RG Kar Incident: কাঠগড়ায় প্রশাসন! দু’সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

R_G_Kar_Hospital

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) তরুণী ডাক্তারের নশংস খুনের ঘটনায় এবার রাজ্যের ডিজি ও মুখ্যসচিবকে নোটিস পাঠাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন। সূত্রের খবর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করে। মঙ্গলবার কমিশনের (NHRC on RG Kar) তরফে একথা জানানো হয়।

কী বলল কমিশন

এদিন মানবাধিকার কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (RG Kar Incident) রহস্যজনক পরিস্থিতিতে এক জুনিয়র মহিলা ডাক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করছে কমিশন। ধর্ষণ এবং হত্যার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব এবং পুলিশের ডিজিকে নোটিস জারি করে, দু’সপ্তাহের মধ্যে বিশদ রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে কমিশন (NHRC on RG Kar)। কমিশন আরও জানায়, বিভিন্ন মিডিয়ায় এই খুন নিয়ে যা রিপোর্ট উঠে এসেছে, তার ভিত্তিতেই জানা গিয়েছে, হাসপাতালের সেমিনার হলে একজন জুনিয়র মহিলা ডাক্তারকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় ৯ অগাস্ট। জানা গিয়েছে, নিহতের শরীরে আঁচড়ের চিহ্ন রয়েছে, যা ইঙ্গিত করে যে ঘটনার সময়ে ধস্তাধস্তি হয়েছিল। মেয়েটির পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।

কমিশনের পর্যবেক্ষণ

কমিশনের পর্যবেক্ষণ, মিডিয়া রিপোর্টের বিষয়বস্তু যদি সত্য হয়, তবে আক্রান্তের মানবাধিকার ভয়াবহ ভাবে লঙ্ঘন হয়েছে। তাই দ্রুত এই বিষয়ে রিপোর্ট তলব করা হল। সেই রিপোর্ট জানাতে হবে তদন্তের কাজ কতদূর এগিয়েছে, পুলিশ কী পদক্ষেপ নিয়েছে। এই ধরনের ঘটনা যাতে আর না হয় সেটা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের তরফে কী করা হয়েছে সেটাও জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কমিশন (NHRC on RG Kar) আশা করছে যে মৃতার পরিবারকে কোনও সাহায্য করা হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি রিপোর্টে উল্লেখ করা হবে৷

উল্লেখ্য, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (RG Kar Incident) জরুরি বিভাগে চারতলার সেমিনার হল থেকে শুক্রবার সকালে ডাক্তারির পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয় ৷ প্রথমে মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও পরে ধর্ষণ করে খুনের মামলা রুজু হয়৷ এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ সোমবারই এই ঘটনা পর্যবেক্ষণে কলকাতায় আসে জাতীয় মহিলা কমিশনের দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল ৷ মঙ্গলবার তারা আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যায় ৷ 

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share