Student Death: কসবায় পাঁচতলা থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু, স্কুলের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পরিবারের

1296195-death

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের পাঁচতলা থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু (Student Death)। সোমবার দুপুরে খোদ কলকাতা শহরের কসবা এলাকার ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। দশম শ্রেণির ওই ছাত্র আত্মঘাতী হয়েছে কিনা, তা জানা যায়নি। যদিও মৃত ছাত্রের পরিবারের তরফে স্কুলের বিরুদ্ধে মানসিক চাপ সৃষ্টির অভিযোগ করা হয়েছে।

মৃতের পরিবারের অভিযোগ

মৃত ছাত্রের বাবা বলেন, “আজ একটি প্রজেক্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। দিতে পারেনি বলে ওকে বকাবকি করা হয়েছিল। সবার সামনে কান ধরে দাঁড় করিয়েও রাখা হয়েছিল। নিশ্চয়ই ও অপমানিত বোধ করেছিল।” ছাত্রটি কীভাবে পাঁচতলায় পৌঁছল, সেই প্রশ্নও তুলেছে তার পরিবার। স্কুলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। মৃত ছাত্রের পরিবারের দাবি, স্কুল কর্তৃপক্ষের বয়ানে রয়েছে অসঙ্গতি। মৃত ছাত্রটি বাবা বলেন, “করোনা অতিমারির সময় এই স্কুলের বেতন কমানো হচ্ছিল না বলে আমি অন্য অভিভাবকদের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একত্রিত করেছিলাম। অভিভাবকদের চাপে ৩৩ শতাংশ বেতন কমানো হয়েছিল। সেই সময়ই প্রধান শিক্ষিকা আমাকে বলেছিলেন, আপনাকে চিহ্নিত করে রাখা হল। তখনই বুঝেছিলাম, ওরা আমার ছেলের ক্ষতি করবে। আমরা ধারণা, স্কুলেই ওকে মারধর করা হয়েছে। পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।”

তদন্ত শুরু পুলিশের 

জানা গিয়েছে, কসবার রথতলার সিলভার পয়েন্ট স্কুলে পড়ত ওই ছাত্র। পুলিশ জানিয়েছে, এদিন দুপুরে দশম শ্রেণির এক ছাত্র স্কুলের পাঁচতলা থেকে নীচে পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। ছাত্রটি আত্মঘাতী (Student Death) হয়েছে নাকি তাকে কেউ ঠেলে ফেলে দিয়েছে, তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

আরও পড়ুুন: ‘‘কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি’’, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী, কারণ কী জানেন?

মৃত ছাত্রের বাবার দাবি, তাঁর ছেলের শরীরের কোনও হাড় ভাঙেনি। পাঁচতলা থেকে পড়লে যা স্বাভাবিক। তাঁর ছেলের কান ও মুখ থেকে রক্ত পড়তে দেখেছেন তিনি। ঘটনার পর পরই স্কুলের তরফে ফোন করা হয় তাঁকে। বলা হয়, তাঁর ছেলে সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়েছে। তবে চিকিৎসার পর সুস্থ রয়েছে। অথচ হাসপাতালে গিয়ে ছেলের মৃত্যু সংবাদ পান তিনি। এ ব্যাপারে অবশ্য স্কুল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share