Sukanya Mondal: অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে তিন দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

Anubrata_Mandal

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে (Sukanya Mondal) তিন দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। আপাতত শনিবার পর্যন্ত ইডির (ED) হেফাজতে থাকতে হবে তাঁকে। তবে উচ্চ আদালতে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছে সুকন্যার আইনজীবী। ইডি হেফাজতে থাকাকালীন আইনজীবীরা সুকন্যার সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ে দেখা করতে পারবেন বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছে।

মুখোমুখি বাবা-মেয়ে

গরুপাচার কাণ্ডে (Cattle Smuggling Case) আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। গত আট মাস ধরে তাঁর ঠিকানা দিল্লির তিহাড় জেল। অনেক টালবাহানার পর অবশেষে বুধবার দিল্লিতে ইডির জেরার মুখোমুখি হয়েছিলেন তাঁর মেয়ে সুকন্যা। গোয়েন্দাদের প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারার কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। খুব সম্ভবত গরুপাচার কাণ্ডের জট খুলতে বাবা ও মেয়েকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করবেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। আদালতে সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন ইডির আইনজীবী।

সুকন্যার নামে বিপুল সম্পত্তি

আসলে গরুপাচার কাণ্ডের তদন্ত নেমে ইডি সুকন্যার (Sukanya Mondal) নামে বিপুল সম্পত্তির হদিশ পায়। বোলপুরে তাঁর নামে রয়েছে একাধিক জমি। এমনকী, ব্যাঙ্কে কোটি কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটও রয়েছে সুকন্যার নামে। যা হিসাব বহিঃর্ভূত সম্পত্তি বলে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাঁদের মনে হচ্ছে, সুকন্যার নামে যে অর্থ ও সম্পত্তির হদিশ তাঁরা পেয়েছেন, তা মূলত গরুপাচার কাণ্ডে প্রাপ্ত অনুব্রত মণ্ডলের ভাগের অংশ বলেই মনে করছে ইডি।

আরও পড়ুন: শুক্রবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি, কেন?

গ্রেফতারের পর বুধবার রাতেই সুকন্যার মেডিকেল টেস্ট হয়। সূত্রের খবর, এক বান্ধবী গিয়ে সুকন্যাকে (Sukanya Mondal) জামা-কাপড় দিয়ে আসেন। ইডি অফিসেই নৈশভোজ সারেন অনুব্রত কন্যা। বৃহস্পতিবার তাঁকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে তোলা হয়। তিন দিনের হেফাজত চেয়ে ইডির আইনজীবীরা আবেদন করেন বিচারকের কাছে। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। সওয়াল চলাকালীন ইডির আইনজীবীরা যে সব তথ্য সামনে রেখেছেন, তা চমকে দেওয়ার মতোই। গরুপাচার কাণ্ডের তদন্তে যে সব গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে, সেখানে নাম রয়েছে সুকন্যার। তাই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে গরুপাচার কাণ্ডে সুকন্যাও জড়িত বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। এই মামলার সঙ্গে অন্য কোনও প্রভাবশালী জরিত কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এদিকে, সুকন্যার আইনজীবী অমিত কুমারের বক্তব্য, ‘আমার মক্কেল তদন্তে সব রকম সাহায্য করছে। তবুও তাঁকে গ্রেফতার করল ইডি। যা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমরা উচ্চ আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।’

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share