Blog

  • Siliguri: মমতার নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়িতে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা তৃণমূল নেতার

    Siliguri: মমতার নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়িতে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশকে ফুৎকারে উড়িয়ে উচ্ছেদে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল শিলিগুড়ির (Siliguri) তৃণমূল নেতা দিলীপ বর্মনের বিরুদ্ধে। তিনি আবার শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্যও। সাধারণত এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযানে বিরোধীরাও এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকেন, সেখানে তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতার এই ভূমিকা দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    হাজার টাকা ভাতা, রেশন লাগবে না (Siliguri)

    মঙ্গলবার শিলিগুড়ির (Siliguri) চম্পাসারি মোড়ে বাজার উচ্ছেদ অভিযানে যান শিলিগুড়ি পুরসভার কর্মীরা। তৃণমূল নেতা দিলীপ বর্মন সেই উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেন। উচ্ছেদ না করেই ফিরে যান পুরসভার কর্মীরা। ব্যবসায়ীরা সাফ বলেন, মাসে মাসে হাজার টাকা ভাতা, রেশন কিছুই লাগবে না। ডালরুটি খেয়েই আমাদের চলবে। ছেলেমেয়ে মানুষ করা ও সংসার চালাতে দোকান  করার জন্য একটু জায়গা ভিক্ষা চাই। 

    আরও পড়ুন: টয়োটা ফরচুনার, পাজেরো, জিপ কম্পাস, মারুতি জেন, তৃণমূল ব্লক সভাপতির গ্যারাজ যেন শো-রুম

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের দাবিতে সরব হয়ে উচ্ছেদ আটকে দেন দিলীপ বর্মন। ডাকাবুকো মেজাজে মেয়র গৌতম দেব ও  তৃণমূল কংগ্রেসকে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তৃণমূল নেতা বলেন, পুনর্বাসন দিয়েই উচ্ছেদ করতে হবে। তার জন্য আমি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে রাস্তায় বসব। এর জন্য দল আমাকে বাদ দিলে, কাউন্সিলর পদ কেড়ে নিলে আমি তা মেনে নেব। কিন্তু, ব্যবসায়ীদের জন্য এই লড়াই থেকে সরব না। আমি এখানে কাউন্সিলর হওয়ার পর ২০২২ সালে চম্পাসারিতে সাড়ে ১১ বিঘা জমি উদ্ধার করে দিয়েছি। সেই জমি আজও পুরসভা নিজের দখলে নেয়নি। একদিকে কেউ সরকারি জমি নিয়ে ব্যবসা করবে, অন্যদিকে উচ্ছেদের নামে গরিব মানুষকে পথে বসাবে, এটা আমি হতে দেব না। পুরসভার দায়িত্বে যিনি রয়েছেন এর দায় তাকে নিতে হবে।

    কী বলছেন ব্যবসায়ীরা?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) চম্পাসারি মোড়ে এই বাজারে ১৩৯ জন ব্যবসায়ী রয়েছেন। কেউ ৩১ কেউ বা ৩৫ বছর ধরে এখানে দোকান করে আসছেন।  এদিন তাঁরা তৃণমূলের পতাকা নিয়েই পুরসভার অভিযানের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।  শ্রীরাম সাহানি,মাম্পি সাহা, দুর্গাদেবীরা বলেন, পুনর্বাসন দিয়েই উচ্ছেদ করতে হবে। আমরা ডাল রুটি খেয়ে থাকতে চাই। দোকান করার মতো একটু জায়গা ভিক্ষা চাই।

     কী বললেন মেয়র?

    দলের মেয়র পরিষদ সদস্য এভাবে পুরসভার উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়ায় কিছুটা হলেও চাপে পড়েছেন মেয়র (Trinamool Congress) গৌতম দেব। তিনি বলেন, জোর করে কিছু করব না। সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই  উচ্ছেদ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: উর্দি পরা অবস্থায় পুলিশ অফিসারকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    Barrackpore: উর্দি পরা অবস্থায় পুলিশ অফিসারকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার, শোরগোল

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্তব্যরত অবস্থায় পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলর ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বারাকপুর (Barrackpore) পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে রানি রাসমণি ঘাট এলাকায়। আক্রান্ত পুলিশ অফিসারের নামে ওমকার বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ট্র্যাফিক বিভাগে কর্মরত।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    জানা গিয়েছে, হামলার ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩০শে এপ্রিল। পুরানো হলেও হামলার ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) আর তাতেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। পুলিশ অফিসারের বাড়ির (Barrackpore) কাছে দলীয় ব্যানার লাগানোকে কেন্দ্র করে গন্ডগোল বাধে। ঘটনাটি লোকসভা ভোটের সময়। তৃণমূল কাউন্সিলর রমেশ সাউ ও তাঁর দলবল এলাকায় দলীয় ব্যানার লাগাচ্ছিলেন। পুলিশ অফিসারের বাড়ির কাছে তৃণমূলের (Trinamool Congress) ব্যানার লাগানো নিয়ে তিনি আপত্তি জানান। এনিয়ে কাউন্সিলর রমেশ সাউ এবং তাঁর ছেলে বিমল সাউয়ের নেতৃত্বে গুন্ডা বাহিনী পুলিশ অফিসারের বাড়িতে রাত ১১ টা নাগাদ চড়াও হন। পুলিশ অফিসার ও তাঁর পরিবারের লোকজনকে অকথ্য ভাষায় তাঁরা গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ। পুলিশ অফিসার উর্দি পরে ছিলেন। তিনি এসবের আপত্তি জানান। সেই সময় পুলিশ অফিসারকে কাউন্সিলর এবং তাঁর ছেলে প্রকাশ্যে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটান বলে অভিযোগ। হামলার ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর জড়িত থাকায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়। তাই, গত চার মাস বিষয়টি সামনে আসেনি। পরে, হামলার ভিডিও ভাইরাল হতেই চরম বেকায়দায় শাসক দল।

    আরও পড়ুন: টয়োটা ফরচুনার, পাজেরো, জিপ কম্পাস, মারুতি জেন, তৃণমূল ব্লক সভাপতির গ্যারাজ যেন শো-রুম

    অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর কী বললেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর রমেশ সাউ বলেন, সামান্য ব্যানার লাগানো নিয়ে গন্ডগোল হয়েছিল। ওই পুলিশ অফিসারের স্ত্রী আমাদের গালাগালাজ করছিলেন। আমরা তার আপত্তি করি। এরপর ওই পুলিশ অফিসার এসে আমাকে মারধর করে। ছেলের ওপর হেলমেট নিয়ে চড়াও হয়। বঁটি দিয়ে কাটতে যায়। সেই সময় আমরা তাঁকে বাধা দিয়েছি। তাতে কিছুটা লেগে থাকতে পারে। পুরানো ঘটনা। আলোচনা করে বিষয়টি মিটে গিয়েছে। সেটা নিয়ে এখন চর্চা হওয়ার কথা নয়।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপি নেতা কৌস্তব বাগচী বলেন, এই রাজ্যে সাধারণ মানুষ, বিরোধী দলের সমর্থক তো দূরে থাক,পুলিশের নিরাপত্তাও বলে কিছু নেই। একজন পুলিশ কর্মীকে রাস্তায় ফেলে তৃণমূলের (Trinamool Congress) কাউন্সিলর পেটালেন, তার কোনও বিচার হবে না। আমরা চাই, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 90: “কর্ম ত্যাগ করবে কেন? ঈশ্বরের চিন্তা, তাঁর নামগুণগান, নিত্যকর্ম—এসব করতে হবে”

    Ramakrishna 90: “কর্ম ত্যাগ করবে কেন? ঈশ্বরের চিন্তা, তাঁর নামগুণগান, নিত্যকর্ম—এসব করতে হবে”

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ  কথোপকথন

    নবম পরিচ্ছেদ

    তস্মাদসক্তঃ সততং কার্যং কর্ম সমাচার

    অসক্তো হ্যাচরন্কর্ম পরমাপ্নোতি পুরুষঃ।।

    গীতা/১৯/

    কেশবাদি ব্রাহ্মদিগকে কর্মযোগ সমন্ধে উপদেশ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (কেশবাদি ভক্তের প্রতি)—তোমরা বল জগতের উপকার করা। জগৎ কি এতটুকু গা! আর তুমি কে, যে জগতের উপকার করবে? তাঁকে সাধনের দ্বারা সাক্ষাৎকার কর। তাঁকে (Ramakrishna) লাভ কর। তিনি শক্তি দিলে তবে সকলের হিত করতে পার। নচেৎ নয়।

    একজন ভক্ত—যতদিন না লাভ হয়, ততদিন সব কর্ম (Kathamrita) ত্যাগ করব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—না; কর্ম ত্যাগ করবে কেন? ঈশ্বরের চিন্তা, তাঁর নামগুণগান, নিত্যকর্ম—এ-সব করতে হবে।

    ব্রাহ্মভক্ত—সংসারের কর্ম? বিষয়কর্ম?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হ্যাঁ, তাও করবে, সংসারযাত্রা জন্য যেটুকু দরকার। কিন্তু কেঁদে নির্জনে তাঁর কাছে প্রার্থনা করতে হবে, যাতে ওই কর্মগুলি নিষ্কামভাবে করা যায়। আর বলবে, হে ঈশ্বর, আমার বিষয়কর্ম কমিয়ে দাও, কেন না ঠাকুর দেখছি যে, বেশি কর্ম জুটলে তোমায় ভুলে যাই। মনে করছি, নিষ্কামকর্ম করছি, কিন্তু সকাম হয়ে পড়ে হয়তো দান সদাব্রত বেশি করতে গিয়ে লোকমান্য হতে ইচ্ছা হয়ে পড়ে।

    পূর্বকথাশম্ভু মল্লিকের সহিত দানাদি কর্মকাণ্ডের কথা

    শম্ভু মল্লিকের হাসপাতাল, ডাক্তারখান, স্কুল, রাস্তা, পুস্করিণীর কথা বলেছিল। আমি বললাম (Kathamrita) যেটা পড়ল, না করলে নয়, সেটাই নিষ্কাম হয়ে করতে হয়। ইচ্ছা করে বেশি কাজ জড়ানো ভালো নয়—ঈশ্বরকে ভুলে যেতে হয়। কালীঘাটে দানই করতে লাগল; কালীদর্শন আর হলো না। (হাস্য) আগে জো-সো করে, ধাক্কাধুক্কি খেয়েও কালীদর্শন করতে হয়, তারপর দান যত কর আর না কর। ইচ্ছা হয় খুব কর। ঈশ্বরলাভের জন্যই কর্ম। শম্ভুকে তাই বললুম, যদি ঈশ্বর সাক্ষাৎকার হন, তাঁকে কি বলবে কতগুলো হাসপাতাল, ডিসস্পেন্সারি করে দাও? (হাস্য) ভক্ত কখনও তা বলে না বরং বলবে, ঠাকুর (Ramakrishna)! আমায় পাদপদ্মে স্থান দাও, নিজের সঙ্গে সর্বদা রাখ, পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি দাও।

    আরও পড়ুনঃ “আমি কর্তা, আমি কর্তা—এই বোধ থেকেই যত দুঃখ, অশান্তি”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিধানসভার রাজনীতিকরণের অভিযোগে স্পিকারে অনাস্থা বিজেপির

    Suvendu Adhikari: বিধানসভার রাজনীতিকরণের অভিযোগে স্পিকারে অনাস্থা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা (No Confidence) আনল বিজেপি। মঙ্গলবার বিধানসভার সচিবের সঙ্গে দেখা করে বিমান বাবুর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ বিজেপি বিধায়করা। অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়ার সময় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিজেপি বিধায়করা। শুভেন্দু বাবু জানিয়েছেন, পক্ষপাতিত্তের অভিযোগে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছেন তাঁরা।

    বিধানসভাকে দশকর্মা ভান্ডারে পরিণত অভিযোগ শুভেন্দুর (No Confidence)

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “বিধানসভাকে দশকর্মা ভান্ডারে পরিণত করেছেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিধানসভা কার্যত দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়ে গেছে। আমরা ফিরহাদ হাকিমের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছিলাম। আমাদের মুলতবি প্রস্তাব পড়তে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। উল্টে আমাদের প্রতিবাদ, স্লোগানকে বাধা দেওয়ার জন্য দুই মিনিটের বেশি বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। লোকসভা ভোটে যিনি তৃণমূলের প্রচার করেছেন, তাঁকে বিজেপির সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন স্পিকার। যাহা মুখ্যমন্ত্রী তাহাই বিমান দা। মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। তাই অধ্যক্ষের (No Confidence)  অপসারণ চাই। এই দলতন্ত্রের হাত থেকে মুক্তি চাই।”

    অহেতুক প্রসঙ্গে বিধানসভায় আলোচনার অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    জানা গিয়েছে, অনাস্থা প্রস্তাবে (No Confidence) মোট ১৮ টি নির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে বিজেপির তরফে। বিজেপির অভিযোগ, বিধানসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে কোনও আলোচনা হয় না। বিধানসভায় সব সময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করা হয়। বিধানসভা এবং রাজ্য সংক্রান্ত বিষয়ের তুলনায় অন্যান্য রাজ্য এবং কেন্দ্র নিয়ে বেশি আলোচনা হয়। এহেন কর্মকাণ্ড বিধানসভার রীতি নয়। প্রধানমন্ত্রীকে অপমানজনক মন্তব্য করা হয় বিধানসভা থেকে। রাজ্যের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে, বিরোধীদের সেই আলোচনা করতে দেওয়া হয় না। উল্টে মনিপুর, উত্তরপ্রদেশের অবাঞ্ছিত ঘটনার উদাহরণ দেওয়া হয়। প্রতি সোমবার বিধানসভায় পুলিশ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয়-ঘনিষ্ঠ বারিক ট্রাকচালক থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক! উল্কার গতিতে উত্থান কোন পথে?

    কিন্তু পুলিশ মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী ওই আলোচনা সময় বিধানসভায় উপস্থিত থাকেন না বলে অভিযোগ (Suvendu Adhikari) বিজেপি বিধায়কদের।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: ৫ অগাস্ট থেকে বাড়ছে মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের সময়সীমা, জানুন টাইমটেবিল

    Kolkata Metro: ৫ অগাস্ট থেকে বাড়ছে মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের সময়সীমা, জানুন টাইমটেবিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) যাত্রীদের জন্য দারুণ খবর। আগামী ৫ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে সময়সূচি। কবি সুভাষ (Kabi Subhash) থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় পর্যন্ত মেট্রো অরেঞ্জ লাইনের পরিষেবার সময় বাড়ানো হচ্ছে বলা জানা গিয়েছে। সকালে প্রথম মেট্রো ছাড়ার সময় কিছুটা পিছিয়ে আনা হয়েছে এবং শেষ মেট্রো ছাড়ার সময় রাত পর্যন্ত কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে আগে থেকে সময় অনেকটাই বেড়েছে। যাত্রীর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে সপ্তাহে ৫ দিন নয়, ৬ দিন মিলবে মেট্রো।

    মেট্রো রেলের বিবৃতি (Kolkata Metro)

    মেট্রো একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পরিষেবা আরও উন্নত সহজ করতে মেট্রো রেক চালানো হবে স্টেশনগুলিতে। এতদিন এই ‘অরেঞ্জ’ লাইনের আপ এবং ডাউন লাইনে মোট ৪৮টি রেক চলতো। এবার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪। দুই স্টেশনেই এবার থেকে মেট্রো চলবে সকাল ৮টা থেকে। যদিও এতদিন চলছিল সকাল ৯টা থেকে। অপর দিকে এত দিন পর্যন্ত বিকেল ৪টে ৪০ মিনিট পর্যন্ত শেষ মেট্রো চলত। এবার থেকে সেই ট্রেনের সময় বেড়ে দাঁড়াল রাত্রি ৮টা পর্যন্ত। ক্রমশ যাত্রীদের সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    জনসংযোগ আধিকারিকের বক্তব্য

    মেট্রোরেলের (Kolkata Metro) জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেছেন, “মেট্রোরেল মূলত চালানো হয় কলকাতাবাসীর সুবিধার কথা মাথায় রেখেই। অনেক দিন ধরেই অরেঞ্জ লাইনে পরিষেবা বৃদ্ধি করার জন্য অনুরোধ বার বার আসছিল। ওই লাইনে বেশ কয়েকটি হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সে ক্ষেত্রে অনেকেই প্রতিদিন যাতায়াত করেন। এই সব কথা চিন্তা করেই পরিষেবা বৃদ্ধি করছি আমরা।”

    আরও পড়ুনঃ জামিন পেলেও এখনই ছাড়া পাচ্ছেন না কেষ্ট মণ্ডল, থাকতে হবে তিহাড়েই

    বাসনো হবে এএসসিআরএম মেশিন

    মেট্রোতে (Kolkata Metro) অরেঞ্জ লাইনে নিউ গড়িয়া (Kabi Subhash) থেকে রুবি পর্যন্ত যেতে মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। আবার অপর দিকে, পার্পল লাইনের তারাতলা, সখের বাজারে যাত্রী সংখ্যা কম হওয়ার কারণে টিকিট কাউন্টার তুলে নেওয়া হবে। সেখানে টিকিট ব্যবস্থা হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে। বাসানো হবে এএসসিআরএম মেশিন। যাত্রীরা নিজেরাই টিকিট কাটতে পারবেন। এই তালিকায় যুক্ত করা হবে অরেঞ্জ লাইনের কবি সুকান্ত স্টেশনকেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajrappa Chhinnamasta: উদ্ধত খড়্গ, ছিন্ন মস্তক! ভয়াল রূপের পিছনেও রয়েছে মাতৃরূপ

    Rajrappa Chhinnamasta: উদ্ধত খড়্গ, ছিন্ন মস্তক! ভয়াল রূপের পিছনেও রয়েছে মাতৃরূপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের অন্যতম প্রধান শক্তিপীঠ রাজরাপ্পা ছিন্নমস্তা মন্দির (Rajrappa Chhinnamasta)। দামোদর আর ভোরা বা ভৈরবী নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত এই দেবী ছিন্নমস্তা দশমহাবিদ্যার অন্যতম। রাজরাপ্পা নামটির পিছনেও এক লোককথা প্রচলিত আছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, “রাজা” নামের এক জনপ্রিয় স্থানীয় রাজার স্ত্রীর নাম ছিল “রুম্পা”। এই রাজা এবং রুম্পার নাম থেকেই নাম হয়েছে “রাজরাপ্পা”। এই মন্দিরের আরাধ্যা দেবী হলেন মা ছিন্নমস্তা। তাঁর দুই হাতের এক হাতে উদ্ধত খড়্গ এবং অপর হাতে তিনি ধারণ করে রয়েছেন তাঁর ছিন্ন মস্তক। তাঁর মুণ্ডবিহীন গলদেশ থেকে তিনটি ধারায় ফিনকি দিয়ে রক্ত ঝরছে। লোল জিহ্বায় তিনি সেই শোনিত ধারা পান করে চলেছেন। তাঁর কণ্ঠে নরমুণ্ড মালা। কাম ও রতির ওপরে দেবী দন্ডায়মান। তবে তাঁর এই ভয়াল রূপে ভয়ের চেয়েও বেশি করে ধরা পড়ে তাঁর মাতৃরূপের।

    কী সেই চমকপ্রদ লোককাহিনি? (Rajrappa Chhinnamasta)

    মায়ের এই রূপের পিছনেও রয়েছে এক চমকপ্রদ লোককাহিনি। কথিত, একদা ডাকিনী ও যোগিনীর সঙ্গে এক সরোবরে স্নান করছিলেন দেবী। সেই সময় ডাকিনী, যোগিনীর প্রচণ্ড ক্ষুধা পেলে তাঁদের ক্ষুধাতুর অবস্থা দেখে এবং অন্য কোথাও কোনও খাবারের সন্ধান করতে না পেরে বিচলিত হয়ে নিজেই নিজের মুণ্ডচ্ছেদ করেন। তাঁর মুণ্ডহীন গলদেশ থেকে যে রক্তের তিনটি ধারা নির্গত হয়, তা এসে পড়ে ডাকিনী, যোগিনী এবং স্বয়ং দেবীর মুখে। এভাবেই তিনি ডাকিনী, যোগিনীর ক্ষুধা নিবারণ করেন। এর থেকেই দেবীর মমতাময়ী মাতৃরূপের পরিচয় দেন দেবী। একদিকে দামোদর আর অন্যদিকে ভৈরবী নদীর সঙ্গমস্থলে এক অনুচ্চ টিলার উপর অবস্থিত এই দেবী ছিন্নমস্তা মন্দির।

    ৬০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন (Jharkhand)

    এখানকার এই ছিন্নমস্তা মন্দিরের সঠিক ইতিহাস জানা যায় না। তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই অভিমত, এই মন্দিরটি (Rajrappa Chhinnamasta) প্রায় ৬০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন। এখানে এই মন্দিরটি ছাড়াও রয়েছে মহাদেব ও দক্ষিণাকালীর মন্দির। এর কাছেই অষ্টমাতৃকা মন্দির। মায়ের ভৈরবরূপী শিবলিঙ্গটিও প্রকাণ্ড এবং সুউচ্চ। ইচ্ছে হলে নৌবিহার করাও যায় দামোদর নদের বুকে। আশেপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও অসাধারণ। আবার ফেরার পথে দেখে নেওয়া যায় রামগড়ের সুপ্রাচীন শিবমন্দিরটিও। বহু ইতিহাসের সাক্ষী এই শিবমন্দিরটির বহুলাংশই বর্তমানে বিনষ্ট হয়ে গেলেও যতটুকু অবশিষ্ট আছে সেটুকুই সেই অতীত দিনের ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    কীভাবে যাবেন? (Rajrappa Chhinnamasta)

    যাতায়াত–ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে প্রায় ৬৮ কিমি দূরে এই স্থান। রাঁচি থেকে বাসে আসতে হবে রামগড়। রামগড় থেকে অটো বা গাড়িতে আসতে হবে রাজরাপ্পা। আবার রাঁচি থেকে গাড়ি নিয়ে এসে আবার রাঁচি ফিরে গিয়ে রাত্রিবাস করা যায় রাঁচিতেই। রাজরাপ্পায় থাকার ব্যবস্থা অত্যন্ত অপ্রতুল। কাজেই রাঁচি থেকে ঘুরে নেওয়াই ভালো। রাঁচিতে থাকা খাওয়া, গাড়ি অথবা প্যাকেজ ট্যুরে রাজরাপ্পা (Jharkhand) ঘুরে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০৯৮৩১৩৯০৫২৪ অথবা ০৭৭৩৯০৮৯০৫২ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • US Immigration Issues: আমেরিকায় প্রায় আড়াই লক্ষ অভিবাসী অনিশ্চতায়, বেশিরভাগ ভারতীয়! ফিরতে হবে দেশে?

    US Immigration Issues: আমেরিকায় প্রায় আড়াই লক্ষ অভিবাসী অনিশ্চতায়, বেশিরভাগ ভারতীয়! ফিরতে হবে দেশে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী নভেম্বরেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আমেরিকায়। কমলা হ্যারিস না ডোনাল্ড ট্রাম্প কে আসবেন তা নিয়ে জোর জল্পনা মার্কিন রাজনীতির অন্দর মহলে। মার্কিন নির্বাচনে অভিবাসন নীতি (US Immigration Issues) একটা বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচন মিটলেই হয়তো অভিবাসীদের সন্তানদের দেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী হবে আমেরিকা। এর মধ্যে একটা বড় অংশই ভারতীয়দের। তাই তাঁদের কপালে চিন্তার ভাঁজ।

    নাগরিকত্বের আশা

    বহু অভিবাসী (US Immigration Issues) আমেরিকায় গিয়ে সেখানকার নাগরিকদের বিয়ে করেছেন এবং তাঁদের সন্তানও রয়েছে। সেই সংখ‌্যাটা প্রায় আড়াই লক্ষ। এবার তাঁদের দেশে ফেরত পাঠাতে চাইছে মার্কিন প্রশাসন। এর গোটা দায়ভার পূর্বতন রিপাবলিক‌ান সরকারের উপর চাপিয়েছে হোয়াইট হাউস। যদিও এ দায় অস্বীকার করেছে রিপাবলিকানরা। বিদেশি পড়ুয়ারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্নাতক হলেই ‘অটোমেটিক’ গ্রিন কার্ড পেয়ে যাবেন বলে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে কট্টর অভিবাসী-বিরোধী বলে নিন্দিত ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে আমেরিকার স্থায়ী নাগরিক হিসেবে গণ্য হবেন সেখানে স্নাতকস্তরে পড়তে যাওয়া ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা। পড়া শেষ করেই পাততাড়ি গুটিয়ে ফিরে আসতে হবে না দেশে।

    হোয়াইট হাউসের কথা

    রীতিমতো আইনকানুন মেনেই মার্কিন মুলুকে পা রেখেছেন বহু ভারতীয়। পরে সেখানেই থিতু হয়েছেন। তবে তাঁদের সন্তানদের জন‌্য অপেক্ষা করছে অনিশ্চয়তা। কারণ অভিবাসী (US Immigration Issues) ও মার্কিন নাগরিকের সন্তানদের আর মার্কিন ভূমে রাখা হবে না। এই তরুণ সম্প্রদায়ের অনেকেই এখন ‘ইয়ং অ‌্যাডাল্ট’ অর্থাৎ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দ্বারপ্রান্তে অপেক্ষা করছেন। এখন তাঁরা স্বপ্ন দেখছেন মার্কিন মুলুকের পাকাপাকি নাগরিক হওয়ার। সেই দায় বইতে চাইছে না প্রশাসন। এই গোটা জটিল প্রক্রিয়ার জন‌্য রিপাবলিকানদের দিকে দায় ঠেলে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব, কেরিন জঁ পিয়ের বলেন, “আগেও তাদের ফেরত পাঠানোর জন‌্য আলোচনা হয়। কিন্তু এই প্রস্তাব রিপাবলিক‌ানরা দুবার বাতিল করেছে।”  তিনি জানিয়েছেন, “এই তরুণ প্রজন্ম এখানেই স্কুলে কলেজে পড়েছে। বড় হয়েছে। দীর্ঘদিন গ্রিন কার্ড ইস্যু করা হয়নি। ফলে অনেক অভিবাসীই এই তালিকায় অপেক্ষায় রয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: পাইন গাছের বর্জ্য ব্যবহার করেই জীবিকা অর্জনের সুযোগ, পথ দেখাচ্ছেন দুই বোন

    উল্লেখ্য, আমেরিকায় অবৈধভাবে বসবাস করা কয়েক হাজার অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দিতে একটি নতুন উদ্যোগের কথা আগেই অবশ্য ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই উদ্যোগের আওতায় মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করেছেন এমন প্রায় পাঁচ লাখ অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। যদিও এই অভিবাসন নীতি (US Immigration Issues) রিপাব্লিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির ঘোর বিপরীত। তব ভবিষ্যতে কী হবে তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তাতেই দিন কাটাচ্ছেন অভিবাসীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: ”পদক, ইতিহাস মাথায় ছিল না, শুধু শেষ পর্যন্ত লড়তে চেয়েছিলাম”, বললেন ভারতীয় শুটার মনু

    Paris Olympics 2024: ”পদক, ইতিহাস মাথায় ছিল না, শুধু শেষ পর্যন্ত লড়তে চেয়েছিলাম”, বললেন ভারতীয় শুটার মনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র দুদিনের ব্যবধানেই প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) দ্বিতীয় পদক জয় করলেন মনু ভাকের (Manu Bhaker)। ব্যক্তিগত বিভাগের পর এবার ১০ মিটার এয়ার পিস্তলের মিক্সড ইভেন্টে সরবজ্যোৎ সিংহকে নিয়েই ব্রোঞ্জ জিতলেন ২২ বছর বয়সি হরিয়ানার এই তরুণী। প্রথম ভারতীয় ক্রীড়াবিদ হিসাবে একই অলিম্পিক্সে পরপর দুটি পদক জয়ের পর মনু জানালেন, দ্বিতীয় পদক বা ইতিহাসের কথা তাঁর মাথাতেই ছিল না। স্রেফ শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে চেয়েছিলেন। 

    ম্যাচ জয়ের পরে কী প্রতিক্রিয়া মনুর?

    এই ঐতিহাসিক জোড়া পদক জয়ের পর নিজের প্রথম প্রতিক্রিয়ায় মনু বলেন, ”আমি ভীষণ গর্বিত এবং আমার জন্য এত প্রার্থনা করায় আমি কৃতজ্ঞ। সকলের আশীর্বাদ ছাড়া এটা সম্ভব ছিল না। প্রতিপক্ষ কী করবে, সেটা তো আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সেই বিষয়টা আমাদের হাতে নেই। কিন্তু আমাদের হাতে যেটা আছে, সেটা আমরা করতে পারি। আমি এবং আমার পার্টনার বাকি কোনওকিছু না ভেবে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। নিশ্চিত করি, যাই হয়ে যাক না কেন, শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাব। প্যারিসে আসার আগেই আমি আর সরবজ্যোৎ ঠিক করেছিলাম, অন্য কোনও দিকে মন দেব না। ইভেন্টের দিন নিজেদের সেরাটা দেব। তারপর যা হবে দেখা যাবে। যা-ই হোক না কেন, সেটা মেনে নেব। ভারতীয় হিসাবে একই অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) দ্বিতীয় পদক জিততে পেরে গর্বিত।” 

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সে দ্বিতীয় পদক ভারতের, ইতিহাস গড়লেন মনু ভাকের, সঙ্গী সরবজ্যোৎ

    এখনও বাকি মনুর প্যারিস অলিম্পিক্স সফর (Paris Olympics 2024)

    যদিও প্রথম সিরিজেই ভারতীয় দল পিছিয়ে পড়েছিল কোরিয়ার কাছে। খারাপ স্কোর করেছিলেন সরবজ্যোৎ। কিন্তু দ্বিতীয় সিরিজ থেকেই ঘুরে দাঁড়ায় ভারত। পর পর চারটি সিরিজ জিতে নেয়। খেলা ওখানেই ভারতের পক্ষে চলে আসে। বলাই বাহুল্য, মনু (Manu Bhaker) প্রতিটি সিরিজেই ভাল স্কোর করছিলেন, যা ভারতের এই জয়ের অন্যতম কারণ। তবে তাঁর প্যারিস অলিম্পিক্সের সফর কিন্তু এখানেই শেষ হচ্ছে না। তাঁর সামনে আরও এক পদক জয়ের সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। ২৫ মিটার এয়ার পিস্তলের ইভেন্টেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে নামবেন মনু। এত পর্যন্ত তাঁর যা পারফরম্যান্স, তাতে সেই ইভেন্টে হরিয়ানার অলিম্পিয়ানের থেকে পদকের প্রত্যাশায় থাকবে গোটা দেশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: পাঁচ বছরেই বিশ্বের অর্থনীতিতে তিন নম্বরে উঠবে ভারত, দাবি মোদির

    PM Modi: পাঁচ বছরেই বিশ্বের অর্থনীতিতে তিন নম্বরে উঠবে ভারত, দাবি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পাঁচ বছরে ভারত বিশ্বের তৃতীয় সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হবে। মঙ্গলবার দেশের রাজধানী দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত “জার্নি টুওয়ার্ডস বিকশিত ভারত আলোচনা চক্রে এমনটাই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ।

    আঘাত সত্বেও এগিয়েছে অর্থনীতি (Budget 2024)

    দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতের জিডিপি হার ৮% থাকবে। বিগত ১০ বছরে দশটি বড় সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে আমরা। করোনা প্যান্ডেমিক ভারতের উন্নতি পথ আটকে রাখতে পারেনি। সাময়িক ধাক্কা কাটিয়ে আমরা আবার উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছি। বর্তমানে ভারত পঞ্চম সবচেয়ে বড় অর্থনীতি। শীঘ্রই আমরা তৃতীয় সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হয়ে উঠব। সেই দিন দূরে নেই, যখন ভারত তৃতীয় সবচেয়ে বড় অর্থব্যবস্থা হয়ে উঠবে। ২০১৪-র আগে দেশের অবস্থা এরকম ছিল না। প্রায় দিন আমরা দুর্বল অর্থনীতি এবং নানান ধরনের কেলেঙ্কারির খবর শুনতে পেতাম। এখন সেসব অতীত। রেল বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এবারের বাজেট (Budget 2024) ১ দশকের আগের বাজেটের তুলনায় ৮ গুণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। কৃষি খাতেও আমরা ৪ গুণ অর্থ বরাদ্দ করেছি। ভারতের প্রতিরক্ষা খাতে দুগুণ বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে।

    “কথা রাখি” বললেন মোদি (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ভারত একমাত্র অর্থনীতি, যেখানে উন্নয়নের হার বেশি এবং মুদ্রাস্ফিতীর হার কম। ভারত অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিশ্বের অনেক দেশের কাছে মডেল হয়ে উঠেছে। বিশ্বের উন্নতির ক্ষেত্রে ভারতের অংশীদারিত্ব ১৬%। ১০ বছরে অর্থনীতির উপর একাধিক আঘাত সত্ত্বেও ভারত এ কাজ করে দেখিয়েছে। ভারতের অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা সম্পর্কে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এক সময় ছিল যখন ভোটের আগে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হত, নেতারা ভোটের পর সেগুলিকে দিবাস্বপ্ন মনে করে ভুলে যেতেন। কিন্তু আমি সেই কাজ করি না। আমরা ভোটের আগে যা বলি, ভোটের পর সেটা পূরণ করে দেখাই। আমরা তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছি। ২০১৪ সালে ১৬ লক্ষ কোটি টাকার বাজেট হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সে দুর্নীতির প্রতিযোগিতা হলে, তৃণমূল কংগ্রেস স্বর্ণ পদক পেত, কটাক্ষ রাজু বিস্তার

    আমাদের সরকার ৪৮ লক্ষ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছে। ২০০৪ সালে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার ৯০ হাজার কোটি টাকা ছিল। ২০২৪ সালের (Budget 2024) সেই ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার ১১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: জ্যোতিপ্রিয়-ঘনিষ্ঠ বারিক ট্রাকচালক থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক! উল্কার গতিতে উত্থান কোন পথে?

    ED: জ্যোতিপ্রিয়-ঘনিষ্ঠ বারিক ট্রাকচালক থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক! উল্কার গতিতে উত্থান কোন পথে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে আব্দুল বারিক বিশ্বাসের উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বসিরহাটের সংগ্রামপুরের বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি (ED)। সন্দেশখালি, বনগাঁর ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর শতাধিক জওয়ানকে সঙ্গে নিয়ে বারিকের ডেরায় যায় ইডির তদন্তকারী দল। মঙ্গলবার সংগ্রামপুরে বারিকের বাড়ি লাগোয়াই রয়েছে তাঁর চালকল। সেখানেও তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসাররা। পাশাপাশি তল্লাশি চালায় তাঁর কারখানা ও নিউটাউনের ফ্ল্যাটে।

    কে এই আব্দুল বারিক বিশ্বাস? (ED)

    ট্রাক চালক থেকে কোটিপতি! স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারিকের উত্থান অনেকটাই সিনেমার গল্পের মতো। বর্তমানে পেশায় কোটিপতি ব্যবসায়ী বারিক এককালে ছিলেন ট্রাকচালক। সেই সময় গরু পাচারের কাজে ব্যবহৃত হত বসিরহাটের একাধিক ‘করিডর’। বসিরহাটের স্বরূপনগর থেকে শুরু করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা জুড়ে চলত পাচারের কারবার। সূত্রের খবর, ট্রাক চালানোর সুবাদেই পাচারকারীদের সঙ্গেও যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল তাঁর। কোথা থেকে গরু আনা হত, কোথা থেকে সীমান্ত পার করতে হত, বাংলাদেশে কারা সেই গরু কিনতেন, সীমান্তে কাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হত এই কারবারের সঙ্গে, সে সব তথ্যও জেনে নিয়েছিলেন। এ ভাবেই ধীরে ধীরে নিজের পরিধি বর্ধিত করতে শুরু করেছিলেন তিনি। এরপর শুরু করেন নিজের ‘সাম্রাজ্য’ তৈরির প্রস্তুতি। শোনা যায়, এক সময়ে শুধু বসিরহাট বা বনগাঁ এলাকাতেই নয়, গোটা রাজ্যেই সীমান্তবর্তী এলাকায় পাচারের কারবারে অন্যতম বড় নাম হয়ে ওঠে আব্দুল বারিক।

    আরও পড়ুন: টয়োটা ফরচুনার, পাজেরো, জিপ কম্পাস, মারুতি জেন, তৃণমূল ব্লক সভাপতির গ্যারাজ যেন শো-রুম

    সোনাপাচারে জেলও খেটেছেন

    রেশন দুর্নীতিতে ইডি (ED) হানার আগে সোনা পাচারের অভিযোগ ছিল বারিকের বিরুদ্ধে। ২০১৫ সালে প্রচুর সোনা-সহ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল শুল্ক দফতর। কয়েক বছরের জন্য জেলেও গিয়েছিলেন। পরে, অবশ্য জামিনে মুক্তি পান। জেল থেকে মুক্তির পর অবশ্য ‘ভাবমূর্তি’-তে কিছুটা বদল আনার চেষ্টা করেন তিনি। পাচারের কারবারের বদলে শুরু করেন একাধিক ব্যবসা। ইট ভাটা, কয়লা, ট্রাকের ব্যবসা শুরু করেন। এমনকী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও চালু করেন। এরপর ধীরে ধীরে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে বারিকের। বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে, নেতাদের সঙ্গে দেখা যেতে থাকে তাঁকে। সূত্রের দাবি, সেই সময়েই জ্যোতিপ্রিয়ের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’ তৈরি হয় বারিকের।

    বারিককে গুরু মানতেন এনামূল

    মুর্শিদাবাদের এনামূল হক জেরায় স্বীকার করেছিলেন, বারিকের হাত ধরেই তিনি গরু পাচার শুরু করেন। গরুর সঙ্গে সোনা পাচারেও হাত পাকানোর অভিযোগ রয়েছে বারিকের নামে। প্রতি ১০ গ্রাম সোনা বাংলাদেশ থেকে সীমান্তের এই পারে এনে দিলেই মুনাফা ৪ হাজার টাকা! সোনা পাচার মামলায় ইডি (ED) গ্রেফতার করেছিল বারিককে। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। ২০১৫ সালে ২০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি।

    জ্যোতিপ্রিয় মদতেই রমরমা বারিকের!

    সারদা চিটফান্ড মামলায় বারিকের নাম উঠে আসে। বারিকের মাধ্যমে চিটফান্ডের টাকা পাচার হয়েছে বলে ইঙ্গিত মেলে। ওই সময় বারিক জামিন পাওয়ার পর দীর্ঘদিন লোক চক্ষুর আড়ালে চলে যান। এরপরই ধীরে ধীরে রাইস মিল থেকে শুরু করে অন্যান্য বিভিন্ন ব্যবসায় লগ্নি করেন বারিক। আগাগোড়া জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বারিককে মদত দেন বলে অভিযোগ। ২০২১ সালে ফের বারিকের নাম উঠে আসে সিবিআইয়ের হাত ধরে। গরুপাচার মামলার তদন্তে উঠে আসে বারিকের নাম। এক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বারিক বিশ্বাসের দাদা গোলাম উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) জেলা পরিষদের সদস্য ছিলেন ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত। ২০১৮ সালে গোলামের স্ত্রী নির্বাচনে জেলা পরিষদের টিকিট পান। গোলামের স্ত্রী সাফিজা বেগম এখনও তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য।

    রেশন দুর্নীতির টাকা বিনিয়োগ!

    বারিক বিশ্বাস সোনা পাচারে গ্রেফতার হওয়ার পর জামিন পেয়ে রিয়েল এস্টেট থেকে শুরু করে ইটভাটা এবং অ্যাগ্রো প্রোডাক্টের ব্যবসা শুরু করেন। কলকাতা, নিউটাউন, রাজারহাট, বসিরহাট এলাকায় প্রচুর সম্পত্তিও কেনা হয়েছে। ওই কোম্পানিরগুলির আড়ালেই বারিক বেআইনি পাচার ব্যবসা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ। রেশন দুর্নীতির টাকাও এই সংস্থাগুলির মাধ্যমে বিনিয়োগ হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share