Sikkim: বৃষ্টি-ধসে বিপর্যস্ত সিকিম, বিপর্যস্ত লাচুং-লাচেন, আটকে ১৫০০ পর্যটক, বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ

parliament_-_2024-06-14T094906410

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি যেন পিছু ছাড়ছে না। ফুঁসছে তিস্তা, রঙ্গীত, জলঢাকা। লাগাতার বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় ধস নেমেছে। বিপর্যস্ত পর্যটকদের প্রিয় উত্তর সিকিম (Sikkim)। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, গোটা দেশের সঙ্গেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে লাচুং, লাচেন-সহ বহু এলাকার। সিকিমের বিভিন্ন এলাকায় আটকে রয়েছেন প্রায় দেড় হাজার পর্যটক। তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। কিন্তু টানা বৃষ্টি ও খারাপ (Sikkim Rain and Landslides) আবহাওয়ার জন্য ব্যহত হচ্ছে উদ্ধার কাজ। 

ধস বিভিন্ন অঞ্চলে

প্রবল বৃষ্টির জেরে সিকিমের (Sikkim) বিভিন্ন অঞ্চলে ধস নেমেছে। বৃহস্পতিবার মঙ্গন এলাকায় হড়পা বানে ৫ জন ভেসে যাওয়ার খবর মিলছে। সন্ধে পর্যন্ত তাঁদের কারও খোঁজ মেলেনি। একইভাবে ধসে গেইথাং, নামপাথাং এলাকাতেও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ। বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত অন্তত ৬জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গনের জেলাশাসক হেমকুমার ছেত্রী বলেন, ‘‘পাকশেপ ও অম্ভিথাং গ্রাম মিলিয়ে মোট ছ’জনের মৃত্যু হয়েছে।’’ জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, মঙ্গন ও চুংথাংয়ের সংযোগকারী বেইলি সেতুটি ভেঙে গিয়েছে। ধসের জেরে বহু রাস্তা বন্ধ। বহু বাড়ি তছনছ হয়ে গিয়েছে। ভেঙে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি। 

আটক পর্যটকরা

ধস নেমে সেতু ভেঙে পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে লাচুং, লাচেন-সহ সিকিমের বহু এলাকার সঙ্গে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে (Sikkim)। বিভিন্ন এলাকায় আটকে রয়েছেন প্রায় দেড় হাজার পর্যটক। বিপর্যস্ত ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। রাস্তাটি আপাতত বন্ধ রয়েছেয ফলে পর্যটকদের উদ্ধারে বেগ পেতে হচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং অবশ্য দুর্গতদের সবরকমের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, যে সব জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেখানে স্থানীয় মানুষ ও প্রশাসনিক কর্মীরা উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়েছেন। ধসের নিচে কেউ চাপা পড়েন আছেন কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

উদ্ধারে বিকল্প পথ (Sikkim)

এই পরিস্থিতিতে পর্যটকের যাতায়াতের জন্য বিকল্প পথ বলে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পঙের জেলা প্রশাসন। জানানো হয়েছে, ছোট গাড়ি আপাতত মানসং-১৭ মাইল-আলগাড়া-লাভা-গরুবাথান হয়ে শিলিগুড়ি যাতায়াত করতে পারবে। তুলনামূলক বড় এবং ভারী গাড়িগুলি পেডং-আলগাড়া-লাভা-গরুবাথান হয়ে শিলিগুড়ি পৌঁছতে পারবে। পাশাপাশি কালিম্পং থেকে দার্জিলিং যাওয়ার জন্য ২৭ মাইল থেকে তিস্তা ভ্যালি হয়ে পৌঁছনো যাবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। ওই দুটি রাস্তা দিয়ে সিকিমে (Sikkim Rain and Landslides) আটকে থাকা পর্যটকদের উদ্ধারের চেষ্টা করছে দুই রাজ্যের প্রশাসন। 

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share