মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা (Train Accident) থেকে রক্ষা পেল হাওড়া-পুরী সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেস। চলন্ত ট্রেন থেকে কাপলিং খুলে আলাদা হয়ে গেল ইঞ্জিন ও দুটো বগি। বেশ কিছুদূর এগিয়ে যায় ইঞ্জিন সহ বগি দুটি। জানা গেছে, সেই সময় ট্রেনের ভিতরে ঘুমিয়ে ছিলেন যাত্রীরা। আচমকাই ঝাঁকুনিতে শোরগোল পড়ে যায়। খবর দেওয়া হয় দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়গপুর ডিভিশনের আধিকারিকদের। ওই দুটি বগিকে মেরামতি না করতে পারায় নতুন করে দুটি বগি লাগানো হয় ট্রেনের সঙ্গে। যাত্রীদের নামিয়ে নতুন বগি লাগিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা পর পুরীর উদ্দেশে রওনা দেয় ট্রেনটি। শনিবার রাত ১.০৫ নাগাদ ঘটনাটি ঘটে পশ্চিম মেদিনীপুরের নেকুরসেনি স্টেশনের কাছে। তবে ঘটনায় (Train Accident) হতাহতের কোনও খবর নেই।
কীভাবে ঘটল এই ঘটনা?
কীভাবে ঘটল এই ঘটনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে রেলের তরফে। জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে হাওড়া ছেড়ে বেরনোর পর রাত ১ টা ৫ মিনিট নাগাদ পশ্চিম মেদিনীপুরের নেকুরসেনি স্টেশনে পৌঁছায় ট্রেনটি। স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার সময় চলন্ত ট্রেনের কাপলিং খুলে যায়। ইঞ্জিন সহ দুটি বগি বাকি ট্রেনকে ফেলে রেখে এগিয়ে যায়। ঘটনার (Train Accident) ফলে পুরনো কম্পার্টমেন্ট থেকে যাত্রীদের নামিয়ে নতুন বগিতে তুলে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর নেকুরসেনি থেকে পুরীর উদ্দেশে রওনা দেয় ট্রেনটি। যদিও যাত্রীদের একাংশের দাবি, প্রায় ঘণ্টা পাঁচেকের বেশি সময় তাঁরা আটকে ছিলেন।
আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা
মাঝরাতে এভাবে আটকে পড়ায় অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। একইসঙ্গে একাংশ এই ভেবেই শঙ্কিত হন, ওভাবে ইঞ্জিন ছাড়া বগিগুলি গার্ডের নজরে না পড়লে আরও বড় দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটতে পারত। যদিও দুর্ঘটনার ফলে কোনও যাত্রীই আহত হননি। সবাই সুরক্ষিত ছিলেন। সকাল সওয়া ছটা নাগাদ পুরীর উদ্দেশে রওনা হয় ট্রেনটি। তবে এই দীর্ঘ সময় ট্রেনটি আটকে থাকায় রাতে ওই রুটে চলা মালগাড়িগুলির যাতায়াতে প্রভাব পড়ে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply