Blog

  • Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয় সুস্থই, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন কবে? ইডি হেফাজতই বা কবে থেকে?

    Ration Scam: জ্যোতিপ্রিয় সুস্থই, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন কবে? ইডি হেফাজতই বা কবে থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের রায় শুনে জ্ঞান হারিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Ration Scam)। তড়িঘড়ি তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। বাইপাসের ধারের ওই বেসরকারি হাসপাতাল সূত্রে খবর, হাসপাতালে ভালই আছেন মন্ত্রীমশাই। হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ড সূত্রে খবর, উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতাকে আর হাসপাতালে রাখার প্রয়োজন নেই। তবে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, বেসরকারি ওই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরেই শুরু হবে মন্ত্রীর ইডি হেফাজত।

    মন্ত্রীর স্বাস্থ্য

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, বর্তমানে মন্ত্রীর (Ration Scam) শরীরে ইউরিয়া ক্রিয়েটিনিনের মাত্র সাধারণ মানুষের চেয়ে সামান্য বেশি। তবে চিকিৎসকদের মতে, যেহেতু আগে থেকেই তাঁর কিডনির সমস্যা ছিল, তাই মন্ত্রীর ক্ষেত্রে এটাই স্বাভাবিক। তাই এ ব্যাপারে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। যেহেতু আগেই সব পরীক্ষা নিরীক্ষা হয়ে গিয়েছে, তাই নতুন করে আর মন্ত্রীর কোনও পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। সেই কারণে রবিবার রাতেই জ্যোতিপ্রিয়কে সিসিইউ থেকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে ৩৭৪ নম্বর কেবিনে। ওই রাতেই রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ধৃত মন্ত্রীর শারীরিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট তুলে দেওয়া হয়েছে ইডির হাতে।

    স্পিকটি নট সতীর্থরা

    এদিকে, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে দলীয় মন্ত্রী গ্রেফতার হওয়ায় মুখে কুলুপ এঁটেছেন জ্যোতিপ্রিয়র সতীর্থরা। শুক্রবার কাকভোরে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। সোমবার বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করতে বিধানসভায় এসেছিলেন তৃণমূলের অনেক বিধায়ক, মন্ত্রী। তবে জ্যোতিপ্রিয় সম্পর্কে সবাই স্পিকটি নট।

    আরও পড়ুুন: সিঙ্গুরে ন্যানো কারখানা না হওয়ায় টাটাকে দিতে হবে গুণাগার, টাকার পরিমাণ জানেন?

    তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের গায়ে গ্রেফতারির কলঙ্ক লেগেছে অনেক আগেই। জ্যোতিপ্রিয়র আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। তাঁর মন্ত্রিত্ব খোয়া গিয়েছে। ঘরে পড়েছে তালা। জ্যোতিপ্রিয় গ্রেফতার হয়েছেন শুক্রবার। তাঁর ঘরেও পড়েছে তালা। তবে তাঁর অবশ্য চেয়ার যায়নি। মন্ত্রিত্ব খোয়া যাওয়ার পর খুলে নেওয়া হয়েছে পার্থর ঘরের সামনে থেকে নামফলক। জ্যোতিপ্রিয়র নাম ফলক অবশ্য জ্বলজ্বল করছে। কতদিন (Ration Scam) করবে, কে জানে!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ডের উৎস জানার অধিকার নেই সাধারণ মানুষের, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র  

    Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ডের উৎস জানার অধিকার নেই সাধারণ মানুষের, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে কালো টাকার খেলা বন্ধ করতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেজন্য তাঁর সরকার চালু করেছিল নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bond)। ২০১৮ সালে এই বন্ডের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রয়াত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। বন্ড চালু হওয়ার ফলে যিনি রাজনৈতিক দলগুলিকে চাঁদা দিতে চান, তাঁকে বন্ড কিনে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট পার্টিকে।

    নির্বাচনী বন্ড

    এক হাজার থেকে ১ কোটি টাকা মূল্যের বন্ড পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে বন্ড ভাঙিয়ে নিতে পারে রাজনৈতিক দলগুলি। তবে কে, কত টাকা দিচ্ছেন, তা জানা যায় না। এই নির্বাচনী বন্ডের তহবিল কোথা থেকে আসছে, সাধারণ মানুষের তা জানার অধিকার নেই বলেই সুপ্রিম কোর্টে জানিয়ে দিল কেন্দ্র। সোমবার এই মর্মে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিয়েছে কেন্দ্র। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে মঙ্গলবার শুনানি হবে ওই মামলার। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন এই সাংবিধানিক বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বিআই গাভাই, বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র।

    কেন্দ্রের হলফনামা

    এদিন হলফনামায় (Electoral Bond) অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানি জানিয়ে দেন, নির্বাচনী বন্ডের উৎস সম্পর্কে জানার অধিকার সাধারণ মানুষের নেই। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চে ভেঙ্কটরামানি বলেন, “সংবিধানের তিন নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিষয়টি ভারতীয় নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না।” তাঁর দাবি, নির্বাচনী বন্ডে রাজনৈতিক দলগুলির তহবিলে ‘অনামা দাতা’ সম্পর্কে যে গোপনীয়তা রয়েছে, তা যুক্তিসঙ্গত। নির্বাচনী বন্ড সংবিধানের ১৯(২) ধারার অধীন। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ বলবতের ক্ষমতা রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের।”

    আরও পড়ুুন: সিঙ্গুরে ন্যানো কারখানা না হওয়ায় টাটাকে দিতে হবে গুণাগার, টাকার পরিমাণ জানেন?

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনী বন্ডের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সব মিলিয়ে আবেদন জমা পড়েছিল চারটি। আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস নেত্রী জয়া ঠাকুর এবং সিপিএম। বিজেপি বিরোধীদের দাবি, কেন্দ্র এবং অধিকাংশ রাজ্যে ক্ষমতায় থাকায় বিজেপি কার্যত অর্থ আমদানির স্থায়ী বন্দোবস্ত করে ফেলতে চাইছে। তাই নির্বাচনী বন্ড চালু রাখতে মরিয়া পদ্মশিবির। যদিও সরকারের যুক্তি, চাঁদা কারা দিচ্ছেন, তা প্রকাশ করতে গেলে এত দিনের মতো নগদেই হবে কালো টাকার লেনদেন (Electoral Bond)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Cricket: পাক ক্রিকেটে দোলাচল! বিশ্বকাপ চলাকালীন ইস্তফা দিলেন প্রধান নির্বাচক ইনজামাম

    Pakistan Cricket: পাক ক্রিকেটে দোলাচল! বিশ্বকাপ চলাকালীন ইস্তফা দিলেন প্রধান নির্বাচক ইনজামাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের (ODI World Cup 2023) মাঝেই পাকিস্তান ক্রিকেট দলের (Pakistan Cricket Team) মুখ্য নির্বাচকের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ইনজামাম উল হক। সোমবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে একথা জানান হয়। চলতি বিশ্বকাপে (ODI World Cup 2023) পাকিস্তান ক্রিকেট দলের (Pakistan Cricket Team) পারফরম্যান্স নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। পরপর চার ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাওয়ার দোরগোড়ায় পাকিস্তান। এমন পরিস্থিতিতে ইনজামামের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ আনার পরেই সোমবার, ৩০ অক্টোবর নিজের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তিনি। 

    কেন ইস্তফা দিলেন ইনজামাম

    পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইনজামাম এমন একটি কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যেটির মালিক ক্রিকেটারদের এক এজেন্ট। ফলে ক্রিকেটারদের নির্বাচনে সেই ব্যক্তির হাত থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।  ‘ইয়াজো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ নামে একটি কোম্পানির অংশীদার ইনজামাম। সেই কোম্পানির মালিক তালহা রেহমানি। এই রেহমানি বাবর আজম, মহম্মদ রিজওয়ান, শাহিন আফ্রিদি-সহ পাকিস্তানের বেশ কিছু ক্রিকেটারের এজেন্ট। প্রশ্ন উঠেছিল, ইনজামামের সূত্রে পাকিস্তানের দল নির্বাচনে হাত থাকতে পারে রেহমানির। বিশেষত, গত কয়েক দিনে পাক বোর্ডের সঙ্গে ক্রিকেটারদের বার্ষিক চুক্তি ঘিরে বিতর্ক যেখানে তুঙ্গে, সেখানে এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে যায়।

    পাক বোর্ডের তরফে জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপের দল নির্বাচনে রেহমানির কোনও হাত রয়েছে কি না, তা জানতে পাঁচ সদস্যের একটি তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা আগামী দিনে বিষয়টি তদন্ত করে দেখে বোর্ডকে জানাবে। ইনজামাম বলেছেন, “বোর্ডের তরফে আমাকে ফোন করে এই কমিটির কথা জানানো হয়েছে। আমি কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি। আমিই বোর্ডকে বলেছিলাম, পদত্যাগ করাই সবচেয়ে ভাল। সব ঠিক হলে তার পরে আবার বোর্ডের সঙ্গে কথা বলব।”

    আরও পড়ুন: পাক-ভূমে যাবে না ভারত! পঁচিশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তাহলে খেলবে কোন কোন দেশ?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Singur Verdict: সিঙ্গুরে ন্যানো কারখানা না হওয়ায় টাটাকে দিতে হবে গুণাগার, টাকার পরিমাণ জানেন?

    Singur Verdict: সিঙ্গুরে ন্যানো কারখানা না হওয়ায় টাটাকে দিতে হবে গুণাগার, টাকার পরিমাণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিঙ্গুর (Singur Verdict) মামলায় মুখ পুড়ল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের। ওই মামলায় জয়ী হল টাটা মোটরর্স। সংস্থার দাবি, ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনকে সুদ সহ ক্ষতিপূরণ বাবদ টাটাকে দিতে হবে ৭৬৬ কোটি টাকা।

    কত টাকা দিতে হবে টাটাকে?

    সোমবার স্টক এক্সচেঞ্জে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন ও টাটা মোটরর্সের মধ্যে আরবিট্রেশন চলছিল। অরবিট্রাল ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্যের কাছে আরবিট্রেশন চলছিল। সেখানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল টাটা। সংস্থার দাবি, সিঙ্গুরে ন্যানো গাড়ি কারখানা গড়তে না পারায় মূলধন বিনিয়োগে ক্ষতি হয়েছে। এদিন ট্রাইব্যুনালের সদস্যরা জানিয়ে দেন, ক্ষতিপূরণ দিতে হবে রাজ্যকে। টাটাকে সরকারকে দিতে হবে ৭৬০ কোটি টাকা। সুদ বাবদ দিতে হবে আরও ৬ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে টাটাকে দিতে হবে ৭৬৬ কোটি টাকা।

    টাটার নোট

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে একটি নোট দিয়ে টাটার (Singur Verdict) তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর তিন সদস্যের আরবিট্রাল ট্রাইব্যুনালে সিঙ্গুরে অটোমোবাইল কারখানা মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। সর্বসম্মতভাবে ট্রাইব্যুনাল, টাটা মোটরর্সকে ৭৬৫.৭৮ কোটি টাকা দিতে বলেছে। সেই সঙ্গে ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুরো ক্ষতিপূরণ পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ১১ শতাংশ সুদ দিতে বলা হয়েছে। মামলার খরচ বাবদ আরও এক কোটি টাকা দিতে হবে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনকে। এ প্রসঙ্গে প্রাক্তন বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই নির্দেশ দিয়েছে। সিঙ্গুরে ন্যানো কারখানা করতে না পারায় টাটা মোটরর্স যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেই ক্ষতিপূরণের জন্যই টাটা মোটরর্সকে ওই অর্থ দিতে বাধ্য থাকবে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন।

    আরও পড়ুুন: “বালুর হস্ত করে সমস্ত…” রেশন দুর্নীতিতে রাজ্যের মন্ত্রীর যোগ নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    হুগলির সিঙ্গুরে এক (Singur Verdict) লাখি গাড়ি কারখানা গড়তে বাম আমলে জমি অধিগ্রহণ করেছিল টাটা। তখন রাজ্যের বিরোধী নেত্রী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে তৃণমূল। যার জেরে রাজ্য ছেড়ে গুজরাটের সানন্দে চলে যায় টাটা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Champions Trophy 2025: পাক-ভূমে যাবে না ভারত! পঁচিশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তাহলে খেলবে কোন কোন দেশ?

    Champions Trophy 2025: পাক-ভূমে যাবে না ভারত! পঁচিশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তাহলে খেলবে কোন কোন দেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফিরছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy)। ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজন করবে পাকিস্তান। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে কোন কোন দল খেলবে তা জানিয়েছে আইসিসি। তবে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি যেহেতু পাকিস্তান আয়োজন করবে তাই সেখানে ভারতের অংশগ্রহণ করার সম্ভবনা কম। কারণ সীমান্তে সমস্যার জন্য কোনওভাবেই পাক-ভূমে খেলতে যেতে নারাজ ভারত।

    কোথায় হবে খেলা

    ভারত পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্যই এশিয়া কাপ হাইব্রিড মডেলে খেলা হয়েছে। ভারত পাকিস্তানে খেলতে যায়নি। অন্যদিকে বিশ্বকাপ নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়েছিল। পরে অবশ্য পিছিয়ে আসে পাকিস্তান। তারা বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে আসতে অস্বীকার করলেও পরে তাদের আসতে হয়েছে। তবে পাকিস্তান তাদের সিদ্ধান্ত বদলালেও ভারত তাদের সিদ্ধান্ত অনড় থাকবে। তবে, ভারত না গেলে আইসিসি নিজেদের স্বার্থেই প্রতিযোগিতার স্থান পরিবর্তন করতে পারে। সেক্ষেত্রে ফের খেলা হতে পারে হাইব্রিড মডেলেই। সেক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কা বা সংযুক্ত আরবআমিরশাহী সঠিক ভেন্যু হতে পারে। ইউরোপের দেশগুলোকেও বেছে নেওয়া হতে পারে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য।

    আরও পড়ুন: ২০০৩ সালে ডারবানের পর ২০২৩-এ লখনউ, ২০ বছর পর বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড বধ ভারতের

    খেলবে কারা

    ভারত শেষবার ২০১৩ সালে চ্য়াম্পিয়ন্স ট্রফি জেতে। ২০১৭ সালে ফাইনালে ভারত হেরে গিয়েছিল পাকিস্তানের কাছে। ইতিমধ্যেই আইসিসি জানিয়েছে, ভারতে চলতি বিশ্বকাপ থেকে পাওয়া যাবে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার সুযোগ।

    এই টিকিট পাবে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষে পয়েন্ট টেবলের প্রথম ৭টি দল। ওডিআই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা ৪টি দল ছাড়াও আরও তিনটি দল ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার সুযোগ পাবে। মোট ৮টি দল অংশ নেবে এই টুর্নামেন্টে। তার মধ্যে পাকিস্তান যেহেতু আয়োজক তাই সরাসরি বাবর আজমরা ২০২৫ এর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলবেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Recruitment Scam: গৌতম পালের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, জেরা করতে পারবে সিবিআই?

    Primary Recruitment Scam: গৌতম পালের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, জেরা করতে পারবে সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি সুপ্রিম কোর্টে পেলেন না রক্ষাকবচ। এবার শিক্ষক দুর্নীতি (Primary Recruitment Scam) নিয়োগের তদন্তে সিবিআইয়ের মুখোমুখি হতে হবে সভাপতিকে। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল এবং উপ সচিব পার্থ কর্মকার। সোমবার তাঁদের আবেদন খারিজ হয়। এবার কি হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা?

    খারিজ হল পর্ষদ সভাপতির রক্ষাকবচ

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Primary Recruitment Scam) গত ১৮ অক্টোবর পর্ষদের সভাপতি গৌতম পালকে (Gautam Pal) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রয়োজনে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাবাদ করার কথাও বলেছিলেন বিচারপতি। আর হাইকোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বিশেষ রক্ষাকবচ চেয়ে সুপ্রিমকোর্টে আবেদন করেছিলেন গৌতম পাল। কিন্তু আজ এই আবেদনকে খারিজ করে দেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস এবং বেলা এম ত্রিবেদীর ডিভিশন বেঞ্চ। পরবর্তী শুনানি হবে আগামী শুক্রবার।

    পর্ষদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার উত্তরপত্র স্বরূপ ওএমআরশিট দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানিকে’। ইতিমধ্যে সংস্থার কর্ণধার কৌশিক মাজিকে নিজাম প্যালেসে ডেকে দুর্নীতি (Primary Recruitment Scam) তদন্তের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। এরপর মামলাকারীর আইনজীবী জানান, উত্তরপত্র শিটের ডিজিটাল ফরম্যাটের তথ্যে অনেক ভুল রয়েছে। আদালতে যে নথি উত্তরপত্রের শিট বলে জমা করেছে পর্ষদ, তা আদতে ত্রুটিপূর্ণ। ওএমআর শিট রূপে যা দেখানো হয়েছে, তা কার্যত ডিজিটাল ফরম্যাট নয়, হাতে টাইপ করা শিট। আর এতেই দুর্নীতির বিষয়কে অনুমান করা হচ্ছে। এরপরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে টেটে পরীক্ষার উত্তরপত্রের রিপোর্ট জমা করে পর্ষদ।

    পর্ষদ আইনজীবীর বক্তব্য

    পর্ষদ সভাপতি গৌতম পালের (Gautam Pal) আইনজীবীর বক্তব্য, “২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল সময় পর্বের নিয়োগ প্রক্রিয়ার তদন্ত চলছে। কিন্তু বর্তমান পর্ষদ সভাপতির কাজ কী?”  এই প্রেক্ষিতে, সিবিআইয়ের বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে, গৌতম পালের রক্ষাকবচের আবেদন গ্রাহ্য করেনি বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, যদি তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করা হয় তাহলে গ্রেফতারের আশঙ্কা কেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: কাতারে মৃত্যুদণ্ড ৮ ভারতীয়র, “ওঁদের মুক্তির জন্য যথাসাধ্য করব”, আশ্বাস জয়শঙ্করের   

    S Jaishankar: কাতারে মৃত্যুদণ্ড ৮ ভারতীয়র, “ওঁদের মুক্তির জন্য যথাসাধ্য করব”, আশ্বাস জয়শঙ্করের   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাতারে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন আট ভারতীয়। তাঁদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। “ওঁদের মুক্তির জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা হবে”, আশ্বাস বিদেশমন্ত্রীর। জানা গিয়েছে, ওই ভারতীয়দের সাজা মকুব ও দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই।

    বিদেশমন্ত্রীর ট্যুইট-বার্তা 

    ট্যুইট-বার্তায় বিদেশমন্ত্রী লিখেছেন, “সকালে কাতারে আটক ৮ ভারতীয় নৌসেনা আধিকারিকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁদের মুক্তির জন্য সরকার সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। ওই পরিবারগুলির উদ্বেগ ও বেদনা বুঝতে পারছি। এ ব্যাপারে আমরা তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নিবিড়ভাবে কাজ করছি। এই বিষয়ে ওঁদের পরিবারকে অবগত করা হবে।”

    মৃত্যুদণ্ড দেয় কাতারের আদালত

    সোমবার জয়শঙ্কর ও বিদেশমন্ত্রকের উচ্চ পর্যায়ের আধিকারিকদের সঙ্গে দণ্ডাজ্ঞাপ্রাপ্ত ওই আট ভারতীয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঘণ্টা তিনেক ধরে আলোচনা হয়। প্রসঙ্গত, গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গত বছর নৌবাহিনীর ওই প্রাক্তন আধিকারিকদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। সম্প্রতি তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেয় কাতারের একটি আদালত। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি তাঁদের গ্রেফতারির কথা জানতে পারে ভারতীয় দূতাবাস। ৩০ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে টেলিফোনে সংক্ষিপ্ত যোগাযোগ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ধৃতদের।

    প্রসঙ্গত, গত (S Jaishankar) বছর ৩০ অগাস্ট রাতে কাতারের গোয়েন্দা সংস্থা গ্রেফতার করে ওই আট ভারতীয়কে। এঁরা হলেন ক্যাপ্টেন নভতেজ সিং গিল, ক্যাপ্টেন সৌরভ বশিষ্ট, কমান্ডার পূর্ণন্দু তিওয়ারি, ক্যাপ্টেন বীরেন্দ্রকুমার ভার্মা, কমান্ডার সুগুনাকর পাকাল, কমান্ডার সঞ্জীব গুপ্ত, কমান্ডার অমিত নাগপাল ও নাবিক রাগেশ গোপাকুমার। নৌবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর এঁরা দাহরা গ্লোবাল টেকনোলজিস অ্যান্ড কনসার্ট সার্ভিসেসে চাকরি করছিলেন।

    আরও পড়ুুন: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও কন্যার ব্যাঙ্কের লকারের চাবি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    গ্রেফতারির পরে পরেই ওই (S Jaishankar) আট ভারতীয়কে নিভৃত কারাবাসে রাখা হয়েছিল। ভারত কিংবা কাতার সরকারের তরফে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে কাতার আদালত মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরেই ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে ওই রায়কে অপ্রত্যাশিত বলা হয়েছিল। কাতার সরকারের সঙ্গে ওই আট ভারতীয়ের মুক্তির ব্যাপারে কথা বলা হবে বলেও জানিয়েছিল ভারত সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: “বালুর হস্ত করে সমস্ত…” রেশন দুর্নীতিতে রাজ্যের মন্ত্রীর যোগ নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: “বালুর হস্ত করে সমস্ত…” রেশন দুর্নীতিতে রাজ্যের মন্ত্রীর যোগ নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতার আঙ্গিকে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের একবার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Jyotipriya Mallick) নিয়ে সরব হলেন তিনি। এদিন এক কল্পিত ভাব সম্প্রসারণের কথা উল্লেখ করেন তিনি। শুভেন্দু লেখেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, ভবিষ্যতে পরীক্ষার খাতায় ভাব সম্প্রসারণ আসতে পারে, “এ জগতে, হায়, সেই বেশি চায়, আছে যার ভুরি ভুরি; বালুর হস্ত করে সমস্ত রাজ্যবাসীর রেশন চুরি।’

    কী লিখলেন শুভেন্দু

    এই ভাব সম্প্রসারণের সারমর্মও তুলে ধরেন শুভেন্দু। রাজ্যোর বিরোধী দলনেতার কথায়, ‘বালুর সম্পদের প্রাচুর্য আছে, তাই সে চায় তার সম্পদের পরিমাণ আরও বাড়াতে। এতে সে নীতি নৈতিকতা বিসর্জন দিতেও কুণ্ঠাবোধ করে না। পশ্চিমবঙ্গে তোলামূল নেতাদের বে-আইনি অর্থের তৃষ্ণা কখনও মেটে না। চুরি করে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েও তাদের বে-আইনী অর্থ স্পৃহার অবসান হয় না। তাদের ‘যত পাই, তত চাই’ অবস্থা। তারা সম্পদ বাড়ানোর নেশায় দুর্দমনীয় হয়ে ওঠে। ভাল-মন্দ, হিত-অহিত, সত্য-মিথ্যা, নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে নিজেদের নামে, আত্মীয় স্বজনদের নামে, “বান্ধবীদের” নামে কেবলই ধন-সম্পদ, সোনা হীরা, ফ্ল্যাট, খামার বাড়ি ইত্যাদি আহরণ করতে থাকে। 

    এদিন বিধাননগরে ইডি দফতরে দেখা যায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick)  দাদা দেবপ্রিয়কে। তাঁকে নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘পাবলিক সার্ভিস কমিশনটা লুট করেছে তো। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের দীর্ঘদিনের সদস্য দেবপ্রিয় মল্লিক। উনি দু’নম্বরির মাস্টার।’ শুভেন্দু জানান ইডির তদন্তে উঠে এসেছে দিঘায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বেনামে বিলাসবহুল ৪টি হোটেল রয়েছে। হোটেলের নাম, ছবি এবং লিজ হোল্ডারদের নাম প্রকাশ করে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সম্পত্তির খতিয়ানও তুলে ধরেন শুভেন্দু।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kerala Blasts: কেরল বিস্ফোরণে মৃত আরও এক, তদন্ত শুরু এনআইএ, এনএসজি-র

    Kerala Blasts: কেরল বিস্ফোরণে মৃত আরও এক, তদন্ত শুরু এনআইএ, এনএসজি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের এর্নাকুলাম জেলার কালামাসেরি এলাকায় প্রার্থনা সভায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের (Kerala Blasts) ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের। সোমবার ভোরে মৃত্যু হয়েছে বছর বারোর লিবিনার। এ নিয়ে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওই প্রার্থনা সভায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩। জখম হয়েছেন ৫০ জনেরও বেশি। তদন্তকারীদের পাশাপাশি কেরল পুলিশেরও দাবি, ওই প্রার্থনা সভায় আইইডি ব্যবহার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সংক্ষেপে এনআইএ।

    একাধিক সংস্থার তদন্ত

    ঘটনার নেপথ্যে হামাসের উসকানি রয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির। তিনদিনের এই প্রার্থনা সভা শুরু হয়েছিল শুক্রবার। সেদিনই মুসলিম জঙ্গি সংগঠন হামাসের প্রাক্তন নেতা ভার্চুয়ালি প্যালেস্তাইনের পক্ষে ভাষণ দিয়েছিল। বিস্ফোরণ ঘটে রবিবার। সেদিনই ছিল প্রার্থনাসভার শেষ দিন। বিস্ফোরণের নেপথ্যে কার হাত রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে একাধিক সংস্থা। এনআইএ-র পাশাপাশি তদন্ত করছে এনএসজিও। এই সংস্থা ব্ল্যাক ক্যাট নামেই পরিচিত। কেরল সরকারের নির্দেশে ২০ সদস্যের একটি দলও তদন্ত করছে।

    নাড্ডার নিশানায় কেরল সরকার

    ঘটনায় (Kerala Blasts) কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে একহাত নিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন, “আমূল রাজনৈতিক পরিবর্তনের পক্ষপাতী হওয়ায় কেরলে এমন বিস্ফোরণ ঘটছে।” সোমবার কালামাসারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর। তিনি বলেন, “মৌলবাদ ও মৌলবাদীদের সঙ্গে বারংবার আপোস করছে কেরল সরকার। তার জেরে এমন ঘটনা ঘটছে।”

    আরও পড়ুুন: কেরল বিস্ফোরণের নেপথ্যে হামাসের উসকানি! তদন্ত দাবি বিজেপির

    কেরলের ঘটনার দায় স্বীকার করে রবিবারই স্থানীয় থানায় আত্মসমর্পণ করেছে এক ব্যক্তি। ডমিনিক মার্টিন নামের ওই ব্যক্তির দাবি, সে জিহোবা সাক্ষী (এই গোষ্ঠীই প্রার্থনা করছিল) নামে খ্রিস্টানদেরই একটি গোষ্ঠীর সদস্য। তবে তার বক্তব্য কতটা সত্য, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    এদিকে, ঘটনার (Kerala Blasts) জেরে দিল্লি এবং বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। দেশজুড়ে জারি হয়েছে সতর্কতা। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের আশঙ্কায় জনবহুল এলাকাগুলিতে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। বাজার সহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। গোয়েন্দা বাহিনীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে মুম্বইও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: নথি হাতে সিজিও কমপ্লেক্সে জ্যোতিপ্রিয়ের দাদা দেবপ্রিয়! কী নিয়ে গেলেন তিনি?

    Jyotipriya Mallick: নথি হাতে সিজিও কমপ্লেক্সে জ্যোতিপ্রিয়ের দাদা দেবপ্রিয়! কী নিয়ে গেলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী-কন্যা প্রিয়দর্শিনীর পর সিজিও কমপ্লেক্সে নথি নিয়ে হাজির হলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) দাদা দেবপ্রিয় মল্লিক। সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। দেবপ্রিয় পেশায় চিকিৎসক। ইডির তরফে তাঁর কাছে বেশ কিছু তথ্য চাওয়া হয়। সেই সব বিভিন্ন নথি নিয়েই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন মন্ত্রীর দাদা। 

    এক ঘণ্টা ইডির দফতরে 

    ইডি সূত্রে খবর, সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে ইডিকে একটি এক পাতার চিঠি জমা দিয়ে এসেছেন দেবপ্রিয়। সোমবার সকাল ১০টা নাগাদ তিনি ইডি দফতরে যান। ১১টার পর বেরিয়ে আসেন। সিজিও থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন দেবপ্রিয়। তিনি জানান, একটি চিঠি ইডি দফতরে তিনি জমা দিয়েছেন। আগেও এই চিঠি জমা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। রবিবার তা নিয়ে সিজিওতে এসেছিলেন মন্ত্রী-কন্যা (Jyotipriya Mallick) প্রিয়দর্শিনী। তদন্তকারী অফিসার না থাকায় রবিবার ইডিকে চিঠি দেওয়া যায়নি। তাই সোমবার দেওয়া হয়।

    কী আছে চিঠিতে

    কী আছে সেই চিঠিতে? এ প্রসঙ্গে দেবপ্রিয় বলেন, ‘‘সেটা বলতে পারবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আর ইডি। ইডিকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করুন।’’জ্যোতিপ্রিয়ের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনও বিষয়েও মুখ খুলতে রাজি হননি দেবপ্রিয়। তাঁর ভাই কেমন আছেন, তাঁকে সোমবারই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে কি না, সে সব প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রীর দাদা বলেন, ‘‘সেটা হাসপাতালকে জিজ্ঞাসা করলে ভাল হয়।’’ আর কোনও কথা না বলে গাড়িতে উঠে পড়েন তিনি। সোমবার ইডি দফতরে গিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়ের (Jyotipriya Mallick) আপ্তসহায়ক অমিত দে-ও। নথি নিয়ে সিজিওতে ঢোকেন তিনি। ঢোকার আগে বলেন, ‘‘আমার কাছ থেকে একটা নথি চেয়েছিল। আমার বাড়ির দলিলের একটা কাগজ দিতে এসেছি।’’ 

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট স্বাভাবিক! আজই কি ইডি হেফাজতে জ্যোতিপ্রিয়?

    রেশন ‘দুর্নীতি’র অভিযোগে শুক্রবার গ্রেফতার করা হয়েছে জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick)। তার আগে বৃহস্পতিবার তাঁর সল্টলেকের দু’টি ফ্ল্যাটে চলে ম্যারাথন তল্লাশি। ইতিমধ্যেই ইডি দাবি করেছে, শ্রী হনুমান রিয়েলকন প্রাইভেট লিমিটেড, গ্রেসিয়াস ইনোভেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড এবং গ্রেসিয়াস ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেড, এই ৩টি কোম্পানি নিয়ন্ত্রণ করতেন স্বয়ং জ্যোতিপ্রিয়। তাঁর স্ত্রী মণিদীপা, মেয়ে প্রিয়দর্শিনী, প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাস ও তাঁর পরিবার, মন্ত্রীর শ্যালক অশোক সেন, বাকিবুরের শ্যালক অভিষেক বিশ্বাস-সহ অন্তত ১০ জন এই ৩টি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share