Blog

  • PM Modi in Cooch Behar: ‘‘বাংলায় এবার পরিবর্তনের ভোট’’, কোচবিহার থেকে বিচারকদের ওপর হামলার ঘটনায় সরব প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi in Cooch Behar: ‘‘বাংলায় এবার পরিবর্তনের ভোট’’, কোচবিহার থেকে বিচারকদের ওপর হামলার ঘটনায় সরব প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনের (Assembly Election 2026) মাধ্যমে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Cooch Behar)। এখান থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়িত করার শপথ নিলেন তিনি। ভোট ঘোষণার পর প্রথমবার বাংলায় এলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কোচবিহারের রাসমেলার মাঠে ‘বিজয় সংকল্প সভা’ থেকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। বললেন, “বাংলায় এসেই বুঝে গেছি তৃণমূলের পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। মানুষ এখন শুধুই পরিবর্তন চাইছে। আর তারপর তৃণমূলের পাপের হিসেব করা হবে। বেছে বেছে হিসেব নেওয়া হবে।”

    মালদায় যা হয়েছে, তৃণমূলের গুন্ডামি

    এদিন কোচবিহারে রাসমেলা ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Cooch Behar) কালিয়াচক-প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “মালদায় যা হয়েছে, সেটা গোটা দেশ দেখেছে। দেশের মানুষ স্তম্ভিত। কীভাবে মালদায় বিচারকদেরই বন্দি করে রাখা হয়েছিল। তৃণমূলের শাসনে বিচারকেরাও রেহাই পান না। এটা কোন সরকার, কোন প্রশাসন, কোন ব্যবস্থা। যেখানে বিচারক, সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই সুরক্ষিত নয়। বাংলার সাধারণ মানুষের সুরক্ষা এদের থেকে কীভাবে আশা করা যায়? মালদায় যা হয়েছে, তৃণমূলের গুন্ডামি।” এ প্রসঙ্গেই মোদির সংযোজন, “এটাই প্রমাণ করছে, এখানে জঙ্গলরাজ চলছে। তৃণমূল সংবিধানের গলা টিপে ধরছে। তৃণমূলের সন্ত্রাসের মোকাবিলায় আপনাদের ভরসা বিজেপি। এখানে যা হচ্ছে, তাতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টকেই হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে।”

    ব্রিগেড থেকে বাংলার পরিবর্তনের সূচনা

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Cooch Behar) বলেন, “এত বছর ধরে বাংলার মানুষের পয়সা লুট করা হয়েছে। সকল দুর্নীতিবাজদের এই টাকা ফেরত দিতে হবে। ব্রিগেড থেকে বাংলার পরিবর্তনের সূচনা করেছিলাম। মানুষের সেই ভিড়ে তৃণমূলের সিন্ডিকেট ঘাবড়ে গিয়েছে। ব্রিগেডের বিউগল কোচবিহারে আরও বেশি হয়েছে। টিএমসির পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়েছে। বাংলায় এখন একটাই আওয়াজ। পাল্টানো দরকার। এটাই নতুন বাংলার দিশা। বিজেপি এখানে সরকার গড়বে।” রাজ্যে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি কেন্দ্রে নির্বাচন। প্রথম দফা ভোটের আগে এটাই ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সভা। ব্রিগেডে জনসভার পর এবারেই প্রথমবার রাজ্যে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    উন্নয়ন বনাম অত্যাচার

    রাজ্যে তৃণমূলের সিন্ডিকেট নিয়ে নিয়েও এদিন সরব ছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Cooch Behar)। তিনি বলেন, “এবার বাংলায় একদিকে তৃণমূলের ভয় রয়েছে, অন্যদিকে মোকাবিলা করার জন্য বিজেপির ভরসা রয়েছে। একদিকে তৃণমূলের কাটমানি রয়েছে, অন্যদিকে বিজেপির বিকাশের ভরসা। একদিকে অনুপ্রবেশকারী সমস্যা, অন্যদিকে সমস্ত অনুপ্রবেশকারীদের সরানোর সংকল্প নিয়েছে বিজেপি। একদিকে সিন্ডিকেট রাজে সম্পত্তি হারানোর ভয় রয়েছে, অন্যদিকে রয়েছে বিজেপির উন্নয়ন। একদিকে সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর অত্যাচার, অন্যদিকে মহিলাদের অত্যাচার রুখতে মোদির গ্যারান্টি রয়েছে।” এদিন আইনের ওপর ভরসা রাখার কথা শোনা গেল প্রধানমন্ত্রীর গলায়। তিনি বলেন, “একদিকে বেকারত্ব রয়েছে অন্যদিকে সুশাসন রোজগারের দিশা রয়েছে। ভোটের দিন তৃণমূলের গুন্ডারা যতই ভয় দেখাক আপনাকে আইনের সাহায্য নিতে হবে। এবার ভোটে ভয় পালাবে। বিজেপি জিতবে। ৪ মে-র পর আইন নিজের কাজ করবে। বিজেপি বাংলার মানুষের জন্যেই আসরে নেমেছে। মহিলারা এরপর সঠিক বিচার পাবেন। গোটা দেশের মহিলারা বিজেপিকে বেছে নিয়েছে। বিজেপি মহিলাদের পাশে রয়েছে। তবে দেশের উন্নতির ভাগ বাংলায় আসে না। এবার বাংলার উন্নতি হবে।”

    অনুপ্রবেশকারীদের ঠাঁই! বাঙালি ঐতিহ্য

    পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে বলে বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Cooch Behar)। তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক বানিয়েছে তৃণমূল। আর এই অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতেই তৃণমূল এসআইআর-এর বিরোধিতা করছে। এর ফলে বাংলার মানুষের নিরাপত্তা বিপদের মুখে।” বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর অনুপ্রবেশকারীদের রোখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মোদি। বক্তৃতার শুরুতেই বাংলায় বলেছিলেন, “সবাইকে আমি নমস্কার জানাই।” তার পর একাধিক বার কাটা কাটা বাংলায় বক্তৃতা করতে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। কখনও তিনি বলেছেন, “বাংলায় এখন একটাই আওয়াজ, পাল্টানো দরকার।” কখনও বলেছেন, “জঙ্গলরাজের অন্ত হবে।” এই সূত্রেই প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, তৃণমূল তাদের ঘোষণাপত্রের নাম বাংলায় রাখেনি। মোদির কথায়, “তৃণমূল ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছে, যার নাম বাংলায় রাখেনি। বরং ইস্তাহার বলা হচ্ছে। ভেবে দেখুন কেমন ভাবে বাংলার পরিচয় বদলে দিচ্ছে।”

    তৃণমূলকে দুর্নীতি-তির 

    তৃণমূলের দুর্নীতির জন্যই পশ্চিমবঙ্গে ‘গ্রহণ নেমে এসেছে’ বলে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “অন্য রাজ্যগুলি এগিয়ে যাচ্ছে, আর বাংলাকে পিছনে ঠেলে দিয়েছে তৃণমূল। এখানে সরকারি চাকরির উপরেও তৃণমূলের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেছে। বাংলার যুবসমাজ জানে, এই সরকার কত বড় নিয়োগ দুর্নীতি করেছে। কারা এতে শামিল ছিল! তৃণমূলের নিজের মন্ত্রী, বিধায়ক। উপর থেকে নীচ পর্যন্ত গোটা তৃণমূল দুর্নীতিতে যুক্ত ছিল। কাটমানি, কমিশন আর দুর্নীতি করে যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছেলেখেলা করেছে এরা।”

    মা-বোনেদের ফার্স্ট চয়েস

    গত কয়েকটি নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, রাজ্যে মহিলাদের ভোট মূলত তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে। এ বার সেই ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাতে চায় পদ্মশিবির। সেই অঙ্ক মাথায় রেখেই কোচবিহারের সভায় ‘মা-বোনেদের’ বার্তা দেন মোদি। বলেন, “বিজেপি এলে মহিলারা স্বনির্ভর হবেন। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার মা-বোনেদের সব সুবিধা দিয়েছে। ৩ কোটি মহিলাকে লাখপতি বানিয়েছে। আমাদের সরকার লোকসভা এবং বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ দেওয়ার আইন এনেছে। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকেই এর সুবিধা মিলবে।” বিজেপি ‘মা-বোনেদের ফার্স্ট চয়েস’ বলেও জানান মোদি।

    মোদিতে মাতোয়ারা

    রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ হেলিকপ্টারে কোচবিহার বিমানবন্দরে পৌঁছন মোদি (PM Modi in Cooch Behar)। সেখান থেকে গাড়িতে চেপে রাসমেলার মাঠে সভায় পৌঁছন। বিমানবন্দর থেকে রাসমেলার মাঠ, প্রায় দেড় কিলোমিটারের রাস্তায় অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন দু’পাশে তাঁকে দেখার জন্য। নির্বাচন (Assembly Election 2026) ঘোষণা হওয়ার পরে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকেই প্রচার শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, ৪ মে-র পর বাংলায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবে। কোচবিহার এবং উত্তরবঙ্গের আর অন্যায় হবে না। এটা মোদির গ্যারান্টি।

  • Suvendu Adhikari: তাঁর ওপর নজর রাখছে সাদা পোশাকের পুলিশ! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর, কমিশকে দিলেন চিঠি

    Suvendu Adhikari: তাঁর ওপর নজর রাখছে সাদা পোশাকের পুলিশ! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর, কমিশকে দিলেন চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের নির্বাচনে (Bengal Elections 2026) হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর (Bhabanipur Assembly Constituency)। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে ভবানীপুরে বিজেপির বাজি শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দুই হেভিওয়েটের মুখোমুখি লড়াইয়ে (Suvendu vs Mamata) ভোট যত এগোচ্ছে, ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। শুভেন্দুর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) উপস্থিতি এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও তীব্র করেছে।

    অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক

    এই আবহেই নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর তোলা এক গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। রবিবার তিনি ইমেলের মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, ভবানীপুরে বাড়ি বাড়ি প্রচারের সময় সাদা পোশাকের পুলিশকর্মীরা তাঁকে অনুসরণ করছেন, তাঁর উপর নজরদারি চালাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, যেসব সাধারণ ভোটার তাঁর সঙ্গে দেখা করছেন বা কথা বলছেন, তাঁদের নাম, ঠিকানা ও পরিচয় নথিভুক্ত করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।

    ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ

    শুভেন্দুর মতে, এই ধরনের পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হতে পারে ভবিষ্যতে ওই ভোটারদের ভয় দেখানো। তাঁর বক্তব্য, “যাঁরা সাহস করে আমার সঙ্গে দেখা করছেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং ভোটারদের উপর পরোক্ষে চাপ সৃষ্টি করার কৌশল।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভবানীপুরে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং কলকাতা পুলিশকে শাসকদল তাদের ‘নজরদারি বাহিনী’ হিসেবে ব্যবহার করছে। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পথে বড় বাধা।

    সমাজমাধ্যমে সরব শুভেন্দু

    এই অভিযোগের সমর্থনে নিজের সমাজমাধ্যমেও একটি বিস্তারিত পোস্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি লেখেন, “ভবানীপুরে আক্রান্ত গণতন্ত্র। কলকাতা পুলিশকে তৃণমূল ব্যক্তিগত নজরদারি বাহিনী হিসেবে বেপরোয়াভাবে ব্যবহার করছে।” তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ প্রচারের সময় তাঁকে অনুসরণ করা হয়েছে এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করা প্রতিটি ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি রাষ্ট্র-পৃষ্ঠপোষকতায় ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে একটি বড় বাধা বলে দাবি ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থীর। যদিও এই সব কৌশল আর কাজ করবে না বলে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “এই ধরনের কৌশল আর কাজ করবে না। রাজ্যে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্যের দিন শেষের পথে। ভবানীপুরের ভোটাররা এর উপযুক্ত জবাব দেবেন।”

    ছবি প্রকাশ শুভেন্দুর, নজর কমিশনের দিকে

    উল্লেখযোগ্যভাবে, শুভেন্দু অধিকারী দু’জন ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছেন, যাঁদের তিনি পুলিশকর্মী বলে দাবি করেছেন। তাঁদের নাম, পদ এবং সংশ্লিষ্ট থানার তথ্যও তিনি উল্লেখ করেছেন। যদিও এই ছবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য প্রশাসন বা কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়ছে। এখন নজর রয়েছে নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

  • Blood Pressure in Summer: গরমে বাড়ছে রক্তচাপ! কীভাবে এই আবহাওয়ায় স্বাভাবিক থাকবেন?

    Blood Pressure in Summer: গরমে বাড়ছে রক্তচাপ! কীভাবে এই আবহাওয়ায় স্বাভাবিক থাকবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বেলা বাড়তেই রোদের দাপট বাড়ছে। চৈত্র মাসের শেষ জানান দিচ্ছে, চলতি বছর গরমের প্রকোপ বাড়বে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, তীব্র রোদ আর অস্বস্তিকর আবহাওয়া শরীরে গভীর প্রভাব ফেলবে। বিশেষত, রক্তচাপ নিয়ে বাড়তি দুশ্চিন্তা থাকছে। গরমে বাড়তে পারে রক্তচাপ। কমবয়সী থেকে প্রৌঢ়, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। এই আবহাওয়া তাঁদের জন্য যেমন বাড়তি সমস্যা তৈরি করতে পারে, তেমনি হঠাৎ করেই রক্তচাপ উর্ধ্বমুখী হয়ে, অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। তাই বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন গরমে রক্তচাপ বাড়ে?

    • চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার সঙ্গে শরীরের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষত তাপমাত্রার পরিবর্তনে শরীরে গভীর প্রভাব পড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, গরমে ঘাম হয়। এর ফলে শরীরে জলের পরিমাণ কমে যায়। শরীরে অতিরিক্ত পরিমাণ জল কমে গেলে,রক্ত ঘন হয়ে যায়। তখন রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
    • গরমে অস্বস্তি বাড়ে। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতাও বাড়ে। তাই রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
    • গরমের ঘাম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া মানসিক চাপ বাড়ায়। স্ট্রেস হরমোনের সঙ্গে শরীরের রক্তচাপের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই স্ট্রেস বাড়লেই রক্তচাপ উর্ধ্বমুখী হয়।
    • গরমে সাময়িক আরাম পেতে অনেকেই বারবার প্যাকেটজাত পানীয় খায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ধরনের পানীয়তে প্রচুর পরিমাণে লবন, মিষ্টি এবং নানান প্রক্রিয়াজাত পদার্থ থাকে। এগুলি রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।

    হঠাৎ রক্তচাপ বাড়লে কী বিপদ হতে পারে?

    • চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হঠাৎ করেই রক্তচাপ বেড়ে গেলে শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। হৃদপিণ্ডের ওপরে সরাসরি প্রভাব পড়ে। হৃদরোগের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
    • হঠাৎ রক্তচাপ বেড়ে গেলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরমে স্ট্রোকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ে। তার নেপথ্যে থাকে হঠাৎ করেই রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া।
    • রক্তচাপ বাড়লে চোখের ওপরে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, রক্তচাপ হঠাৎ বাড়লে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায়।
    • তাছাড়া রক্তচাপ বাড়লে কিডনির উপরেও বাড়তি চাপ পড়ে। কিডনির কার্যকারিতা কমে। তাছাড়া বমি, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যাও হতে পারে।

    কীভাবে এই আবহাওয়ায় রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখবন?

    • চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুক্তভোগীদের এই আবহাওয়ায় নিয়মিত রক্তচাপ মাপা জরুরি।
    • নিয়মিত পরীক্ষা করলে তাঁদের রক্তচাপ কতখানি ওঠানামা করছে, সেটা স্পষ্ট বোঝা যাবে। ফলে, আগাম সতর্কতা নেওয়া সহজ হবে। বড় বিপদ এড়ানো‌ যাবে।
    • লাগাতার প্রচন্ড মাথা যন্ত্রণা, বমি ভাব, শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে রক্তচাপ পরীক্ষা করা জরুরি।
    • গরমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমাতে হবে। তবে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে। আরামের জন্য প্যাকেটজাত পানীয় নয়। ডাবের জল, টক দইয়ের সরবত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।
    • অতিরিক্ত লবন দেওয়া খাবার নয়, প্রক্রিয়াজাত খাবার নয়। বরং নিয়মিত খাবারের তালিকায় সব্জি, ফল রাখা জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এতে অস্বস্তি কমবে। রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে।
    • রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত আট ঘণ্টা ঘুমোলে স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও কমবে।
    • রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত আধ ঘন্টা হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত হাঁটলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। স্নায়ু ঠিকমতো কাজ করে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 06 April 2026: নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ আসবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 06 April 2026: নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ আসবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) নতুন দায়িত্ব নিতে হতে পারে।
    ২) কারও সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি মিটবে।
    ৩) নিজের কাজে ফোকাস রাখুন।

    বৃষ
    ১) হঠাৎ খরচ বাড়তে পারে।
    ২) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালে ভালো লাগবে।
    ৩) ধীরে চলাই আজ সেরা সিদ্ধান্ত।

    মিথুন
    ১) কোনও পুরনো কাজ শেষ হবে।
    ২) নতুন পরিচয় থেকে লাভ হতে পারে।
    ৩) তাড়াহুড়ো করলে ভুল হতে পারে।

    কর্কট
    ১) মন একটু অস্থির থাকতে পারে।
    ২) প্রিয়জনের কাছ থেকে সমর্থন পাবেন।
    ৩) বিশ্রাম নিলে উপকার পাবেন।

    সিংহ
    ১) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ আসবে।
    ২) কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পেতে পারেন।
    ৩) অহেতুক ঝামেলা এড়িয়ে চলুন।

    কন্যা
    ১) পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগোবে।
    ২) আর্থিক দিক মোটামুটি ভালো থাকবে।
    ৩) ছোটখাটো সমস্যায় বিচলিত হবেন না।

    তুলা
    ১) সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে।
    ২) নতুন কিছু শেখার আগ্রহ বাড়বে।
    ৩) সময়ের সঠিক ব্যবহার করুন।

    বৃশ্চিক
    ১) গোপন কোনও বিষয় সামনে আসতে পারে।
    ২) ধৈর্য ধরে কাজ করলে সাফল্য পাবেন।
    ৩) আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

    ধনু
    ১) নতুন পরিকল্পনা মাথায় আসবে।
    ২) ভ্রমণের সুযোগ পেতে পারেন।
    ৩) খরচ একটু সামলে চলুন।

    মকর
    ১) কাজে স্থিরতা বজায় থাকবে।
    ২) ঊর্ধ্বতনদের সাহায্য পেতে পারেন।
    ৩) পরিবারের দিকে নজর দিন।

    কুম্ভ
    ১) নতুন সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।
    ২) বন্ধুর সাহায্যে কাজ এগোবে।
    ৩) স্বাস্থ্য ভালো রাখার চেষ্টা করুন।

    মীন
    ১) আবেগপ্রবণ হয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
    ২) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় ভালো কাটবে।
    ৩) দিন শেষে স্বস্তি পাবেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 616: “কি রকম ভক্ত আছে গো? ‘গোপাল!’ ‘গোপাল!’ যারা বলেছিল, সেইরকম ভক্ত নাকি?”

    Ramakrishna 616: “কি রকম ভক্ত আছে গো? ‘গোপাল!’ ‘গোপাল!’ যারা বলেছিল, সেইরকম ভক্ত নাকি?”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    ভক্তসঙ্গে — শুধু পাণ্ডিত্যে কি আছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— বঙ্কিম তোমাদের একজন পণ্ডিত। বঙ্কিমের সঙ্গে দেখা হয়েছিল — আমি জিজ্ঞাসা করলুম, মানুষের কর্তব্য কি? তা বলে (Kathamrita), ‘আহার, নিদ্রা আর মৈথুন।’ এই সকল কথাবার্তা শুনে আমার ঘৃণা হল। বললুম যে, তোমার এ কিরকম কথা! তুমি তো বড় ছ্যাঁচ্‌ড়া। যা সব রাতদিন চিন্তা করছো, কাজে করছো, তাই আবার মুখ দিয়ে বেরুচ্চে। মূলো খেলেই মূলোর ঢেঁকুর উঠে। তারপর অনেক ঈশ্বরীয় কথা হল। ঘরে সংকীর্তন হল। আমি আবার নাচলুম। তখন বলে, মহাশয়! আমাদের ওখানে একবার যাবেন। আমি বললুম, সে ঈশ্বরের ইচ্ছা। তখন বলে, আমাদের সেখানেও ভক্ত আছে, দেখবেন। আমি হাসতে হাসতে বললুম, কি রকম ভক্ত আছে গো? ‘গোপাল!’ ‘গোপাল!’ যারা বলেছিল, সেইরকম ভক্ত নাকি?

    ডাক্তার — ‘গোপাল!’ ‘গোপাল।’ সে ব্যাপারটা কি?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— একটি স্যাকরার দোকান ছিল। বড় ভক্ত, পরম বৈষ্ণব — গলায় মালা, কপালে তিলক, হস্তে হরিনামের মালা। সকলে বিশ্বাস করে ওই দোকানেই আসে, ভাবে এরা পরমভক্ত, কখনও ঠকাতে যাবে না। একদল খদ্দের এলে দেখত কোনও কারিগর বলছে ‘কেশব!’ ‘কেশব!’ আর-একজন কারিগর খানিক পরে নাম করছে ‘গোপাল!’ ‘গোপাল!’ আবার খানিকক্ষণ পরে একজন কারিগর বলছে, ‘হরি’, ‘হরি’, তারপর কেউ বলছে ‘হর; হর!’ কাজে কাজেই এত ভগবানের নাম দেখে খরিদ্দারেরা সহজেই মনে করত, এ-স্যাকরা অতি উত্তম লোক। — কিন্তু ব্যাপারটা কি জানো? যে বললে, ‘কেশব, কেশব!’ তার মনের ভাব, এ-সব (খদ্দের) কে? যে বললে ‘গোপাল! গোপাল!’ তার অর্থ এই যে আমি এদের চেয়ে চেয়ে দেখলুম, এরা গরুর পাল। (হাস্য)

    যে বললে ‘হরি হরি’ — তার অর্থ এই যে, যদি গরুর পাল(Kathamrita), তবে হরি অর্থাৎ হরণ করি। (হাস্য) যে বললে, ‘হর হর!’ — তার মানে এই — তবে হরণ কর, হরণ কর; এরা তো গরুর পাল! (হাস্য)

  • Jan Vishwas Bill 2026: সংসদে পাশ হয়ে গেল ‘জন বিশ্বাস বিল’, কী আছে এতে?

    Jan Vishwas Bill 2026: সংসদে পাশ হয়ে গেল ‘জন বিশ্বাস বিল’, কী আছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘জন বিশ্বাস’ বিলের (Jan Vishwas Bill 2026) কেন্দ্রে রয়েছে ভারতের নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে পুনর্গঠনের এক উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ। এই আইন ৭৯টি কেন্দ্রীয় আইনে ছড়িয়ে থাকা ১০০০-এরও বেশি অপরাধকে যৌক্তিকীকরণ এবং ৭১৭টি বিধানকে অপরাধমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েছে (Parliament)। এই বিধানগুলির অনেকই ছিল ছোটখাটো প্রক্রিয়াগত ত্রুটি সম্পর্কিত, যেগুলির জন্য প্রায়ই ফৌজদারি মামলা, এমনকি কারাদণ্ডও হতে পারত।

    আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক (Jan Vishwas Bill 2026)

    এই সংস্কারের মাধ্যমে সরকার প্রযুক্তিগত বা তেমন গুরুতর নয় এমন নিয়ম লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ফৌজদারি দায়বদ্ধতার ভয় দূর করতে চেয়েছে। এর পরিবর্তে একটি নতুন কাঠামো আনা হয়েছে, যা গুরুতর অপরাধ এবং ছোটখাটো নিয়মভঙ্গের মধ্যে পার্থক্য করে এবং অপরাধের প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শাস্তি নিশ্চিত করে। সরকারি আধিকারিকরা একে “ইনস্পেক্টর রাজ” মানসিকতা থেকে সরে এসে একটি সহায়ক প্রশাসনিক ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হওয়া হিসেবে বর্ণনা করছেন, যেখানে জোরজবরদস্তির বদলে বিশ্বাসের মাধ্যমে নিয়ম মানতে উৎসাহ দেওয়া হয়। এই আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল অপরাধীকরণ থেকে নিয়ম-মানার দিকে স্পষ্ট পরিবর্তন। পূর্ববর্তী ব্যবস্থায় নথিপত্র জমা দিতে দেরি করা বা কিছু রেকর্ড সংরক্ষণে ব্যর্থ হওয়ার মতো ছোটখাটো ভুলের জন্যও ফৌজদারি শাস্তি, এমনকি কারাদণ্ডও হতে পারত।

    সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী খাত

    নয়া ব্যবস্থায় এসবের পরিবর্তে ধাপে ধাপে আর্থিক জরিমানা এবং প্রশাসনিক বিচার প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। ফলে ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আর ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি না হয়ে অপরাধের গুরুত্ব ও পুনরাবৃত্তির ওপর ভিত্তি করে কেবল আর্থিক জরিমানা দিতে হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রক  জানিয়েছে, এই পরিবর্তনের ফলে অপ্রয়োজনীয় মামলার সংখ্যা কমবে, হ্রাস পাবে আদালতের ওপর চাপও। একই সঙ্গে গুরুতর অপরাধ, বিশেষ করে জনস্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলিতে কঠোর শাস্তি বহাল থাকবে। এই সংস্কারের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী খাতগুলির একটি হল স্বাস্থ্যসেবা খাত। জন বিশ্বাস বিলের আওতায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আইন সংশোধন করা হয়েছে, যেমন—ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট, ১৯৪০, ফার্মেসি অ্যাক্ট, ১৯৪৮, ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্ট, ২০০৬,  ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্টস অ্যাক্ট, ২০১০,  এবং ন্যাশনাল কমিশন ফর অ্যালায়েড অ্যান্ড হেলথকেয়ার প্রফেশনস অ্যাক্ট, ২০২১ (Jan Vishwas Bill 2026)।

    বিলটির আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য

    নয়া কাঠামোর অধীনে রেকর্ড সংরক্ষণে ত্রুটি, প্রক্রিয়াগত বিলম্ব বা ছোটখাটো নিয়ন্ত্রক লঙ্ঘনের মতো (Parliament) অপরাধগুলি, যেগুলির জন্য আগে জরিমানা বা কারাদণ্ড হতে পারত, এখন সুশৃঙ্খল দেওয়ানি জরিমানার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। এতে ছোট ও মাঝারি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী, ফার্মেসি এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা বড় ধরনের স্বস্তি পাবেন। একই সময়ে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান বহাল থাকবে, যাতে রোগীর নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের মান বজায় থাকে। বিলটির আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল বিভিন্ন আইনে একটি আনুষ্ঠানিক বিচার কাঠামোর প্রবর্তন। প্রথমবারের মতো কেন্দ্র ও রাজ্য স্তরে নিযুক্ত বিচারিক কর্তারা আধা-বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ছোটখাটো মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা পাবেন।

    ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ

    এই ব্যবস্থায় কারণ দর্শানোর নোটিশ, ব্যক্তিগত শুনানির সুযোগ এবং একটি সুনির্দিষ্ট আপিল ব্যবস্থা থাকবে। ফলে যথাযথ প্রক্রিয়া বজায় রেখে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি সম্ভব হবে (Jan Vishwas Bill 2026)। সরকার মনে করে, এই ব্যবস্থা বিশেষ করে ওষুধ ও প্রসাধনী শিল্পের জন্য উপকারী হবে, যেখানে নিয়মকানুন অনেক এবং ছোটখাটো ভুল হওয়া স্বাভাবিক। আদালতের বদলে প্রশাসনিকভাবে এসব সমস্যা সমাধান করলে সময় ও সম্পদ উভয়ই সাশ্রয় হবে। জন বিশ্বাস বিল শুধুমাত্র একটি খাত বা মন্ত্রকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি ২৩টি মন্ত্রকের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ সংস্কার উদ্যোগ। এই বহুমন্ত্রক-ভিত্তিক পদ্ধতির লক্ষ্যই হল নিয়ন্ত্রক কাঠামোর মধ্যে সামঞ্জস্য আনা এবং আইনগুলির মধ্যে দ্বন্দ্ব বা পুনরাবৃত্তি দূর করা, যাতে একটি স্থিতিশীল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয় (Parliament)।

    বিলের সুবিধা

    এই সমন্বয় স্বাস্থ্য, ফার্মাসিউটিক্যাল, বাণিজ্য ও শিল্প-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সামগ্রিক প্রভাব ফেলবে। এই আইনের বৃহত্তর লক্ষ্য হল ব্যবসা পরিচালনা সহজ এবং জীবনযাত্রার সহজ বৃদ্ধি করা। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি ব্যবসার ক্ষেত্রে ছোটখাটো নিয়মভঙ্গের জন্য ফৌজদারি মামলার ভয় দীর্ঘদিন ধরে একটি বড় বাধা হয়ে ছিল (Jan Vishwas Bill 2026)। এই ভয় দূর করে সরকার উদ্যোক্তা সৃষ্টি, নিয়ম মানার হার বৃদ্ধি এবং স্বেচ্ছায় নিয়ম অনুসরণের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চায়। নাগরিকদের জন্যও এটি আইনি জটিলতা কমাবে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক কম খারাপ করবে। বিশ্বাসভিত্তিক প্রশাসনের ওপর জোর দেওয়া সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির একটি পরিবর্তন নির্দেশ করে—যেখানে কঠোর প্রয়োগের বদলে সহযোগিতা ও সহায়তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় (Jan Vishwas Bill 2026)।  এই সংস্কারের একটি বড় প্রত্যাশিত ফল হল মামলা কমে যাওয়া। বর্তমানে আদালতগুলিতে অনেক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে অনেকই ছোটখাটো নিয়ন্ত্রক লঙ্ঘন সম্পর্কিত। এসব মামলা বিচারব্যবস্থার বাইরে এনে প্রশাসনিকভাবে সমাধান করলে বিচারদান দ্রুত হবে এবং আদালতের সম্পদের কার্যকর ব্যবহার সম্ভব হবে।

    বিলটির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই সংস্কার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির মধ্যে বিশ্বাস তৈরি করতে চায়। ব্যবসা ও পেশাজীবীদের অপরাধী নয়, বরং অংশীদার হিসেবে দেখার মাধ্যমে একটি সহযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য (Parliament)। ২০২৬ সালের জন বিশ্বাস (বিধান সংশোধন) বিল ভারতের নিয়ন্ত্রক দর্শনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছে। এটি ভয়ভিত্তিক নিয়মপালন থেকে বিশ্বাস, স্বচ্ছতা ও সামঞ্জস্যভিত্তিক ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। যদিও এই সংস্কারের সাফল্য বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে, তবে এর উদ্দেশ্য স্পষ্ট। ছোটখাটো অপরাধকে অপরাধমুক্ত করা, দ্রুত বিচার ব্যবস্থা চালু করা এবং বিভিন্ন খাতে আইনগুলির সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে সরকার একটি আধুনিক নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তুলতে চায়। সংক্ষেপে, এই বিল শুধু শাস্তি কমানোর বিষয়ে নয়, বরং রাষ্ট্র ও নাগরিকদের সম্পর্ককে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার একটি প্রচেষ্টা। এটি কতটা সফল হবে তা ভবিষ্যতে বোঝা যাবে, তবে আপাতত এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ সংস্কার উদ্যোগ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে (Jan Vishwas Bill 2026)।

     

  • US Iran War: “উই গট হিম”, নিখোঁজ যুদ্ধবিমানের ক্রু-সদস্যকে উদ্ধারের পর মন্তব্য ট্রাম্পের

    US Iran War: “উই গট হিম”, নিখোঁজ যুদ্ধবিমানের ক্রু-সদস্যকে উদ্ধারের পর মন্তব্য ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উই গট হিম।” রবিবার এমনই মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US Iran War)। “দুঃসাহসিক” অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে নিখোঁজ এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের এক ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ট্রাম্পের মতে, এই উদ্ধার সম্ভব হয়েছে, কারণ মার্কিন সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রে সজ্জিত ডজনখানেক বিমান মোতায়েন করেছিল (Donald Trump)। শুক্রবার ইরান একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—দুই আসনের এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল—ভূপাতিত করে, যাতে একজন পাইলট এবং একজন অস্ত্রব্যবস্থা আধিকারিক ছিলেন। পাইলটকে উদ্ধার করা গেলেও, ওই আধিকারিক নিখোঁজ ছিলেন।

    ট্রাম্পের পোস্ট (US Iran War)

    নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে এক দীর্ঘ পোস্টে ট্রাম্প জানান, নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর ওই বিমানসেনাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, “আমার নির্দেশে, মার্কিন সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রে সজ্জিত ডজনখানেক বিমান পাঠায় তাঁকে উদ্ধার করতে। তিনি জখম হয়েছেন। তবে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।” আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শতাধিক বিশেষ অভিযান বাহিনীর সদস্য এই উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন। তাঁরা ইরানের গভীরে প্রবেশ করে বিমানসেনাকে উদ্ধার করে এবং তাঁকে নিরাপদে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে (US Iran War)।

    “অলৌকিক” অভিযান

    এই নাটকীয় অভিযানটি অন্ধকারে শুরু হয়ে দিনের আলোয় শেষ হয়, তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী পুরোপুরি এগোয়নি। মাঝপথে গোলাগুলি শুরু হয়, আর সেই সংঘর্ষের মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ওই বিমানসেনাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, দুদিনব্যাপী এই অভিযানে শতাধিক বিশেষ বাহিনী অংশ নিয়েছিল। মার্কিন বিমানগুলি বোমা বর্ষণ ও গুলি চালিয়ে ইরানি বাহিনীকে দূরে রেখে দিয়েছিল (Donald Trump)। এই উদ্ধার অভিযানটিকে ট্রাম্প “অলৌকিক” আখ্যা দিয়েছেন। এটি ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা অঞ্চলের গভীরে, ক্ষেপণাস্ত্র ও রাডার হুমকির মধ্যে পরিচালিত হয়। এদিন মার্কিন বাহিনী ব্যবহার করেছিল এইচএইচ-৬০ ডাব্লু জলি গ্রিন ২ উদ্ধার হেলিকপ্টার, এ-১০ ওয়ারথগ আক্রমণ বিমান, এইচসি-১৩০ মাঝ-আকাশ ট্যাঙ্কার, এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান, বিশেষ বাহিনী, কমব্যাট সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ ইউনিট। এর মধ্যে জলি গ্রিন-২ কপ্টারটি এই অভিযানের প্রধান শক্তি হিসেবে পরিচিত। এটি আধুনিক সেন্সর, দীর্ঘ পাল্লা, এবং যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত উদ্ধার সক্ষমতা নিয়ে তৈরি (US Iran War)।

    সিআইএর কৌশল

    এক্সিয়সের (Axios) তথ্য অনুযায়ী, পাইলটকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার করা হয়। তবে ওই সময় ইরান একটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারে আঘাত হানে, যার জেরে কিছু ক্রু সদস্য জখম হন। অস্ত্রব্যবস্থা আধিকারিককে খুঁজে পেতে এক দিনেরও বেশি সময় লাগে (Donald Trump)। জানা গিয়েছে, ওই আধিকারিককে খুঁজে পাওয়ার আগে সিআইএ একটি বিভ্রান্তিমূলক প্রচার চালায়। তারা জানিয়ে দেয়, ওই আধিকারিককে ইতিমধ্যেই খুঁজে পাওয়া গিয়েছে এবং স্থলপথে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সিআইএ উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁকে খুঁজে বের করেছে এবং তাঁর সঠিক অবস্থান হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের সঙ্গে শেয়ার করে। এরপর দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

    কেমন আছেন উদ্ধার হওয়া ক্রু সদস্য

    ট্রাম্প বলেন, “উদ্ধার হওয়া ক্রু সদস্য একজন অত্যন্ত সম্মানিত কর্নেল। তিনি এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ। এই সাহসী যোদ্ধা শত্রু এলাকার বিপজ্জনক পাহাড়ে ছিলেন, শত্রুরা তাঁকে খুঁজছিল, কিন্তু তিনি কখনও একা ছিলেন না। ২৪ ঘণ্টা তাঁর অবস্থান নজরদারিতে ছিল এবং তাকে উদ্ধারের পরিকল্পনা চলছিল (US Iran War)।” তিনি আরও জানান, শনিবার আর একজন পাইলটকেও উদ্ধার করা হয়েছে।  এটি প্রথমে গোপন রাখা হয়েছিল। ট্রাম্পের দাবি, ইতিহাসে প্রথমবার দুজন মার্কিন পাইলটকে শত্রু অঞ্চলের কোর এলাকা থেকে আলাদা আলাদাভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। কোনও মার্কিন সেনা নিহত বা গুরুতর জখম হননি। এটি মার্কিন আকাশ আধিপত্যের প্রমাণ। এদিকে, ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিখোঁজ বিমানসেনাকে জীবিত ধরিয়ে দিলে প্রায় ৬৬,০০০ মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে (Donald Trump)।

    ইরানের রেভলিউশনারি গার্ডের দাবি, একটি মার্কিন অনুসন্ধান বিমান ধ্বংস করা হয়েছে, ইসফাহানের দক্ষিণে সি-১৩০ পরিবহণ বিমান ও দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ভূপাতিত হয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে একটি ইজরায়েলি ড্রোনও। তাদের আরও দাবি, উদ্ধার অভিযান ব্যর্থ হয়েছে এবং অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন (US Iran War)।

     

  • UP ATS Arres: ভেস্তে গেল উত্তরপ্রদেশে রেল নাশকতার বড় ছক, এটিএসের জালে ৪ জেহাদি, কী ছিল তাদের পরিকল্পনা?

    UP ATS Arres: ভেস্তে গেল উত্তরপ্রদেশে রেল নাশকতার বড় ছক, এটিএসের জালে ৪ জেহাদি, কী ছিল তাদের পরিকল্পনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়সড় সাফল্য অর্জন করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (UP ATS Arres)। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রেললাইন ও ট্রেনে (Railway) নাশকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগে ৪ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা বড় ধরনের রেল বিপর্যয় এবং অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে রাজ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর নীল নকশা তৈরি করেছে।

    রেললাইন উপড়ে ফেলার পরিকল্পনা (UP ATS Arres)

    তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, অভিযুক্তরা উত্তরপ্রদেশের ব্যস্ততম রেল (Railway) রুটগুলোতে (UP ATS Arres) নাশকতার লক্ষ্য স্থির করেছিল। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে রেললাইনের ফিশপ্লেট খুলে ফেলা বা লাইনে বড় কোনও বাধা সৃষ্টি করে ট্রেন লাইনচ্যুত (Derailment) করার পরিকল্পনা ছিল তাদের।

    ট্রেনে অগ্নিসংযোগ ও আইইডি (IED) ব্যবহার

    এটিএস জানিয়েছে, ধৃতেরা ট্রেনের (Railway) সাধারণ কামরায় বা ভিড় এলাকায় আগুন লাগিয়ে দেওয়ার (Arson) পরিকল্পনা করেছিল।  এছাড়া, জনবহুল রেল স্টেশনে (Railway) আইইডি বা বিস্ফোরক ব্যবহার করে বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রস্তুতিও তারা নিচ্ছিল। ধৃতেরা অনলাইনে বিভিন্ন উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সংস্পর্শে ছিল। তারা বিভিন্ন এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত এবং নাশকতার বিষয়ে আলোচনাও করত। রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।

    টার্গেট ছিল গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন

    গোয়েন্দা রিপোর্টে জানা গিয়েছে, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস বা রাজধানী এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলি (Railway) তাদের নিশানায় (UP ATS Arres) ছিল। বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের নজর আকর্ষণ করতে চেয়েছিল এই চক্রটি।

    এটিএসের পদক্ষেপ

    অভিযুক্তদের ডেরা থেকে বেশ কিছু আপত্তিকর নথিপত্র, ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং পুস্তিকা উদ্ধার করা হয়েছে। ইউপি এটিএস এই চক্রের শেকড় কতদূর বিস্তৃত, তা জানতে ধৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জেরা শুরু করেছে। মনে করা হচ্ছে, এর পেছনে কোনও আন্তঃসীমান্ত বা বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের মদত থাকতে পারে। রেল বিভাগ (UP ATS Arres) এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ইতিমধ্যে রাজ্যের সমস্ত সংবেদনশীল রেল স্টেশন ও ট্র্যাকগুলিতে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দিয়েছে।

  • Crude Oil: সাত বছর পর ফের ইরান থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি শুরু করল ভারত

    Crude Oil: সাত বছর পর ফের ইরান থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি শুরু করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কার মাঝেই দীর্ঘ সাত বছর পর ইরান থেকে ফের অপরিশোধিত তেল (Crude Oil) আমদানি শুরু করল ভারত। ২০১৯ সালে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক ২০২৬ সালের এপ্রিলে এসে নতুন করে প্রাণ (Iran-India) ফিরে পেল।

    নিষেধাজ্ঞার পর প্রথম পদক্ষেপ (Crude Oil)

    ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস (Crude Oil) মন্ত্রক শনিবার (৪ এপ্রিল, ২০২৬) নিশ্চিত করেছে যে, ভারতীয় রিফাইনারিগুলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে সৃষ্ট সরবরাহ সঙ্কট মেটাতে ইরান (Iran-India)  থেকে তেল সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মে ২০১৯-এর পর এটিই প্রথম সরকারিভাবে স্বীকৃত তেলের চালান।

    পেমেন্ট বা মূল্য পরিশোধে নেই কোনও বাধা

    ভারত সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ইরানের (Crude Oil) সঙ্গে এই লেনদেনের ক্ষেত্রে পেমেন্ট বা অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত কোনও সমস্যা নেই। এর আগে কিছু সংবাদে দাবি করা হয়েছিল যে পেমেন্ট সমস্যার কারণে একটি জাহাজ চিন (Iran-India) অভিমুখে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তবে সরকার সেই খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

    আমেরিকার নমনীয় অবস্থান

    জানা গিয়েছে, বিশ্ববাজারে তেলের জোগান (Crude Oil)  স্বাভাবিক রাখতে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে। ওয়াশিংটনের এই গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার পরই ভারত (Iran-India) এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    এলপিজি সরবরাহ

    অপরিশোধিত তেলের পাশাপাশি ভারত ৪৪,০০০ মেট্রিক টন ইরানি এলপিজি (LPG)-ও আমদানি করেছে। ‘সি বার্ড’ নামক একটি ট্যাঙ্কারে করে এই চালানটি ম্যাঙ্গালোর বন্দরে এসে পৌঁছেছে।

    জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা

    ভারত বর্তমানে বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে তেল আমদানি করে। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আগামী মাসগুলিতে ভারতের জ্বালানির (Iran-India) প্রয়োজনীয়তা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত এবং ভারতীয় কোম্পানিগুলির কাছে বাণিজ্যিক সুবিধার ভিত্তিতে বিভিন্ন উৎস থেকে তেল কেনার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।

    মধ্যপ্রাচ্যে যে অস্থিরতা চলছে তার প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালীতে (Crude Oil) জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় ভারত তার জ্বালানি সরবরাহের উৎসগুলি বৈচিত্র্যময় করার চেষ্টা করছে। রাশিয়ার পর এবার ইরানের বাজারের দিকেও ভারত ঝুঁকছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত।

    খুন-জখম-রাহাজানি (Hindus Under Attack)

    খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ২৯ মার্চ থেকে ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই এই প্রচেষ্টা।

    খবরে কর্নাটক

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। ফের বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। দিন কয়েক আগে তিনি প্রকাশ্যে বলেন, তিনি উগাদি এবং মহাশিবরাত্রির মতো পবিত্র হিন্দু উৎসবের দিনেও আমিষ খাবার খান। বিধানসভায় বাজেট আলোচনার জবাবে দেওয়া এই বক্তব্য শাসক দলের হিন্দু প্রথার প্রতি অবহেলার বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে।  সেখানে এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি ভুয়ো হিন্দু পরিচয়ে ইনস্টাগ্রামে তার সঙ্গে পরিচয় করে, তাকে ধর্ষণ করে, ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে। শুধু তা-ই নয়, পরে তাঁকে ধর্মান্তরিত হয়ে নমাজ আদায়ের জন্য চাপ দেয়। অভিযুক্ত শাদাব ‘আদিত্য’ নাম নিয়ে করে প্রতারণা করেছিল (Hindus Under Attack)।

    উদ্বেগজনক ঘটনা

    ধারওয়াড়ের মারাঠা কলোনিতে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে একজন ইসলামপন্থী জিম প্রশিক্ষক মোহাম্মদ সাবিরের বিরুদ্ধে হিন্দু মহিলাদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং বজরং দল কর্মীরা প্রতিবাদ হিসেবে জিমটি বন্ধ করে দেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে (Roundup Week)। উত্তরপ্রদেশের হাপুরে মেঘালয় থেকে আসা এক তরুণীর অভিযোগ, স্থানীয় এক মুসলিম যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে, ব্ল্যাকমেল করেছে এবং অশ্লীল ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুনে জেলার মাঞ্চারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে একটি ঐতিহাসিক ‘বারাভ’ (ধাপ কূপ, যা স্থানীয়দের মতে পাণ্ডব যুগের এবং ১২শ শতকে পুনর্নির্মিত) তা ওয়াকফ বোর্ডের নথি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। চলছে পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে ধীরে ধীরে মুছে ফেলার প্রয়াস (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবস্থাগত নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হিন্দুর দেহ

    চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলায় একটি মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় বছর পঞ্চাশের স্বপন দাসের মৃতদেহ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে মিলল তাঁর দেহ। তিনি পটিয়া উপজেলার পূর্ব ডেঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ২৭ মার্চ সকাল ১০টার দিকে নিখোঁজ হন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২৮ মার্চ বিকেলে তাঁর দেহের হদিশ মেলে (Hindus Under Attack)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা চালিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলি প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দুবিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে উৎসাহিত করে (Roundup Week)।

    এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি একটি উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত মনে হলেও, আদতে এটি বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় হিন্দু উৎসবগুলির ওপর একতরফা বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্তে (Hindus Under Attack)।

     

LinkedIn
Share