Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Ration Distribution Case: রেশন বিলি মামলায় শঙ্করের ভাই মলয়কে ফের তলব ইডির

    Ration Distribution Case: রেশন বিলি মামলায় শঙ্করের ভাই মলয়কে ফের তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি (Ration Distribution Cas) মামলায় এবার তলব তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যের ভাই মলয়কে। মঙ্গলবার সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয় তাঁকে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্করের যে সংস্থার হাতফের হয়ে রেশন কেলেঙ্কারির কালো টাকা সাদা করা হত, তার অন্যতম ডিরেক্টর ছিলেন মলয়। শুধু তাই নয়, মলয়ের স্ত্রী তানিয়া বনগাঁর মিল মালিক কালিদাস সাহার ভাগ্নি।

    আঢ্য ফোরেক্স

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। গ্রেফতার করা হয়েছে শঙ্করকেও। এবার তলব করা হয়েছে তাঁর ভাইকেও। জ্যোতিপ্রিয় ছাড়া রেশন কেলেঙ্কারির যে ২০ হাজার কোটি টাকা শঙ্কর মারফত বাংলাদেশ ও দুবাইয়ে পাচার হয়েছে, তার মধ্যে কালিদাসের টাকাও রয়েছে বলে অনুমান ইডির। তৃণমূল নেতা শঙ্করের বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থার নাম ‘আঢ্য ফোরেক্স’। এই (Ration Distribution Cas) সংস্থার ডিরেক্টর মলয়। ‘ত্রিনয়নী ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে শঙ্করের আরও একটি বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থা রয়েছে। মলয়ের স্ত্রী তানিয়ার নাম রয়েছে এই সংস্থায়। শঙ্করের একটি ভুয়ো সংস্থাও ছিল। ‘অঞ্জলি আইসক্রিম প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের ওই জাল সংস্থায় নাম ছিল সস্ত্রীক মলয়ের।

    বিদেশে পাচার হাজার হাজার কোটি টাকা 

    ইডি জেনেছে, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় জ্যোতিপ্রিয়র হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে শঙ্করের মুদ্রা বিনিময় সংস্থার মাধ্যমে। এই টাকার পরিমাণ ৯ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে দু’ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে ‘আঢ্য ফোরেক্স’ মারফত। এর আগে তিনবার ইডি তলব করেছে মলয়কে। প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। এদিন ফের একবার তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে খবর, মলয় এদিন ইডির সমন উপেক্ষা করলে অন্য ব্যবস্থা নিতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: দুয়ারে লোকসভা ভোট, মোদিকে দিয়ে শতাধিক সভা করাতে চাইছে বিজেপি

    শঙ্কর গ্রেফতার হওয়ার পরে পরেও তাঁর মেয়ে ঋতুপর্ণাকে তলব করেছিল ইডি। প্রায় ছ’ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। তবে ইডির জেরা-পর্বে তাঁকে কী কী প্রশ্ন করা হয়েছে, তা বলেননি ঋতুপর্ণা। ঋতুপর্ণার পর এবার সমন গেল তাঁর কাকু মলয়ের কাছে (Ration Distribution Cas)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • TET OMR sheets: ২০১২ সালের টেট পরীক্ষার ওএমআর শিট পরিণত হয়েছে কাগজের ঠোঙায়

    TET OMR sheets: ২০১২ সালের টেট পরীক্ষার ওএমআর শিট পরিণত হয়েছে কাগজের ঠোঙায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১২ সালের টেট পরীক্ষার ওএমআর শিট (TET OMR sheets) এখন কাগজের ঠোঙায় পরিণত হয়েছে তেলেভাজার দোকানে। মিলেছে ১০০ টির বেশি রোল নম্বর যুক্ত ছেড়া উত্তরপত্র। স্কুল শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিকাণ্ডে এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে বর্ধমান শহরে।

    রাজ্যজুড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ইতি মধ্যেই রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্য, তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা সহ আরও একাধিক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। তৃণমূল সরকার এই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ব্যাপক চাপে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ২০১২ সালে টেট উত্তীর্ণরা চাকরি পাননি (TET OMR sheets)

    রাজ্যে টেট পাশ করা প্রার্থীরা স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগের জন্য আন্দোলন করছেন। ২০১২ সাল থেকে টেটে পাশ করে এই রাজ্যের মোট ১ লক্ষ ৪২ হাজার পরীক্ষার্থী। তাঁরা লাগাতার নিজেদের প্রাপ্র্য চাকরি থেকে বঞ্চনার শিকার হয়েছেন বলে আন্দোলন করছেন। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ, মিছিল, ধরনা, অনশন সবরকম চেষ্টা করে সরকারের কাছে নিজেদের দাবি রাখছেন। কিন্তু সরকারের মনোভাব অত্যন্ত কঠোর। নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যেই বর্ধমান শহরের তেলেভাজা দোকানে ঠোঙায় করে দেওয়া হচ্ছে চপ বেগুনি। এমনই একটি ঠোঙায় দেখা গেল টেটের ওএমআর (TET OMR sheets) শিটের চিত্র। এটি ২০১২ সালের টেটের শিটের একটি ছেড়া অংশ। সেখানে লেখা রয়েছে ১১০৫২৩০০ নম্বরের একটি রোল নম্বর। প্রশ্নের বুকলেটের জায়গায় রয়েছে সেই নম্বর।

    প্রায় ১০০ জন প্রার্থীর পরীক্ষার্থীর শিট কাগজের ঠোঙা

    এই ওএমআর (TET OMR sheets) শিটের নম্বর দেখে জানা গিয়েছে এই শিটের পরীক্ষার্থীর নাম স্বপন বেরা। একই রকম আরও অনেক ওএমআর শিট পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে রোল নম্বর ১১০৫২৪১৩, প্রার্থী হলেন কলকাতা নিবাসী সুরজিৎ দে। এছাড়াও আরও একাধিক প্রার্থী রয়েছেন, যাঁদের নাম শেখ সেলিম আহম্মদ, রোল নম্বর ১১০৫২২৯৯, মিলি বেহেরা তাঁর রোল নম্বর ছিল ৩৩০৫৯৯০৫, শত্রুঘ্ন দাশ তাঁর রোল নম্বর ছিল ১২০৩৬২০৯, শুভেন্দু মিশ্র, রোল নম্বর ১১০৫২৪১৬, এরকম পাওয়া গিয়েছে। প্রায় ১০০ টির বেশি উত্তরপত্রের ওএমআর শিট এখন কাগজের ঠোঙা হিসাবে দোকানে দোকানে ঘুরছে। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সরকার প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য এখনও পর্যন্ত কোনও উত্তর মেলেনি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cheetah: কুনো ন্যাশনাল পার্কে ‘জোয়ালা’ চিতা জন্ম দিল ৩টি শাবকের

    Cheetah: কুনো ন্যাশনাল পার্কে ‘জোয়ালা’ চিতা জন্ম দিল ৩টি শাবকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কে নামিবিয়া থেকে আনা ‘জোয়ালা’ চিতা (Cheetah), ৩টি শাবকের জন্ম দিয়েছে। কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদব এই চিতার বাচ্চা প্রসবের কথা জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন। একই ভাবে বন্য প্রাণী ও পশু প্রেমীদের অভিনন্দন জানান।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Cheetah)?

    তিনটি চিতা (Cheetah) শাবকের কথা জানিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদব বলেন, “কুনো ন্যাশনাল পার্কে চিতার নতুন তিনটি শাবক জন্মগ্রহণ করেছে। নামিবিয়া থেকে নিয়ে আসা চিতা যার নাম ‘জোয়ালা’, তার তিনটি বাচ্চার জন্ম হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগেই নামিবিয়া থেকে আনা আশা নামে আরও একটি চিতা বাচ্চাদের জন্ম দিয়েছে। সমস্ত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নিযুক্ত সকল যোদ্ধা এবং সারা দেশে বন্যপ্রাণী প্রেমীদের অভিনন্দন জানাই। ভারতের বন্যপ্রাণীরা আরও সমৃদ্ধ হোক এই কামনা করি।”

    ১৯৫২ থেকে ভারতে চিতা বিলুপ্তি

    ১৯৫২ সালে ভারতে চিতার (Cheetah) বিলুপ্তির কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২২ সালে একটি বিশেষ প্রকল্পের ঘোষণা করে তাকে পুনরায় চালু করা হয়। এই সময় নামেবিয়া থেকে মোট ৮টি চিতা আনা হয় ভারতে। পরবর্তীকালে, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আরও ১২টি চিতা এনে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কুনো ন্যাশনাল পার্কেই ছাড়া হয়েছিল। এর ফলে দেশের বন্যপ্রাণী ও পশু প্রেমীরা ব্যাপক ভাবে উৎসাহ পেয়ছিলেন। উল্লেখ্য গত সপ্তাহে একটি চিতার মৃত্যু ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ২০২৩ সালের মার্চ থেকে ভারতে জন্ম নেওয়া মোট সাতটি প্রাপ্তবয়স্ক চিতা এবং তিনটি শাবকের মৃত্যু ঘটেছে। এই নিয়ে ২০২৩ সালের মে মাসে কেন্দ্র সরকারের কাছে হলফনামা দিয়ে চিতা মৃত্যুর কারণ জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “নবান্ন অভিযান ডাকুন, আমি সঙ্গে থাকব”, ডিএ আন্দোলনকারীদের আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নবান্ন অভিযান ডাকুন, আমি সঙ্গে থাকব”, ডিএ আন্দোলনকারীদের আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নবান্ন অভিযান ডাকুন, আমি সঙ্গে থাকব।” মঙ্গল-সকালে ডিএর দাবিতে আন্দোলনকারীদের মঞ্চে গিয়ে এই আশ্বাস দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বকেয়া ডিএর দাবিতে কর্মচারী সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ব্যানারে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করছেন সরকারি কর্মীরা। সম্প্রতি আন্দোলনকারীদের একাংশ শুরু করেছেন আমরণ অনশন।

    নবান্ন অভিযানের পরামর্শ

    এদিন সাত সকালে সটান এই মঞ্চেই হাজির হন শুভেন্দু। আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়ার পরামর্শ দেন। কড়া সমালোচনা করেন রাজ্য সরকারের। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “এঁদের যদি কিছু হয়, আগুন জ্বলবে বাংলায়। রাজ্য সরকারের দুর্নীতিতে এঁরা প্রশ্রয় দেননি বলেই ডিএ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বিরুপ আচরণ করা হচ্ছে। সরকারি কর্মীদের এই আন্দোলনে বিজেপির নিঃশর্ত সমর্থন রয়েছে।”

    রাজ্য সরকারের দুর্নীতির খতিয়ান

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এই সরকারি কর্মীরা দেখেছেন আবাস যোজনায় ঘর না দিয়ে তৃণমূলের নেতা নিজের গোয়াল ঘর দেখিয়ে বাড়ি নিয়ে নিয়েছেন। এই সরকারি কর্মীরা দেখেছেন শৌচালয়ের টাকা গরিব মানুষকে না দিয়ে হাজার হাজার টাকা নিজেদের পকেটে ঢুকিয়েছেন তৃণমূল নেতারা। এই সরকারি কর্মীরা দেখেছেন চুরি, এই সরকারি কর্মীরা দেখেছেন স্থায়ী ছ’ লক্ষ পোস্ট অবলুপ্ত করেছে সরকার। অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করছেন চার থেকে বারো হাজার।”

    আরও পড়ুুন: ‘রামের আলো’ থেকে বিদ্যুৎ! ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্যোদয় যোজনা’র ঘোষণা মোদির

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “তৃণমূল নেতারা কীভাবে বেকার ভাতার নামে ধাপ্পাবাজি করছেন, নিয়োগ পরীক্ষায় কারচুপি হয়েছে, পিএসসির কর্মচারিরা আমায় সে তথ্য দেন। বামপন্থী কর্মীরা আমায় জানিয়েছেন মিড-ডে মিলের টাকা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি অনুষ্ঠানে কম্বল বিতরণ করেছেন।” তিনি বলেন, “এ সবের জন্য মুখ্যমন্ত্রী আতঙ্কিত। এই সরকারি কর্মীদের তিনি যে পাশে পাবেন না, তা আগেই বুঝে গিয়েছেন। তাই এঁদের ডিএ আটকে রয়েছে।” এর পরেই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “ডাকুন নবান্ন অভিযান। আমি সঙ্গে থাকব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Mohan Bhagwat: ২ দিনের সফরে ফের বঙ্গে এলেন মোহন ভাগবত, রয়েছে কী কী কর্মসূচি?

    Mohan Bhagwat: ২ দিনের সফরে ফের বঙ্গে এলেন মোহন ভাগবত, রয়েছে কী কী কর্মসূচি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ দিনের কর্মসূচি নিয়ে ফের বঙ্গ সফরে এলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সোমবার, অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অংশ নিয়েছিলেন সরসঙ্ঘচালক। গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পুজোয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশেই দেখা গিয়েছিল তাঁকে। সঙ্গে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। সেখান থেকেই সরাসরি রাতের বিমান ধরে কলকাতায় আসেন সঙ্ঘ প্রধান। জানা গিয়েছে, ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকবেন তিনি।

    ২ দিনের সফরে কলকাতায় মোহন ভাগবত

    সোমবার রাতে কলকাতায় আসেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। রাত্রিবাস করেন কেশব ভবনে। জানা গিয়েছে, আজ ও আগামিকাল— বঙ্গে তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। যদিও, সূত্রের খবর, তাঁর এই সফর সাংগঠনিক নয়, ব্যক্তিগত। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার, উত্তর কলকাতায় শোভাবাজার এলাকায় এক সঙ্ঘকর্তার (RSS) মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এর পাশাপাশি, এদিনই বারাসাতে ‘নেতাজি লহ প্রণাম’ সংক্রান্ত একটি কর্মসূচিতে তিনি যোগ দেবেন। এদিন তিনি কলকাতায় সঙ্ঘের দফতর কেশব ভবনে থাকবেন। আগামিকাল তিনি ফিরে যাবেন।

    ২ মাসে ২ বার রাজ্যে এলেন মোহন ভাগবত

    ২ মাসে ২ বার রাজ্যে এলেন আরএসএস (RSS) প্রধান। এর আগে, ডিসেম্বরের গোড়ায় তিনি এসেছিলেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সেবার তিনি দেখা করেন প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাসের সঙ্গে। এছাড়া, প্রবীণ অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান তিনি। সেখান থেকে বিশিষ্ট তবলা বাদক বিক্রম ঘোষ ও তাঁর স্ত্রী জয়া শীলের বাড়িতে যান। শেষে বিজেপি নেতা কল্যাণ চৌবের বাড়িতেও গিয়েছিলেন তিনি। সঙ্ঘ প্রধানের বঙ্গ সফর নিয়ে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ জানিয়েছিলেন, উনি বছরে বেশ কয়েকবারই এ রাজ্যে আসেন। আরএসএসের কাজের কিছু ধরন রয়েছে। প্রচারে আসে না বলে অনেকে তা জানতে পারেন না।

    রাম মন্দিরের অনুষ্ঠানে কী বলেছেন ভাগবত?

    সোমবার, রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে সরসঙ্ঘচালক (RSS) বলেন, “আজ ৫০০ বছর পরে, রামলালা এখানে ফিরে এসেছেন এবং তাঁর প্রচেষ্টার ফলে আমরা আজ এই সোনালী দিন দেখতে পাচ্ছি, আমরা তাঁকে আমাদের অশেষ শ্রদ্ধা জানাই। এই যুগের ইতিহাসে এতই শক্তি আছে যে, যেই রামলালার গল্প শুনবে তাঁর সব দুঃখ-বেদনা মুছে যাবে।” ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, “আজকের অনুষ্ঠান এক নতুন ভারতের প্রতীক। যা সমগ্র বিশ্বকে সাহায্য করবে। সর্বত্র রাম আছেন জেনে আমাদের নিজেদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে। একত্রে থাকাই ধর্মের যথার্থ অনুশীলন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে বাংলার ‘রাম রঘুনাথের বাড়ি’ যেন অযোধ্যাধাম

    Murshidabad: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে বাংলার ‘রাম রঘুনাথের বাড়ি’ যেন অযোধ্যাধাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার বহরমপুরের খাগড়া এলাকাতেও রামের পুজো হয়। এখানে দীর্ঘ প্রায় ৮০০ বছর ধরে পূজিত হয়ে আসছেন শ্রীরাম। তবে এই রাম, রঘুনাথ নামে পরিচিত। বাংলা যে রামনবমীর ঐতিহ্য রয়েছে তা অনেকেরই অজানা। খাগড়ায় রাম রঘুনাথের বাড়িতেও রাম নবমীর দিনে ব্যাপক উচ্ছ্বাসের সঙ্গে পালিত হয় ধর্মীয় উৎসব। অযোধ্যায় প্রাণ প্রতিষ্ঠার মাহেন্দ্রক্ষণে পূজিত হলেন এই মন্দিরের রাম রঘুনাথ। তাই বাংলার এই ‘রাম রঘুনাথের বাড়ি’ যেন অযোধ্যাধামে পরিণত হল। 

    মন্দিরে কাঠের মূর্তি শ্রীরাম (Murshidabad)

    খাগড়ার (Murshidabad) রাম রঘুনাথের বাড়িতে রাম, লক্ষ্মণ ও সীতার মূর্তি হল কাঠের মূর্তি। আগে যে মন্দিরটি ছিল সেটি বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় পাশে স্মৃতি বহন করে চলেছে। যখন থেকে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন হওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, তখন থেকেই এই রাম রঘুনাথের বাড়ির সদস্য নমিতা মজুমদার কাউন্টডাউন শুরু করে দিয়েছেন। আজকে অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক দিনে প্রধানমন্ত্রী যখন রাম মন্দিরের দ্বার উন্মোচন করবেন, ঠিক সেই সময় এই মন্দিরে রাম রঘুনাথের কাঠের মূর্তির বিশেষ পুজো করলেন বাড়ির সদস্যরা। 

    কী বলেন বাড়ির সদস্য?

    বাড়ির (Murshidabad) সদস্য নমিতা মজুমদার তিনি জানান, “আমাদের বাড়ি রাম রঘুনাথের বাড়ি বলে পরিচিত। প্রত্যেক বছর রামনবমীর দিনে আমাদের বাড়ির মন্দিরে শ্রীরামের পূজা এবং উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু আজ দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন করছেন এবং রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করছেন, তাই আমারাও রাম রঘুনাথের পুজো করলাম। এই রাম রঘুনাথ আমাদের কুলদেবতা। আমরা ৮০০ বছরের এই বিগ্রহের পুজো করে আসছি। আজ রাম লালার অভিষেকের দিনে রঘুনাথকে আরতি করে পূজা-অর্চনা করা হয়েছে। রামের জন্মভূমিতে আজ প্রাণ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বাড়িতও যেন একটা অযোধ্যাধামে পরিণত হয়েছে। আজকের পুজোপাঠ, প্রসাদ বিতরণ, রামকথা পাঠ সব মিলিয়ে এক বড় উৎসবের আকার ধারণ করেছে। আমরা ভীষণ খুশি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee Sanghati Rally: ‘ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি’, সংহতি যাত্রা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ বিজেপির

    Mamata Banerjee Sanghati Rally: ‘ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি’, সংহতি যাত্রা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির তুষ্টিকরণ করে বাংলার দশ কোটি মানুষকে আলাদা করার চেষ্টা করছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার, রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিনে তৃণমূলের সংহতি যাত্রাকে কটাক্ষ করল বিজেপি। ৫০০ বছর লড়াইয়ের পর রাম এদিন তাঁর নতুন গৃহে প্রবেশ করেন। রাম সর্বদাই সর্বত্র বিরাজমান। তাই এদিন মমতার এই মিছিল বিজেপির মতে, ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি ছাড়া আর কিছুই নয়। এই রাজনীতি করে তিনি বাংলাকে আলাদা করতে চাইছেন বলে অভিমত গেরুয়া শিবিরের।

    শুভেন্দু যা বললেন

    এই মিছিল প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া, অন্য কোনও রাজ্যে এইভাবে প্রকাশ্যে রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন পাল্টা কর্মসূচি ডেকে, পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করা হয়নি। যেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করছেন।’ শুভেন্দু বলেন, ‘উনি ২টো কারণে মিছিল করছেন, মুসলিম ভোটকে লোকসভা ভোটের আগে একজোট করার জন্য। কারণ ওনার কাছ থেকে মুসলিম ভোট সরে গেছে। হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে সবাই ওনাকে চোর বলে ডাকে। তাই তিনি মুসলিম ভোট ফেরাতে চান। দ্বিতীয় তিনি, রাজ্যে দাঙ্গা লাগিয়ে যারা গেরুয়া ধ্বজ নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছেন তাদেরকে জেলে পুরতে চান। রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের তরফে ফোন করে ‘না’ বলা হয়েছে। হাজার হাজার জায়গায় তৃণমূলের কাউন্সিলররা রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে বাধা সৃষ্টি করছে’।

    সুকান্তর তোপ

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘রাম নিজেই সম্প্রীতির প্রকৃষ্ট উদাহরণ। রাম সবার। সেজন্যই তৃণমূল কংগ্রেস সহ যারা এই ধরণের সম্প্রীতি যাত্রা, সম্প্রীতি সভা যা করার চেষ্টা করছেন, এগুলো আসলে উস্কানিমূলক কাজকর্ম তার বেশি কিছু না।’ এদিন সিঙ্গুর স্টেশন সংলগ্ন রাম মন্দিরে পূজো দিয়ে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘উনি শুধুমাত্র ভোটের পলিটিক্সের জন্য রামের মধ্যে ধর্ম ঢোকাচ্ছে আর পশ্চিমবঙ্গটাকে দেশ থেকে আলাদা করতে চাইছেন। ১৪০ কোটি মানুষ আজ রাম নাম করছেন, আর আজকে মুখ্যমন্ত্রী রামের বিরুদ্ধে গিয়ে মিছিল করছেন। উনার কোনওদিন ভালো হতে পারে না।’ 

    আরও পড়ুন: ‘রাম সিয়া রাম’-এর সুরে ভাসল সরযূতীর, রামভজনে মগ্ন অযোধ্যা

    সংহতি কোথায়?

    সোমবার দুপুর ৩টেয় কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে সংহতি যাত্রার সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর হাজরা মোড় থেকেই মিছিল শুরু করেন তিনি। পার্ক সার্কাস ময়দানে মিছিল শেষ হবে। এরইমাঝে একটি গির্জা ও একটি মসজিদেও যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মিছিলকে কটাক্ষ করে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এই সংহতির নামে পশ্চিমবাংলায় সব জায়গায় গান গাওয়া হয়েছে। সেই দেশভাগের পর থেকে সংহতির আয়োজন আগেও ছিল। কেন সংহতি হয়নি? যাঁরা সংহতি মিছিলের নামে সংহতি নষ্ট করেন, তাঁরা আবার রাস্তায় নেমেছেন। কেবল যাঁরা টিএমসির উচ্ছিষ্টভোগী, তাঁদের আমলে করে খাচ্ছে সেরকম কিছু দোকলা লোক যাবে।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Voter List: ২০২৪ ভোটার তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের, রাজ্যে ভোটার সংখ্যা সাড়ে ৭ কোটি

    Voter List: ২০২৪ ভোটার তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের, রাজ্যে ভোটার সংখ্যা সাড়ে ৭ কোটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত হল ২০২৪ সালের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (Voter List)। সোমবার প্রকাশিত এই তালিকা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে বর্তমানে রাজ্যের মোট ভোটারের সংখ্যা ৭ কোটি ৫৮ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৮ জন। প্রসঙ্গত, ২৫ জানুয়ারি সারাদেশ জুড়ে পালিত হয় জাতীয় ভোটার দিবস। তার আগেই প্রস্তুত হয় সেই বছরের তালিকা। তালিকা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, নতুন ভোটারের সংখ্যা ১১,৩৩,৯৩৬ জন। নতুন ভোটারের মধ্যে ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৫২১ জন পুরুষ, ৫ লাখ ৭০ হাজার ৩৪১ জন মহিলা ও ৭৪ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। পাশাপাশি এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট পুরুষ ভোটারের (Voter List) সংখ্যা ৩,৮৫,৩০,৯৮১ জন, মহিলা ভোটারের সংখ্যা ৩,৭৩,০৪,৯৬০ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ১৮৩৭ জন।

    মৃত ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫,৪৭,৭৫৭ জন

    ভোটার তালিকা (Voter List) অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে মৃত ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫,৪৭,৭৫৭ জন। গতবারের তুলনায় এবার সবমিলিয়ে ৪,৫১,৭০৬ জন ভোটার বাড়ল এই রাজ্যে। তালিকা অনুযায়ী বাংলায় পুরুষ ও মহিলার আনুপাতিক হার ১০০০:৯৫৬।  ২০১৯ সালের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী পুরুষ-মহিলার অনুপাত ১০০০:৯৪৯। ২০১৮-য় ১০০০:৯৪২। শেষ তিন বছরে এই বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ। আবার এই প্রথমবারের জন্য রাজ্যে সংখ্যার দিক থেকে পুরুষ ভোটারদের ছাপিয়ে গেল মহিলা ভোটারের (Voter List) সংখ্যা। ২০১৭, ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে জনসংখ্যার নিরিখে ভোটার বৃদ্ধির হার ছিল ০.৬৯%। পরিসংখ্যান বলছে, তিন বছরে এই হার আরও বেড়ে হল ০.৭০%। ২০১৬-য় এই হার ছিল ০.৬৮%।

    ৫ জানুয়ারি ভোটার তালিকা প্রকাশ হয় কিন্তু এবার পিছিয়ে গেল

    সাধারণভাবে প্রতিবছর ভোটার তালিকা প্রকাশ পায় ৫ জানুয়ারি কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কাছে বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়ার কারণে, নতুন ভোটার তালিকা চলতি বছরে ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত হল বলে জানা গিয়েছে। ভোটার তালিকায় নানা জালিয়াতি নিয়ে সরব হয় রাজ্য বিজেপি। দফায় দফায় বিজেপির প্রতিনিধি দল যায় নির্বাচন কমিশনের কাছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে চলতি বছরের এই ভোটার তালিকা একশো শতাংশই নির্ভুল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Goutam Deb: ‘রঘুপতি রাঘব রাজা রাম’ ভজনে হারমোনিয়ামের সুরে গলা মেলালেন গৌতম দেব!

    Goutam Deb: ‘রঘুপতি রাঘব রাজা রাম’ ভজনে হারমোনিয়ামের সুরে গলা মেলালেন গৌতম দেব!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনে রামের ভজন গাইলেন তৃণমূল নেতা গৌতম দেব (Goutam Deb)। তিনি বললেন, “রাম ভজন মানে শুধু জয় শ্রীরাম নয়”। এক দিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে রাজ্যে ছুটি ঘোষণা না করে সংহতি যাত্রা করছেন, ঠিক সেই দিনেই রামনাম স্মরণ করে ভজন গাইলেন প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। উল্লেখ্য, আজ সকালেই কাঁথির রাম মন্দিরে নিজের স্ত্রীকে নিয়ে ঘণ্টা বাজিয়ে রামের পুজো করেন তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। রামনামের ঢেউ যে বঙ্গের তৃণমূলের নেতাদের মধ্যেও আছড়ে পড়েছে, এটা বিভিন্ন ঘটনাতেই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।

    হারমনিয়ামে গলা মেলালেন তৃণমূল নেতা (Goutam Deb)

    রাম মন্দিরে প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে ‘রঘুপতি রাঘব রাজা রাম…পতিত পাবন সীতা রাম’ গানে হারমোনিয়ামের সুরে গলা মিলিয়ে গান গাইলেন শিলিগুড়ির তৃণমূল নেতা গৌতম দেব (Goutam Deb)। বিজেপি নেতাদের মতো তিনিও আজকের ঐতিহাসিক মুহূর্তে প্রভু রামের প্রতি ভক্তি নিবেদন করলেন। অবশ্য তাঁর কাছে এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। রয়েছে কেবলমাত্র আধ্যাত্মিক ভাবনার প্রকাশ। ঠিক এই  ভাবেই রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানকে ব্যাখ্যা করলেন। 

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনে রামের ভজন করে (Goutam Deb) গৌতম দেব বলেন, “জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর পছন্দের গান। সারা দেশের সর্বত্র এই গান খুব জনপ্রিয়। এই গানে সর্বধর্মের কথা বলা হয়েছে। এই দেশেই সীতারাম পূজিত হন। এখন কেবলমাত্র জয় শ্রীরাম শোনা যায়। সীতার নাম কেন উচ্চারণ হয় না, তাই জানতে চাই। রামের সঙ্গে সীতা মায়ের পুজোও সমান ভাবে করা হোক।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “কোনও প্রকার ভোটের রাজনীতির কথা আমি বলতে চাই না। রামায়ণ আমাদের সকলের।”     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ju Abvp: যাদবপুরে রাম মন্দিরের উদ্বোধনী সম্প্রচার ঘিরে সংঘর্ষ এবিভিপি ও বাম ছাত্র সংগঠনের

    Ju Abvp: যাদবপুরে রাম মন্দিরের উদ্বোধনী সম্প্রচার ঘিরে সংঘর্ষ এবিভিপি ও বাম ছাত্র সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছিল ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। অভিযোগ, প্রোজেক্টর-সহ অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার সময় সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠনের ওপর হামলা চালায় বাম ছাত্র সংগঠন। পাল্টা জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে শুরু করে এবিভিপি সদস্যরা (Ju Abvp)। পরিস্থিতি সামাল দিতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটে হাজির হন অধ্যাপকদের একাংশ। বন্ধ করে দেওয়া হয় গেট। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত চাপা উত্তজেনা রয়েছে এখনও। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে বলা হয়েছে, ‘‘সকলের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলেই সহযোগিতা করুন।’’

    গ্রিনজোনে বিক্ষোভ এবিভিপির

    ক্যাম্পাসে বাধা পাওয়ার পরে এবিভিপি সদস্যরা (Ju Abvp) পরবর্তীকালে গ্রিন জোনে বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। তখনও তাদের মুখে শোনা যায় রাম-রাম এবং জয় শ্রীরাম স্লোগান। তখনই উল্টো দিক থেকে এগিয়ে আসে বাম ছাত্র সংগঠনের পড়ুয়ারা। তাদের মুখে ছিল ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান। এবিভিপি সদস্যদের উপর হামলা করার উদ্দেশ্যেই তারা আসে। শুরু হয়ে যায় ধস্তাধস্তি। ঘটনাস্থলে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন সহ-উপাচার্য অমিতাভ দত্ত। অশান্তি এতটাই ছড়ায় যে মাথা ফেটে যায় সিকিউরিটি হেড মুকুল চন্দ্র দাসের। গেটের বাইরে প্রচুর পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গিয়েছে। 

    কী বলছেন এবিভিপি কর্মীরা?

    প্রসঙ্গত, ছাত্রদের উদ্যোগে যাদবপুরে রাম মন্দিরের সরাসরি সম্প্রচার অনুষ্ঠান যে হবে, তা আগেই জানিয়েছিল ছাত্র সংগঠনটি। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রচারও শুরু করেছিল তারা। আয়োজক হিসেবে নাম লেখা ছিল জেইউ স্টুডেন্ট। কিন্তু তখন থেকেই এসএফআই এবং বাম ছাত্র সংগঠনগুলি হুমকি দিতে থাকে রামের নামে কোনও অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ে করা যাবে না। এনিয়ে এবিভিপির (Ju Abvp) সদস্যরা বলেন,  “আমরা স্ক্রিনিং করছিলাম। প্রসাদ দিতাম। পুজো করতাম। সেই সময় বামপন্থী ছেলেমেয়েরা জোর করে ঢোকার চেষ্টা করে। আমাদের গালিগালাজ করা হয়। ওরা স্লোগান দেয়। এমনকী মারধর করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share