Blog

  • Vietnam Boat Capsized: ভিয়েতনামে ভয়াবহ নৌকোডুবি, ১৫ জন ভারতীয় পর্যটকের নিথরদেহ ফিরলো মুম্বইয়ে

    Vietnam Boat Capsized: ভিয়েতনামে ভয়াবহ নৌকোডুবি, ১৫ জন ভারতীয় পর্যটকের নিথরদেহ ফিরলো মুম্বইয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিয়েতনামে নৌকোডুবিতে প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ জন ভারতীয় পর্যটক। এবার তাঁদের মরদেহ এসে পৌঁছলো মুম্বাইয়ে। মঙ্গলবারই ‘ভিয়েতনাম এয়ারলাইন্স’-এর বিশেষ বিমান ‘VN979’-এ করে মরদেহ নিয়ে আসা হয় মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (Mumbai Airport)। সেখান থেকেই মৃতদেহগুলি নিজের বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করে ভারত সরকার। শোকস্তব্ধ পরিবারগুলোর হাতে শেষকৃত্যের জন্য মরদেহগুলো তুলে দিতে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছে প্রশাসন। মৃতদেহগুলো মুম্বাই (Mumbai) থেকে সড়ক ও আকাশপথে চেন্নাই, হায়দরাবাদ, তিরুবনন্তপুরম এবং কোয়েম্বাটুরের মতো বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হচ্ছে, যেখানে স্বজনেরা তাঁদের অপেক্ষায় রয়েছেন।

    কীভাবে দুর্ঘটনা (Vietnam Boat Capsized)?

    ১১ জুলাই, শনিবার। ভিয়েতনামের ফু কোক দ্বীপের কাছে ‘হোন মে রুত এনগোই’ দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল পর্যটক বোঝাই একটি নৌকো। নৌকোয় ছিলেন ৩২ জন ভারতীয় পর্যটকসহ মোট ৩৬ জন আরোহী। ঠিক যখন, বাকি পর্যটকেরা ছবি তোলায় ব্যস্ত, তখনই ঘটে গেল বিপত্তি। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দ্বীপ থেকে খুব বেশি হলে ৩০০ মিটার পৌঁছতেই ঢেউয়ে বেসামাল হয়ে উল্টে পড়ে নৌকোটি (Vietnam Boat Capsized)। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, হঠাৎ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মুখে পড়ে উল্টে যায় নৌকোটি। জলে ডুবে যান পর্যটকরা। দ্রুত ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে যায় উদ্ধারকারী দল। ৩৬ জনের মধ্যে ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, দুর্ভাগ্যবশত ১৫ জন ভারতীয় পর্যটক প্রাণ হারান।

    নিহত ও আহতদের বিবরণী

    মৃত ১৫ জনের মধ্যে ১০ জন তামিলনাড়ুর বাসিন্দা। ৩ জন অন্ধ্রপ্রদেশের এবং ২ জন কেরালার বাসিন্দা। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত একমাত্র ভারতীয় পর্যটকের চিকিৎসা চলছে। ফু কোক দ্বীপে একটি জরুরি অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে হো চি মিন সিটির একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

    তৎপর ছিল ভারতীয় দূতাবাস

    দুর্ঘটনার পর থেকেই ভিয়েতনামে (Vietnam) নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস এবং হো চি মিন সিটির কনস্যুলেট জেনারেল সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। মৃতদের সনাক্তকরণ ও আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে তাঁরা ভিয়েতনাম সরকারের বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন। সহযোগিতার জন্য ভিয়েতনামের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস।

  • Jhapatpara to Islampura: গুজরাটের ঝাপটপাড়া কীভাবে হয়ে উঠল ‘ইসলামপুরা’? স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ, দ্রুত তদন্তের দাবি

    Jhapatpara to Islampura: গুজরাটের ঝাপটপাড়া কীভাবে হয়ে উঠল ‘ইসলামপুরা’? স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ, দ্রুত তদন্তের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের পাটান জেলার হরিজ শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ঐতিহ্যবাহী এলাকা নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কয়েক দশক ধরে যে এলাকাটি সাধারণ মানুষের কাছে ‘ঝাপটপাড়া’ নামে পরিচিত ছিল, সেটিই এখন সরকারি নথিপত্রে ‘ইসলামপুরা’ (Jhapatpara to Islampura) নামে দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার এই নাম পরিবর্তনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হিন্দু সংগঠনগুলো স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়ে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

    নতুন নামের উৎপত্তি (Jhapatpara to Islampura)

    স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত ৫০ থেকে ৮০ বছর ধরে এই এলাকায় তাদের পূর্বপুরুষেরা বসবাস করছেন এবং পুরনো সমস্ত নথিতে এই জায়গার নাম ‘ঝাপটপাড়া’ হিসেবেই লিপিবদ্ধ রয়েছে। তবে গত ১০-১২ বছরে এলাকায় মুসলিম জনসংখ্যার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে।

    বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্য (Gujarat Demography Shift)

    ২০১১ সাল নাগাদ এই এলাকায় মাত্র ২০-২৫টি মুসলিম পরিবার ছিল। বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ পরিবারে দাঁড়িয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকেই বহিরাগত বলে দাবি করা হচ্ছে। এলাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে একটি নতুন মসজিদ ও মাদ্রাসা তৈরি হয়, যার অর্থায়ন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ উঠেছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির পর নতুন বাসিন্দারা এলাকাটিকে নিজেদের মধ্যে ‘ইসলামপুরা’ বলে ডাকতে শুরু করেন। পরবর্তীতে নতুন কোনও নথিপত্র বা পরিচয়পত্র (যেমন আধার কার্ড) আপডেট করতে গেলে ঠিকানায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘ঝাপটপাড়া’র বদলে ‘ইসলামপুরা’ (Jhapatpara to Islampura) লেখা আসতে শুরু করে।

    সরকারি নথিতে অসঙ্গতি

    আশ্চর্যের বিষয় হলো, যেখানে নতুন ভোটার আইডি বা অন্যান্য পরিচয়পত্রে ‘ইসলামপুরা’ নামটির ব্যবহার বাড়ছে, সেখানে পুরসভার মূল নথিপত্রে এখনও এলাকাটির নাম ‘ঝাপটপাড়া’ হিসেবেই নথিভুক্ত রয়েছে। এমনকি এলাকার একজন মুসলিম বাসিন্দা গণমাধ্যমের কাছে স্বীকার করেছেন যে, জায়গাটির আসল নাম ঝাপটপাড়া হলেও বর্তমানে মুসলিম জনসংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে এটি ইসলামপুরা নামে পরিচিতি পেয়েছে।

    হিন্দু সংগঠন ও বাসিন্দাদের দাবি

    স্থানীয় হিন্দু পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, জনসংখ্যার পরিবর্তনের কারণে কোনও এলাকার সরকারি নাম নিজে থেকেই বদলে যেতে পারে না। এই পরিস্থিতির কারণে অনেক পুরনো পরিবার বাধ্য হয়ে নিজেদের বাড়িঘর বিক্রি করে অন্য জায়গায় চলে যাচ্ছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। এলাকায় ‘ডিস্টার্বড এরিয়াস অ্যাক্ট’ (Disturbed Areas Act) কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন তারা। এই ঘটনার পিছনে কোনও প্রশাসনিক গাফিলতি বা ষড়যন্ত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবি জানাচ্ছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)-এর স্থানীয় নেতৃত্ব। সরকারি নথিতে অবিলম্বে ‘ইসলামপুরা’ নাম বাদ দিয়ে পূর্বের ঐতিহ্যবাহী ‘ঝাপটপাড়া’ নামটি ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

  • FIFA World Cup 2026: ইউরোপীয় মহারণ! বিশ্বকাপের শেষ চারে মুখোমুখি ফ্রান্স ও স্পেন, এগিয়ে কারা?

    FIFA World Cup 2026: ইউরোপীয় মহারণ! বিশ্বকাপের শেষ চারে মুখোমুখি ফ্রান্স ও স্পেন, এগিয়ে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) মঞ্চে আবারও মুখোমুখি হতে চলেছে ইউরোপীয় ফুটবলের প্রথম দুই দেশ। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে নামবে ফ্রান্স ও স্পেন (France vs Spain)। ইতিহাস বলছে, বিশ্বকাপে এটাই হবে দুই দলের দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। প্রথমটি হয়েছিল ২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপে। শেষ ষোলোর সেই ম্যাচে ফ্রান্স ৩-১ গোলে হারায় স্পেনকে। তবে, আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফ্রান্স ও স্পেন ৩৮ বার মুখোমুখি হয়েছে। লা রোহা ব্রিগেডের জয় ১৮টি। ফরাসিরা জিতেছে ১৩ বার। ড্র ৭টি। ২০২৫ নেশনস লিগের সেমি-ফাইনালে দু’দলের শেষ সাক্ষাতে ইয়ামালের জোড়া গোলে ৫-৪ জয় স্পেনের।

    দুই দলের কে কোথায় এগিয়ে-পিছিয়ে

    এমবাপেই ফ্রান্সের সবচেয়ে বিধ্বংসী অস্ত্র। ৮টি গোল ও ৩টি অ্যাসিস্টের সুবাদে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার সামনে তিনি। এছাড়া আক্রমণভাগে ডেম্বেলে (৫টি গোল) এবং মাইকেল ওলিসেও (৫টি অ্যাসিস্ট) দুর্দান্ত ফর্মে। অন্যদিকে, মাঠমাঝে রড্রি ও অ্যাটাকিং থার্ডে ড্যানি ওলমো স্পেনকে পরিচালনা করছেন। ওয়ারজাবালের নামের পাশে ৪টি গোল। কোচের আস্থার মর্যাদা রাখছেন সুপার-সাব মিকেল মেরিনো। সেরা তারকা লামিনে ইয়ামালও ক্রমশ ছন্দে ফিরছেন। অত্যন্ত শক্তিশালী ও ঈর্ষণীয় আক্রমণভাগ ফ্রান্সের। ডেম্বেলের সঙ্গে এমবাপের যুগলবন্দি দুর্দান্ত জমেছে। মাঝমাঠে খেলা তৈরি করছেন ওলিসে ও ডুয়ে। তবে, গ্রুপ পর্বে ফরাসিদের রক্ষণভাগে দুর্বলতা দেখা গিয়েছিল। নক-আউটে গত তিনটি ম্যাচে গোল হজম না করলেও ছোটোখাটো ভুল চোখে পড়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত এমবাপে নির্ভরতা কাটাতে হবে। শক্তিশালী মাঝমাঠ স্পেনের ভরসা। সঙ্গে সুদৃঢ় রক্ষণভাগ। ছয় ম্যাচে স্পেন মাত্র একটি গোল খেয়েছে। বল দখলে রেখে খেলার দক্ষতায়ও লা রোহা ব্রিগেড প্রতিপক্ষের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। যদিও আক্রমণভাগে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও ভেদশক্তির অভাবে ভুগছে স্প্যানিয়ার্ডরা। ইয়ামালকেও আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে।

    সাম্প্রতিক দ্বৈরথে স্পেনের দাপট

    বিশ্বকাপে না হলেও দুই দলের সাক্ষাতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্পেনই বেশি সফল। ২০২৫ সালের উয়েফা নেশনস লিগের সেমিফাইনালে নয় গোলের এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে স্পেন ৫-৪ ব্যবধানে ফ্রান্সকে হারায়। সেই ম্যাচে লামিনে ইয়ামাল জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক হন। এরও এক বছর আগে, ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে স্পেন ২-১ ব্যবধানে ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। ওই ম্যাচে গোল করেন লামিনে ইয়ামাল ও দানি ওলমো। তবে ২০২১ সালের উয়েফা নেশনস লিগের ফাইনালে ফ্রান্স ২-১ ব্যবধানে স্পেনকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল। এবার দুই দলই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। একদিকে কিলিয়ান এমবাপের নেতৃত্বে ফ্রান্স, অন্যদিকে ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন। তাই ডালাসের সেমিফাইনালটি হতে পারে পুরো বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা লড়াই। ভারতীয় সময় আজ ১২:৩০ টায় শুরু হওয়া এই লড়াই ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা তুঙ্গে।

  • TCS New Unit: এআই-র যুগে বড় বদল টিসিএস-এ, গড়ে উঠল ৫টি নতুন বিজনেস ইউনিট

    TCS New Unit: এআই-র যুগে বড় বদল টিসিএস-এ, গড়ে উঠল ৫টি নতুন বিজনেস ইউনিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-র দ্রুত প্রসারের মধ্যে ভারতের বৃহত্তম আইটি পরিষেবা সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (TCS) তাদের শীর্ষ নেতৃত্বে বড়সড় রদবদল করেছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতের ব্যবসায়িক চাহিদার কথা মাথায় রেখে সংস্থা পাঁচটি নতুন বিজনেস ইউনিট খুলেছে। সম্প্রতি সংস্থার সিইও কে. কৃতিভাসন এবং সিওও আর্থি সুব্রহ্মণ্যমের জারি করা একাধিক অভ্যন্তরীণ নির্দেশিকায় এই পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে।

    টিসিএস-এ নানা পদে পরিবর্তন

    টিসিএস (TCS) জানিয়েছে, সংস্থার সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িক ক্ষেত্র ব্যাংকিং, ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স (BFSI)-এর মার্কিন কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে আমেরিকার ব্যাংকিং ইউনিটকে ইউএস ওয়েস্ট এবং ইউএস ইস্ট—এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। রাকেশ কুমার ইউএস ওয়েস্ট-এর এবং মোহন ভিটুরি ইউএস ইস্ট-এর নেতৃত্ব দেবেন। বর্তমান ইউএস ব্যাংকিং প্রধান সুশীল বাসুদেবন সংস্থার সিইও-র অধীনে একটি কৌশলগত (Strategic) দায়িত্বে যোগ দিচ্ছেন। অন্যদিকে, বর্তমানে কানাডার ব্যাংকিং ইউনিটের প্রধান মনমিত ছাবড়া টিসিএস-এর কানাডা কান্ট্রি হেড হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

    টিসিএস-এর পাঁচটি ইউনিট

    এছাড়াও সংস্থা পাঁচটি নতুন ব্যবসায়িক ইউনিট তৈরি করেছে। এগুলি হল— সার্ভিস নাউ প্র্যাকটিস (Service Now Practice), ট্রাভেল অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট ক্লাইন্টস (Travel & Transport Clients), এনার্জি অ্যান্ড ইউটিলিটি ক্লাইন্টস (Energy & Utility Clients), ইউএস ওয়েস্ট কোস্ট বিজনেস (US West Coast Business), গ্লোবাল অটোনমাস বিজনেস (Global Autonomous Businesses)। প্রতিটি ইউনিটের জন্য আলাদা প্রধান নিযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাইবার সিকিউরিটি, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের লাইফ সায়েন্সেস এবং কমিউনিকেশন ও মিডিয়া বিভাগেও নতুন নেতৃত্ব নিয়োগ করা হয়েছে।

    সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিবর্তন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে ভারতের প্রায় ৩১৫ বিলিয়ন ডলারের আইটি পরিষেবা শিল্প বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে দাঁড়িয়ে। এআই-এর কারণে বড় ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের চাহিদা কমতে পারে, প্রকল্পের সময়সীমা ছোট হতে পারে এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সুবিধা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চাপ বাড়তে পারে। সেই কারণেই টিসিএস ভবিষ্যতের বাজার ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন করছে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকের আর্থিক ফল প্রকাশ করে টিসিএস বাজারের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে যায়। মূলত ব্যাংকিং খাতে গ্রাহকদের ব্যয় বৃদ্ধি এবং টাকার তুলনায় ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের ফলে সংস্থার আয় প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হয়েছে।

  • Global Diplomacy: কূটনৈতিক তৎপরতায় এগিয়ে মোদি, ‘শীতঘুমে’ বেজিং, চিনের হলটা কী?

    Global Diplomacy: কূটনৈতিক তৎপরতায় এগিয়ে মোদি, ‘শীতঘুমে’ বেজিং, চিনের হলটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চিনের (China) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কূটনৈতিক (Global Diplomacy) কার্যকলাপের মধ্যে স্পষ্ট বৈপরীত্য নজর কেড়েছে আন্তর্জাতিক মহলের। ভারতের প্রধানমন্ত্রী যখন আক্ষরিক অর্থেই দিনরাত এক করে এশিয়া, ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মোট ১৩টি দেশ সফর করে ভারতের কূটনৈতিক উপস্থিতিকে আরও জোরদার করেছেন, তখন ওই একই সময়ে জিনপিং গিয়েছেন মাত্র একবার বিদেশ সফরে। এই অস্বাভাবিক ব্যবধানকে ঘিরে চিনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, সামরিক নেতৃত্ব এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উঠতে শুরু করেছে হাজারো প্রশ্ন।

    জিনপিংয়ের একমাত্র বিদেশ সফর (Global Diplomacy)

    জানুয়ারি থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত জিনপিংয়ের একমাত্র বিদেশ সফর ছিল ৮ থেকে ১০ জুন, উত্তর কোরিয়ায়। সেখানে তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এর বাইরে তিনি বিদেশ সফরে না গিয়ে বেজিংয়েই ছিলেন, এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন। অতীতে বিশ্বজুড়ে সক্রিয় কূটনৈতিক সফরের জন্য পরিচিত জিনপিংয়ের এই অতি-সীমিত বিদেশ সফর জন্ম দিয়েছে নানা জল্পনার। অথচ, ওই সময় পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কূটনৈতিক ব্যস্ততা ছিল তুঙ্গে। ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি মালয়েশিয়া ও ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন। মে মাসে সফর করেন ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার পাঁচ দেশ। জুনে গিয়েছিলেন ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়ায়। এই মাসেরই শেষের দিকে সফর করেন সেশেলস। জুলাইয়ে ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড সফরের মাধ্যমে শেষ হয় তাঁর ইন্দো-প্যাসিফিক সফরসূচি।

    একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে চিন

    এর মধ্যে সব চেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, প্রায় চার দশক পরে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নিউজিল্যান্ড সফর করেন, যা ওই অঞ্চলে ভারতের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বেরই প্রতিফলন বলে ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (China)। বিশ্লেষকদের মতে, এই কূটনৈতিক বৈপরীত্য এমন একটা সময়ে প্রকাশ্যে এসেছে, যখন চিন একইসঙ্গে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। সবচেয়ে বেশি চর্চায় রয়েছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি বা পিএলএতে চলা ব্যাপক শুদ্ধি অভিযান। গত অক্টোবরে চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রক জানিয়েছিল, কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এবং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের সিদ্ধান্তে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ন’জন শীর্ষ সামরিক কর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারের তরফে এই নির্দেশটি দেওয়া হয়, কমিউনিস্ট পার্টির গুরুত্বপূর্ণ চতুর্থ প্লেনামের ঠিক আগে আগে, যেখানে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের পঞ্চদশ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কাঠামো অনুমোদিত হয়েছিল (Global Diplomacy)।

    গোপন টিউমার

    অপসারিত আধিকারিকদের মধ্যে ছিলেন জেনারেল হে ওয়েইদং, যিনি কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। জিনপিং ক্ষমতায় আসার পর দ্রুত উত্থান ঘটে তাঁর। সামরিক সংস্কার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও পালন করেছিলেন তিনি। ২০২৫ সালের মার্চে হে জনসমক্ষে আসা বন্ধ করে দিলে শুরু হয় গুঞ্জন। পরে তাঁকে কমিউনিস্ট পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে সামরিক আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়। পিএলএর সরকারি মুখপত্রে তাঁকে এবং অন্য অপসারিত কর্তাদের “অবিশ্বস্ত” ও “গোপন টিউমার” বলে উল্লেখ করা হয়। শুদ্ধি অভিযান সেখানেই থেমে থাকেনি। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আরও ন’জন প্রবীণ সামরিক প্রতিনিধিকে জাতীয় গণ কংগ্রেস থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। চার মাস পরে স্থায়ী কমিটি আরও ছ’জন পদস্থ সামরিক কর্তাকে সরিয়ে দেয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন জেনারেল শু শুয়েচিয়াং, জেনারেল লি ফেংবিয়াও, জেনারেল গো পুশিয়াও, ওয়াং কাংপিং, ঝাং মিংহুয়া এবং ইন হংসিং। বিমানবাহিনী, স্থলবাহিনী, সাইবার বাহিনী, সরঞ্জাম উন্নয়ন বিভাগ এবং পূর্ব ও পশ্চিম থিয়েটার কমান্ড—সব ক্ষেত্রেই এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ে (Global Diplomacy)।

    আস্থার সঙ্কটের ইঙ্গিত!

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, অপসারিত অনেক কর্তাকেই জিনপিং নিজে পদোন্নতি দিয়েছিলেন। ফলে বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই অভিযান কেবল দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ নয়, বরং সামরিক নেতৃত্বের ভেতরে আস্থার সঙ্কটের ইঙ্গিতও হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত জিনপিংয়ের বিরুদ্ধে কোনও অভ্যুত্থান বা ক্ষমতা দখলের প্রচেষ্টার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। যদিও গত কয়েক বছরে একের পর এক উচ্চপদস্থ কর্তার হঠাৎ অন্তর্ধান, বরখাস্ত এবং দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন তুলেছে। প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী চিন গ্যাংয়ের অন্তর্ধান, প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি শাংফুর অপসারণ, রকেট বাহিনীর একাধিক কর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত এবং সাম্প্রতিক সামরিক শুদ্ধি অভিযান সেই জল্পনাকে আরও একবার উসকে দিয়েছে (Global Diplomacy)। বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক মতবিরোধ সাধারণত প্রকাশ্যে আসে না। বরং হঠাৎ পদচ্যুতি, দুর্নীতিবিরোধী অভিযান এবং প্রশাসনিক রদবদলের মাধ্যমেই অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ইঙ্গিত মিলতে পারে। গত এক দশকে জিনপিং নিজেই পার্টি, সরকার ও সেনাবাহিনীতে অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ পদে লোকজন নিয়োগ করেছেন। ফলে তাঁর নিজের বেছে নেওয়া কর্তাদের বিরুদ্ধেই ধারাবাহিক ব্যবস্থা নেওয়া রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একটা বড় অংশ (China)।

    নানা সমস্যায় জর্জরিত অর্থনীতি

    এদিকে, চিনের অর্থনীতিও নানা সমস্যা জর্জরিত। একসময় দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিল সম্পত্তি খাত। বড় বড় নির্মাণ সংস্থার ধসের পর সেই খাত এখনও সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে পারেনি। জমি বিক্রি থেকে স্থানীয় প্রশাসনের আয় কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে পরিকাঠামো প্রকল্পেও। ভোক্তাদের ব্যয় কমে যাওয়া, তরুণদের বেকারত্ব, বেসরকারি বিনিয়োগে ধীরগতি এবং মূল্যপতনের চাপ চিনের অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করেছে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা কম থাকায় শিল্প উৎপাদন ধরে রাখতে রফতানির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। একই সঙ্গে উন্নত প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর, এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা), গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে ঘিরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতাও তীব্র হয়েছে (Global Diplomacy)।

    কৌশলগত ভারসাম্যে নয়াদিল্লির গুরুত্ব

    অন্যদিকে, বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা উৎপাদনের বিকল্প কেন্দ্র হিসেবে ভারত, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া-সহ বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। “চায়না প্লাস ওয়ান” কৌশলের ফলে চিনের উৎপাদনভিত্তিক আধিপত্যও আগের মতো অটুট নেই। পাশাপাশি কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী কমে যাওয়া এবং প্রবীণ মানুষের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক চাপও বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারত তার কূটনৈতিক পরিসর আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির বিদেশ সফর শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থা, সেমিকন্ডাক্টর, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি—এসব ক্ষেত্রেও অংশীদারিত্ব জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (China)। বিশ্লেষকদের মতে, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ইন্দোনেশিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মতো দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও গভীর হওয়া আন্তর্জাতিক কৌশলগত ভারসাম্যে নয়াদিল্লির গুরুত্ব বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    জল্পনা জল্পনাই

    তবে জিনপিংয়ের সীমিত বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে যত জল্পনাই থাকুক না কেন, শুধুমাত্র বিদেশ সফর কম হওয়াকেই তাঁর রাজনৈতিক দুর্বলতার প্রমাণ হিসেবে দেখা যায় না। এখনও পর্যন্ত অভ্যুত্থান বা ক্ষমতা হারানোর কোনও নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। তবে সামরিক শুদ্ধি অভিযান, ধারাবাহিক প্রশাসনিক রদবদল, অর্থনৈতিক চাপ এবং সীমিত আন্তর্জাতিক সফর—সব মিলিয়ে চিনের নেতৃত্ব যে একটি জটিল সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তা নিয়ে খুব একটা দ্বিমত নেই আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সময়ে ভারতের সক্রিয় কূটনৈতিক উপস্থিতি বিশ্ব রাজনীতিতে নয়াদিল্লির ক্রমবর্ধমান ভূমিকার (Global Diplomacy) দিকটিকেও স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে (China)।

     

  • Pakistan Medicine Crisis: আর্থিক দেউলিয়াত্ব-প্রশাসনিক ব্যর্থতা! ওষুধ সঙ্কটে ভেঙে পড়ার মুখে পাকিস্তানের চিকিৎসা ব্যবস্থা

    Pakistan Medicine Crisis: আর্থিক দেউলিয়াত্ব-প্রশাসনিক ব্যর্থতা! ওষুধ সঙ্কটে ভেঙে পড়ার মুখে পাকিস্তানের চিকিৎসা ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক দেউলিয়াত্ব এবং প্রশাসনিক দুর্বলতায় জেরবার পাকিস্তান। এবার এক চরম স্বাস্থ্য সঙ্কটের মুখে পড়েছে পাকিস্তান (Pakistan Medicine Crisis)। জীবনদায়ী ওষুধের (Life-saving Medicines) তীব্র ঘাটতির কারণে সে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ার মুখে। ওষুধের দাম নির্ধারণ নিয়ে পাকিস্তান সরকারের দীর্ঘসূত্রতা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এই সঙ্কটকে আরও গভীর করে তুলেছে। ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের মতো মারণব্যাধির ওষুধ না পেয়ে সে দেশে হাহাকার শুরু হয়েছে। অথচ, এই একই সময়ে প্রতিবেশী দেশ ভারত বিশ্বের ‘ফার্মেসি’ (Pharmacy of the World) হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বিশ্বের দরবারে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করছে।

    পরিস্থিতি হাতের বাইরে (Healthcare Crisis)?

    পাকিস্তানে জীবনদায়ী ওষুধের সাম্প্রতিক সঙ্কট ও উৎপাদন কমে যাওয়ার পিছনে মূল কারণগুলো অনুসন্ধান করেছে দেশটির ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ‘ড্র্যাপ’ (DRAP)। ওষুধ তৈরির খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার পিছনে বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক কারণ দায়ী। পাকিস্তানি রুপির রেকর্ড পরিমাণ মূল্যপতনের ফলে আমদানির খরচ আকাশচুম্বী। ওষুধ তৈরির আমদানিকৃত কাঁচামাল এবং প্যাকেজিং উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, পরিবহন এবং শ্রমিকদের মজুরি বা শ্রমের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়া ও ব্যাংক ঋণ বা অর্থায়নের অতিরিক্ত খরচ ইত্যাদি এই সংকটের জন্য দায়ী।

    অন্যদিকে, দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকারের বর্তমান মূল্য নির্ধারণ নীতি (Pricing policy) মেনে ওষুধ বিক্রি করলে উৎপাদন খরচই তোলা সম্ভব হচ্ছে না। লোকসান এড়াতে অনেক কোম্পানি বাধ্য হয়ে উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ‘ডন’ (Dawn)-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সংকটের পিছনে প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতাও বড় ভূমিকা পালন করছে। উৎপাদন খরচ আকাশছোঁয়া হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে ওষুধ তৈরি করা ফার্মা কোম্পানিগুলোর জন্য আর লাভজনক ছিল না। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে ড্র্যাপ (DRAP) দুই বছরেরও বেশি সময় আগে ১০৫টি অতি প্রয়োজনীয় বা সঙ্কটকালীন ক্যাটাগরির (Hardship category) ওষুধের দাম পুনর্বিবেচনা করে দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। দুর্ভাগ্যবশত, সেই প্রস্তাবগুলো এখনও পাকিস্তানের ফেডারেল ক্যাবিনেটের অনুমোদনের অপেক্ষায় ঝুলে রয়েছে।

    দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি সিদ্ধান্ত না আসায় এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে ওষুধের উৎপাদন ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে। ফলস্বরূপ, বেশ কিছু উৎপাদক সংস্থা বাজারে অতি প্রয়োজনীয় ও জীবনদায়ী ওষুধের জোগান পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে এবং দেশজুড়ে তীব্র ওষুধ সঙ্কট (Pakistan Medicine Crisis) তৈরি হয়েছে।

    দেউলিয়া পাকিস্তানের ব্যর্থতা

    অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পাকিস্তান সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে ওষুধের দাম বাড়াতে দিচ্ছে না, অন্যদিকে উৎপাদন খরচ বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় ফার্মা কোম্পানিগুলি ওষুধ তৈরি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে, বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে ইনসুলিন, ক্যানসারের কেমোথেরাপির ওষুধ, হেপারিন এবং সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিকের মতো জরুরি ড্রাগ।

    ধুঁকছে পাকিস্তান, বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে ভারতের ফার্মা সেক্টর

    পাকিস্তানের এই শোচনীয় পরিস্থিতি দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের শক্তিশালী অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। পাকিস্তান যখন সামান্য প্যারাসিটামল বা ইনসুলিনের জন্য অন্যান্য দেশের দিকে হাত পাতছে, ভারত তখন সম্পূর্ণ আত্মনির্ভরশীল হয়ে বিশ্বমঞ্চে রাজত্ব করছে। ভারত আজ বিশ্বের বৃহত্তম জেনেরিক ওষুধ সরবরাহকারী দেশ। বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত ভ্যাকসিনের ৬০ শতাংশের বেশি উৎপাদিত হয় ভারতে। ভারতের শক্তিশালী ফার্মা পরিকাঠামোর কারণে এখানে অত্যন্ত কম মূল্যে জীবনদায়ী ওষুধ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়, যা পাকিস্তানের কাছে কল্পনা করাও অসম্ভব। পাকিস্তানের রোগীরা আজ নিজেদের দেশে ন্যূনতম চিকিৎসা না পেয়ে ভারতের উন্নত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর ভরসা করতে বাধ্য হচ্ছেন।

  • Black Day: ১৯৩১ সালের ১৩ জুলাই কাশ্মীরি হিন্দু পণ্ডিতদের ওপর হয়েছিল বিরাট হামলা, জানুন শিহরণ জাগানিয়া সেই কাহিনি

    Black Day: ১৯৩১ সালের ১৩ জুলাই কাশ্মীরি হিন্দু পণ্ডিতদের ওপর হয়েছিল বিরাট হামলা, জানুন শিহরণ জাগানিয়া সেই কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ১৩ জুলাই দিনটি ‘ব্ল্যাক ডে’ (Black Day) হিসেবে পালন করে আসছে বাস্তুচ্যুত কাশ্মীরি হিন্দু সম্প্রদায়ের (Kashmiri Hindus) একটি বড় অংশ। দেশের বিভিন্ন শহর এবং বিদেশে বসবাসরত বহু কাশ্মীরি পণ্ডিত এই দিনটিকে ১৯৩১ সালের ঘটনাবলির স্মরণে পালন করেন। তাঁদের দাবি, ওই দিন থেকেই কাশ্মীরে হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর সংগঠিত হিংসার সূচনা হয়েছিল, যার পরিণতি ১৯৮৯-৯০ সালের গণ-নির্বাসন। ১৯৩০ সালে লন্ডনে হওয়া গোল টেবিল বৈঠকে দেশীয় রাজ্যগুলির প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন মহারাজা হরি সিং। সেখানে তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। কাশ্মীরি হিন্দুদের একাংশের মতে, এর পর থেকেই ব্রিটিশ প্রশাসন মহারাজার অবস্থান দুর্বল করার লক্ষ্যে নানা রাজনৈতিক পদক্ষেপ করে এবং রাজ্যের মুসলিম অভিজাতদের একটি অংশকে সেই কৌশলের অংশ করে তোলে।

    সাম্প্রদায়িক মেরুকরণে ইন্ধন (Black Day)

    এদিকে, মহারাজার বৃত্তি নিয়ে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া কয়েকজন ছাত্র পরবর্তীকালে ডোগরা শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শেখ মহম্মদ আবদুল্লা। তিনি প্রথমে শ্রীনগর স্টাডি সার্কেল গড়ে তোলেন, যা পরে জম্মু ও কাশ্মীর মুসলিম কনফারেন্সে রূপান্তরিত হয়। অভিযোগ, এই সংগঠনই ১৯৩১ সালের আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয় এবং কাশ্মীরে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণকে উসকে দেয়। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের একাংশের বক্তব্য, ১৩ জুলাই ১৯৩১ ছিল কাশ্মীরে হিন্দু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে প্রথম বড় আকারের সংগঠিত হামলার দিন। তাঁদের দাবি, ব্রিটিশ প্রশাসন, মুসলিম কনফারেন্স এবং বিভিন্ন মৌলবাদী গোষ্ঠীর ভূমিকা এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ছিল (Black Day)। ব্রিটিশদের মদতে পেশোয়ারের বাসিন্দা আবদুল কাদিরকে কাশ্মীরে এনে মহারাজার বিরুদ্ধে মুসলিম জনমত গড়ে তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সময়ে মুসলিম কনফারেন্স “কাশ্মীর ছাড়ো” স্লোগান তুলে আন্দোলন শুরু করে। অভিযোগ, সেই সময় মহারাজার সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করে টার্গেট করা হয় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের।

    জেলে ভেঙেছিল বন্দিরা

    এই বর্ণনায় দাবি করা হয়েছে, ১৯৩১ সালের ২৯ জুলাই খ্রেওর মা জ্বালা দেবীর জন্মোৎসব উপলক্ষে বহু কাশ্মীরি পণ্ডিত শ্রীনগরের বাইরে থাকবেন, সেই সুযোগে তাঁদের বাড়িঘর লুট ও আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। যদিও সেই পরিকল্পনার খবর আগেই ফাঁস হয়ে যাওয়ায় বানচাল হয়ে যায় (Black Day) ষড়যন্ত্র। এর কিছুদিন আগে, ১২ ও ১৩ জুলাই শ্রীনগরের হরিপর্বত সেন্ট্রাল জেলে বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, আবদুল কাদিরের প্ররোচনায় বন্দিদের একাংশ জেল ভেঙে বেরিয়ে আসে এবং বিপুল সংখ্যক সমর্থক তাঁদের সঙ্গে যোগ দেয়। ফলশ্রুতিতে শ্রীনগরের বিচারনাগ, মহারাজগঞ্জ, আমিরাকাদল, হরি সিং হাই স্ট্রিট, বোহরি কাদল-সহ একাধিক এলাকায় হিন্দুদের (Kashmiri Hindus) বাড়িঘর ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রতিষ্ঠানে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করার (Black Day) অভিযোগ ওঠে।এখনকার বদগাঁও জেলার কানিকুট গ্রামে হিন্দু পরিবারগুলির ওপর হামলা হয় বলেও অভিযোগ। সেখানে একটি পরিবারের সদস্যদের বহুতল বাড়ি থেকে ফেলে হত্যা করা হয়। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের মতে, এটি ছিল সম্পূর্ণ একতরফা হামলা এবং নিরীহ হিন্দুদের ওপর সংঘটিত এক সংগঠিত হিংসা।

    শেখ সাহেব…

    প্রাক্তন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক রামনাথ কৌল তাঁর “শেখ মহম্মদ আবদুল্লা: আ পলিটিক্যাল ফিনিক্স” গ্রন্থে ১৩ জুলাইয়ের ঘটনার একটি বিবরণ দিয়েছেন। সেখানে দাবি করা হয়েছে, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালালে কয়েকজন জখম হন। পরে তাঁদের মুসলিম কনফারেন্সের সদর দফতর মুজাহিদ মঞ্জিলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় গুরুতর জখম এক ব্যক্তি শেখ আবদুল্লাকে বলেন, “শেখ সাহেব, আপনি আমাদের যা বলেছিলেন, আমরা তাই করেছি।” এরপর তাঁর মৃত্যু হয় বলে বইটিতে দাবি করা হয়েছে। এই বিবরণ অনুযায়ী, পরে নিহতদের “শহিদ” হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এদিকে, কাশ্মীরি পণ্ডিতরা এই ঘটনাকে “বাটা লুট” নামে উল্লেখ করতে শুরু করেন এবং ১৯৩২ সাল থেকে ১৩ জুলাই দিনটিকে “ব্ল্যাক ডে” হিসেবে পালন করে আসছেন। নির্বাসিত জীবনেও এই প্রথা বজায় রয়েছে (Black Day)।

    কাশ্মীরি হিন্দুদের জাতিগত উচ্ছেদের ফল

    কাশ্মীরি হিন্দু সংগঠনগুলির একাংশের মতে, ১৩ জুলাই ১৯৩১-এর ঘটনাই পরবর্তী কয়েক দশকে কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদ, সন্ত্রাসবাদ এবং কাশ্মীরি হিন্দুদের জাতিগত উচ্ছেদের ভিত্তি তৈরি করে। তাঁদের দাবি, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আগেই কাশ্মীর থেকে হিন্দুদের উৎখাতের একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা শুরু (Kashmiri Hindus) হয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটে তাঁদের দাবি, ১৯৩১ সালের ১৩ জুলাই সংখ্যালঘু হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হিংসার স্মৃতিতে ভারত সরকার এবং জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের উচিত দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে “ব্ল্যাক ডে” ঘোষণা করা। প্রসঙ্গত, ১৩ জুলাই ১৯৩১ সালের এই সব ঘটনাকে ঘিরে বিভিন্ন ঐতিহাসিক, গবেষক এবং রাজনৈতিক মহলের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। ব্যাখ্যাও আলাদা। তবে একথা ঠিক যে, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের আক্ষরিক অর্থেই ভিটেছাড়া হওয়ার (Black Day) নেপথ্যে ছিল ইংরেজদের রোপণ করা সাম্প্রদায়িক বিষবৃক্ষের বীজ।

     

  • 456 Madrasas Grant Stopped: মাদ্রাসা বোর্ড বিলুপ্তির পর ৪৫৬টি মাদ্রাসার সরকারি অনুদান বন্ধ! উত্তরাখণ্ড সরকারের বড় সিদ্ধান্ত

    456 Madrasas Grant Stopped: মাদ্রাসা বোর্ড বিলুপ্তির পর ৪৫৬টি মাদ্রাসার সরকারি অনুদান বন্ধ! উত্তরাখণ্ড সরকারের বড় সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে বড়সড় পদক্ষেপ করল উত্তরাখণ্ডের পুষ্কর সিং ধামী সরকার। রাজ্যে মাদ্রাসা বোর্ড (Uttarakhand Madrasa Board) পুরোপুরি বিলুপ্ত করার পর, এবার এই বোর্ডের অধীনে থাকা ৪৫৬টি মাদ্রাসাকে দেওয়া সমস্ত রকম সরকারি আর্থিক অনুদান (456 Madrasas Grant Stopped) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। তবে অনুদান বন্ধ করা হলেও, মাদ্রাসাগুলিতে অধ্যয়নরত হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে ‘U-DISE’ (Unified District Information System for Education) সুবিধাগুলি অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে। সরকারের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষাকে স্কুল শিক্ষার কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা।

    কেন বন্ধ সরকারি অনুদান (456 Madrasas Grant Stopped)?

    উত্তরাখণ্ড শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, রাজ্য সরকার আগেই মাদ্রাসা বোর্ড ভেঙে দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিল। এবার সেই সিদ্ধান্তের সূত্র ধরেই অনুদান বন্ধের এই কড়া নির্দেশিকা জারি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মাদ্রাসা বোর্ড বিলুপ্ত হওয়ার পর এই ৪৫৬টি মাদ্রাসা আর সরকারি আর্থিক সাহায্য পাওয়ার আইনি যোগ্যতা রাখে না। এর ফলে রাজ্য কোষাগার থেকে এই মাদ্রাসাগুলির পরিকাঠামো ও পরিচালনার জন্য যে মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়া হতো, তা পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে।

    চালু থাকছে ‘U-DISE’ সুবিধা

    মাদ্রাসাগুলির প্রাতিষ্ঠানিক অনুদান বন্ধ হলেও, সাধারণ পড়ুয়ারা যাতে কোনওভাবেই ক্ষতির মুখে না পড়ে, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রেখেছে ধামী সরকার। ‘U-DISE’ পোর্টালের অন্তর্ভুক্তি বজায় থাকায়, মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরা আগের মতোই কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন স্কলারশিপ (Scholarships) পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। পড়ুয়ারা যাতে পুষ্টি ও শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, সেজন্য মিড-ডে মিল (Mid-day Meal) এবং অন্যান্য সরকারি শিক্ষাগত সুবিধাগুলি আগের মতোই চালু থাকবে। এই ব্যবস্থার ফলে পড়ুয়াদের প্রাতিষ্ঠানিক ডেটাবেস নষ্ট হবে না, যার ফলে পরবর্তীতে তাদের উচ্চশিক্ষা বা স্কুল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কোনো আইনি জটিলতা তৈরি হবে না।

    মূল ধারার শিক্ষায় ফেরানোর লক্ষ্য

    বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তরাখণ্ড সরকারের এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে মাদ্রাসার পড়ুয়াদের আধুনিক ও মূল ধারার শিক্ষার সাথে যুক্ত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। উত্তরাখণ্ড সরকার চাইছে, মাদ্রাসাগুলি শুধুমাত্র ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ স্কুলগুলির মতো আধুনিক সিলেবাস, বিজ্ঞান ও গণিত চর্চাকে অগ্রাধিকার দিক। ইতিমধ্যেই অনুদানপ্রাপ্ত মাদ্রাসাগুলিকে সাধারণ স্কুলের নিয়মের আওতায় আসার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পরামর্শ দেওয়া শুরু হয়েছে।

  • Nepal Protest: নেপালে পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ, নিজের তৈরি আগ্রাসী নীতিরূপী ‘ভস্মাসুর’-এর মুখে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ

    Nepal Protest: নেপালে পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ, নিজের তৈরি আগ্রাসী নীতিরূপী ‘ভস্মাসুর’-এর মুখে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের রাজনীতিতে ফের বড়সড় অসন্তোষ। যে সরকারকে এক বছরও হয়নি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছিল দেশের যুবসমাজ , আজ সেই সরকারের বিরুদ্ধেই কাঠমান্ডুর রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ (Nepal Protest) দেখাচ্ছেন তাঁরা। রাজধানী কাঠমান্ডুর সরকারি দফতর ‘সিংহদরবার সেক্রেটারিয়েট’-এর বাইরে প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হয়েছেন শত শত মানুষ। ‘গরিবের উপর অত্যাচার বন্ধ করো’ এবং ‘মানবাধিকারকে সম্মান দাও’- স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। নেপালের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বালেন্দ্র শাহের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে এই গণবিক্ষোভের নেপথ্যে রয়েছে এক মর্মান্তিক ঘটনা।

    কেন এই জনরোষ (Nepal Protest)? 

    গত বৃহস্পতিবার, কাঠমান্ডুর রাস্তায় খদ্দেরের জন্য অপেক্ষা করছিলেন মোটরসাইকেলে যাত্রী বহনকারী চালক বছর ২৫-এর গণেশ নেপালি। নেপালি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সেই সময় পুরসভার পুলিশ এসে আচমকা তাঁর মোটরসাইকেলের চাকায় লক (Wheel Clamp) লাগিয়ে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশের এই অন্যায় আচরণের প্রতিবাদে নিরুপায় হয়ে ২৫ বছর বয়সী ওই তরুণ নিজের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। এই মর্মান্তিক মৃত্যুই নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা নেপালকে। বারুদের মতো জ্বলে উঠেছে জেন-জিদের ক্ষোভ (Gen Z Protest)।

    পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা আন্দোলনকারীদের

    গণেশ নেপালির মৃত্যুর বিচার চেয়ে এবং প্রধানমন্ত্রীর ‘ফ্যাসিবাদী নীতি’-র বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ পড়ুয়া, চালক ও যুবসমাজ বীর হাসপাতালের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। ভদ্রকালী এলাকায় পুলিশ আন্দোলনকারীদের পথ আটকালে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করতেই পুলিশ ও যুবকদের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। পাল্টা ইট-পাটকেল ছোড়ে আন্দোলনকারীরাও।

    উত্তাল নেপালের সংসদও

    রাস্তার সংঘর্ষের আঁচ এবার পৌঁছেছে নেপালের সংসদেও। সরকারের শরিক দল ‘রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি’ (RSP)-র সাংসদ আশিকা তামাং থেকে শুরু করে বিরোধী জোটের নেতারাও বালেন্দ্র শাহ-র সরকারকে তুলোধোনা করেছেন। বিরোধীদের স্পষ্ট দাবি, সরকারকে স্টান্টবাজি বন্ধ করতে হবে। এই প্রশাসনই সাধারণ দিনমজুরদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এদিকে, পরিস্থিতি সামাল দিতে নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক পুলিশের ডিআইজি (DIG) গোবিন্দ থাপালিয়ার নেতৃত্বে একটি ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং পুরপুলিশের ক্ষমতা খর্ব না করা পর্যন্ত আন্দোলন থেকে সরতে নারাজ নেপালের লড়াকু জেন-জি প্রজন্ম।

    বালেন্দ্র শাহ-এর ‘আগ্রাসী’ শাসন নীতি

    বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই অত্যাচার নতুন নয়। ২০২২ সালে বালেন্দ্র শাহ কাঠমান্ডুর মেয়র হওয়ার পর থেকেই ওখানকার পুরপুলিশ অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। শহরের সৌন্দর্যায়ন ও ফুটপাত পরিষ্কার করার নামে বালেন্দ্র শাহ কড়া মনোভাব নেন। নদীপাড়ের বস্তি উচ্ছেদ এবং হকারদের জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার কারণে বারবার পুলিশের সঙ্গে গরিব মানুষের সংঘর্ষ বাঁধে। ফুটপাতের ছোট ব্যবসায়ী, দিনমজুর ও গরিব মানুষদের উপর পুলিশের এই জুলুমের একাধিক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই যুবসমাজের মধ্যে ক্ষোভ (Gen Z Protest) জমছিল। যা এই তরুণ চালকের মৃত্যুর পর গণবিক্ষোভে রূপ নিয়েছে।

    আইন কী বলছে? 

    আইনজ্ঞদের মতে, বালেন্দ্র শাহ-এর প্রশাসন সংবিধানের তোয়াক্কা না করে পুরপুলিশকে ফেডারেল পুলিশের মতো আগ্রাসী বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করছে। নেপালের ‘কাঠমান্ডু মেট্রোপলিটন সিটি মিউনিসিপ্যাল পুলিশ অ্যাক্ট ২০২৩’ অনুযায়ী, পুরপুলিশের কাজ পুরসভার সম্পত্তি রক্ষা করা, পার্কের দেখভাল করা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং স্থানীয় উৎসবে সাহায্য করা। নেপালের প্রাক্তন ডিআইজি পূর্ণচন্দ্র জোশী এবং প্রবীণ আইনজীবী রাজু চাপাগাইন জানিয়েছেন, পুরপুলিশের কোনো নাগরিককে আটক করার, লাঠিচার্জ করার বা বলপ্রয়োগ করার আইনি অধিকার নেই। ট্রাফিক বা রাস্তা অবরোধের সমস্যা হলে তাদের ট্রাফিক পুলিশ বা নেপাল পুলিশকে জানানো উচিত। কিন্তু আইন অমান্য করে এই পুরপুলিশ প্রতিনিয়ত হকারদের তাড়া করছে, সাধারণ মানুষের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করছে এবং মারধর করছে—যা সম্পূর্ণ বেআইনি।

    বস্তি উচ্ছেদ বন্ধ ও বাসস্থানের দাবি

    রাইড-শেয়ারিং চালকের মৃত্যুর পাশাপাশি বিক্ষোভকারীরা সরকারের অবৈধ গ্রেফতারি বন্ধ করার এবং নদীপাড় থেকে উচ্ছেদ হওয়া বস্তিবাসীদের বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। কয়েক মাস আগে যে যুবসমাজ (Gen Z) পরিবর্তনের আশায় বালেন্দ্র শাহ-কে সমর্থন করেছিল, আজ তারাই দেশের গরিব মানুষের মানবাধিকার রক্ষা এবং প্রশাসনের জবাবদিহির দাবিতে অনড়।

  • CM Suvendu Adhikari: রথযাত্রার ৬০ কমিটিকে ৫ লাখ করে অনুদান, শ্রাবণে জলযাত্রীদের ওপর পুষ্পবৃষ্টির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: রথযাত্রার ৬০ কমিটিকে ৫ লাখ করে অনুদান, শ্রাবণে জলযাত্রীদের ওপর পুষ্পবৃষ্টির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথযাত্রায় মোটা অঙ্কের অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী বৃহস্পতিবার রথযাত্রা উৎসব (Rath Yatra Committee)। তার আগে সোমবার নবান্নে জেলাশাসক ও বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের ৬০টি রথযাত্রা কমিটিকে ৫ লাখ টাকা করে সরকারি সাহায্য দেওয়া হবে। শ্রাবণ মাসে শিবের মন্দিরে যাওয়া জলযাত্রীদের জন্য বিশেষ পরিষেবা এবং অনুকূল আবহাওয়া থাকলে হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হবে বলেও ঘোষণা করেছেন (CM Suvendu Adhikari) তিনি।

    রথযাত্রা কমিটিগুলিকে অনুদান (CM Suvendu Adhikari)

    এদিনের বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিল রথযাত্রা কমিটিগুলি। এই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দশকের পর দশক উৎসব হয়, এমন ৬০টি কমিটিকে ৫ লাখ টাকা করে সরকারি সাহায্য দেব। এটি আমাদের অংশগ্রহণ।” তিনি জানান, প্রথম বছর কমিটির তালিকা তৈরিতে কোনও ত্রুটি থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল। রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আগামী দিনে ত্রুটিহীন তালিকা তৈরি করব। অনেক দূর যাবে এই বিশেষ ব্যবস্থা। আজ যে বৃক্ষ রোপিত হল, আগামী দিনে তা মহীরূহ হবে। ঐতিহ্যে পরিণত হবে।” মুখ্যমন্ত্রী রথযাত্রা কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদানের অর্থ পুরানো, বিশেষ করে কাঠের তৈরি রথ সংস্কারের কাজে ব্যবহার করারও অনুরোধ জানান।রথযাত্রা নিয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকেও আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “এত দিন রথযাত্রা উৎসবে সরকারি স্তরে কয়েক জন ট্রাফিক পুলিশ পাঠিয়েই সরকার দায়িত্ব পালন শেষ করত। বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে স্লোগান— উন্নয়ন এবং ঐতিহ্য, দু’টিকে সামনে রেখে এগোতে চায়। তাই এ বারের রথযাত্রায় সরকারিভাবে, সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    পুষ্পবৃষ্টি

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের ৭৫টি ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার মেলায় সেবাকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে পুণ্যার্থীদের জন্য ন্যূনতম পরিষেবা দেওয়া হবে। এই কাজে পুরসভা, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট রথযাত্রা কমিটিগুলিকে যুক্ত করা হবে।শ্রাবণ মাসে জলযাত্রীদের জন্যও একাধিক বিশেষ উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বরে যাওয়ার পথে প্রতি ৫ কিলোমিটার অন্তর সেবাকেন্দ্র স্থাপন করছে সরকার। তারকেশ্বর ধামকে সাজানোর জন্য ১৫ কোটি টাকার কাজ করছি।” তিনি জানান, জলযাত্রীদের পরিষেবার জন্য রাজ্যের তিনটি তীর্থস্থানকে বেছে নেওয়া হয়েছে— জলপাইগুড়ির জল্পেশ মন্দির, ভুটান সীমান্তবর্তী জয়ন্তী এলাকার একটি মন্দির এবং তারকেশ্বর। এই তিনটি কেন্দ্রকে ঘিরে পরিষেবা শিবির গড়ে তোলা হবে। সেখানে থাকবে পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র, অস্থায়ী স্বাস্থ্য শিবির, পানীয় জল, ওআরএস এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা। এই প্রসঙ্গেও পূর্বতন সরকারকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভারতের অন্য রাজ্যে দেখেছি, সরকারিভাবে এই পরম্পরাকে বাঁচাতে সহযোগিতা করা হয়। এত দিন এই রাজ্য বঞ্চিত ছিল। কিন্তু এই সরকার সহায়তা করবে (CM Suvendu Adhikari)।” তিনি আরও জানান, শ্রাবণ মাসের প্রতি সোমবার আবহাওয়া অনুকূল থাকলে জলযাত্রীদের ওপর হেলিকপ্টার থেকে গোলাপের পাপড়ি বর্ষণ করা হবে। এর পাশাপাশি, তিনি জানান, ১৪ জুলাই তারকেশ্বরে উপস্থিত থেকে শ্রাবণী মেলার সূচনা করবেন।

    তীর্থক্ষেত্র সার্কিট প্রকল্প

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, বাজেটে তীর্থক্ষেত্র সার্কিট প্রকল্প রাখা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “মঠ, মন্দির, কিরীটেশ্বরী-সহ অনেক প্রাচীন মন্দির, যাদের ইতিহাস রয়েছে, তাদের সংস্কার এবং হেরিটেজের আওতায় আনতে উদ্যোগী হয়েছি। ধর্মীয় স্থানগুলির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি।” তিনি আরও জানান, ভারত সেবাশ্রম সংঘ পরিচালিত হাসপাতালগুলিকে আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় আনা (Rath Yatra Committee) হয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মস্থান সিমলা স্ট্রিটের উন্নয়নের জন্য ৫ কোটি টাকার কর্পাস তহবিল দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে রাজ্য সরকার (CM Suvendu Adhikari)।

     

LinkedIn
Share