Sikkim Landslide: যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার, বাড়ির পথে উত্তর সিকিমে আটকে থাকা পর্যটকরা

parliament_-_2024-06-19T103344400

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা সাতদিন আটকে থাকার পর বাড়ির পথে রওনা দিলেন সিকিমে বন্দি পর্যটকেরা। আবহাওয়ার একটু উন্নতি হতেই উত্তর সিকিমে আটকে থাকা বেশির ভাগ পর্যটককে উদ্ধার করল প্রশাসন। সিকিম প্রশাসনের তরফে খবর, লাচুংয়ে আটকে থাকা ১১৭৮ জন পর্যটককেই মঙ্গলবার বার করে আনা গিয়েছে। বাকিদের বুধবার সকালে বার করে আনা হয়। 

দফায় দফায় চলে উদ্ধার কাজ

সিকিম প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার আবহাওয়রা সামান্য উন্নতি হওয়ায় ৬৫ জন পর্যটককে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার লাচুং ও আশপাশের এলাকা থেকে পর্যটকদের সরানোর কাজ শুরু হয়। লাচুং থেকে চুংথাংয়ের পথে রওয়া হন শয়ে শয়ে পর্যটক।  মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১২৩৭ পর্যটককে টুং-নাগা-মংগন সড়ক পথে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। লাচুংয়ে আটকে থাকা ১১৭৮ জন পর্যটককেই মঙ্গলবার বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।  বুধবার সকালে আরও ৯১ জনকে উদ্ধার করা হয়।  টানা বৃষ্টি এবং বার বার ধসের কারণে টানা উদ্ধারকাজ না-চালিয়ে দফায় দফায় কাজ করছিলেন কর্মীরা।

পর্যটকদের নিারপদে বার করাই লক্ষ্য

গত ১১ জুন থেকে সিকিমে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় একাধিক পথ। ডিকচু-সংকলন-টুং, মংগন-সংকলন, সিংথাম-রাংরাং এবং রাংরাং-টুং সহ উত্তর সিকিমের দিকে যাওয়ার একাধিক রাস্তা ভারী বৃষ্টির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উত্তর সিকিম এবং জংগু অঞ্চলে প্রাথমিক সংযোগ ব্যবস্থার অন্যতম মাধ্যম সংকলন সেতু। সেই সেতুই ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি শোচনীয় হয়ে ওঠে। তার উপর খারাপ আবহাওয়ার দরুণ আটকে থাকা পর্যটকদের বার করে আনার সমস্যা তৈরি হয়। আবহাওয়া মন্দের ভাল হতেই  উত্তর সিকিমের বিভিন্ন জায়গায় যেখানে যত পর্যটক আটকে রয়েছেন, সবাইকে নিরাপদে বার করে আনতে সচেষ্ট হয় সিকিম সরকার। উদ্ধার কাজে একযোগে হাত লাগান বিআরও, এনডিআরএফ, এসএফআরএফ (BRO, NDRF, SFRF) ও স্থানীয়রা। তবে বৃষ্টি পুরোপুরি না থামায় একাধিক জায়গায় নতুন করে ধসে নামে। সেই কারণে বারবার বাধাপ্রাপ্ত হয় উদ্ধার অভিযান। 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share