Blog

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতির উৎসে পৌঁছতে ইডির নজরে ২৫টি মোবাইলের তথ্য, কী আছে তাতে?

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতির উৎসে পৌঁছতে ইডির নজরে ২৫টি মোবাইলের তথ্য, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশনের (Ration Scam) খাদ্য বণ্টন দুর্নীতির ছকের মূল কাণ্ডারি কে? এই তথ্য সন্ধান করতে, এবার ইডির নজরে ২৫টি মোবাইল। সূত্রের খবর, কীভাবে দুর্নীতির ছক কষা হয়েছিল? প্রকৃত মাথা কে? সেই সম্পর্কে জানতেই মোবাইলে থাকা তথ্যের খোঁজ করা হচ্ছে। এই মোবাইলগুলি হল, ধৃত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিদের। ইডির আরও দাবি, এই দুর্নীতির মাধ্যমেই কোটি কোটি কালো টাকা সাদা করা হয়েছে।

    নজরে ২৫ টি মোবাইল (Ration Scam)

    ইডি সূত্রের দাবি, দুর্নীতির (Ration Scam) বড় পরিকল্পনা, উৎসের মাথা সন্ধানে এই মোবাইলগুলির চ্যাট এবং কলগুলি বেশ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হতে পারে। তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের সময়, প্রশ্ন-উত্তর পর্বে, ব্যবহারকারীর মোবাইলগুলির কথোপকথন পরীক্ষা করা হবে। ইতিমধ্যে বাকিবুরের মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট বিষয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার কথা আদালতে আগেই জানিয়েছে ইডি। চ্যাটে স্পষ্ট ভাবে লেখা ছিল, “এমআইসিকে পেমেন্ট করা হয়ে গিয়েছে।” টাকার অঙ্ক ছিল ৬৮ লাখ। সেই সঙ্গে আরও একটি মোবাইলের চ্যাটে ১২ লাখ টাকা পাঠানোর কথা বলা হয়ছে, বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই জ্যোতিপ্রিয়র আপ্তসহায়ক অমিত দে এবং প্রাক্তন পিএ অভিজিৎ দে-কে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়, তাঁদের মোবাইলগুলির চ্যাট এবং কলের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে ইডি। সেই সঙ্গে মন্ত্রী বালুর মোবাইলও বাজেয়াপ্ত করছে ইডি। তাঁর মোবাইল থেকেও দুর্নীতির তথ্য মিলতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    বিস্ফোরক শুভেন্দু

    রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) কাণ্ডে, মমতার ক্যাবিনেট মন্ত্রী গ্রেফতার হওয়ার পর, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তীব্র আক্রমণ করেছেন তৃণমূলকে। তিনি বলেন, “এই রেশন দুর্নীতির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে। জ্যোতিপ্রিয় রোজ নিজের রক্ষীর মোবাইল থেকে মমতাকে ফোন করতেন। আর তাই আমি বলবো, ইডি যেন এই মোবাইলগুলিকে বাজেয়াপ্ত করে পরীক্ষা করে এবং দুর্নীতির মাথাকে খোঁজ করে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kerala Blast: কেরল বিস্ফোরণের নেপথ্যে হামাসের উসকানি! তদন্ত দাবি বিজেপির  

    Kerala Blast: কেরল বিস্ফোরণের নেপথ্যে হামাসের উসকানি! তদন্ত দাবি বিজেপির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ভার্চুয়ালি ভাষণ দিয়েছিলেন প্রাক্তন হামাস নেতা খালেদ মাশাল। তার আগে আগেই কেরলের মলপ্পুরমে মিছিল বের হয় প্যালেস্তাইনের সমর্থনে (Kerala Blast)। মিছিলের আয়োজক জামাত-ই-ইসলামির যুব সংগঠন। পরে আয়োজন হয় সভার। সেই সভায়ই ভার্চুয়ালি ভাষণ দেন খালেদ।

    খালেদের বক্তব্যের সঙ্গে বিস্ফোরণের যোগ!

    সেখানে প্যালেস্তিনীয় যোদ্ধাদের পক্ষে সমর্থন জোগাড় করতে বলা হয় শ্রোতাদের। ইহুদি সন্ত্রাসের হাত থেকে আল আকসা মসজিদ উদ্ধারের কথা বলেন এই মুসলমান নেতা। এর ঠিক দুদিন পরে রবিবার করলের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত প্রার্থনা সভায় আইইডি বিস্ফোরণ ঘটে। প্রার্থনা সভাটিতে অংশ নিয়েছিলেন খ্রিষ্টানদের একটি সম্প্রদায়। খালেদের বক্তব্যের সঙ্গে এই বিস্ফোরণের যোগ রয়েছে কিনা, তা জানতে চেয়ে তদন্ত দাবি করেছে বিজেপি, কংগ্রেস এবং বামেরা।

    প্যালেস্তাইনে হামলা হামাসের 

    ৭ অক্টোবর ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলে হামলা চালায় মুসলমানের দেশ প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস (Kerala Blast)। ইহুদিদের ধরে ধরে কার্যত কচুকাটা করে হামাসের জঙ্গিরা। এর পরেই প্রতিরোধ গড়ে তোলে ইজরায়েল। তেল আভিভের পাশে দাঁড়ায় ভারত, আমেরিকা, কানাডা সহ বিশ্বের বহু দেশ। ইজরায়েলের হামলায় আক্ষরিক অর্থেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে হামাসের জঙ্গিরা। আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের মতে, তাই চলছে হামাসের পক্ষে সমর্থন জোগাড়ের কাজ।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাই-ভাইপো, বাড়ির কুকুর-বিড়াল দুর্নীতিতে যুক্ত’’, মমতাকে নিশানা দিলীপের

    শুক্রবার কেরলে যে জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল, তার আয়োজক ছিলেন জামাত-ই-ইসলামি সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সদস্য আবুসালেম আহমেদ। প্যালেস্তাইনে বর্ণবিদ্বেষী শক্তি সংগঠিতভাবে গণহত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয় সভায়। ভারতও ওই সংগঠিত শক্তির অংশ বলেও দাবি করা হয়। এর পরেই দেশজুড়ে শুরু হয় বিতর্ক। সভা ও মিছিলের অনুমতি দিয়ে বিপাকে পড়ে কেরলের বাম সরকার। কেরলের বিজেপি সহ সভাপতি ভিটি রেমা বলেন, “ভারতের মতো ধর্মনিরপেক্ষ দেশে ইসলামি সন্ত্রাসবাদীরা নিজেদের আসল চেহারা দেখাচ্ছে। সবাই জানে, হামাসই প্রথম ইজরায়েলকে আক্রমণ করেছিল।” কেরল বিজেপির সভাপতি কে সুরেন্দ্রণ বলেন, “মলপ্পুরমের সভায় হামাস নেতা খালেদ মাশালের ভাষণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পিনারাই বিজয়নের কেরল পুলিশ কোথায়? প্যালেস্তাইন বাঁচাওয়ের নামে সন্ত্রাসীদের যোদ্ধা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।” পুরো ঘটনায় (Kerala Blast) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সুরেন্দ্রণ।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর ঘটনাটিকে কংগ্রেস এবং সিপিএমের তুষ্টিকরণের রাজনীতি বলে অভিহিত করেছেন। কেরলে হিংসা এবং জিহাদ ছড়ানোর জন্য ইন্ডি জোট ভারতে হামাস জঙ্গিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “মিছিল হয়েছিল কেরলে। আইন-শৃঙ্খলা রাজ্যের বিষয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করবে বক্তৃতাটি লাইভ না রেকর্ড করা। রেকর্ড করা হলে কে এবং কীভাবে ভিডিওটি পেল তা তদন্ত করা হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Train Accident: মানুষের ভুলেই রেল দুর্ঘটনা অন্ধ্রপ্রদেশে? প্রকাশ্যে এল আসল সত্য

    Train Accident: মানুষের ভুলেই রেল দুর্ঘটনা অন্ধ্রপ্রদেশে? প্রকাশ্যে এল আসল সত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দুর্ঘটনার কবলে ট্রেন (Train Accident)। এবার অকুস্থল অন্ধ্রপ্রদেশের ভিজিয়ানগরম। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা, তা নিয়ে চলছিল চুলচেরা বিশ্লেষণ। এবার সামনে এল দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ। ইস্ট কোস্ট রেলওয়ের তরফে জানানো হয়েছে, মানুষের গাফিলতির জেরেই অন্ধ্রপ্রদেশে এই দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে।

    দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ

    ইস্ট কোস্ট রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বিশ্বজিৎ সাহু বলেন, “এই রেল দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ মানুষের গাফিলতি। আর সেই ত্রুটির জন্যই গন্তব্য ছাড়িয়ে দ্রুতগতিতে ছুটে গিয়ে বেলাইন হয়ে যায় বিশাখাপত্তনম-রায়গড় প্যাসেঞ্জার স্পেশাল ট্রেনটি।” তিনি জানান, মুখোমুখি সংঘর্ষের জেরে বিশাখাপত্তনম-পলাসা প্যাসেঞ্জার ট্রেনটির দুটি কামরা ও বিশাখাপত্তনম-রায়গড়ের লোকো পাইলটের কোচটি লাইনচ্যুত হয়। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে বিশাখাপত্তনম-পালাসা ট্রেনটির ১১টি বগি ও বিশাখাপত্তনম-রায়গড় ট্রেনের ৯টি বগি সরানো হয়েছে। বাকিগুলি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলি এখনও ঘটনাস্থল থেকে সরানো যায়নি। 

    কেন্দ্রের তৎপরতা 

    দুর্ঘটনার (Train Accident) পরে পরেই রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পর্যালোচনা করেন পরিস্থিতি। দুর্ঘটনায় মৃতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন তিনি। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন রেলমন্ত্রী। রেল দুর্ঘটনায় প্রাণহানি নিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন রেড্ডি। সোশ্যাল মিডিয়ায় রেলমন্ত্রী জানান, মৃত ও আহতদের ক্ষতিপূরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। মৃতদের ক্ষেত্রে ১০ লক্ষ টাকা, গুরুতর আহতদের ক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকা এবং যাঁরা অল্পস্বল্প জখম হয়েছেন, তাঁদের ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়া হবে। রেড্ডি সরকারের তরফেও মৃতদের নিকট আত্মীয়দের ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাই-ভাইপো, বাড়ির কুকুর-বিড়াল দুর্নীতিতে যুক্ত’’, মমতাকে নিশানা দিলীপের

    এদিকে, দুর্ঘটনার (Train Accident) জেরে রবিবার রাতেই বাতিল করা হয় বেশ কিছু ট্রেন। সোমবার সকালেও বিশাখাপত্তনম থেকে ছাড়া এবং বিশাখাপত্তনমগামী বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। বদল করা হয়েছে বেশ কিছু ট্রেনের যাত্রাপথ। এগুলি হল ০৩৩৫৭ কোয়েম্বাটোর স্পেশাল ফেয়ার, ১৮১৮৯ এর্নাকুলাম এক্সপ্রেস, ১১০২০ কোনারক এক্সপ্রেস, ১২৭০৩ হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেস ও ১২২৪৫ হাওড়া-যশবন্তপুর দুরন্ত এক্সপ্রেস।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC World Cup 2023: পাকিস্তান ক্রিকেটে গৃহযুদ্ধ! পরপর হার, বিশ্বকাপ থেকে কার্যত বিদায়, বাবরের মেয়াদ কি শেষ?

    ICC World Cup 2023: পাকিস্তান ক্রিকেটে গৃহযুদ্ধ! পরপর হার, বিশ্বকাপ থেকে কার্যত বিদায়, বাবরের মেয়াদ কি শেষ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তের দুই পারে দুই চিত্র। কলকাতায় বাবরদের দাওয়াতে বিরিয়ানি তো করাচিতে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কাটাছেঁড়া। আগামী কাল, মঙ্গলবার ৩১ অক্টোবর কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। কাগজে কলমে, অঙ্কের বিচারে বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তান টিকে থাকলেও কার্যত সেমিফাইনালে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব বাবরদের। ৬ টি ম্যাচের মধ্যে চারটি ম্যাচে হেরে তাদের সংগ্রহ এই মুহূর্তে মাত্র ৪ পয়েন্ট। তাই সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখতে হলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পরবর্তী ম্যাচ জিততেই হবে। 

    কলকতা ঘুরলেন বাবররা

    শহরে বাবরদের ম্যাচ নিয়ে খুব একটা উত্তেজনা না থাকলেও মাঠ প্রায় ভর্তি থাকবে বলেই, আশা সিএবি কর্তাদের। সোমবার ইডেনে অনুশীলনও রয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেটারদের। তার আগে, রবিবার রাত আটটা নাগাদ ইমাম-উল-হককে সঙ্গে নিয়ে পাক অধিনায়ক বাবর ঘুরে আসেন ইকো পার্ক। দুপুরেই যেমন বান্ধবী ও পরিবারের সদস্যদের জন্য গয়না কিনতে ক্যামাক স্ট্রিটের অলঙ্কারের দোকানে গিয়েছিলেন আবদুল্লা শফিক ও সৌদ শাকিল। তবে, সকালের দিকে কলকাতার একটি জনপ্রিয় শপিং মল ঘুরে দেখার অনুমতি খারিজ হয় শাদাব খান ও ইফতিখার আহমেদের। কলকাতার বিরিয়ানির স্বাদ নিতেও ভুলল না বাবরের দল। ক্রিকেটাররা হোটেলের খাবারের বদলে যে যার পছন্দের বিরিয়ানি অর্ডার করে খেয়েছেন। 

    বাবর বনাম শাহিন

    কলকাতা ঘুরলেও,  অধিনায়ক বাবর আজমের এসএমএস কিংবা হোয়াটস্যাপের জবাব দিচ্ছেন না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান জাকা আশরফ। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ড্রেসিংরুম কার্যত দুই শিবিরে বিভক্ত। একদিকে বাবর আজম শিবির। অন্যদিকে শাহিন শাহ আফ্রিদির শিবির। বাবর প্রকাশ্যেই বলছেন, শাহিন তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করে অধিনায়ক হতে চাইছেন। তাই তিনি দলবাজি করছেন। শাহিনও চুপ করে বসে নেই। তিনি প্রকাশ্যে বলছেন, পাকিস্তানের এই বিপর্যয়ের জন্য দায়ী বাবরের খারাপ নেতৃত্ব। পাক অধিনায়ক এবং দলের সেরা বোলারের এই সংঘাত ছুঁয়ে যাচ্ছে দলের বাকিদের। 

    আরও পড়ুন: জিততে মরিয়া সকলে! প্রয়োজনে ধরে খেলবেন, ম্যাচ শেষ আর কী বললেন রোহিত?

    ব্যর্থতার কাটাছেঁড়া

    পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার রশিদ লতিফ আবার আগুনে ঘৃতাহুতি দেন। তিনি বলেন, ‘পাঁচ মাস মাইনে না পাওয়া একটি দলের কাছে আর কি পারফরমেন্স আশা করা যায়!’ চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলার মধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট দল বিশ্বকাপে তাঁদের পরের ম্যাচ বাংলাদেশের সঙ্গে খেলতে নামবে। কিস্তান দলের সব খবর বাইরে চলে যাচ্ছে। এই অভিযোগে পাক মিডিয়া ম্যানেজার ইফতিকার নাগিকে ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। কলকাতাতেই যোগ দিচ্ছেন নতুন মিডিয়া ম্যানেজার ওমর ফারুখ কালসন। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • ICC World Cup 2023: জিততে মরিয়া সকলে! প্রয়োজনে ধরে খেলবেন, ম্যাচ শেষে আর কী বললেন রোহিত?

    ICC World Cup 2023: জিততে মরিয়া সকলে! প্রয়োজনে ধরে খেলবেন, ম্যাচ শেষে আর কী বললেন রোহিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনওদিন রোহিত তো কোনওদিন বিরাট! কখনও বুমরাহ-সামি তো কখনও কুলদীপ-জাদেজা! দলগত সাফল্যেরই উদাহরণ বিশ্বকাপের (ICC World Cup 2023) প্রথম ছটি ম্যাচের ছটিতেই অপ্রতিরোধ্য ভারত। দলে আত্মতুষ্টিরও কোনও জায়গা নেই। সকলেই প্রতিটি ম্যাচই জিততে মরিয়া মানলেন অধিনায়ক রোহিত। প্রথম পাঁচ ম্যাচে পরে ব্যাট করে জিতেছে ভারত। এদিন প্রথমে ব্যাট করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে ভারতীয় ব্যাটাররা।‌ তাই পরের ম্যাচ থেকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার কথাও বললেন হিট-ম্য়ান।

    সতর্ক রোহিত

    রবিবার, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করতে গিয়ে বেকায়দায় পড়েন রোহিতরা। দ্রুত ফিরে যান গিল-কোহলি। চতুর্থ উইকেটে রোহিত এবং রাহুলের জুটিতে ৯১ রান যোগ না হলে দল সমস্যায় পড়ে যেত, মেনে নেন রোহিত। তিনি জানান, চোখ বন্ধ করে মোটেও আক্রমণাত্মক খেলবেন না। বরং পরিস্থিতি অনুযায়ী আক্রমণাত্মক খেলবেন। প্রয়োজনে ইনিংস গড়ে তোলার কাজ করবেন। রোহিত বলেন, ‘প্রথম ১০ ওভারের পর পার্টনারশিপ গড়ার প্রয়োজন ছিল। শুধুমাত্র নিজের শট খেললে চলত না, পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাট করতে হত। সেই অভিজ্ঞতা থাকলে কাজে লাগানো উচিত। তাও আমার মনে হয়েছিল ২০-৩০ রান কম হয়েছে। নতুন বলে ব্যাট করা চ্যালেঞ্জিং ছিল। ম্যাচের বয়স বাড়ার সঙ্গে বল কিছুটা নরম হয়ে যায়। তাই স্ট্রাইক রোটেট করা সহজ ছিল না।’

    দুরন্ত বোলিং

    লখনউয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪০ রানে তিন উইকেট পড়ে গিয়েছিল ভারতের। সেখান থেকে রাহুলের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতের ইনিংসের হাল ধরেন রোহিত। সেইসময় একেবারে দেখেশুনে খেলতে থাকেন। সেরকম ঝুঁকি নিচ্ছিলেন না। ১০১ বলে ৮৭ রানে আউট হয়ে যান। তিনি থাকলে ভারতের রানটা ২২৯ থেকে বেড়ে অত্যন্ত ২৫০-২৬০ হতে পারত বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা। তবে এত অল্প রানের পুঁজি নিয়েও যে এতো সহজে ম্যাচ জেতা যায় তা দেখিয়ে দেয় রোহিত-ব্রিগেড। ম্যাচের শেষে তাই আলাদা করে বোলারদের প্রশংসা করলেন ভারতের নেতা। রোহিত বলেন, ‘এত কম রানের পুঁজিতে এইধরনের বোলিং প্রতিদিন দেখা যায় না। আমাদের পেসাররা পিচের কন্ডিশন ব্যবহার করেছে। উইকেট থেকে সুইং এবং মুভমেন্ট পেয়েছে। পেসাররা এবং স্পিনাররা নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগায়। এরকম বোলিং আক্রমণ থাকলে ব্যাটারদের কর্তব্য ওদের লড়াইয়ের জন্য ন্যূনতম রানটুকু করা। তারপর ওদের ম্যাজিকের অপেক্ষা করা।’ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট স্বাভাবিক! আজই কি ইডি হেফাজতে জ্যোতিপ্রিয়?

    Jyotipriya Mallick: স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট স্বাভাবিক! আজই কি ইডি হেফাজতে জ্যোতিপ্রিয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেমন আছেন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)? আজ, সোমবার আদালতে বালুর স্বাস্থ্যের রিপোর্ট দেবে ইডি।  হাসপাতাল সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয়র সমস্ত পরীক্ষার রিপোর্ট স্বাভাবিক। আজও তাঁর হৃদ্‌যন্ত্রের কিছু পরীক্ষা করা হতে পারে। ইডি সূত্রে দাবি, রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত জ্যোতিপ্রিয় এবং বাকিবুর রহমানের ‘ঘনিষ্ঠ’ অনেকের বাড়িতে তল্লাশি করে বেশ কিছু তথ্য হাতে এসেছে। আপাতত গোয়েন্দাদের আতশ কাচের তলায় রয়েছে অন্তত দু’ডজন মোবাইল ফোন এবং এক ডজন সংস্থা!

    কী বলছে মেডিক্যাল বুলেটিন

    হাসপাতালের তরফে মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে, রবিবার মন্ত্রীর হল্টার মনিটরিং শেষ হয়েছে। তাতে হদযন্ত্রের কোনও সমস্যা মেলেনি। জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট ইডিকে পাঠিয়েছে হাসপাতাল। এদিন জ্যোতিপ্রিয়র জন্য আনা হয়েছিল মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। মন্ত্রী দুশ্চিন্তায় ভুগছেন বলে মত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের। রেশন দুর্নীতিতে ধৃত মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে রবিবারই আইসিইউ থেকে জেনারেল কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। এদিন ফের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে অ্যাপোলো হাসপাতালে যায় ইডি-র টিম। আজ, বিকেল ৩টেয় মন্ত্রীর জন্য বৈঠকে বসবে মেডিক্যাল টিম। তখনই তাঁকে ছাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    উদ্বিগ্ন মন্ত্রী

    গত ২৭ অক্টোবর ইডির হাতে গ্রেফতার হন রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। সেদিন ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। যা শুনে অসুস্থ হয়ে পড়েন মন্ত্রী। এরপর থেকে বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বালু। কিন্তু তাঁর সব রকম শারীরিক পরীক্ষা করা হলেও কোনওরকম অস্বাভাবিক কিছু পাওয়া যায়নি। এর পর একজন মনরোগ বিশেষজ্ঞকে জ্যোতিপ্রিয়কে পরীক্ষা করতে পাঠায় মেডিক্যাল বোর্ড। তিনি জানিয়েছেন, জ্যোতিপ্রিয় তাঁর ও তাঁর পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগে ভুগছেন। যার জেরে নানা উপসর্গের অভিযোগ করছেন তিনি। যার কোনও বাস্তবতা নেই।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভাই-ভাইপো, বাড়ির কুকুর-বিড়াল দুর্নীতিতে যুক্ত’’, মমতাকে নিশানা দিলীপের

    ইডির জাল

    রেশন দুর্নীতি মামলায় জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) গ্রেফতার হতেই তদন্ত আরও জোর কদমে শুরু করেছে ইডি। বনমন্ত্রী ঘনিষ্ঠদের ২০টির বেশি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছেন গোয়েন্দারা। মোবাইল ডি-কোড করে তথ্যের সন্ধান করছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এই মোবাইলের ভিতরেই লুকিয়ে থাকতে পারে দুর্নীতির চাবিকাঠি। এমনটাই মনে করছেন গোয়েন্দারা। রেশন ‘দুর্নীতি’র অন্যতম মূল চক্রী বাকিবুরের বয়ানের ভিত্তিতে মন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ছাড়াও ইডির তদন্তকারীরা মন্ত্রীর বর্তমান আপ্ত-সহায়ক অমিত দে এবং প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক অভিজিৎ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। ইডি সূত্রের দাবি, ওই দু’জন ছাড়াও মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ আরও কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Vs England: শামি, বুমরার বিধ্বংসী বোলিংয়ে ধরাশায়ী ইংল্যান্ড, কার্যত সেমিফাইনালে ভারত

    India Vs England: শামি, বুমরার বিধ্বংসী বোলিংয়ে ধরাশায়ী ইংল্যান্ড, কার্যত সেমিফাইনালে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যাহ্ন বিরতির সময় ভারতের অতি বড় সমর্থকও ভাবতে পারেননি, ভারত এই ম্যাচ জিতে যাবে। যেখানে এখন টি২০ ম্যাচে ২০০-র বেশি রান ওঠে, সেখানে ৫০ ওভারে ২৩০ রানের টার্গেট যে সহজেই পার করা সম্ভব, তা বলা বাহুল্য। কিন্তু, শামি-বুমরা সমৃদ্ধ ভারতীয় দলের বোলিং লাইন আপ দেখিয়ে দিল, এভাবেও ফিরে আসা যায়। এই রানের পুঁজি নিয়েও ম্যাচ জেতা যায়। এদিন লখনউয়ের ভারত রত্ন শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী একানা স্টেডিয়ামে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের দুরমুশ করে জিতল ভারত। এই জয়ের ফলে কার্যত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল মেন ইন ব্লু-রা। 

    এদিন টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় ইংরেজরা। অন্য দিনের মতো, স্বভাবচিত আক্রমণাত্মক ঢঙেই শুরু করেছিলেন অধিনায়ক রোহিত। কিন্তু, চতুর্থ ওভারেই ছন্দপতন ঘটে। প্রথম উইকেট হারায় ভারত। ক্রিস ওকসের বলে বোল্ড হন শুভমান গিল। এক রান পরই শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান কোহলি। এক পর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। একদিকে তখন দাঁড়িয়ে রোহিত। অন্যদিকে, একের পর এক তাঁর পার্টনার বদল হতে থাকে। 

    এদিন ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান করেন রোহিত। ১০১ বলে ৮৭ রান করেন তিনি। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ১০টি চার ও একটি ছক্কায়। এছাড়া, কে এল রাহুল করেন ৩৯ (৫৮ বল) এবং সূর্যকুমার যাদব করেন ৪৯ (৪৭ বল)। ৬ জন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটের বিনিময়ে ২২৯ রান করে ভারত। 

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল ইংল্যান্ডের ডেভিড মালান ও জনি বেয়ারস্টো জুটি। এদিনও ছন্দে ছিলেন না মহম্মদ সিরাজ। একদিকে, যখন জসপ্রিত বুমরা চাপ সৃষ্টি করছিলেন, তখন অন্যদিকে, তিনি রান দিচ্ছিলেন। ইংল্যান্ড শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন বুমরাই। বিপজ্জনক হয়ে ওঠা ডেভিড মালানকে ফেরান তিনি। পরের বলেই ফের আঘাত হানেন বুমরা। প্রথম বলেই তাঁর বলে লেগ বিফোর হয়ে ফিরে যান জো রুট। 

    বুমরা যেখানে শেষ করেন, সেখান থেকেই যেন শুরু করলেন শামি। যেন ব্যাটনটা হস্তান্তর হয়ে যায়। শামির আগুনে বোলিংয়ের কোনও জবাব ছিল না ইংল্যান্ড ব্যাটারদের কাছে। এক সময় শামির বোলিং ফিগার ছিল ৫ ওভার- ২ মেডেন-৫ রান-৩ উইকেট। এই ছোট্ট পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে, আজ বাইশ গজে কী তাণ্ডব ঘটিয়েছেন তিনি। সবচেয়ে বড় কথা, যখনই ইংল্যান্ড ব্যাটাররা কোনও পার্টনারশিপ তৈরি করার চেষ্টা করেছেন, তখনই বল করতে এসে, তা ভেঙে দিয়েছেন শামি। এদিন শামি ৪ উইকেট নেন। বুমরা নেন তিনটি।

    ভারতের পেস আক্রমণের কথা বলার পাশাাপাশি স্পিন আক্রমণের কথা ভুলে গেলে চলবে না। এদিনও দুর্ধর্ষ ফর্মে ছিলেন কুলদীপ যাদব। জস বাটলারকে তিনি যে বলে আউট করেছেন, সেটা এই বিশ্বকাপের সেরা ডেলিভারির তালিকায় থাকতে বাধ্য। এদিনের ম্যাচে ২ উইকেট নেন কুলদীপ। একইভাবে, বরাবরের মতো মিতব্যয়ী ছিলেন রবীন্দ্র জাডেজা। বুদ্ধিদিপ্ত বোলিং করে ইংল্যান্ড ব্যাটারদের ওপর তিনি এতটাই চাপ সৃষ্টি করেন, যার ফল ক্রিস ওকসের স্টাম্পিং।

    ফলস্বরূপ, ২৩০ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে মাত্র ৩৪.৫ ওভারে ১২৯ রানে শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস। ১০০ রানের ব্যবধানে জয়ী হয় ভারত। এই জয়ের ফলে, ফের একবার পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ পৌঁছে গেল মেন ইন ব্লু। ৬ ম্যাচ খেলে ভারতের পয়েন্ট এখন ১২। ফলে, সেমিফাইনালে এক পা বাড়িয়ে রাখল রোহিত-বাহিনী। অন্যদিকে, ৬ ম্য়াচে পাঁচটা হেরে বিশ্বকাপে বিদায় ঘণ্টা বাজল গতবারের চ্যাম্পিয়নদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Terrorist Attack: কাশ্মীরে পুলিশ আধিকারিকের ওপর জঙ্গি হামলা, শুরু তল্লাশি

    Terrorist Attack: কাশ্মীরে পুলিশ আধিকারিকের ওপর জঙ্গি হামলা, শুরু তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে প্রার্থনা সভায় বিস্ফোরণের ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই জঙ্গি হামলা (Terrorist Attack) কাশ্মীরের শ্রীনগরের ইদগাহ এলাকায়। জঙ্গিদের ছোড়া গুলিতে জখম হয়েছেন এক পুলিশ আধিকারিক। রবিবার বিকেলের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভূস্বর্গে। যদিও কোনও জঙ্গি সংগঠনের তরফে এই ঘটনার দায় স্বীকার করা হয়নি।

    জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি

    এদিন ইদগাহ এলাকায় প্রহরায় ছিলেন ইনসপেক্টর মাসরুর আহমেদ। আচমকাই কয়েকজন জঙ্গি তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। জঙ্গিরা পুলিশের পিস্তল ব্যবহার করেছিল। ওই পুলিশ আধিকারিককে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

    পুলিশের পিস্তল থেকে গুলি

    এক্স হ্যান্ডেলে কাশ্মীর (Terrorist Attack) জোন পুলিশের তরফে ট্যুইট-বার্তায় লেখা হয়েছে, “শ্রীনগরের ইদগাহ এলাকায় জঙ্গিরা গুলি চালায় ইনসপেক্টর মাসরুর আহমেদের ওপর। তাঁকে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, জঙ্গিরা পুলিশের পিস্তল থেকে গুলি ছুড়েছিল। এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে, দায়ের হয়েছে অভিযোগ।” হাসপাতাল সূত্রে খবর, ওই পুলিশ আধিকারিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    দিন তিনেক আগে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তে হামলা চালায় পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার রাতে আরএস পুরা সেক্টরের আর্নিয়া এলাকায় বিএসএফের ঘাঁটি লক্ষ্য করে অতর্কিতে গোলা বর্ষণ শুরু করে পাক রেঞ্জার্সরা। জবাব দেয় ভারতীয় সেনাও। শুক্রবার ভোররাত পর্যন্ত গুলির লড়াই চলে দু’ পক্ষে। এই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই পুলিশ আধিকারিককে লক্ষ্য করে জঙ্গিদের গুলি চালানোর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে ভূস্বর্গে।

    বুধবারই জম্মু-কাশ্মীরের শীর্ষ আধিকারিক ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলির বৈঠক হয়েছে শ্রীনগরের ১৫ কর্পস হেডকোয়ার্টারে। এই বৈঠকে কাশ্মীরে বিদেশি জঙ্গিদের (Terrorist Attack) ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: “ছত্তিশগড়ে গ্রহণ চলছে, বিজেপিকে ক্ষমতায় আনুন”, রায়পুরের সভায় আবেদন নাড্ডার

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর উপত্যকায় ৪৬ জন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। এর মধ্যে পাকিস্তানি জঙ্গি রয়েছে ৩৭ জন। স্থানীয় জঙ্গি রয়েছে ৯ জন। জানা গিয়েছে, গত ৩৩ বছরে এই প্রথম স্থানীয় জঙ্গির চারগুণ বেশি বিদেশি জঙ্গি খতম হয়েছে ভূস্বর্গে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, বর্তমানে উপত্যকায় জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছে ১৩০ জন সন্ত্রাসী। এর অর্ধেকই বিদেশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Ernakulam Blast: কেরলে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে থানায় সন্দেহজনক ব্যক্তি, কী কারণে হামলা?

    Ernakulam Blast: কেরলে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে থানায় সন্দেহজনক ব্যক্তি, কী কারণে হামলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের কালামাসেরির প্রার্থনা সভায় বিস্ফোরণের (Ernakulam Blast) দায় স্বীকার করে থানায় আত্মসমর্পণ করলেন এক ব্যক্তি। তাঁর দাবি, কনভেনশন সেন্টারে বোমাটি রেখেছিল সে-ই। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির নাম ডমিনিক মার্টিন। আত্মসমর্পণের পর তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তার দাবি কতটা সত্য, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরীক্ষা করা হচ্ছে তার মানসিক সুস্থতাও। ডমিনিক গুজরাটের বাসিন্দা। মেঙ্গালুরু থেকে কান্নুর হয়ে আরিকোড যাচ্ছিল সে। তার সঙ্গে ছিল একটি ব্যাগ। তার মধ্যেও সন্দেহজনক কিছু জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে ত্রিশুর পুলিশ।

    জিহোবা সাক্ষীর প্রার্থনা সভা

    রবিবার কালামাসেরির একটি কনভেনশন সেন্টারে প্রার্থনা করছিলেন জিহোবা সাক্ষী নামে একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর লোকজন। সেখানেই টিফিন বাক্সে রাখা ছিল আইইডি। আচমকা বিস্ফোরণের জেরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এক মহিলার। জখম হন প্রায় ৪০ জন। এঁদের মধ্যে ৭জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নাশকতার ছকের আশঙ্কা করে পুলিশ। এমতাবস্থায় বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে কোদাকারা থানায় আত্মসমর্পণ করে মার্টিন।

    কী বলছে পুলিশ?

    কেরলের (Ernakulam Blast) অতিরিক্ত ডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) এম আর অজিত কুমার বলেন, “ত্রিশুর গ্রামীণ অঞ্চলের কোদাকরা থানায় এসে আত্মসমর্পণ করে ডমিনিটক মার্টিন নামে এক ব্যক্তি। সে জানিয়েছে, জিহোবা সাক্ষী গ্রুপেরই (এই গ্রুপের সদস্যরাই প্রার্থনা করছিলেন) অন্তর্গত সে। তবে সে সত্য বলছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি। কেন মার্টিন নিজের গ্রুপের সদস্যদের ওপর হামলা চালাল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।”

    এদিকে, হামলার ব্যাপারে আলোচনার জন্য সোমবার রাজধানী তিরুবনন্তপুরমে সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রার্থনা সভায় এই বিস্ফোরণ সন্ত্রাসবাদী হামলা। বিস্ফোরণের সময় ওই কনভেনশন সেন্টারে ছিলেন হাজার দুয়েক মানুষ। হামলার প্রেক্ষিতে পড়শি রাজ্য কর্নাটক ও তামিলনাড়ুতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নিবিড় নজরদারি শুরু (Ernakulam Blast) হয়েছে সীমান্তবর্তী এলাকায়।  

    আরও পড়ুুন: “ছত্তিশগড়ে গ্রহণ চলছে, বিজেপিকে ক্ষমতায় আনুন”, রায়পুরের সভায় আবেদন নাড্ডার

    জিহোবা সাক্ষীরা খ্রিস্টানদেরই একটি সম্প্রদায়। এদের বিশ্বাস, জিহোবা আব্রাহাম, মুসা এবং যিশু খ্রিস্টেরও ঈশ্বর। এদের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, আমরা সব ধর্মকে সম্মান করি। রাজনৈতিক বিষয়ে নিরপেক্ষতা অবলম্বন করে চলি। সমাজে সত্যের প্রচার করাই আমাদের মূল ও একমাত্র লক্ষ্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • JP Nadda: “ছত্তিশগড়ে গ্রহণ চলছে, বিজেপিকে ক্ষমতায় আনুন”, রায়পুরের সভায় আবেদন নাড্ডার

    JP Nadda: “ছত্তিশগড়ে গ্রহণ চলছে, বিজেপিকে ক্ষমতায় আনুন”, রায়পুরের সভায় আবেদন নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ছত্তিশগড়ে পাঁচ বছর ধরে গ্রহণ চলছে।” রবিবার রায়পুরের জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে আক্রমণ শানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। ছত্তিশগড়ের কংগ্রেস সরকার আপাদমস্তক দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে বলেও অভিযোগ বিজেপির এই শীর্ষ নেতার।

    ভূপেশ বাঘেলের দুর্নীতি…

    তিনি বলেন, “ভূপেশ বাঘেলের দুর্নীতি, অদক্ষতা এবং অবিশ্বাস আমরা চোখে দেখেছি। আমি অবিশ্বাস্য বলছি কারণ আপনি কি দেখেছেন একজন মুখ্যমন্ত্রীর সচিব বছরের পর বছর জেলে রয়েছেন? কপালে যদি দুর্নীতি লেখা থাকে, তাহলে তার চেয়ে বড় প্রমাণ আর কী প্রয়োজন হতে পারে!” উপস্থিত জনতার দিকে নাড্ডার প্রশ্ন, “এরকম দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের কি ক্ষমতায় থাকা উচিত?”

    প্রতিশ্রুতিভঙ্গ সরকারের

    ৯০ আসনের ছত্তিশগড় বিধানসভায় ভোট হবে দু’ দফায়। প্রথম দফার ভোট হবে ৭ নভেম্বর। দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে ওই মাসেরই ১৭ তারিখে। এদিনের জনসভায় নাড্ডার প্রশ্ন, “এই (কংগ্রেস) সরকার তরুণদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে কি না? মহিলারা কী প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে পাচ্ছেন? মদ কেলেঙ্কারি ঘটেছে কি না? ভূপেশ বাঘেল মদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই নিষেধাজ্ঞা জারি না করে তিনি কেলেঙ্করি করেছেন। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি করেছেন তিনি। তিনি গরু এবং গোবরের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি করতে ছাড়ছেন না।”

    বিজেপিকে রাজ্যে ক্ষমতায় আনার আবেদন জানিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (JP Nadda) বলেন, “গতকাল চন্দ্রগ্রহণ ছিল। ছত্তিশগড়েও গত পাঁচ বছর ধরে গ্রহণ চলছে। এখন সময় এসেছে এই গ্রহণ থেকে মুক্তি পাওয়ার। এরকম একটা দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনও অধিকারই নেই।”

    আরও পড়ুুন: ‘বালুর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে কথা! মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দুর্নীতি হয়েছে’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ২০টি বিধানসভা কেন্দ্রে। এদিনের সভায় ওই কেন্দ্রগুলিতে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যেতে নির্দেশ দেন দলীয় কর্মীদের। নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, “আপনারা ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহিত করুন। তাঁরা আপনাদের ভোট দিন অথবা না দিন কিন্তু গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করুন। আপনারা তাঁদের ভোট দিতে অনুরোধ করুন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share