Blog

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত।

    খুন-জখম-রাহাজানি (Hindus Under Attack)

    খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ২৯ মার্চ থেকে ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই এই প্রচেষ্টা।

    খবরে কর্নাটক

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। ফের বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। দিন কয়েক আগে তিনি প্রকাশ্যে বলেন, তিনি উগাদি এবং মহাশিবরাত্রির মতো পবিত্র হিন্দু উৎসবের দিনেও আমিষ খাবার খান। বিধানসভায় বাজেট আলোচনার জবাবে দেওয়া এই বক্তব্য শাসক দলের হিন্দু প্রথার প্রতি অবহেলার বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে।  সেখানে এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি ভুয়ো হিন্দু পরিচয়ে ইনস্টাগ্রামে তার সঙ্গে পরিচয় করে, তাকে ধর্ষণ করে, ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে। শুধু তা-ই নয়, পরে তাঁকে ধর্মান্তরিত হয়ে নমাজ আদায়ের জন্য চাপ দেয়। অভিযুক্ত শাদাব ‘আদিত্য’ নাম নিয়ে করে প্রতারণা করেছিল (Hindus Under Attack)।

    উদ্বেগজনক ঘটনা

    ধারওয়াড়ের মারাঠা কলোনিতে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে একজন ইসলামপন্থী জিম প্রশিক্ষক মোহাম্মদ সাবিরের বিরুদ্ধে হিন্দু মহিলাদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং বজরং দল কর্মীরা প্রতিবাদ হিসেবে জিমটি বন্ধ করে দেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে (Roundup Week)। উত্তরপ্রদেশের হাপুরে মেঘালয় থেকে আসা এক তরুণীর অভিযোগ, স্থানীয় এক মুসলিম যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে, ব্ল্যাকমেল করেছে এবং অশ্লীল ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুনে জেলার মাঞ্চারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে একটি ঐতিহাসিক ‘বারাভ’ (ধাপ কূপ, যা স্থানীয়দের মতে পাণ্ডব যুগের এবং ১২শ শতকে পুনর্নির্মিত) তা ওয়াকফ বোর্ডের নথি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। চলছে পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে ধীরে ধীরে মুছে ফেলার প্রয়াস (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবস্থাগত নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হিন্দুর দেহ

    চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলায় একটি মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় বছর পঞ্চাশের স্বপন দাসের মৃতদেহ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে মিলল তাঁর দেহ। তিনি পটিয়া উপজেলার পূর্ব ডেঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ২৭ মার্চ সকাল ১০টার দিকে নিখোঁজ হন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২৮ মার্চ বিকেলে তাঁর দেহের হদিশ মেলে (Hindus Under Attack)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা চালিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলি প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দুবিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে উৎসাহিত করে (Roundup Week)।

    এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি একটি উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত মনে হলেও, আদতে এটি বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় হিন্দু উৎসবগুলির ওপর একতরফা বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্তে (Hindus Under Attack)।

     

  • Rahul Gandhi: রাজনৈতিক বিরোধিতা ও জাতীয় ঐকমত্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা যায় কীভাবে? দোটানায় কংগ্রেস

    Rahul Gandhi: রাজনৈতিক বিরোধিতা ও জাতীয় ঐকমত্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা যায় কীভাবে? দোটানায় কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে ভারত। দেশের অভ্যন্তরে জঙ্গি-বিরোধী অভিযান থেকে শুরু করে (Modi Govt) পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মোকাবিলা করতে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশকে। এমতাবস্থায় বিরোধী দল (Rahul Gandhi) কংগ্রেস এক অভ্যন্তরীণ দ্বিধার সম্মুখীন। রাজনৈতিক বিরোধিতা ও জাতীয় ঐকমত্যের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রক্ষা করা যায়, নিরন্তর তা-ই ভেবে চলেছেন শতাব্দী-প্রাচীন দল কংগ্রেসের মাথারা।

    কংগ্রেসে ফাটল (Rahul Gandhi)

    ইরান-ইজরায়েল-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এবং দেশে জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত উদ্বেগের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি এই দ্বন্দ্বকে ফের একবার সামনে নিয়ে এসেছে। এই মুহূর্তটিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে শুধু কংগ্রেস সরকারের সমালোচনা নয়, বরং দলের অভ্যন্তর থেকেই উঠে আসা তীব্র মতপার্থক্য। এই বিভেদের কেন্দ্রে রয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশনীতির কড়া সমালোচনা করেন। তবে এই সমালোচনার জবাব শুধু শাসকদলই দেয়নি, কংগ্রেসেরই বহু প্রবীণ নেতাও এর বিরোধিতা করেছেন।

    রাহুলের বেফাঁস মন্তব্য

    রাহুল মোদি সরকারের বিদেশনীতিকে “সমঝোতাপূর্ণ” এবং “ক্ষতিগ্রস্ত” বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি এহেন মন্তব্যটি করেন ইরান, ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রেক্ষিতে। তিনি আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, দাবি তুলেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনির হত্যার ঘটনার নিন্দে করার। তবে এই অবস্থান দলের ভেতরেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। প্রবীণ নেতা শশী থারুর সম্পূর্ণ ভিন্ন মত প্রকাশ করে বলেন, “ভারতের অবস্থান একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনীতির উদাহরণ।” তাঁর বক্তব্যে কূটনীতির একটি সূক্ষ্ম ও বাস্তববাদী বোঝাপড়া ফুটে ওঠে, যেখানে বৈশ্বিক স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করাটা ভীষণভাবে জরুরি (Rahul Gandhi)।

    দ্বিধা বিভক্ত কংগ্রেস

    এই মতপার্থক্য শুধু কথার লড়াই নয়, এটি কংগ্রেসের ভেতরে দুটি আলাদা দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত—একটি রাজনৈতিক বিরোধিতার ভিত্তি, অন্যটি কৌশলগত বাস্তববাদ (Modi Govt)। থারুর একা নন। প্রবীণ নেতা আনন্দ শর্মা সরকারের কূটনৈতিক পদক্ষেপকে “পরিপক্ব ও দক্ষ” বলে প্রশংসা করেছেন। শুধু তা-ই নয়, আন্তর্জাতিক সঙ্কটকালে জাতীয় ঐক্যের ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, বিদেশনীতি দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত। কংগ্রেস নেতা মনীশ তেওয়ারিও বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি সামলাতে সরকার সম্ভবত সঠিক কাজই করছে।” বস্তুত, এটি বিরোধী শিবিরের এক নেতার বিরল স্বীকারোক্তি।

    দেশীয় ইস্যুতেও বিভাজন

    দেশীয় ইস্যুতেও বিভাজন দেখা গিয়েছে। এলপিজি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের ক্ষেত্রে কমল নাথ ঘাটতির দাবি নাকচ করে দেন, যা দলের বৃহত্তর অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি বলেন, “সঙ্কটের একটি ধারণা কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হচ্ছে। এতে আদতে উপকৃত হচ্ছে বিজেপি। কারণ এটি শাসক বিজেপিকে রাজনৈতিক সুবিধা এনে দিচ্ছি।” রাহুলের দলের এই বিরোধিতা নতুন কিছু নয়। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পরে চালু হওয়া অপারেশন সিঁদুরের পরেও একই ছবি দেখা গিয়েছিল (Rahul Gandhi)। রাহুল সরকারের “রাজনৈতিক সদিচ্ছা” নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, কংগ্রেসেরই থারুর এবং তেওয়ারি প্রকাশ্যে অভিযানকে সমর্থন করেন, প্রশংসা করেন সেনাবাহিনীর। তাঁদের এই অবস্থানকে দলীয় সীমার বাইরে গিয়ে জাতীয় নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে (Modi Govt)।

    থারুর ও তেওয়ারির অন্তর্ভুক্তি

    সরকার যখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারতের অবস্থান তুলে ধরতে সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল গঠন করে, সেখানে থারুর ও তেওয়ারির অন্তর্ভুক্তি কংগ্রেস নেতৃত্বকে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে। তাঁদের দাবি, এ বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়নি। থারুরকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও লাতিন আমেরিকায় একটি প্রতিনিধিদলের প্রধান করা হলে এই অস্বস্তি আরও প্রকট হয় (Rahul Gandhi)। সংসদে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিতর্কেও থারুর এবং তেওয়ারিকে বক্তব্য রাখার সুযোগ না দেওয়াও কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ইঙ্গিত বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাত আবারও এই অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন সামনে নিয়ে এসেছে। ভারতের পরিমিত ও কৌশলী কূটনৈতিক অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলেও উচ্চ প্রশংসিত হয়েছে। আনন্দ জানান, এই নীতি ভারতকে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে সাহায্য করেছে। তিনি পারস্য (আধুনিক ইরান)-এর সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। (Rahul Gandhi)

    এলপিজি সংক্রান্ত মন্তব্য

    কমল নাথের এলপিজি সংক্রান্ত মন্তব্যও দেখায় যে দলের সব নেতা কেন্দ্রীয় অবস্থানের সঙ্গে একমত নন। এই পরিস্থিতিতে দলে রাহুলের নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও বড় প্রশ্ন উঠেছে। এটি আর কোনও বিচ্ছিন্ন মতভেদ নয়, বরং এমন একটি প্রবণতা, যেখানে অভিজ্ঞ নেতারা তাঁর অবস্থানের সঙ্গে নিঃশর্তভাবে একমত হতে অনিচ্ছুক, বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশনীতির ক্ষেত্রে। থারুর, আনন্দ, কমল নাথ ও তেওয়ারির মতো অভিজ্ঞ নেতাদের প্রকাশ্য মতবিরোধ কংগ্রেসের অভ্যন্তরে ঐকমত্যের কঙ্কালসার চেহারাটাই তুলে ধরে (Modi Govt)।ফলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে কংগ্রেস যেন নিজেদের নেতৃত্বকেই যাচাই করছে। এতে দলের সমালোচনার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে।

    বড় চ্যালেঞ্জ

    রাজনৈতিক যোগাযোগের দৃষ্টিকোণ থেকে এই অসঙ্গতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একটি বিরোধী দলের শক্তি আসে সুসংহত ও পরিষ্কার বার্তা থেকে। কিন্তু যখন দলের প্রবীণ নেতারা ভিন্ন বা পরিমিত মতামত দেন, তখন দলের অবস্থান বিভক্ত হয়ে যায়। কংগ্রেসের এই সমস্যার কেন্দ্রে রয়েছে একটি মৌলিক প্রশ্ন। সেটি হল, জাতীয় স্বার্থকে ক্ষুণ্ণ না করে কীভাবে সরকারের সমালোচনা করা যায় (Rahul Gandhi)? থারুর ও শর্মার মতো নেতারা দ্বিদলীয় (bipartisan) দৃষ্টিভঙ্গির পক্ষে, যেখানে ধারাবাহিকতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে, রাহুলের অবস্থান বেশি আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক একটি কৌশলের প্রতিফলন, যা কখনও বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হতে পারে। কংগ্রেসের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার—নেহরুর নিরপেক্ষ আন্দোলন থেকে নরসিমা রাওয়ের অর্থনৈতিক সংস্কার—এই প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

    সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস

    বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ওঠে, দল কি তার কৌশলগত ঐতিহ্যকে আধুনিক ভূ-রাজনীতির সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবে? অপারেশন সিঁদুর থেকে ইরানের সংঘাত—সব মিলিয়ে কংগ্রেস এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে এক সন্ধিক্ষণে (Modi Govt)। একদিকে আক্রমণাত্মক বিরোধিতা, অন্যদিকে অভিজ্ঞ নেতাদের সংযত ও বাস্তববাদী অবস্থানের ঘূর্ণিপাকেই ঘুরপাক খাচ্ছে কংগ্রেস (Rahul Gandhi)। এই মতপার্থক্য যদি গঠনমূলক আলোচনার রূপ নেয়, তবে তা ইতিবাচক হতে পারে। কিন্তু যদি এটি গভীর বিভাজনে পরিণত হয়, তবে তা কংগ্রেস ও ভারতের বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যতের ওপর বড় প্রভাব ফেলবে। বর্তমান সময়ে যখন ভূ-রাজনীতি ও দেশীয় রাজনীতি ক্রমশ জড়িয়ে যাচ্ছে, তখন সুসংহত ও বিশ্বাসযোগ্য অবস্থান উপস্থাপন করার ক্ষমতাই নির্ধারণ করবে কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ প্রাসঙ্গিকতা।

     

  • F 15 Aircraft: আমেরিকায় ভেঙে পড়া এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্য উদ্ধার জীবিত?

    F 15 Aircraft: আমেরিকায় ভেঙে পড়া এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্য উদ্ধার জীবিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার আকাশসীমায় ভেঙে পড়া একটি এফ-১৫ (F 15 Aircraft) যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে (Missing Crew Member) অবশেষে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকে ওই সদস্যের কোনও হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তবে তাঁকে জীবিত ফিরে পাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে সংশ্লিষ্ট মহল।

    মূল ঘটনাক্রম (F 15 Aircraft)

    কয়েকদিন আগে যান্ত্রিক ত্রুটি বা কোনও বিশেষ কারণে একটি এফ-১৫ বিমান (F 15 Aircraft) দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। দুর্ঘটনার পর বিমানের একজন ক্রু সদস্য নিখোঁজ হয়ে যান। তাঁর খোঁজে নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর বিশেষ উদ্ধারকারী দল দিনরাত অভিযান চালায়। অবশেষে সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাঁকে একটি দুর্গম এলাকা থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

    আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে ওই অঞ্চলে দফায় দফায় বিমান হানা চালাচ্ছিল মার্কিন বায়ুসেনা। তেমনই এক অভিযানের সময় যান্ত্রিক ত্রুটি বা শত্রুপক্ষের পালটা আঘাতের ফলে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ে। তারপর থেকেই ওই বিমানের পাইলটের কোনও হদিস মিলছিল না। আশঙ্কা করা হচ্ছিল, তিনি হয়তো ইরানীয় বাহিনীর হাতে বন্দি হয়েছেন অথবা দুর্ঘটনায় তাঁর প্রাণহানি হয়েছে।

    বর্তমান পরিস্থিতি ও সরকারি বয়ান

    উদ্ধার হওয়া ক্রু সদস্যকে (F 15 Aircraft) দ্রুত চিকিৎসার জন্য স্থানীয় সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর (Missing Crew Member) বা কোনও সরকারি সূত্রের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত অফিশিয়ালি কোনও কনফার্মেশন বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

    প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর জানানো হয়েছে, ওই পাইলট শারীরিকভাবে অত্যন্ত বিধ্বস্ত হলেও তাঁর প্রাণহানি ঘটেনি। বর্তমানে তিনি মার্কিন সামরিক চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এই উদ্ধার অভিযানের সাফল্যকে পেন্টাগন তাদের রণকৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখছে।

    যদিও এই বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক কড়া প্রতিক্রিয়া মেলেনি, তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা যে নতুন মাত্রা পাবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। আমেরিকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিজেদের সেনা সদস্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তারা যে কোনও পদক্ষেপ করতে দ্বিধা করবে না।

    তদন্তের নির্দেশ

    কীভাবে ওই আধুনিক যুদ্ধবিমানটি (F15 Aircraft) ভেঙে পড়ল এবং নিখোঁজ সদস্য কীভাবে রক্ষা পেলেন, তা খতিয়ে দেখতে গড়া হয়েছে  উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি। সরকারি আধিকারিকরা (Missing Crew Member) জানিয়েছেন, সমস্ত তথ্য যাচাই করার পরেই তাঁরা বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করবেন।

  • PM Modi: “খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর-পূর্ব ভারত আজ বিজেপির শাসনে উন্নত”, কেরলে পরিবর্তনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর-পূর্ব ভারত আজ বিজেপির শাসনে উন্নত”, কেরলে পরিবর্তনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার চলাকালীন এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির উদাহরণ টেনে বিরোধীদের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর দাবি, বিরোধী দলগুলি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মনে বিজেপির প্রতি যে ভয় তৈরি করার চেষ্টা করেছিল, তা ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে।

    উত্তর-পূর্ব ভারতের উদাহরণ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) তাঁর ভাষণে বলেন, “একটা সময় ছিল যখন বলা হত বিজেপি উত্তর-পূর্ব ভারতে (Northeast India) কখনও জায়গা করে নিতে পারবে না। কিন্তু আজ নাগাল্যান্ড, মেঘালয় বা মিজোরামের মতো খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্যগুলিতে বিজেপি হয় সরকার চালাচ্ছে, নয়তো সরকারের অংশীদার হিসেবে রয়েছে।” তিনি এও বলেন, “এই রাজ্যগুলিতে উন্নয়নের গতি এখন তুঙ্গে এবং সেখানকার মানুষ বিজেপির সবকা সাথ, সবকা বিকাশ নীতিতে আস্থা রেখেছেন।”

    পিছিয়ে রয়েছে কেরল

    কেরলের ভোটারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বামপন্থী (LDF) এবং কংগ্রেস (UDF) জোট বছরের পর বছর ধরে রাজ্যকে পিছিয়ে রেখেছে। এই দুই দল দিল্লিতে বন্ধুত্বের নাটক করে, আর কেরলে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অভিনয় করে। উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষ যদি বিভেদের রাজনীতি ভুলে উন্নয়নকে বেছে নিতে পারে, তবে কেরলের মানুষ কেন নন?

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সরাসরি সুবিধা

    উন্নয়নের বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের মডেল কেরলেও প্রয়োগ করা সম্ভব। খ্রিস্টান ভাই-বোনেরা আজ উত্তর-পূর্ব ভারতে বিজেপির কাজের প্রশংসা করছেন। কেরলের মানুষও এখন দেখছেন যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি কীভাবে সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেরলের খ্রিস্টান ভোটব্যাঙ্ককে কাছে টানতেই প্রধানমন্ত্রী উত্তর-পূর্ব ভারতের খ্রিস্টান প্রধান রাজ্যগুলিতে বিজেপির সাফল্যের কথা বারবার তুলে ধরছেন। আসন্ন নির্বাচনে এই ‘ডেভেলপমেন্ট কার্ড’ কতটা কাজ করে, এখন সেটাই দেখার।

  • ISRO: মহাকাশচারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় লাদাখে মিশন চালুর ঘোষণা ইসরোর

    ISRO: মহাকাশচারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় লাদাখে মিশন চালুর ঘোষণা ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখে মিশন চালুর ঘোষণা ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর (ISRO)। এর লক্ষ্য হল উচ্চ-উচ্চতার পরিবেশে কাজ করা মহাকাশচারী (Astronauts) এবং গ্রাউন্ড টিমের শারীরবৃত্তীয়, মানসিক ও কার্যকরী গতিশীলতা পরীক্ষা করা। ক্রু-দের কর্মক্ষমতা ও মানব-সম্পর্কিত বিভিন্ন উপাদান নিয়ে সংগৃহীত বৈজ্ঞানিক তথ্য সরাসরি গগনযান প্রোগ্রাম এবং ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ মিশনে সাহায্য করবে।

    ‘মিশন মিত্র’ (ISRO)

    ‘মিশন মিত্র’ (Mission MITRA) নামে পরিচিত এই গবেষণাটি ৯ এপ্রিল পর্যন্ত লেহ শহরে প্রায় ৩,৫০০ মিটার উচ্চতায় পরিচালিত হবে। এখানে হাইপোক্সিয়া (অক্সিজেনের ঘাটতি), নিম্ন তাপমাত্রা এবং বিচ্ছিন্নতার মতো পরিবেশগত অবস্থা তৈরি করা হবে, যা মহাকাশ অভিযানের একটি প্রাকৃতিক অনুকরণ হিসেবে কাজ করবে। শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬-এ ইসরোর তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “এই গবেষণার লক্ষ্য হল ক্রু (গগনযাত্রী) এবং গ্রাউন্ড কন্ট্রোল টিমের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় এবং পরিবেশগত ও কার্যগত চাপের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা তৈরি করা।”

    প্রোটোকলের দায়িত্বে যারা

    প্রসঙ্গত, এই মিশনটি ইসরো এবং ইনস্টিটিউট অফ অ্যারোস্পেস মেডিসিন যৌথভাবে পরিকল্পনা করেছে, এবং বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক স্টার্টআপ প্রোটোপ্ল্যানেটের পরিকাঠামো ব্যবস্থাপনা ও আনুষ্ঠানিক প্রোটোকলের দায়িত্বে রয়েছে (ISRO)। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, “মানব মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রে ক্রু-দের নিরাপত্তা এবং কর্মক্ষমতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কার্যকর যোগাযোগ, চাপের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, মানসিক দৃঢ়তা বজায় রাখা এবং একে অপরকে সাহায্য করার ক্ষমতাই যে কোনও মিশনের সাফল্য ও নিরাপত্তা নির্ধারণ করে।” এতে আরও বলা হয়, “নিয়ন্ত্রিত কিন্তু বাস্তবসম্মত পরিবেশে পরিচালিত ‘অ্যানালগ মিশন’গুলির মাধ্যমে কঠিন পরিস্থিতিতে (Astronauts) ক্রু-রা কেমন (ISRO) পারফর্ম করেন, তা বোঝা যায়।”

     

  • Daily Horoscope 05 April 2026: নতুন আইডিয়া কাজে লাগাতে পারবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 05 April 2026: নতুন আইডিয়া কাজে লাগাতে পারবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) নতুন পরিকল্পনা করার জন্য ভালো দিন।
    ২) পরিবারের কারও সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন।
    ৩) খরচ একটু নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    বৃষ
    ১) আর্থিক দিক কিছুটা শক্তিশালী হতে পারে।
    ২) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।
    ৩) শরীরের যত্ন নিন।

    মিথুন
    ১) কাজের জায়গায় প্রশংসা পেতে পারেন।
    ২) নতুন যোগাযোগ লাভজনক হবে।
    ৩) তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না।

    কর্কট
    ১) মানসিকভাবে শান্তি পাবেন।
    ২) বাড়িতে শুভ কিছু হতে পারে।
    ৩) ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।

    সিংহ
    ১) আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
    ২) নতুন কাজ শুরু করতে পারেন।
    ৩) কারও কথায় বেশি প্রভাবিত হবেন না।

    কন্যা
    ১) ছোটখাটো সমস্যা আসতে পারে, কিন্তু সামলে নেবেন।
    ২) অফিসে দায়িত্ব বাড়তে পারে।
    ৩) বিশ্রাম নিন।

    তুলা
    ১) সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভালো সময়।
    ২) আর্থিক দিক স্থিতিশীল থাকবে।
    ৩) নতুন কিছু শেখার সুযোগ পাবেন।

    বৃশ্চিক
    ১) হঠাৎ লাভের সম্ভাবনা আছে।
    ২) গোপন কোনও বিষয় সামনে আসতে পারে।
    ৩) ধৈর্য ধরে কাজ করুন।

    ধনু
    ১) ভ্রমণের পরিকল্পনা হতে পারে।
    ২) বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আনন্দের সময় কাটবে।
    ৩) খরচের দিকে নজর দিন।

    মকর
    ১) কাজে সাফল্য পেতে পারেন।
    ২) ঊর্ধ্বতনদের সমর্থন পাবেন।
    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    কুম্ভ
    ১) নতুন আইডিয়া কাজে লাগাতে পারবেন।
    ২) অর্থনৈতিক উন্নতির সুযোগ আছে।
    ৩) স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন।

    মীন
    ১) আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
    ২) প্রিয়জনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি মিটবে।
    ৩) দিনটি মোটামুটি ভালো কাটবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Hina Baloch: “পাকিস্তানের বহু মানুষই নিজেদের যৌন পরিচয় লুকিয়ে রাখে”,  বিস্ফোরক দাবি পাকিস্তানের হিনা বালোচের

    Hina Baloch: “পাকিস্তানের বহু মানুষই নিজেদের যৌন পরিচয় লুকিয়ে রাখে”, বিস্ফোরক দাবি পাকিস্তানের হিনা বালোচের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) অনেক মানুষই সামাজিক চাপ, ধর্মীয় বিধিনিষেধ এবং পারিবারিক প্রত্যাশার কারণে নিজেদের যৌন পরিচয় লুকিয়ে রাখেন। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন পাকিস্তানের ট্রান্সজেন্ডার অধিকারকর্মী হিনা বালোচ (Hina Baloch)। তাঁর একটি ভাইরাল ভিডিও অনলাইনে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এই ভিডিওতে পাকিস্তানে যৌনতা নিয়ে সাহসী মন্তব্য করেছেন তিনি। ১ এপ্রিল ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বালোচ বলেন, “দেশের অনেক মানুষ সামাজিক চাপ, ধর্মীয় বিধিনিষেধ এবং পারিবারিক প্রত্যাশার কারণে নিজেদের যৌন পরিচয় লুকিয়ে রাখেন।”

    অর্ধেকেরও বেশি মানুষ সমকামী (Hina Baloch)

    ওই সাক্ষাৎকারে বালোচ এমন এক বাস্তবতার কথা তুলে ধরেন, যা মানুষ প্রকাশ্যে আলোচনা করতে চায় না। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় পাকিস্তানের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ আসলে সমকামী। তারা এটা প্রকাশ্যে বলতে চায় না, কিন্তু আমি মনে করি ৮০ শতাংশ মানুষ সমকামী এবং বাকি ২০ শতাংশ উভকামী।” তিনি এও বলেন, “যৌনতার দিক থেকে পাকিস্তানে কেউই পুরোপুরি ‘স্ট্রেইট’ নয় বলে আমি মনে করি (Pakistan)।” তাঁর মতে, অনেক মানুষ প্রতিক্রিয়ার ভয়ে নিজেদের পরিচয় দমন করে বা অস্বীকার করে। হিনা বলেন, “তারা এটা অস্বীকার করবে, ধর্মের কথা তুলবে, সংস্কৃতির কথা বলবে—কিন্তু এটা এক ওপেন-সিক্রেট বিষয়। পাকিস্তানে কেউই স্ট্রেইট নয়।”

    বালোচের নিজের মুখে ‘কিশোরী বেলা’র কথা

    বালোচ নিজের জীবনের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, বড় হওয়ার সময় তাঁর সবচেয়ে বড় চিন্তা ছিল না যৌনতা, বরং নিজের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা। বালোচ (Hina Baloch) বলেন, “আমি ভাবতাম কীভাবে লিপস্টিক লাগাবো, অথচ পরিবারের কাছে গালাগাল খাবো না। কীভাবে মহিলাদের মতো পোশাক পরব, গয়না পরব, আর মারধরের শিকার হব না?” বালোচ পাকিস্তানের খাওয়াজা সরা (ট্রান্সজেন্ডার) সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, সুযোগের অভাবে অনেককে ভিক্ষা, নাচ বা যৌনকর্মের মতো সীমিত ও প্রায়ই শোষণমূলক কাজে ঠেলে দেওয়া হয় (Hina Baloch)। এই সীমাবদ্ধতা অস্বীকার করে তিনি আন্দোলনের পথ বেছে নেন এবং সিন্ধ মুরাত মার্চের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হন। তিনি পাকিস্তানের ‘আওরাত মার্চ’-এও অংশ নেন এবং ট্রান্সজেন্ডার ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে সোচ্চার হন (Pakistan)।

    অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার বালোচ

    বালোচ আগে দাবি করেছিলেন যে, তাঁর আন্দোলনের কারণে তিনি হিংসার শিকার হন—প্রাইড পতাকা উত্তোলনের পর তাঁকে আক্রমণ করা হয়, এমনকি অপহরণ ও নির্যাতনেরও শিকার হন তিনি। এসব ঘটনার ফলে তাঁকে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ছাড়তে বাধ্য হতে হয় (Hina Baloch)। পরে তিনি চলে যান ব্রিটেনে। সেখানে তিনি এসওএএস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনে পড়াশোনা করেন, আবেদন করেন শরণার্থী মর্যাদার জন্য

     

  • Prashant Bose Die: এলগার পরিষদ–ভীমা কোরেগাঁও মামলার অন্যতম অভিযুক্ত মাওবাদী নেতা প্রশান্ত বোসের মৃত্যু

    Prashant Bose Die: এলগার পরিষদ–ভীমা কোরেগাঁও মামলার অন্যতম অভিযুক্ত মাওবাদী নেতা প্রশান্ত বোসের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মারা গেলেন নিষিদ্ধ মাওবাদী সংগঠনের প্রথমসারির নেতা, রয়েছে বাংলা-যোগ, পূর্ব ভারতের একাধিক জায়গায় নাশকতামূলক কাজের মাস্টারমাইন্ড— প্রশান্ত বোস। দেশ ‘মাওবাদী মুক্ত’ ঘোষণার ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই দুনিয়া ছেড়ে চলে গেলেন যাদবপুরের ভূমিপুত্র জেলবন্দি এই প্রবীণ মাওবাদী নেতা। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার ঝাড়খণ্ডের সরকারি হাসপাতাল আরআইএমএস-এ মারা গিয়েছেন প্রবীণ এই মাওবাদী নেতা। কিষান দা নামেও পরিচিত প্রশান্তর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। গত চার বছর ধরে ঝাড়খণ্ডে বিরসা মুণ্ডা কারাগারে বন্দি ছিলেন তিনি। রাঁচির এসএসপি রাকেশ রঞ্জন পিটিআই-কে জানিয়েছেন, সেদিন সকালে আচমকা প্রশান্তর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। চিকিৎসা চলাকালীন তিনি মারা যান।

    সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটব্যুরোর সদস্য

    নিষিদ্ধ ঘোষিত এই সংগঠনের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন এই বাঙালি মাওবাদী। বর্তমানে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নম্বলা কেশব রাওয়ের ঠিক পরেই তাঁর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটব্যুরোর সদস্য হওয়ার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ সময় পূর্ব আঞ্চলিক ব্যুরোর সম্পাদকের দায়িত্ব সামলেছেন। মাওবাদী শিবিরে তিনি ‘মনীশ’ বা ‘বুদ্ধ’ নামেও সমান পরিচিত ছিলেন। কেবল রণকৌশল নির্ধারণ নয়, দলের তাত্ত্বিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্র— এই সাতটি রাজ্যে মাওবাদী আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি বহুলাংশে তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত ছিল বলেই মনে করেন গোয়েন্দারা।

    পুরুলিয়া হয়ে কলকাতা আসার পথে গ্রেফতার

    ২০২১ সালের ১২ নভেম্বর সরাইকেলা-খাসাওয়ান জেলার কান্দ্রা টোল ব্রিজের কাছ থেকে প্রশান্ত বসু ও তাঁর স্ত্রী শীলা মারান্ডিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই সময় তাঁর মাথার ওপর ১ কোটি টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে এই বাউন্টি ঘোষণা করেছিল ঝাড়খণ্ড সরকার। মাওবাদী দলের এক সূত্রের কথায়,‘কিডনির চিকিৎসার জন্য স্ত্রী শীলা মারান্ডির সঙ্গে পুরুলিয়া হয়ে কলকাতা আসার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু সেই গোপন খবর গোয়েন্দাদের কাছে পৌঁছে যাওয়ায় তিনি ধরা পড়ে যান। কীভাবে এই গোপন খবর গোয়েন্দাদের কাছে পৌঁছল তা নিয়ে দলের অন্দরে এরাজ্যে সংগঠনের দায়িত্বে থাকা এক নেতার ভূমিকা সন্দেহের চোখে দেখা হয়।’

    বাম চরমপন্থী আন্দোলনের এক প্রভাবশালী মুখ

    দেহরক্ষী সহ গ্রেফতারের সময় এই শীর্ষ মাওবাদী নেতার গাড়ি থেকে নগদ টাকা, মোবাইল, পেন ড্রাইভ, দুটি ডেটা কার্ড উদ্ধার করেছিল ঝাড়খণ্ড পুলিশ। এই পেন ড্রাইভ, ডেটা কার্ড থেকে উদ্ধার হওয়া গোপন তথ্যকে কাজে লাগিয়ে পরবর্তী সময়ে দেশজুড়ে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযানে বড়সড় সাফল্য পায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন রাজ্যে অন্তত ২০০টিরও বেশি মাওবাদী নাশকতামূলক ঘটনার সঙ্গে সরাসরি যোগ ছিল তাঁর। মূলত পশ্চিমবঙ্গের ভূমিপুত্র হয়েও সারা ভারতের বাম চরমপন্থী আন্দোলনের এক প্রভাবশালী মুখ হয়ে উঠেছিলেন তিনি।

    প্রশান্ত বোসের গ্রেফতারি ‘সবচেয়ে বড় সাফল্য’

    প্রশান্ত বসুকে গ্রেফতারের সময় রাঁচিতে এক প্রেস কনফারেন্সে তৎকালীন ইন্সপেক্টর জেনারেল (অপারেশনস) অমল ভিনুকান্ত হোমকার জানিয়েছিলেন, ওই বছরের ১২ নভেম্বর প্রশান্ত বসু ও তাঁর স্ত্রী-সহ মোট ছয়জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। আইজি আরও জানিয়েছিলেন, ‘কিষাণ দা’ নামে পরিচিত প্রশান্ত বসুকে ঝাড়খণ্ডের কোলহান অঞ্চল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। নির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে তল্লাশি চালাচ্ছিল। তখনই এই মাওবাদী নেতা ধরা পড়েন। ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (ডিজিপি) নীরজ সিনহা বলেন, ‘কিষানদা বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ এবং ছত্তিশগড়ের অন্যতম শীর্ষ নকশাল নেতা ছিলেন। ১৯৬০-এর দশক থেকে তিনি নকশাল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ এখনও তাঁর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করছে।’ তৎকালীন আইজি প্রশান্ত বোসের গ্রেফতারকে ‘সবচেয়ে বড় সাফল্য’ বলে উল্লেখ করেছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খুনের পরিকল্পনা

    নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-র কেন্দ্রীয় কমিটি, পলিটব্যুরো এবং সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের সদস্য ছিলেন তিনি। একাধিক রাজ্যে মাওবাদী কার্যকলাপ পরিচালনা করতেন। মূলত সারান্ডার জঙ্গলেই তাঁর ঘাঁটি ছিল বলে পুলিশ সূত্রের খবর। এলগার পরিষদ-কোরেগাঁও ভীমা মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন প্রশান্ত বোস। ২০১৮ সালে পুনে পুলিশ এই মামলা করেছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খুনের পরিকল্পনা করার অভিযোগ ছিল এই মাওবাদী নেতার নামে। পুলিশ সূত্রে দাবি, ওই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত রোনা উইলসনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশান্ত বোসের বিরুদ্ধে তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। পুনে পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত রোনা উইলসনের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া যোগাযোগ নথিতে “মোদি রাজ” শেষ করার পরিকল্পনার উল্লেখ ছিল, যা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের ধাঁচে সাজানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। ওই মামলায় অভিযোগ ওঠে, ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পুনেতে আয়োজিত এলগার পরিষদের বক্তৃতাগুলি উসকানিমূলক ছিল, যা পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি ভীমা কোরেগাঁওয়ে হিংসার জন্ম দেয়।

    মাওবাদী সংগঠনের তাত্ত্বিক কাঠামোতে বড় শূন্যতা

    প্রশান্ত বোসের মৃত্যুতে একদিকে যেমন একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের অবসান হল, তেমনি মাওবাদী সংগঠনের অভ্যন্তরীণ রণকৌশল ও তাত্ত্বিক কাঠামোতে বড়সড় শূন্যতা তৈরি হল বলে মনে করা হচ্ছে। হাই-প্রোফাইল এই বন্দির মৃত্যুর স্পর্শকাতরতা বিচার করে ইতিমধ্যেই একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তসহ সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া কড়া নজরদারিতে সম্পন্ন করা হচ্ছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে মামলাটি জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)-র হাতে যায়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এনআইএ ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী কার্যকলাপ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টার অভিযোগে প্রশান্ত বোসের বিরুদ্ধে আরও একটি চার্জশিট দাখিল করে। প্রশান্ত বোসের মৃত্যুতে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ইস্যুতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

     

     

     

     

     

     

  • CBSE: সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ সিবিএসইর, নয়া পরিবর্তন কী হল জানেন?

    CBSE: সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ সিবিএসইর, নয়া পরিবর্তন কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ করল সিবিএসই (CBSE) বোর্ড। জাতীয় নীতির লক্ষ্যের সঙ্গে স্কুল শিক্ষাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেই চালু করা হচ্ছে এই ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে (Three Language Rule)।

    উল্লেখযোগ্য সংস্কার (CBSE)

    সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সংস্কারের মধ্যে রয়েছে ধাপে ধাপে একটি বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা চালু করা। ২০৩১ সালের মধ্যে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার অংশ হয়ে উঠবে এটি। জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ অনুযায়ী, বহুভাষিকতা ও সাংস্কৃতিক সংহতি বাড়াতে তিন-ভাষা সূত্র প্রয়োগ করা হবে। নতুন পাঠক্রম কাঠামোর অধীনে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমানে যে দুটি ভাষা শেখানো হয়, তার পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা পড়াও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটি মাধ্যমিক স্তরে পূর্ণাঙ্গ তিন-ভাষা ব্যবস্থার দিকে ধাপে ধাপে রূপান্তরের সূচনা। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সাধারণত ইংরেজি ও একটি ভারতীয় ভাষা পড়ে। তৃতীয় ভাষা (R3) যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনের শুরুতেই আরও বিস্তৃত ভাষাগত ভিত্তি লাভ করবে।

    তৃতীয় ভাষার পাঠ্যপুস্তক

    সিবিএসই আধিকরিকদের মতে, তৃতীয় ভাষার পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রী জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ (NCERT)-এর সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা হচ্ছে। এই উপকরণগুলি শীঘ্রই সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক পোর্টালে উপলব্ধ হবে। যদিও মধ্যম স্তরে তৃতীয় ভাষা চালু হয়েছে, তবে এটি অবিলম্বে বোর্ড পরীক্ষায় প্রভাব ফেলবে না। বর্তমান ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ২০৩১ সালে দশম শ্রেণিতে পৌঁছলে নীতিটি পুরোপুরি কার্যকর হবে (CBSE)। প্রসঙ্গত, ত্রি-ভাষা সূত্রের ব্যাখ্যা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ রয়েছে। বাস্তবে, অনেক শিক্ষার্থী ইংরেজি পড়ে। তবে এনইপি ২০২০ অনুযায়ী ইংরেজিকে প্রায়ই বিদেশি ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Three Language Rule)। তাই প্রশ্ন উঠছে, ইংরেজির পাশাপাশি কি শিক্ষার্থীদের আরও দুটি ভারতীয় ভাষা শিখতে হবে? এতে পড়াশোনার চাপ বাড়তে পারে।

    দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করতেও একাধিক পরিবর্তন

    বিদেশে অবস্থিত সিবিএসই-সংযুক্ত স্কুলগুলির বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনা করে বোর্ড কিছুটা শিথিলতা দিয়েছে। ভারতের বাইরে অবস্থিত স্কুলগুলিতে দুটি ভারতীয় ভাষা পড়ানো বাধ্যতামূলক নয়। তারা একটি ভারতীয় ভাষাকে বাধ্যতামূলক রেখে অন্যান্য ভাষা আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক প্রাসঙ্গিকতার প্রেক্ষিতে নির্বাচন করতে পারবে (CBSE)। ভাষা সংস্কারের পাশাপাশি সিবিএসই সামগ্রিক ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে একাধিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। নবম ও দশম শ্রেণিতে শিল্প শিক্ষা, বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং শারীরিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আপাতত শিল্প ও শারীরিক শিক্ষা স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে, বোর্ড পরীক্ষার অংশ হবে না। তবে ২০২৭–২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে বৃত্তিমূলক শিক্ষা বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে চালু হবে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

    নয়া পাঠ্যক্রমের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল নবম ও দশম শ্রেণিতে কম্পিউটেশনাল থিংকিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বাধ্যতামূলক করা। শুরুতে এগুলি মডিউল আকারে থাকবে এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন হবে। তবে ২০২৯ সালের মধ্যে এগুলি পূর্ণাঙ্গ বোর্ড পরীক্ষার বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে (Three Language Rule)। সিবিএসই নবম শ্রেণিতে গণিত ও বিজ্ঞানের জন্য দুই-স্তরের ব্যবস্থা চালু করেছে। শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতা ও আগ্রহ অনুযায়ী স্ট্যান্ডার্ড বা অ্যাডভান্সড স্তর বেছে নিতে পারবে। অ্যাডভান্সড স্তরের শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত এক ঘণ্টার ২৫ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে, যেখানে সাধারণ সিলেবাসের বাইরে প্রশ্ন থাকবে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তবেই ফল অন্তর্ভুক্ত হবে মার্কশিটে।

    সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক ডিরেক্টরের বক্তব্য

    সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক ডিরেক্টর প্রজ্ঞা সিংয়ের মতে, এনসিইআরটির সঙ্গে যৌথভাবে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক তৈরি করা হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য একরূপ ও উচ্চমানের শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিত করবে (CBSE)। বিদেশে পরিচালিত সিবিএসই-সংযুক্ত স্কুলগুলির জন্য নমনীয়তা রাখা হয়েছে। যেখানে দেশের ভেতরের স্কুলগুলিকে দুটি ভারতীয় ভাষা পড়াতে হয়, সেখানে আন্তর্জাতিক স্কুলগুলিতে একটি ভারতীয় ভাষাই বাধ্যতামূলক থাকবে। গত বছরের সিবিএসই সার্কুলারের নির্দেশনাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিল প্রস্তুতিমূলক স্তর থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অন্তত একটি ভারতীয় ভাষাকে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

    ভাষাগত বৈচিত্র্য

    ভাষাগত বৈচিত্র্য বাড়াতে সিবিএসই ভাষার তালিকাও সম্প্রসারণ করেছে (Three Language Rule)। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এখন ডোগরি, মৈথিলি, কোকনি ও সাঁওতালি ভাষা পড়ার সুযোগ পাবে। এর ফলে ভারতীয় সংবিধানের অষ্টম তফশিলে অন্তর্ভুক্ত ২২টি ভাষাই এখন এই বোর্ডের আওতায় এসেছে। এই সংস্কারগুলি সিবিএসইর মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ধীরে ধীরে কিন্তু ব্যাপক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন, মডিউলার বিষয় এবং উন্নত স্তরের বিকল্প চালুর মাধ্যমে বোর্ড একমাত্রিক পদ্ধতি থেকে সরে এসে আরও নমনীয় ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে (CBSE)।

     

  • POK: “খুব শীঘ্রই পাক অধিকৃত কাশ্মীর যুক্ত হবে ভারতের সঙ্গে”, বললেন ইমাম ইলিয়াসি

    POK: “খুব শীঘ্রই পাক অধিকৃত কাশ্মীর যুক্ত হবে ভারতের সঙ্গে”, বললেন ইমাম ইলিয়াসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “খুব শীঘ্রই পাক অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) যুক্ত হবে ভারতের সঙ্গে।” জম্মু-কাশ্মীর সফরে গিয়ে এক বিবৃতিতে এই (POK) ঘোষণা করেন ইমাম উমের আহমেদ ইলিয়াসি (Imam Umer Ahmed Ilyasi)। সাংবাদিক সম্মেলনে ইলিয়াসি বলেন, “পিওকে, যেটি ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, অবশ্যই ভারতের সঙ্গে ফের যুক্ত হবে, কারণ পিওকের মানুষ সেখানে গণভোট চায়।” তাঁর এহেন মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, ওই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ভারতের সঙ্গে একীভূত হওয়ার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে।

    ইলিয়াসির বক্তব্য (POK)

    তিনি বলেন, “এই পুনর্মিলনের আকাঙ্ক্ষা শুধুমাত্র রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং স্থানীয় মানুষের বাস্তব ইচ্ছের ওপর ভিত্তি করেই জানা গিয়েছে পুনর্মিলনের এই আকাঙ্খার কথা। আল্লার ইচ্ছেয় তাদের ‘ঘর ওয়াপসি’ শিগগিরই হবে। এটি সেখানকার মানুষেরই ইচ্ছে।” জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত হওয়ার পর ভূস্বর্গে যে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, তার উল্লেখ করে ইলিয়াসি অঞ্চলটিকে “নয়া কাশ্মীর” বলে বর্ণনা করেন। এই নয়া কাশ্মীর শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির। তিনি বলেন, “উপত্যকার পরিবেশে উল্লেখ্যযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। আজকের কাশ্মীর অসাধারণ হয়ে উঠেছে। সর্বত্র উন্নয়ন হয়েছে, হাল ফিরেছে পর্যটন শিল্পের।”

    শিশু-তরুণদের হাতে কলম

    অতীতের সঙ্গে তুলনা করে ইলিয়াসি বলেন, “এক সময় এখানে তরুণ ও শিশুরা পাথর ছুড়ত। আজ তাদের হাতে কলম, তারা পড়াশোনা করছে।” ইলিয়াসির মতে, এই পরিবর্তনগুলি পিওকের বাসিন্দারাও লক্ষ্য করছে। তারা নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণও করছে। তিনি মনে করেন, এই উন্নয়নই পিওকেতে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দাবি জোরলো করছে (POK)। ইলিয়াসের বক্তব্যে উঠে এসেছে জম্মু ও কাশ্মীরে পর্যটনের পুনরুজ্জীবনের প্রসঙ্গও। তাঁর মতে, স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক অবস্থার প্রত্যাবর্তনের এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ (Imam Umer Ahmed Ilyasi)।

    ভূস্বর্গে আসুন, আহ্বান ইলিয়াসির

    ২০২৫ সালে দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় সংঘটিত জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গ টেনে ইলিয়াসি বলেন, “যদিও ওই ঘটনার ফলে পর্যটন শিল্পে সাময়িক প্রভাব পড়েছিল, পরিস্থিতি এখন উন্নত হয়েছে।” তিনি বলেন, “আমি সবাইকে বলতে চাই, কাশ্মীর ভ্রমণ করুন। এখন আর ভয়ের পরিবেশ নেই।” তিনি দেশ-বিদেশের মানুষকে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সংস্কৃতি উপভোগ করার আহ্বানও জানান (POK)। ইলিয়াসির এই আহ্বান কাশ্মীরকে একটি নিরাপদ ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্যস্থল হিসেবে তুলে ধরার প্রচেষ্টার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও জীবিকায় সহায়তা করছে (Imam Umer Ahmed Ilyasi)। ইলিয়াসি এও বলেন, “পিওকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থান। বিভিন্ন সরকার ধারাবাহিকভাবে এই অবস্থান বজায় রেখেছে।” তিনি এই বিষয়টিকে শুধুমাত্র ভূরাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং মানুষের ইচ্ছে ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন হিসেবেও তুলে ধরেন।

    যুদ্ধ সবার ক্ষতি করে

    এদিন ইলিয়াসি পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নিয়েও মন্তব্য করেন। তুলে ধরেন যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক প্রভাবের কথা। বলেন, “যুদ্ধ সবার ক্ষতি করে। এটি ধ্বংসের প্রতীক।” তাই শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানান ইলিয়াসি। ভারতের বৈশ্বিক ভূমিকা নিয়েও আশাবাদী ইলিয়াসি। তিনি বলেন, “নরেন্দ্র মোদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির প্রতি আমার আস্থা আছে—আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি মধ্যস্থতা করবেন এবং যুদ্ধ শেষ হবে… শান্তি ফিরে আসবে (POK)।” ইলিয়াসির বক্তব্য এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে উন্নয়ন, পরিকাঠামো ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনা ভারতের নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ স্থান (Imam Umer Ahmed Ilyasi) দখল করে রয়েছে।

    ইলিয়াসির নয়া দৃষ্টিভঙ্গি

    কাশ্মীরের উন্নয়নের সঙ্গে পিওকের আকাঙ্ক্ষাকে যুক্ত করে ইলিয়াসি একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন—যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। যদিও পিওকে-সংক্রান্ত ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা জটিল, তবুও এই ধরনের বক্তব্য উন্নয়নকেন্দ্রিক বয়ানের গুরুত্বকেই তুলে ধরে বলে ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। ইলিয়াসির এই বক্তব্যে রাজনৈতিক অবস্থান, উন্নয়ন নিয়ে আশাবাদ এবং শান্তির আহ্বান—এই তিনটির সমন্বয় দেখা যায়। পিওকের ভারতের সঙ্গে পুনর্মিলনের বিষয়ে তাঁর আত্মবিশ্বাস এবং কাশ্মীরের উন্নয়নের প্রশংসা একটি অগ্রগতি-নির্ভর বিষয়কে আরও জোরালো করে (POK)। একই সঙ্গে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তির আহ্বান এবং ভারতের নেতৃত্বের ওপর তাঁর আস্থা দেশের অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিক (Imam Umer Ahmed Ilyasi) পরিসরে স্থিতিশীলতার একটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে।

     

LinkedIn
Share