Blog

  • Demolition: হাওড়া স্টেশন চত্বরে উচ্ছেদ অভিযান, বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ দাওয়াইয়ের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    Demolition: হাওড়া স্টেশন চত্বরে উচ্ছেদ অভিযান, বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ দাওয়াইয়ের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সন্ধ্যায় বিশাল পুলিশবাহিনীর উপস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুর কর্তৃপক্ষ হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন (Howrah Railway Station) সংলগ্ন এলাকায় চালায় উচ্ছেদ অভিযান। এলাকার বেশ কিছু অবৈধ দখল ও বেআইনি নির্মাণ গুঁড়িয়ে দিতে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালীন কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গোটা এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছিল কড়া নিরাপত্তায়। পুরসভার আধিকারিকরা বুলডোজার (Demolition) ও ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে এসে বেআইনি হিসেবে চিহ্নিত কাঠামো ভেঙে দেন।

    আইনের গন্ডির মধ্যে থেকে কাজ করুন (Demolition)

    হাওড়ার এই ঘটনার  প্রেক্ষিতে রবিবার সকালে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্যজুড়ে সব ধরণের বেআইনি নির্মাণ ও অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খড়গপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “দেশজুড়েই এবার বুলডোজার চলবে। যেখানেই বেআইনি নির্মাণ দেখা যাবে, সেখানেই বুলডোজার নামানো হবে। বাংলায় ক্ষমতায় আসা নতুন সরকার প্রথম দিন থেকেই এই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। যারা এই ধরণের বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের কাছে আমার অনুরোধ—আইনের গন্ডির মধ্যে থেকে কাজ করুন। সরকার আপনাদের সব রকম সহযোগিতা করবে। তবে সরকারি জমি দখল করা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।” উল্লেখ্য, সম্প্রতি কলকাতার তিলজলা এলাকায় একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দু’জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর এলাকার একাধিক বেআইনি নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তার পরেই সেখানে চালানো হয়েছিল উচ্ছেদ অভিযান। তার রেশ ধরেই হাওড়ায় (Howrah Railway Station) চালানো হল এই অভিযান। ইতিমধ্যেই শিয়ালদা স্টেশন চত্বরও হকার মুক্ত করা হয়েছে।

    ‘আমরা তাড়াহুড়ো করছি না’

    রাজ্যের আর এক মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল উচ্ছেদ অভিযানের সাফাই গেয়ে জানান, প্রশাসন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনেই অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি বলেন, “যদি কোনও বেআইনি নির্মাণ থাকে, তবে আমরা প্রথমে নোটিশ পাঠাব এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখতে চাইব। বৈধ কোনও কাগজ না থাকলে আমরা নির্মাণের অনুমতি দেব না। তবে আমরা কোনও তাড়াহুড়ো করছি না, বাসিন্দাদের নথিপত্র দেখানোর জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে।”

    আগের সরকার ব্যর্থ ছিল

    হাওড়ার (Howrah Railway Station) এই উচ্ছেদ অভিযান সমর্থন করেন বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষও। তাঁর অভিযোগ, পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এই বিপুল পরিমাণ বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিল। তবে তিলজলা-সহ বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযানের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সাধারণ বাসিন্দারা প্রশাসনের এই আকস্মিক সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের দাবি, উচ্ছেদ বা ভাঙচুর শুরু করার আগে বাড়িঘর থেকে নিজেদের জরুরি নথিপত্র ও আসবাবপত্র বের করে নেওয়ার জন্য প্রশাসন যেন তাঁদের আরও কিছুটা সময় দেয়।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর নেদারল্যান্ডস সফরে স্বাক্ষরিত হল ফ্রন্ট-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের চুক্তি

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর নেদারল্যান্ডস সফরে স্বাক্ষরিত হল ফ্রন্ট-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সেমিকন্ডাক্টর খাতে উচ্চাকাঙ্খা পূরণে ১৬ মে নেওয়া হল বিরাট পদক্ষেপ। এদিনই টাটা ইলেকট্রনিক্স (Tata Electronics) এবং এএসএমএল (ASML) গুজরাটে দেশের প্রথম ফ্রন্ট-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে (Gujarat)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেদারল্যান্ডস সফরে স্বাক্ষরিত হয়েছে এই চুক্তি।

    কী বলছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক (PM Modi)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেট্টেনের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয় চুক্তি। এই অংশীদারিত্ব গুজরাটের ঢোলেরায় টাটা ইলেকট্রনিক্সের পরিকল্পিত ৩০০-মিলিমিটার সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন ইউনিটকে সাহায্য করবে। এজন্য বিনিয়োগ করা হচ্ছে ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কোম্পানিগুলির তরফে জানানো হয়েছে, এএসএমএলের সেমিকন্ডাক্টর যন্ত্রপাতি প্রযুক্তি এই প্ল্যান্টে ব্যবহৃত হবে। এখানে অটোমোবাইল, মোবাইল ডিভাইস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো ক্ষেত্রের জন্য চিপ তৈরি করা হবে। এএসএমএলের এক্সিকিউটিভ খ্রিস্টোফি ফুকেট (Christophe Fouquet) বলেন, “ভারতের দ্রুত প্রসারমান সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে অনেক আকর্ষণীয় সুযোগ রয়েছে।” তিনি জানান, তাদের (ডাচ) এই কোম্পানি ভারতে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ব্যবস্থা

    ভারত ইতিমধ্যেই দেশের নিজস্ব সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বর্তমানে দেশে আটটি সেমিকন্ডাক্টর-সম্পর্কিত প্রকল্প চলছে। এর মধ্যে গুজরাটে টাটা ইলেকট্রনিক্সের আর একটি ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রকল্পও রয়েছে। চলতি ইউরোপ সফরে প্রধানমন্ত্রী নেদারল্যান্ডসের রাজা উইলেম আলেকজান্ডার (Willem-Alexander) এবং রানি (ম্যাক্সিমা)-র (Máxima) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দ্য হেগের রাজপ্রাসাদে। আলোচনায় ভারত-নেদারল্যান্ডস সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ও উঠে এসেছিল, বিশেষ করে টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, ফিনটেক এবং ব্লু ইকোনমির ক্ষেত্রে। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি ডাচ কোম্পানিগুলিকে সেমিকন্ডাক্টর, নবীকরণযোগ্য শক্তি, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো ক্ষেত্রে ভারতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। উভয় পক্ষ ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত কার্যকর করার পক্ষেও সম্মত হয়েছে (PM Modi)।

    ভারত-নেদারল্যান্ডস সহযোগিতার প্রতিফলন?

    প্রসঙ্গত, এই চুক্তি ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার প্রতিফলন। বর্তমানে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চিন প্রযুক্তি প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে বিশ্বব্যাপী সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ ব্যবস্থা পুনর্গঠিত হচ্ছে। ডাচ সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলি নতুন বাজার ও ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের দিকে ঝুঁকছে। আর ভারত চাইছে বিরাট বিনিয়োগ ও নীতিগত প্রণোদনার মাধ্যমে নিজেকে একটি বড় উৎপাদন ও প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে। এই সেমিকন্ডাক্টর চুক্তিটি প্রধানমন্ত্রীর ১৫ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত চলা পাঁচ-দেশীয় কূটনৈতিক সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে সম্পন্ন হয়েছে (Gujarat)। নেদারল্যান্ডসে পৌঁছানোর আগে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফর করেন (PM Modi)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। ১০ থেকে ১৬ মে, ২০২৬ – এই সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    বেয়ারেলি থেকে একটি চমকপ্রদ ও অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে। বছর বারোর এক হিন্দু নাবালিকাকে জনৈক জিশান যৌন নির্যাতন করে বলে অভিযোগ। এর পরেই ওই নাবালিকা আত্মহত্যা করে। ঘটনাটি প্রথমে আত্মহত্যা বলে মনে হলেও, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গিয়েছে, মৃত্যুর আগে ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের (TCS) অফিসকে ঘিরে ধর্মান্তর ও হয়রানির মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত নিদা খানকে মহারাষ্ট্র পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তিনি কয়েকদিন ধরে পুলিশের চোখ এড়িয়ে গা ঢাকা দিয়েছিলেন।

    কলস যাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    পূর্ব চম্পারণ জেলার মোতিহারির ভিন্দার গ্রামে একটি কলস যাত্রা চলাকালীন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশি ব্যবস্থার পাশাপাশি নতুন করে গ্রেফতারি এবং উসকানিমূলক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। তাই ঘটনাটি স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলার বিষয় হওয়ার পাশাপাশি বৃহত্তর সাম্প্রদায়িক উত্তেজনারও কারণ হয়ে উঠেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, হিন্দুদের শোভাযাত্রা একটি মসজিদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তা ও ডিজে বাজানো নিয়ে আপত্তি ওঠে। তার জেরেই পাথর ছোড়া ও লাঠিসোঁটা নিয়ে শুরু হয় হিংসা। দেওরিয়ায় এক মুসলিম যুবক আশিক আনসারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ‘লাভ জেহাদ’ মামলায়। এক হিন্দু কিশোরী বৃন্দাবনের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, পুলিশ পকসো আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশের ছবি

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছেই। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যেই চলছে এই আক্রমণ (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবকে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশছাড়া করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। মানিকগঞ্জ জেলায় ৩৫ বছর বয়সী মাছ ব্যবসায়ী কৃষ্ণ রাজবংশীর কাছে বাজার পরিচালনা কমিটির সদস্যরা ৪০,০০০ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে না পারায় তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। নিহত ব্যক্তি মানিকগঞ্জ পুরসভার বান্দুটিয়া মহিষবাড়ি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বিভিন্ন জলাশয়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। মাঝে মাঝে বাজারে ট্রাক থেকে মাছ নামানোর কাজও করতেন।

    হিন্দু পরিবারকে আক্রমণ

    দক্ষিণাঞ্চলের বাগেরহাট জেলার একটি সংখ্যালঘু পরিবারের অভিযোগ, একটি সশস্ত্র দল তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে মারধর করেছে। বাড়ি ভাঙচুর করার পাশাপাশি লুটপাটও চালায়। উদ্দেশ্য ছিল, বিতর্কিত জমি দখল করা। ভুক্তভোগীদের মতে, ৫০-৬০ জন ইসলামপন্থীর একটি দল এই হামলা চালায়, যাদের নেতৃত্বে ছিল  স্থানীয় প্রভাবশালী সোবাহান হাওলাদার, তার ছেলে মিরাজ ও আবদুল্লাহ এবং তার ভাই সারওয়ার ও দেলোয়ার। হামলাকারীরা দা, হাতুড়ি, কোদাল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। জমির মালিকানা নিয়ে রবিন ঢালি ও সোবাহান হাওলাদারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা আইনি বিরোধের সঙ্গে এই হামলার সম্পর্ক রয়েছে বলে অনুমান।

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষের জের। এসবই ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত রয়েছে বলে দাবি। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দু-বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে। এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় নজরে আসে না, যদি না কেউ প্রচলিত আইন ও ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি এর একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং নিষেধাজ্ঞার পেছনে যৌক্তিকতার অভাব লক্ষ্য (Hindus Under Attack) করলে দ্বিচারিতা (Roundup Week) স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

     

  • Bhojshala Verdict: ভোজশালা রায়, ধার জেলার সেই ঐতিহাসিক সরস্বতী মূর্তি কীভাবে পৌঁছাল লন্ডনে? ফেরতের দাবি

    Bhojshala Verdict: ভোজশালা রায়, ধার জেলার সেই ঐতিহাসিক সরস্বতী মূর্তি কীভাবে পৌঁছাল লন্ডনে? ফেরতের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের সাম্প্রতিক একটি ঐতিহাসিক রায়কে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। আদালত ধার জেলার বিতর্কিত ‘ভোজশালা’ (Bhojshala Verdict) চত্বরটিকে হিন্দু দেবী সরস্বতীর মন্দির (Saraswati Murti) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই রায়ের পর পরই ব্রিটিশ আমলে ভারত থেকে চুরি যাওয়া বাগদেবীর সরস্বতী মূল মূর্তিটি লন্ডন থেকে ফিরিয়ে আনার দাবি জোরদার হয়েছে। হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, এই রায় ঐতিহাসিক। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে অযোধ্যার রাম জন্মভূমি ও মন্দির উদ্ধারের পর ইন্দোর হাইকোর্টের ভোজশালা সংক্রান্ত এই রায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

    রাজা ভোজের আমল ও গৌরবময় ইতিহাস (Bhojshala Verdict)

    ভোজশালার (Bhojshala Verdict) ইতিহাস একাদশ শতকের। পরমার রাজবংশের বিখ্যাত রাজা ভোজ ধারে সংস্কৃত শিক্ষার একটি অন্যতম প্রধান কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ঐতিহাসিক নথিপত্র অনুযায়ী, এটি ব্যাকরণ, দর্শন ও সাহিত্যের এক বিখ্যাত বিদ্যাপীঠ ছিল, যেখানে জ্ঞানের দেবী সরস্বতীর (Saraswati Murti) আরাধনা হত নিয়মিত। এই বিদ্যাপীঠের প্রধান উপাস্য দেবী হিসেবে একটি অনন্য সরস্বতী মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল, যা পরমার আমলের ভাস্কর্য ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

    আক্রমণ ও ধ্বংসের ইতিহাস

    শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মধ্য ভারতে বিভিন্ন ইসলামিক আগ্রাসনের সময় ভোজশালা (Bhojshala Verdict) চত্বরটি বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৩০৫ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি এই জায়গায় হামলা চালান, হত্যা করেন হাজার হাজার হিন্দু পণ্ডিত ও শিক্ষার্থীকে। পরবর্তী কালে ১৪০১ খ্রিস্টাব্দে দিলওয়ার খান এবং ১৫১৪ খ্রিস্টাব্দে মেহমুদ শাহ এই মন্দিরের অংশবিশেষ ধ্বংস করে সেটিকে দরগা ও মসজিদে রূপান্তর করার চেষ্টা করেন। তবে সেখানকার খোদাই করা স্তম্ভ ও শিলালিপি আজও প্রমাণ করে, এটি আদতেই একটি প্রাচীন হিন্দু শিক্ষাকেন্দ্র ও মন্দির ছিল। এই ভাঙচুরের পর মূল সরস্বতী মূর্তিটি দীর্ঘদিন ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে ছিল।

    ব্রিটিশ আমলে উদ্ধার ও লন্ডনে পাচার

    উনিশ শতকে ব্রিটিশ রাজত্বে মূর্তিটির ইতিহাসের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়। ১৮৭৫ সালে ধার অঞ্চলে খননকার্য চালানোর সময় ব্রিটিশ অফিসার উইলিয়াম কিনক্লেড এই নান্দনিক মূর্তিটি উদ্ধার করেন। তৎকালীন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক মানসিকতার অংশ হিসেবে, ভারতের বহু অমূল্য সম্পদের মতোই এই মূর্তিটিকেও সম্মতি ছাড়াই দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৮৮৬ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে মূর্তিটি ইংল্যান্ডে পাচার করা হয়। বর্তমানে এটি লন্ডনের বিখ্যাত ‘ব্রিটিশ মিউজিয়াম’-এ মধ্যযুগীয় ভারতীয় ভাস্কর্যের নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে। পাশ্চাত্যের কাছে এটি কেবল একটি প্রাচীন শিল্পসামগ্রী হলেও, ভারতীয়দের কাছে এটি একটি জীবন্ত ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতীক।

    হাইকোর্টের রায় ও ভারতের আইনি অবস্থান

    সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের ইন্দোর বেঞ্চ ২০০৩ সালের ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণের (ASI) একটি আদেশ বাতিল করেছে। এখন থেকে ওই চত্বরে মুসলমানদের শুক্রবারের নামাজ পড়ার অনুমতি রদ করে দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা এবং বিচারপতি আলোক অবস্থির ডিভিশন বেঞ্চ ঐতিহাসিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে স্পষ্ট জানিয়েছে যে, ভোজশালা (Bhojshala Verdict)  মূলত রাজা ভোজের তৈরি করা একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং এটি একটি সরস্বতী মন্দির (Saraswati Murti)।

    এই রায়ের পর আদালত উল্লেখ করেছে যে, কেন্দ্র সরকার আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লন্ডন থেকে এই পবিত্র মূর্তিটি ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। এই পর্যবেক্ষণ ভারতের ‘#BringBackOurGods’ (আমাদের ঈশ্বরদের ফিরিয়ে দাও) আন্দোলনকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে।

    মূর্তি প্রত্যর্পণের জোরালো দাবি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বর্তমান ভারত সরকার বিগত কয়েক বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভারতের বহু প্রাচীন ও চুরি যাওয়া ঐতিহ্যবাহী মূর্তি ফিরিয়ে এনেছে। ইউনেস্কোর (UNESCO) হিসেব অনুযায়ী, ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ভারত থেকে প্রায় ৫০,০০০ প্রাচীন মূর্তি ও শিল্পকর্ম পাচার হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরে এই ধরণের প্রাচীন সামগ্রীর বেআইনি চোরাচালান দমনেও ভারত এখন বিশ্বমঞ্চে সোচ্চার।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ধারে এই সরস্বতী মূর্তিটি ফিরিয়ে আনার পক্ষে ভারতের দাবি অত্যন্ত জোরালো। কারণ প্রথমত, এর ঐতিহাসিক উৎস সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত। দ্বিতীয়ত, ভারতের আদালত এটিকে একটি মন্দির হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এবং তৃতীয়ত, এটি ঔপনিবেশিক শোষণের মাধ্যমে বেআইনিভাবে দেশ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ভোজশালার (Bhojshala Verdict) এই আইনি জয় কেবল একটি ঐতিহাসিক সত্যকেই প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং লন্ডনে বন্দি থাকা মা সরস্বতীর মূর্তিকে (Saraswati Murti) স্বদেশে ফিরিয়ে আনার পথও প্রশস্ত করল কয়েক দশক পর।

  • Odisha Tribals: ওড়িশায় ধর্মান্তকরণের চেষ্টা! আদিবাসী সংস্কৃতি-ঐতিহ্যে বহিরাগতদের থাবার অভিযোগ

    Odisha Tribals: ওড়িশায় ধর্মান্তকরণের চেষ্টা! আদিবাসী সংস্কৃতি-ঐতিহ্যে বহিরাগতদের থাবার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার আদিবাসী (Odisha Tribals) অধ্যুষিত মালকানগিরি জেলায় ধর্মান্তকরণের (Religious Conversion) প্রক্রিয়া এবং তার ফলে স্থানীয় প্রাচীন সংস্কৃতির ওপর আঘাতের অভিযোগকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিজেদের আদিম রীতিনীতি, সামাজিক ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি রক্ষার দাবি জানিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন এই দুর্গম এলাকার আদিবাসী গ্রামবাসীরা।

    খ্রিস্টান মিশনারি গোষ্ঠীর একাধিপত্য (Odisha Tribals)

    ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশা-ছত্তিশগড় সীমান্তের কাছে কালিমেল্লা ব্লকের মাঙ্গিপালি গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, খ্রিস্টান মিশনারি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে যুক্ত কিছু সংগঠনের ধর্মীয় কার্যকলাপ দিন দিন বাড়ছে। এর ফলে গ্রামে সামাজিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের (Religious Conversion) নিজস্ব পরিচয়, ঐতিহ্য ও প্রথা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি গ্রামের প্রতিনিধিরা মহকুমা শাসকের (Sub-Collector) দফতরে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন। দাবি জানান, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের। প্রাক্তন বিধায়ক মুকুন্দ সোধি এবং প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান দেবা মাদকামির মতো স্থানীয় নেতাদের উপস্থিতিতে পল্লবী খাড়ার (Odisha Tribals) হাতে এই স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।

    আদিবাসী সংস্কৃতি অবমাননার অভিযোগ  (Odisha Tribals)

    গ্রামবাসীদের (Odisha Tribals) সূত্রে জানা গিয়েছে, মাঙ্গিপালি গ্রামে প্রায় ২৫০টি পরিবারের বাস, মোট জনসংখ্যা আনুমানিক ১,০০০। এদের মধ্যে সিংহভাগই আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, আগে মাত্র কয়েকটি পরিবার খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করলেও, বর্তমানে গ্রামের আরও বেশি মানুষকে প্রভাবিত করে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়েছে, ভিন্ন ভাষী মানুষ গ্রামে এসে নিয়মিত প্রার্থনা সভা ও ধর্মীয় সমাবেশের আয়োজন করছে। গ্রামবাসীদের দাবি, এই ধরনের অনুষ্ঠানে আদিবাসীদের (Religious Conversion)  ঐতিহ্যবাহী বিশ্বাস, রীতিনীতি এবং পূজাপদ্ধতি সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করা হচ্ছে, যা স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, এই ধরণের কার্যকলাপ চলতে থাকলে দীর্ঘদিনের আদিবাসী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

    প্রশাসনের কাছে আইনি পদক্ষেপের দাবি

    গ্রামবাসীরা (Odisha Tribals) প্রশাসনকে জানিয়েছেন, গ্রামে ঠিক কতজন মানুষ ধর্মান্তরিত হয়েছেন, তার একটি সরকারি তদন্ত বা যাচাইকরণ করা হোক। পাশাপাশি, তাঁদের নিজস্ব সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যাতে কোনও ধরণের বিঘ্ন না ঘটে, তা নিশ্চিত করার অনুরোধও জানানো হয়েছে। স্মারকলিপিতে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, মালকানগিরি একটি তফশিলি এলাকা (Scheduled Area)। সাংবিধানিক নিয়ম এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী এই অঞ্চলের আদিবাসী ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষিত। তাই এই অঞ্চলের সামাজিক সম্প্রীতি ও আদিবাসী পরিচয় রক্ষায় প্রশাসনকে অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

    আইন প্রয়োগের দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) জাতীয় সম্পাদক সুধাংশু পট্টনায়েক বলেন, “খ্রিস্টান মিশনারি দলগুলি বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপের মাধ্যমে আদিবাসী সমাজকে তাদের পূর্বপুরুষদের সংস্কৃতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এটি কেবল আদিবাসী ঐতিহ্যের জন্যই নয়, দেশের সুরক্ষার জন্যও এক গভীর উদ্বেগের বিষয়।”

    তিনি বলেন, “রাজ্যে ধর্মান্তকরণ (Odisha Tribals) বিরোধী আইন থাকা সত্ত্বেও তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে না। আর সেই কারণেই বাধ্য হয়ে গ্রামবাসীরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। ওড়িশা সরকারের উচিত এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা এবং অবৈধ ধর্মান্তকরণের (Religious Conversion) সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।”

  • NEET Paper Leak: নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তদন্তের কেন্দ্রে এনটিএর প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল

    NEET Paper Leak: নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তদন্তের কেন্দ্রে এনটিএর প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় আরও একজনকে গ্রেফতারের পর এবার তদন্তের কেন্দ্রে জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (NTA)-র প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল। সিবিআইয়ের এক আধিকারিক (CBI Probe) সংবাদ মাধ্যমে জানান (NEET Paper Leak), প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী পুরো কমিটি এবং এনটিএর শীর্ষ আধিকারিকদের তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও কয়েকজন গ্রেফতার হতে পারেন। প্রসঙ্গত, শনিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে পুণের উদ্ভিদবিদ্যার শিক্ষিকা মণীষা গুরুনাথ মান্ধারেকে। অভিযোগ, মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার কয়েক সপ্তাহ আগেই প্রশ্ন ফাঁস করেছিলেন তিনি।

    প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের জাল (NEET Paper Leak)

    মণীষা ছিলেন এনটিএর নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ। কাজ করতেন প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী কমিটিতে। তদন্তকারীদের মতে, এর ফলে তিনি বোটানি ও জুলজি বিভাগের গোপনে রাখা প্রশ্নপত্র দেখার অধিকার পান। এর একদিন আগেই তদন্তকারী সংস্থা অবসরপ্রাপ্ত রসায়নের অধ্যাপক পিভি কুলকার্নিকে গ্রেফতার করে। তাঁকে তদন্তকারীরা এই কেলেঙ্কারির ‘মূল চক্রী’ বলে উল্লেখ করেন। অন্য এক আধিকারিক বলেন, “প্রশ্নফাঁসের তদন্তে এই প্রথম আমরা এনটিএর ভেতর থেকেই ফাঁসের উৎস খুঁজে পেয়েছি। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে মেসেজিং গ্রুপে পিডিএফ আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর শত শত পরীক্ষার্থী এর সুবিধা পেয়ে থাকতে পারে। আমরা তাদের সবাইকে চিহ্নিত করব। তবে প্রথমে আমরা প্রশ্নফাঁসের উৎস ও তাদের সহযোগীদের খুঁজছি (NEET Paper Leak)।”

    বিশেষ কোচিং ক্লাস করিয়েছিলেন মান্ধারে!

    সিবিআইয়ের মতে, এপ্রিল মাসে মান্ধারে তাঁর পুণের বাড়িতে কিছু নির্বাচিত ছাত্রছাত্রীকে নিয়ে বিশেষ কোচিং ক্লাস করাচ্ছিলেন। সেখানে তিনি বোটানি ও জুলজির প্রশ্ন বলে দিতেন, যেগুলির অনেকটাই পরে ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষায় এসেছিল (CBI Probe)।তদন্তকারীরা জানান, ছাত্রছাত্রীদের তাঁর কাছে নিয়ে আসতেন সহ-অভিযুক্ত মণীষা ওয়াঘমারে। তিনি পুণের একটি বিউটি পার্লারের মালিক। এই সপ্তাহের শুরুতেই গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা জানিয়েছে, “ক্লাস চলাকালীন মান্ধারে বোটানি ও জুলজির বিভিন্ন প্রশ্ন ব্যাখ্যা করতেন। ছাত্রছাত্রীদের সেগুলি খাতায় লিখে রাখতে ও বইয়ে চিহ্নিত করে রাখতে বলতেন। এই প্রশ্নগুলির অধিকাংশই নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষার আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যায় (NEET Paper Leak)।”

    প্রমাণ লোপাট করতে প্রশ্নপত্র নষ্ট!

    আধিকারিকরা জানান, তদন্তে এনটিএর ভেতর থেকে বের হওয়া প্রশ্নফাঁসের দু’টি আলাদা সেটের সন্ধান মিলেছে—একটি হাতে লেখা, অন্যটি টাইপ করা। তদন্তকারীদের দাবি, কুলকার্নি রসায়নের প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিলেন, আর মান্ধারে করেছিলেন জীববিজ্ঞানের অংশ। অভিযোগ, কুলকার্নিও তাঁর পুণের বাড়িতে বিশেষ ক্লাস নিতেন। সেখানে ছাত্রছাত্রীরা প্রশ্ন, বিকল্প উত্তর এবং সঠিক উত্তর লিখে নিতেন, যেগুলি পরে আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ‘হুবহু মিলে যায়’। শনিবার সিবিআই কুলকার্নি ও ওয়াঘমারেকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ বিশেষ আদালতে হাজির করে, আবেদন জানায় ১৪ দিনের হেফাজতের। সংস্থা তাঁদের ‘সংগঠিত প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য’ বলে দাবি করে। আদালত দু’জনকে ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠায়। সিবিআই আদালতে জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ৩ মে-র পরীক্ষার পর প্রমাণ লোপাট করতে প্রশ্নপত্র নষ্ট করে দেয়। তদন্তকারীরা এও খতিয়ে দেখছেন, কুলকার্নি ও মান্ধারের আগেও কেউ কোনও প্রশ্নপত্রফাঁসকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না।

    মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে ছড়িয়েছিল প্রশ্ন

    তদন্তে জানা গিয়েছে, কীভাবে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যে প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তকারীদের মতে, ৫০০-৬০০টি প্রশ্ন সম্বলিত একটি পিডিএফ টেলিগ্রাম গ্রুপে ছড়িয়ে পড়েছিল। নাসিকের শুভম খৈরনার এই প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেন গুরগাঁওয়ের যশ যাদবের কাছে। যশ সেটি জয়পুরের মাঙ্গিলাল বিওয়াল ওরফে মাঙ্গিলাল খাটিকের কাছে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। তিনি দাবি করেছিলেন, প্রায় ১৫০টি প্রশ্ন ফাইনাল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলবে (NEET Paper Leak)। গত ২৪ ঘণ্টায় ছ’টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ল্যাপটপ, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি, মোবাইল ফোন এবং মামলার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে।

    ৫ রাজ্য থেকে গ্রেফতার

    এখন পর্যন্ত পাঁচটি রাজ্য থেকে সব মিলিয়ে মোট ন’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন পুণের মান্ধারে, কুলকার্নি ও ওয়াঘমারে, আহিল্যানগরের ধনঞ্জয় লোকহান্ডা,  নাসিকের খৈরনার, জয়পুরের মাঙ্গিলাল বিওয়াল, বিকাশ বিওয়াল ও দীনেশ বিওয়াল, এবং গুরগাঁওয়ের যশ। সিবিআই জানিয়েছে, “এই মামলায় পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ এবং পেশাদার তদন্তে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” প্রতি বছর ২২ লাখেরও বেশি ছাত্রছাত্রী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির (CBI Probe) প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজি দেন। প্রশ্নফাঁসের পর ৩ মে-র পরীক্ষা বাতিল করা হয়। ২১ জুন ফের (NEET Paper Leak) পরীক্ষার দিন ঘোষণা করেছে সরকার।

     

  • Asansol Violence: নমাজ আদায় নিয়ে গুজব ছড়িয়ে অশান্তির চেষ্টা আসানসোলে, রুখল পুলিশ

    Asansol Violence: নমাজ আদায় নিয়ে গুজব ছড়িয়ে অশান্তির চেষ্টা আসানসোলে, রুখল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দির-মসজিদে প্রার্থনার সময় লাউডস্পিকারের আওয়াজ নিয়ে বিবাদের জেরে উত্তপ্ত আসানসোলের একাংশ (Asansol Violence)। হিংসা ছড়াল এলাকার কিছু পকেটে। কাসাই মহল্লা (Kasai Mohalla) এলাকায় পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালায় উত্তেজিত জনতা। এলোপাথাড়ি ইট-পাটকেল ছোড়া, ভাঙচুর এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

    গুজবের জেরে অশান্তি (Asansol Violence)

    সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পুলিশ এলাকার ধর্মীয় স্থানগুলিতে গিয়ে লাউডস্পিকারের আওয়াজ নিয়ন্ত্রণে রাখার অনুরোধ জানায়। এরপরই গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে পুলিশ শুক্রবার সন্ধের নমাজ আদায় বন্ধ করার চেষ্টা করছে। এর পরেই এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা। দ্রুত অবনতি হয় পরিস্থিতির। কাসাই বা জাহাঙ্গীরি মহল্লা পুলিশ ফাঁড়ির কাছে জড়ো হওয়া একদল মানুষ পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। ভাঙচুর চালানো হয় পুলিশ ফাঁড়িতে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক গাড়িও। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, হামলাকারীরা এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল। তাই হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয় নিরাপত্তা বাহিনী। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তার আগে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের শেল। এর পরেই নিয়ন্ত্রণে আনে পরিস্থিতি।

    হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক

    হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। নতুন করে অশান্তি এড়াতে এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাও। আসানসোল উত্তরের বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় জানান, পুলিশ স্থানীয় মসজিদে গিয়েছিল শুধুমাত্র এই অনুরোধ জানাতে যে নমাজের সময় লাউডস্পিকারের আওয়াজ যেন মসজিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। তাঁর দাবি, মসজিদ কমিটি ও পুলিশের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনা চলছিল। সেই সময় হঠাৎই গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে পুলিশ নমাজ আদায় বন্ধ করার চেষ্টা করছে (Asansol Violence)। এরপরই উত্তেজিত জনতা হিংসাত্মক হয়ে ওঠে, হামলা চালায় পুলিশ ফাঁড়িতে।

    মন্দির-মসজিদে লাউডস্পিকারের শব্দ নিয়ন্ত্রণে পথে পুলিশ

    জানা গিয়েছে, প্রশাসনের নির্দেশ মেনে রেলপার এলাকায় মন্দির ও মসজিদ—উভয় ক্ষেত্রেই লাউডস্পিকারের শব্দ নিয়ন্ত্রণের কাজ করছিল পুলিশ। হিংসার ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, যদিও এলাকার কিছু অংশে এখনও উত্তেজনা রয়েছে। পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ভিজি সতীশ পশুমার্থী জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। সব কিছু পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, কোনও সমস্যা নেই। আমরা সমস্ত সিসিটিভি (Kasai Mohalla) ফুটেজ খতিয়ে দেখছি। যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Asansol Violence)।”

     

  • Kerala: “কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ সরকারের আচরণে নজর রাখতে হবে”, বললেন বিজেপি নেতা

    Kerala: “কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ সরকারের আচরণে নজর রাখতে হবে”, বললেন বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF)-এর নয়া সরকারকে সতর্ক করে দিলেন কেরল বিজেপির (Kerala) সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর। শনিবার তিনি জানান, ইউডিএফ বিধানসভা নির্বাচনে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে ভুয়ো প্রচারের মাধ্যমে (BJP Chief Slams) জয়ী হয়েছে। তাঁর অঙ্গীকার, রাজ্যের পক্ষে বিপজ্জনক শক্তিগুলি সরকারকে ‘রিমোট কন্ট্রোল’ করছে কি না, সেই বিষয়েও কড়া নজর রাখবে বিজেপি।

    বিজেপির বক্তব্য (Kerala)

    মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে বিজেপির এই নেতা বলেন, “জামাত-ই-ইসলামি এবং এসডিপিআইয়ের মতো শক্তিগুলি এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে—এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি এমন একটি বিষয়, যা শুধু আজ বা আগামিকাল নয়, আগামী কয়েক মাস ও বছর ধরে গভীরভাবে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা দরকার। আমাদের এই সরকারের আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং দেখতে হবে যে, কতটা এই সরকার এমন শক্তির দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে যারা আমাদের রাজ্যের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। এসডিপিআই এবং জামাত-ই-ইসলামির মতো সংগঠনগুলিকে মূলধারায় আনা আমাদের রাজ্যের পক্ষে ভালো নয়, কোনও মালয়ালির জন্যই ভালো নয়।”

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    চন্দ্রশেখর জানান (Kerala), নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, দুর্নীতি, ভোটব্যাঙ্ক তোষণ এবং মালয়ালি সমাজকে বিভক্ত করার রাজনীতির বিরুদ্ধে বিজেপি (BJP Chief Slams) ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, “কংগ্রেস এমন কিছু প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে এই জনসমর্থন পেয়েছে, যা তারা কখনও পূরণ করতে পারেনি। তারা সিপিএম ও বিজেপির মধ্যে গোপন সমঝোতার ভুয়ো গল্প রটিয়েছে এবং এফসিআরএ (FCRA) নিয়ে মিথ্যা প্রচার চালিয়েছে। আমি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নয়া মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই, আমরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেও বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে দুর্নীতি, কোনও সম্প্রদায়কে তোষণ, অথবা মালয়ালিদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির যে কোনও প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেব।”

    তিনি আরও বলেন, “আজ (শনিবার) সকালে মুখ্যমন্ত্রী মনোনীত ভিডি সতীশন আমায় ফোন করেছিলেন এবং অত্যন্ত সৌজন্যের সঙ্গে ১৮ তারিখের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানান। আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাও জানাই এবং বলি যে, আমি অবশ্যই আমার সহকর্মী বিধায়ক ও দলীয় কর্মীদের নিয়ে উপস্থিত থাকব।” তিনি এও বলেন, “এই নির্বাচনকে ‘পরিবর্তনের জনাদেশ’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ এলডিএফ (LDF)-এর দশ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে।” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেরলে এলডিএফ সরকারের এক দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে (Kerala) নিরঙ্কুশ জয় লাভ করেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। সতীশন ১৮ মে সকাল ১০টায় লোকভবনে (পূর্বতন রাজ্যপাল ভবন) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে (BJP Chief Slams) শপথ নেবেন।

     

  • Daily Horoscope 17 May 2026: বন্ধুদের সাহায্যে কাজ সফল হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 17 May 2026: বন্ধুদের সাহায্যে কাজ সফল হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা?

    মেষ

    ১. কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২. পরিবারের সঙ্গে মতভেদ এড়িয়ে চলুন।
    ৩. অর্থব্যয়ে সতর্ক থাকুন।

    বৃষ

    ১. মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ২. পুরনো কাজের সুফল পেতে পারেন।
    ৩. প্রেমের সম্পর্কে শুভ সময়।

    মিথুন

    ১. বন্ধুদের সাহায্যে কাজ সফল হবে।
    ২. ভ্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।
    ৩. শরীরের যত্ন নিন।

    কর্কট

    ১. চাকরি ও ব্যবসায় উন্নতির যোগ।
    ২. সুখবর পেতে পারেন।
    ৩. পরিবারের সঙ্গে সময় ভালো কাটবে।

    সিংহ

    ১. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।
    ২. নতুন পরিকল্পনায় সফলতা মিলবে।
    ৩. রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    কন্যা

    ১. অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন।
    ২. অর্থনৈতিক অবস্থা মোটামুটি ভালো থাকবে।
    ৩. পড়াশোনার জন্য শুভ সময়।

    তুলা

    ১. সম্পর্কের ভুল বোঝাবুঝি কমবে।
    ২. নতুন পরিচয় হতে পারে।
    ৩. কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১. সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভাবুন।
    ২. ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা।
    ৩. স্বাস্থ্য নিয়ে সতর্ক থাকুন।

    ধনু

    ১. ভাগ্য সহায় থাকবে।
    ২. আটকে থাকা কাজ সম্পূর্ণ হবে।
    ৩. আধ্যাত্মিক বিষয়ে আগ্রহ বাড়বে।

    মকর

    ১. কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন।
    ২. পরিবারে শুভ আলোচনা হতে পারে।
    ৩. আর্থিক স্থিতি বজায় থাকবে।

    কুম্ভ

    ১. নতুন কাজ শুরু করার পক্ষে শুভ দিন।
    ২. বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়বে।
    ৩. প্রেমের বিষয়ে ইতিবাচক সময়।

    মীন

    ১. আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন।
    ২. পুরনো সমস্যার সমাধান মিলবে।
    ৩. বিশ্রাম নেওয়া জরুরি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • CBSE: নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাষা পড়তে হবে, জানিয়ে দিল সিবিএসই

    CBSE: নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাষা পড়তে হবে, জানিয়ে দিল সিবিএসই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাষা পড়তে হবে বলে জানিয়ে দিল সিবিএসই (CBSE)। আগামী ১ জুলাই থেকেই চালু হবে ত্রি-ভাষা শিক্ষার পাঠ (Three Language Policy)। ন্যাশনাল এডুকেশন পলিশি (এনইপি) ২০২০ এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক ফর স্কুল এডুকেশন ২০২৩-এর অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৫ মে সিবিএসইর তরফে জারি করা সার্কুলার অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের আর-১, আর-২ এবং আর-৩ নামে তিনটি ভাষা বেছে নিতে হবে। এর মধ্যে অন্তত দু’টি ভাষা অবশ্যই ভারতীয় মাতৃভাষা হতে হবে। তবে দশম শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা (R3)-এর আলাদা কোনও বোর্ড পরীক্ষা হবে না। এর মূল্যায়ন করা হবে স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার মাধ্যমে।

    সিবিএসইর মূল লক্ষ্য (CBSE)

    সিবিএসই জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের ওপর পরীক্ষার চাপ কমানো এবং পরীক্ষার পরিবর্তে শেখার ওপর জোর দেওয়া। তবে তৃতীয় ভাষায় প্রাপ্ত নম্বর বা পারফরম্যান্সের উল্লেখ থাকবে সিবিএসইর দেওয়া সার্টিফিকেটে। বোর্ড এও জানিয়েছে, তৃতীয় ভাষার নিয়মের কারণে কোনও শিক্ষার্থীকে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় বসতে বাধা দেওয়া যাবে না। স্কুলগুলি সিবিএসইর বিষয় তালিকায় থাকা যে কোনও ভাষা পড়াতে পারবে। তবে শিক্ষার্থীরা বিদেশি ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে তখনই নিতে পারবে, যদি বাকি দু’টি ভাষা ভারতীয় হয়। বিদেশি ভাষা ঐচ্ছিক চতুর্থ ভাষা হিসেবেও নেওয়া যেতে পারে (CBSE)।

    নয়া ব্যবস্থা

    সিবিএসই জানিয়েছে, নতুন ব্যবস্থা কীভাবে চালু করা হবে। যেহেতু তৃতীয় ভাষার জন্য বিশেষ মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই এখনও প্রস্তুত নয়, তাই নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আপাতত নির্বাচিত আর-৩-এর ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যবই ব্যবহার করবে। স্কুলগুলিকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে তারা এই পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে স্থানীয় ও রাজ্যস্তরের সাহিত্যিক উপকরণ যুক্ত করবে, যাতে শিক্ষার্থীরা ভাষা সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা পায়। বোর্ড স্বীকার করেছে, কিছু স্কুলে যোগ্য ভাষা শিক্ষক নিয়োগে সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যার সমাধানে সিবিএসই অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে, যেমন— বিভিন্ন স্কুলের মধ্যে শিক্ষক ভাগাভাগি করা, ভার্চুয়াল শিক্ষার সাহায্য নেওয়া, অথবা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও যোগ্য স্নাতকোত্তরদের নিয়োগ করা (CBSE)।

    সিবিএসই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের, বিদেশ থেকে ভারতে ফেরা শিক্ষার্থীদের এবং বিদেশে অবস্থিত স্কুলগুলির জন্য বিশেষ ছাড়ের (Three Language Policy) কথাও ঘোষণা করেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

     

LinkedIn
Share