Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র জন্য বাড়ি থেকে আসছে খাবার, পরীক্ষা করতে হচ্ছে বাড়ির লোককেই!

    Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয়র জন্য বাড়ি থেকে আসছে খাবার, পরীক্ষা করতে হচ্ছে বাড়ির লোককেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ইডি হেফাজত শুরু হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Ration Scam)। বাড়ি থেকে খাবার আসছে মন্ত্রীর জন্য। তিনি সুগারের রোগী। তাই এই ব্যবস্থা। তবে মন্ত্রীর জন্য বাড়ি থেকে আনা খাবার পরীক্ষা করানো হচ্ছে জ্যোতিপ্রিয়রই বাড়ির লোককে দিয়ে। তার পরেই তা খেতে দেওয়া হচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতাকে।

    ইডি হেফাজতে মন্ত্রী

    আর পাঁচজন ইডি হেফাজতে থাকা ব্যক্তির মতো জ্যোতিপ্রিয়কেও খাবার দেওয়ার কথা ছিল ইডিরই। তবে তৃণমূলের এই নেতা আদালতে জানিয়েছিলেন তিনি সুগারের রোগী। নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া করেন। এর পরেই জ্যোতিপ্রিয়কে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। বিচারকের এজলাসেই অসুস্থ হয়ে পড়েন জ্যোতিপ্রিয়। পরে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। জ্যোতিপ্রিয় অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁর পরিবার বাড়ি থেকে খাবার পাঠানোর আবেদন জানায়। অসুস্থ জ্যোতিপ্রিয়র ক্ষেত্রে (Ration Scam) সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত।

    খাবার পরীক্ষা মেয়েকে দিয়েও!

    বিচারক জানিয়ে দেন, ইডি হেফাজতে থাকার সময় বাড়ির খাবার খেতে পারবেন জ্যোতিপ্রিয়। আদালতের সেই নির্দেশ মেনেই জ্যোতিপ্রিয়কে দেওয়া হচ্ছে তাঁর বাড়ি থেকে আনা খাবার। তবে সেই খাবার মন্ত্রীর পাতে দেওয়ার আগে খেয়ে দেখতে হচ্ছে তাঁর বাড়ি থেকে যিনি খাবার আনছেন, তাঁকেই। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে মন্ত্রীর জন্য খাবার নিয়ে এসেছিলেন তাঁর মেয়ে প্রিয়দর্শিনী। তাঁকে দিয়েও নাকি পরীক্ষা করানো হয়েছে মন্ত্রীর জন্য আনা খাবার।

    আরও পড়ুুন: হাতে মেরুন ডায়েরি! বালুর বিরুদ্ধে ইডি-র হাতিয়ার বাকিবুর, আপ্ত সহায়কদের বয়ান?

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে সপ্তাহখানেক আগে গ্রেফতার হন জ্যোতিপ্রিয়। তার আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল পেশায় ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে। মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এই বাকিবুরই ইডির জেরার মুখে নাম নেন জ্যোতিপ্রিয়র। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় মন্ত্রিমশাইকে। আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে ইডি হেফাজত দেন। রায় শুনে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ভর্তি করা হয় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সোমবার রাতে সেখান থেকে ছাড়া পান তিনি। তার পরেই শুরু হয় ইডি হেফাজত। মঙ্গলবার একপ্রস্ত জেরা করা হয়েছে জ্যোতিপ্রিয়কে। এদিনই তলব করা হয়েছিল তাঁর দুই আপ্ত সহায়ককে। জিজ্ঞাসাবাদ করা (Ration Scam) হয়েছে তাঁদেরও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Jyotipriya Mallick: হাতে মেরুন ডায়েরি! বালুর বিরুদ্ধে ইডি-র হাতিয়ার বাকিবুর, আপ্ত সহায়কদের বয়ান?

    Jyotipriya Mallick: হাতে মেরুন ডায়েরি! বালুর বিরুদ্ধে ইডি-র হাতিয়ার বাকিবুর, আপ্ত সহায়কদের বয়ান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি মামলায় (Ration Distribution Scam) বর্তমানে এনফোর্সেমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) ওরফে বালু। গত ২ দিন ধরে তাঁকে দফায় দফায় জেরা করেছেন ও করে চলেছেন তদন্তকারীরা। এই কাণ্ডে তল্লাশি অভিযানের সময় মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাসের বাড়ি থেকে একটি মেরুন ডায়েরি উদ্ধার করেছিল ইডি। সেটাই এখন তদন্তকারীদের কাছে তুরুপের তাস হয়ে উঠেছে। কেন?

    ইডির হাতে মেরুন ডায়েরি! কী আছে তাতে?

    ইডি সূত্রে খবর, ওই ডায়েরিতে প্রচুর ‘এন্ট্রি’ রয়েছে। বেশিরভাগই টাকা লেনদেনের। কোন তারিখে, কার থেকে কত টাকা এসেছে, কোথায় সেই টাকা জমা হয়েছে, সেই সব তথ্য দিনক্ষণ ধরে ধরে ডায়েরিতে তুলে রাখা আছে। শুধু তাই নয়। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, একাধিক জায়গায় রয়েছে ‘মন্ত্রীর নাম’-ও (Jyotipriya Mallick)। কোথায়, কখন, কোন জায়গায় মন্ত্রী বাকিবুরের সঙ্গে বৈঠক করে সংস্থা খোলার নির্দেশ দিয়েছিলেন সেই সব তথ্যই ওই মেরুন ডায়েরিতে রয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর। 

    আরও পড়ুন: চালু না হওয়া গোডাউনে চালের বস্তা বোঝাই ট্রাক ঢুকত কার? বালুর জন্মভিটেয় বাকিবুর যোগ

    প্রাক্তন সহায়কদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা বালুকে?

    জানা যাচ্ছে, এই মেরুন ডায়েরিতে লেখা তথ্যকে হাতিয়ার করে বালুকে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করছে ইডি। যদিও, তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এখনও সব অভিযোগই (Ration Distribution Scam) অস্বীকার করছেন মন্ত্রীমশাই। যে কারণে, এবার ওই ডায়েরির মালিক তথা প্রাক্তন আপ্ত সহায়কের মুখোমুখি বসিয়ে জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick) জেরা করার ভাবনাচিন্তা করছেন তদন্তকারীরা। সেই লক্ষ্যেই আজ বৃহস্পতিবার, সিজিওতে ফের তলব করা হয়েছে অভিজিৎ দাসকে। এর আগে, বুধবার মন্ত্রীর অফিসের প্রাক্তন কর্মী অমিত দে-কেও আজ সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তাঁর বয়ানও পৃথকভাবে রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রয়োজনে, তাঁকেও জ্যোতিপ্রিয়র মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: খোদ এসএসকেএমে ভুল চিকিৎসার শিকার মুখ্যমন্ত্রী! সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?

    Mamata Banerjee: খোদ এসএসকেএমে ভুল চিকিৎসার শিকার মুখ্যমন্ত্রী! সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী, যিনি আবার স্বাস্থ্যমন্ত্রীও, সেই তিনি অভিযোগ করছেন, রাজ্যের শীর্ষস্থানীয় সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জানিয়েছেন, তাঁর পায়ে ভুল চিকিৎসা হওয়ার ফলে সেপটিক হয়ে যায়। ভুল চিকিৎসার কথা বললেও মমতা কোনও হাসপাতাল বা চিকিৎসকের নাম উল্লেখ করেননি। তবে এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রীর পায়ের চিকিৎসা এসএসকেএম-এ হয়েছিল। তাই মমতার মন্তব্যের পরই জল্পনা শুরু হয়। রাজ্যবাসীর মতে, এর থেকেই প্রমাণিত, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা, বিশেষ করে সরকারি হাসপাতালের কী হাল। তার ফল, হাতেনাতে পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। খোদ মুখ্যমন্ত্রীরই যদি ভুল চিকিৎসা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    স্পেনের শিল্প সফর সেরে ফিরে আসার পর অসুস্থতার কারণে বেশ কিছুদিন নবান্নে যাননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বাড়ি থেকে সামলাচ্ছিলেন যাবতীয় প্রশাসনিক দায়িত্ব। পুজোর ছুটি কাটিয়ে প্রায় দেড় মাস পর মঙ্গলবার নবান্নে আসেন মমতা। বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফের একবার নিজের অসুস্থতা নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। একই সঙ্গে ভুল চিকিৎসার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শোনা গিয়েছে মমতার গলায়।  মমতা বলেন, ‘অনেকে বলছেন আমি ৫৫ দিন নবান্নে আসিনি। এটা ভুল তথ্য। বাড়ি থেকে পুজো উদ্বোধন করেছি, মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছি। সব কাজ সেরেছি।’মমতা আরও বলেন, ‘১০-১২ দিন আমার চিকিৎসা চলেছে। ভুল চিকিৎসার কারণে আমার পায়ের আঘাতে সেপটিক হয়ে গিয়েছিল। ১০ দিন স্যালাইনের মতো আমার হাতে চ্যানেল করা ছিল, ওষুধ চলেছে। সেই অবস্থায় বিছানা থেকে উঠতে পারিনি।’

    আরও পড়ুুন: রামমূর্তির অধিষ্ঠান হবে সোনার প্রলেপ দেওয়া সিংহাসনে, তৈরি হচ্ছে রাজস্থানে

    উল্লেখ্য, রাজ্যে বিনিয়োগ টানতে যখন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) স্পেন সফরে গিয়েছিলেন, তখনই পায়ে চোট লেগেছিল। এর আগে উত্তরবঙ্গে হেলিকপ্টার বিভ্রাটে পায়ের যেখানে চোট লেগেছিল, সেই জায়গাতেই আবার পা হড়কে গিয়ে চোট লাগে স্পেন সফরে। সেই নিয়েই টানা বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পর কলকাতায় ফিরে সোজা তিনি গিয়েছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালে। রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার এক অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হল এসএসকেএম হাসপাতাল। সেই হাসপাতালে যদি রাজ্যের প্রধানেরই এই অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কী করবেন এই প্রশ্নই ঘুরছে সকলের মনে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: “উর্দির সম্মানরক্ষা করুন”, শুভেন্দুর দাদার মামলায় পুলিশকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Justice Abhijit Ganguly: “উর্দির সম্মানরক্ষা করুন”, শুভেন্দুর দাদার মামলায় পুলিশকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দাসের মতো কাজ করেছে পুলিশ।” বুধবার এমনই পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর দাদা কৃষ্ণেন্দুকে পুলিশ যে নোটিশ পাঠিয়েছিল, তাও খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

    কৃষ্ণেন্দুকে তলব

    মেচেদা-দিঘা বাইপাসে বাতিস্তম্ভের সৌন্দর্যায়ন মিশনে দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় সাক্ষী হিসেবে নোটিশ পাঠানো হয় কৃষ্ণেন্দু অধিকারীকে। তিনি শিশির অধিকারীর বড় ছেলে। রাজনীতি করেন না। করেন ব্যবসা। এই কৃষ্ণেন্দুর পাশাপাশি শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দুর স্ত্রী সুতপাকেও নোটিশ পাঠায় পুলিশ। দিব্যেন্দু তমলুকের সাংসদ। বুধবার মামলাটি ওঠে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। এই মামলার শুনানিতেই পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করা হয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই মামলায় পুলিশ ঠিক কাজ করেনি।

    এসডিপিওর জরিমানা ৫ লক্ষ টাকা

    এগরার এসডিপিওকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানাও করে আদালত। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) মন্তব্য, “উর্দিতে যে অশোকস্তম্ভ রয়েছে, তার সম্মানরক্ষা করেননি এসডিপিও। দাসের মতো কাজ করেছে পুলিশ।” তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মামলায় কৃষ্ণেন্দুকে আর কোনও নোটিশ পাঠাতে পারবে না পুলিশ। তিনি বলেন, “যদি পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করে, তার বিরুদ্ধে আমি পদক্ষেপ করব।”

    বছর কয়েক আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু। তিনি যতদিন ঘাসফুল শিবিরে ছিলেন, ততদিন কোনও অভিযোগ ওঠেনি। ধারাবাহিক অভিযোগ উঠতে শুরু করে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু গোহারান হারান খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার পরেই বাড়তে থাকে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগের মাত্রা। বিজেপির অভিযোগ, এর পরেই অধিকারী পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়।

    আরও পড়ুুন: রামমূর্তির অধিষ্ঠান হবে সোনার প্রলেপ দেওয়া সিংহাসনে, তৈরি হচ্ছে রাজস্থানে

    এমনই একটি মামলা হল, ‘গ্রিন সিটি মিশন’ প্রকল্পে দুর্নীতি। ২০১৭-১৮ সালে গ্রিন সিটি মিশনে মেচেদা-দিঘা বাইপাসে বাতিস্তম্ভের সৌন্দর্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয় কাঁথি পুরসভা। এই মিশনে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। প্রায় তিন কোটি টাকা তছরুপ হয়েছে বলে অভিযোগ। এই মামলায় সাক্ষী হিসেবে তলব করা হয় কৃষ্ণেন্দুকে। ২০১১ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত আয়করের ফাইলও চেয়ে পাঠানো হয় তাঁর কাছে (Justice Abhijit Ganguly)। তলব করা হয় দিব্যেন্দুর স্ত্রীকেও। দুজনকেই ১৬০ এর নোটিশ পাঠান কাঁথি থানার তদন্তকারী আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কথা বলতে চাইলেন কেষ্ট, নিজের জায়গায় বসে রইলেন মণীশ! কী হাল অনুব্রতর? 

    Anubrata Mondal: কথা বলতে চাইলেন কেষ্ট, নিজের জায়গায় বসে রইলেন মণীশ! কী হাল অনুব্রতর? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদা তিনি ছিলেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা। এখন বোলপুরের দেওয়ালে খুঁজে পাওয়া যাবে না তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের নাম। এবারের কালীপুজোও জেলেই কাটাতে হবে তাঁকে (Anubrata Mondal)। ফের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অনুব্রত মণ্ডল, তাঁর কন্যা সুকন্যা মণ্ডল, সায়গল হোসেন-সহ তিহাড়ে থাকা গরু পাচারে-যুক্ত (Cow Smuggling Case) বাকি বন্দিদের। এমনই নির্দেশ দিল্লির রাউজ এভিনিউ কোর্টের। 

    একা হচ্ছেন অনুব্রত?

    এখন তিহাড় জেলে দিন কাটছে কেষ্টর। আগের থেকে বেশ খানিকটা ওজন ঝরেছে বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)। শরীরিক অবস্থা দর্শিয়ে মঙ্গলবার জামিন পেতে চেয়েছিলেন অনুব্রত। কিন্তু হয়নি। মঙ্গলবারও জামিন খারিজ হয়ে যায় তাঁর। এদিন কোর্ট রুমে একসময়ের তাঁর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারির সঙ্গে কথা বলতে চান অনুব্রত। কিন্তু নিজের জায়গা ছেড়ে উঠে এসে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করেন সদ্য জামিনপ্রাপ্ত মণীশ। ২০১৩–১৪ সাল থেকে বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন বোলপুরের বাসিন্দা মণীশ কোঠারি। তারপরই তাঁর সম্পত্তি বৃদ্ধি পায় বলে অভিযোগ। ইডি সূত্রে খবর, গরু পাচারের কালো টাকা সাদা করার পিছনে মণীশের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। কিন্তু এখন সে সব অতীত। অনুব্রতের থেকে দূরত্ব বাড়াতে সচেষ্ট একদা তাঁর ঘনিষ্ঠেরা। তৃণমূলের সাংগঠনিক পরিমণ্ডলে বীরভূম জেলায় অনুব্রত মণ্ডলের ছায়া ক্রমশ মিলিয়ে যাচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনীতির কারবারিরা।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয়-কন্যার সই করা বিজ্ঞপ্তি বদল! দুর্নীতির আঁচ থেকে দূরে থাকতে চাইছে শিক্ষা সংসদ?

    পরবর্তী শুনানি চার সপ্তাহ পরে

    সূত্রের খবর, আজও অনুব্রত (Anubrata Mondal) নিজের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলার সময় বারেবারে পায়ে ব্যথার কথা বলেন। এ দিন,আইনজীবীদের জানান, তাঁর পায়ের হাড় ক্ষয়ে যাচ্ছে। ডান দিকের পায়ে ব্যথা। যার জেরে পা ক্রমশ রোগা হয়ে যাচ্ছে। গত সেপ্টেম্বরেই অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট মনীশ কোঠারি জামিন পেতেই প্রশ্ন উঠছিল, তাহলে কেষ্টও শীঘ্রই জামিন পাবেন? কিন্তু তাঁর জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে সিবিআই। এই প্রসঙ্গে সিবিআই-এর আইনজীবী এস ভি রাজু আদালতে বলেন, ‘অনুব্রত প্রভাবশালী, জেল থেকে বাইরে এলে যা ইচ্ছে তাই করবেন, ক্ষতি হবে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে।’ মামলার পরবর্তী শুনানি চার সপ্তাহ পরে হবে বলে নির্দেশ দেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু এবং বেলা এম ত্রিবেদী।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: ৬ সংস্থার শেয়ারে ৫০ কোটি বিনিয়োগ! বাকিবুরের ছবির পরিচালক খাদ্য দফতরের কর্মীই?

    Ration Scam: ৬ সংস্থার শেয়ারে ৫০ কোটি বিনিয়োগ! বাকিবুরের ছবির পরিচালক খাদ্য দফতরের কর্মীই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন-বণ্টন (Ration Scam) দুর্নীতির টাকা ছবি তৈরির কাজেও বিনিয়োগ করেছিলেন জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমান। বাকিবুর রহমানের তৈরি করা ওই ছবিতে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, নিয়োগ-দুর্নীতিকাণ্ডে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় বর্তমানে জেলে রয়েছেন। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে বাকিবুর রহমান গ্রেফতার (Ration Scam) হওয়ার পর থেকেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসতে শুরু করেছে। সেই তথ্যের সূত্র ধরেই পুজোর পরে গ্রেফতার করা হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। জানা গিয়েছে, বাকিবুর রহমান যে ছবিতে টাকা ঢেলেছিলেন, সেই ছবির গল্প লিখেছিলেন খাদ্য দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, যাঁর নাম পার্থসারথী গায়েন। পরিচালনাও করেছিলেন খাদ্য দফতরের কর্মী সৌরভ মুখোপাধ্যায়। ২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘ম্যানগ্রোভ’ ছবি। টলিউডের অন্যতম অভিনেত্রী দোলন রায়কেও সেখানে দেখা যায় (Ration Scam)। ইডি সূত্রে আরও খবর, ছবির প্রিমিয়ামে হাজির ছিলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

    বাকিবুরের ছবির পরিচালক কী বলছেন?

    এনিয়ে অবশ্য বিন্দুমাত্র ভাবতে নারাজ খাদ্য দফতরের কর্মী সৌরভ মুখোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘‘ছবি তৈরি করা আমার শখ ছিল। খাদ্য দফতরের তৎকালীন অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর পার্থসারথি গায়নের লেখা ‘ম্যানগ্রোভ’ পড়ে আমার খুব ভালো লেগে যায়। তাই এটা নিয়ে আমি আগ্রহী হই। আমার আগের ছবি যিনি প্রযোজনা করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে কথাও বলি। তবে তিনি রাজি হননি। এ বিষয়টি আমি অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর (Ration Scam) পার্থসারথিবাবুকে জানাই। তখন পার্থসারথিবাবু বলেন একজন ছবি প্রযোজনা করতে পারবেন বলেছেন। তাঁর চালকল রয়েছে। পরে জানতে পারি যে তিনি বাকিবুর রহমান।

    বাকিবুরের ১,৬৩২ কাঠা জমির হদিশ মিলেছে রাজ্যের ৯৫টি স্থানে

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বাকিবুরের এখনও পর্যন্ত ছটি কোম্পানির হদিশ মিলেছে। বাকিবুর রহমানের সেইসব সংস্থার উৎস (Ration Scam) এবং বেআইনি কার্যকলাপ নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই ছয়টি সংস্থা করতে বাকিবুর রহমান ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এক সাধারণ ব্যবসায়ীর রকেট গতিতে এই উত্থান নজর এড়ায়নি তাঁর পাড়া প্রতিবেশীদেরও। এখনও পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকা মূল্যের জমির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ১,৬৩২ কাঠা জমির হদিশ মিলেছে। রাজ্যের ৯৫টি জায়গাতেই জমি কেনা হয়েছিল। ইডি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বাকিবুরের বেঙ্গালুরুতে রয়েছে হোটেল এবং ফ্ল্যাট। শুধু তাই নয় দুবাইতেও রয়েছে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “টাটাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে তৃণমূলের ফান্ড থেকে, না হলে আন্দোলন”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “টাটাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে তৃণমূলের ফান্ড থেকে, না হলে আন্দোলন”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “টাটা গোষ্ঠীকে ক্ষতিপূরণ সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় নয়, দিতে হবে তৃণমূলের ফান্ড থেকে।” মঙ্গলবার এমনই দাবি জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “তৃণমূলের পার্টি ফান্ডে নির্বাচনী বন্ডে ৮০০ কোটি টাকা রয়েছে। এর মধ্যে ৩০০ কোটি টাকা দিয়েছে ডিয়ার লটারি। সেই টাকা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিতে হবে। ওরা ডিএ-র মতো উচ্চ আদালতে যাবে। কিন্তু কিছু লাভ হবে না।”

    আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    টাটাকে ক্ষতিপূরণের টাকা তৃণমূলের ফান্ড থেকে দেওয়া না হলে বিধানসভার ভিতরে-বাইরে আন্দোলন হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, “এই আজকে উনি (মুখ্যমন্ত্রী) নবান্ন যাচ্ছেন। পুজোয় মদ বিক্রি করে যে ৬০০ কোটি টাকা পেয়েছেন, তা এভাবেই বেরিয়ে যাবে।” তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকেও নিশানা করেছেন শুভেন্দু। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “তৃণমূল ফাঁকা হয়ে যাবে। ৭০ জন চেয়ারম্যান ও ১৪ জন বিধায়ক সব ডুবে দুর্নীতিতে। বাংলায় বর্তমান সরকারের মন্ত্রী থেকে জনপ্রতিনিধিরা যেভাবে চুরির সঙ্গে যুক্ত, তা ইডি ও সিবিআই প্রকাশ্যে আনছে। শিক্ষা থেকে খাদ্য প্রাক্তন মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতৃত্ব যেভাবে ইডি ও সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হচ্ছেন, তাতে বর্তমান সরকারের সমালোচনা বেড়ে চলেছে। সামনে ২৪ লোকসভা নির্বাচন। তাতে কতটা প্রভাব পড়বে, তা বলবে সময়।”

    রাজ্যকে বাণ লকেটেরও

    সিঙ্গুর ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছেন হুগলির সাংসদ বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, “শিল্প তাড়িয়ে দেওয়ার অভিশাপ পেতে হচ্ছে বাংলার মানুষকে। এই রায়ে প্রায় ১৭০০ কোটি টাকা রাজ্যকে দিতে হবে। এদিকে না হয়েছে শিল্প, না জমি ফেরত পেল কৃষকরা। সরকার এই টাকা কীভাবে দেবে? দিতে হলে তারা জনগণের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দেবে। রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা প্রত্যেকটা দল যেমন সিপিএম নিজের মতো করে রাজনীতি করে গিয়েছে। এরপর তৃণমূল নিজের মতো করে রাজনীতি করছে। কিন্তু আখেরে রাজ্যের কোনও লাভ হয়নি। জমি ফেরত দেওয়ার নামে এরা শিল্পটাকে বন্ধ করেছে (Suvendu Adhikari)।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি’’, সিঙ্গুর ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া দিলীপের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: জ্যোতিপ্রিয়র দফতরে কারা আসতেন, করতেনই বা কী? মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অমিতের কাছে প্রশ্ন ইডির

    Jyotipriya Mallick: জ্যোতিপ্রিয়র দফতরে কারা আসতেন, করতেনই বা কী? মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অমিতের কাছে প্রশ্ন ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির দফতরে ফের এলেন জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) ঘনিষ্ঠ অমিত দে। এই নিয়ে চতুর্থবার। প্রথমে তিনি ছিলেন নিতান্তই এক তৃণমূল কর্মী। ২০১১ সালে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক খাদ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই রকেটের গতিতে উত্থান হতে থাকে অমিতের। মঙ্গলবার সকালে জেরা করা হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পরে ফের তলব করা হয় অমিতকে।

    অমিতের সম্পত্তি

    ২০১১ সালে খাদ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক হন অমিত। ইডির দাবি, নামে-বেনামে তাঁর প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে। রয়েছে রিসর্টও। রেশন দুর্নীতির টাকা ঢুকেছে তাঁর অ্যাকাউন্টেও। ইডির দাবি, অমিত জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক। যদিও অমিতের দাবি, তিনি আদৌ মন্ত্রীর আপ্তসহায়ক নন। তিনি মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ। তাঁর অফিসে কাজ করতেন। ছোট থেকে একই সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) পাড়ায় বড় হয়েছেন। সেই সূত্রেই মন্ত্রীর কোটায় খাদ্য দফতরে চাকরি পেয়েছেন।

    অমিতকে প্রশ্নবাণ ইডির

    জ্যোতিপ্রিয়কে যেদিন গ্রেফতার করা হয়, সেদিন সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে একপ্রস্ত তলব করা হয়েছিল অমিতকে। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান ছাড়া আর কারা আসতেন জ্যোতিপ্রিয়র দফতরে, তাঁরা কে কী করতেন, এসব জানতে চাইবেন ইডির আধিকারিকরা। জ্যোতিপ্রিয়র মুখোমুখি বসিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে তাঁকে। এদিনই তলব করা হয়েছে জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাসকেও। ইডি সূত্রে খবর, এই অভিজিতের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে একটি মেরুন রংয়ের ডায়েরি হাতে পান তদন্তকারীরা। ওই ডায়েরিতে ‘বালু দা’ (জ্যোতিপ্রিয়র ডাক নাম বালু) নামের উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণেই তদন্তকারীদের স্ক্যানারে রয়েছেন অভিজিৎও।

    আরও পড়ুুন: বাকিবুরের আরও ৫৬০ কাঠা জমির হদিশ আমডাঙায়! সবই কি বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র?

    অমিত এবং অভিজিৎকে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হতে পারে বলে ইডি সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, বাকিবুর সহ এতদিন ধরে যাঁদের জেরা করা হয়েছে, তাতে যেসব তথ্য উঠে এসেছে, তার ভিত্তিতেই করা হবে জেরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) দফতরে কী ধরনের কাজ হত, বাকিবুরের সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় কী ধরনের কাজ করতেন, এসবও জিজ্ঞাসা করা হতে পারে অমিতকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি’’, সিঙ্গুর ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি’’, সিঙ্গুর ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি’’, সিঙ্গুর ইস্যুতে ঠিক এই প্রতিক্রিয়াই শোনা গেল বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মুখে। প্রসঙ্গত, গতকালই সিঙ্গুর থেকে টাটাকে উচ্ছেদ করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারকে ১,৩০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আরবিট্রাল ট্রাইব্যুনাল। তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ, ক্ষতিপূরণ হিসেবে টাটাকে এই টাকা দেবে ‘পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগম’। উল্লেখ্য, রাজ্য থেকে ন্যানো বিদায়ের ১৫ বছর পরে সিঙ্গুর মামলায় ধাক্কা খেল মমতা সরকার। ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ, ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুরো ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত টাটা মোটরসকে সুদ দিতে হবে। ৭ বছরে ১১ শতাংশ সুদ ধরলে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক দাঁড়ায় ১,৩০০ কোটি টাকা। শুধু তাই নয়, মামলার খরচ চালানোর জন্য টাটাকে বাড়তি ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে সিঙ্গুরের। গতকাল ট্রাইব্যুনালের এই নির্দেশের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন বিরোধীরা। এ প্রসঙ্গে পূর্বতন সিপিএম সরকার এবং বর্তমানে তৃণমূল সরকারকে একযোগে এদিন নিশানা করেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    সিপিএম-তৃণমূলকে একযোগে নিশানা দিলীপের

    দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মতে, ‘‘এরা (সিপিএম-তৃণমূল) রাজনৈতিক স্বার্থে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে সমাজ বা দেশের কোনও লাভ হয়নি। এত বড় শিল্পপতিকে ওখান থেকে সরানো ঠিক হয়নি। তিন ফসলি জমি দেওয়াটাও ঠিক হয়নি আবার সেই জমিকে বন্ধ করে দিয়ে বেকার করে দেওয়ার কোনও মানে হয় না। সিপিএমও করেছে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে, টিএমসিও করেছে তাই। তার ফল ভুগতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। চাকরিও গেল, ব্যবসা গেল, জমিও গেল। এখন টাকাও যাবে! এর দায়টা কে নেবে? এর জন্য মানুষের কাছে  ক্ষমা চাইতে হবে এদের।’’

    সিঙ্গুর মামলার বর্তমান স্থিতি

    অন্যদিকে, সিঙ্গুর মামলার বর্তমান স্থিতি সম্পর্কে আইনজ্ঞদের বক্তব্য হল যে ট্রাইব্যুনালের এই রায়ের পর উচ্চতর আদালতে আবেদন করার রাস্তা বজায় থাকছে রাজ্যের। তবে আবেদন করতে গেলে রাজ্য সরকারকে মোট ক্ষতিপূরণের ৫০ শতাংশ অর্থ আগে জমা দিতে হবে। আবার তারপরেও ট্রাইব্যুনালের এই নির্দেশ যে উচ্চতর আদালত খারিজ করে দেবে, এমন সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে! কারণ অতীতের রায়গুলিতে এমনটা দেখা যায়নি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: বিরাম নেই হেমন্তেও, পুজোর মরশুমেও কলকাতায় রমরমা ডেঙ্গির

    Dengue: বিরাম নেই হেমন্তেও, পুজোর মরশুমেও কলকাতায় রমরমা ডেঙ্গির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেমন্তেও বিরাম নেই ডেঙ্গির (Dengue)। সকাল-বিকেলে হালকা শীতের আমেজ। দুপুরে সহনশীল তাপমাত্রা। এহেন আবহেও কলকাতায় বাড়বাড়ন্ত ডেঙ্গির। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে খবর, অক্টোবরের প্রথম তিন সপ্তাহের প্রতি সপ্তাহে শহরে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল হাজারের বেশি।

    ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা

    পুরসভা সূত্রে খবর, উত্তরের তুলনায় দক্ষিণ কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ঢের বেশি। পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৯ হাজার। এঁদের ৮০ শতাংশই দক্ষিণের বাসিন্দা। দক্ষিণ কলকাতার ৯ থেকে ১৩ নম্বর বরো এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের হার সব চেয়ে বেশি। দিন দুয়েক আগে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালের এক চিকিৎসকের। এই হাসপাতালটি ৯ নম্বর বরোর অন্তর্গত। এই হাসপাতালের হস্টেলের ২০ জন আবাসিকও ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। পুরসভার চিকিৎসকদের মতে, নভেম্বরের পরে ঠান্ডা আরও পড়লে কমবে ডেঙ্গি আক্রান্তের হার। 

    সরকারি পরিসংখ্যান

    ডেঙ্গি (Dengue) নিয়ন্ত্রণে যে রাশ টানা যায়নি, তার প্রমাণ মিলেছে সরকারি পরিসংখ্যানেই। ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭৬ হাজার ৪৭৫। গত বছর আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজার ২৭১ জন। আর তার আগের বছর ডেঙ্গি হয়েছিল ৮ হাজার ২৬৪ জনের। ২০২০ সালে এই সংখ্যাটা ছিল ৫ হাজার ১৬৬ জন।

    আর চলতি বছর সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গি ধরা পড়েছে ৪৮ হাজার ৩১১ জনের। বেসরকারি হাসপাতাল এবং ল্যাবে ডেঙ্গির জীবাণু মিলেছে ২৮ হাজার ১৬৪ জনের রক্ত পরীক্ষায়। ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা। তাই পুরসভাগুলিকে আরও একবার সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। জমা জলে জন্মায় মশার লার্ভা। তাই কোথাও যেন জল জমে না থাকে, সে ব্যাপারে নির্দেশিকা পাঠানো হচ্ছে পুরসভাগুলিকে।

    আরও পড়ুুন: বাকিবুরের আরও ৫৬০ কাঠা জমির হদিশ আমডাঙায়! সবই কি বেনামে জ্যোতিপ্রিয়র?

    ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃতের সংখ্যাও। এ মাসেই ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে পার্ক সার্কাসের তিলজলার মাস দুয়েকের এক শিশুর। তার ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সিভিয়ার ডেঙ্গির। তার আগে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছিল দমদম পুরসভা এলাকার এক যুবকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share