AAP Bus Scam: বাস দুর্নীতিতে আপ সরকারের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের

cbi

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে জেরবার অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার। এবার বাস কেনায় দুর্নীতির (CBI Investigation for Bus Scam) অভিযোগে দিল্লির বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে শাসক দল আমি আদমি পার্টির (AAP) বিরুদ্ধে সিবিআই (CBI) তদন্তের নির্দেশ দিলেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনা (Delhi Lieutenant Governor Vinai Kumar Saxena)। জানা গিয়েছে, গত মাসেই আপের বিরুদ্ধে বাস দুর্নীতির অভিযোগে নতুন করে সরব হয় গেরুয়া শিবির (BJP)। এরপরে মুখ্যসচিব নরেশ কুমার লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে ওই সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করেন। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে হাজারটি বাস কেনা ও তার রক্ষনাবেক্ষনের টেন্ডারে দুর্নীতির অভিযোগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন তিনি। যদিও বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা সুর চড়িয়েছে আম আদমি পার্টি। আপের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সবটাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আপের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে চলেছেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর, কেন জানেন?        
 
দিল্লি ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (Delhi Transport Corporation) সম্প্রতি হাজারটি লো ফ্লোর বাস কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। টেন্ডার দেওয়া হয় একটি সংস্থাকে। অভিযোগ, নিয়মের তোয়াক্কা না করেই দিল্লির পরিবহণ মন্ত্রীকে টেন্ডার কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়। গত জুন মাসে এই নিয়ে উত্তাল হয় বিরোধী দল। দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে নতুন করে অভিযোগ জমা পড়ে। দিল্লির মুখ্যসচিব রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, সেই রিপোর্টে তিনি বেনিয়মের কথাই উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি টেন্ডারেও ত্রুটি রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। পরে ওই বাস কেনা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।  
 
এদিকে বাস কেনার বেনিয়মের অভিযোগ উড়িয়ে আম আদমি পার্টির মুখপাত্র সৌরভ ভরদ্বাজ বলেন, “যে বাসের কথা বলা হচ্ছে তা কেনার প্রক্রিয়া আগেই স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। গত দেড় বছরে এই মামলায় সিবিআই কিছুই বেনিয়ম খুঁজে পায়নি।” পাশাপাশি দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে আপের পক্ষ থেকে বলা হয়, “নিজের ওপর ওঠা অভিযোগগুলি থেকে দৃষ্টি সরাতে এখন বাসের প্রসঙ্গ টানছেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর।” 

আরও পড়ুন: অসংসদীয় আচরণ, সাসপেন্ড করা হল রাজ্যসভার আরও ৩ সাংসদকে

সিবিআই ইতিমধ্যেই এই বাসগুলি কেনা এবং বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত চুক্তিগুলি নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে তদন্ত চালাচ্ছে। তার মধ্যেই লেফটেন্যান্ট গভর্নর নতুন অভিযোগগুলিকেও যুক্ত করার জন্য সিবিআই-কে অনুমোদন দিয়েছেন। নিজের সাফাইয়ে আপ জানিয়েছে, ‘‘বাস কখনও কেনাই হয়নি, দরপত্রও বাতিল করা হয়েছিল।  
 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share