C V Ananda Bose: স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সরানোর নির্দেশ রাজ্যপালের

cv

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষাক্ষেত্রকে দুর্নীতিমুক্ত করতে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। একের পর এক বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য বদল করেছেন তিনি। এবার ইউজিসি’র নিয়ম মেনে নিয়োগ না হওয়ায় স্বাস্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুহৃতা পালকে অপসারিত করলেন রাজ্যপাল। ঠিক কারণে সুহৃতা পালকে সরানো হয়েছে, তার কারণও জানিয়েছে রাজভবন। 

রাজভবনের যুক্তি

উল্লেখ্য, সার্চ কমিটির দ্বারা নিয়োগ হয়েছিলেন স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  সুহৃতা পাল। কিন্তু সেই কমিটিতে ইউজিসি’র কোনও সদস্য ছিলেন না। পদ্ধতি  না মেনে নিয়োগ হওয়ায় স্বাস্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সরিয়ে দেওয়া হবে না কেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে রাজভবন। এখন দেখার, সুহৃতা পাল কী পদক্ষেপ নেন। সূত্রর খবর, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধ আদালতে যেতে পারেন সুহৃতা পাল। এদিকে, সুহৃতা পাল যদি সরে যান, তাহলে কে আপাতত সেই পদ সামলাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সূত্রের খবর, এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে কথা বলছে রাজভবন। প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে এ রাজ্যে স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয় । সেই সময় উপাচার্য নিয়োগের জন্য একটি সার্চ কমিটি গঠিত হয়েছিল। সেই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ীই নিয়োগ হত। তাতে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা UGC-র কোনও  প্রতিনিধি। ২০১৩ সালে আইন সংশোধন হয়। এরপর বাদ পড়ে ইউজিসির প্রতিনিধি। সেই নতুন সার্চ কমিটিই নিয়োগ করেছিল সুহৃতা পালকে।

আরও পড়ুন: ক্যাম্পাসের ভিতরেও হিংসার প্রবেশ! ছাত্র মৃত্যুর পর যাদবপুরে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

কেন অপসারণ

ঘটনার সূত্রপাত একটি চিঠি ঘিরে। চিকিৎসক সংগঠনগুলি সম্প্রতি স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধ চরম অরাজকতার অভিযোগ তুলে রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছিল। তারপর রাজভবনের পক্ষ থেকে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। তখনই সামনে আসে সুহৃতা পালের নিয়োগ নিয়ম মেনে হয়নি। তার কারণ জানতে চেয়ে একাধিকবার স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চিঠি পাঠায় রাজভবন। আচার্যের যুক্তি সার্চ কমিটি দ্বারা নিয়োগ হলেও সেই সময় কমিটিতে থাকতেন না ইউজিসি-র কোনও প্রতিনিধি। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের নির্দেশ রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। ইউজিসির নিয়ম না মেনে আদালত অবমাননা করা হয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছে রাজভবন। কিন্তু কোনও সদুত্তর মেলেনি। তাই সুহৃতা পালকে অপসারণের নিদের্শ জারি করেছেন রাজ্যপাল। 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  
 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share