Blog

  • Suvendu Adhikari Government: স্কুল-মান্ডিতেই হবে হোল্ডিং সেন্টার! কীভাবে ধরা হবে অনুপ্রবেশকারীদের, জানাল সরকার

    Suvendu Adhikari Government: স্কুল-মান্ডিতেই হবে হোল্ডিং সেন্টার! কীভাবে ধরা হবে অনুপ্রবেশকারীদের, জানাল সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সরকার বদলের পর অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল নবগঠিত বিজেপি সরকার। নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই “ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট” নীতির কথা তুলে ধরেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ক্ষমতায় আসার পর সেই অবস্থান আরও স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বাস্তব স্তরেও শুরু হতে চলেছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ ও প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া। সেই লক্ষ্যেই রাজ্যের প্রতিটি জেলায় “হোল্ডিং সেন্টার” তৈরির নির্দেশ পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার।

    জেলায় জেলায় তৈরি হবে হোল্ডিং সেন্টার

    রাজ্য প্রশাসনের তরফে সমস্ত জেলা শাসকদের কাছে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের অবৈধ বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে, তাঁদের নির্দিষ্ট হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে। পরে নির্ধারিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মেনে তাঁদের সীমান্ত পার করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করবে বিএসএফ। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পরে ভারতে প্রবেশ করা বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের বিশেষভাবে চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগার বা জেল থেকে মুক্তি পাওয়া যেসব বিদেশি অনুপ্রবেশকারী রয়েছেন, তাঁদেরও সরাসরি হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে।

    কেন্দ্রের নির্দেশ কার্যকর করল নতুন সরকার

    ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের শনাক্তকরণ, আটক এবং প্রত্যর্পণ নিয়ে একটি বিস্তৃত নির্দেশিকা জারি করেছিল। কিন্তু অভিযোগ, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি তৎকালীন তৃণমূল সরকার। নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই নির্দেশ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেয়। রাজ্যের তরফে জেলাগুলিতে যে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে, তা মূলত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকার ভিত্তিতেই তৈরি।

    কারা সিএএ-র আওতায়, কারা ডিপোর্টের মুখে

    সম্প্রতি সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যাঁরা পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন, তাঁদের মধ্যে যারা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA)-এর আওতায় পড়েন, তাঁদের বৈধ নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অন্যদিকে, যাঁরা ওই আইনের আওতায় পড়েন না—বিশেষত বাংলাদেশে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা—তাঁদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে গণ্য করে ডিপোর্ট করা হবে বলে সরকার স্পষ্ট করেছে।

    কেমন হবে এই হোল্ডিং সেন্টার

    প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বিভিন্ন জেলার কৃষক মান্ডি, সরকারি স্কুল বা সরকারি পরিকাঠামোকেই আপাতত হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। আলাদা করে বড়সড় ডিটেনশন ক্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা আপাতত নেই। তবে ওই সেন্টারগুলিতে রাখা ব্যক্তিরা বাইরে অবাধে চলাফেরা করতে পারবেন না। নিরাপত্তা ও নজরদারির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে বলেও জানা গিয়েছে।

    কীভাবে শনাক্ত করা হবে অনুপ্রবেশকারীদের

    কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী, সীমান্ত পার হওয়ার সময় ধরা পড়া বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে থাকবে আঙুলের ছাপ, মুখের ছবি এবং অন্যান্য পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য। এই সমস্ত তথ্য আপলোড করতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ফরেনার্স আইডেন্টিফিকেশন পোর্টালে (FIP)। পাশাপাশি প্রতিটি জেলায় অবৈধ বিদেশি শনাক্ত ও প্রত্যর্পণের জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স (STF) গঠনের কথাও বলা হয়েছে।

    কেউ নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করলে কী হবে

    যদি কোনও সন্দেহভাজন ব্যক্তি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক বলে দাবি করেন, তাহলে তাঁর তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলা বা রাজ্যের কাছে যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হবে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৩০ দিনের মধ্যে সেই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। এই সময় পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে হোল্ডিং সেন্টারেই রাখা হবে।

    অবৈধ প্রমাণিত হলে নেওয়া হবে কড়া ব্যবস্থা

    যাঁরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত হবেন, তাঁদের ব্ল্যাকলিস্ট করা হবে যাতে ভবিষ্যতে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করতে না পারেন।
    এছাড়া তাঁদের সমস্ত তথ্য কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে সংরক্ষণ করা হবে এবং ইউআইডিএআই (আধার কর্তৃপক্ষ), নির্বাচন কমিশন, পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ-সহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আধার, ভোটার কার্ড বা অন্য সরকারি পরিচয়পত্র ও সুবিধা বাতিল করার প্রক্রিয়াও শুরু হতে পারে।

    খরচ বহন করবে কে

    নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের প্রত্যর্পণের জন্য প্রাথমিক পরিবহণ ব্যয় রাজ্য সরকার বহন করবে। পরে সেই অর্থ কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে ফেরত পাওয়া যাবে। অন্যদিকে হোল্ডিং সেন্টার তৈরি, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার সম্পূর্ণ খরচ রাজ্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।

    রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্ব

    রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশের প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। বিজেপি বরাবরই অভিযোগ করেছে, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বেড়েছে এবং তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। নতুন সরকারের এই পদক্ষেপকে বিজেপি প্রশাসনিক কঠোরতা হিসেবে তুলে ধরলেও, বিরোধীদের একাংশ ইতিমধ্যেই মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। ফলে আগামী দিনে এই হোল্ডিং সেন্টার ও ডিপোর্টেশন নীতি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

  • Assam Assembly: অসম বিধানসভায় ইতিহাস, সংস্কৃত ও ৩ জনজাতি ভাষার শপথে উঠে এল ‘বৈচিত্র্যের ভারত’

    Assam Assembly: অসম বিধানসভায় ইতিহাস, সংস্কৃত ও ৩ জনজাতি ভাষার শপথে উঠে এল ‘বৈচিত্র্যের ভারত’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬তম অসম বিধানসভার (Assam Assembly) প্রথম অধিবেশনেই তৈরি হল ইতিহাস। ২১ মে নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা হয়ে উঠেছিল অসম ও ভারতের ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক বিরল প্রতিচ্ছবি। এদিন মোট ১২৪ জন বিধায়ক ৯টি ভিন্ন ভাষায় শপথ নেন। এর মধ্যে কয়েকটি ভাষা এই প্রথম কোনও ভারতীয় বিধানসভার অন্দরমহলে শোনা গেল। ফলে দিনটি অসমের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে

    সংস্কৃতে শপথ নিলেন বিধায়করা

    সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে সংস্কৃত ভাষায় শপথগ্রহণ। বিজেপি-এনডিএ জোটের ১৭ জন বিধায়ক সংস্কৃতে শপথ নেন, যা অসম বিধানসভার ইতিহাসে নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রাক্তন স্পিকার বিশ্বজিৎ দইমারি, বিজেপি নেতা বিমল বরা, জয়ন্ত মল্ল বরুয়া, ভবেশ কলিতা, ডঃ মৃদুল কুমার দত্ত, এজিপি নেতা পৃথ্বীরাজ রাভা-সহ একাধিক বিধায়ক সংস্কৃতকে বেছে নেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বিধায়কদের একযোগে সংস্কৃত ভাষা বেছে নেওয়া ছিল এক ধরনের সাংস্কৃতিক ও সভ্যতাগত ঐক্যের বার্তা।

    জনজাতি ভাষার ব্যবহার

    এই অধিবেশনের সবচেয়ে ঐতিহাসিক দিক ছিল তিনটি জনজাতি ভাষার ব্যবহার। প্রথমবার অসম বিধানসভায় কর্বি, রাজবংশী ও রাভা ভাষায় শপথ নেওয়া হয়। পাঁচজন বিজেপি বিধায়ক কর্বি ভাষায়, তিনজন বিধায়ক রাজবংশী ভাষায় এবং একজন বিধায়ক রাভা ভাষায় শপথ নেন। এই ভাষাগুলি সংবিধানের অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয় এবং সরকারি স্বীকৃতিও সীমিত। তবু বিধানসভার ভিতরে এই ভাষাগুলির উচ্চারণ সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর কাছে এক বড় স্বীকৃতি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ভাষাভিত্তিক হিসেব অনুযায়ী, ৭৫ জন বিধায়ক অসমিয়া ভাষায় শপথ নেন। ১৭ জন সংস্কৃতে, ৯ জন বাংলায়, ৮ জন বোড়ো ভাষায়, ৫ জন কর্বি ভাষায়, ৩ জন রাজবংশী ভাষায় শপথ নেন। এছাড়া ৪ জন ইংরেজিতে, ১ জন হিন্দিতে এবং ১ জন রাভা ভাষায় শপথ গ্রহণ করেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) বলেন, বিধায়কেরা যাতে নিজেদের সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ ভাষায় শপথ নিতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই আগাম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তিনি জানান, সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী অতুল বোরা এবং প্রো-টেম স্পিকার চন্দ্রমোহন পাটোয়রি-র সঙ্গে আলোচনা করেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “নিয়ম কখনও মানুষের ভাষা ও পরিচয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানো উচিত নয়।”

  • PM Modi on Falta Repoll: ‘গণতন্ত্রের জয়, ভয়ভীতি প্রদর্শনের পরাজয়’ ফলতায় রেকর্ড ব্যবধানে জয়ের পরে রাজ্যবাসীকে অভিনন্দন মোদির

    PM Modi on Falta Repoll: ‘গণতন্ত্রের জয়, ভয়ভীতি প্রদর্শনের পরাজয়’ ফলতায় রেকর্ড ব্যবধানে জয়ের পরে রাজ্যবাসীকে অভিনন্দন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে দক্ষিণ ২৪ পরগণার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের (PM Modi on Falta Repoll) নির্বাচনে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা। ফলতার এই ঐতিহাসিক ফলাফলের পর বিজেপি প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১,০৯,০২১ ভোটের বিশাল ব্যবধানে ফলতা বিজয়র পর সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদির বার্তা, “ফলতাবাসী নিজেদের রায় দিয়ে দিয়েছে! গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। ভয়ভীতি-হুমকি হেরে গিয়েছে।” একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের উন্নতির জন্য, বিকশিত বাংলার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করলেন রাজ্যবাসীর কাছে।

    অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাব

    ফলতায় বিজেপি প্রার্থীর জয়ের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ফলতা থেকে রেকর্ড ব্যবধানে জয়ী হওয়ার জন্য দেবাংশু পণ্ডাজিকে আন্তরিক অভিনন্দন। এই জয় পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বিজেপির প্রতি অটুট আস্থা ও বিশ্বাসেরই প্রতিফলন। রাজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অসাধারণ কাজ মানুষ প্রত্যক্ষ করছেন, আর সেই কারণেই তাঁরা আমাদের প্রতি আরও আশীর্বাদ ও সমর্থন জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গজুড়ে বিজেপির সকল কর্মী ও সমর্থকদের তাঁদের অসাধারণ পরিশ্রম ও নিষ্ঠার জন্য আমার আন্তরিক অভিনন্দন। আগামী দিনেও আমরা পশ্চিমবঙ্গের উন্নতি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাব।” নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার দু’সপ্তাহ পরেই এই নির্বাচন হয়েছে। রাজ্যের নতুন সরকার যে ইতিমধ্যে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কাজ করেছে, তা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীও। তিনি লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ কাজ করে চলেছে, তা মানুষের নজর এড়ায়নি। এই কারণেই পশ্চিমবঙ্গবাসী আবার আমাদের আশীর্বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

    কেন প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ

    রাজনৈতিক মহলের মতে, ফলতার ফল শুধু একটি বিধানসভা আসনে পুনর্নির্বাচনের ফল নয়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার মডেলের অন্যতম অংশ এই ফলতা। নির্বাচন কমিশন ফলতায় পুনর্নির্বাচন ঘোষণার পর অভিষেক বলেছিলেন, ‘দশ জন্মেও আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলকে দমাতে পারবে না। দিল্লি থেকে যত শক্তশালী, যাকে খুশি আনুন, ক্ষমতা থাকলে ফলতায় লড়ে দেখাও।’ এই ফলতায় ভোটাররা বছরের পর বছর ভোট দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে ‘দাদাগিরির’ অভিযোগ ওঠে। চব্বিশের লোকসভা ভোটে এই ফলতায় ১ লক্ষ ৬৫ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে ছিলেন অভিষেক। সেই ফলতাতে বিজেপি প্রার্থীর লক্ষাধিক ভোটে জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী বার্তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এ বারের নির্বাচনে যে বিজেপি জিতবে, তা প্রত্যাশিতই ছিল। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ভোটের আগেই ময়দান ছেড়েছেন। তবে বিজেপি যে এই বিপুল ব্যবধানে ফলতায় বিজয়ধ্বজা ওড়াবে, তা আগে থেকে অনুমান করতে পারেনি অনেকেই। ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জিতেছেন বিজেপির দেবাংশু পান্ডা। তৃণমূল সেখানে নেমে গিয়েছে চতুর্থ স্থানে।

  • Chingrighata Viaduct: তৃণমূল জমানায় থমকে ছিল ১৮ মাস, বিজেপি আসতেই চিংড়িঘাটায় মাত্র ১২০ ঘণ্টায় শেষ হল ভায়াডাক্ট বসানোর কাজ

    Chingrighata Viaduct: তৃণমূল জমানায় থমকে ছিল ১৮ মাস, বিজেপি আসতেই চিংড়িঘাটায় মাত্র ১২০ ঘণ্টায় শেষ হল ভায়াডাক্ট বসানোর কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রশাসনিক জটিলতা, আদালত পর্যন্ত গড়ানো টানাপোড়েন এবং দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ বন্ধ থাকার পর অবশেষে বড় সাফল্য পেল কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন প্রকল্প। ইএম বাইপাসের ব্যস্ত চিংড়িঘাটা মোড়ে মাত্র ১২০ ঘণ্টার মধ্যে দু’দফায় গুরুত্বপূর্ণ ভায়াডাক্ট বসিয়ে ‘মিসিং লিংক’-এর বড় অংশ সম্পূর্ণ করল রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড (RVNL)। এই কাজ শেষ হওয়ায় নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট করিডরের অরেঞ্জ লাইনের সেক্টর ফাইভ সংযোগের পথ অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেল।

    দু’দফায় ৬২ মিটার ভায়াডাক্ট বসানোর নজির

    প্রথম ধাপের কাজ শুরু হয়েছিল ১৫ মে রাত ৮টা থেকে। টানা ৬০ ঘণ্টার ট্র্যাফিক ব্লকের মধ্যে ৩১৭ ও ৩১৮ নম্বর পিলারের মাঝে ২৮ মিটার দীর্ঘ কংক্রিট ভায়াডাক্ট বসানো হয়। এই ভায়াডাক্ট তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছিল মোট ১০টি কংক্রিট সেগমেন্ট। এর মধ্যে আটটির ওজন ছিল প্রায় ৬০ টন এবং দু’টির ওজন প্রায় ৪০ টন। প্রথম পর্যায়ের কাজ নির্ধারিত সময়ের প্রায় আড়াই ঘণ্টা আগেই শেষ হয়। ফলে সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার মধ্যেই উল্টোডাঙামুখী রাস্তা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হয়েছিল।

    এরপর দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু হয় ২২ মে রাত ৮টা থেকে। ২৫ মে সকাল পর্যন্ত চলা আরও একটি ৬০ ঘণ্টার ব্লকে ৩১৮ ও ৩১৯ নম্বর পিলারের মধ্যে ৩৪ মিটার দীর্ঘ ভায়াডাক্ট বসানো হয়। এই অংশে ১২টি কংক্রিট সেগমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। দু’দফার কাজ মিলিয়ে মোট ৬২ মিটার ভায়াডাক্ট সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে ৩১৭ থেকে ৩১৯ নম্বর পিলারের সংযোগ সম্পূর্ণ হয়েছে, যা এতদিন অরেঞ্জ লাইনের সবচেয়ে জটিল এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল।

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ চিংড়িঘাটা অংশ?

    চিংড়িঘাটা মোড়ের ৩৬৬ মিটার অংশ দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ ছিল। এই ‘মিসিং লিংক’-এর কারণেই নিউ গড়িয়া থেকে চলা অরেঞ্জ লাইন এখনও সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত পৌঁছতে পারেনি। বর্তমানে এই লাইন নিউ গড়িয়া থেকে বেলেঘাটা মেট্রোপলিটন স্টেশন পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার চালু রয়েছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের মতে, চিংড়িঘাটার এই ভায়াডাক্ট সম্পূর্ণ হলে অরেঞ্জ লাইন সরাসরি সেক্টর ফাইভের সঙ্গে যুক্ত হবে এবং ভবিষ্যতে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর গ্রিন লাইনের সঙ্গেও সংযোগ স্থাপন করবে। এতে নিউ টাউন, সেক্টর ফাইভ, রুবি, গড়িয়া এবং বিমানবন্দরমুখী যাত্রীদের যাতায়াতে বড় সুবিধা হবে।

    দেড় বছর কেন আটকে ছিল কাজ?

    আরভিএনএল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এই অংশে কাজ কার্যত থমকে ছিল। মূল সমস্যা ছিল ট্র্যাফিক ব্লকের অনুমতি। চিংড়িঘাটা মোড় কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত ট্র্যাফিক করিডর হওয়ায় দীর্ঘ সময় রাস্তা বন্ধে আপত্তি জানানো হয়েছিল। বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট এবং পরে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। আরভিএনএল আইআইটি-গৌহাটির একটি রিপোর্ট আদালতে জমা দেয়, যেখানে বলা হয়েছিল যে মাঝপথে কাজ থামালে নির্মাণের স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। পরে আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং সরকার পরিবর্তনের পর প্রশাসনিক অনুমতি মেলায় টানা ৬০ ঘণ্টার ট্র্যাফিক ব্লকের ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

    ৫০০ টনের লঞ্চার মেশিন এখন এগোবে নিক্কো পার্কের দিকে

    চিংড়িঘাটার গুরুত্বপূর্ণ অংশে কাজ শেষ হওয়ার পর এবার ৫০০ মেট্রিক টনের বিশাল লঞ্চার মেশিন ধাপে ধাপে ৩২৯ নম্বর পিলারের দিকে এগোবে। সেখানেই নিক্কো পার্ক সংলগ্ন গৌরকিশোর ঘোষ মেট্রো স্টেশনের সঙ্গে ভায়াডাক্টের সংযোগ ঘটানো হবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, এই সংযোগ সম্পূর্ণ হলে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত ট্রায়াল এবং পরবর্তী পরিষেবা চালুর কাজ দ্রুত এগোবে।

    তৈরি হচ্ছে নতুন ৬০ মিটার রাস্তা

    ভবিষ্যতের কাজ সহজ করতে চিংড়িঘাটা সংলগ্ন সল্টলেক বাইপাসের ধারের খালের পাশে নতুন ৬০ মিটার রাস্তা তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশ এবং আরভিএনএল যৌথভাবে এলাকা পরিদর্শন করেছে। এই রাস্তা তৈরি হলে ভবিষ্যতের ট্র্যাফিক ডাইভারশন এবং মেট্রো নির্মাণের কাজ আরও সহজ হবে।

    কবে চালু হতে পারে পরিষেবা?

    মেট্রো সূত্রের দাবি, সব কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি বছরের শেষের দিকেই নিউ গড়িয়া থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত অরেঞ্জ লাইনের পরিষেবা চালু হতে পারে। যদিও পুরো নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট করিডর চালু হতে ২০২৭ সালের প্রথম দিক পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অরেঞ্জ লাইন সম্পূর্ণ চালু হলে কলকাতার পূর্বাংশে যাতায়াত ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে। ইএম বাইপাস এবং ভিআইপি রোডের উপর চাপ কমবে, পাশাপাশি সেক্টর ফাইভ ও বিমানবন্দরমুখী যাত্রীদের জন্য এটি হবে অন্যতম দ্রুততম গণপরিবহণ ব্যবস্থা।

  • Daily Horoscope 25 May 2026: উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনায় সফল হবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 25 May 2026: উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনায় সফল হবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কর্মদক্ষতায় চাকরির স্থানে সুনাম অর্জন করতে পারবেন।

    ২) বিষয়সম্পত্তি নিয়ে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর জন্য বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটিতে বিবাদে জড়াবেন না।

    মিথুন

    ১) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ২) সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কর্কট

    ১) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ২) বন্ধুদের দিক থেকে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    সিংহ

    ১) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ২) প্রতিযোগিতায় জেতার আশা রাখতে পারেন।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে বেশি।

    কন্যা

    ১) মাত্রাছাড়া আবেগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    তুলা

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ২) শরীরের সমস্যায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ২) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

    ২) ঘরের পরিবেশ অনুকূল থাকলেও বাইরে পরিবেশ খুব একটা উপযুক্ত হবে না।

    ৩) সংযমী হতে হবে।

    মকর

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে কেউ আপনাকে ঠকাতে পারে।

    ২) সাংসারিক সমস্যার সমাধান হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনায় সফল হবেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 654: “ঠাকুরের কাছে একটি ভক্তপ্রদত্ত চন্দনকাষ্ঠের পাখা ছিল, ঠাকুর সেই পাখাখানি মণির হাতে দিলেন।”

    Ramakrishna 654: “ঠাকুরের কাছে একটি ভক্তপ্রদত্ত চন্দনকাষ্ঠের পাখা ছিল, ঠাকুর সেই পাখাখানি মণির হাতে দিলেন।”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১৬ই এপ্রিল

    ঠাকুর গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে — ভক্তের প্রতি ঠাকুরের স্নেহ

    গিরিশ, লাটু, মাস্টার, বাবুরাম, নিরঞ্জন, রাখাল 

    গিরিশ, লাটু, মাস্টার উপরে গিয়া দেখেন, ঠাকুর শয্যায় বসিয়া আছেন। শশী ও আরও দু-একটি ভক্ত সেবার্থ ওই ঘরে ছিলেন, ক্রমে বাবুরাম, নিরঞ্জন, রাখাল, ইঁহারাও আসিলেন।

    ঘরটি বড়। ঠাকুরের (Ramakrishna) শয্যার নিকট ঔষাধি ও নিতান্ত প্রয়োজনীয় জিনিসাদি রহিয়াছে। ঘরের উত্তরে একটি দ্বার আছে, সিঁড়ি হইতে উঠিয়া সেই দ্বার দিয়া ঘরে প্রবেশ করিতে হয়। সেই দ্বারের সামনাসামনি ঘরের দক্ষিণ গায়ে আর-একটি দ্বার আছে। সেই দ্বার দিয়া দক্ষিণের ছোট ছাদটিতে যাইয়া যায়। সেই ছাদের উপর দাঁড়াইলে বাগানের গাছপালা, চাঁদের আলো, অদূরে রাজপথ ইত্যাদি দেখা যায়।

    ভক্তদের রাত্রি জাগরণ করিতে হয়, তাঁহারা পালা করিয়া জাগেন। মশারি টাঙ্গাইয়া ঠাকুরকে শয়ন করাইয়া যে ভক্তটি ঘরে থাকিবেন, তিনি ঘরের পূর্বধারে মাদুর পাতিয়া কখনও বসিয়া, কখনও শুইয়া থাকেন। অসুস্থতানিবন্ধন ঠাকুরের প্রায় নিদ্রা নাই! তাই যিনি থাকেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা প্রায় বসিয়া কাটাইয়া (Kathamrita) দেন।

    আজ ঠাকুরের অসুখ কিছু কম। ভক্তেরা আসিয়া ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করিলেন এবং ঠাকুরের সম্মুখে মেঝের উপর বসিলেন।

    ঠাকুর আলোটি কাছে আনিতে মাস্টারকে আদেশ করিলেন। ঠাকুর গিরিশকে সস্নেহ সম্ভাষণ করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — ভাল আছ? (লাটুর প্রতি) এঁকে তামাক খাওয়া। আর পান এনে দে।

    কিয়ৎক্ষণ পরে আবার বলিলেন, “কিছু জলখাবার এনে দে।”

    লাটু — পানটান দিয়েছি। দোকান থেকে জলখাবার আনতে যাচ্ছে (Kathamrita)।

    ঠাকুর বসিয়া আছেন। একটি ভক্ত কয়গাছি ফুলের মালা আনিয়া দিলেন। ঠাকুর নিজের গলায় একে একে সেগুলি ধারণ করিলেন। ঠাকুরের হৃদয়মধ্যে হরি আছেন, তাঁকেই বুঝি পূজা করিলেন। ভক্তেরা অবাক্‌ হইয়া দেখিতেছেন। দুইগাছি মালা গলা হইতে লইয়া গিরিশকে দিলেন।

    ঠাকুর মাঝে মাঝে জিজ্ঞাসা করিতেছেন, “জলখাবার কি এলো?”

    মণি ঠাকুরকে পাখা করিতেছেন। ঠাকুরের কাছে একটি ভক্তপ্রদত্ত চন্দনকাষ্ঠের পাখা ছিল। ঠাকুর সেই পাখাখানি মণির হাতে দিলেন। মণি সেই পাখা লইয়া বাতাস করিতেছেন। মণি পাখা করিতেছেন, ঠাকুর দুইগাছি মালা গলা হইতে লইয়া তাঁহাকেও দিলেন।

  • Russia Ukraine War: কিভে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল, তীব্র আলোর ঝলকানিতে চোখ ধাঁধালো ইউক্রেনবাসীর

    Russia Ukraine War: কিভে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল, তীব্র আলোর ঝলকানিতে চোখ ধাঁধালো ইউক্রেনবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর আলোর ঝলকানিতে রাতের ঘুম উড়ে গেল ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভবাসীর। তীব্র রুশ হামলায় কেঁপে উঠল গোটা শহর। রাশিয়া-অধিকৃত পূর্ব ইউক্রেনে হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে কিয়েভে ব্যাপক বোমাবর্ষণ (Russia Ukraine War) করা হয়।

    রাতের আকাশে তীব্র আলোর ঝলকানি (Russia Ukraine War)

    অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মধ্য কিয়েভে আঘাত হানে (Russian Hypersonic Missile)। ফুটেজে আঘাতের মুহূর্তে তীব্র আলোর ঝলকানি দেখা গিয়েছে। এরপরেই ঘটে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। ইউক্রেনের আধিকারিকরা জানান, হামলায় প্রায় ৬০০টি ড্রোন এবং ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। সংবাদ মাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকগুলি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে পারলেও, সবগুলি আটকানো যায়নি। জানা গিয়েছে, রাশিয়ার এই হামলায় লুকিয়ানিভস্কা মেট্রো স্টেশনের কাছের একটি ব্যবসা কেন্দ্র এবং পাশের বাজার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলির মধ্যে একটি ছোট ক্যাফেও ছিল। আগের রুশ হামলার পর এটি ছ’বার পুনর্নির্মাণ ও ফের চালু করা হয়েছিল।

    রাশিয়ার কড়া সমালোচনা

    এই হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। জখম হয়েছেন বহু মানুষ। রাজধানী-সহ বিভিন্ন অঞ্চলে বাড়িঘর, স্কুল, বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাতভর কিয়েভজুড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় বাসিন্দারা আশ্রয় নেন মেট্রো স্টেশন ও ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে। এক্স হ্যান্ডেলে ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা রাশিয়ার কড়া সমালোচনা করে বলেন, “এই হামলা মিলিটারি টার্গেটে নয়, বরং সাধারণ মানুষের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছে। তিনি লেখেন, “রাশিয়া কিয়েভ-সহ চেরকাসি, খারকিভ, ক্রোপিভনিতস্কি, ওডেসা, পোলতাভা, সুমি এবং ঝিতোমির অঞ্চলেও অন্যতম বৃহৎ রাতের হামলা চালিয়েছে।”

    জেলেনস্কির বক্তব্য

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, রাশিয়া ‘ওরেশনিক’ নামের একটি শক্তিশালী হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করেছে। ওরেশনিক এমন একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের গতির চেয়ে দশগুণ বেশি বেগে চলতে পারে এবং তিন, চার বা তারও বেশি তলা নীচে থাকা ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ধ্বংস করার জন্য তৈরি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে রাশিয়া প্রথম ইউক্রেনের দ্নিপ্রো শহরে বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ওরেশনিক ব্যবহার করেছিল (Russia Ukraine War)। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পশ্চিমাঞ্চলীয় লভিভ এলাকায় দ্বিতীয়বার এটি ব্যবহার করা হয়। হামলার তীব্র নিন্দা করে জেলেনস্কি বলেন, “এটি সাধারণ নাগরিক ও অসামরিক পরিকাঠামো—যেমন বাজার, স্কুল এবং জল সরবরাহ কেন্দ্র—লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে (Russian Hypersonic Missile)।” রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রক রবিবার জানিয়েছে, তারা ওরেশনিক-সহ অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইউক্রেনের ‘সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র’, বিমানঘাঁটি এবং সামরিক-শিল্প পরিকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে। যদিও তারা নির্দিষ্ট কোনও জায়গার নাম বলেনি। রাশিয়ার দাবি, এই হামলা ছিল রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ইউক্রেনের হামলার প্রতিক্রিয়া (Russia Ukraine War)।

     

  • CM Suvendu Adhikari: ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ এখন তৃণমূলের ‘হার-বার মডেল’, ফলতার ফল বেরনোর আগেই কটাক্ষবাণ মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ এখন তৃণমূলের ‘হার-বার মডেল’, ফলতার ফল বেরনোর আগেই কটাক্ষবাণ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ এখন তৃণমূলের (TMC) ‘হার-বার মডেল’। ফলতা পুনর্নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঠিক এই ভাষায়ই তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। বিভিন্ন সময় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ডায়মন্ড হারবার মডেলের কথা বুক ফুলিয়ে বলতেন স্থানীয় সাংসদ তথা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই লোকসভা কেন্দ্র থেকেই সাত লাখ ভোটে জিতে সংসদে গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ভাতিজা’। (নিন্দুকরা অবশ্য বলেন, ডায়মন্ড হারবারে ভোট হয়নি, ভোট লুট হয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে ‘ভাইপো’র।)

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari)

    রবিবার অভিষেকের নাম না করেই রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগামিদিনে তৃণমূলের লড়াই হবে নোটা-র বিরুদ্ধে।” ফলতা পুনর্নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা। লক্ষাধিক ভোটে জয়ী হচ্ছেন তিনি। তাই তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শুভেন্দু। ধন্যবাদ দিয়েছেন ফলতার ভোটারদেরও। পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘ফলতার ভোটারদের কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। বিজেপির প্রার্থীকে এক লাখ ভোটে জেতানোর আবেদন করেছিলাম, জয়ের ব্যবধান এক লাখ আট হাজার পেরিয়েছে।’’ এর পরেই শুভেন্দু ভোটের আগে দেওয়া নিজের প্রতিশ্রুতি মনে করিয়ে দেন। লেখেন, ‘‘উন্নয়নের মাধ্যমে আপনাদের এই ঋণ শোধ করব। সোনার ফলতা গড়ার জন্য আমরা দায়বদ্ধ।’’

    তৃণমূলকে তোপ

    তৃণমূলকে (TMC) তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘‘একটি নীতি-আদর্শহীন দল, যা মাফিয়া কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়েছিল, ক্ষমতা হারাতেই তার কঙ্কালসার দশা উন্মোচিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে সরকারি ধন লুট, মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ তোলাবাজি, সিন্ডিকেট ও থ্রেট কালচারের মাধ্যমে কেড়ে নিয়ে এই দলের নেতারা ধরাকে সরা জ্ঞান করেছিলেন।’’ নাম (CM Suvendu Adhikari) না করে অভিষেককে কটাক্ষবাণও হেনেছেন শুভেন্দু। লিখেছেন, ‘‘প্যারাসুটে নেমে সেনাপতি আখ্যা পাওয়া এক জালিয়াত, এমন কোনও অপরাধ নেই, যা সংগঠিত করেনি। নিজের অপরাধ সিন্ডিকেটকে প্রতিষ্ঠিত করতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতেও কসুর করেনি এই ‘বাঘের ছাল পরিহিত বেড়াল’। ফলস্বরূপ, বিগত নির্বাচনকে (লোকসভা ভোট) পরিহাসে পরিণত করে এই বিধানসভা (ফলতা) ক্ষেত্রে দেড় লাখ ভোটের লিড নিয়েছিল তৃণমূল।’’

    ফলতায় ধরাশায়ী তৃণমূলের জাহাঙ্গির

    প্রসঙ্গত, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রটি ডায়মন্ড হারবার লোকসভার অন্তর্গত। এই বিধানসভা থেকে প্রায় দেড় লক্ষ ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক। তাঁর সেই জয়ের অন্যতম ‘কারিগর’ বলে পরিচিত, জাহাঙ্গির খানকে ফলতায় প্রার্থী করে তৃণমূল। যদিও হার নিশ্চিত আঁচ করে ভোটের দু’দিন আগে সরে দাঁড়ান তিনি। যদিও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের কোনও সুযোগ তখন তাঁর ছিল না। অভিষেক ‘ঘনিষ্ট’ এই তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রুজু হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, ফলতা নির্বাচনে কারচুপি করানোর চেষ্টা চালিয়েছেন তিনি (CM Suvendu Adhikari)। তার জেরে শুক্রবার হয় পুনর্নির্বাচন। ফল প্রকাশ হয় আজ, রবিবার। মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘‘১৫ বছর পরে যখন মানুষ নিজের ভোট নিজে দেওয়ার স্বাধীনতা ফিরে পেলেন, তখন বাস্তব প্রকাশিত হল।এ তো সবে শুরু, প্রত্যাখ্যানের দীর্ঘ যাত্রা এবার অতিক্রম করতে হবে। আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের সামনে নির্বাচনে নোটার বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে।’’ ত্রিপুরা নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু লেখেন, ‘‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা রাজ্যের বিধানসভা (TMC) নির্বাচনে নোটার কাছে পরাজিত হয়েছে। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গেও এই জমজমাট লড়াই প্রত্যক্ষ করার অপেক্ষায় রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গবাসী (CM Suvendu Adhikari)।’’

     

  • TMC Leaders: রাজ্যে পুলিশি তৎপরতা, এক সপ্তাহে ৭০ জনেরও বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মী গ্রেফতার, তালিকায় কাউন্সিলর থেকে পঞ্চায়েত সদস্য

    TMC Leaders: রাজ্যে পুলিশি তৎপরতা, এক সপ্তাহে ৭০ জনেরও বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মী গ্রেফতার, তালিকায় কাউন্সিলর থেকে পঞ্চায়েত সদস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত এক সপ্তাহে আইনশৃঙ্খল রক্ষায় ব্যাপক প্রশাসনিক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। আর্থিক অনিয়ম, সরকারি তহবিলের অপব্যবহার, আয় বহির্ভূত সম্পত্তি, সাধারণ মানুষকে হেনস্থা এবং নির্বাচন-পরবর্তী ও পূর্ববর্তী হিংসার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গত সাত দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৭০ জনেরও বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (BJP Bengal)। ধৃতদের মধ্যে অন্যতম ‘প্রভাবশালী’ মুখ প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু, যিনি কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কাউন্সিলর এবং স্থানীয় নেতাকেও গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশ। কেবল শনিবারই রাজ্যজুড়ে অন্তত ১৭ জন তৃণমূল (TMC Leaders) নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কলকাতা ও বিধাননগরে আইনি পদক্ষেপ (TMC Leaders)

    শনিবার কলকাতা এবং বিধাননগর এলাকা থেকে মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম হল কলকাতা পুরসভার ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা তৃণমূল নেতা সুদীপ পোল্লে। তোলাবাজির অভিযোগে বাগুইআটি থানার পুলিশ বিধাননগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সম্রাট বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে। সম্রাট প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূল নেত্রী তথা কীর্তনিয়া অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান এবং কোচবিহার থেকেও একাধিক নেতাকে (TMC Leaders) গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ভোট-পরবর্তী হিংসা ও সরকারি জমি দখলের অভিযোগ (TMC Leaders)

    হাওড়া ও হুগলি

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রামীণ হাওড়ার জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান গুরুপদ মাঝি ও তাঁর ভাই রাজুকে (TMC Leaders) গ্রেফতার করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা ও সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। ২০২১ সালের হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হুগলির দাদপুর থানার পুলিশ হারিট গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য আলতাব হোসেন মল্লিককে গ্রেফতার করেছে। হুগলির কোন্নগর পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবলু পাল ওরফে খোকনকে সরকারি জমি দখল করে দলীয় কার্যালয় নির্মাণ, অবৈধ ব্যবসা এবং জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ। তাঁকে গ্রেফতার করার সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক (BJP Bengal) দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। বিধায়কের অভিযোগ, গত ২০ বছর ধরে ক্ষমতার অপব্যবহারে এই বেআইনি কাজ চলেছে এবং এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ খরচ ধৃত কাউন্সিলরের কাছে থেকেই আদায় করা হবে।

    দিয়ায় গ্রেফতার

    নদিয়ার আড়ংঘাটায় সমান্তরাল প্রশাসন চালানো এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ‘সিন্ডিকেট’ থেকে চড়া দামে নির্মাণসামগ্রী কিনতে বাধ্য করার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল নেতা (TMC Leaders) রমজান আলি মণ্ডল। তাঁর গ্রেফতারির পর পুলিশ (BJP Bengal) তাঁর সহযোগী প্রদীপ সাঁতরাকেও হেফাজতে নিয়েছে। ধানতলা থানার পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে রানাঘাট আদালতে পেশ করেছে।

    মুর্শিদাবাদ

    বড়ঞা থানার পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে কুলি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী তথা দাপুটে নেতা আবু বক্করকে (TMC Leaders) গ্রেফতার করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে সেলিম বারি নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রাণনাশের চেষ্টা-সহ একাধিক অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। তাঁকে কান্দি মহকুমা আদালতে তোলা হচ্ছে।

    পশ্চিম বর্ধমান

    পাণ্ডবেশ্বরের ছোড়া পঞ্চায়েতের প্রধানের পর এবার ভোটের সময় সন্ত্রাস ও তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন পঞ্চায়েত সদস্য ও কোলিয়ারি শ্রমিক সংগঠনের সম্পাদক শেখ কামরুদ্দিন। তবে কামরুদ্দিন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে দাবি করেছেন।

    কোচবিহার

    কোচবিহারের দিনহাটায় বিজেপি কর্মীদের মারধর ও অর্থ আদায়ের অভিযোগে দিনহাটা-২ ব্লকের বড় শাকদল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভবরঞ্জন বর্মণকে (TMC Leaders)  গ্রেফতার করেছে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ। আদালত তাঁর ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। সরকারি আইনজীবী নিহাররঞ্জন গুপ্ত জানান, ২০২৪ সালের নির্বাচন-পরবর্তী হিংসা ও তোলাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগের (BJP Bengal) ভিত্তিতেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    এই ভাবেই রাজ্যজুড়ে দুর্নীতিগ্রস্ত, তোলাবাজ এবং ভোট পরবর্তী হিংসায় নেতৃত্ব দেওয়া তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতার করে জেলে ভরার কাজ করছে বিজেপি সরকার। সময় যত যাচ্ছে ধরপাকড়ের সংখ্যা আরও বাড়ছে।

  • West Bengal: অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপনের নির্দেশ জেলাশাসকদের

    West Bengal: অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপনের নির্দেশ জেলাশাসকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করার অভিযোগে আটক বিদেশি নাগরিক ও মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের, যারা দেশে ফেরা কিংবা বহিষ্কারের অপেক্ষায় রয়েছে (West Bengal), তাদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপন করতে হবে (Bangladeshi Rohingya Deportees)। এই মর্মে রাজ্যের সব জেলাশাসককে (DM) নির্দেশ দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজ্যের নয়া সরকারের এই নির্দেশ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের বহিষ্কারের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।

    অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে শুভেন্দু সরকারের নীতি (West Bengal)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে শনাক্তকরণ, ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং বহিষ্কার নীতি নেবে। তবে সিএএ (CAA) আইনে হিন্দু শরণার্থী এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে না। ২৩ মে স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের তরফে জারি করা এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “আটক বিদেশি নাগরিক এবং দেশে ফেরা কিংবা বহিষ্কারের অপেক্ষায় থাকা মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের জন্য জেলায় হোল্ডিং সেন্টার স্থাপনের (West Bengal) উদ্দেশ্যে উদ্যোগ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে, যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) নির্দেশিকা অনুযায়ী হবে।”

    সরকারি নির্দেশিকা

    স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের বিদেশি শাখা (SAARC VISA Section) থেকে ২৩ মে জারি করা এক সরকারি নির্দেশিকায় রাজ্য সরকারের সচিব জেলাশাসকদের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) নির্দেশিকা অনুসরণ করতে বলেছেন। সেখানে (Bangladeshi Rohingya Deportees) অবৈধভাবে দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের শনাক্তকরণ ও বহিষ্কারের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতির (West Bengal) কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা

    প্রসঙ্গত, বঙ্গের চালকের আসনে (West Bengal) বসার পরেই পদ্ম-নেতা শুভেন্দু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যে কোনও অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে তাদের স্থানীয় থানায় বা প্রশাসনের কাছে না রেখে সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দিতে হবে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, অনুপ্রবেশকারীদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। শুধু তা-ই নয়, তাদের জেলে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাছে সবার আগে রাষ্ট্র। দেশকে সুরক্ষিত করার কাজ সরকার করবে।” তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার ফলে আগের সরকারের আমলে বিঘ্নিত হয়েছে (Bangladeshi Rohingya Deportees) দেশের নিরাপত্তা।

     

LinkedIn
Share