Ration Scam: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র মদতেই বিপুল সাম্রাজ্য! ২ জেলাতেই ১০০-র বেশি সম্পত্তি বাকিবুরের

Bakibur-Jyotipriya-1

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টনে দুর্নীতির (Ration Scam) টাকায় শুধুমাত্র ২ জেলাতেই শতাধিক সম্পত্তি করেছেন বাকিবুর রহমান। রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মদতেই কয়েক বছরে বিপুল সাম্রাজ্যের মালিক হয়ে উঠেছেন তিনি। নজর এড়াতে ‘দুর্নীতির টাকা’ বিভিন্ন জায়গায় এবং বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে। এমনই দাবি করেছে ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত বাকিবুর এবং মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়ের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

দুই জেলায় শতাধিক সম্পত্তি

ইডি সূত্রে খবর, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বাকিবুরের মোট  ১০১টি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। যার মূল্য ৯ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা। ইডির দাবি, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা, বারাসত এবং বাদুড়িয়াতে বাকিবুরের সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। নদিয়ার বিভিন্ন গ্রামেও বাকিবুর এবং তাঁর কয়েক জন আত্মীয়ের প্রচুর সম্পত্তি মিলেছে। এ ছাড়াও কলকাতায় বাকিবুরের কোটি কোটি টাকার বাড়ি, আবাসন, রেস্তরাঁ, বারের হদিশ পেয়েছে ইডি। এমনকি দুবাইয়েও বাকিবুরের সম্পত্তি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে ইডির তদন্তে।  

জ্যোতিপ্রিয়র সক্রিয় যোগ

চার্জশিটে ইডি দাবি করেছে, মন্ত্রীর আনুকূল্যেই সরকারি তহবিলের ৪৫০ কোটি টাকা গিয়েছে বাকিবুরের কাছে। বাকিবুরের সংস্থার অডিটরকেই উদ্ধৃত করে ইডি জানিয়েছিল, বাকিবুর তাঁর সংস্থার ৫০ কর্মীর নামে ভুয়ো কৃষক হিসেবে ৫০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলেন। সেই অ্যাকাউন্টগুলিতে ধান কেনার নামে ৪৫০.৩১ কোটি টাকার ফান্ড রিলিজ করা হয়। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল এসেনসিয়াল কমোডিটি সাপ্লাই কর্পোরেশন লিমিটেড’ ওই ফান্ড দিয়েছিল। চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে, এই সংস্থার মাথায় রয়েছেন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়ই। কিন্তু এত অর্থ নিয়ে কী করেছিলেন বাকিবুর। ইডির দাবি, সরকারি টাকা নয়ছয়ে মন্ত্রী বালুর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ছিলেন বাকিবুর।

আরও পড়ুন: কনকনে কলকাতা! আজ মরশুমের শীতলতম দিন, রাজ্যজুড়ে নামছে তাপমাত্রা

কীভাবে রাখা হতো দুর্নীতির টাকা

কলকাতা নগর দায়রা আদালতে বাকিবুরদের বিরুদ্ধে চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে বেআইনি ভাবে রেশনের (Ration Scam) চাল আটা খোলা বাজারে বিক্রি এবং কমদামে ভুয়ো চাষী সাজিয়ে খাদ্যশস্য কেনা-সহ বিভিন্ন উপায়ে বছরের পর বছর এই দুর্নীতি চালিয়েছেন ব্যবসায়ী বাকিবুর। আর তাতে প্রশ্রয় দিয়ে গিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। জ্যোতিপ্রিয় ওরফে বালু যাঁদের যাঁদের কাছে টাকা পাঠাতেন, তাঁদের বেশ কয়েক জনকে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বলে দাবি ইডির। এঁদের মধ্যে একজন বাকিবুর রহমানের শ্যালক অভিষেক বিশ্বাস। তাঁকে বন দফতরে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়। 

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share