Nepal Janata Party: আড়েবহরে বাড়ছে নেপাল জনতা পার্টি, প্রতিবেশী দেশে পক্ষ বিস্তার বিজেপির?

nepal_janata_party_f

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় হিন্দুরাষ্ট্র ছিল নেপাল। পরে সংবিধান সংশোধন করে দেশ হয়েছে ধর্মনিরপেক্ষ। এর পরেই হিন্দুদের একাংশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তাঁরাই এখন আশ্রয় নিচ্ছেন নেপাল জনতা পার্টির (Nepal Janata Party) ছাতার তলায়। যে কারণে হিমালয়ের কোলের এই দেশে নিত্য আড়েবহড়ে বাড়ছে নেপাল জনতা পার্টি।

নেপাল জনতা পার্টি

২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠা হয় নেপাল জনতা পার্টি। এর দু’ বছর পর থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভারতের পদ্ম-পার্টির মতো নেপাল জনতা পার্টিরও প্রতীক পদ্ম। দুই পার্টির নীতি, আদর্শ মায় ভাবধারাও প্রায় এক। নেপালে সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের কথা বলে ওই দল। তুলে ধরছে অবিচ্ছেদ্য মানবতাবাদের আদর্শকেও। এহেন নেপাল জনতা পার্টি (Nepal Janata Party) চর্চায় এসেছে সম্প্রতি। গত বছর স্থানীয় নির্বাচনে ১৭টি আসনে জয়ী হয়েছিল ওই দল। ২০২৭ সালে নেপালে সাধারণ নির্বাচন। এই নির্বাচনে যাতে বিপুল সংখ্যক আসন নিয়ে কুর্সি দখল করা যায়, তাই এখন থেকেই কোমর কষে নেমেছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি

নেপাল জনতা পার্টির কার্যনির্বাহী সভাপতি খেমনাথ আচার্য। তিনি বলেন, “নেপালের জনসংখ্যার ৮১ শতাংশই হিন্দু। এই ভোটব্যাঙ্ককেই টার্গেট করছি আমরা।” দলের সদস্য যোগী পুরিও জানান, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু নাগরিকের স্বার্থ রক্ষার্থেই হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা উচিত নেপালের। এজন্য বিপ্লবে ঝাঁপিয়ে পড়ার ডাকও দিয়েছেন পুরি। নেপালের পার্লামেন্টের নাম হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ। আসন সংখ্যা ২৭৫টি। তাই ১৩৮টি আসন জয়ের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছেন নেপাল জনতা পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব। মাসখানেক আগে রাজধানী কাঠমান্ডুতে দলের প্রধান কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়। তার পরেই শুরু হয়েছে সদস্য সংগ্রহের কাজ। দলীয় নেতৃত্বের দাবি, ইতিমধ্যেই ৪০ হাজার মানুষ চলে এসেছেন পার্টির ছাতার তলায়। ঊর্ধ্বমুখী সদস্য সংগ্রহের গ্রাফ।

আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ফোন ভ্লাদিমির পুতিনের, কী কথা হল দুই রাষ্ট্রপ্রধানের?

জানা গিয়েছে, অগাস্টের প্রথম দিকেই দিল্লি সফরে এসেছিলেন খেমনাথ। তিনি সাক্ষাৎ করেছিলেন বিজেপির (Nepal Janata Party) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল, লাদাখের সাংসদ জামইয়াং শেরিং নামগিয়ালের সঙ্গে। যোগগুরু বাবা রামদেবের সহযোগী বালকৃষ্ণের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি। বিজেপির আরও অনেক শীর্ষ স্থানীয় নেতার সঙ্গেও কথা বলেন খেমনাথ। তিনি বলেন, “দেবভূমি নেপালের ৮০ শতাংশ নাগরিক হিন্দু। কিন্তু তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ নেতাদের ভয়ে নিজেদের হিন্দু বলে পরিচয় দিতে ভয় পান তাঁরা। এর ওপর রয়েছে ধর্মান্তরণের খাঁড়াও। তাই নেপালকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করার সময় এসেছে।”

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share