Blog

  • CM Suvendu Adhikari: ‘বয়কটের রাজনীতি’র উল্টো পথে শুভেন্দুর সরকার, মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যোগ দিয়ে কাকলি বললেন “প্রশাসন সবার”

    CM Suvendu Adhikari: ‘বয়কটের রাজনীতি’র উল্টো পথে শুভেন্দুর সরকার, মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যোগ দিয়ে কাকলি বললেন “প্রশাসন সবার”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) প্রশাসনিক বৈঠকে বেনজির ছবি কল্যাণীতে। তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বৈঠকে যোগ দিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। শুধু তিনিই নন, উত্তর ২৪ পরগনার তিন তৃণমূল বিধায়কও ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে। মঙ্গলবার কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠক ছিল। এপিজে আবদুল কালাম প্রেক্ষাগৃহে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও হুগলি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে উপস্থিত হন কাকলি। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন দেগঙ্গার সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক আনিসুর রহমান বিদেশ, স্বরূপনগরের বিনা মণ্ডল এবং হাড়োয়ার আবদুল মতিন।

    উন্নয়নের স্বার্থে বৈঠকে সকলকে ডাক

    রাজ্যে সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ঘোষণা করেছিলেন, প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে। বৈঠকে সকলেই আমন্ত্রণ পাবেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বয়কটের রাজনীতি’র উল্টো পথে হেঁটেই উন্নয়নের স্বার্থে এহেন সিদ্ধান্ত নেন শুভেন্দু। সেই মতো এদিন কল্যাণীর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ এবং বিধায়কদেরও ডাকা হয় বলে খবর। সেই আমন্ত্রণ পেয়েই এদিন বৈঠকে যোগ দেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ আরও তিন তৃণমূল বিধায়ক। এখানে রাজনীতি নেই, বলে মত বিজেপির। একই কথা বলছেন তৃণমূল বিধায়কেরাও। বিনার কথায়, ‘‘আমি আমার বিধানসভা এলারকার উন্নয়নের জন্য প্রশাসনিক বৈঠকে এসেছি।’’ হাড়োয়ার বিধায়ক বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার ডেকেছে। তাই এসেছি। আগে কী হয়েছে, বলতে পারব না। বিধায়ক হিসেবেই এসেছি।’’ দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর বলেন, ‘‘আমার বিধানসভা এলাকার অধিকাংশই প্রান্তিক জায়গা। সার্বিক উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকারের সহযোগিতা কাম্য।’’

    ‘‘প্রশাসন সবার’’

    তবে শুভেন্দুর বৈঠকে কাকলির উপস্থিতি রাজ্য রাজনীতিতে ‘তাৎপর্যপূর্ণ’। সম্প্রতি কাকলিকে তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ওই দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু অভিমানী কাকলি সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, ‘‘৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।’’ ঘটনাক্রমে রবিবারই বারাসত সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। ফলে শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতিকে ইঙ্গিতবহ বলে মনে করা হচ্ছে। শুভেন্দুর বৈঠকে যোগদান নিয়ে কাকলি একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, “প্রশাসন সবার।”

  • Suvendu Adhikari: ওবিসি তালিকায় ‘জল’ কিনা, খতিয়ে দেখতে বিধায়কদের বিশেষ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: ওবিসি তালিকায় ‘জল’ কিনা, খতিয়ে দেখতে বিধায়কদের বিশেষ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলেছে জমানা। বদলে গিয়েছে শাসকের চেহারাও! বদলানো হচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত সদ্য প্রাক্তন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের নেওয়া একের পর এক তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়ে নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্তও (OBC Quota Row)। তৃণমূল সুপ্রিমোকে তাঁর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেই গোহারা হারিয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন বিজেপির তুর্কি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তার পরেই বাতিল করে দেওয়া হয়েছে মমতার সরকারের ওবিসি-নীতি।

    ওবিসি সংরক্ষণ বাতিলের কথা ঘোষণা (Suvendu Adhikari)

    মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য চালু থাকা ওবিসি সংরক্ষণ বাতিলের কথা ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। এবার ওবিসি তালিকায় জল মেশানো হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে বিধায়কদের বিশেষ নির্দেশ দিলেন পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার ২৬ জন বিধায়ককে নিয়ে নবান্নে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিলিগুড়ি, পুরুলিয়া, বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা-সহ একাধিক জেলার বিধায়কদের ডাকা হয়েছিল ওই বৈঠকে। সেখানেই তৃণমূল আমলের ওবিসি তালিকা পুনর্বিবেচনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অভয়ার মা তথা পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথও। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী ওই বৈঠকে সাফ জানিয়ে দেন, নতুন করে ওবিসি তালিকা তৈরি করতে হবে। আগের সরকার যেভাবে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের তালিকা তৈরি করেছিল, এবার আর তা হবে না। যেসব সম্প্রদায় প্রকৃতই এই তালিকায় থাকার দাবিদার, তারাই যেন জায়গা পায়। এই কাজে বিধায়কদের দেওয়া তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসরণ

    প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো আগের সরকারের তৈরি ওবিসি তালিকা বাতিল করে দিয়েছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। তাই ২০১০ সালে যে ৬৬টি সম্প্রদায় ওবিসি তালিকাভুক্ত ছিল, আপাতত তারাই ওই সুবিধা পাবে। পালাবদলের সরকার (Suvendu Adhikari) নতুন করে ওবিসি তালিকা তৈরি করবে। সূত্রের খবর, এ নিয়ে সমীক্ষার কাজ চলবে চার মাস ধরে। কাজ সরকারিভাবে হলেও, তদারকি করবেন বিধায়করা। এদিনের (OBC Quota Row) বৈঠকে এই বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

    ওবিসি তালিকায় ‘জল’!

    বাম জমানার শেষ পর্বে এবং তৃণমূল সরকারের প্রথম পর্বে ২০১০ সালের মার্চ থেকে ২০১২ এর মে মাসের মধ্যে রাজ্যে ৭৭টি সম্প্রদায়কে ওবিসির তালিকাভুক্ত করা হয়। বাম জমানায় ৪২টি মুসলিম সম্প্রদায়কে ঠাঁই দেওয়া হয়েছিল ওবিসি তালিকায়। এই সম্প্রদায়গুলিকে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে মামলা দায়ের হয়। তৃণমূল ক্ষমতায় এসে আরও ৩৫টি সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে। ২০২৩ সালে ওবিসি সংরক্ষণ আইন জারি করে এই ৭৭টি সম্প্রদায়কে তালিকাভুক্ত করা হয় (Suvendu Adhikari)। এর ফলে মোট ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত গোষ্ঠীর সংখ্যা গিয়ে পৌঁছয় ১৭৯-তে। ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যের ওবিসি তালিকায় ৬৬টি সম্প্রদায়কে রেখে ১১৩টি সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকাভুক্ত (OBC Quota Row) করার সিদ্ধান্ত খারিজ করে দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেই সেই মামলা প্রত্যাহার করে। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেয় ৭৭টি সম্প্রদায়কে (Suvendu Adhikari)।

     

  • Padma Awards: রাষ্ট্রপতি ভবনে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ৬৬ পদ্ম সম্মান প্রদান, মরণোত্তর পদ্মবিভূষণে সম্মানিত ধর্মেন্দ্র

    Padma Awards: রাষ্ট্রপতি ভবনে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ৬৬ পদ্ম সম্মান প্রদান, মরণোত্তর পদ্মবিভূষণে সম্মানিত ধর্মেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ্ম পুরস্কার’ (Padma Awards) প্রদান ঘিরে সোমবার নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে (Rashtrapati Bhawan) ছিল সাজ-সাজ রব। ২৫ মে, পড়ন্ত বিকেলে দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রথম ‘সিভিল ইনভেস্টিচার সেরিমনি’-তে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Draupadi Murmu) হাত থেকে ‘পদ্মশ্রী’ (Padmashri) সম্মান গ্রহণ করলেন দেশের কৃতীরা। চলতি বছরে ভারত সরকারের তরফে মোট ১৩১টি পদ্ম সম্মানের (Padma Awards) কথা ঘোষণা করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ৫টি পদ্মবিভূষণ, ১৩টি পদ্মভূষণ এবং ১১৩টি পদ্মশ্রী সম্মান। সোমবারের অনুষ্ঠানে ২টি পদ্মবিভূষণ, ৬টি পদ্মভূষণ এবং ৫৮টি পদ্মশ্রী প্রদান করা হয়। বাকি সম্মানগুলি পরবর্তী পর্বে প্রদান করা হবে বলে সূত্রের খবর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) সামাজিক মাধ্যমে পদ্ম সম্মানপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “এই অসাধারণ ব্যক্তিত্বদের জীবনযাত্রা ও কাজ দেশের সম্মিলিত অগ্রযাত্রাকে সমৃদ্ধ করেছে।”

    বন্দেমাতরম-এর সুরে সূচনা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-ও পুরস্কারপ্রাপকদের শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁদের সম্মানে এক নৈশভোজের আয়োজন করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে পদ্ম পুরস্কার এখন সমাজের তৃণমূল স্তরের প্রকৃত পরিবর্তনকারীদের সম্মান জানানোর এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ‘বন্দে মাতরম’-এর বাদ্যযন্ত্র পরিবেশনার মাধ্যমে এবং সমাপ্তি ঘটে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর সঙ্গে। অনুষ্ঠানে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য প্রখ্যাত বেহালাবাদক এন রাজম-কে পদ্মবিভূষণে সম্মানিত করা হয়। ‘গায়কি অঙ্গ’ শৈলীর মাধ্যমে বেহালায় কণ্ঠসংগীতের আবহ ফুটিয়ে তোলার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।

    মরণোত্তর ‘পদ্মবিভূষণ’ ধর্মেন্দ্রকে

    গত বছর প্রয়াত হয়েছেন বলিউডের ‘হি-ম্যান’ ধর্মেন্দ্র (Dharmendra)। তাঁর অভিনয় জীবনের অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকার তাঁকে মরণোত্তর ‘পদ্মবিভূষণ’ সম্মানে ভূষিত করেছে। সোমবার (২৫ মে) রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) হাত থেকে স্বামীর এই মরণোত্তর সম্মান গ্রহণ করলেন ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী অভিনেত্রী হেমা মালিনী (Hema Malini)। এদিন হালকা গোলাপি রঙের শাড়িতে অত্যন্ত স্নিগ্ধ বেশে অনুষ্ঠানে হাজির হন হেমা। সাথে ছিলেন তাঁদের ছোট মেয়ে অহনা এবং জামাতা। পুরস্কার গ্রহণের সেই মাহেন্দ্রক্ষণে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি অহনা, দর্শকাসনে বসে তাঁকে অশ্রুসজল চোখে বাবার জন্য গর্বিত হতে দেখা যায়। হেমা মালিনী জানান, ২৫ মে দিনটি তাঁদের পরিবারের কাছে অত্যন্ত আবেগের এবং গুরুত্বপূর্ণ। এদিনের অনুষ্ঠানের পর হেমা মালিনী জানান, ধর্মেন্দ্রর দুই পুত্র সানি এবং ববি— দুজনের সম্মতি ও মত নিয়েই তিনি আজ এই পুরস্কার গ্রহণ করতে এসেছেন।

    কতজন পদ্ম সম্মান পেলেন

    এদিন পদ্মভূষণে সম্মানিত হন প্রাক্তন উত্তরাখণ্ড মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিং কোশিয়ারি, ‘অবধান’ শিল্পরীতির পুনর্জাগরণকারী আর গনেশ, কোটাক মাহীন্দ্রা ব্যাঙ্ক-এর প্রতিষ্ঠাতা উদয় কোটাক এবং বিশিষ্ট গ্যাস্ট্রো এন্টারোলজিস্ট কালিপত্তি রামাস্বামী পালানিস্বামী। মরণোত্তর পদ্মভূষণ পান বিজ্ঞাপন জগতের পরিচিত মুখ পীযুষ পান্ডে এবং প্রাক্তন সাংসদ বিজয় কুমার মালহোত্রা। পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকায় ছিলেন প্রাক্তন সিআরপিএফ ডিজি কে বিজয় কুমার। এছাড়াও লোকসংগীত, সংস্কৃতিচর্চা, পরিবেশ সংরক্ষণ, সমাজসেবা ও চিকিৎসাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন লোকশিল্পী তাগা রাম ভীল, কাঁথা শিল্পী তুপ্তি মুখোপাধ্যায় এবং সমাজকর্মী জনার্দন বাপুরাও বোথে।

    প্রসেনজিতের হাতে পদ্মশ্রী

    অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। সোমবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে ‘পদ্মশ্রী’ (Padmashri) সম্মান গ্রহণ করলেন টলিউডের সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prasenjit Chatterjee)। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে প্রায় চার দশকের অসামান্য অবদান এবং দীর্ঘ লড়াইয়ের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মান তাঁকে প্রদান করা হলো। এদিন রাষ্ট্রপতি ভবন (Rashtrapati Bhawan) ছিল দেশের বিশিষ্টজনদের মিলনক্ষেত্র। প্রসেনজিৎ ছাড়াও এদিন পদ্ম সম্মানের তালিকায় থাকা ১১ জন বাঙালিকে সম্মানিত করা হয়েছে। বিনোদন জগতের অন্যান্য ব্যক্তিত্বদের মধ্যে গায়িকা অলকা ইয়াগনিক এবং মালয়ালম মেগাস্টার মামুত্তিও তাঁদের প্রাপ্ত সম্মান গ্রহণ করেন। প্রসঙ্গত, ১৯৬৮ সালে ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে যাত্রা শুরু করে ‘অমরসঙ্গী’-র হাত ধরে বাংলা ছবির অবিসংবাদিত নায়ক হয়ে ওঠা প্রসেনজিতের এই দীর্ঘ পথচলা রূপকথার মতো। বাংলা ছবির দুঃসময়ে অভিভাবকের মতো দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে সাড়ে তিনশোরও বেশি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। বাংলার সিনেমাপ্রেমীদের কাছে এই মুহূর্তটি তাই অত্যন্ত গর্বের ও আবেগের।

    হরমনপ্রীতের সম্মান গ্রহণ, এলেন না রোহিত

    এদিন রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণ করেন হরমনপ্রীত কৌর। তসর রঙের চুড়িদারে সম্মান গ্রহণ করেন হরমনপ্রীত। গতবছর দেশের মাটিতে প্রথমবার মহিলাদের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জেতে ভারত। উইমেন ইন ব্লুর অধিনায়ক ছিলেন হরমনপ্রীত। এদিন উপস্থিত ছিলেন না ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ২০২৪ টি-২০ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রোহিত। গতবছর তাঁর নেতৃত্বে ভারত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও জেতে। রবিবার মুম্বইতে আইপিএলে খেলেছেন রোহিত। জানা গিয়েছে, পদ্ম সম্মান বিভিন্ন কিস্তিতে প্রাপকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অর্থাৎ, সকল প্রাপকদের একইদিনে দেওয়া হয় না। বিভিন্ন দিনে ধাপে ধাপে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তা দেওয়া হয়। সেই তালিকা তৈরি করে রাষ্ট্রপতি ভবন। এদিনের তালিকায় রোহিতের নাম ছিল না। ফের যেদিন বাকি প্রাপকদের এই সম্মান তুলে দেওয়া হবে, সেদিন উপস্থিত থাকবেন রোহিত। তবে, সেই তারিখের ঘোষণা রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে এখনও করা হয়নি।

    ৯-জন ক্রীড়াবিদকে সম্মান

    রোহিত ও হরমনপ্রীত ছাড়া এ বছর আরও ৯ জন ক্রীড়াবিদ এই সম্মান পাচ্ছেন। প্যারা অ্যাথলিট প্রবীণ কুমার ও হকি কোচ বলদেব সিং এদিন পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণ করেন। এছাড়া ২০২৬ সালের একমাত্র ক্রীড়াবিদ হিসেবে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ সম্মান পদ্মভূষণ পাচ্ছেন বিজয় অমৃতরাজ। ১৯৮৩ সালে তিনি পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন। তারও আগে পেয়েছিলেন অর্জুন পুরস্কার। ভারতীয় ক্রীড়ায় অসামান্য অবদানের জন্য় এবার পদ্মভূষণ পাচ্ছেন তিনি। এর সঙ্গে ভারতীয় মহিলা হকি দলের গোলকিপার সবিতা পুনিয়া পাচ্ছেন পদ্মশ্রী। মরণোত্তর পদ্মশ্রী পাচ্ছেন প্রাক্তন কুস্তি কোচ ভ্লাদিমির মেস্তভিরিশভি। জর্জিয়ার নাগরিক হলেও সুশীল কুমার, যোগেশ্বর দত্ত এবং বজরং পুনিয়াদের মতো অলিম্পিক পদকজয়ীদের কোচিং করিয়েছেন মেস্তভিরিশভি। এছাড়াও পদ্মশ্রী পাচ্ছেন কে পাজানিভেল, তামিলনাড়ুর ঐতিহ্যবাহী সিলামবাম মার্শাল আর্টে অনবদ্য অবদানের জন্য। বুন্দেলখণ্ডের মার্শাল আর্ট বুন্দেলি ওয়ারে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পদ্মশ্রী পাচ্ছেন ভগবানদাস রায়কর।

    পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণের আগে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম

    তিনি মার্শাল আর্টের পাঁচ হাজার বছরের পুরনো ‘সিলামবাম’-এর সাধক। শুধু ভারতে নয়, দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে গোটা বিশ্বে এই খেলার জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে দিয়েছেন । যে কারণে তাঁকে দেওয়া হল পদ্মশ্রী সম্মান। পুদুচেরির কে পাজানিভেল (K Pajanivel)। সোমবার রাষ্ট্রপতি ভবনে পদ্মশ্রী পুরস্কার নিতে গিয়েছিলেন ট্র্যাডিশনাল দক্ষিণ ভারতীয় পোশাকে। সাদা ধুতি ও হাফশার্ট। ঘোষক তাঁর নাম ঘোষণা করতেই পাজানিভেল কার্পেটে উঠে শুয়ে পড়ে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেন দর্শকাসনের সামনের সারিতে বসে থাকা বিশিষ্ট অতিথিদের। যাঁদের মধ্যে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরাও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশেই বসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাজানিভেল সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করতেই নিজের আসন ছেড়ে উঠে এসে তাঁকে তুলে ধরেন মোদি। প্রতিনমস্কার করেন। পুরস্কার গ্রহণের আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন তিনি। পাজানিভেলের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ সকলে।

  • Prashanta Barman: স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে অভিযুক্ত পলাতক বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে নিউটাউনে গ্রেফতার করল পুলিশ

    Prashanta Barman: স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে অভিযুক্ত পলাতক বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে নিউটাউনে গ্রেফতার করল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে পুলিশের জালে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মণ (Prasanta Barman)। সল্টলেকের দত্তাবাদের সোনা ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণ ও খুনের মামলায় তিনি মূল অভিযুক্ত ৷ সোমবার রাতে নিউটাউনের রাস্তায় মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনা ঘটানো এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে অভব্য আচরণ ও বচসায় জড়ানোর অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে খুনের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে। তারপর থেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছেন প্রশান্ত। এখানেই শেষ নয়, আরও কীর্তি রয়েছে। সাদা খাতা জমা দিয়ে কীভাবে তিনি বিডিও হয়েছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

    খুনের দায়ে অভিযুক্ত

    গতবছর অক্টোবর মাসে সল্টলেকের দত্তাবাদের বাসিন্দা তথা সোনা ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা নিখোঁজ হন এবং পরে নিউটাউনে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে রাজগঞ্জের তৎকালীন বিডিও প্রশান্ত বর্মনের নাম উঠে আসে। কলকাতা হাইকোর্ট এবং দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্টে তার আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে প্রশান্তকে পদ থেকে অপসারিত করা হয়। পুলিশের খাতায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি ‘পলাতক’ হিসেবে চিহ্নিত রয়েছেন।

    মদ্যপ অবস্থায় অন্য গাড়িকে ধাক্কা

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে নিউটাউনের সর্চি সিগন্যালের কাছে প্রশান্ত বর্মন মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। সেই সময় একটি বাইকে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত। দুর্ঘটনায় বাইক চালক রাস্তায় পড়ে যান। তারপরই রাস্তায় পথচলতি মানুষজন ও স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানাতে এগিয়ে এলে প্রশান্ত বর্মন গাড়ি থেকে নেমে তাঁদের সঙ্গে চূড়ান্ত অভব্যতা শুরু করে বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মদ্যপ অবস্থায় থাকা প্রশান্ত বর্মন স্থানীয় বাসিন্দাদের ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে গালিগালাজ করে এবং চড় মারার হুমকি দেন। এই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্য়েই সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ইকোপার্ক থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক করে প্রশান্ত বর্মনকে থানায় নিয়ে যায় ৷ পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

  • 100 Days Work Restart: ‘ডবল ইঞ্জিন’ বাংলায় বড় সিদ্ধান্ত! ১ জুন থেকেই বাংলায় ফের ১০০ দিনের কাজ, তবে বাদ পড়ছে এই ২ জেলা

    100 Days Work Restart: ‘ডবল ইঞ্জিন’ বাংলায় বড় সিদ্ধান্ত! ১ জুন থেকেই বাংলায় ফের ১০০ দিনের কাজ, তবে বাদ পড়ছে এই ২ জেলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর প্রশাসনিক গতি বাড়াতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নতুন সরকার। এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোষণা করলেন, আগামী ১ জুন থেকে বাংলায় ফের চালু হতে চলেছে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্প বা মনরেগা। সোমবার নবান্ন সভাঘরে রাজ্যের ৩৪টি দফতরের সচিবদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে এই নির্দেশ দেন তিনি। তবে আপাতত দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় এই প্রকল্প চালু করা হচ্ছে না বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

    সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদে

    নবান্ন সূত্রের খবর, এই দুই জেলাতেই পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ ছিল, ভুয়ো জব কার্ড তৈরি, কাজ না করেই টাকা তোলা, কাজের খতিয়ানে কারচুপি এবং কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের মতো একাধিক অনিয়ম হয়েছে। সেই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত এখনও চলছে। তাই তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ওই দুই জেলায় প্রকল্প চালু না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদ বাদে বাকি সমস্ত জেলাতেই দ্রুত গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প শুরু করতে হবে। কেন্দ্রীয় বরাদ্দ এলেই যাতে দ্রুত কাজ শুরু করা যায় এবং প্রকল্পে গতি আনা সম্ভব হয়, সেই প্রস্তুতি এখন থেকেই নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে।

    বিতর্কের সূত্রপাত ২০২২ সালে

    উল্লেখ্য, বাংলায় ১০০ দিনের কাজ প্রকল্প নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে। কেন্দ্রীয় সরকারের অভিযোগ ছিল, পশ্চিমবঙ্গে মনরেগা প্রকল্পে ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে। ভুয়ো জব কার্ড, বেআইনি নিয়োগ এবং কাজের হিসাবপত্রে অসংখ্য অসঙ্গতির অভিযোগ সামনে আসে। এর পরেই কেন্দ্র ‘৭ নম্বর ধারা’ প্রয়োগ করে বাংলার জন্য মনরেগার সমস্ত তহবিল এবং বকেয়া অর্থ বরাদ্দ বন্ধ করে দেয়। তৎকালীন তৃণমূল সরকার অবশ্য কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলে। তাদের দাবি ছিল, বাংলার গরিব মানুষের প্রাপ্য টাকা আটকে রাখা হয়েছে রাজনৈতিক কারণে। বকেয়া টাকার দাবিতে দিল্লিতে আন্দোলনেও নামে তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নেতৃত্বে রাজধানীতে ধরনা কর্মসূচিও হয়েছিল। অন্যদিকে কেন্দ্রের বক্তব্য ছিল, আগের খরচের পূর্ণ হিসাব এবং দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নতুন করে অর্থ বরাদ্দ করা সম্ভব নয়।

    উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’

    রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর এখন ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’-এর তত্ত্ব সামনে এনে উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে দ্রুত বাস্তবায়নের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। নতুন সরকার মনে করছে, কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয় থাকলে গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের কাজ আরও দ্রুত এগোবে। সেই লক্ষ্যেই ১ জুন থেকে পুনরায় প্রকল্প চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে, তৃণমূল আমলে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাজ্য সরকার ‘কর্মশ্রী’ নামে একটি বিকল্প প্রকল্প চালু করেছিল। সেখানে জব কার্ড হোল্ডারদের ৫০ থেকে ৭০ দিনের কাজ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে নতুন সরকার ফের কেন্দ্রীয় মনরেগা প্রকল্প চালু করার উপরেই জোর দিচ্ছে।

    নিয়মিত সমন্বয় বৈঠক…

    শুধু ১০০ দিনের কাজ নয়, প্রশাসনিক সমন্বয় বাড়াতেও বড় পদক্ষেপ করেছে নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এখন থেকে প্রতি মাসে সব দফতরের সচিবদের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় বৈঠক করা হবে। প্রশাসনিক স্তরে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয় আরও মজবুত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলের দাবি।

  • Amit Shah: আদিবাসীদের ওপর অভিন্ন দেওয়ানি বিধির কোনও ধারা চাপানো হবে না, ‘ষড়যন্ত্রের’ ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান অমিত শাহের

    Amit Shah: আদিবাসীদের ওপর অভিন্ন দেওয়ানি বিধির কোনও ধারা চাপানো হবে না, ‘ষড়যন্ত্রের’ ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) আদিবাসীদের ওপর কোনওভাবেই প্রভাব ফেলবে না। একই সঙ্গে তিনি আদিবাসী সম্প্রদায়কে এই বিষয়ে ছড়ানো ‘ষড়যন্ত্র’ ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) শাসিত যে রাজ্যগুলিতে ইতিমধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) কার্যকর করা হয়েছে, সেখানে আদিবাসী সম্প্রদায়কে এর আওতার বাইরে রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থার সংস্থান রেখেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।”

    দিল্লিতে ভগবান বিরসা মুণ্ডার ১৫০ তম জন্ম দিবস উপলক্ষে আরএসএস ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়। দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব এবং পশ্চিম প্রান্ত থেকে হাজার হাজার আদিবাসী বনবাসী এবং জনজাতি সমাজের মানুষ যোগদান করেন।

    ‘জনজাতীয় সাংস্কৃতিক সমাগম’

    রবিবার দিল্লির লালকেল্লা ময়দানে ভগবান বিরসা মুন্ডার সার্ধশততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘জনজাতীয় সাংস্কৃতিক সমাগম’-এ বক্তব্য রাখার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিতশাহ (Amit Shah) বলেন, “বর্তমানে একটি ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) কারণে আদিবাসী সম্প্রদায় তাঁদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং নিজস্ব রীতিনীতি অনুযায়ী জীবনযাপনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন। আজ এই মঞ্চ থেকে, নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আমি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিতে চাই যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) কোনও ধারাই আদিবাসী সম্প্রদায় বা বনবাসী সমাজের ওপর জোরপূর্বক চাপানো হবে না।”

    প্রস্তাবিত আইন নিয়ে ভয় পাবেন না 

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “যেসব রাজ্যে বিজেপি সরকার ইউসিসি (UCC) চালু করেছে, সেখানে নরেন্দ্র মোদি প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যাতে সমস্ত আদিবাসী সম্প্রদায় এর আওতার বাইরে থাকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আদিবাসী সমাজকে এই প্রস্তাবিত আইন নিয়ে ভয় না পাওয়ার অনুরোধ জানান এবং গ্রাম ও বনাঞ্চলে এই বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আপিল করেন।”

    বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টাকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, “আমি বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বলতে চাই যে, ইউসিসি (UCC) কোনও আদিবাসী বা বনবাসী ভাই-বোনের ঐতিহ্য ও রীতিনীতিতে হস্তক্ষেপ করবে না। এই বার্তা প্রতিটি গ্রামে, প্রতিটি অঞ্চলে, পাহাড়ে ও জঙ্গলে পৌঁছে দিন এবং প্রতিটি আদিবাসী সম্প্রদায়কে সচেতন করুন যে ইউসিসি নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।” ‘জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চ’ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ অংশ নেন।

    নকশালবাদের অবসান ও উন্নয়ন

    নকশালবাদ প্রসঙ্গে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “মোদি সরকার গত পাঁচ দশক পুরোনো এই অভিশাপকে নির্মূল করেছে এবং বর্তমানে দেশ নকশাল সমস্যা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হওয়ার পথে। আজ আদিবাসী সম্প্রদায়ের এই মহাসমাবেশে আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যে, আমাদের দেশ নকশাল সমস্যা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যারা হিংসার মাধ্যমে আদিবাসী সমাজের উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল, তাদের কারণে প্রায় ৪০,০০০ আদিবাসী মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আমরা এখন সেই সংকট থেকে সম্পূর্ণ বেরিয়ে এসেছি। এখন পাহাড়, জঙ্গল ও আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে দ্রুত উন্নয়নের সময় এসেছে।” উল্লেখ্য দিল্লিতে আরএসএস (RSS)-এর সহযোগী সংগঠনগুলির দ্বারা আয়োজিত এই সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

    আদিবাসী কল্যাণ ও বাজেট বরাদ্দ

    আদিবাসী কল্যাণে বরাদ্দের খতিয়ান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারগুলিকে আক্রমণ করেন। মোদি সরকার আদিবাসী সমাজের জন্য বাজেট বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। আগে আদিবাসী কল্যাণের মোট বাজেট ছিল মাত্র ২৮,০০০ কোটি টাকা। নরেন্দ্র মোদিজি তা বাড়িয়ে ১.৫ লাখ কোটি টাকা করেছেন।”

    তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রথম পৃথক আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রক (Ministry of Tribal Affairs) গঠন করেছিলেন এবং আদিবাসী কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কৃতিত্ব বিজেপিরই প্রাপ্য।”

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রসঙ্গ

    দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দ্রৌপদী মুর্মুর নির্বাচিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “এটি আদিবাসী সমাজের জন্য সর্বোচ্চ স্তরে সম্মান ও প্রতিনিধিত্ব বয়ে এনেছে। স্বাধীনতার ৭৬ বছরে কোনও আদিবাসী ব্যক্তিত্ব দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসেননি। নরেন্দ্র মোদিজি একটি দরিদ্র আদিবাসী পরিবারের নারী, দ্রৌপদী মুর্মুজিকে রাষ্ট্রপতি পদে উন্নীত করে সমগ্র আদিবাসী সমাজকে সম্মানিত করেছেন।”

  • Thyroid Problem: পুরুষদের তুলনায় ৪ গুণ বেশি ঝুঁকি! কেন ভয়ঙ্করভাবে বাড়ছে ভারতীয় মহিলাদের থাইরয়েডের সমস্যা?

    Thyroid Problem: পুরুষদের তুলনায় ৪ গুণ বেশি ঝুঁকি! কেন ভয়ঙ্করভাবে বাড়ছে ভারতীয় মহিলাদের থাইরয়েডের সমস্যা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সামান্য সতর্কতার অভাবেই বাড়ছে বিপদ! বিশেষত ভারতীয় মহিলাদের জন্য নিঃশব্দে বিপদ বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, স্কুল স্তর থেকেই সচেতনতা জরুরি। না হলে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠতে পারে। এ দেশের জনস্বাস্থ্যে দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে থাইরয়েড। গলায় থাকা এই হরমোন গ্রন্থি এখন উদ্বেগের কারণ। বিশেষত ভারতীয় মহিলাদের জন্য বাড়তি বিপদ তৈরি করছে।

    ভারতীয় মহিলাদের জন্য কেন বাড়তি উদ্বেগ?

    সাম্প্রতিক এক সর্বভারতীয় সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের ১৫ শতাংশ মহিলা থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, শহুরে মহিলাদের মধ্যে থাইরয়েডের সমস্যা আরও বাড়ছে। বিশেষত বয়স তিরিশের চৌকাঠ পেরোলেই এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ভারতীয় পুরুষদের তুলনায় ভারতীয় মহিলারা ৪ গুন বেশি থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত হন।

    থাইরয়েডের সমস্যা কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গলার কাছে থাকে থাইরয়েড গ্রন্থি। এই গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসরণ হয়। প্রয়োজনের অতিরিক্ত বেশি বা কম হরমোন নিঃসরণ শুরু হলে শরীরের একাধিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। সেটাই থাইরয়েড সমস্যা হয়। ভারতে অধিকাংশ থাইরয়েড সমস্যায় আক্রান্তের দেখা গিয়েছে, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত পরিমাণ হরমোন নিঃসরণ হয়। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় হাইপোথাইরয়েডিজম বলা হয়। ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যা প্রবল ভাবে বাড়ছে।

    কেন ভারতীয় মহিলারা থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন?

    জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে হরমোনের ভারসাম্যের ব্যাপাক পরিবর্তন!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পুরুষদের তুলনায় মহিলারা থাইরয়েড সমস্যায় কয়েক গুণ বেশি ভুগছেন। তার প্রধান কারণ হলো হরমোন ঘটিত পরিবর্তন। তাঁরা জানাচ্ছেন, মহিলাদের জীবনের একাধিক সময়ে শরীরে হরমোন ঘটিত গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হয়। তার ফলে একাধিক হরমোন গ্রন্থির সক্রিয়তার সমীকরণ বদলে যায়। বয়ঃসন্ধিকালে ঋতুস্রাব শুরুর সময়, গর্ভাবস্থায়, সন্তান প্রসবের পরে এবং ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার পরবর্তী সময়ে মহিলাদের শরীরের একাধিক হরমোন ঘটিত পরিবর্তন হয়। এর জেরে থাইরয়েড গ্রন্থির উপরেও গভীর প্রভাব পড়ে। থাইরয়েড নিঃসরণের পরিবর্তন ঘটে। তাই মহিলাদের থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে। বিশেষত মহিলাদের গর্ভাবস্থায় এবং সন্তান প্রসব পরবর্তীকালে একাধিক শারীরিক পরিবর্তন হয়। তাই সেই সময়ে এই ধরনের হরমোন ঘটিত সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

    আয়রনের ঘাটতি!

    ভারতীয় মহিলারা আয়রনের ঘাটতিতে ভোগে। ১২ বছরের পর থেকেই অধিকাংশ ভারতীয় মেয়ের শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকে। আয়রনের অভাব মহিলাদের থাইরয়েডের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাছাড়া, বহু মহিলা পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় না। ভারতীয় মেয়েদের থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ অপুষ্টি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    মানসিক চাপ এবং অনিদ্রা!

    ভারতীয় মহিলারা অধিকাংশ পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে ভোগেন। পারিবারিক সমীকরণ এবং কাজের পরিবেশ‌ ভারতে বদলে যাচ্ছে। মহিলাদের জন্য চাপ বাড়ছে। পরিবারের একাধিক দায়িত্ব তাদের সামলানোর পাশপাশি পেশাগত জীবনেও দায়িত্ব বাড়ছে। একদিকে বিভিন্ন পর্যায়ে শরীরের পরিবর্তন, আবার আরেক দিকে সামাজিক চাপ বেড়ে যাওয়া, সব মিলিয়ে ভারতীয় মহিলাদের মানসিক চাপ ও অবসাদের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। শহুরে ভারতীয় মহিলারা অনিদ্রার সমস্যায় ভুগছেন। এগুলো শরীরের হরমোন নিঃসরণে প্রভাব ফেলছে। তাই থাইরয়েড গ্রন্থিতেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

    অটোইমিউন রোগের জেরে বিপদ বাড়ছে!

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, একাধিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতীয় মহিলারা অটোইমিউন রোগের শিকার বেশি হন। অর্থাৎ, নিজের শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতি করে। তাই অটোইমিউন ডিজিজ থাকলে, তার থাইরয়েড গ্রন্থিও সমস্যায় পড়ে। রোগের জটিলতা বাড়ে।

    কেন থাইরয়েড বাড়তি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে প্রয়োজনের বেশি বা কম পরিমাণ হরমোন নিঃসরণ হলে শরীরে তার গভীর প্রভাব পড়ে। মহিলাদের থাইরয়েডের সমস্যা একাধিক জটিলতা তৈরি করছে—

    • ● চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত হলে মহিলাদের একাধিক হরমোন ঘটিত সমস্যা তৈরি হয়। যার ফলে মহিলাদের গর্ভধারণ জটিল হয়ে যায়। দেশ জুড়ে বন্ধ্যত্বের সমস্যা বাড়ছে। আর তার নেপথ্যে অন্যতম কারণ হলো থাইরয়েডের সমস্যা। এই সমস্যায় আক্রান্ত মহিলা গর্ভধারণ করলেও একাধিক ঝুঁকি ও জটিলতা তৈরি হয়‌। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাছাড়া, গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের ক্ষেত্রেও জটিলতা তৈরি হতে পারে। অর্থাৎ, পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যেও এই রোগের প্রভাব পড়তে পারে।
    • ● থাইরয়েডের সমস্যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাইপোথাইরয়েডিজম থাকলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। আবার রক্তচাপ ওঠানামা করে। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ এবং অনিয়ন্ত্রিত কোলেস্টেরল হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
    • ● থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে দ্রুত হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি থাকে। থাইরয়েডের সমস্যা দীর্ঘদিন অবহেলা করলে হাড়ের স্বাস্থ্যের উপর গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে হাইপারথাইরয়েডিজমে শরীরে অতিরিক্ত থাইরয়েড হরমোন তৈরি হলে হাড় দ্রুত ক্ষয় হতে শুরু করে। এতে ক্যালসিয়াম কমে গিয়ে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ে এবং সামান্য আঘাতেও হাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। মহিলাদের ক্ষেত্রে, বিশেষত মেনোপজের পর এই ঝুঁকি আরও বেশি। তাই সময়মতো থাইরয়েড পরীক্ষা, সঠিক চিকিৎসা, ক্যালসিয়াম-ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাদ্য এবং নিয়মিত ব্যায়াম অত্যন্ত জরুরি।
    • ● তবে যে দিকটি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে, তা হলো মানসিক স্বাস্থ্য। দেশ জুড়ে একাধিক মানসিক সমস্যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। অবসাদ, উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপের মতো নানান মানসিক সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। থাইরয়েডের সমস্যা হলে মানসিক স্বাস্থ্যে তার গভীর প্রভাব পড়ে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই হরমোন ঘটিত সমস্যার জেরে খিটখিটে ভাব বাড়ে, কাজের প্রতি অনীহা তৈরি হয়, ক্লান্তি বোধ বাড়ে, আবার রাগ এবং দুশ্চিন্তার মতো সমস্যা বেশি হয়। সব মিলিয়ে আক্রান্তের মানসিক স্বাস্থ্যের উপরে গভীর প্রভাব পড়ে। ভারতের এই বিপুল সংখ্যক মহিলার থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ফলে মানসিক স্বাস্থ্য বিপর্যস্ত হচ্ছে। এর জেরে আরও জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

    থাইরয়েড নিয়ে সচেতনতা জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে সচেতনতা জরুরি। স্কুল স্তর থেকেই শিক্ষার্থীদের এই রোগ সম্পর্কে সতর্ক করলে, সামাজিক সচেতনতার মান বাড়বে। অত্যন্ত বেশি চুল পড়ার সমস্যা, চামড়া কুঁচকে যাওয়া, রুক্ষভাব, অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ এবং অকারণে মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকার মতো সমস্যায় দিনের পর দিন ভুগলে, কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। বরং চিকিৎসকের পরামর্শ মতো প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা জরুরি। সাধারণ সহজ স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া যায়, থাইরয়েড সমস্যায় আক্রান্ত কিনা! তাই সেই পরীক্ষা করিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। তাহলেই পরিস্থিতি জটিল হবে না। বর্তমানে ভারতে থাইরয়েড সমস্যা মোকাবিলার উপযুক্ত ওষুধ রয়েছে। তাই চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, রোগ চিহ্নিত হলেই পরিস্থিতি মোকাবিলা সহজ হয়ে যাবে।

  • Daily Horoscope 26 May 2026: আবেগের বশে কাজ করলে বিপদ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 26 May 2026: আবেগের বশে কাজ করলে বিপদ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

    মেষ

    ১) কোনও ভয় আপনাকে হতবুদ্ধি করে ফেলতে পারে।

    ২) আবেগের বশে কাজ করলে বিপদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

     

    মিথুন

     

    ১) বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

     

    কর্কট

     

    ১) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতার যোগ।

    ২) মাত্রাছাড়া রাগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিরোধে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে।

    ২) আপনার রসিকতা অপরের বিপদ ডেকে আনতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    তুলা

    ১) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভালো হবে।

    ২) ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ২) বাড়তি খরচের জন্য সংসারে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    ধনু

     

     

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মকর

    ১) শরীর খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি রক্ষা পাবে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় পাওনা আদায় হতে পারে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    মীন

    ১) সন্তান-স্থান শুভ।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 655: “ভক্তদের নিশ্বাসবায়ু স্থির হইয়া গিয়াছে, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ জল গড়াইলেন, গেলাস হইতে একটু জল হাতে লইয়া দেখিতেছেন, ঠাণ্ডা কিনা”

    Ramakrishna 655: “ভক্তদের নিশ্বাসবায়ু স্থির হইয়া গিয়াছে, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ জল গড়াইলেন, গেলাস হইতে একটু জল হাতে লইয়া দেখিতেছেন, ঠাণ্ডা কিনা”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১৬ই এপ্রিল

    ঠাকুর গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে — ভক্তের প্রতি ঠাকুরের স্নেহ

    গিরিশ, লাটু, মাস্টার, বাবুরাম, নিরঞ্জন, রাখাল 

    লাটু ঠাকুরকে একটি ভক্তের কথা বলিতেছেন। তাঁহার একটি সাত-আট বৎসরের সন্তান প্রায় দেড় বৎসর হইল দেহত্যাগ করিয়াছে। সে ছেলেটি ঠাকুরকে কখন ভক্তসঙ্গে কখন কীর্তনানন্দে অনেকবার দর্শন করিয়াছিল।

    লাটু (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — ইনি এঁর ছেলেটির বই দেখে কাল রাত্রে বড় কেঁদেছিলেন। পরিবারও ছেলের শোকে পাগলের মতো হয়ে গেছে। নিজের ছেলেপুলেকে মারে, আছড়ায়। ইনি এখানে মাঝে মাঝে থাকেন তাই বলে ভারী হেঙ্গাম করে।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) এই শোকের কথা শুনিয়া যেন চিন্তিত হইয়া চুপ করিয়া রহিলেন।

    গিরিশ — অর্জুন অত গীতা-টীতা পড়ে অভিমন্যুর শোকে একেবারে মূর্চ্ছিত। তা এঁর ছেলের জন্য শোক কিছু আশ্চর্য নয়।

    সংসারে কি হলে ঈশ্বরলাভ হয়?

    গিরিশের জন্য জলখাবার আসিয়াছে। ফাগুর দোকানের গরম কচুরি, লুচি ও অন্যান্য মিষ্টান্ন। বরাহনগরে ফাগুর দোকান। ঠাকুর নিজে সেই সমস্ত খাবার সম্মুখে রাখাইয়া প্রসাদ করিয়া দিলেন। তারপর নিজে হাতে করিয়া খাবার গিরিশের হাতে দিলেন। বলিলেন, বেশ কচুরি।

    গিরিশ সম্মুখে বসিয়া খাইতেছেন। গিরিশকে খাইবার জল দিতে হইবে। ঠাকুরের শয্যার দক্ষিণ-পূর্ব কোণে কুঁজায় করিয়া জল আছে। গ্রীষ্মকাল, বৈশাখ মাস। ঠাকুর বলিলেন (Kathamrita), “এখানে বেশ জল আছে।”

    ঠাকুর (Ramakrishna) অতি অসুস্থ। দাঁড়াইবার শক্তি নাই।

    ভক্তেরা অবাক্‌ হইয়া কি দেখিতেছেন? দেখিতেছেন — ঠাকুরের কোমরে কাপড় নাই। দিগম্বর! বালকের ন্যায় শয্যা হইতে এগিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। নিজে জল গড়াইয়া দিবেন। ভক্তদের নিশ্বাসবায়ু স্থির হইয়া গিয়াছে। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ জল গড়াইলেন। গেলাস হইতে একটু জল হাতে লইয়া দেখিতেছেন, ঠাণ্ডা কিনা। দেখিতেছেন জল তত ঠাণ্ডা নয়। অবশেষে অন্য ভাল জল পাওয়া যাইবে না বুঝিয়া অনিচ্ছাসত্ত্বেও ওই জলই দিলেন।

    গিরিশ খাবার খাইতেছেন (Kathamrita)। ভক্তগুলি চতুর্দিকে বসিয়া আছেন। মণি ঠাকুরকে পাখা করিতেছেন।

    গিরিশ (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — দেবেনবাবু সংসারত্যাগ করবেন।।

  • Donald Trump: মুসলিম ও আরব দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে’ যোগ দেওয়ার আহ্বান ট্রাম্পের

    Donald Trump: মুসলিম ও আরব দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে’ যোগ দেওয়ার আহ্বান ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েকটি মুসলিম ও আরব দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে’ (Abraham Accords) যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। সোমবার এই আহ্বান জানান তিনি। ট্রাম্প একে তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির সঙ্গে যুক্ত বৃহত্তর আঞ্চলিক সমঝোতার অংশ হিসেবে তুলে ধরেন, জানিয়ে দেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান, প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হতে পারে। তিনি সৌদি আরব, কাতার, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর, জর্ডন এবং বাহরিন-সহ বিভিন্ন দেশকে একসঙ্গে ওই অ্যাকর্ডসে সই করার আহ্বান জানান।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য (Donald Trump)

    দীর্ঘ ওই পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা সুন্দরভাবে এগোচ্ছে! এটি সবার জন্যই একটি দারুণ চুক্তি হবে, না হলে কোনও চুক্তিই হবে না।” সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, “যদি কোনও সমঝোতায় পৌঁছনো না যায়, তাহলে আবার যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে যেতে হবে এবং গোলাগুলি আগের চেয়ে আরও বড় ও মারাত্মক হবে।” ট্রাম্পের দাবি, ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর সৌদি আরব এবং কাতারের অবিলম্বে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়া উচিত। পরে অন্যান্য দেশগুলোরও একে অনুসরণ করা উচিত। তাঁর ইঙ্গিত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সফলভাবে চুক্তি সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে ইরানও এই কাঠামোর অংশ হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, আব্রাহাম অ্যাকর্ডস বর্তমান সদস্য দেশগুলির জন্য আর্থিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ‘বিস্ফোরণ’ নিয়ে এসেছে। তিনি সদস্য দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, বাহরিন, মরক্কো, সুদান এবং কাজাখাস্তানের নাম করেন (Abraham Accords)।

    ট্রাম্পের দাবি

    ট্রাম্প বলেন, “আব্রাহাম অ্যাকর্ডস তাদের পক্ষে খুবই উপকারী হয়েছে। সবার জন্যই আরও ভালো হবে। এটি মধ্যপ্রাচ্যে প্রকৃত শক্তি, ক্ষমতা ও শান্তি নিয়ে আসবে।” তিনি জানান, ওই দেশগুলির অনেক নেতার সঙ্গে কথা বলে তিনি বুঝেছেন, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর তারা ইরানকেও আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের অংশ হিসেবে দেখতে সম্মানিত বোধ করবেন। ট্রাম্প একে এই অঞ্চলের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিগুলির একটি বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, তিনি তাঁর প্রতিনিধিদের আরও দেশকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    আব্রাহাম অ্যাকর্ডস

    আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হল ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত এক ঐতিহাসিক চুক্তি, যার মাধ্যমে ইজরায়েল এবং একাধিক আরব দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। জানা গিয়েছে, শনিবার ট্রাম্প (Donald Trump) কয়েকটি আরব ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নেতাদের সঙ্গে কনফারেন্স কলে আলোচনা করেছেন। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হলে তিনি আরও বিভিন্ন দেশকে ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়াতে চান। ট্রাম্পের এহেন প্রস্তাবের পর ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে কিছু সময়ের জন্য নীরবতা নেমে আসে, চুপ করে (Abraham Accords) যান সৌদি আরব, কাতার এবং পাকিস্তানের প্রধানরা। কারণ এই দেশগুলির সঙ্গে ইজরায়েলের আনুষ্ঠানিক কোনও কূটনৈতিক সম্পর্কই নেই (Donald Trump)।

     

LinkedIn
Share