Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Swarup Biswas: ৭১ ঘণ্টার তল্লাশি শেষে শনিবার স্বরূপের বাড়ি ছাড়লেন আয়কর আধিকারিকরা

    Swarup Biswas: ৭১ ঘণ্টার তল্লাশি শেষে শনিবার স্বরূপের বাড়ি ছাড়লেন আয়কর আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাইয়ের (Swarup Biswas) বাড়িতে টানা প্রায় ৭১ ঘণ্টা ধরে চলে আয়কর দফতরের তল্লাশি অভিযান। শনিবার ভোররাতে স্বরূপ বিশ্বাসের বাড়ি ছাড়েন আয়কর আধিকারিকরা। এত দীর্ঘক্ষণের আয়কর হানা দেখে কারও কারও মনে পড়ে যাচ্ছে অজয় দেবগণ অভিনীত ‘রেড’ সিনেমার কথাও। প্রসঙ্গত, বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই এবং কলকাতা পুরসভার ৮১ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাসের স্বামী ছাড়াও অন্য পরিচিতি রয়েছে স্বরূপ বিশ্বাসের (Swarup Biswas)। তিনি তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক এবং ফেডারেশন অফ সিনে টেকনিশিয়ান্স অ্যান্ড ওয়াকার্স অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সভাপতি পদেও ছিলেন।

    বুধবার সাত সকালেই স্বরূপের বাড়িতে ঢোকেন আয়কর আধিকারিকরা

    গত বুধবার ঠিক সকাল ৭টায় স্বরূপের নিউ আলিপুরের সাহাপুর কলোনির ফ্ল্যাটে ঢোকেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। তার পর থেকে টানা চলতে থাকে তল্লাশি। শুক্রবার সন্ধ্যাতেই তল্লাশির সময় পেরিয়ে যায় ৬০ ঘণ্টা। অবশেষে শনিবার ভোর পৌনে ৫টা নাগাদ আয়কর দফতরের টিম স্বরূপের (Swarup Biswas) ফ্ল্যাট ছাড়ে। সূত্রের খবর, টানা ৭১ ঘণ্টার তল্লাশিতে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন আয়কর দফতরের অফিসাররা বাজেয়াপ্ত করেছেন বলে খবর মিলেছে। একইসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্যও তাঁরা জানতে পেরেছেন।

    আরও ২ সংস্থার অফিসে তল্লাশি

    জানা গিয়েছে, স্বরূপ বিশ্বাসের (Swarup Biswas) ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছেন আয়কর দফতরের কর্তারা। সূত্রের খবর, আয় বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই টানা এই তল্লাশি চালানো হয়। এর পাশাপাশি তল্লাশি চালানো হয়, ইডেন রিয়েল এস্টেট এবং মাল্টিকন রিয়েল এস্টেট নামের দুই সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিকের বাড়িতেও। প্রসঙ্গত, গত বছরেই বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণের বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় সিবিআই। অনেকের মতে, জীবনকৃষ্ণের রেকর্ডও ভেঙে দিলেন স্বরূপ বিশ্বাস।

    আরও পড়ুন: বিজেডির সঙ্গে জোট নয়, লোকসভা নির্বাচনে ওড়িশায় একাই লড়বে বিজেপি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dev: দেবের সামনেই ভোটের প্রচারে তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল গোন্ডগোল

    Dev: দেবের সামনেই ভোটের প্রচারে তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল গোন্ডগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের ভোটের প্রচারে ব্যাপক গোলমাল লক্ষ্য করা গেল। তৃণমূল প্রার্থী দীপক অধিকারীর (Dev) প্রচারকে ঘিরে কেশপুরে তুমুল গোন্ডগোল বাধল। দেবের সমানেই একপক্ষ অপর পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি-মারামারি করতে দেখা গেল। পরিস্থিতি সামাল দিতে নেতাদের নামতে হল ময়দানে। প্রার্থীর সঙ্গে গাড়িতে কে থাকবেন এই নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত। এদিকে গতকাল উত্তরবঙ্গে বিজেপি কর্মীদের পার্টি অফিসে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের আক্রমণ ও হামলার ঘটনায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদে ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল। 

    কীভাবে বাধল ঝামেলা (Dev)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল শুক্রবার লোকসভার ভোটের প্রচারে অংশ গ্রহণ করেছিলেন দেব (Dev)। তাঁর প্রচার হুড খোলা গাড়িতে করে চলছিল। কেশপুর কলেজ ময়দানে শুরু হয় এবং শোভাযাত্রা শেষ হয় কেশপুর বাসস্ট্যান্ডে। কিন্তু আচমকা গাড়িতে ওঠা নিয়ে তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে গোলামাল বাধে। কে তাঁর গাড়িতে থাকবে এই দুই পক্ষের তৃণমূলর দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক মারামারি পর্যন্ত হয়। মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে।

    আরও পড়ুনঃ গোঘাটে গৃহসম্পর্ক অভিযানে বেরিয়ে আক্রান্ত বিজেপি, লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর

    দেবের বক্তব্য

    দেব যখন ভোটের প্রচার শুরু করেন সেই সময় দেখলেন, সামনেই দলের সমর্থকেরা একে অপরের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। এরপর গাড়িতে কে থাকবেন সেই নিয়ে ঠেলতে ঠেলতে একে অপরের সঙ্গে মারামারি শুরু করে দেন। কিন্তু কেউ কাউর কথা শোনেননি। দেখতে দেখতে পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে। দেব (Dev) বলেন, “আমার আগের প্রচারেরে সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। গাড়িতে সকলেই থাকতে চান। অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে আমার ব্যাপার টা একটু আলাদা। এ বলছে আমি থাকব ও বলছে আমি থাকব। তবে এমনটা না ঘটলেই ভালো হতো।”   

    পাশপাশি অপর দিকে দেবের বিরুদ্ধে বিজেপির পক্ষ থেকে প্রার্থী হয়েছেন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এদিক এই লোকসভা কেন্দ্রে এই দুই হেভিওয়েট তারকা প্রার্থীর প্রচারে জমে উঠেছে লোকসভার প্রচার। উভয় পক্ষ ভোটারদের মন জয় করতে প্রচার কাজে রাস্তায় নেমে পড়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: মহুয়া মৈত্রর কলকাতার আবাসনে সিবিআই হানা, সংসদ প্রশ্নকাণ্ডে চলছে তল্লাশি

    Mahua Moitra: মহুয়া মৈত্রর কলকাতার আবাসনে সিবিআই হানা, সংসদ প্রশ্নকাণ্ডে চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে লোকপাল। ওই মামলাতেই তৃণমূল প্রার্থীর আলিপুরের বাসস্থানে তল্লাশি চলছে শনিবার। সিবিআইয়ের (CBI Raid) একটি দল শনিবার সকালে আলিপুরে ‘রত্নাবলী’ নামে একটি আবাসনে যায়। জানা যাচ্ছে, সেখানে ন’তলার একটি ফ্ল্যাটে থাকেন মহুয়ার বাবা দীপেন্দ্রলাল মৈত্র। সেখানেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের একটি দল গিয়েছে।

    কেন তল্লাশি

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ কাণ্ডে লোকপালের নির্দেশে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই বিষয়কে সামনে রেখেই মহুয়া মৈত্রর বাবা দীপেন্দ্রলাল মিত্রের আলিপুরে ফ্ল্যাটে এলেন সিবিআই আধিকারিকেরা। মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এমনিতেই প্রাথমিক তদন্তের কাজ শুরু করে দিয়েছিল সিবিআই (CBI Raid)৷ সূত্রের খবর, লিখিত নির্দেশে সিবিআইকে ছ’মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছে লোকপাল৷ পাশাপাশি, তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত লোকপালের কাছে রিপোর্ট জমা দিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ 

    সংসদে টাকা নিয়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে গত ১৯ মার্চ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল লোকপাল। বরখাস্ত হওয়া তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে ‘গুরুতর’ বলে বর্ণনা করা হয় লোকপালের নির্দেশিকায়। মহুয়া প্রথম থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন। মহুয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ওই অভিযোগ তোলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। তিনি দাবি করেন, দুবাইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে টাকা নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া। পরিকল্পনামাফিক সংসদে ‘নিশানা’ করেন শিল্পপতি গৌতম আদানিকে। অভিযোগ, সবটাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অস্বস্তিতে ফেলার জন্য।

    আরও পড়ুন: ‘ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ভারত’! সুরবদল মলদ্বীপের, ঋণ মকুবের আর্জি প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: রাজ্যে ৪ জেলায় নতুন জেলাশাসক আনল কমিশন, কারা পেলেন দায়িত্ব?

    Election Commission: রাজ্যে ৪ জেলায় নতুন জেলাশাসক আনল কমিশন, কারা পেলেন দায়িত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছে গত শনিবারই। তারপর থেকেই কার্যকর হয়ে গিয়েছে আদর্শ আচরণবিধি (Election Commission)। এরফলে সরকারি অফিসার, আমলা, পুলিশ বদলির নির্দেশের বিশেষ ক্ষমতা এখন সরকারের বদলে নির্বাচন কমিশনের হাতে। বৃহস্পতিবারই রাজ্যের চার জেলাশাসককে দায়িত্ব থেকে সরানোর নির্দেশ দেয় কমিশন। এবার বাংলার ওই চার জেলার নতুন জেলাশাসকদের নামও ঘোষণা করে দিল কমিশন। কমিশনের তরফে পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামের নতুন জেলাশাসকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    নতুন চার জেলা শাসক

    পূর্ব মেদিনীপুরে নতুন জেলাশাসক (Election Commission) হিসেবে ২০১০ সালের ব্যাচের আইএএস জয়শী দাসগুপ্তর নামে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। বীরভূমের জেলাশাসক পদে কমিশন এনেছে শশাঙ্ক শেঠিকে। জানা গিয়েছে,  ইনিও ২০১০ সালের ব্যাচের আইএএস। পূর্ব বর্ধমানের নতুন জেলাশাসক করা হচ্ছে ২০১১ সালের ব্যাচের রাধিকা আইয়ারকে। এর পাশাপাশি ঝাড়গ্রামের নতুন জেলাশাসক করা হয়েছে ২০০৭ সালের ব্যাচে মৌমিতা গোদারা বসুকে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ, শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে তাঁদের নতুন দায়িত্বে কাজে যোগ দিতে হবে।

    অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে চেয়ে সক্রিয় কমিশন

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার একসঙ্গে এই রাজ্যের ৪ জেলাশাসককে বদলি করে কমিশন (Election Commission)। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক ছিলেন তনভির আফজল। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক ছিলেন সুনীল আগরওয়াল। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক ছিলেন বিধান রায় এবং বীরভূমের জেলাশাসক ছিলেন পূর্ণেন্দুকুমার মাজি। শুক্রবার, নতুন ৪ জনকে নিযুক্ত করল কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য কমিশন যে সদা সক্রিয় থাকবে সেই বার্তা ভোটঘোষণার দিনই অর্থাৎ গত ১৬ মার্চ দিয়ে রেখেছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। সেদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ‘৪ এম’-এর কথা বলেন। অর্থ (Money), পেশিশক্তি (Muscle), ভুল তথ্য (Misformation) এবং আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন (MCC Violation)। এই ‘৪ এম’-কে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্রিয় কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: “ধরা পড়েছে মাফলার, এবার যাবে হাওয়াই চটি”, বলাগড়ের সভায় স্পষ্ট ইঙ্গিত শুভেন্দুর

    Hooghly: “ধরা পড়েছে মাফলার, এবার যাবে হাওয়াই চটি”, বলাগড়ের সভায় স্পষ্ট ইঙ্গিত শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ হুগলির (Hooghly) বলাগড়ে বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের প্রচারের জন্য বিজয় সংকল্প সভা হয়। এই সভায় যোগদান করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “ধরা পড়েছে মাফলার, এবার যাবে হাওয়াই চটি।” কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতার হওয়ার কথা বলে মমতাকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি এবং ভবিষ্যতে কী হতে চলেছে, তাঁর স্পষ্ট ইঙ্গিত দেন।

    সভা থেকে কী বললেন (Hooghly)?

    বলাগড়ে (Hooghly) বিজেপির সভা থেকে শুভেন্দু তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “সবেমাত্র ভোর হয়েছে। অনেকে জেলে রয়েছেন। সন্ধ্যা এখনও বাকি। এসএসসি মামলায় গ্রেফতার অয়ন শীলের কাছ থেকে যে সব তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তা ডাউনলোড করা হয়েছে। পুর নিয়োগ, ফায়ার ব্রিগেড সার্ভিস, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে কীভাবে দুর্নীতি করা হয়েছে, তার তথ্য উদ্ধার হয়েছে। আমরা সারা দেশে ৫৪৩ সিটে লড়াই করছি। তৃণমূল লড়াই করছে বাংলায় ৪২, অসমে ১, মেঘালয়ে ১ এবং উত্তরপ্রদেশে ১ টি আসনে। সরকার গঠনে লাগবে ২৭২। ফলে তৃণমূলকে ভোট দেওয়া মানে ভোট নষ্ট করা, এটা আপনারা জেনে রাখুন। তোলামূল আগে জাতীয় দল ছিল। কিন্তু ত্রিপুরা-নাগাল্যান্ডে হারের পর আঞ্চলিক দলে পরিণত হয়েছে। বাংলার মেয়েকে প্রধানমন্ত্রী চাই, এই কথা প্রথমে বললেও এখন আর বলে না। গরুর গাড়িতে হেডলাইট এবং স্যান্ডো গেঞ্জিতে যেদিন বুক পকেট লাগবে, সেই দিন পিসি প্রধানমন্ত্রী হবেন।”

    আর কী বললেন?

    হুগলির (Hooghly) সভা থেকে মমতাকে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, “যতই করো কান্নাকাটি, ধরা পড়েছে মাফলার, এবার যাবে হাওয়াই চটি। হাওয়াই চটির অবস্থা কী হতে পারে সকলেই দেখতে পারবেন।” আবার সিপিএমকে আক্রমণ করে তিনি আরও বলেন, “এদের কোথাও অস্তিত্ব নেই। কেবলমাত্র ভোট কাটার জন্য দাঁড়িয়েছে। তৃণমূলকে সুবিধা দিতে সিপিএম কাজ করছে। ২০২১ সালের লোকসভা নির্বাচনে বলাগড়, তেলেনিপাড়া, চন্দননগর, আদি সপ্তগ্রামে আমাদের ভোট কেটে তৃণমূলকে জয়ী করে সুযোগ করে দিয়েছে। চোর ভাইপোর সঙ্গে মীনাক্ষী-শতরূপের জ্যাঠামশাই সীতারাম ইয়েচুরি পাটনা, দিল্লি, বেঙ্গালুরুতে কাটলেট খেয়েছেন। তাঁরা ইটিং মিটিং সেটিং করেন মাত্র। সিপিএমকে ভোট দিয়ে ভোট নষ্ট করবেন না। দেশটা যাতে ইউক্রেন না হয়, তাই শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী দরকার। তাই মোদি সরকার আরও একবার দরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “চার্জশিটে কেন বাদ শেখ শাহজাহানের নাম?”, সিআইডিকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: “চার্জশিটে কেন বাদ শেখ শাহজাহানের নাম?”, সিআইডিকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতে (Calcutta High Court) ফের ভর্ৎসিত পুলিশ। তিন বিজেপি কর্মী খুনের মামলায় পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের তোপের মুখে পড়লেন এই মামলার তদন্তকারী আধিকারিক।

    শাহজাহানের নাম বাদ কেন? (Calcutta High Court)

    বিচারপতির প্রশ্ন, “চার্জশিটে কেন বাদ শেখ শাহজাহানের নাম?” ১ এপ্রিলের মধ্যে এ বিষয়ে জবাব তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের প্রশ্ন, “মামলায় মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান, সাক্ষীরা তাঁর নামই জানিয়েছেন। তাও কেন চার্জশিট থেকে তাঁর নাম বাদ দিল পুলিশ?” সাক্ষীরা বিশ্বাসযোগ্য না হওয়ায় তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। এর পরেই বিস্ময় প্রকাশ করে বিচারপতি বলেন, “আপনিই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন যে, সাক্ষী বিশ্বাসযোগ্য নয়!”

    সন্দেশখালিতে বিজেপির মহিলা প্রতিনিধি দল

    এদিকে, শুক্রবার (Calcutta High Court) ফের সন্দেশখালিতে গেল বিজেপির মহিলা মোর্চার প্রতিনিধি দল। এদিন তাঁরা গিয়েছেন জেলিয়াখালিতে। কথা বলেন স্থানীয়দের সঙ্গেও। আদালতের অনুমতি নিয়ে সন্দেশখালিতে গিয়েছেন প্রাক্তন আইপিএস বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষও। ২০১৯ সালে সন্দেশখালিতে খুন হন বিজেপির তিন কর্মী প্রদীপ মণ্ডল, দেবদাস মণ্ডল ও সুকান্ত মণ্ডল। ওই ঘটনায় শেখ শাহজাহান ও তার দলবলের বিরুদ্ধে দু’টি এফআইআর দায়ের হয়। হাইকোর্টের নির্দেশেই সেই মামলার তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। শুরু হয় তদন্ত।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে জামিন সংক্রান্ত মামলায় নোটিশ রাজ্যের মুখ্যসচিবকে

    সাক্ষীদের গোপন জবানবন্দি নেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। যদিও মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দেওয়ার পর দেখা যায়, সেখানে প্রধান অভিযুক্ত ও সাক্ষীদের বয়ানে সবার ওপরে থাকা শেখ শাহজাহানের নাম বাদ গিয়েছে। এরপরেই সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্য অনেক দিন সময় নিয়েছে। আর সময় দেওয়া যায় না। প্রত্যক্ষদর্শী শাহজাহানের নাম নিয়েছে। তার পরেও নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তাঁর।”

    এদিন রাজ্যের তরফে এক আইনজীবী বলেন, “চার্জশিট জমা পড়েছে। তবে চার্জ ফ্রেম হয়নি এখনও। কেস ডায়েরি হাজির করতে রাজ্যকে আরও কয়েকদিন সময় দেওয়া হোক।” এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১ এপ্রিল (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে জামিন সংক্রান্ত মামলায় নোটিশ রাজ্যের মুখ্যসচিবকে

    Recruitment Scam: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে জামিন সংক্রান্ত মামলায় নোটিশ রাজ্যের মুখ্যসচিবকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে (Recruitment Scam) জামিন সংক্রান্ত মামলায় নোটিশ রাজ্যের মুখ্যসচিবকে। ধৃত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন কবে, তা জানতে চেয়েই দেওয়া হয়েছে নোটিশ। ৩ এপ্রিলের মধ্যেই জবাব তলব করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি।

    কী বললেন বিচারপতি? (Recruitment Scam) 

    বিচারপতি বলেন, “উচ্চ পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে সেটা আইনের ও জনগণের বিশ্বাসের ওপর ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলে।” আর্থিক দুর্নীতির গুরুত্ব কেবলমাত্র শাস্তির মেয়াদ থেকে বোঝা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর পর্যবেক্ষণ, “মানুষের আস্থা ও সমাজের ওপর প্রশাসনিক ব্যবস্থার একটা সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে।” তিনি বলেন, “সৎ (Recruitment Scam) সরকারি আধিকারিকদের তদন্তের নামে হয়রানি করা থেকে রক্ষা করার জন্যই অনুমতি গ্রহণের এই নিয়ম বা আইন রয়েছে। কিন্তু যেখানে আদালতের নির্দেশে বা নজরদারিতে তদন্ত হচ্ছে, সেখানে সেই তদন্ত হয়রানির জন্য করা হচ্ছে প্রাথমিকভাবে তা বলা যাবে না। অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি। এতে দেরি হওয়াটা দুঃখের বিষয়।”

    সিবিআইয়ের যুক্তি

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল বেশ কয়েকজন সরকারি আধিকারিককে। এঁদের মধ্যে অনেকেই জামিন পেয়েছেন। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর গ্রেফতার করা হয়েছিল কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্যদের। আদালতে সিবিআইয়ের যুক্তি ছিল, সরকারি আধিকারিকদের ক্ষেত্রে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে গেলে রাজ্যের অনুমতির প্রয়োজন হয়। সেটা যেহেতু পাওয়া সম্ভব হয়নি, তাই এগোচ্ছে না তদন্ত।

    আরও পড়ুুন: থিম্পুতে মোদি, ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    গোয়েন্দা সংস্থার আইনজীবীর বক্তব্য শুনে বিচারপতি বাগচি বলেন, “আদালতের নজরদারিতে যখন তদন্ত চলছিল, তখন এত অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল না। এতদিনে তদন্ত শেষ হয়ে যাওয়ার কথা।” আদালতের বক্তব্য, আসামিকে গ্রেফতার করে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দিষ্ট দিন আছে। ট্রায়াল চলাকালীন আসামিকে জেলে থাকতে হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। পার্থ চট্টোপাধ্যায় মন্ত্রী ছিলেন। তিনি খুনের আসামি নন যে, তাঁকে হেফাজতে রেখে পুরো তদন্ত শেষ করতে হবে। বিচারপতি বাগচির পর্যবেক্ষণ, “তদন্তকারী সংস্থা এক (Recruitment Scam) বছরেরও বেশি সময় পেয়েছে। যদিও তদন্তে গতি আনতে ব্যর্থ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Garden Reach: প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জমি হাতিয়ে নেয় গার্ডেনরিচকাণ্ডের অভিযুক্ত প্রোমোটার!

    Garden Reach: প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জমি হাতিয়ে নেয় গার্ডেনরিচকাণ্ডের অভিযুক্ত প্রোমোটার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গার্ডেনরিচকাণ্ডে (Garden Reach) মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১১। বৃহস্পতিবারই গভীর রাতে তল্লাশি চালিয়ে আরও এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। প্রসঙ্গত, গার্ডেনরিচের বহুতল ভেঙে পড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে এলাকার প্রোমোটার মহম্মদ ওয়াসিম এবং জমির এক মালিক মহম্মদ সরফরাজকে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তারা জানিয়েছে, প্রোমোটার ওয়াসিম ওরফে ‘ওয়াসি’ ভয় দেখিয়ে জমির মালিকের কাছ থেকে জমি হাতিয়ে বেআইনি নির্মাণ শুরু করে। প্রসঙ্গত জমির উপরে বেআইনি বহুতল নির্মাণের (Garden Reach) কথা ইতিমধ্যে স্বীকারও করেছে ওয়াসিম। চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, জমির মালিকদের প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দিয়েছিল প্রোমোটার ওয়াসিম।

    প্রাণে মারার হুমকি 

    জানা গিয়েছে, জমির এক মালিক সরফরাজ প্রথমে ওয়াসিমকে জমি দিতে অস্বীকার করে। তখন নথিপত্র ছাড়াই ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তাকে দেয় প্রোমোটার। সে রাজি হয়ে যায়। কিন্তু ততক্ষণে বেঁকে বসে জমির অপর এক মালিক। ঘটনাক্রমে সে সরফরাজের ভাই। এরপরই জমি না পেলে দুই ভাইকেই প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ওয়াসিম। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জোর করে জমি (Garden Reach) হাতানোর কথা বলা হলেও কোনও রকমের অভিযোগ থানায় হয়নি। এর ফলে প্রোমোটার ওয়াসিমের মতো সমান অপরাধী হিসেবে দেখা হচ্ছে জমির মালিককেও। আপাতত নিখোঁজ রয়েছে সরফরাজের অন্য এক ভাই। জানা গিয়েছে, তাকেও জেরা করা হবে এবং প্রমাণ মিললে তার বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    নিম্নমানের সামগ্রী

    আরও অভিযোগ এসেছে, জলাশয়ের উপর যে বহুতল নির্মাণ করা হয়েছে সেখানে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী (Garden Reach) ব্যবহার করা হয়েছে। গৃহনির্মাণের সামগ্রী অত্যন্ত কম টাকায় প্রোমোটার ওয়াসিমকে বিক্রি করে এক সরবরাহকারী। এর পাশাপাশি প্রতি বস্তা সিমেন্টের দাম নেওয়া হয়েছে ২০০ টাকা। মনে করা হচ্ছে সে কারণেই শক্তপোক্ত হয়নি কংক্রিটের ঢালাই। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফরেন্সিকের পদার্থবিদ্যার বিশেষজ্ঞরা সেই ধারণাতেই সিলমোহর দিয়েছেন যে অত্যন্ত নিম্নমানের মশলা ব্যবহার করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাতে উদ্ধার মৃতদেহ

    বৃহস্পতিবার রাত ২টো ৫০ মিনিট নাগাদ আবদুল রউফ নিজামি ওরফে শেরু নামের একজনের দেহ উদ্ধার করা হয়। জানা গিয়েছে, বছর ৪৫-এর শেরু ধ্বংসস্তূপের (Garden Reach) নিচে চাপা পড়ে যান। পরবর্তীকালে তিনি মোবাইলে ফোনও ধরেন। শেরু বলেন, ”আমি বেঁচে আছি।” এর পরেই নাকি তাঁর ফোন বন্ধ হয়ে যায়। এরপরেই পরিবারের সদস্যরা বুঝে যান শেরু আর বেঁচে নেই। শেরুর দাদা সফি আখতার সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, সোমবার পর্যন্ত ভাবা হয়েছিল ভাইকে খুঁজে পাওয়া যাবে। বেঁচে ফিরবে সে। কিন্তু সেই আশা আর নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • ED Raid: কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী চন্দ্রনাথের বোলপুরের বাড়িতে ইডি হানা, বাড়ি ঘিরে রেখেছে বাহিনী

    ED Raid: কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী চন্দ্রনাথের বোলপুরের বাড়িতে ইডি হানা, বাড়ি ঘিরে রেখেছে বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকালে বোলপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতে ইডির হানা (ED Raid)। সাত সকালেই ইডির তিনটি গাড়ি ঢোকে মন্ত্রীর নিচুপট্টির বাড়িতে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী চন্দ্রনাথের বাড়ি ঘিরে রয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই হানা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিভিন্ন মহল থেকে বিভিন্ন মত উঠে আসছে। তবে এটা নিশ্চিত যে নিয়োগ দুর্নীতি বা গরু পাচারের তদন্তেই এই ইডি হানা। প্রসঙ্গত, অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হিসাবেই জেলার রাজনীতিতে পরিচিত চন্দ্রনাথ সিনহা। অনুব্রত মণ্ডলের পাড়াতেই তাঁর বাড়ি।

    আরও পড়ুুন: তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    অনুব্রত ঘনিষ্ঠ চন্দ্রনাথ 

    চন্দ্রনাথ সিনহা রাজ্যের ক্ষুদ্র এবং কুটির শিল্প মন্ত্রী রয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসেই দেখা গিয়েছিল, বোলপুরে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ির ঠিক পাশের তৃণমূলের কার্যালয়ে হানা দেয় ইডি (ED Raid)। একইসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল যে কালীপুজো করতেন, সেই প্রতিমার বিপুল গয়নার উৎস জানতে স্থানীয় ব্যাঙ্কেও যায় ইডির দল। এবার রাজ্যের মন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছল ইডির দল। যদিও স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে নিজের বাড়িতে নেই চন্দ্রনাথ। তিনি রয়েছেন তাঁর গ্রামের বাড়ি মুরারইতে। বোলপুরের বাড়িতে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী এবং দুই ছেলে।

    একাধিক জায়গায় ইডি হানা 

    উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে শুধু বোলপুর নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় অভিযানে নেমেছে ইডি। একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছেন ইডি (ED Raid) আধিকারিকেরা। জানা গিয়েছে, চেতলা, লেকটাউন-সহ মোট তিন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চলছে। সূত্রের খবর, চেতলায় পিয়ারীমোহন রায় রোডের বিশ্বরূপ বসু নামের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে এদিন হানা দেয় ইডি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি পরিবহণ সংক্রান্ত ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

    আরও পড়ুুন: “বাংলায়ও আমরা এই দৃশ্য দেখতে পারি”, কাকে খোঁচা দিলেন সুকান্ত?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Electoral Bonds: নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ‘ডিয়ার লটারি’ থেকে ৫৪২ কোটি টাকা পেয়েছে তৃণমূল!

    Electoral Bonds: নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ‘ডিয়ার লটারি’ থেকে ৫৪২ কোটি টাকা পেয়েছে তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী বন্ডের (Electoral Bonds) মাধ্যমে একটি সংস্থার থেকে সবচেয়ে বেশি চাঁদা পেয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জানা যাচ্ছে, কোয়েম্বাটোরের ‘ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিস প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের এই সংস্থা ঘাসফুল শিবিরকে দিয়েছে ৫৪২ কোটি টাকা চাঁদা। এর পাশাপাশি ওই সংস্থা তামিলনাড়ুর শাসকদল ডিএমকে শিবিরকে দিয়েছে ৫০৩ কোটি টাকা চাঁদা। দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ সালের ১২ এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত এই চাঁদা দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত ‘ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিস প্রাইভেট লিমিটেড’- এই সংস্থার মালিক স্যান্টিয়াগো মার্টিন। তিনি দেশের লটারি ব্যবসার ‘মুকুটহীন সম্রাট’ নামেও পরিচিত। পশ্চিমবঙ্গ সমেত বেশ কয়েকটি রাজ্যে লটারির ব্যবসায় যুক্ত রয়েছেন তিনি। ‘ডিয়ার লটারি’র মালিক হলেন এই মার্টিন।

    লটারি কিং-এর ৪০ শতাংশ দান পেয়েছে তৃণমূল

    হিসাব বলছে, নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে মোট যা চাঁদা দিয়েছেন লটারি কিং মার্টিন, তার ৪০ শতাংশই পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, ৩০৩টি সাংসদ নিয়ে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনী বন্ডে (Electoral Bonds) প্রথম স্থানে রয়েছে। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মাত্র ২২ আসন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সারাদেশে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। স্টেট ব্যাঙ্কের প্রকাশিত তথ্য বলছে, ডিয়ার লটারির মালিকের কাছ থেকে সব থেকে কম চাঁদা পেয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। তারা পেয়েছে ১০০ কোটি।

    আর কার কাছে চাঁদা পেয়েছে তৃণমূল

    স্টেট ব্যাঙ্কের প্রকাশিত তথ্য বলছে, মার্টিনের সংস্থার পরেই তৃণমূলকে সবথেকে বেশি চাঁদা দিয়েছে হলদিয়া এনার্জি-নামের সংস্থা। এই সংস্থা তৃণমূলকে ২৮১ কোটি টাকা চাঁদা দিয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্ক থেকে যে তথ্য মিলেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, বেদান্ত গ্রুপ নামের একটি সংস্থার কাছ থেকেও তৃণমূল অনুদান (Electoral Bonds) পেয়েছে। এর পাশাপাশি বায়োকন গ্রুপের প্রধান কিরণ মজুমদার শ’-এর থেকেও অনুদান পেয়েছে ঘাসফুল শিবির। এছাড়া তৃণমূলকে অনুদান দিয়েছে ন্যাটকো ফার্মা, রুংটা প্রাইভেট লিমিটেডের মতো সংস্থাগুলিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share