Rajagopala Chidambaram: পরমাণু শক্তিধর ভারতের রূপকার বিজ্ঞানী রাজাগোপাল প্রয়াত, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

GgbaBCSXkAArEkV-1

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরমাণু শক্তিধর ভারতের অন্যতম রূপকার বিশিষ্ট পদার্থ বিজ্ঞানী রাজাগোপাল চিদম্বরম (Rajagopala Chidambaram) প্রয়াত। মৃত্যুকালে দেশের প্রবীণ এই পরমাণু বিজ্ঞানীর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। মুম্বইয়ের জসলোক হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। শনিবার সেখানেই মৃত্যু হয় বিজ্ঞানীর। তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছে ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটোমিক এনার্জি (DAE)। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে আপসহীন

১৯৭৪ এবং ১৯৯৮ সালে পোখরানে ভারত যে পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করে, তাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন বিজ্ঞানী রাজাগোপাল (Rajagopala Chidambaram Dies)। ভারতের অ্যাটোমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি। বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিষয়ে ভারত সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন। ভারতকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ‘পদ্ম বিভূষণ’ সম্মান পেয়েছিলেন বিজ্ঞানী রাজাগোপাল। পরিচিত মহলে তাঁকে নিয়ে হইচই হলেও, বিজ্ঞানী রাজাগোপাল বরাবরই মিতভাষী ছিলেন। আদ্যান্ত ভদ্রলোক, বিচক্ষণ মানুষ। দেশের জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে ছিলেন আপসহীন। তাঁর নজরদারি এড়িয়ে কোনও খবর বাইরে বেরোতে পারত না। (Rajagopala Chidambaram Dies)

শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

বিজ্ঞানী রাজাগোপালের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘‘ডঃ রাজাগোপালের প্রয়াণে ব্যথিত। ভারতের পরমাণু প্রকল্পের অন্যতম উল্লেখযোগ্য মুখ ছিলেন তিনি। ওঁর অবদানে বিজ্ঞান এবং কৌশলগত ক্ষেত্রে ভারতের জমি মজবুত হয়েছে। ওঁর প্রতি কৃতজ্ঞ গোটা দেশ। ওঁর প্রচেষ্টা আগামী প্রজন্মকেও অনুপ্রেরণা জোগাবে।’’ ১৮৭৪ সালে ‘অপারেশন স্মাইলিং বুদ্ধ’ কোডনেমের আওতায় পোখরানে প্রথম বার পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করে ভারত। সেই পরীক্ষায় সবকিছু তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন বিজ্ঞানী রাজাগোপাল। ১৯৯৮ সালে পোথরানে দ্বিতীয় বার যখন পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করে ভারত, তাতেও নকশা তৈরি থেকে পরীক্ষা সাফল্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন তিনি। সেই সময় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারি বাজপেয়ীর একেবারেই পাশে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।

আত্মনির্ভর ভারতের সুর

আত্মনির্ভর ভারতের কথাও শোনা গিয়েছিল তাঁর মুখে। আমদানিকৃত প্রযুক্তির ঘোর বিরোধী ছিলেন বিজ্ঞানী রাজাগোপাল। তাঁর যুক্তি ছিল, কোনও দেশই নিজেদের গোপন তথ্য ফাঁস করতে চাইবে না। ফলে বিদেশ থেকে শুধুমাত্র সেকেলে প্রযুক্তিই পাওয়া সম্ভব। এর পরিবর্তে ভারতকে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হতে হবে বলে জানান। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হলে, তবেই দেশের উন্নতি সম্ভব, বলে মনে করতেন তিনি।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share