Orthodox Christmas: যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা পুতিনের, অক্সিজেন খুঁজছে রাশিয়া?

vladimir_putin

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশ মাসের বেশি সময় ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine War)। এতদিনেও যুদ্ধে ইতি টানার প্রয়োজন বোধ করেনি রাশিয়া কিংবা ইউক্রেন। যদিও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দেখা হতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেছিলেন, এই যুগ যুদ্ধের নয়। তার পরেও থামানো যায়নি যুযুধান দুই দেশকে। তবে শেষমেশ যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। তবে এই যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করা হয়েছে মাত্র ৩৬ ঘণ্টার জন্য, অর্থোডেক্স ক্রিসমাস (Orthodox Christmas) উদযাপন করতে।

ক্রিসমাস…

২৫ ডিসেম্বর পালিত হয়েছে ক্রিসমাস। তবে রাশিয়া, ইউক্রেনের মতো কয়েকটি দেশে ক্রিসমাস পালিত হয় অন্য দিনে। এই দুই দেশের মানুষ মনে করেন, ২৫ ডিসেম্বর নয়, যিশু জন্মেছিলেন জানুয়ারির ৬ অথবা ৭ তারিখে। এই দিনকে বলা হয় অর্থোডক্স ক্রিসমাস। এক সময় হাতে গোণা কিছু মানুষ এই অর্থোডক্স ক্রিসমাস পালন করলেও, এখন সেন্ট্রাল এবং ইস্টার্ন ইউরোপিয়ান এবং মিডিল ইস্টের দেশগুলিতে ঘটা করে পালিত হয় অর্থোডক্স ক্রিসমাস। বেলারুশ, মিশর, ইথিওপিয়া, জর্জিয়া, কাজাখস্থান, মেসিডোনিয়া, মল্ডোভা, সার্বিয়া, রাশিয়া, ইউক্রেন এবং আরও কয়েকটি দেশ ২৫ ডিসেম্বরের পরিবর্তে পালন করে অর্থোডক্স ক্রিসমাস (Orthodox Christmas)। সেই কারণে এই দেশগুলিতে জানুয়ারির ৭ তারিখে পাবলিক হলিডে। আর্মেনিয়া এবং লেবাননেও পালিত হয় অর্থোডক্স ক্রিসমাস। তবে তারা দিনটি পালন করে জানুয়ারির ৬ তারিখে। আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডা কিংবা অস্ট্রেলিয়ার খুব বেশি মানুষ অর্থোডক্স ক্রিসমাস পালন করেন না। তাই এই দেশগুলিতে জানুয়ারি ৬ কিংবা ৭ তারিখে ছুটিও থাকে না।  

আরও পড়ুুন: জোট সরকারকে হুমকি তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের, কেন জানেন?

কেন কেউ ২৫ তারিখে যিশুর জন্মদিন পালন করেন, কেনইবা অন্যরা অন্য দিনে? এর কারণ দুটি ক্যালেন্ডার চালু থাকায়। এই দুটি ক্যালেন্ডার হল গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এবং জুলিয়ান ক্যালেন্ডার। যাঁরা জুলিয়ান ক্যালেন্ডার মেনে চলেন, তাঁরা রক্ষণশীল। তাঁদের কাছে যিশুর জন্ম দিন জানুয়ারির ৭ তারিখে। আর যাঁরা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসরণ করেন, তাঁদের কাছে যিশুর জন্মদিন ২৫ ডিসেম্বর। 

তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে ইউক্রেন। মস্কোর যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের নেপথ্যে কোনও অভিসন্ধি রয়েছে কিনা, তা নিয়ে সন্দিহান ইউক্রেন এবং তার মিত্র দেশগুলিও। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তো বলেই ফেললেন, আমার মনে হয় তিনি (পুতিন) কিছুটা অক্সিজেন খোঁজার চেষ্টা করছেন। 

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

 
 

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share