    তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ২০১৫ সালের পর থেকে হঠাৎ সুকন্যা মণ্ডলের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে। ব্যাংক থেকে মিলেছে ১৮ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটের নথি। এছাড়াও বেশ কয়েকটি চাল কলের মালিকানা রয়েছে তাঁর নামেই, তাই তাঁর আয়–ব্যয়ের হিসেব নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে সিবিআই অফিসাররা। সিবিআই-কে আগে যেসব নথি তিনি পাঠিয়েছিলেন তাতে অনেক তথ্য স্পষ্ট উল্লেখ নেই, তাই নোটিস পাঠিয়ে তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও গত সেপ্টেম্বরে সুকন্যাকে নোটিস দিয়েছিল সিবিআই। সেসময় নিজের অসুস্থতার দোহাই দিয়ে সময় চেয়ে নিয়েছিলেন সুকন্যা। পরে আইনজীবী মারফত নথি পাঠানো হয়েছিল। এ বারও নোটিস পেয়ে তলব এড়ালেন অনুব্রত-কন্যা (Anubrata Mondal)। আবার সিবিআই তলবের পাশাপাশি আগামী ২৭ তারিখ দিল্লিতে সুকন্যাকে তলব করেছে ইডি-ও। ফলে সিবিআই-এর তলব এড়ানোর পাশাপাশি ইডির তলবও তিনি এড়িয়ে যাবেন কিনা সেটিই এখন দেখার।

  • Manik Bhattacharya: শুধু চাকরি নয়, অর্থের বিনিময়ে বিএড ডিগ্রিও বিক্রি করেছেন মানিক! অভিযোগ ইডির

    Manik Bhattacharya: শুধু চাকরি নয়, অর্থের বিনিময়ে বিএড ডিগ্রিও বিক্রি করেছেন মানিক! অভিযোগ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কে RK? DD-ই বা কে? প্রাথমিক শিক্ষাপর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya) গ্রেফতার হওয়ার পর সবার মুখে এখন একটাই প্রশ্ন। কারণ, তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ঘেঁটে ইডি (ED) আধিকারিকরা এই তথ্য পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা আপাতত এই রহস্য উন্মোচনে মরিয়া। শুধু তাই নয়, এক প্রভাবশালী নেতার আপ্তসহায়কের সঙ্গেও নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট হতো ধৃত মানিকের।

    ইডি জানতে পেরেছে, ওই আপ্তসহায়ক জানতে চেয়েছিলেন লিস্টের কী হল? উত্তরে মানিক বলেছিলেন, পাঠিয়ে দিয়েছি। কাল ফের দেখা করতে চাই। তখন উল্টোদিক থেকে উত্তর আসে, দুপুর দু’টোর পর ফোন করুন। শুধু তাই নয়, ২০জন করে চাকরিপ্রার্থীর নামের তালিকা মানিককে পাঠিয়েছিলেন কয়েকজন বিধায়ক। গ্রেফতারের পর মানিক ভট্টাচার্যের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি CD উদ্ধার করেছিল ইডি। তার মধ্যে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে বলে ধারণা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।

    আরও পড়ুন: ৫৩০টি বেসরকারি বিএড কলেজ থেকে প্রতিমাসে ‘হফতা’ যেত মানিক-পুত্রের কাছে! আদালতে বিস্ফোরক ইডি

    শুধু অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া নয়, অর্থের বিনিময়ে বিএড ডিগ্রিও বিক্রি করেছেন মানিক ভট্টাচার্য। আসলে কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ম করেছিল, স্কুলে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিএড বাধ্যতামূলক। কিন্তু তৃণমূল জামানায় অনেকেই ঘুরপথে চাকরি পেয়েছেন কোনও ট্রেনিং সার্টিফিকেট ছাড়াই। পরে নিয়মের কড়াকড়ির ফলে অবৈধ বিএড ডিগ্রিও মোটা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করতে শুরু করেন মানিক। আর তাঁর এই অপকর্মে সাহায্য করেন পুত্র ও পুত্রবধূ।

    ইডি সূত্রে খবর, মানিক ও মানিকের ছেলের সংস্থার সঙ্গে চুক্তি ছিল বহু টিচার্স ট্রেনিং সংস্থার। সেখান থেকেই নাকি জাল বিএড সার্টিফিকেট প্রদান করা হতো অর্থের বিনিময়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের। ২০১৮-১৯ সালে বিভিন্ন বিএড কলেজ থেকে মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে ২ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। ইডির অনুমান, ভুয়ো বিএড সার্টিফিকেট জোগাড় করে দেওয়ার সুবাদেই এত টাকা পেয়েছিলেন মানিক-পুত্র। আর এই অবৈধ লেনদেনের সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক ভট্টাচার্য যে অন্যতম কিং পিন, সে ব্যাপারে এক প্রকার নিশ্চিত ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Manik Bhattacharya: মহিষবাথানে মানিক ভট্টাচার্যের গোপন অফিসের খোঁজ! কী হত সেখানে?

    Manik Bhattacharya: মহিষবাথানে মানিক ভট্টাচার্যের গোপন অফিসের খোঁজ! কী হত সেখানে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাইমারি টেট ইনস্টিটিউট নামে অফিস চালাতেন  প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। মহিষবাথানের ওই অফিসটি খোলা থাকত রাত ৮টা থেকে  ৯টা পর্যন্ত। নিয়মিত সেই অফিসে যেতেন মানিক ভট্টাচার্য। সেখান থেকেই টাকার বিনিময়ে বেআইনিভাবে তৈরি হত নিয়োগ লিস্ট। স্থানীয় সূত্রের খবর, রাজারহাটের কাছে মহিষবাথানে একটি চারতলা বহুতলের একতলায় চলত অফিসটি। এলাকাবাসী এই সংক্রান্ত খুব বেশি কিছু জানতেন না। তবে তাঁদের কথায়, নিয়মিত রাতে কিছু মানুষ আসতেন ওই অফিসে। মাঝে মাঝেই দেখা যেত পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ককেও। তবে গত কয়েক মাস থেকে বন্ধ রয়েছে অফিসটি। 

    আরও পড়ুন: মানিক ভট্টাচার্যের বাড়ি থেকে মিলল মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠি! টাকা নেওয়ার অভিযোগ স্পষ্ট, কী রয়েছে সেই চিঠিতে

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক ফিল্ড এজেন্ট এবং কয়েকজন অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী যাঁরা পরে চাকরি পেয়েছেন তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। তাঁরাই জানিয়েছেন নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মহিষবাথানের এই অফিস থেকেই হত। এমনকী এই অফিস থেকেই মানিক ভট্টাচার্য লিস্ট তৈরি করা, বিভিন্ন প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা সমস্ত কিছুই চালাতেন। টেট-কেলেঙ্কারি নিয়ে সিবিআই তদন্ত শুরু হতেই ওই অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়। শীঘ্রই ওই অফিসে তল্লাশি চালাবেন গোয়েন্দারা। তাঁদের অনুমান, ওখান থেকেই মিলতে পারে দুর্নীতি সংক্রান্ত বহু নথি।

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবার ভোর রাতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য! টেট দুর্নীতির তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ ইডির

    তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya arrested) ১৪ দিনের ইডি হেফাজতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ব্যাঙ্কশাল আদালত থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) ইডি অফিসে। রাতে তাঁর পুত্রবধূ আসেন সেখানে। হাতে একটি ব্যাগে করে কিছু নিয়ে এসেছিলেন তিনি। ঘণ্টাখানেক সেখানে থেকে বেরিয়ে যান। তবে কেন তিনি সেখানে গিয়েছিলেন তা বলতে চাননি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মানিক ভট্টাচার্যের জামা-কাপর দিতেই ইডি অফিসে এসেছিলেন তাঁর আত্মীয়া। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Ekbalpur Mominpur: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Ekbalpur Mominpur: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একবালপুর-মোমিনপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের। তাদের প্রচ্ছন্ন মদতে এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikary)। তাঁর দাবি,  এই হামলার জন্য ৫০০০ হিন্দু নিজেদের ঘর বাড়ি ছেড়ে কলকাতা থেকে পালিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি কলকাতা পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করছি যে, এই ঘটনায় আপনাদের তিন জন আহত হয়েছেন। তিন জন আইপিএস আছেন হাসপাতালে। তবু আপনারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন না?”

    পুলিশের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন যে, “আপনারা বিজেপি নেতাদের ওই এলাকায় ইচ্ছা করে যেতে দেননি। অনেক এলাকায় ইলেকট্রিক বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। পুলিশ আমাদের রাজ্য সভাপতিকে গ্রেফতার করেছে।” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, “ওঁরা জঘন্যরকম ভাবে হামলা চালাচ্ছে। আমরা চাই না বাঙালি হিন্দুরা আর এখান থেকে চলে যাক। আমরা এই বিষয় নিয়ে বাংলার রাজ্যপালকেও চিঠি লিখেছি। এই নিয়ে সঠিক প্রমাণ দিয়ে চিঠি লিখেছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও”। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি তোলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: গোষ্ঠী হিংসা এখন রাজ্যে খুবই স্বাভাবিক ঘটনা! মোমিনপুর-কাণ্ডে মমতার সরকারকে দুষলেন অমিত মালব্য

    উল্লেখ্য, শনিবার রাত থেকে দফায় দফায় গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে একবালপুর-মোমিনপুর অঞ্চল। ময়ূরভঞ্জ রোডে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের জেরে বোতল ছোড়াছুড়ি-ইটবৃষ্টি হয়। অভিযোগ করা হয় বোমাবাজিও। শনিবার রাতের পর, রবিবার সন্ধ্যায়  ফের উত্তেজনা ছড়ায় একবালপুর থানা এলাকায়। এরপরই, একবালপুর থানা ঘেরাও করে উত্তেজিত জনতা। পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। ঘটনায় কলকাতা পুলিশের দুই ডিসি-সহ ৫ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় দু’পক্ষের বেশ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এলাকায় মোতায়েন করা রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী (Police Force)। নামানো হয়েছে র‍্যাফ  (RAF)।

    আরও পড়ুন: মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার, নিয়ে আসা হল লালবাজার

    সোমবার বিজেপির পর্যবেক্ষক দল ওই অঞ্চলে যেতে চাইলে তাদের আটকে দেয় পুলিশ। আটক করা হয় বিজেপির রাজ্য  সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। সুকান্ত মজুমদারের গ্রেফতারির প্রতিবাদে, কলকাতার জায়গায় জায়গায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে, বিধানসভা থেকে মিছিল করে রাজভবনে যান বিজেপির বিধায়করা। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গিয়েছে, বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে অভিযোগ করেন শুভেন্দু।

    মোমিনপুরে কেন ৩ ঘন্টা বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে সিইএসসি আধিকারিকদের কাছে জানতে চান রাজ্যের বিরোধী নেতা। এ প্রসঙ্গে তিনটি দাবি তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, অবিলম্বে ওই অঞ্চলে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হোক। যাঁরা এই ঘটনার শিকার হয়েছেন তাঁদের রাজ্য সরকার আর্থিকভাবে সাহায্য করুক। যত শীঘ্র সম্ভব দোষীদের গ্রেফতার করা হোক।

     

     

     

  • Weather Update: বিদায় নিচ্ছে বর্ষা? রাজ্যজুড়ে কমল তাপমাত্রা

    Weather Update: বিদায় নিচ্ছে বর্ষা? রাজ্যজুড়ে কমল তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে রাজ্য থেকে বিদায় নিয়েছে বর্ষা। বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ অনেকটাই কমেছে। এমতাবস্থায় সকালের দিকে তাপমাত্রা সামান্য হলেও হ্রাস পেয়েছে রাজ্য জুড়ে। আপাতত রাজ্যের কোথাওই বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। তবে ১৮ অক্টোবর উত্তর আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরি এবং ২০ অক্টোবর নাগাদ নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। যদিও তা কতটা সক্রিয় হবে, এবং বাংলার ওপরে তার কতটা প্রভাব পড়বে, তা এখনও নিশ্চিত করেননি আবহাওয়াবিদদের।      

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮ অক্টোবর আন্দামান সাগরে তৈরি হতে পারে একটি ঘূর্ণাবর্ত। ঘূর্ণাবর্ত আরও তীব্র হয়ে ২০-২১ অক্টোবর নাগাদ এই ঘূর্ণাবর্ত পরিণত হতে পারে নিম্নচাপে। এই নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের আকারও নিতে পারে বলে মত আবহবিদদের। তবে ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতি তৈরি হবে কি না, তা পরবর্তীতে হাওয়া অফিসের তরফ থেকে জানানো হবে বলে সূত্রের খবর। নিম্নচাপের প্রভাবে কোন কোন জায়গায় বৃষ্টিপাত হতে পারে তা-ও হাওয়া অফিসের তরফে নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুন : সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে পারবে ইডি, অনুমতি আদালতের  

    এদিন সকালে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘন্টা অর্থাৎ ১৯ অক্টোবর বুধবার সকালের মধ্যে উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে। আপাতত কোথাও বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার পরিবর্তনেরও সেরকম কোনও পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি।   

    প্রসঙ্গত, উৎসবের আমেজে মেতে রয়েছে দেশ। সদ্য পেরিয়েছে দুর্গা পুজো। সপ্তাহ শেষেই কালীপুজো এব‌ং দীপাবলির উৎসব পালিত হবে ঘরে ঘরে। দুর্গা পুজোতে বৃষ্টি বেশ খানিকটা বিঘ্ন ঘটিয়েছে। আবার কালী পুজোর সময়ে বৃষ্টি হলে দেশবাসীর আলো-উৎসব উদ্‌যাপনে ভাটা পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ব্যবসা-বাণিজ্যও।     

    দুর্গাপুজোর সময় বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যে বৃষ্টিপাতের কারণে উৎসবের মজা মাটি হয়েছিল। এ বার কালীপুজোর মজাও মাটি হয় কিনা এখন তা সময়ই বলবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Ekbalpur Mominpur: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি, জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    Ekbalpur Mominpur: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি, জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ড নিয়ে চরম অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। একবালপুর-মোমিনপুর সংঘর্ষের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন করা নিয়ে আগেই আর্জি জানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু রাজ্য সরকারের অস্বস্তি যেন আরও বেড়ে গেল। শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা নিয়ে হাইকোর্টের দরজা নাড়লেন আরও এক ব্যক্তি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কলকাতা শহরে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) মোতায়েনের আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা (PIL) দায়ের করা হল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)।

    একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডে রাজ্যের পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ আগেই উঠেছে। এমনকি অভিযোগ উঠেছে, সেখানকার ঘটনা ঠেকাতে ও নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছে কলকাতা পুলিশ (Kolkata police)। লক্ষ্মী পুজোর আগের রাত থেকে এই হিংসা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে ঘিরে পুলিশ প্রশাসনের দিকে বারবার ব্যর্থতার আঙুল তুলেছে বিজেপি। এই ঘটনায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেওয়ায় বিজেপি ট্যুইটে বারবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছে ও এই পরিস্থিতির জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করেছে।

    আরও পড়ুন: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    অন্যদিকে গতকাল, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ওই অঞ্চলে যেতে চাইলে তাঁকেও আটকে দেয় পুলিশ। আটক করে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় লালবাজারে। সুকান্ত মজুমদারের গ্রেফতারির প্রতিবাদে, কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় জেলায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী-নেতারা। এমনকি শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে, বিধানসভা থেকে মিছিল করে রাজভবনে যান বিজেপির বিধায়করা। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গিয়েছে এমনটা অভিযোগ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজ্যপালের কাছে চিঠি পাঠান শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও তিনি এই ঘটনার পর থেকেই একবালপুর-মোমিনপুরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন নিয়ে দাবি করেছিলেন। আর তারই মধ্যে এক আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হল কলকাতা হাইকোর্টে।  

     

  • Anubarata Mandal: অনুব্রত কন্যা সুকন্যার কোম্পানিকে নোটিস! সংস্থার যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখবে সিবিআই

    Anubarata Mandal: অনুব্রত কন্যা সুকন্যার কোম্পানিকে নোটিস! সংস্থার যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখবে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো কাটতে না কাটতেই গরু পাচার মামলায় (Cow Smuggling Case) তদন্তে আরও গতি আনল সিবিআই (CBI)। আয়-ব্যয়ের হিসেব চেয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা নোটিস পাঠাল ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) মেয়ে সুকন্যার নামে থাকা সংস্থাকে। সূত্রের খবর, ANM অ্যাগ্রোকেম ফুড প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সংস্থার উপর নজর রয়েছে সিবিআইয়ের। তাই ওই সংস্থার আধিকারিকদের যাবতীয় নথি সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে জমা দিতে বলা হয়েছে। আসলে ওই কোম্পানির ডিরেক্টর অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডল এবং বিদ্যুৎবরণ গায়েন। গরুপাচার মামলায় দু’জনেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার র‌্যাডারে রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: আরও বিপাকে অনুব্রত! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই, কী রায় দেবে আদালত?

    গরু পাচার মামলায় আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। আপাতত তিনি জেলে। তবে গোয়েন্দাদের ধারণা, এই বৃহত্তর দুর্নীতির সঙ্গে শুধু অনুব্রত নন, তাঁর ঘনিষ্ঠরা ওতপ্রতোভাবে জড়িয়ে। গরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলের বেনামি অর্থ বিভিন্ন সংস্থায় খাটানো হয়েছে বলে ধারণা সিবিআইয়ের। সেই কারণেই ANM অ্যাগ্রোকেম ফুড প্রাইভেট লিমিটেডের আধিকারিকদের ১৬০ ধারায় নোটিস দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। মূলত সাক্ষী হিসেবে তাঁদের তলব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    উল্লেখ্য, এই সংস্থার নামে অতীতে একাধিক সম্পত্তি কেনা হয়েছে। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, মূলত ভয় দেখিয়ে, চাপ দিয়ে বাজার মূল্যের থেকে অনেক কম দামে সম্পত্তি কেনা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, সম্পত্তি কেনার জন্য এই বিপুল পরিমাণ অর্থের সোর্স জানতে চায় সিবিআই। এই সংস্থার দু’জন ডিরেক্টর। একজন অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। অন্যজন বিদ্যুৎবরণ। যিনি তৃণমূল নেতার খুবই ঘনিষ্ঠ বলে এলাকায় পরিচিত। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, নথি হাতে পাওয়ার পর সুকন্যা ও বিদ্যুৎবরণকে আলাদা আলাদা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন সিবিআই অফিসাররা। উল্লেখ্য, এর আগেও সুকন্যাকে জেরা করতে সিবিআইয়ের দল হাজির হয়েছিল বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে। নানা বাহানায় সুকন্যা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাই এখন দেখার, নোটিস পাওয়ার পর তিনি কী করেন?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share