Blog

  • PM Modi Sweden Visit: বিশ্বকবির ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ উপহার বিনিময় মোদি-ক্রিস্টারসনের, সামনে এল ১০০ বছরের ইতিহাস

    PM Modi Sweden Visit: বিশ্বকবির ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ উপহার বিনিময় মোদি-ক্রিস্টারসনের, সামনে এল ১০০ বছরের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও সুইডেনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতে বিশেষ উপহার বিনিময় করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। রবিবার সুইডেনে পৌঁছনোর পর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এই প্রতীকী উপহার বিনিময় বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, কারণ এ বছর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক সুইডেন সফরের শতবর্ষও উদযাপিত হচ্ছে।

    কী উপহার পেলেন নরেন্দ্র মোদি?

    সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উপহার দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে লেখা দুটি এপিগ্রামের (সংক্ষিপ্ত কাব্যপংক্তি) প্রতিলিপি। এর সঙ্গে ছিল একটি ব্যাখ্যামূলক নোট এবং ১৯২১ সালে রবীন্দ্রনাথের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয় সফরের সময় তোলা একটি ঐতিহাসিক আলোকচিত্র। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, এই মূল নথিগুলি সম্প্রতি সুইডিশ ন্যাশনাল আর্কাইভস থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলি রবীন্দ্রনাথের ১৯২১ এবং ১৯২৬ সালের সুইডেন সফরের সময় রচিত।

    কী উপহার দিলেন নরেন্দ্র মোদি?

    অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনাবলীর একটি বিশেষ সংকলন। সঙ্গে ছিল শান্তিনিকেতনের শিল্পীদের হাতে তৈরি একটি কারুকার্যখচিত ব্যাগ, যার নকশায় ব্যবহার করা হয়েছে সেইসব মোটিফ যা রবীন্দ্রনাথ নিজে স্থানীয় কারিগরদের ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে বেছে নিয়েছিলেন।

    কবিগুরুর সুইডেন সফর…

    সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ব্যাগটি রবীন্দ্রনাথের সেই দর্শনের প্রতীক, যেখানে শিল্পকে শুধুমাত্র গ্যালারির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, বুদ্ধিবৃত্তিক শিল্পচর্চা এবং ব্যবহারিক জীবনের মধ্যে সেতুবন্ধনই ছিল তাঁর ভাবনার মূল ভিত্তি। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্যক্তিগত কারণে সুইডেনে গিয়ে পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেননি। পরবর্তীতে ১৯২১ সালে সুইডেন সফরকালে তাঁকে রাজা পঞ্চম গুস্তাভ অভ্যর্থনা জানান। সেই সফরই ভারত-সুইডেন সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

    ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

    উপহার বিনিময়ের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুইডেন সফর কূটনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। দুই দিনের সফরে তিনি সুইডেনের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মানগুলির অন্যতম ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার, ডিগ্রি কমান্ডার গ্র্যান্ড ক্রস’-এ ভূষিত হন। ভারত-সুইডেন সম্পর্ক উন্নয়নে অসামান্য অবদান এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। দুই দেশের প্রতিনিধিদল-স্তরের বৈঠকে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), উদীয়মান প্রযুক্তি, স্টার্টআপ, গ্রিন ট্রানজিশন এবং স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খল নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। ২০২৫ সালে ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৭.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে দুই পক্ষই আশাবাদী।

    রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে ভারত-সুইডেন সাংস্কৃতিক কূটনীতি

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কেন্দ্র করে এই সাংস্কৃতিক কূটনীতি শুধুমাত্র ঐতিহাসিক সম্পর্কের পুনরুজ্জীবন নয়, বরং ভারত-সুইডেন সম্পর্ককে মানবিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তিতেও আরও শক্তিশালী করার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। মোদির এই সফর প্রমাণ করল, কূটনীতির ভাষা শুধু বাণিজ্য বা প্রতিরক্ষা নয়—সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং সাহিত্যও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।

  • Chandranath Rath Murder: ‘বিচার হবে’, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে কান্নাভেজা চোখে কথা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    Chandranath Rath Murder: ‘বিচার হবে’, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে কান্নাভেজা চোখে কথা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রতিটি অন্যায়ের ‘বিচার হবে’। খুন হওয়া আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath Murder) বাড়িতে গিয়ে আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সদ্য নির্বাচনের ফলাফল জানা গিয়েছে তখন। বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে বিজেপি। তখনও সিদ্ধান্ত হয়নি যে, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) হবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যেই ঘটে যায় ভয়াবহ ঘটানা। মধ্যমগ্রামের কাছে রাস্তার ওপর গাড়ি দাঁড় করিয়ে, নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। ভয়ঙ্কর সেই রাতের পর ১১ দিন অতিবাহিত। রবিবার, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে তাঁর বাড়ি গিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে ভিজল তাঁর চোখও।

    মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে

    রবিবার চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছে তাঁর দেশের বাড়ি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে। সন্ধ্যায় চণ্ডীপুর এলাকায় চন্দ্রনাথের বাড়িতে পৌঁছন শুভেন্দু। আপ্তসহায়কের ছবিতে মালা দিয়ে তিনি কথা বলেন চন্দ্রনাথের মা-সহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কান্নায় ভেঙে পড়েন পুত্রহারা হাসিরানি রথ। মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার পর চন্দ্রনাথের মা বলেন, ‘‘উনি যে আমার বাড়িতে এসেছেন, সেটা আমার পরম সৌভাগ্য। আমার ছেলেকে মনে রেখেছেন উনি। অনেকেই পদ পাওয়ার পর সব ভুলে যান। কিন্তু উনি এসে কান্নাকাটি করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, তিনি আমাদের পাশে আছেন। দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দেবেন উনি। মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে। আশা রাখছি, ছেলের খুনের বিচার হবে।’’

    দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী

    চন্দ্রনাথের খুনের তদন্তে রাজ্য পুলিশ সিট গঠন করে। সুদূর উত্তরপ্রদেশ থেকে দু’জন এবং বক্সার থেকে এক ‘শার্প শুটার’কে গ্রেফতার করে আনে তারা। কিন্তু মূল চক্রী কে, কার ষড়যন্ত্রে এই খুন, তা এখনও জানা যায়নি। আপাতত এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে। হাসি জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে বলেছেন চন্দ্রনাথকে তিনি নিরাপত্তার মধ্যে থাকতে বলেছিলেন। কিন্তু সে কথায় আমল দেননি তাঁর পুত্র। মহিলার কথায়, ‘‘হয়তো ভবানীপুরের হার মেনে নিতে পারেনি মাননীয়া। সে জন্য আমার ছেলেকে খুন হতে হল। যাঁরা আমার ছেলেকে মেরেছে, তাদের কঠোর শাস্তি হোক। মুখ্যমন্ত্রীর উপর আমাদের আস্থা আছে। উনিও দোষীদের কঠোর শাস্তি চেয়েছেন। আমরা বিচার চেয়েছি। সিবিআইয়ের তদন্ত এগোলে সবটা জানতে পারব।’’

  • Modi 31st International Award: ৩১তম আন্তর্জাতিক সম্মান মোদির ঝুলিতে, সুইডেনের ঐতিহাসিক ‘পোলার স্টার’ সম্মান হাতে প্রধানমন্ত্রী

    Modi 31st International Award: ৩১তম আন্তর্জাতিক সম্মান মোদির ঝুলিতে, সুইডেনের ঐতিহাসিক ‘পোলার স্টার’ সম্মান হাতে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সুইডেন কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সুইডেনের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার, কমান্ডার গ্র্যান্ড ক্রস’ প্রদান করল সুইডেন সরকার। সোমবার সুইডেন সফরে গোথেনবার্গে পৌঁছনোর পর এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই সম্মান তুলে দেন সুইডেনের ক্রাউন প্রিন্সেস ভিক্টোরিয়া। এই পুরস্কার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাষ্ট্রনেতৃত্ব এবং বিশ্বব্যাপী সহযোগিতায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়। সুইডেনের পাঁচ দেশের সফরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এই সম্মান প্রাপ্তি ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গভীরতা এবং কৌশলগত গুরুত্বকে নতুন মাত্রা দিল বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

    কী এই ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার’?

    ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার’ (Kungliga Nordstjärneorden) সুইডেনের একটি ঐতিহ্যবাহী সম্মাননা, যা ১৭৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলত নাগরিক সেবা, বিজ্ঞান, সাহিত্য, জনকল্যাণ এবং আন্তর্জাতিক সদ্ভাব বৃদ্ধিতে অসামান্য অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়। এর ‘কমান্ডার গ্র্যান্ড ক্রস’ গ্রেডটি সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ স্তরগুলির মধ্যে অন্যতম। সাধারণত রাষ্ট্রপ্রধান, শীর্ষ কূটনীতিক এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের এই সম্মান দেওয়া হয়।

    সম্মান গ্রহণ করে কী বললেন মোদি?

    সম্মান গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “এই সম্মান শুধু আমার ব্যক্তিগত প্রাপ্তি নয়, এটি ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সম্মান। আমি এই পুরস্কার ভারত ও সুইডেনের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সৌহার্দ্যের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।” তিনি আরও বলেন, সুইডেনের এই সম্মান দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং আধুনিক কৌশলগত অংশীদারিত্বেরই প্রতিফলন। মোদির কথায়, “ভারত ও সুইডেন শুধু অর্থনৈতিক অংশীদার নয়, উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর সহযোগিতার ক্ষেত্রেও একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী।”

    মোদির ৩১তম আন্তর্জাতিক সম্মান

    বিদেশি সরকারের তরফে প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রাপ্ত আন্তর্জাতিক সম্মানের সংখ্যা এবার দাঁড়াল একত্রিশে। গত কয়েক বছরে বিশ্বের একাধিক দেশ মোদিকে তাদের সর্বোচ্চ বা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধারাবাহিক সম্মান ভারতের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক প্রভাব, কৌশলগত অবস্থান এবং মোদি সরকারের সক্রিয় কূটনৈতিক নীতির প্রতিফলন। বিশেষ করে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, গ্লোবাল সাউথ-এর স্বার্থরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের পক্ষে ভারতের অবস্থান আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসিত হয়েছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মান?

    সুইডিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত-সুইডেন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার-এ পৌঁছেছে।

    দুই দেশের সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে—

    • ● প্রতিরক্ষা সহযোগিতা
    • ● সবুজ শক্তি ও দুষণমুক্ত জ্বালানি প্রযুক্তি
    • ● কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)
    • ● উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম
    • ● টেকসই নগর উন্নয়ন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপে ভারতের কৌশলগত উপস্থিতি জোরদার করতে সুইডেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। একই সঙ্গে নর্ডিক অঞ্চলে ভারতের প্রভাব বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ।

    ভারত-সুইডেন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়

    প্রধানমন্ত্রী মোদির এই সফরে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, উদ্ভাবন, সবুজ প্রযুক্তি এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে শুধু একটি সম্মাননা নয়, এই সফরকে ভারত-সুইডেন সম্পর্কের নতুন অধ্যায় হিসেবেও দেখা হচ্ছে। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুইডেনের এই সম্মান বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান অবস্থান এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার আরেকটি প্রতীক হয়ে থাকল।

  • Govt Job Age Limit: কথামতো কাজ নতুন সরকারের! চাকরির পরীক্ষায় বৃদ্ধি পেল বয়সের ঊর্ধ্বসীমা, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের

    Govt Job Age Limit: কথামতো কাজ নতুন সরকারের! চাকরির পরীক্ষায় বৃদ্ধি পেল বয়সের ঊর্ধ্বসীমা, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকারের নিয়োগ দুর্নীতির জেরে রাজ্যে দীর্ঘদিন বন্ধ সরকারি চাকরির পরীক্ষা। শিক্ষিত, মেধাবী, যোগ্য প্রার্থীদের বয়সও বেড়ে গিয়েছে। তাদের কথা মাথায় রেখেই রাজ্যে পালাবদলের পর বৃদ্ধি করা হল সরকারি চাকরিতে (Govt Job Age Limit) আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা। ঘোষণা আগেই করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ বার সরকারি বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়ে গেল নবান্ন থেকে। গ্রুপ এ, গ্রুপ বি, গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি— প্রতিটি ক্ষেত্রেই চাকরির আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে যারা সরকারি চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তাঁদের মুখে হাসি ফুটল।

    বিজ্ঞপ্তিতে কী জানানো হল

    রাজ্যের অর্থ দফতরের অডিট শাখার জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রুপ এ চাকরিতে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করে ৪১ বছর করা হয়েছে। তবে এ-ও বলা হয়েছে, গ্রুপ এ-র কোনও চাকরির ক্ষেত্রে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা আগে থেকেই ৪১ বছরের বেশি থাকলে, তাতে কোনও বদল হবে না। গ্রুপ বি চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করে ৪৪ বছর করা হয়েছে। গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি চাকরিতে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি পেয়ে হচ্ছে ৪৫ বছর। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১১ মে থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে। ২০১৫ সালের পরে পশ্চিমবঙ্গে কোনও নিয়োগ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে বহু শিক্ষিত যুবক-যুবতীর চাকরির আবেদনের জন্য বয়ঃসীমা পেরিয়ে গিয়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    বিভিন্ন পদে কত বয়সের ঊর্ধ্বসীমা

    সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, গ্রুপ ‘এ’ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা বাড়িয়ে ৪১ বছর করা হয়েছে। তবে কোনও নির্দিষ্ট পদ বা পরিষেবায় আগে থেকেই যদি ৪১ বছরের বেশি বয়সসীমা কার্যকর থাকে, তাহলে সেই উচ্চতর সীমা অপরিবর্তিত থাকবে। গ্রুপ ‘বি’ পদে নিয়োগের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা করা হয়েছে ৪৪ বছর। অন্যদিকে, গ্রুপ ‘সি’ এবং গ্রুপ ‘ডি’ পদে আবেদনের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ৪৫ বছর নির্ধারণ করেছে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন নিয়মিত নিয়োগ না হওয়ার কারণে রাজ্যের বহু যোগ্য যুবক-যুবতী পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগই পাননি। তাঁদের বয়স বেড়ে গিয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে তাঁদের সামনে ফের একবার নতুন করে আশার আলো জেগে উঠল। রাজ্যে ক্ষমতায় এলে কর্মসংস্থানের বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপের বার্তা দিয়েছিল বিজেপি। কথা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

  • Daily Horoscope 18 May 2026: তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 18 May 2026: তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১. আজ তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
    ২. কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব বাড়তে পারে।
    ৩. প্রিয়জনের কাছ থেকে সমর্থন পাবেন।

    বৃষ

    ১. আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।
    ২. পরিবারের পরিবেশ শান্ত থাকবে।
    ৩. পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে।

    মিথুন

    ১. নতুন পরিকল্পনা শুরু করার জন্য শুভ দিন।
    ২. অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়িয়ে চলুন।
    ৩. স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন।

    কর্কট

    ১. চাকরিতে সাফল্যের ইঙ্গিত।
    ২. মন ভালো রাখার চেষ্টা করুন।
    ৩. ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।

    সিংহ

    ১. আত্মবিশ্বাস দিয়ে কঠিন কাজও সম্পন্ন করবেন।
    ২. পরিবারের কারও সুখবর পেতে পারেন।
    ৩. রাগের কারণে সম্পর্ক নষ্ট হতে দেবেন না।

    কন্যা

    ১. পড়াশোনা ও পরীক্ষার জন্য শুভ সময়।
    ২. নতুন পরিচয় লাভ হতে পারে।
    ৩. শরীরের ক্লান্তি বাড়তে পারে।

    তুলা

    ১. দাম্পত্য সম্পর্কে মধুরতা বাড়বে।
    ২. কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সাহায্য পাবেন।
    ৩. অর্থনৈতিক চিন্তা কিছুটা কমবে।

    বৃশ্চিক

    ১. ব্যবসায় নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২. গুরুত্বপূর্ণ কাজে সতর্ক থাকুন।
    ৩. পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    ধনু

    ১. আজ ভাগ্য আপনার পক্ষে থাকবে।
    ২. আটকে থাকা টাকা ফিরে পেতে পারেন।
    ৩. ধর্মীয় কাজে আগ্রহ বাড়বে।

    মকর

    ১. অফিসে প্রশংসা পেতে পারেন।
    ২. নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করতে হতে পারে।
    ৩. মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।

    কুম্ভ

    ১. বন্ধুর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি মিটবে।
    ২. নতুন কাজের সুযোগ আসতে পারে।
    ৩. প্রেমের সম্পর্কে শুভ সময়।

    মীন

    ১. আজ ধৈর্য ধরে কাজ করুন।
    ২. পরিবারের সমর্থন পাবেন।
    ৩. বিশ্রাম ও ঘুমের দিকে গুরুত্ব দিন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 649: “শ্রীরামকৃষ্ণ ঈষৎ হাস্য করিলেন ও সঙ্কেত করিয়া রামকেই জিজ্ঞাসা করিতেছেন—রোগের কথাও উঠবে?”

    Ramakrishna 649: “শ্রীরামকৃষ্ণ ঈষৎ হাস্য করিলেন ও সঙ্কেত করিয়া রামকেই জিজ্ঞাসা করিতেছেন—রোগের কথাও উঠবে?”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১৩ই এপ্রিল

                                                ঈশ্বরকোটির কি কর্মফল, প্রারব্ধ আছে? যোগবাশিষ্ঠ

    পরদিন মঙ্গলবার, রামনবমী; ১লা বৈশাখ, ১৩ই এপ্রিল, ১৮৮৬ খ্রীষ্টাব্দ। প্রাতঃকাল, — ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) উপরের ঘরে শয্যায় বসিয়া আছেন। বেলা ৮টা-৯টা হইবে। মণি রাত্রে ছিলেন, প্রাতে গঙ্গা স্নান করিয়া আসিয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিতেছেন। রাম (দত্ত) সকালে আসিয়াছেন ও প্রণাম করিয়া উপবেশন করিলেন। রাম ফুলের মালা আনিয়াছেন ও ঠাকুরকে নিবেদন করিলেন। ভক্তেরা অনেকেই নিচে বসিয়া আছেন। দুই-একজন ঠাকুরের ঘরে আছেন। রাম ঠাকুরের সহিত কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (রামের প্রতি) — কিরকম দেখছ?

    রাম — আপনার সবই আছে। এখনই রোগের সব কথা উঠবে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ ঈষৎ হাস্য করিলেন ও সঙ্কেত করিয়া রামকেই জিজ্ঞাসা করিতেছেন — “রোগের কথাও উঠবে?”

    ঠাকুরের (Ramakrishna) চটিজুতা আছে, পায়ে লাগে। ডাক্তার রাজেন্দ্র দত্ত মাপ দিতে বলিয়াছেন, — তিনি ফরমাশ দিয়া আনিবেন। ঠাকুরের পায়ের মাপ লওয়া হইল। এই পাদুকা এখন বেলুড় মঠে পূজা হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ মণিকে সঙ্কেত করিতেছেন, “কই, পাথরবাটি?” মণি তৎক্ষণাৎ উঠিয়া দাঁড়াইলেন, — কলিকাতায় পাথরবাটি আনিতে যাইবেন (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ বলিতেছেন, “থাক্‌ থাক্‌ এখন।”

    মণি — আজ্ঞা না, এঁরা সব যাচ্ছেন, এই সঙ্গেই যাই।

    মণি নূতন বাজারের জোড়াসাঁকোর চৌমাথায় একটি দোকান হইতে একটি সাদা পাথরবাটি কিনিলেন। বেলা দ্বিপ্রহর হইয়াছে, এমন সময়ে কাশীপুরে ফিরিয়া আসিলেন ও ঠাকুরের কাছে আসিয়া প্রণাম করিয়া বাটিটি রাখিলেন। ঠাকুর সাদা বাটিটি হাতে করিয়া দেখিতেছেন। ডাক্তার রাজেন্দ্র দত্ত, গীতাহস্তে শ্রীনাথ ডাক্তার, শ্রীযুক্ত রাখাল হালদার, আরও কয়েজন আসিয়া উপস্থিত হইলেন। ঘরে রাখাল (Kathamrita), শশী, ছোট নরেন প্রভৃতি ভক্তেরা আছেন। ডাক্তারেরা ঠাকুরের পীড়া সম্বন্ধে সমস্ত সংবাদ লইলেন।

    শ্রীনাথ ডাক্তার (বন্ধুদের প্রতি) — সকলেই প্রকৃতির অধীন। কর্মফল কেউ এড়াতে পারে না! প্রারব্ধ!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কেন, — তাঁর নাম করলে, তাঁকে চিন্তা করলে, তাঁর শরণাগ্য হলে —

    শ্রীনাথ — আজ্ঞে, প্রারব্ধ কোথা যাবে? — পূর্ব পূর্ব জন্মের কর্ম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — খানিকটা কর্ম ভোগ হয়। কিন্তু তাঁর নামের গুণে অনেক কর্মপাশ কেটে যায়। একজন পূর্বজন্মের কর্মের দরুন সাত জন্ম কানা হত; কিন্তু সে গঙ্গাস্নান করলে। গঙ্গাস্নানে মুক্তি হয়। সে ব্যক্তির চক্ষু যেমন কানা সেইরকমই রইল, কিন্তু আর যে ছজন্ম সেটা হল না।

  • PM Modi: নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত ‘আফসলাইডাইক’ বাঁধে প্রধানমন্ত্রী মোদি, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় ডাচ মডেল কেন প্রয়োজন ভারতের, জানেন?

    PM Modi: নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত ‘আফসলাইডাইক’ বাঁধে প্রধানমন্ত্রী মোদি, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় ডাচ মডেল কেন প্রয়োজন ভারতের, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত ‘আফসলাইডাইক’ বাঁধ পরিদর্শনে (Netherlands Afsluitdijk Dam) গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর চার দেশীয় ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে ডাচ প্রধানমন্ত্রী রব জেতেনের (Rob Jetten) সঙ্গে তিনি এই সুবিশাল জলকপাট ও বাঁধ এলাকাটি ঘুরে দেখেন। আপাতদৃষ্টিতে এটি একটি সাধারণ দ্বিপাক্ষিক সৌজন্য সফর মনে হলেও, বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতের দীর্ঘমেয়াদী জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার ক্ষেত্রে এই পরিদর্শনের কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম।

    জল ব্যবস্থাপনায় পথপ্রদর্শক নেদারল্যান্ডস (PM Modi)

    পরিদর্শন শেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ডাচ প্রযুক্তির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি লেখেন, “জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় নেদারল্যান্ডস এক যুগান্তকারী কাজ (Netherlands Afsluitdijk Dam) করেছে। সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের এই অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু শিখতে পারে। আজ সকালে আফসলাইডাইক বাঁধটি পরিদর্শন করে এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেয়েছি। এই পরিদর্শনে আমার সঙ্গী হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী রব জেতেনকে ধন্যবাদ। সেচকাজ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যন্তরীণ জলপথের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে আমরা ভারতে এই ধরণের আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আসতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    প্রকৌশল এবং উদ্ভাবনের এক অনন্য প্রতীক!

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও এই সফরকে ভারত-ডাচ অংশীদারিত্বের এক নতুন অধ্যায় বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে লেখেন, “প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের এক অনন্য প্রতীক! নেদারল্যান্ডসের চমৎকার জল ব্যবস্থাপনা, বন্যা প্রতিরোধ ও মিষ্টি জল সংরক্ষণের প্রতীক এই আফসলাইডাইক বাঁধ। এই সফরটি গুজরাটের উচ্চাভিলাষী ‘কল্পসর প্রকল্প’-এর (Kalpasar Project) ক্ষেত্রে ডাচ (Netherlands Afsluitdijk Dam) দক্ষতার প্রাসঙ্গিকতাকে তুলে ধরেছে।”

    ভারতের জলশক্তি মন্ত্রক এবং ডাচ পরিকাঠামো মন্ত্রকের মধ্যে  প্রযুক্তিগত সহযোগিতার জন্য একটি সম্মতিপত্রও (Letter of Intent) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    কী এই আফসলাইডাইক বাঁধ?

    নেদারল্যান্ডসের সমুদ্রের জলের সঙ্গে লড়াইয়ের দীর্ঘ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল এই আফসলাইডাইক বাঁধ। প্রায় ৮০ বছর আগে তৈরি হওয়া এই ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধটি উত্তর সাগরকে (North Sea) মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করে এবং ‘আইসেলমির’ (IJsselmeer) নামক একটি বিশাল মিষ্টি জলের হ্রদ তৈরি করেছে। এটি মূলত সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি এবং ভয়াবহ বন্যা থেকে নিম্নভূমি অঞ্চলের নেদারল্যান্ডসকে রক্ষা করে।

    ৮০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়

    বর্তমানে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়ে এই প্রকল্পটিকে আরও আধুনিক করে “আফসলাইডাইক ২.০” রূপ দেওয়া হচ্ছে। নতুন এই নকশাটি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে এটি আগামী ১০,০০০ বছরে একবার আসতে পারে এমন প্রলয়ঙ্কারী ঝড়কেও অনায়াসে রুখে দিতে পারে। এতে আধুনিক স্লুইস গেট, উন্নত জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা, মাছের চলাচলের করিডোর এবং জোয়ার-ভাটা ও সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে।

    ভারতের ‘কল্পসর প্রকল্প’ ও ডাচ মডেলের প্রয়োজনীয়তা

    ভারতের কেন এই ডাচ মডেল (Netherlands Afsluitdijk Dam) প্রয়োজন, তার উত্তর লুকিয়ে রয়েছে গুজরাটের খাম্বাত উপসাগরে প্রস্তাবিত ‘কল্পসর প্রকল্প’-এর মধ্যে। গত কয়েক দশক ধরে সমীক্ষার স্তরে থাকা এই মেগা প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল সমুদ্রের বুকে একটি বাঁধ তৈরি করে বিশ্বের বৃহত্তম মিষ্টি জলের জলাধার তৈরি করা।

    ডাচদের মতোই ভারতও খাম্বাত উপসাগরে বাঁধ দিয়ে জোয়ার-ভাটার শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিস্তীর্ণ অঞ্চলে সেচের জল পৌঁছানো এবং জলপথ ও সড়ক যোগাযোগ উন্নত করতে চায়। হাইড্রোলিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা জলবিজ্ঞান প্রযুক্তিতে নেদারল্যান্ডসের শতাব্দী প্রাচীন জ্ঞান এবং ভারতের বিশাল কর্মযজ্ঞের মেলবন্ধন ঘটলে খাম্বাত উপসাগরের এই অবাস্তব মনে হওয়া প্রকল্পটিকেও বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও মিষ্টি জলের সংকটের মাঝে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) এই সফর ভারতের ভবিষ্যৎ পরিকাঠামো ও জল সুরক্ষায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করল।

  • Ashwini Vaishnaw: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩টি নতুন রেল প্রকল্পের অনুমোদন কেন্দ্রের, চলবে জয়পুরগামী নতুন এক্সপ্রেস

    Ashwini Vaishnaw: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩টি নতুন রেল প্রকল্পের অনুমোদন কেন্দ্রের, চলবে জয়পুরগামী নতুন এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রী (Indian Railway) এবং রাজ্যের রেল পরিকাঠামোর জন্য বড় সুখবর। পশ্চিমবঙ্গের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন রেল প্রকল্প ও পরিষেবার অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) এই অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে পৃথক চিঠি পাঠিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

    রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর পরিকাঠামো ক্ষেত্রে রেল মন্ত্রকের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করতে এই প্রকল্পগুলি বড় ভূমিকা নেবে। নতুন অনুমোদিত ৩টি প্রধান রেল প্রকল্পগুলি হোল…

    ১. কলকাতা- জয়পুর নতুন এক্সপ্রেস ট্রেন (Ashwini Vaishnaw)

    কলকাতা ও রাজস্থানের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীদের সুবিধার্থে রেল মন্ত্রক একটি নতুন দূরপাল্লার এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর অনুমোদন দিয়েছে। ১৮০৬১/১৮০৬২ সাঁতরাগাছি-খাতিপুরা এক্সপ্রেস খড়গপুর হয়ে কলকাতার সাঁতরাগাছি এবং জয়পুরের খাতিপুরা স্টেশনের (Indian Railway) মধ্যে চলাচল করবে। এই নতুন ট্রেনটি চালু হলে পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষা এবং পারিবারিক কারণে দুই রাজ্যের মধ্যে যাতায়াতকারী মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে এবং বর্তমান ট্রেনগুলির ওপর চাপ কমবে।

    ২. নিউ জলপাইগুড়ি-শিলিগুড়ি লাইনের ডবলিং (দ্বৈতকরণ)

    উত্তরবঙ্গের অত্যন্ত ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ রেল করিডোর নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) থেকে শিলিগুড়ির মধ্যে প্রায় ৭.১৫ কিলোমিটার রেল লাইনের ডবলিং বা দ্বৈতকরণের কাজ অনুমোদন পেয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই রুটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইনে ডবল ট্র্যাকিংয়ের কাজ সম্পন্ন হলে ট্রেনের (Indian Railway) গতি বাড়বে, যানজট ও বিলম্ব কমবে এবং রেলের পরিচালন ক্ষমতা অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।

    ৩. শালবনী-আদ্রা তৃতীয় লাইনের সমীক্ষা

    দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে শালবনী থেকে আদ্রা পর্যন্ত ১০৭ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রস্তাবিত তৃতীয় রেল লাইনের ‘ফাইনাল লোকেশন সার্ভে’ (FLS)-র অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সমীক্ষার পর একটি বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (DPR) তৈরি করা হবে। খনিজ ও শিল্পসমৃদ্ধ এই অঞ্চলে পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী ট্রেনের মসৃণ চলাচলের জন্য এই তৃতীয় লাইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

    ১৪,২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ

    রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw) জানিয়েছেন ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে পশ্চিমবঙ্গের রেল পরিকাঠামো (Indian Railway) উন্নয়নের জন্য রেকর্ড ১৪,২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তার পাশাপাশি চলতি মাসেই রাজ্যে রেলের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আরও ৮৯৫.৩০ কোটি টাকার একাধিক পরিকাঠামো প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছিল ভারতীয় রেল।

    রেল মন্ত্রকের আধিকারিকদের মতে, এই নতুন প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমবঙ্গের ব্যস্ততম রেল রুটগুলির জট কেটে যাবে, যাত্রীদের ভ্রমণের সময় কমবে এবং সার্বিকভাবে রাজ্যের অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

  • Conversion Row: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ না করায় চাকরি খোয়ালেন মিশনারি স্কুলের হিন্দু মহিলা কর্মীরা?

    Conversion Row: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ না করায় চাকরি খোয়ালেন মিশনারি স্কুলের হিন্দু মহিলা কর্মীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁদের খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করতে জোরাজুরি করছিল। মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের সেন্ট অ্যালয়সিয়াস স্কুলের কয়েকজন হিন্দু মহিলা কর্মীর অভিযোগ (Conversion Row), ধর্ম পরিবর্তন করতে অস্বীকার করায় তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে (Madhya Pradesh)। জবলপুরের ওই ঘটনায় ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনার। পুলিশের কাছে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে একটি হিন্দু সংগঠন। সদ্য চাকরি খোয়ানো হিন্দু মহিলারা স্থানীয় থানায় স্কুলের ফাদার সোমি জ্যাকব এবং কয়েকজন প্রবীণ শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের অভিযোগ, দু’দিন আগে তাঁদের একটি চার্চের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। সেখানে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য জোরাজুরি করা হয়। রাজি না হওয়ায় চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় তাঁদের।

    ধর্মান্তরিত হতে জোরাজুরি (Conversion Row)

    অভিযোগকারীদের দাবি, স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন, চাকরি রাখতে হলে তাঁদের ধর্মান্তরিত হতে হবে। নিয়মিত অংশ নিতে হবে চার্চের প্রার্থনায়। অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন দীপা পটেলও। তিনি জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে ওই স্কুলে সাফাইকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ধর্ম পরিবর্তন করতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে অপমান করা হয়, মারধর করা হয়, এবং পরে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। দীপা বলেন, “আমি ঘটনাটি ফাদারকে জানিয়েছিলাম, কিন্তু কোনও সাহায্য পাইনি।” তিনি জানান, তিনি বিধবা। তাঁর ছোট ছোট দুই সন্তান রয়েছে। আচমকা চাকরি চলে যাওয়ায় তিনি এখন ভয়ঙ্কর আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পথে নামেন হিন্দু ধর্ম সেনার সদস্যরা। পুলিশ সুপারের দফতরে গিয়ে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা (Conversion Row)।

    টার্গেট মহিলারা 

    সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ, মিশনারি স্কুলগুলি দরিদ্র ও কর্মজীবী মহিলাদের আর্থিক দুরবস্থার সুযোগ নিয়ে তাঁদের টার্গেট করছে। তাঁদের দাবি, কয়েকজন শিক্ষক ও মহিলা কর্মীকে নিজেদের ধর্ম ছেড়ে হয় খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করতে বলা হয়েছে, নয়তো চাকরি ছাড়তে বলা হয়েছে। হিন্দু সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন নীরজ রাজপুত। তিনি বলেন, “পাঁচ-ছ’জন হিন্দু মহিলা কর্মীর ওপর চার্চে যাওয়া এবং খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ বহু বছর ধরে স্কুলে কাজ করলেও, তাঁদের বরখাস্ত করা হয়েছে। যদিও ধর্ম বদলাতে না চেয়ে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে আগেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে দিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “স্কুলের প্রিন্সিপাল ও পরিচালন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে, বড় ধরনের আন্দোলন করা হবে।”

    পুলিশের বক্তব্য

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সূর্যকান্ত শর্মা জানান, দীপা পটেল, অমন আগরওয়াল এবং স্কুলের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, তাঁদের ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। অস্বীকার করায় চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে (Madhya Pradesh)। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Conversion Row)।

     

  • Demolition: হাওড়া স্টেশন চত্বরে উচ্ছেদ অভিযান, বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ দাওয়াইয়ের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    Demolition: হাওড়া স্টেশন চত্বরে উচ্ছেদ অভিযান, বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ দাওয়াইয়ের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সন্ধ্যায় বিশাল পুলিশবাহিনীর উপস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুর কর্তৃপক্ষ হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন (Howrah Railway Station) সংলগ্ন এলাকায় চালায় উচ্ছেদ অভিযান। এলাকার বেশ কিছু অবৈধ দখল ও বেআইনি নির্মাণ গুঁড়িয়ে দিতে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালীন কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গোটা এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছিল কড়া নিরাপত্তায়। পুরসভার আধিকারিকরা বুলডোজার (Demolition) ও ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে এসে বেআইনি হিসেবে চিহ্নিত কাঠামো ভেঙে দেন।

    আইনের গন্ডির মধ্যে থেকে কাজ করুন (Demolition)

    হাওড়ার এই ঘটনার  প্রেক্ষিতে রবিবার সকালে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্যজুড়ে সব ধরণের বেআইনি নির্মাণ ও অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খড়গপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “দেশজুড়েই এবার বুলডোজার চলবে। যেখানেই বেআইনি নির্মাণ দেখা যাবে, সেখানেই বুলডোজার নামানো হবে। বাংলায় ক্ষমতায় আসা নতুন সরকার প্রথম দিন থেকেই এই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। যারা এই ধরণের বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের কাছে আমার অনুরোধ—আইনের গন্ডির মধ্যে থেকে কাজ করুন। সরকার আপনাদের সব রকম সহযোগিতা করবে। তবে সরকারি জমি দখল করা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।” উল্লেখ্য, সম্প্রতি কলকাতার তিলজলা এলাকায় একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দু’জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর এলাকার একাধিক বেআইনি নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তার পরেই সেখানে চালানো হয়েছিল উচ্ছেদ অভিযান। তার রেশ ধরেই হাওড়ায় (Howrah Railway Station) চালানো হল এই অভিযান। ইতিমধ্যেই শিয়ালদা স্টেশন চত্বরও হকার মুক্ত করা হয়েছে।

    ‘আমরা তাড়াহুড়ো করছি না’

    রাজ্যের আর এক মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল উচ্ছেদ অভিযানের সাফাই গেয়ে জানান, প্রশাসন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনেই অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি বলেন, “যদি কোনও বেআইনি নির্মাণ থাকে, তবে আমরা প্রথমে নোটিশ পাঠাব এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখতে চাইব। বৈধ কোনও কাগজ না থাকলে আমরা নির্মাণের অনুমতি দেব না। তবে আমরা কোনও তাড়াহুড়ো করছি না, বাসিন্দাদের নথিপত্র দেখানোর জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে।”

    আগের সরকার ব্যর্থ ছিল

    হাওড়ার (Howrah Railway Station) এই উচ্ছেদ অভিযান সমর্থন করেন বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষও। তাঁর অভিযোগ, পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এই বিপুল পরিমাণ বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিল। তবে তিলজলা-সহ বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযানের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সাধারণ বাসিন্দারা প্রশাসনের এই আকস্মিক সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের দাবি, উচ্ছেদ বা ভাঙচুর শুরু করার আগে বাড়িঘর থেকে নিজেদের জরুরি নথিপত্র ও আসবাবপত্র বের করে নেওয়ার জন্য প্রশাসন যেন তাঁদের আরও কিছুটা সময় দেয়।

LinkedIn
Share