Durga Puja 2023: শঙ্খচিলের ডাকে হত অষ্টমীর বলি! ভোগে কাঁচকলা দিয়ে শুক্তো আর কচুশাক 

Durga_Puja_2023_(19)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান জেলার বুদবুদ থানার খাণ্ডারী গ্রাম। এখানকারই অভিজাত পরিবার চট্টরাজ পরিবার। এই পরিবারে দেবী দুর্গার পুজো (Durga Puja 2023) হয় মহা ধুমধাম করে। আজও প্রাচীন রীতি মেনে দুর্গার আরাধনা হয় চট্টরাজ পরিবারে। খাণ্ডারীর চট্টরাজ পরিবারের দেবী দুর্গার প্রতিষ্ঠা হয় ১৫২৬ সালে। এ বছর চট্টরাজ পরিবারের দেবী দুর্গা ৪৯৭ বছরে পা দিল। সাবেক বর্ধমান জেলার (বর্তমানে দুই বর্ধমান জেলা) প্রাচীন দুর্গাপুজোগুলির মধ্যে অন্যতম একটি দুর্গাপুজো হল খাণ্ডারী গ্রামের চট্টরাজ পরিবারের দুর্গাপুজো। পুজোর প্রতিষ্ঠা করেন চট্টরাজ পরিবারের বৈদ্যনাথ চট্টরাজ।

অষ্টমীর বলির প্রথা (Durga Puja 2023)

চট্টরাজ পরিবারের দেবীর আরাধনায় (Durga Puja 2023) অষ্টমীর বলির একটি প্রথা ছিল। প্রাচীন কালের এই প্রথা এখন আর মেনে চলা সম্ভব হয়নি। কারণ, আকাশে এখন আর শঙ্খচিল দেখা যায় না। প্রাচীন কালে আকাশে উড়ত শঙ্খচিল। আর সেই শঙ্খচিল ডাকলে তবেই অষ্টমীর মাহেন্দ্রক্ষণে বলি হত। এখন আর অবশ্য সেই প্রাচীন প্রথা মেনে চলা সম্ভব হয় না।

ভোগেও ব্যতিক্রমী ছোঁয়া (Durga Puja 2023)

চট্টরাজ পরিবারের দেবীর আরাধনায় ভোগের মধ্যেও বেশ ব্যতিক্রমী ছোঁয়া রয়েছে। চট্টরাজ পরিবার সুত্রে জানা গিয়েছে, বহুকাল আগে কোনও এক অজ্ঞাত ব্যক্তি পুজোর সময় দেবী দুর্গার মন্দিরের সামনে একটি ছাগল, এক কাঁদি কাঁচকলা আর কচু শাক রেখে দিয়ে যায়। অদ্ভুদভাবে চট্টরাজ পরিবারের এক কর্তা দেবীর স্বপ্নাদেশ পান, নবমীর দিন ছাগলটিকে বলি দিতে হবে এবং এবং সেই ছাগলের মাংস ভোগে দিতে হবে ও তার সাথে কাঁচকলা দিয়ে শুক্তো আর কচুশাক রান্না করে দিতে হবে। নবমীর দিন দেবীর নির্দেশ মতো ছাগ বলি দেওয়া এবং তার মাংস ভোগে দেওয়া এবং কাঁচকলা দিয়ে শুক্তো ও কচু শাক দেওয়া হয়। সেই প্রাচীন প্রথা (Durga Puja 2023) আজও মেনে চলে চট্টরাজ পরিবার। সিঁদুর খেলারও রেওয়াজ রয়েছে এই পরিবারের।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share