Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতির তদন্ত করবে সিবিআই, জানালেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Gangopadhyay: মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতির তদন্ত করবে সিবিআই, জানালেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতি মামলার তদন্ত করবে সিবিআই। দু’ মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশও দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। ডিভিশন বেঞ্চের স্থগিতাদেশ কেন মানা হবে না, বৃহস্পতিবার পর্যবেক্ষণে তাও জানিয়েছেন তিনি।

    সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ

    মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতি মামলায় এদিন কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতির নজিরবিহীন মন্তব্য-পাল্টা মন্তব্যের সাক্ষী থেকেছে কলকাতা হাইকোর্ট। ঘটনার সূত্রপাত এদিন সকালে। মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। পরে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে করা সিবিআইয়ের এফআইআরও খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। এই প্রেক্ষিতে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay) বলেন, “মেমোররেন্ডাম আপিল বা সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের কপি ছাড়া কীভাবে ডিভিশন বেঞ্চ স্থগিতাদেশের নির্দেশ দিল? এর আগে এমন কোনও উদাহরণ বা এই হাইকোর্টের নিয়মে কি তা রয়েছে এমন কিছু দেখাতে পারবেন?”

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ

    তাঁর নিজের নির্দেশ বহাল রাখার পাশাপাশি আরও বলেন, “তাঁর এই নির্দেশের কপি কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছেও পাঠানো হবে।” বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় আরও জানান, বিচারপতি সৌমেন সেন একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছেন। তাই দেশের শীর্ষ আদালতের উচিত তাঁর সমস্ত নির্দেশ খারিজ করা। তাঁর মন্তব্য, “এই মামলায় রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত থাকা ব্যক্তির মতো আচরণ করছেন বিচারপতি সেন। কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।”

    আরও পড়ুুন: মমতার নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! অনুব্রত-কাজল অনুগামীদের সংঘর্ষ

    বিচারপতি সেনের বিরুদ্ধে কেন ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু হবে না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর পর্যবেক্ষণ, “কেন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও দু’ বছর ধরে তাঁর বদলি হচ্ছে না? অন্য বিচারপতিদের তো বদলি হয়ে গিয়েছে। কে তাঁকে বাঁচাচ্ছে? আমি দেশের প্রধান বিচারপতিকে এটা দেখার জন্য অনুরোধ করব।” বিচারপতি (Justice Abhijit Gangopadhyay) গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “এফআইআর খারিজের যে নির্দেশ বিচারপতি সেন দিয়েছেন, সেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে দিয়েছেন। তাই সেটা বৈধ নয়। সিবিআইয়ের উচিত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bharat Jodo Nyay Yatra: ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ ছেড়ে কেন হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন রাহুল, কী কারণ?

    Bharat Jodo Nyay Yatra: ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ ছেড়ে কেন হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন রাহুল, কী কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’য় (Bharat Jodo Nyay Yatra) বেরিয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। বৃহস্পতিবার সেই যাত্রা পৌঁছেছিল কোচবিহারে। এখানে বক্সিরহাটে সংক্ষিপ্ত সভা ও জেলা সদরে রোড-শো করেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন রাহুল। তবে কেন তিনি হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন, সে ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি। ঘটনাটি ঘিরে ক্রমেই চড়ছে জল্পনার পারদ। কংগ্রেসের একটি সূত্রে খবর, আগামী রবিবার ফের বাংলায় আসতে পারেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি। সেক্ষেত্রে পরিবর্তন হতে পারে যাত্রা পথের। রুট থেকে বাদ পড়তে পারে উত্তরবঙ্গের দুই জেলার অংশ বিশেষ।

    রাহুলকে স্বাগত কংগ্রেসের

    এদিন বক্সিরহাটে রাহুলকে স্বাগত জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী, মহিলা কংগ্রেসের সদস্য পূজা রায়চৌধুরী, এআইসিসি সদস্য বিশ্বজিৎ সরকার সহ দলের (Bharat Jodo Nyay Yatra) অন্য নেতানেত্রীরা। বক্সিরহাটের পর রাহুলের যাওয়ার কথা ছিল তুফানগঞ্জে, প্রাতরাশ করতে। রাত্রিবাস করার কথা ছিল ফালাকাটায়। কিন্তু রাহুল ও তাঁর ‘ন্যায় যাত্রা’র সঙ্গীরা বক্সিরগঞ্জ থেকে ফেরেন কোচবিহার শহরে। শহর ও লাগোয়া এলাকার রেলগুমটি, মা ভবানী, সদর বাজার, রাজবাড়ি গেট, খাগড়াবাড়ি হয়ে রাজারহাট পর্যন্ত রোড-শো করেন রাহুল।

    ইন্ডিয়া জোট

    তিনি বলেন, “বিজেপি-আরএসএসের অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতেই ইন্ডিয়া জোট তৈরি হয়েছে। দেশজুড়ে অন্যায় হচ্ছে বলেই আমাদের এই ‘ন্যায় যাত্রা’।” দুপুর দুটো নাগাদ দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন সোনিয়া-তনয়। এআইসিসির সম্পাদক রণজিৎ মুখোপাধ্যায় বলেন, “আগামী রবিবার সকাল ৮টায় আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটায় পূর্ব নির্ধারিত ক্যাম্প সাইটে আসবেন রাহুল। সেখান থেকে আবার যাত্রা শুরু করবেন তিনি।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভার ঢাকে কাঠি! কেন দেশের মানুষ মোদিকে পছন্দ করেন? নয়া থিম সং বিজেপির

    কী কারণে দিল্লি ফিরলেন রাহুল? কংগ্রেস সূত্রে খবর, প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠান রয়েছে শুক্রবার। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাহুল। পরের দিন দিল্লিতে রয়েছে একটি দলীয় অনুষ্ঠান। সেখানেও যোগ দেবেন তিনি। তাই তার পরের দিন আসবেন বাংলায়। গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির অন্য একটি সূত্রে খবর, ফালাকাটার পরিকাঠামো রাহুলের রাত্রিবাসের উপযুক্ত নয় বলেই রাজ্য কংগ্রেস নেতাদের জানিয়েছিলেন রাহুলের দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন যাঁরা, তাঁরা। তার পরেই প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতিকে দিল্লি উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয় (Bharat Jodo Nyay Yatra)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi Programme: প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগেই স্ক্রিন বন্ধ করল পুলিশ, শ্যামবাজারে বিক্ষোভ বিজেপির 

    PM Modi Programme: প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগেই স্ক্রিন বন্ধ করল পুলিশ, শ্যামবাজারে বিক্ষোভ বিজেপির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রধানমন্ত্রীর ‘নমো নব মতদাতা সম্মেলন’-এর সম্প্রচার বন্ধ করে দিল পুলিশ। উত্তর কলকাতার একাধিক জায়গায় উঠল এমনই অভিযোগ। পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাল বিজেপি। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার বিজেপির এই কর্মসূচিতে এসে এলইডি স্ক্রিনের প্লাগ খুলে দেন পুলিশ কর্মীরা।

    কী ঘটেছিল

    ভোটার দিবসে নতুন ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তা সরাসরি সম্প্রচার করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিল বঙ্গ বিজেপি। এলইডি স্ক্রিনে সেই অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই মতো সাউন্ড বক্স, চেয়ার সব ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই তা বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশি বাধার প্রতিবাদে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। যদিও পুলিশের দাবি, অনুমতি না থাকায় কর্মসূচি বন্ধ করে দিতে বলা হয়েছে। বিজেপির দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়ে দলদাস পুলিশকে কাজে লাগিয়ে বিজেপির কর্মসূচি বানচাল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: অনলাইনে গেমে আসক্ত! সতর্ক হোন, আর্জি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সাইবার ক্রাইম বিভাগের

    বিজেপির দাবি

    শ্যামবাজারে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষের নেতৃত্বে তীব্র বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। তমোঘ্নবাবু দাবি করেন, আদালতের ভর্ৎসনার হাত থেকে বাঁচতে এখন নতুন ফন্দি করেছে পুলিশ। বিজেপির কর্মসূচিতে প্রথমে অনুমতি দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর শেষ মুহূর্তে প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে সেই অনুমতি। যাতে আদালতে যাওয়ার সময় না থাকে। বিজেপি নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শাহজাহানের বাড়িতে ইডি যখন আক্রান্ত হল, তখন পুলিশকে দেখা যায়নি। আর এই অনুষ্ঠানে অতি সক্রিয় পুলিশ। এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ২৭ তারিখ উত্তর কলকাতায় বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতা তমোঘ্ন ঘোষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: ‘‘কেন ইম্পিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হবে না?’’ বিচারপতি সেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Ganguly: ‘‘কেন ইম্পিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হবে না?’’ বিচারপতি সেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি দুর্নীতি মামলাকে ঘিরে তুলকালাম দুই বিচারপতির মধ্যে। এই মামলায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চের দেওয়া নির্দেশর ওপর গতকাল মৌখিকভাবে স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ। বৃহস্পতিবার এই মামলা নিয়ে শুনানির সময় এজলাসেই বিচারপতি সৌমেন সেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের দাবি, বড়দিনের ছুটির আগে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে নিজের চেম্বারে ডেকেছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। সেখানে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে ডেকে রাজনৈতিক নেতার মত নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রথমে বলেছিলেন, অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের একটা রাজনৈতিক ভবিষ্যত আছে, তাকে বিরক্ত করা যাবে না। দ্বিতীয়ত, বিচারপতির অমৃতা সিনহার এজলাসে শুনানির লাইভ স্ট্রিমিং বন্ধ করতে হবে। তৃতীয়ত, প্রাথমিকের দুটি মামলা খারিজ করতে হবে বিচারপতি সিনহাকে। 

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানান, তিনি ওই ‘তথ্য’ জেনেছেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিংহের কাছ থেকেই। বলেন, ‘‘আমি বিচারপতি সিনহার কাছ থেকে এটা জানতে পেরেছি।’’ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় যোগ করেন, বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে যা যা বলেছেন বিচারপতি সৌমেন সেন, সেই গোটা বিষয়টা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে জানান বিচারপতি অমৃতা সিনহা। প্রধান বিচারপতি আবার তা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে জানিয়েছেন।

    ‘‘অন্য কেউ গেলে এটা করবেন তো?’’

    মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি দুর্নীতি মামলায় নিজের নির্দেশনামায় বিচারপতি সৌমেন সেনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর মতে, ‘‘বিচারপতির সৌমেন সেন স্পষ্টতই একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছেন। তাই সুপ্রিম কোর্টের উচিত তাঁর (বিচারপতি সেনের) সমস্ত নির্দেশ খারিজ করা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশনামা এবং আবেদনপত্রের কপি ছাড়াই সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিচ্ছেন বিচারপতি সেন। অন্য কেউ গেলে এটা করবেন তো? ভুল বার্তা পাঠাচ্ছেন বিচারপতি সেন।’’

    ‘‘কেন দু’বছর ধরে তাঁর বদলি হচ্ছে না?’’

    এখানেই থেমে থাকেননি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। নির্দেশনামায় তিনি এও উল্লেখ করেন, ‘‘এই মামলায় রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত থাকা ব্যক্তির মত আচরণ করছেন বিচারপতি সেন। কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বিচারপতি সেন।’’ একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কেন তাঁর বিরুদ্ধে ইম্পিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হবে না? কেন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও দু’বছর ধরে তাঁর বদলি হচ্ছে না? অন্য বিচারপতিদের তো হয়ে গিয়েছে। কে তাঁকে (বিচারপতি সেন) বাঁচাচ্ছে?’’ তিনি যোগ করেন, ‘‘আমি দেশের প্রধান বিচারপতিকে এটা দেখার জন্য অনুরোধ করব।’’

    ‘‘এফআইআর খারিজের নির্দেশ বৈধ নয়’’

    এদিন সকালে, সিবিআইয়ের এফআইআর খারিজ করার নির্দেশ দেয় বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। এই প্রতিক্রিয়ায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর নির্দেশনামায় জানান, এফআইআর খারিজের যে নির্দেশ বিচারপতি সেন দিয়েছেন সেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে দিয়েছেন, ফলে সেটা বৈধ নয়। সিবিআইয়ের উচিত তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সিবিআইকে ২ মাসের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়ে দেন যে এই নির্দেশের কপি অবিলম্বে কলকাতা হাইকোর্ট এবং দেশের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Case: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই দফতরে হাজিরা তৃণমূলের দেবরাজ-বাপ্পাদিত্যের

    Recruitment Case: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই দফতরে হাজিরা তৃণমূলের দেবরাজ-বাপ্পাদিত্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় (Recruitment Case) পেয়েছিলেন সিবিআইয়ের সমন। সেই মতো আজ, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা নাগাদ নিজাম প্যালেসে হাজির হলেন তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী। তিনি বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলর। তাঁর আরও একটি পরিচয় রয়েছে। তিনি কীর্তন শিল্পী তথা তৃণমূল বিধায়িকা অদিতি মুন্সীর স্বামী। দেবরাজের পাশাপাশি তলব করা হয়েছিল তৃণমূলের আর এক নেতা কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকেও। হাজিরা দিয়েছেন তিনিও। দুই তৃণমূল নেতাকেই এদিন কলকাতার সিবিআই দফতর নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    সিবিআই দফতরে দেবরাজ-বাপ্পাদিত্য

    নভেম্বর মাসে দেবরাজের বাড়িতে (Recruitment Case) তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। তাঁর স্ত্রী বিধায়িকা-কীর্তনশিল্পী অদিতির গানের স্কুলেও তল্লাশি চালানো হয়। উদ্ধার হয় টেটের কয়েকটি মার্কশিট ও বদলির আবেদনপত্র। বাপ্পাদিত্যের বাড়িতেও মিলেছিল নিয়োগ সংক্রান্ত নথি। সিবিআই সূত্রে খবর, দেবরাজ ও বাপ্পাদিত্যের ঠিকানায় চালানো তল্লাশিতে যেসব নথি উদ্ধার হয়েছিল, সেগুলি বিশ্লেষণ করার পরেই তলব করা হয়েছে তৃণমূলের এই দুই নেতাকে। এই নথি ধরেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে তাঁদের। দেবরাজ বলেন, “বুধবার নোটিশ দিয়ে বৃহস্পতিবার ডাকা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টাও সময় দেওয়া হয়নি। তবে আমি তদন্তে সহযোগিতা করব।”

    নিয়োগের এজেন্ট ছিলেন এই তৃণমূল নেতারা!

    সিবিআই সূত্রে খবর, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই কলকাতা হাইকোর্টে যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে, তাতে নাম রয়েছে দেবরাজ ও বাপ্পাদিত্যের। রিপোর্টে এঁদের নিয়োগ কেলেঙ্কারির এজেন্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এজেন্ট হিসেবে নাম রয়েছে মহিদুল আনসারি, জফিকুল ইসলাম, সজল কর ও সৌরভ ঘোষের। তৃণমূলে দেবরাজের উত্থান রকেটের গতিতে। এক সময় কংগ্রেস করতেন। পরে প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের পূর্ণেন্দু বসুর আপ্ত সহায়ক হিসেবে কাজ করতেন। পূর্ণেন্দুর সুপারিশে বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হন তিনি। পরে মেয়র পারিষদের সদস্য করা হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভারতই মিত্র দেশ’’, যৌথ বিবৃতি জারি মলদ্বীপের দুই প্রধান দলের

    বাপ্পাদিত্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। পার্থ যে সংস্থায় চাকরি করতেন, সেখানেই কাজ করতেন বাপ্পাদিত্যও। পার্থর হাত ধরেই রাজনীতিতে এসেছিলেন তিনি। সিবিআই সূত্রে খবর, রাজনৈতিক সম্পর্ক ছাড়াও বাপ্পাদিত্যের সঙ্গে পার্থর আর্থিক লেনদেনের সম্পর্কও ছিল (Recruitment Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: কনকনে ঠান্ডার স্পেল চলবে আরও কয়েকদিন, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: কনকনে ঠান্ডার স্পেল চলবে আরও কয়েকদিন, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের  পারদ পতন রাজ্যে। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন (Weather Update) তাপমাত্রা ছিল ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু বৃহস্পতিবার তা কমে হয়েছে ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আলিপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে খবর, রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা পড়বে। পারদ থাকবে ৬ থেকে ৯ ডিগ্রির ঘরে। আগামী ২ দিনে আরও কিছুটা কমতে পারে তাপমাত্রা। আপাতত বৃষ্টির কোনও আশঙ্কা নেই বাংলায়।

    প্রতিদিন পারদ পতন

    গত কয়েকদিনে পারদের (Weather Update) ওঠানামা দেখেছে বঙ্গবাসী। কখনও তাপমাত্রা বেড়েছে তো কখনও কমেছে। কোনও একদিন ঠান্ডা গায়েব তো ঠিক পরের দিনই হাড় কাঁপাচ্ছে শীত। পরিসংখ্যানের দিকে নজর রাখলেই বোঝা যাবে ঠান্ডার এই খামখেয়ালিপনা। কলকাতায় গত ১৩ জানুয়ারি তাপমাত্রা ছিল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর ১৮ জানুয়ারি ১২ থেকে ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপামাত্রায় পৌঁছয়। ২১ জানুয়ারি তাপমাত্রা দাঁড়ায় ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২২ জানুয়ারি তাপমাত্রা ছিল ১২.১ ডিগ্রি। ২৩ জানুয়ারি ছিল ১১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২৪ জানুয়ারি তাপমাত্রা ছিল ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২৫ জানুয়ারি ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কাল ২৬ জানুয়ারি থেকে আরও ঠান্ডা পড়ার কথা রয়েছে। সপ্তাহান্তে প্রতিদিনই নামতে পারে পারদ, এমনই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের।

    আরও পড়ুন: ছ’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার মেরি কমের অবসর, ৪১-এ খুললেন গ্লাভস

    জেলায় জেলায় শীতের দাপট

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলাতেই আগামী কয়েক দিন আপাতত বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা নেই। মূলত শুকনো আবহাওয়া থাকবে বিভিন্ন জেলায়। কনকনে উত্তুরে (Winter In Bengal) হাওয়া রাজ্যে ঢুকবে। ফলে আগামী কয়েক দিনে রাজ্যের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমবে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা না থাকলেও আগামী সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টিতে ভিজতে পারে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং। বৃষ্টির পাশাপাশি রয়েছে তুষারপাতের সম্ভাবনাও। বুধবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মূলত মেঘলাই ছিল। দুপুর থেকে কলকাতায় বিক্ষিপ্ত ভাবে দু’এক পশলা বৃষ্টিও হয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার আকাশ থেকে মেঘের চাদর সরেছে। আর মেঘ কাটতেই আবার নামতে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বকেয়া ডিএ, চলছে আমরণ অনশন, রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপের আর্জি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বকেয়া ডিএ, চলছে আমরণ অনশন, রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপের আর্জি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় দিতে হবে ডিএ (DA Issue)। মমতা সরকারের কাছে এই দাবি জানিয়ে আন্দোলনে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন চারজন আন্দোলনকারী। এবার এ বিষয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি লিখলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুন বলে আবেদন জানান তিনি। সমাজ মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

    রাজ্যপালকে চিঠি

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের চারজন সরকারি কর্মচারী গত কয়েকদিন ধরে বকেয়া ডিএ-র (DA Issue) দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন। মঙ্গলবার সেই অনশন মঞ্চে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের যন্ত্রণা দেখে এবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি লিখলেন তিনি। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করার জন্য আবেদন জানান শুভেন্দু। এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, ‘সংগ্রামী যৌথমঞ্চের চারজন সদস্য আমরণ অনশনে বসেছেন। তাঁরা কেন্দ্রের হারে রাজ্যের কাছে ডিএ-র দাবি করেছেন। আমি এ নিয়ে রাজ্যপালকে চিঠি লিখেছি।’

    শুভেন্দু রাজ্যপালকে জানান, ডিএ (DA Issue) আন্দোলনকারীদের অনশন চলছে। তাই বিষয়টি দেখুন রাজ্যপাল। যেহেতু অনশন অবস্থান, ফলে চারজনের শারীরিক অবস্থাও বিশেষ নজরে রাখা দরকার। যে কোনও সময় অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন তাঁরা। বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, একটি মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রাখা দরকার। সেখানে চিকিৎসক, নার্সরা থাকবেন। যাঁরা নিয়মিত অনশনকারীদের স্বাস্থ্যের অবস্থার নজরদারি চালাবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: শাহজাহানের বাড়িতে ইডি, ভয়ে মুখে কুলুপ গ্রামবাসীদের

    ED Raid: শাহজাহানের বাড়িতে ইডি, ভয়ে মুখে কুলুপ গ্রামবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন অন্য সন্দেশখালি। অদ্ভুত নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে শাহজাহানের বাড়ির সামনে। ইডি আধিকারিকদের (ED Raid) ঘিরে ধরে জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে যে জায়গায় মারধর শুরু করেছিল তৃণমূল কর্মীরা, বুধবার সকালে সেই জায়গাই বিলকুল ফাঁকা। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম অনেক খুঁজেও কোনও প্রত্যক্ষদর্শী পেলনা। কেউই নাকি কিছুই দেখেননি। ইডি আধিকারিকদের (ED Raid) মারধরের দিন, কেউ দেরি করে ঘুম থেকে উঠেছিলেন। কেউ বাজারে গিয়েছিলেন। কেউ গিয়েছিলেন অন্য কোনও কাজে।

    ভয়ে মুখে কুলুপ গ্রামবাসীদের

    হাজার লোকের জনরোষ আছড়ে পড়েছিল সেদিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের ওপরে। সেই সরবেড়িয়াতেই বুধবার ফের গিয়েছিল ইডি (ED Raid)। কিন্তু সেখানেই অস্বাভাবিক নীরবতা। শাহজাহান নিজের নামে বাজার তৈরি করেছেন। সেখানকার দোকানপাট সবই বন্ধ। কোনও এক ‘অজ্ঞাত’ কারণে রাস্তাতেও বিশেষ লোকজন নেই। বুধবার রণসাজে সজ্জিত হয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি, পুলিশে ছয়লাপ গোটা এলাকা, সেই ঘটনা ঘটতে নাকি দেখতেই পাননি শাহজাহানের (ED Raid) গ্রামের বাসিন্দারা! কোনও সংবাদমাধ্যমের সামনে কেউই মুখ খোলেননি।

    নিরাপত্তায় মোড়া গোটা এলাকা

    ১৯ দিন আগে ইডি (ED Raid) হানার সময় সন্দেশখালির শাহজাহানের বাড়ির সঙ্গে বুধবারের তাঁর বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশের চেহারা একেবারেই আলাদা। এদিন সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডির অভিযান চালানোর সময় বাড়ির সামনে নেই কোনও জনতার ভিড়়। তৃণমূল নেতার নামাঙ্কিত শাহজাহান মার্কেটের একটি দোকানও খোলেনি। বাজারে দেখা গেল সুনসান ছবি। আদালতের নির্দেশে তৃণমূল নেতার বাড়ির সঙ্গে সঙ্গে সন্দেশখালির বাজারেও সিসি ক্যামেরা বসিয়েছিল পুলিশ। সাধারণ মানুষের আনাগোনাও একেবারেই হাতেগোনা। সমস্ত এলাকা দখল নিয়েছে রাজ্য পুলিশ এবং সিআরপিএফ। শাহজাহানের বাড়ি থেকে বড় রাস্তায় যাওয়ার জন্য রয়েছে এক চিলতে রাস্তা। সেই ১০০ মিটার রাস্তাও পুরোপুরি মোড়া খাকি, জলপাই পোশাক পরিহিত দীর্ঘদেহীদের দিয়ে। বড় রাস্তার দখলও পুরোপুরি নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে। জায়গায় জায়গায় তাঁরা দাঁড়িয়ে রয়েছেন। সকাল থেকে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সেরকম গুরুত্বপূর্ণ কিছু পাননি ইডি আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ajodhya Ram Temple: ১১ ফেব্রুয়ারি অযোধ্যা যাচ্ছেন শুভেন্দু, রাম দর্শনে বাংলার বিজেপি বিধায়করাও

    Ajodhya Ram Temple: ১১ ফেব্রুয়ারি অযোধ্যা যাচ্ছেন শুভেন্দু, রাম দর্শনে বাংলার বিজেপি বিধায়করাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম দর্শনে অযোধ্যা যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি একদিনের সফরে অযোধ্যা যাবেন তিনি। এই সফরে তাঁর সঙ্গী হবেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিজেপি বিধায়কেরা।  ওই দিনই আবার তাঁরা সকলে কলকাতায় ফিরবেন। সামনে লোকসভা নির্বাচন, তারপর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকেই শুরু হচ্ছে রাজ্য বাজেট অধিবেশন। তাই এই কর্মব্যস্ততার মধ্যে একদিনের সফরেই রামের আশীষ নিতে অযোধ্যা যাওয়ার ইচ্ছা বিরোধী দলনেতার।

    একদিনের ঝটিতি সফর

    দলীয় সূত্রের খবর, ১১ ফেব্রুয়ারি রবিবার রয়েছে। তাছাড়া ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন। বাজেটে যোগ দিতে বিজেপির উত্তর ও দক্ষিণের সমস্ত বিধায়করা বিধানসভায় আসবেন। রবিবার ছুটির দিন থাকায় বিমান পথে সেদিনই অযোধ্যা গিয়ে আবার ফিরে আসার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। কারণ, পরের দিন আবার বাজেট অধিবেশন রয়েছে রাজ্য বিধানসভায়। এক বিজেপি নেতার কথায়, ‘‘রামমন্দির আসলে হিন্দুদের আবেগ। ৫০০ বছরের বেশি সময় ধরে লড়াই করার পর সেই দিন এসেছে, তাই এমন একটি পবিত্র মন্দির দেখতে পাওয়া অনেক বড় বিষয়। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।’’

    আরও পড়ুন: বাণিজ্যের নতুন দিশা! রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে রেকর্ড আয়

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্দির উদ্বোধনের দিন দলীয় নেতাদের নিজ নিজ রাজ্যে থেকেই রামমন্দিরের সূচনাপর্ব উদ্‌যাপন করতে বলেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই নির্দেশ মেনে বিরোধী দলনেতা মঙ্গলবার তাঁর কর্মসূচি সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন কলকাতা ও হাওড়া জেলার মধ্যেই। এবার তিনি অযোধ্যা যাবেন রাম দর্শনের জন্য। সোমবার অযোধ্যার নবনির্মিত রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সেদিন ভিআইপি ছাড়া সাধারণের প্রবেশাধিকার ছিল না মন্দির চত্বরে। সেই অর্থে মঙ্গলবারই ছিল সর্বসাধারণের জন্য রাম দর্শনের প্রথম দিন। মন্দির কমিটির হিসেব অনুযায়ী, প্রথম দিনেই দর্শনার্থীদের সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়েছে। আগামী কয়েকদিন এই জন জোয়ার আরও তীব্রতর হবে বলেই অনুমান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incidents: সন্দেশখালিকাণ্ডের জের! কেন্দ্রের কাছে ১ কোম্পানি বাহিনী চাইল ইডি

    Sandeshkhali Incidents: সন্দেশখালিকাণ্ডের জের! কেন্দ্রের কাছে ১ কোম্পানি বাহিনী চাইল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধিকারিকদের নিরাপত্তায় এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে চিঠি পাঠাল ইডি।  এই মর্মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি লিখেছেন ইডির যুগ্ম নির্দেশক। ওই বাহিনী বিধাননগরের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির সদর দফতরেই থাকবে বলে জানা গিয়েছে। সন্দেশখালিতে (SandeshKhali Incidents) দফায় দফায় বেপরোয়া হামলার ঘটনার পর থেকেই সতর্ক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    কেন কোম্পানি চাইছে ইডি

    রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে গত ৫ জানুয়ারি তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহনের বাড়িতে ইডির অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রে চেহারা নেয় উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকরা। ওই রাতেই রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে বনগাঁয় গিয়ে আরও একবার হামলার মুখে পড়ে ইডি। তারপর ৬ জানুয়ারি থেকে বাড়ানো হয় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা। ধাপে ধাপে আনা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। আর এবার নিজেদের জন্য এক কোম্পানি সিআরপিএফ চাইল ইডি। তবে অনেকে এর পিছনে অন্য কারণ দেখছেন। অনেকের অনুমান, আগামী দিনে আরও বড় কোনও নেতার বাড়িতে তল্লাশির প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই অভিযানে গেলে ইডি আধিকারিকদের বড় প্রতিরোধের মুখে পড়তে হতে পারে। তাই আগে থেকেই সতর্ক হয়ে পা ফেলতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: দুয়ারে লোকসভা ভোট, মোদিকে দিয়ে শতাধিক সভা করাতে চাইছে বিজেপি

    কী বলছে ইডি

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন সিবিআইয়ের জন্য বরাদ্দ বাহিনী নিয়ে অভিযানে যেতেন ইডি আধিকারিকরা। সেই বাহিনী থাকে নিজাম প্যালেসে। কিন্তু সন্দেশখালির ঘটনার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চান না ইডি আধিকারিকরা। তাই ইতিমধ্যে সিজিও কমপ্লেক্সে নিরাপত্তায় মোতায়েন বাহিনীর সংখ্যা দ্বিগুণ করা হয়েছে। আগে সিজিও কমপ্লেক্সে জওয়ানের সংখ্যা ছিল ১৫, এখন তা বাড়িয়ে ৩০ করা হয়েছে। সঙ্গে আরও ১ কোম্পানি বাহিনী চেয়ে পাঠানো হয়েছে। দরকার মতো ইডি আধিকারিকদের সঙ্গে তল্লাশিতে যাবেন এই বাহিনীর সদস্যরা। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share