Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Cattle Smuggling Case: গরুপাচার মামলায় কেষ্টর বিরুদ্ধে সাক্ষী দেবেন শতাব্দী?

    Cattle Smuggling Case: গরুপাচার মামলায় কেষ্টর বিরুদ্ধে সাক্ষী দেবেন শতাব্দী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়ার জন্যে চার্জশিটে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের (Satabdi Roy as Witness) নাম উল্লেখ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। গত শুক্রবারই অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে আসানসোল আদালতে ৩৫ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছে  সিবিআই৷ জানা গিয়েছে, সাক্ষী হিসেবে ওই চার্জশিটে মোট ৯৫ জন সাক্ষীর নাম উল্লেখ রয়েছে। তার মধ্যে ৪৬ নম্বরে নাম রয়েছে তারকা সাংসদের। চার্জশিট জমা করার একেবারে শেষ মুহূর্তে অর্থাৎ ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁর বক্তব্য নথিভূক্ত করা হয়। ১৬০ নং ধারায় শতাব্দীকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। ১৬১ নং ধারায় তৃণমূল সাংসদের বয়ান রেকর্ড করা হয়। তার পরই চার্জশিটে সাক্ষী হিসাবে শতাব্দীর নাম রেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি সাংসদ। 

    প্রসঙ্গত, বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়ের সঙ্গে বীরভূম তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের সম্পর্কের তিক্ততা কারও অজানা নয়। যদিও, অনুব্রত মণ্ডলকে গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) সিবিআই গ্রেফতার করার পর, অনুব্রত মণ্ডলের সমর্থনে কথা বলেছিলেন শতাব্দী ৷ শতাব্দী রায় ছাড়াও চার্জশিটে মলয় পিঠের নামও উল্লেখ করেছেন সিবিআই গোয়েন্দারা ৷ এছাড়া ব্যাংক ম্যানেজার ও ব্যাংক কর্মীদের নামও সাক্ষী তালিকায় রয়েছে ৷

    আরও পড়ুন: মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার, নিয়ে আসা হল লালবাজার  

    এবার প্রশ্ন উঠছে, যে শতাব্দী অনুব্রত গ্রেফতার হওয়ার পর, তাঁর হয়ে সওয়াল করেছিলেন, সেই শতাব্দীই নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষী দেবেন? এই বিষয়ে অনুব্রতর আইনজীবীরা বলছেন, “চার্জশিটে যে কাউকেই সাক্ষী করতে পারে তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু বিচারকের সামনে ওই সাক্ষী কী বলছেন, সেটাই বড় কথা।” শতাব্দী এজলাসে দাঁড়িয়ে কী বলেন, এবার সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। 

    গরুপাচার মামলার তদন্তে নেমে বহু টাকা লেনদেনের তথ্য হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা। চার্জশিটে ১৮ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ফিক্সড ডিপোজিট অনুব্রতের পরিবারের বলে দাবি করেছেন সিবিআই গোয়েন্দারা। ব্যাংকে লেনদেন সংক্রান্ত তথ্যে সিজার লিস্টে যে সকল ব্যাংক ম্যানেজার ও কর্মী সই করেছিলেন, তাঁদের নাম সাক্ষী হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mominpur-Ekbalpur Clash: উত্তপ্ত মোমিনপুর! বাইক ভাঙচুর, দোকানে আগুন, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ বিজেপির

    Mominpur-Ekbalpur Clash: উত্তপ্ত মোমিনপুর! বাইক ভাঙচুর, দোকানে আগুন, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীপুজোর দিন দক্ষিণ কলকাতার মোমিনপুরের (Mominpur Violence) কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুরেরও অভিযোগ ওঠে। এরপরই ভাঙচুর চালানো হয় ইকবালপুর থানা এলাকায়। রাতে এই নিয়ে ট্যুইট করে প্রতিবাদ জানান একাধিক বিজেপি নেতারা (BJP Leaders)। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh), তরুণজ্যোতি তিওয়ারিরা ধিক্কার জানিয়েছেন। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সোমবার খিদিরপুর এলাকায় যাবে বিজেপির প্রতিনিধি দল। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও চিঠি লিখেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যত শীঘ্র সম্ভব কলকাতার মোমিনপুর, ইকবালপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: মোমিনপুরের ঘটনায় শাহকে চিঠি শুভেন্দুর! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি বিরোধী নেতার

    লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন রাত থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। একটি বিশেষ ধর্মের পতাকা লাগানো হয় ওই এলাকার কয়েকটি বাড়িতে। কিন্তু ওই বাড়ির আবাসিকরা সেই পতাকা খুলে দেন। তাঁদের কথায়, ওই পতাকা তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করছে। । কিন্তু এর জেরে শুরু হয় হিংসা। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় মোমিনপুরের ইকবালপুর থানা এলাকায়। এরপর রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী একের পর এক মোটরবাইক এবং দোকান ও রাস্তার পাশে থাকা গুমটিতে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। এ নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসায়। ইতিমধ্যেই তা ভাইরাল। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। 

    ট্যুইটবার্তায় সুকান্ত মজুমদার জানান, ‘মোমিনপুর-খিদিরপুরের পরিস্থিতি জানতে পেরে খুবই চিন্তিত। সেখানকার পরিবারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আমি আবেদন জানাচ্ছি। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার কখন পদক্ষেপ করবেন এই নিয়ে?’এই ঘটনায় দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানান তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • TET Scam: মানিকের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে ‘আরকে’, ‘ডিডি’,  রহস্যের আড়ালে কারা?

    TET Scam: মানিকের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে ‘আরকে’, ‘ডিডি’,  রহস্যের আড়ালে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেট কেলেঙ্কারিতে (TET Scam) ধৃত মানিক ভট্টাচার্যের ফোনে রহস্যজনক দুই নাম। দুটি নামই সংক্ষেপে। একটি আরকে (RK), অন্যটি ডিডি (DD)। এই দুই রহস্যজনক ব্যক্তির সঙ্গে একাধিকবার চ্যাট হয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। প্রশ্ন হল, কে এই আরকে? ডিডি-ই বা কে?

    টেট কেলেঙ্কারিতে (TET Scam) গ্রেফতার হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্য। অভিযোগ, টেটে সাদা খাতা জমা দেওয়া সত্ত্বেও চাকরি দেওয়া হয়েছে অযোগ্যদের। নিয়ম মেনে প্রকাশ করা হয়নি মেধাতালিকাও। টেটের প্রশ্নপত্রে ভুল থাকা সত্ত্বেও সকলের নম্বর বাড়ানো হয়নি। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছে মানিককে। স্বজনপোষণের অভিযোগও উঠেছে মানিকের বিরুদ্ধে।

    টেট কেলেঙ্কারিতে (TET Scam) মানিককে গ্রেফতার করার পর তাঁর মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই মোবাইল ঘাঁটতেই বেরিয়ে এসেছে রহস্যজনক দুই নাম। আরকে এবং ডিডি। এই দুজনের সঙ্গেই চ্যাট করেছেন মানিক। একটি চ্যাটে এও বলা হয়েছে, ফাইনাল লিস্ট তৈরি করে ডিডিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তা ইডি দেখেও নিয়েছে। এখানেই ঘনিয়েছে রহস্য। তদন্তকারীদের প্রশ্ন, এই যে আরকে কিংবা ডিডি নতুবা ইডি এঁরা কে? এঁরা কি পার্টির কেউ নাকি শিক্ষা দফতরের কর্তা? যদি দলের কেউ হন, তাহলে তিনি কে? শিক্ষা দফতরের হলেও, প্রশ্ন এঁরা কে?

    আরও পড়ুন : মঙ্গলবার ভোর রাতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য! টেট দুর্নীতির তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ ইডির

    মানিক যে টাকা নিয়েছিলেন, সে অভিযোগ সংক্রান্ত মেসেজ আগেই পেয়েছে ইডি। চার্জশিটে তারা উল্লেখ করেছিল, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মোবাইল ঘেঁটে একটি মেসেজ পেয়েছে তারা। ওই মেসেজে পার্থকে কেউ বলছেন, মানিক ইজ টেকিং মানি, যা তা ভাবে। অন্য একটি মেসেজে লেখা হয়েছিল, আবারও টাকা নিয়ে করবে, আবার কেস হবে, আবার পার্টি খাস্তা হবে। প্লিজ, এটা দেখুন, লাভ। সেই মেসেজ মানিককেই ফরওয়ার্ড করেছিলেন পার্থ। যদিও মানিকের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেননি পার্থ। অথচ ওই সময় পার্থ ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আর মানিক ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান। কোনও এক ব্যক্তির সতর্কতা সত্ত্বেও পার্থ কেন মানিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি, সে প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Ekbalpur_Mominpur: মহিলাদের হাত ধরে টানার অভিযোগ! যন্ত্রণার কথা তুলে ধরলেন মোমিনপুরের বাসিন্দারা

    Ekbalpur_Mominpur: মহিলাদের হাত ধরে টানার অভিযোগ! যন্ত্রণার কথা তুলে ধরলেন মোমিনপুরের বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  থমথমে একবালপুর-মোমিনপুর অঞ্চল (Mominpore)। আতঙ্কে নিজেদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে চলে গিয়েছেন বহু মানুষ। এলাকায় মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী। জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। এরই মধ্যে নিজেদের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরলেন ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা। ভয়ে এখনও কথা জড়িয়ে যাচ্ছে তাঁদের। কেউ বা লন্ডভন্ড দোকানে বসে যেটুকু রক্ষা পেয়েছে তা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। কেউ ভাবছেন ভাঙা বাইক, পানের দোকানটা কীভাবে মেরামত করবেন। আতঙ্কে বাড়ির এক কোণে পরিবারের সঙ্গে আশ্রয় নিয়েছেন মহিলারা। বাড়িতে ঢুকে ঢুকে মহিলাদের হাত ধরে টানার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, জানলা দিয়ে ঘরের মধ্যে বোমা ছোড়া হয়েছে, পুড়ে গিয়েছে সমস্ত জিনিস। দমকল থেকে পুলিশ কেউ ঘটনাস্থলে আসেনি। ঘটনার ৪ ঘণ্টা পরে ইকবালপুর থানার পুলিশ ঘটলাস্থলে পৌঁছায় বলে জানিয়েছেন আক্রান্তেরা।

    উল্লেখ্য, শনিবার রাত থেকে দফায় দফায় গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে একবালপুর-মোমিনপুর অঞ্চল। ময়ূরভঞ্জ রোডে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের জেরে বোতল ছোড়াছুড়ি-ইটবৃষ্টি হয়। অভিযোগ করা হয় বোমাবাজিরও। শনিবার রাতের পর, রবিবার সন্ধ্যায় আবার উত্তেজনা ছড়ায় ওই এলাকায়। এরপরই, একবালপুর থানা ঘেরাও করে উত্তেজিত জনতা। পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। ঘটনায় কলকাতা পুলিশের দুই ডিসি-সহ ৫ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় দু’পক্ষের ৩৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী (Police Force)। নামানো হয়েছে র‍্যাফ  (RAF)।

    আরও পড়ুন: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    সেই ঘটনার পর একবালপুর থানা এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি লোকের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা। সোমবার থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত এলাকায় জারি থাকবে ১৪৪ ধারা। কেউ এলাকার শান্তি ভঙ্গ করলে তাকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। সোমবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukant Majumder) ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হলে পুলিশ তাঁকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় তাঁকে লালবাজার থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মোমিনপুরকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা দাবি করেছেন সুকান্ত। তাঁর কথায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে খুব একটা দূরে নয় এই অঞ্চল। এখানেই মানুষের নিরাপত্তা নেই। জনজীবন ব্যাহত। স্তব্ধ দৈনন্দিন জীবনযাত্রা। তাহলে রাজ্যের অন্যত্র কী পরিস্থিতি?

  • Sukanta Majumdar: মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার, নিয়ে আসা হল লালবাজার

    Sukanta Majumdar: মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার, নিয়ে আসা হল লালবাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুর যাওয়ার পথে গ্রেফতার করা হল বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (BJP WB President Sukanta Majumdar) নিউটাউন থেকে মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গার্ড দিয়ে পথ আটকানো হয় সাংসদের। কেন এভাবে আটক করা হল তা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন সুকান্ত। এরপরই সুকান্ত মজুমদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিজেপি রাজ্য সভাপতির গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে চিংড়িঘাটা থেকে লালবাজার, বিক্ষোভে সামিল বিজেপি কর্মীরা। 

    লক্ষ্মীপুজোর দিন দক্ষিণ কলকাতার মোমিনপুরের (Mominpur Violence) কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুরেরও অভিযোগ ওঠে। এরপরই ভাঙচুর চালানো হয় ইকবালপুর থানা এলাকায়। রাতে এই নিয়ে ট্যুইট করে প্রতিবাদ জানান একাধিক বিজেপি নেতারা (BJP Leaders)।

    সোমবার সকালে মোমিনপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। কিন্তু তাঁকে যেতে বাধা দেয় পুলিশ। সুকান্ত প্রশ্ন তোলেন মোমিনপুরে ১৪৪ ধারা নেই। তাও বাধা কেন? কিন্তু পুলিশ কোনও কথাই না শুনে তাঁকে গ্রেফতার করে প্রিজন ভ্যানে তোলে। সুকান্ত জানিয়েছেন, বিষয়টি আদালতে তুলবেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: মোমিনপুরের ঘটনায় শাহকে চিঠি শুভেন্দুর! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি বিরোধী নেতার

    এদিন সকাল এগারোটা নাগাদ নিউটাউনের ফ্ল্যাট থেকে মোমিনপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয় সাংসদ। চিংড়িঘাটায় পৌঁছতেই সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি আটক করে কলকাতা পুলিশ। শুরু হয়ে যায় যানজট। যানজটের সমস্যা মেটাতে পুলিশ অন্যান্য গাড়ি ছাড়লেও সুকান্তর গাড়ি রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। ২০-২৫ মিনিট পরে গাড়ি থেকে  নেমে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁকে পুলিশ জানায়, মোমিনপুরে যেতে পারবেন না তিনি। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় তিনি গেলে অশান্তি আরও বাড়বে। কোন ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে সাংসদকে, পুলিশের তরফ থেকে তার কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি। গ্রেফতার করে তাঁকে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মুহূর্তে সেখানে ভিড় করছেন বিজেপি কর্মীরা। 

    লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন রাত থেকেই অশান্তির সূত্রপাত। একটি বিশেষ ধর্মের পতাকা লাগানো হয় ওই এলাকার কয়েকটি বাড়িতে। কিন্তু ওই বাড়ির আবাসিকরা সেই পতাকা খুলে দেন। তাঁদের কথায়, ওই পতাকা তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করছে। কিন্তু এর জেরে শুরু হয় হিংসা। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় মোমিনপুরের ইকবালপুর থানা এলাকায়। এরপর রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী একের পর এক মোটরবাইক এবং দোকান ও রাস্তার পাশে থাকা গুমটিতে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। এ নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। ইতিমধ্যেই তা ভাইরাল। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আজ এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলতে সেই অঞ্চলে যাচ্ছিলেন সুকান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Saigal Hossain: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    Saigal Hossain: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা চার ঘণ্টা জেরার পর গরুপাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেন (Saigal Hossain)। এদিন সায়গলকে জেরা করতে আসানসোলের বিশেষ আদালতে যায় ইডি আধিকারিকদের এক দল। জেরা শেষে সংশোধনাগারেই তাঁকে গ্রেফতার করার সিদ্ধান্ত নেয় ইডি। জানা গিয়েছে, আজই সায়গলকে আদালতে পেশ করতে পারে ইডি। উল্লেখ্য আজই সিবিআই গরুপাচার মামলায় চার্জশিট পেশ করেছে। এবার সায়গলের গ্রেফতারে জোড়া চাপে কেষ্ট মণ্ডল (Anubrata Mondal)। 

    শুক্রবার গরুপাচার মামলায় সায়গল হোসেনকে (Saigal Hossain) জেরা করতে ইডির ছয়জনের দল আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে যায়। সকাল ১০ টা ১৫ নাগাদ তাঁরা সংশোধনাগারে পৌঁছন তাঁরা। ল্যাপটপ, ভিডিও ক্যামেরা-সহ তিনজন ভিতরে ঢোকেন। যেভাবে আদালতের কাছে অনুমতি নেওয়া হয়েছে ঠিক সেভাবেই ইডি আধিকারিকরা আসেন। ৩৫ টি প্রশ্নমালা সাজানো হয়েছিল সায়গলের জন্য। টানা চার ঘণ্টা চলে জেরা। তারপর সায়গলকে হেফাজতে নেন ইডি আধিকারিকরা। 

    আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলায় কেষ্টর বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার চার্জশিট পেশ সিবিআই-এর

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সায়গল হোসেনের (Saigal Hossain) বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। মাত্র কয়েক হাজার টাকা বেতন পান রাজ্য পুলিশের কন্সটেবল সায়গল। এই আয়ে তিনি কী করে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করলেন তা সায়গলের কাছে জানতে চান গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, গোয়েন্দাদের প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যাচ্ছিলেন সায়গল। বেশ কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। এছাড়াও গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, সায়গলের নামে ও বেনামে আরও সম্পত্তি উদ্ধার বাকি রয়েছে। এছাড়া গরুপাচারের টাকা কার কার কাছে পৌঁছত তাও সায়গলের থেকে জানতে চান তাঁরা। কিন্তু সঠিক উত্তর না পাওয়াতেই গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত। 

    গ্রেফতার হওয়ার ৫৭ দিন পর আজ অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। চার্জশিটে অনুব্রতকেই গরুপাচার (Cattle Smuggling) দুর্নীতির মূল কাণ্ডারি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তে বীরভূমে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের নথি, জমি ও চালকলের কাগজপত্র খতিয়ে দেখে সেগুলি অনুব্রত মণ্ডলের সম্পত্তি বলে জানতে পেরেছে সিবিআই। জানা গিয়েছে দেহরক্ষী সায়গলের (Saigal Hossain) মাধ্যমেই চলত গরুপাচারের কোটি কোটি টাকা লেনদেন। দুর্নীতি দমন আইনে পেশ করা এই চার্জশিটে অনুব্রতর ৫৩টি সম্পত্তির দলিল, ১৮ কোটির ফিক্সড ডিপোজিট-সহ একাধিক তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এদিন আদালতে অনুব্রতকে জেল হেফাজতে রেখেই বিচার প্রক্রিয়া চালানোর আবেদন জানিয়েছে সিবিআই। তাঁদের কথায়, অনুব্রত মণ্ডল প্রভাবশালী, ফলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া তদন্তের জন্য সমস্যার হতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: বাংলার দ্বিতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    Lok Sabha Elections 2024: বাংলার দ্বিতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার দ্বিতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। রবিবার রাতে দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতর থেকেই ঘোষণা করা হয় এ রাজ্যের ১৯টি লোকসভা কেন্দ্রের (Lok Sabha Elections 2024) প্রার্থীদের নাম। এখনও বাকি রয়ে গেল চারটি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা।

    প্রার্থিতালিকায় হেভিওয়েট

    এদিনের তালিকায় নাম রয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের সদ্য প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া তাপস রায়কেও প্রার্থী করা হয়েছে। তৃণমূল ছেড়ে ভায়া বিজেপি হয়ে ঘাসফুল শিবির ছেড়ে পদ্ম শিবিরে ফিরেছেন অর্জুন সিংহ। এই প্রার্থিতালিকায় নাম রয়েছে তাঁরও। এ রাজ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা ৪২। তার মধ্যে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল ২০জন প্রার্থীর নাম। পরে প্রত্যাহার করা হয় একজন প্রার্থীর নাম। তাই বিজেপিকে ঘোষণা করতে হত ২৩ জন প্রার্থীর নাম। পদ্ম শিবিরের তরফে রবি-রাতে যে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে নাম রয়েছে ১৯ জনের (Lok Sabha Elections 2024)। যার অর্থ, বাংলার জন্য আরও একটি তালিকা প্রকাশ করতে হবে বিজেপিকে।

    প্রার্থিতালিকা থেকে জানা গিয়েছে, কলকাতা উত্তর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন তাপস রায়। ব্যারাকপুরে যথারীতি অর্জুনকে। অভিজিৎ প্রার্থী হচ্ছে তমলুক কেন্দ্র থেকে। মেদিনীপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হচ্ছে অগ্নিমিত্রা পালকে। বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন দিলীপ ঘোষ। সন্দেশখালিকাণ্ডে প্রথম এফআইআর দায়ের করেছিলেন জনৈক রেখা পাত্র। বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে পদ্ম প্রার্থী তিনিই। সন্দেশখালি এলাকাটি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে।

    প্রার্থিতালিকা 

    একনজরে বিজেপির প্রার্থিতালিকা –

    উত্তর কলকাতা – তাপস রায়

    দক্ষিণ কলকাতা – দেবশ্রী চৌধুরী

    দমদম – শীলভদ্র দত্ত

    ব্যারাকপুর – অর্জুন সিংহ

    বর্ধমান দুর্গাপুর – দিলীপ ঘোষ

    বর্ধমান পূর্ব – অসীম সরকার

    মেদিনীপুর – অগ্নিমিত্রা পাল

    শ্রীরামপুর – কবীর শঙ্কর বোস

    আরামবাগ – অরূপকান্তি দিগার

    তমলুক – অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    বসিরহাট – রেখা পাত্র

    বারাসত – স্বপন মজুমদার

    কৃষ্ণনগর – অমৃতা রায়

    রায়গঞ্জ – কার্তিক পাল

    জলপাইগুড়ি – জয়ন্ত রায়

    দার্জিলিং – রাজু বিস্ত

    জঙ্গিপুর – ধনঞ্জয় ঘোষ

    উলুবেড়িয়া – উদয় অরুণ পাল চৌধুরী

    মথুরাপুর – অশোক পুরকায়েত

    ডায়মন্ড হারবার, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম ও আসানসোলের প্রার্থীর নাম এখনও ঘোষণা করা হয়নি বিজেপির তরফে (Lok Sabha Elections 2024)।

    আরও পড়ুুন: “জন্মনিয়ন্ত্রণও করতে হবে”, মিয়াদের গুচ্ছ শর্ত অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: সেলিম লড়বেন মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে, তৃতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ  বামেদের

    Lok Sabha Election 2024: সেলিম লড়বেন মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে, তৃতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বামেদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) আরেক দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল সিপিএম। মুর্শিদাবাদ থেকে লড়বেন দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। উল্লেখ্য প্রথম দফায় ১৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিলে বামেরা। এরপর শুধুমাত্র আলিপুরদুয়ার কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। আর ঠিক তারপর আজ শনিবার আরও চারটি আসনে লোকসভা প্রার্থী ঘোষণা করে বামেরা। আজ এই নাম ঘোষণা করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। অবশ্য আগে থেকেই সেলিমের প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। আজ সিলমোহর পড়ল। মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের সংখ্যালঘু ভোটই যে সিপিএমের পাখির চোখ, সেলিমের নাম ঘোষণাই তার প্রমাণ বলে অভিমত রাজনৈতিক মহলের।

    কোন কোন আসেন প্রার্থীরা (Lok Sabha Election 2024)?

    আজ শনিবার বাম ফ্রন্টের বৈঠকের শেষে চেয়ারম্যান বিমান বসু লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) চারটি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। এই প্রার্থীদের মধ্যে হলেন— মুর্শিদবাদ কেন্দ্র থেকে রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, রাণাঘাট কেন্দ্রের প্রার্থী হলেন প্রাক্তন সাংসদ অলকেশ দাস, বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে সুকৃতি ঘোষাল এবং বোলপুর কেন্দ্রের প্রার্থী হলেন প্রাক্তন বিধায়িকা শ্যামলী প্রধান। এখনও পর্যন্ত মোট এই রাজ্যে ২১টি আসনের নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামেরা। এই দফায় শুধু সিপিএম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে এখনে অন্য শরীক দলের কোনও প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়নি।

    জোটে ভবিষ্যৎ?

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনে আইএসএফ, কংগ্রেস এবং বামেরা সংযুক্ত মোর্চার নামে নির্বাচনে জোট করে লড়াই করেছিল। ফল স্বরূপ ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকা বামেরা একটিও আসন পায়নি। পাল্টা কংগ্রেসের ঝুলিতেও দাঁড়িয়েছিল শূন্য। শুধু আইএসএফ একটি বিধানসভায় জয়ী হয়েছিল। এইবারেও লোকসভায় বাম এবং কংগ্রেসের মধ্যে সামঝোতা করেই প্রার্থী ঘোষণা হচ্ছে। বিমানবাবু জানিয়েছেন, অনেক আলোচনা করে তালিকা ঘোষণা করতে হচ্ছে। তবে এই রাজ্যে বিজেপির বিরোধিতা করতে গিয়ে ‘ইন্ডি’ জোটের বৈঠকে মমতা-অভিষেক এবং সীতারাম ইয়েচুরিকে এক মঞ্চে দেখা গিয়েছিল। ফলে রাজ্যের দুর্নীতি নিয়ে নির্বাচনে কতটা সরব হবেন বামেরা তা নিয়ে বিজেপি সন্দেহ প্রকাশ করেছে। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, তৃণমূল-সিপিএম-কংগ্রেসের মধ্যে অলিখিত জোট হয়েছে। গতকাল বলাগড়ের সভায় শুভেন্দু,অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন, “সিপিএম, তৃণমূলকে সুবিধা করে দিতে ভোট (Lok Sabha Election 2024) কাটার জন্য প্রার্থী দিচ্ছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ‘গনি খান চৌধুরী ঈশ্বর নন’, তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল

    Malda: ‘গনি খান চৌধুরী ঈশ্বর নন’, তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শাহনাওয়াজ আলি রাইহান এবার গনি খান চৌধুরি সম্পর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন। তিনি বলেন, “গনি খান ঈশ্বর নন, মনে আছেন ঠিক আছে, তাঁকে দেবত্বের আসনে না বসালে অপমান হবে এমন কোনও ব্যাপার নেই।” মালদা দক্ষিণ কেন্দ্রে কংগ্রেস নেতা গনি খানের নামে আগের বারের তৃণমূল প্রার্থী মৌসন নুর জয়ী হয়েছিলেন। এই বিদায়ী সাংসদের পরিবারের নেতার নামে এই মন্তব্য, তৃণমূলের অন্দরে ফাটল নয় তো? রাজনৈতিক মহলে এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে। যদিও মৌসুম নুর এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেননি। গনি খান আবগে ধাক্কা দিলেন না তো তৃণমূল প্রার্থী?

    ঠিক কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী (Malda)?

    মালদা (Malda) দক্ষিণ লোকসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শাহনাওয়াজ আলি রাইহান বলেন, “আমার কাছে গনি খান চৌধুরী ঈশ্বর নন। মালদায় আসলেই মাথা ঠেকাতে হবে। তিনি আমার মনে রয়েছেন। কিন্তু তাঁকে দেবত্ব বানিয়ে কেন তুমি মাজারে গেলে না, অপমান করলে, এই রকম যুক্তি মানি না।”

    তৃণমূলে কী ফাটল?

    বিগত নির্বাচনগুলিতে কংগ্রেস নেতা গনি খানের মৃত্যুর পর তাঁর নামেই পরিবারের সদস্যরা নির্বাচনে লড়াই করেছেন। গতবারের বিদায়ী লোকসভার (Malda) প্রার্থী ছিলেন এই পরিবারের সদস্যা মৌসম নূর বেনজির। যদিও তিনি মূলত কংগ্রেসের নেত্রী হলেও পরে দল বদল করে তৃণমূলে যোগদান করে নির্বাচনে লড়াই করে ছিলেন। এই বারে তাঁকে দলের তরফ থেকে টিকিট না দেওয়ায় এখনও নির্বাচনী প্রচারে দেখা মেলেনি। যদিও শারীরিক অসুস্থতার কথা বললেও দলের বিরুদ্ধে যে অভিমান করেছেন সে কথা রাজনীতির অনেক বিশ্লেষক মনে করেছেন। কিন্তু এই আবহে তৃণমূল প্রার্থীর মুখে গনি খান সম্পর্কে মন্তব্যে দলের অন্দরের ফাটল আরও চওড়া হল না তো? প্রশ্ন এখানেই।

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    মালদা (Malda) দক্ষিণ লোকসভার কংগ্রেস প্রার্থী ঈশা খান চৌধুরী বলেছেন, “তৃণমূল প্রার্থী মালদা সম্বন্ধে বেশি কিছু জানেন না। গনি খান একজন মানুষ। ভগবান নয়। কিন্তু সবাই ওঁকে শ্রদ্ধা করেন, ভালবাসেন। উনি মালদা জেলার জন্য অনেক কিছু করেছেন। চাকরি দিয়েছেন।”

    বিজেপির বক্তব্য

    জেলার বিজেপির নেতারা বলেছেন, “গনি খান মালদার (Malda) জন্য অনেক কাজ করেছেন। আমরা বিজেপি কর্মীরাও একই কথা বলব। তবে তাঁর উত্তরসুরীরা কোনও কাজ করেননি। রূপকার গনি খানকে মিথ করেছে কংগ্রেস। কাজের কাজ কিছু করেনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Sarathi Deb: প্রয়াত টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পার্থসারথী দেব

    Partha Sarathi Deb: প্রয়াত টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পার্থসারথী দেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে হার মানলেন টলিউড অভিনেতা পার্থসারথি দেব (Partha Sarathi Deb)। শুক্রবার রাতে প্রয়াত হন তিনি। ৪০ দিন ধরে ভেন্টিলেশনে ছিলেন অভিনেতা। বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তাঁর মৃত্যুতে টলিউডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। একের পর এক দাপুটে অভিনয় দিয়ে তিনি  বারবার দর্শকের মন কেড়েছেন।

    অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই

    শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন অভিনেতা (Veteran Bengali Actor)। সিওপিডির সমস্যা ছিল তাঁর। এমআর বাঙুর হাসপাতালে ইন্ডাস্ট্রির তাঁর এক অনুজ সহকর্মী ভর্তি করিয়েছিলেন। তারপর কখনও আইসিইউ, কখনও ভেন্টিলেশন, কখনওবা সিসিইউ। বিভিন্ন জায়গায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে তাঁকে। তবে সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে শেষ পর্যন্ত। ‘পশ্চিমবঙ্গ মোশন পিকচার্স আর্টিস্ট ফোরাম’-এর সহ-সভাপতি ছিলেন পার্থসারথি। ঘনিষ্ঠমহলে পরিচিত ছিলেন ‘পার্থদা’ (Partha Sarathi Deb) হিসাবেই। ফোরামের তরফে রাতে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে অভিনেতার মৃত্যুসংবাদ জানানো রয়েছে। তাতে ফোরামের সাধারণ সম্পাদক তথা অভিনেতা শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়ের স্বাক্ষর রয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে লেখা হয়েছে, ‘‘আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, প্রখ্যাত অভিনেতা এবং আমাদের ফোরামের অন্যতম সহ-সভাপতি পার্থসারথি দেব ২২ মার্চ রাত ১১টা ৫০ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর অকালপ্রয়াণে ফোরাম গভীর শোক জ্ঞাপন করছে।’’

    আরও পড়ুন: ‘ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ভারত’! সুরবদল মলদ্বীপের, ঋণ মকুবের আর্জি প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর

    পার্থসারথী দেবের কাজ

    ‘কাকাবাবু হেরে গেলেন’, ‘লাঠি’, ‘প্রেম আমার’-সহ একাধিক জনপ্রিয় বাংলা ছবিতে অভিনয় করেছেন পার্থসারথি (Partha Sarathi Deb)। ছোট পর্দার জন্য ‘সত্যজিতের গপ্পো’ সিরিজেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। গত বছর ‘বগলা মামা যুগ যুগ জিও’ এবং ‘রক্তবীজ’ ছবিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। টেলিভিশন থেকে চলচ্চিত্র জগৎ, বাঙালির ড্রয়িংরুমে তিনি ছিলেন সকলের প্রিয়। তাঁর বাচনভঙ্গি, অভিনয় ক্ষমতা মানুষকে মুগ্ধ করেছে বারবার। পার্থসারথী দেব একের পর এক সিরিয়ালে সকলের মন জয় করেছেন। তাঁর জনপ্রিয় বেশকিছু ধারাবাহিকে আজও মানুষের মনে গভীরভাবে রয়ে গিয়েছে। কমেডি-ড্রামা ‘চুনি পান্না’, ‘জয়ী’তে তাঁর অভিনয় আজও মানুষের মুখে মুখে ঘোরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share