Blog

  • NEET-PG 2022: ফাঁকাই পড়ে থাকবে আসন? নীট-পিজির বিশেষ কাউন্সেলিং-এর আবেদন খারিজ শীর্ষ আদালতের

    NEET-PG 2022: ফাঁকাই পড়ে থাকবে আসন? নীট-পিজির বিশেষ কাউন্সেলিং-এর আবেদন খারিজ শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭ মে শেষ হয়ে গিয়েছে নীট-পিজির (NEET-PG 2022) কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া। এখনও ফাঁকা পড়ে রয়েছে ১,৪৫৬টি আসন। শীর্ষ আদালতে আসনগুলির জন্যে বিশেষ কাউন্সেলিং-এর (Special Counselling) আবেদন জানিয়েছিলেন পরীক্ষার্থী স্নাতক ডাক্তাররা। তাঁদের সেই আবেদন খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। 

    বিচারপতি এম আর শাহের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, “ডাক্তারির পড়াশোনার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ভর্তির প্রক্রিয়া অনন্তকাল ধরে চলতে পারে না। এর জন্যে একটা নির্দিষ্ট সময় থাকে। সময়সূচি মেনেই তা করা হয়। নাহলে ডাক্তারির পড়াশোনা সর্বোপরি জনস্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব পড়বে।”  

    আরও পড়ুন: পেছাচ্ছে না নীট স্নাতকোত্তর পরীক্ষা, জানাল শীর্ষ আদালত

    বেঞ্চ আরও জানায়, “নয় ধাপের কাউন্সেলিং-এর পরে ৪০ হাজার আসনের মধ্যে ১,৪৫৬ আসন ফাঁকা পড়ে আছে। এর মধ্যে ১,১০০-র বেশি নন-ক্লিনিকাল আসন। প্রতিবছরই এই আসনগুলি ফাঁকা পড়ে থাকে।” আদালত কড়া ভাষায় বলে, “ডাক্তারির শিক্ষা, মেধা তালিকা তার গুণমান নিয়ে কোনও রকম আপোষ করা হবে না।”

    সম্প্রতি নীট পিজির আসন নিয়ে কেন্দ্রকে ভর্ৎসনা করে শীর্ষ আদালত। এখনও কেন আসন ভর্তি হয়নি, সেই প্রশ্ন করা হয়। ডাক্তারদের ভবিষ্যত নিয়ে কি ছেলেখেলা চলছে? কেন্দ্রকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি। 

    আরও পড়ুন: ফের স্থগিত হতে পারে এবছরের নীট পরীক্ষা, প্রতিনিধি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বৈঠকের পর এমনই সম্ভবনা দেখা দিয়েছে 

    নীট-পিজির আসনে ভর্তি হচ্ছে না, এই অভিযোগে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেন সাত চিকিৎসক। ৭ মে শেষ হয়ে গিয়েছে কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া, তারপরে কীভাবে ভর্তি নেওয়া হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেক আসনই এখনও ফাঁকা পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। বিশেষ কাউন্সেলিং-এর আবেদনও জানান। কিন্তু ডাক্তারদের সেই আরজি খারিজ করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত।  

    এর আগে নীট পিজির পরীক্ষা নিয়ে দফায় দফায় মামলা দায়ের হয়েছে আদালতে। তার জেরে অনেকটাই পিছিয়ে গিয়েছিল পরীক্ষা। কেন্দ্র নতুন সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। সেই আবেদনও খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। 
     

  • Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে সিবিআইয়ের চার্জশিটে ৪১ জনের নাম! জানুন কে কে সেই তালিকায়

    Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে সিবিআইয়ের চার্জশিটে ৪১ জনের নাম! জানুন কে কে সেই তালিকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Scam) মঙ্গলবার আসানসোলের বিশেষ আদালতে চার্জশিট জমা দিল দিল সিবিআই (CBI)। ৪১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে সেই চার্জশিটে। সোমবারই বিনয় মিশ্র এবং লালা ওরফে অনুপ মাজির তিন সহযোগীর নামে বিশেষ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত।

    সূত্রের খবর, অনুপ মাজি ও বিকাশ মিশ্র ছাড়াও ৮ জন ইসিএল অফিসার, ৪ জন কয়লা মাফিয়া (জয়দেব মণ্ডল, নারায়ণ খারকা ওরফে নারায়ণ নন্দ, নীরদ মণ্ডল এবং গুরুপদ মাঝি), ১০ জন কোম্পানি ডিরেক্টর, ১৫ জন কয়লা কারবারির নাম রয়েছে চার্জশিটে। বিনয় মিশ্র ও রত্নেশ্বর ভার্মা দুজনেই পলাতক। তাদের নামেও চার্জশিট দিয়েছে সিবিআই।

    গত শনিবার বিনয় মিশ্র সহ বেশ কয়েকজনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে চেয়ে আদালতে বিশেষ রিপোর্ট জমা দিয়েছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, কীভাবে কয়লা মাফিয়ারা অবৈধভাবে কয়লা পাচার করত এবং কীভাবে তাদের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক চালু ছিল, সেই সমস্ত তথ্য এদিন আদালতে তুলে দেওয়া হয়। কয়লা পাচার কাণ্ডে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যে সব নথিপত্র সিবিআই-এর গোয়েন্দারা হাতে পেয়েছেন এবং যে সব তথ্যপ্রমাণ তাঁরা একত্রিত করেছেন, সেই সব কিছু সংশ্লিষ্ট চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: মহামারির পর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি! জানুন কী বলছে সমীক্ষা

    কয়লা পাচার কাণ্ডে সিবিআই চার্জশিট জমা দিলেও এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত চার্জশিট দেয়নি সিআইডি। এই দুর্নীতি নিয়ে সিবিআইয়ের সমান্তরাল তদন্ত চালাচ্ছে সিআইডি। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে গঠন করা হয় ২০ জনের এই তদন্তকারী দল। যার নেতৃত্বে রয়েছেন সিআইডির ডিআইজি। কয়লা কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৩০টির বেশি মামলার দায়ের হয়েছে। উল্লেখ্য, ইসিএলের পক্ষ থেকে কয়লা চুরি, দুর্নীতি–সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রথমে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে বিনয় মিশ্র, রত্নেশ্বর ভার্মা, নীরজ সিং এবং অমিত সিংয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

  • Stolen Bentley Car: অবাক কাণ্ড! লন্ডন থেকে চুরি হওয়া গাড়ি পৌঁছে গেল পাকিস্তানের করাচিতে! ভাইরাল ভিডিও

    Stolen Bentley Car: অবাক কাণ্ড! লন্ডন থেকে চুরি হওয়া গাড়ি পৌঁছে গেল পাকিস্তানের করাচিতে! ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার অদ্ভুত কাণ্ড ঘটিয়ে খবরের শিরোনামে পাকিস্তান। গাড়ি চুরি হল লন্ডনে, আর খুঁজে পাওয়া গেল করাচিতে! এ যেন একেবারে অবাক করা কাণ্ড। তবে এই গাড়ি যেই সেই গাড়ি নয়, তার নাম বেন্টলে।

    সংবাদ সূত্রের খবর, ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডন (London) থেকে চুরি হয়ে যাওয়া বিলাসবহুল বেন্টলে মুলসান সেডান (Bentley Mulsanne sedan) গাড়িটি করাচিতে নিয়ে আসা হয়েছিল। বাজারে যার আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষ মার্কিন ডলারেরও বেশি! ভারতীয় মুদ্রায় ২ কোটি টাকার বেশি। তবে কীভাবে লন্ডনের চুরি হওয়া গাড়ি করাচিতে পৌঁছলো এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে কোনওমতে ঠেলেঠুলে গাড়িটিকে সরানোর চেষ্টা করছেন পাক কাস্টমসের কর্মীরা।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, জানা গিয়েছে ইউকে ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি থেকে তথ্য পাওয়ার পরে করাচির কালেক্টরেট অফ কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালায়। সেই সময় দেখা যায় বেন্টলে মুলসান সেডান গাড়িটি শহরের ডিএইচএ এলাকার একটি বাড়িতে পার্ক করা রয়েছে। পাক সংবাদমাধ্যমে জানা গিয়েছে, লন্ডন থেকে গাড়িটি চুরি করার পরে সেই গাড়ি থেকে ট্রেসিং ট্র্যাকার সরাতে পারেনি চোরের দল। আর এইভাবেই উন্নত ট্র্যাকিং সিস্টেমের মাধ্যমে গাড়ির কোথায় আছে তা খুব সহজেই বুঝতে পেরে যায় ইউকে ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি।

    আরও পড়ুন: স্কুলে নম্বর বেশি পাওয়ার ফল মৃত্যু! বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ সহপাঠীর মায়ের বিরুদ্ধে

    তবে জানা গিয়েছে অভিযান চলাকালীন দেখা যায়, সেই গাড়িতে পাকিস্তানের নম্বর প্লেট লাগানো ছিল। তবে তল্লাশি চালানোর পর জানা যায়, লন্ডন থেকে চুরি হওয়া গাড়ির চেসিস নম্বর আর সেই গাড়ির চেসিস নম্বর এক। এরপর গাড়ির মালিককে ওই গাড়ির উপযুক্ত কাগজপত্র দেখাতে বললে তা দেখাতে পারেনি। আর সেই কারণে গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করার সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান মালিক এবং যে দালালের মাধ্যমে তিনি গাড়িটি কিনেছিলেন, তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, তদন্ত করে জানা গিয়েছে গাড়ি চুরির ক্ষেত্রে যারা যারা জড়িত ছিল তারা পূর্ব ইউরোপের একটি দেশের শীর্ষস্থানীয় কূটনীতিকের কাগজপত্র ব্যবহার করে তা পাকিস্তানে নিয়ে গিয়েছিল। আবার, কাস্টমসের দায়ের করা এফআইআর থেকে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে গাড়িটি নিয়ে যেতে পাকিস্তানের টাকায় প্রায় ৩০০ মিলিয়নের বেশি কর ফাঁকি দিয়েছে গাড়ি চোরেরা।

  • UK Prime Minister: হেরে গেলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি! ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস

    UK Prime Minister: হেরে গেলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি! ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার বিকেলেই ঘোষণা হয়ে গেল ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নাম। ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন লিজ ট্রাস (Liz Truss)। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাককে (Rishi Sunak) হারিয়ে ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন ট্রাস। লিজ ট্রাস ৮১৩২৬ ভোট পেয়েছেন এবং তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ঋষি সুনাক ৬০৩৯৯ ভোট পেয়েছেন। সুনাককে ২০,০০০-এর বেশি ভোটে পরাজিত করেন ট্রাস। এদিন কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যরাই তাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীকে ভোট দিয়ে বেছে নিয়েছেন।

    লিজ ট্রাস হলেন ব্রিটেনের তৃতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী। তাঁর আগে থেরেসা মে, ও মার্গারেট থ্যাচার ছিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছ, লিজ ট্রাস ৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উপস্থিত থাকবেন।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে পৌঁছলেন ঋষি সুনক-লিজ ট্রাস

    উল্লেখ্য, কয়েক মাস কেলেঙ্কারির পরে জুলাই মাসে বরিস জনসন (Boris Johnson) পদত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং তিনি জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করার জন্য মঙ্গলবার রানী এলিজাবেথের সাথে দেখা করতে স্কটল্যান্ডে যাবেন তিনি। দুর্নীতির দায় নিয়ে গত ৭ জুলাই পদত্যাগ করেছিলেন ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। বরিস প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতেই ব্রিটেনের রাজনীতিতে ডামাডোল শুরু হয়ে যায়। 

    তবে লিজ ট্রাস প্রধানমন্ত্রী হলেও তাঁকে বর্তমানে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। ব্রিটেনের যে পরিস্থিতি, তাতে বোঝাই যাচ্ছে, দেশের খুবই দুর্দিনে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসতে চলেছেন ট্রাস। কারণ, বেশ কিছুদিন ধরেই নিত্যপণ্যের দামবৃদ্ধিতে ব্রিটিশ নাগরিকদের নাজেহাল অবস্থা। এছাড়াও দেশ জুড়ে জ্বালানি সংকট ও বেকারত্ব তো রয়েছেই। ফলে ট্রাস কীভাবে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবে সেটাই এখন দেখার।

    প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে প্রথমে ঋষি সুনাকই প্রথম পাঁচ রাউন্ডে বিশাল লিড পেয়েছিলেন, কিন্তু কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যদের চূড়ান্ত ভোটে পরে লিজ ট্রাস বিপুল পরিমাণ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তবে ঋষি সুনাকের স্ত্রীর করফাঁকি, নিজের ইউএস গ্রিন কার্ড এবং বিপুল সম্পত্তি ইত্যাদির কারণে তাঁকে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়, আর এই কারণগুলোই তাঁর পরাজিত হওয়ার মূল কারণ বলে মনে করেছেন রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞ মহল।

  • Karnataka Hijab Row: হিজাব বিতর্কে এবার ২৪ ছাত্রীকে সাসপেন্ড কর্নাটকের সরকারি কলেজের

    Karnataka Hijab Row: হিজাব বিতর্কে এবার ২৪ ছাত্রীকে সাসপেন্ড কর্নাটকের সরকারি কলেজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই কর্নাটকের (Karnataka) মাঙ্গালুরুর উপ্পিনাংগাদির গভর্নমেন্ট ফার্স্ট গ্রেড কলেজে পোশাকবিধি না মেনে হিজাব (Hijab Row) পরে ক্লাস করায় ৬ জন ছাত্রীকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। ফের একই অপরাধে চলতি সপ্তাহেই ২৪ জন ছাত্রীকে সাসপেন্ড (Suspend) করল কলেজ কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: হিজাব পরে ক্লাসে! কর্নাটকে সাসপেন্ড ছয় ছাত্রী 

    পুত্তুরের বিধায়ক সঞ্জীবা মাতান্দুর (Sanjeeva Matandoor) এবিষয়ে বলেন, “ছাত্রীরা কর্নাটক হাইকোর্টের কলেজ পোশাকবিধি সংক্রান্ত নির্দেশিকা না মানলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা নিয়ম ভেঙে হিজাব পরে ক্লাসে আসবে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিক্ষকদের।”    

    প্রাক্তন মন্ত্রী ইউটি খাদের (UT Khader) বলেন, “যারা হিজাবের পক্ষে সওয়াল করছেন তারা ভারতে যে স্বাধীনতা পাচ্ছেন তাতে খুশি থাকুন। যারা সত্যিই পড়াশোনা করতে চান তাদের বিরক্ত করবেন না।” মাতান্দুর আরও বলেন, “কলেজ সব ধর্মের মানুষের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে কোনও দায়িত্বহীন ব্যবহার মেনে নেওয়া হবে না।”

    আরও পড়ুন: হিজাব পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে বাধা, মুখ্যমন্ত্রী বললেন, পড়াশোনায় মন দাও

    গত মার্চ মাসে কর্নাটক হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল, “হিজাব ইসলামি ধর্মীয় অনুশাসনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ নয়। তাই কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট পোশাকবিধি থাকলে তা মানতে হবে পড়ুয়াদের।” এরপরেই কর্নাটকের কয়েক জন পড়ুয়া হাই কোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। মামলাটির জরুরিভিত্তিক শুনানির আবেদন জানায় তারা। তবে শীর্ষ আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।  

    এদিনের ২৪ ছাত্রীকে সাসপেন্ড করার ঘটনায় ফের মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে বিক্ষোভ। নেটমাধ্যমে হিজাব পরার অধিকারের দাবিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন। ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে বিজেপি নেতা জশপাল সুবর্ণ এবং হিন্দুত্ববাদী সংগঠন শ্রীরাম সেনার প্রধান প্রমোদ মুতালিকের মাথা কেটে নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে!

    এই হুমকির জেরে ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি জশপাল এবং প্রমোদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে হিজাব নিষিদ্ধ করার দাবিতে একাধিক মন্তব্য করেছিলেন। এবিষয়ে জশপাল বলেন, ‘‘দেশবিরোধী শক্তি আবার কর্নাটকে গোলমাল বাধাতে চাইছে। আমরা তাতে ভীত নই।’’

  • Satyendar Jain: আরও বিপাকে সত্যেন্দ্র জৈন, বিপুল নগদ-সোনা উদ্ধার ইডির

    Satyendar Jain: আরও বিপাকে সত্যেন্দ্র জৈন, বিপুল নগদ-সোনা উদ্ধার ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দুর্নীতির মামলায় জড়িত দিল্লির মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের (Satyendar Jain) ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২.৮৫ কোটি টাকা নগদ এবং ১৩৩টি সোনার কয়েন উদ্ধার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)।

    ইডির (ED) তরফে জানানো হয়েছে— বৈভব জৈন, অঙ্কুশ জৈন, নবীন জৈন এবং রামপ্রকাশ জুয়েলার্সের মালিকরা আর্থিক তছরুপে সত্যেন্দ্রকে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সাহায্য করেছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, রাম প্রকাশ জুয়েলার্সের কাছ থেকে ২.২৩ কোটি টাকা নগদ পাওয়া গিয়েছে, বৈভব জৈনের কাছ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা এবং ১৩৩টি সোনার কয়েন সহ ৪১.৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।  

    বিষয়টির প্রতিক্রিয়া জানিয়ে একটি ট্যুইট করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি লেখেন, “আপ-এর পেছনে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় রাজধানী এবং পঞ্জাবে বিজেপি সরকারে নেই। মিথ্যা, মিথ্যা এবং আরও মিথ্যা। সমস্ত সংস্থার ক্ষমতা আপনার হাতে, কিন্তু ঈশ্বর আমাদের সঙ্গে রয়েছেন।”   

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র পাল্টা ট্যুইটে লিখেছেন, “সত্যেন্দ্র জৈনের বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা, সোনার কয়েন বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে। সাহস থাকে তো সত্যেন্দ্রকে মন্ত্রিসভা থেকে বের করুন। কিন্তু, আপনি পারবেন না, কারণ, আপনার হাটে হাঁড়ি ভেঙে যাবে।” 

    [tw]


    [/tw]

    কপিল যোগ করেন, “কেজরিওয়ালের মতে, তিনি একজন সৎ মানুষ। সত্যেন্দ্র জৈনের দুর্নীতি শুধুমাত্র একটা ঝলক মাত্র। আসল মাস্টারমাইন্ড হলেন কেজরিওয়াল, কেজরিওয়ালের দুর্নীতিতে গোটা বিশ্ব অবাক হবে।”

    সত্যেন্দ্র জৈন গত ১ জুন থেকে ইডির হেফাজতে রয়েছেন। ইডির আধিকারিকরা জানিয়েছেন, “সত্যেন্দ্র জৈনের বাস ভবনে এবং কিছু অন্যান্য স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। সত্যেন্দ্র জৈন আগামী ৯ জুন পর্যন্ত ইডির হেফাজতেই থাকবেন।” 

    চলতি বছরেই এপ্রিলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কলকাতার একটি কোম্পানির সঙ্গে সম্পর্কিত ৪.৮১ কোটি টাকার তছরুপের মামলায় সত্যেন্দ্র জৈনের যোগ খুঁজে পায়। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় মন্ত্রীকে। সিবিআইয়ের দায়ের করা একটি এফআইআরের ভিত্তিতে আপ ওই নেতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত করা হয়। 

    অভিযোগ, সত্যেন্দ্র জৈন চারটি কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার হওয়া সত্ত্বেও, কোম্পানিগুলির তহবিলের টাকার উৎস কী, তার জবাব দিতে পারেননি। তদন্ত সংস্থার দাবি, সত্যেন্দ্র জৈনের দিল্লিতে বেশ কয়েকটি কোম্পানি রয়েছে এবং তাদের মাধ্যমেই ১৬.৩৯ কোটি কালো টাকা পাচার করেছেন মন্ত্রী। 

      

  • RBI on GDP: দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে পারে ৭.২ শতাংশ, আশা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের

    RBI on GDP: দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে পারে ৭.২ শতাংশ, আশা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির হার পৌঁছতে পারে ৭.২ শতাংশ পর্যন্ত। এই আশার আলো দেখিয়েছেন রিজার্ভ ব্যাংকের (reserve bank of india) গভর্নর শক্তিকান্ত দাস (Shaktikanta Das)।

    সম্প্রতি হয়ে গেল তিনদিন ব্যাপী অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ কমিটির (monetary policy committee) বৈঠক। ওই বৈঠকেই একথা জানান শক্তিকান্ত। তিনি জানান, চলতি অর্থবর্ষে প্রতি ত্রৈমাসিকে প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে পারে যথাক্রমে ১৬.২%, ৬.২%, ৪.১% এবং ৪.০%।

    তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Ukraine War) পরিস্থিতিতে তিনি এই বৃদ্ধির ঝুঁকি সম্পর্কেও সতর্ক করে দিয়েছেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল ৭.২ শতাংশ। যদিও তাঁর আগের পূর্বাভাস ছিল ৭.৮ শতাংশ।

    আরও পড়ুন : দুমাসে দুবার! ফের রেপো রেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, কতটা সমস্যায় মধ্যবিত্ত?

    চলতি বছর স্বাভাবিক বর্ষা হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। শক্তিকান্ত বলেন, চলতি বছর স্বাভাবিক বর্ষা হবে ও অপরিশোধিত তেলের ব্যারেল প্রতি গড় মূল্য ১০৫ মার্কিন ডলার হবে ধরে নিলে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে মুদ্রাস্ফীতি গিয়ে দাঁড়াতে পারে ৬.৭ শতাংশে।

    এক ভিডিও বার্তায় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর বলেন, মুদ্রাস্ফীতির জেরে দাম বাড়তে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, বিদ্যুতের দাম, পশুখাদ্য এবং অপরিশোধিত তেলের। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হচ্ছে। তার জেরে প্রতিদিনই আমাদের নয়া চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    আরও পড়ুন : দুমাসে দুবার! ফের রেপো রেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, কতটা সমস্যায় মধ্যবিত্ত?

    প্রসঙ্গত, আরও একবার রেপো রেট বৃদ্ধি করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। বাড়ানো হয়েছে ৫০ বেসিস পয়েন্ট। রেপো রেট বাড়িয়ে ৪.৯০ শতাংশ করেছে শীর্ষ ব্যাঙ্ক। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির মোকাবিলা করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। প্রশ্ন হল, রেপো রেট বৃদ্ধির ফলে কী প্রভাব পড়বে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির ওপর? শক্তিকান্ত জানান, এর জেরে দেশের জিডিপি বাড়তে পারে প্রায় ৭.২ শতাংশ। এর থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার। তা হল, রেপো রেট বাড়ালেও, দেশের আর্থিক বৃদ্ধিতে কোনও কাটছাঁট করছে না রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আর্থিক বৃদ্ধির পরিমাণ যে জায়গায় ছিল, সেখানেই রইল।

    অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রেপো রেট বাড়লে আর্থিক বৃদ্ধির পরিমাণ কমে। আর রেপো রেট কমলে হয় উল্টোটা। গতবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট বৃদ্ধি করার পর দেশের আর্থিক বৃদ্ধি কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল দেশের একাধিক সংস্থা। যার জেরে জিডিপি বৃদ্ধিতে কাটছাঁট করা হয়েছিল। তবে রেপো রেট বাড়লে ব্যাঙ্কগুলো ঋণের ওপর সুদের হার বৃদ্ধি করে। করোনা পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির যা হাল, তাতে ঋণদানের ওপর নির্ভর করছে কেন্দ্রীয় সরকারও।

     

  • Gyanvapi row: জ্ঞানবাপী মামলায় সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া বিচারককে হুমকি-চিঠি!

    Gyanvapi row: জ্ঞানবাপী মামলায় সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া বিচারককে হুমকি-চিঠি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার জ্ঞানবাপী (Gyanvapi) মামলায় ভিডিও সমীক্ষার (Videography survey) নির্দেশ দেওয়ায় বিচারককে হুমকি। রীতিমতো চিঠি দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে তাঁকে। চিঠির শেষে নাম রয়েছে ইসলামিক অঘজ মুভমেন্ট (Islamic aghaz movement) নামের এক সংগঠনের। ঘটনার জেরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে সিভিল জজ রবিকুমার দিবাকরের (ravi kumar diwakar)।

    বারাণসীর (Varanasi) জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি হয়েছে কাশী বিশ্বনাথের মন্দির (Kashi Viswanath Temple) ভেঙে। অন্তত হিন্দুত্ববাদীদের (Hindutva) দাবি এমনই। হিন্দুত্ববাদীদের একাংশের দাবি, মুঘল আমলে একাধিক মন্দির ভেঙে নির্মাণ করা হয়েছিল মসজিদ। হিন্দুদের একটি সংগঠন আবার দেশজুড়ে ১৮০০ ‘অবৈধ’ মসজিদের তালিকা তৈরি করেছে। তাদের দাবি, এই সব মসজিদ তৈরি হয়েছিল মন্দির ভেঙে, মুঘল আমলে।

    হিন্দুত্ববাদীদের একাংশের দাবি, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে বেশ কিছু মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরও ভাঙা হয়েছিল ঔরঙ্গজেবের (Aurangzeb) নির্দেশে। তার পরেই তৈরি হয়েছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ। পরবর্তীকালে বিশ্বনাথের মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করেছিলেন রানি অহল্যাবাই।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এখন যেখানে মসজিদ রয়েছে, সেখানেই যে এক সময় মন্দির ছিল, তার প্রমাণ নন্দীর মূর্তিও। বিশ্বনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষকে এই মূর্তিটি উপহার দিয়েছিলেন নেপালের রানা। সেই নন্দীর মুখ রয়েছে মসজিদের দিকে। হিন্দুদের দাবি, নন্দীর মুখ থাকে শিবলিঙ্গের দিকে। তাই মন্দির ভেঙেই মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল।

    মসজিদের পশ্চিম দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে বলেও দাবি হিন্দুত্ববাদীদের। এখানেই এক সময় শৃঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) পুজো হত বলে দাবি তাঁদের। তাই ফের পুজোর অধিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন পাঁচ হিন্দু মহিলা।

    এদিকে, আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে ভিডিওগ্রাফি হয়। প্রকাশ্যে চলে আসে একটি ফুটেজ। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এই ফুটেজে স্পষ্ট মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে শিবলিঙ্গ (Shivling)। তার পরেই ওই জলাধার সিল করে দেয় আদালত। পাঁচ ওয়াক্ত নমাজ পড়ার অধিকার দেওয়া হয় ধর্মপ্রাণ মুসলিমদেরও।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    চলতি বছরের ২০ মে এই মামলা সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে চলে আসে বারাণসী জেলা আদালতে (Varanasi district court)। সেখানেই চলছে মামলার শুনানি। মসজিদে সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন সিভিল জজ রবিকুমার দিবাকর। তার পরেই তাঁকে দেওয়া হয় হুমকি চিঠি। চিঠি পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। বাড়ানো হয়েছে রবিকুমারের নিরাপত্তা।

    বারাণসীর পুলিশ কমিশনার এ সতীশ গণেশ বলেন, বারাণসীতে সিভিল জজ এবং লখনউতে তাঁর মায়ের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে ১৩ মে থেকে। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে জেলা জজেরও।

             

  • Hindu Rituals: শঙ্খ তিনবার বাজানো হয়, কেন জানেন? কী বলা হয়েছে শাস্ত্রে?

    Hindu Rituals: শঙ্খ তিনবার বাজানো হয়, কেন জানেন? কী বলা হয়েছে শাস্ত্রে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে শঙ্খের যোগ আজকের নয়। সেই কোন প্রাচীন কাল থেকে পুজো-অর্চনার কাজে লেগে আসছে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি। দুর্গাপুজোর অন্যতম অনুষঙ্গ শঙ্খ। পুরোহিতের মন্ত্র, ঢাকের আওয়াজ, শঙ্খধ্বনি এই শব্দগুলো সনাতন পুজো মণ্ডপের পরিচিত অনুষঙ্গ। এগুলো ছাড়া পুজোই হয় না। শঙ্খ প্রতিটা হিন্দু বাঙালি বাড়িতে থাকে, প্রতিটা বাঙালি বাড়িতে সকাল ও সন্ধ্যায় শঙ্খ বাজানো একটা রীতি।

    হিন্দু শাস্ত্রে বলা হয়েছে, নিত্যপুজোর পরে যদি নিয়ম করে তিনবার শঙ্খ বাজানো যায়, তাহলে গৃহস্থের অন্দরে অশুভ শক্তির প্রভাব কমতে থাকে এবং শুভ শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে কোনও খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি ভাগ্যও ফিরে যায়। ফলে জীবন সুখ -শান্তিতে এবং আনন্দে ভরে উঠতে সময় লাগে না।

    আরও পড়ুন: শঙ্খের উৎপত্তি কোথায়? কোন শঙ্খের মূল্য সবচেয়ে বেশি?

    শাস্ত্রে বলা হয় বাড়িতে শঙ্খ তিনবার বাজানো উচিত। তিনবারের বেশি শঙ্খ বাজানো উচিত নয়। এর কারণ হিসেবে শাস্ত্রে বলা হয় যে, ৩ বার শঙ্খ বাজালে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ এই তিন দেবতার সঙ্গে সমস্ত দেবদেবীরা আমন্ত্রিত হন। কিন্তু তিনবারের বেশি শঙ্খ বাজালে দেবের সঙ্গে দানব বা অসুরকে নিমন্ত্রণ পাঠানো হয়।

    হিন্দু ধর্ম শাস্ত্রে বলা হচ্ছে যে, সমুদ্র মন্থনের সময় অসুররা চারবার শঙ্খধ্বনি করে “বলি অসুর”-কে নিমন্ত্রণ পাঠিয়ে জাগ্ৰত করেছিল। তাই, তিনবারের বেশি শঙ্খ বাজালে সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশের দেবতা মহাদেব, বিষ্ণু, ব্রহ্মার পাশাপাশি আসুরি শক্তিও নিমন্ত্রণ পেয়ে আপনার গৃহে প্রবেশ করে। দেবতার পাশাপাশি অসুরকে নিমন্ত্রণের ফলস্বরূপ আপনার ও আপনার পরিবারের উপর নেমে আসতে পারে এইসব দেবতাদের অভিশাপ। তাই শাস্ত্রে তিনবার করেই শঙ্খ বাজানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: সন্ধ্যা দেওয়া হয় কেন? এর ঐতিহ্য, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাই বা কী?

     

  • KK Death: কেকে-র মৃত্যুর পর সতর্কতা! ৯ দফা নির্দেশিকা পুলিশের, কী আছে তাতে?

    KK Death: কেকে-র মৃত্যুর পর সতর্কতা! ৯ দফা নির্দেশিকা পুলিশের, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেকে-র মৃত্যুর (KK Death) ঘটনায় কাঠগড়ায় আয়োজক-উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে হল ও অডিটোরিয়াম কর্তৃপক্ষ।  এমনকি, বাদ যায়নি পুলিশও। সকলের বিরুদ্ধেই উঠেছে চরম উদাসীনতা, অপেশাদারিত্ব, অপরিণামদর্শিতার অভিযোগ। সমাজ থেকে শুরু করে সমাজ-মাধ্যম— সর্বত্র কেকে-র (KK) মৃত্যু নিয়ে চলছে দোষারোপের পালা। চলছে আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণ।

    পুলিশের বিরুদ্ধেও উঠেছে অভিযোগের আঙুল। যে হল-এ সদ্যপ্রয়াত সঙ্গীতশিল্পীর অনুষ্ঠান ছিল, সেই নজরুল মঞ্চের (Nazrul Manch) ব্যবস্থাপনায় একের পর এক খামতির খতিয়ান প্রকাশ্যে আসতে শুরু হওয়ায় প্রশ্নের মুখে আরক্ষা বাহিনীর পারদর্শিতা। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কী করে, পুলিশের তরফে এত বড় খামতি থেকে গেল? কী করেই বা ২৪০০ আসন বিশিষ্ট হলে ৭০০০ মানুষ ঢুকে পড়ল? 

     

    প্রশ্ন উঠছে, কেন অনুষ্ঠানে এক ঘণ্টার জন্য এসি বন্ধ ছিল? কেন কেকে বারবার অনুরোধ করা সত্বেও মঞ্চে গরম স্পটলাইট নেভানো হয়নি? কেন ফায়ার এক্সটিংগুইশার স্প্রে করা হচ্ছিল? একের পর এক গাফিলতি ও অবহেলার অভিযোগ ওঠায় গোটা ঘটনায় পুলিশ বাহিনীকে যে চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। 

    এখন কেকে-র মৃত্যুর পর ঘুম ভাঙল পুলিশের। সারা দেশ তোলপাড় হওয়ার পর শেষে নড়েচড়ে বসল পুলিশ। কলকাতায় কনসার্ট করা নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করল লালবাজার! অবশেষে জারি করা হয়েছে ৯ দফা নির্দেশিকা। আয়োজকদের একটি আন্ডারটেকিং নিতে হবে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, অনুষ্ঠান সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আগে জানাতে হবে স্থানীয় থানাকে। আসন সংখ্যার বেশি পাস ইস্যু করা যাবে না। আয়োজকদের লিখিতভাবে জানাতে হবে যে, দর্শক সংখ্যা হলের ক্যাপাসিটির ঊর্ধ্বে হবে না।

     

    এছাড়া, ৯ দফার নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে— পাস ছাড়া হলে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে না। একটি পাসে একজনই প্রবেশ করতে পারবেন। অনুষ্ঠানের সময় প্রবেশ ও প্রস্থানের প্রত্যেকটি পয়েন্টে যথেষ্ট পরিমাণ নিরাপত্তারক্ষী/স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে। এছাড়া, অনুষ্ঠানের ভেন্যুতে অ্যাম্বুল্যান্স, চিকিৎসকের ব্যবস্থা রাখতে হবে। পাশাপাশি, কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে নিকটবর্তী কোনও হাসপাতালে আইসিইউ সমেত আগাম ব্যবস্থা রাখতে হবে। 

LinkedIn
Share