Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Bangladesh Election: একসঙ্গে কাজ করার কৌশলী বার্তা! বাংলাদেশে বিপুল জয়ের জন্য তারেককে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Bangladesh Election: একসঙ্গে কাজ করার কৌশলী বার্তা! বাংলাদেশে বিপুল জয়ের জন্য তারেককে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথা মেনেই প্রতিবেশী দেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে (Bangladesh Election) বড় ব্যবধানে জয়ী হতে চলেছে বিএনপি। গণনায় এমন ইঙ্গিত স্পষ্ট হতেই বিভিন্ন দেশ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছোচ্ছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে। শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে প্রথমে ইংরেজি এবং পরে বাংলায় একটি পোস্ট করে তারেককে ‘আন্তরিক অভিনন্দন’ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আবার একসঙ্গে কাজ করার বার্তাও দিয়েছেন মোদি। দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের নতুন রেকর্ড গড়তে চলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) ও তার মিত্ররা। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ইতিমধ্যেই ২১১টি আসনে জয়লাভ করে জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Two-thirds Majority) নিশ্চিত করেছে।

    অভিনন্দন বার্তায় কী লিখলেন মোদি

    শুক্রবার সকালে সমাজ মাধ্যমে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপি-র নির্ণায়ক জয়ে নেতৃত্বে দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।” ভারত-বাংলাদেশ বহুমুখী সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে তারেককে একসঙ্গে কাজ করারও আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি লেখেন, “আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ককে মজবুত করার জন্য এবং অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।” একই সঙ্গে মোদি লেখেন, “গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে ভারত তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।” ‘ঐতিহাসিক বিজয়ে’র জন্য তারেককে ধন্যবাদ জানিয়েছে আমেরিকাও। শুক্রবার সকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের তরফ থেকে সমাজমাধ্যমে বাংলা এবং ইংরেজিতে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়েছে, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা।”

    কৌশলী পদক্ষেপ মোদির

    ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পর থেকেই আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে ‘রাজনৈতিক আশ্রয়ে’ রয়েছেন। গণহত্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত। বারবার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে প্রত্যর্পণের দাবি করলেও এ বিষয়ে নয়াদিল্লি একেবারে নিশ্চুপ। এমনকী বাংলাদেশে নির্বাচনী আবহেও দিল্লি থেকে নানা রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন হাসিনা। এসবের পর নির্বাচনে বিএনপি-র জয়ের আভাস পেয়েই মোদির বার্তা কৌশলী পদক্ষেপ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিএনপি-র

    প্রত্যাশিতভাবেই বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৯৯টি আসনের সংসদে জাদুসংখ্যা পেরিয়েছে খালেদা জিয়ার দল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে। আর বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন তারেক। সংসদে বিরোধী দলের আসনে জামাত-ই-ইসলামি। শুক্রবার ভোররাতে নির্বাচন কমিশন এই ফল ঘোষণা করেন।নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবারের ভোটে অংশ নিতে পারেনি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ।

    বিপুল ভোটে জয়ী তারেক

    বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন হয়েছে বৃহস্পতিবার। শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত রয়েছে। সরকার গঠনের জন্য কোনও দল বা জোটকে ১৫১টি আসনে জিততে হতো। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান দু’টি আসনেই (ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬) জয়ী হয়েছেন। ৭৭ হাজার ভোটে বগুড়া-৬ আসনে বিপুল জয় খালেদা-পুত্র তারেক রহমানের। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পেয়েছেন ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৯১৩ ভোট। এই আসনে তারেকের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মহম্মদ আবিদুর রহমান। ইতিমধ্যেই বিএনপি-র তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে ‘বিপুল সংখ্যক আসনে’ নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। শুক্রবার প্রয়াত খালেদা জিয়ার স্মৃতিতে, দেশবাসীর প্রতি শুভকামনায় বিএনপি-র তরফে বিভিন্ন মজসিদে প্রার্থনা করা হবে। তাদের তরফে বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করার অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপি-র তরফে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তারা জয় উপলক্ষে কোনও বিজয়মিছিল বা সভা করছে না।

    ভারত-বিরোধিতা কাজে এল না

    লাগাতার ভারত-বিরোধিতা অস্ত্র কাজে এল না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুমকি, বিরোধী মন্তব্যের পরও বাংলাদেশ ভোটে জিততে পারলেন না ছাত্রনেতা সারজিশ আলম। নিজের কেন্দ্র পঞ্চগড়-১ আসনে গোহারা হারলেন তিনি। এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। এবারের ভোটে জামাতের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করেছে জুলাই আন্দোলন থেকে উঠে আসা ছাত্রদের দল এনসিপি। তাঁদের প্রার্থীরা মোটের উপর ভালো ফল করলেও সারজিশের হারে প্রমাণ, তাঁর আগাগোড়া ভারত বিরোধী মনোভাব অন্তত জনসমর্থন টানতে পারেনি।

    গণভোটের গণনা

    দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সারা দেশ থেকে আসা বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, দলটি ইতিমধ্যেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় আসন নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশে চলছে গণভোটের গণনা। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা’র (বাসস) খবর অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৭টা পর্যন্ত গণভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৭টি এবং না ভোট পড়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৫৬টি। এ বারই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি ঘোষণা না হলেও সংসদ নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ক্ষমতা আসতে চলেছে বিএনপি। এ বার গণভোটের যে ইঙ্গিত মিলছে তাতে স্পষ্ট, হ্যাঁ ভোট এগিয়ে অনেকটাই।

  • Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন। তাই ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে যৌথভাবে অনুসন্ধান, উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পুনর্ব্যবহারের চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India) করছে ভারত (Critical Minerals Deals)। খনন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশ্বের বহু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহে আধিপত্য এবং উন্নত খনন ও প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির কারণে চির-প্রতিদ্বন্দ্বী চিনের ওপর ভারতের অতিরিক্ত নির্ভরতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই পরিস্থিতি কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভারতের জ্বালানি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    কোন কোন দেশের সঙ্গে আলোচনা (Critical Minerals Deals)

    তবে আবিষ্কার থেকে উৎপাদন পর্যায়ে পৌঁছতে খনিশিল্পে সময় লাগে বিস্তর। শুধু অনুসন্ধান কাজই পাঁচ থেকে সাত বছর পর্যন্ত চলে এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা খনি প্রতিষ্ঠায় গিয়ে শেষ হয় না। সূত্রের খবর, “অনুরোধ এসেছে এবং আমরা ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের সঙ্গে আলোচনা করছি। অন্যদিকে কানাডার সঙ্গে চুক্তিটি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।” সূত্রের মতে, এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারতের খনিমন্ত্রক। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মার্চের শুরুতে ভারত সফর করতে পারেন এবং ইউরেনিয়াম, জ্বালানি, খনিজ এবং এআই সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। কানাডার প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগ জানুয়ারি মাসে এক বিবৃতির দিকে ইঙ্গিত করে জানিয়েছে, উভয় পক্ষ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে রাজি হয়েছে (India)।

    মন্তব্য করেনি কোনও দেশই

    নয়াদিল্লিতে ব্রাজিলের দূতাবাস, ভারতের খনিমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। নেদারল্যান্ডসের দূতাবাসের তরফেও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মন্তব্য করতে চায়নি ফ্রান্সের দূতাবাসও। ভারত বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সন্ধান জোরদার করেছে এবং ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পেরু ও চিলির সঙ্গে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে, যার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে (Critical Minerals Deals)। ভারতের এই আন্তর্জাতিক তৎপরতা এমন একটা সময়ে বাড়ছে, যখন গত মাসে ওয়াশিংটনে জি-৭ ও অন্যান্য বড় অর্থনীতির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে চিন থেকে ‘রেয়ার আর্থ’ নির্ভরতা কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে (India)। ২০২৩ সালে ভারত লিথিয়াম-সহ ২০টির বেশি খনিজকে “গুরুত্বপূর্ণ” বলে চিহ্নিত করেছে, যা তার জ্বালানি রূপান্তর এবং শিল্প ও পরিকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য (Critical Minerals Deals)।

     

  • BJP: “ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত”! রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি বিজেপির নিশিকান্ত দুবের

    BJP: “ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত”! রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি বিজেপির নিশিকান্ত দুবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে সাবস্ট্যান্টিভ মোশন (Substantive Motion) জমা দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বৃহস্পতিবার এ কথা জানান তিনি। এতে তিনি রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল করার এবং তাঁকে আজীবনের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন। বুধবার (BJP) কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাহুল। তার পরেই বিজেপি সাংসদের এই পদক্ষেপ। তিনি ভারত-আমেরিকা অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে “দেশ বিক্রি করে দেওয়ার” অভিযোগ করেন। রাহুলের দাবি, এই চুক্তি কৃষকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে, বস্ত্র শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সুবিধা দিয়ে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করে।

    কিরেন রিজিজুর বক্তব্য (BJP)

    এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু মন্তব্য করেছিলেন যে সরকার রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে সংসদকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে একটি প্রিভিলেজ মোশন (Privilege Motion) আনবে। যদিও দুবে জানান, এই ধরনের কোনও প্রিভিলেজ মোশন দাখিল করা হয়নি। তিনি বলেন, “এটি কোনও প্রিভিলেজ মোশন নয়। আমি একটি সাবস্ট্যান্টিভ মোশন জমা দিয়েছি, যেখানে উল্লেখ করেছি যে তিনি নাকি সোরোস ফাউন্ডেশন, ফোর্ড ফাউন্ডেশন, ইউএসএইডের সঙ্গে যুক্ত এবং তাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম ও আমেরিকা সফর করেছেন। তিনি ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত।”

    দুবের বক্তব্য

    দুবে বলেন, “এটি সর্বজনবিদিত যে আমাদের দেশের কোনও নাগরিক বা জনপ্রতিনিধি কিংবা উচ্চপদস্থ কর্তা এমন কিছু করেন না যা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে। দলীয় ভেদাভেদ নির্বিশেষে সাংসদদের মধ্যে একটি নীরব সমঝোতা রয়েছে যে সাময়িক রাজনৈতিক লাভের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বা তার আধিকারিকদের টেনে আনা হবে না। কিন্তু রাহুল গান্ধীর ক্ষেত্রে এই নৈতিক মানদণ্ড প্রযোজ্য নয়। ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে লোকসভায় তাঁর ভাষণে স্পষ্ট, যেখানে তিনি কৌশলে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানের নাম নিয়েছেন (Rahul Gandhi)।” দুবে বলেন, “সময়ের দাবি হল জরুরি ও কাঠামোবদ্ধ তদন্ত পরিচালনা করা, যাতে একজন সাংসদ ও বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁর কথিত অনৈতিক আচরণ পরীক্ষা করা যায় এবং তাঁকে অবিলম্বে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা যায় (BJP)।”

    রাহুলের সদস্যপদ বাতিলের দাবি

    তিনি রাহুলের সদস্যপদ বাতিল ও স্থায়ীভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। তবে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লোকসভার প্রাক্তন মহাসচিব পিডিটি আচার্য দুবের পদক্ষেপের প্রক্রিয়াগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “দুবে কোন নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে মোশন জমা দিয়েছেন তা উল্লেখ করেননি (Rahul Gandhi)।” আচার্য বলেন, “সব মোশনই সাবস্ট্যান্টিভ। তিনি কোন নিয়ম উদ্ধৃত করছেন? নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী মোশন জমা দিতে হয়। যদি কেউ সংসদের অবমাননা করে, তাহলে অবমাননার নোটিশ দেওয়া যেতে পারে। তা প্রিভিলেজেস কমিটি পরীক্ষা করবে এবং রিপোর্ট বা সুপারিশ করবে। এরপর হাউস ব্যবস্থা নেবে, এটাই প্রক্রিয়া। এর বাইরে অন্য কোনও পথ নেই (BJP)।” তিনি আরও বলেন, “সংসদের কোনও সদস্যকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা হাউসের থাকলেও অযোগ্য ঘোষণা করার ক্ষমতা নেই। অযোগ্য ঘোষণা কেবলমাত্র দলত্যাগ বিরোধী আইন (Anti-Defection Law) এবং জন প্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People’s Act) অনুযায়ী হতে পারে।”

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    এদিকে, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল বলেন, “দল এসব পদক্ষেপে বিচলিত নয়। আমরা কোনও মোশন নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের ফাঁসি দিতে চাইলে তাতেও প্রস্তুত আছি।” তাঁর অভিযোগ, লোকসভায় রাহুলের কিছু বক্তব্য বুধবার রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। লোকসভার স্পিকারকে অপসারণের নোটিশ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বেণুগোপাল বলেন, “আমরা চেয়ার থেকে ন্যায়বিচার পাচ্ছি না (BJP)।” রাহুলের বক্তব্যের বিরুদ্ধে শাসক দলের পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “রাহুল গান্ধী কোন বিশেষাধিকার ভঙ্গ করেছেন? আগেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছিল। তারপর জনগণ আরও বেশি ভোট দিয়ে তাঁকে জয়ী করেছেন।” তিনি বলেন, “আমরা সত্য বলা বন্ধ করব না (Rahul Gandhi)।” রাহুলের বক্তব্য রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার চেয়ারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে যাতে বিরোধী সদস্যরা কথা বলার সুযোগ না পান।” তিনি বলেন, “রাহুলজি যা বলেছেন, তা সম্পূর্ণভাবে রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্মলা সীতারামনের অনুরূপ মন্তব্য রেকর্ডে রাখা হয়েছে। সরকারের দ্বৈত মানদণ্ড রয়েছে। এই সংসদ চালাচ্ছে সরকার, তবে বিরোধীদের জন্য নয় (BJP)।”

    রিজিজুর বক্তব্য

    মন্ত্রী রিজিজু বলেন, “আমি রাহুল গান্ধীকে কোনও পাঠ শেখাতে পারি না। তিনি কোন জগতে বাস করেন, তা আমি বুঝতে পারি না।
    কোন আদর্শ তাঁর কাজকর্ম পরিচালিত করে? কংগ্রেসের প্রবীণ নেতাদের উচিত তাঁকে বোঝানো যে সংসদ এভাবে চলতে পারে না। এখানে শিশুদের মতো আচরণ করবেন না। আমাদের দেশ বিশাল, এবং নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (BJP)।”

     

  • Heart Health in Spring: বসন্তে কি বাড়ে হৃদরোগের ঝুঁকি? কেন বাড়তি খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Heart Health in Spring: বসন্তে কি বাড়ে হৃদরোগের ঝুঁকি? কেন বাড়তি খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীত আর বেশি দিন নেই। পলাশ ফুল জানান দিচ্ছে বসন্ত প্রায় দোড়গোড়ায়। বছরের এই সময়ে প্রকৃতি নানান রঙে সেজে ওঠে। শীতের আমেজ সরে গিয়ে, গরমের আভাস দেয় বসন্ত! তবে কবির লেখায় বসন্ত নিয়ে নানান রঙিন শব্দ চয়ন থাকলেও বসন্ত কিন্তু বিপজ্জনক! অন্তত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, বসন্তে শরীরের দিকে বাড়তি নজরদারি জরুরি। না হলেই বড় বিপদ হতে পারে। বিশেষত হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয় বসন্ত।

    বসন্তে কেন বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে তাপমাত্রার পারদ কিছুটা কমে। আর বসন্ত এলেই হঠাৎ করেই আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে। তাপমাত্রার পারদ ঊর্ধ্বমুখী হয়। আর আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে রক্তচাপে। শরীরের রক্তচাপ হঠাৎ করেই ওঠানামা করতে থাকে। পেশির সংকোচন ও প্রসারণের ক্ষেত্রেও জটিলতা তৈরি হয়। আর তার জেরেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। রক্তচাপ ঘন ঘন ওঠানামা করলে কিংবা পেশি সংকোচন-প্রসারন ঠিকমতো না হলে হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতার উপরেও প্রভাব পড়ে। তার ফলেই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও বাড়ে। তাই বসন্ত ঋতুতে হৃদপিণ্ডের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন।

    কাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ভারতে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বয়স আর সীমারেখা মানছে না। বয়স তিরিশের চৌকাঠ পেরনোর পরেও হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে। তাই বয়স নয়, শরীর কেমন আছে, সেদিকে সকলের খেয়াল রাখা জরুরি। বিশেষত পুরুষদের এই বিষয়ে বাড়তি যত্ন প্রয়োজন। কারণ এ দেশে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, মহিলাদের তুলনায় ছেলেরাই হৃদরোগে বেশি আক্রান্ত হন। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে রক্তচাপ স্বাভাবিক কিনা, তা যাচাই করা জরুরি। বয়স কুড়ি হোক বা পঞ্চাশ, বছরের এই সময়ে অন্তত পনেরো দিন অন্তর রক্তচাপ যাচাই জরুরি। রক্তচাপ ঘন ঘন ওঠানামা করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন বলেই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

    খাদ্যাভ্যাসে বাড়তি নজর থাকুক

    বসন্তে হঠাৎ করেই তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তাই খাবারে বাড়তি নজরদারি জরুরি। এই সময়ে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। হজমের সমস্যা রক্তচাপকেও বাড়িয়ে দেয়। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই সময়ে কম তেল মশলা জাতীয় হালকা খাবার খাওয়া উচিত। যাতে সহজেই হজম হয়। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, বাদাম জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া উচিত। এতে পেশির সংকোচন প্রসারণ ঠিকমতো হয়। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিক হয়। তাছাড়া নিয়মিত সব্জি খাওয়া জরুরি। সবুজ সব্জি একদিকে হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আবার পালং শাক, পটল, ঝিঙের মতো ভিটামিন ও খনিজ সম্পদ ভরপুর সব্জি হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা স্বাভাবিক রাখে। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তাই যাদের কোলেস্টেরল বেশি, এই সময়ে তাঁদের বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

    নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে। দেহের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে। স্নায়ু ও পেশির সক্রিয়তা বজায় রাখে। এর ফলে হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিক থাকে। তাই হৃদরোগ এড়াতে যোগাভ্যাস জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Bangladesh Election 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন হাসিনা?

    Bangladesh Election 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন হাসিনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার শেষ হল বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Election 2026)। এই নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) এবং তাঁর দল আওয়ামি লিগকে। এদিন ভোট শেষের পর তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া, ‘এই নির্বাচন অসাংবিধানিক’। এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন তিনি। ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগও তুলেছেন বাংলাদেশের দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, “অবৈধ ও অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূস আয়োজিত আজকের তথাকথিত নির্বাচন ছিল মূলত সুপরিকল্পিত একটি প্রহসন। জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সংবিধানের চেতনাকে উপেক্ষা করে আওয়ামি লিগকে বাদ দিয়ে এবং ভোটারবিহীনভাবে একটি প্রতারণামূলক নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে।”

    হাসিনার বক্তব্য (Bangladesh Election 2026)

    তিনি আরও বলেন, “১১ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যা থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গুলিবর্ষণ, ভোট কেনাবেচায় অর্থের ব্যাপক ব্যবহার, ব্যালট পেপারে সিল মারা এবং ফলাফলের শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এই প্রহসন শুরু হয়। ১২ ফেব্রুয়ারির সকাল থেকে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত কম। রাজধানী-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বহু ভোটকেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে ভোটারশূন্য ছিল।” তাঁর দাবি, “এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিল করতে হবে, খুনি-ফ্যাসিবাদী ইউনূসের পদত্যাগ চাই, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী-সহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি এবং সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, আওয়ামি লিগের কার্যকলাপের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে, জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে হবে (Bangladesh Election 2026)।”

    ভারতের প্রতিক্রিয়া

    এদিকে, ভারতের ক্ষেত্রে, ঢাকার পক্ষ থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও হস্তক্ষেপের ধারণা এড়াতে ভারত কোনও সরকারি পর্যবেক্ষক পাঠায়নি। সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সরকারি মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। তবে (Sheikh Hasina) আমরা বাংলাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক পাঠাইনি (Bangladesh Election 2026)।”

     

  • Bangladesh Election 2026: “আজ এক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন”, নির্বাচন প্রসঙ্গে বললেন ইউনূস

    Bangladesh Election 2026: “আজ এক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন”, নির্বাচন প্রসঙ্গে বললেন ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ এক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন। আমরা সারাদিন এই জন্মদিন উদ্‌যাপন করব।” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশ উঠে দাঁড়ানোর পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর, দেশটি আজ, বৃহস্পতিবার আবারও তার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ইউনূস ঢাকার গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেন। এর পরেই তিনি বলেন, “এটি একটি মহা আনন্দের দিন।”

    গণঅভ্যুত্থানের পর এটি প্রথম নির্বাচন (Bangladesh Election 2026)

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর এটি প্রথম নির্বাচন, যা দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসন কালের অবসান ঘটায়। সমালোচকদের মতে, তাঁর শাসন ছিল কঠোর ও কর্তৃত্ববাদী। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি আবর্তিত হয়েছে তাঁর নেতৃত্বেই। তরুণদের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে। তার পরেই দেশান্তরিত হন হাসিনা। ইউনূস বলেন, “আজকের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ অতীতকে প্রত্যাখ্যান করেছে। অতীতে যত দুঃস্বপ্ন ছিল, আমরা তা সম্পূর্ণভাবে পরিত্যাগ করেছি। আজ থেকে প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ পেয়েছি।” বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলে বিকেল পর্যন্ত। অন্তর্বর্তী প্রশাসন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে ভোট হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ। ইউনূস নাগরিকদের তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটেও অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

    মহা আনন্দের দিন

    তিনি বলেন, “সমগ্র বাংলাদেশ বদলে যাবে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি আমার জন্য এক মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্যই এটি আনন্দের দিন। এটি মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান এবং নতুন স্বপ্নের সূচনা। আজকের এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য সেটিই।” দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি মূলত দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির দ্বারা প্রভাবিত ছিল- শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামি লিগ এবং প্রয়াত খালেদা জিয়া ও বর্তমানে তাঁর ছেলে তারেক রহমানের বিএনপি। এদিনের নির্বাচনে আওয়ামি লিগকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।বিএনপি ৩০০টির মধ্যে ২৯২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি আসনগুলি ছোট সহযোগী দলগুলির সঙ্গে ভাগ করেছে। এই দলের নেতা খালেদা পুত্র তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অন্যতম প্রধান দাবিদার।

    জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট

    বিএনপির মুখোমুখি হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নিষিদ্ধ থাকা এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন নীতির জন্য দীর্ঘদিন বিতর্কিত এই দলটি গত বছরের অস্থিরতার পর শক্তি অর্জন করেছে। তারা ২২৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। আর তাদের সহযোগী দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি, যা গণঅভ্যুত্থানে জড়িত তরুণ কর্মীদের দ্বারা গঠিত, লড়ছে ৩০টি আসনে। এই জোট জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দলের প্রধান শফিকুর রহমানের। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। ওই যুদ্ধে অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারান। বর্তমান পরিস্থিতিতেও সেই সংগ্রামের প্রতিধ্বনি শোনা যায়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনার নির্দেশে পরিচালিত সরকারি দমনপীড়নে ১,৪০০ জন নিহত হন। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে অনুপস্থিত অবস্থায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

     

  • India Rafale Jet Deal: ১১৪টি রাফাল কেনার চুক্তিতে সবুজ সংকেত ডিএসি-র, ৯০টি তৈরি হবে ভারতেই, আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম

    India Rafale Jet Deal: ১১৪টি রাফাল কেনার চুক্তিতে সবুজ সংকেত ডিএসি-র, ৯০টি তৈরি হবে ভারতেই, আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্ভাবনা ছিল। ছিল প্রত্যাশাও। দিল্লির আকাশে-বাতাসে খবর ভেসে বেড়াচ্ছিল যে, ফরাসি প্রেসিডেন্টের ভারত সফরের আগেই ১১৪টি রাফাল কেনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছাড়পত্র মিলতে পারে। সেই মতোই, বৃহস্পতিবার এই প্রস্তাবে অনুমতি দিয়ে দিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ বা ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (DAC)। চলতি সপ্তাহেই যে ছাড়পত্র মিলতে পারে, সেই খবর মঙ্গলবারেই জানিয়েছিল মাধ্যম। একইসঙ্গে, ডিএসি-র বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য ছয়টি অতিরিক্ত পি-৮আই সামুদ্রিক নজরদারি ও সাবমেরিন-বিধ্বংসী যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন যুদ্ধাস্ত্র ব্যবস্থা এবং এয়ার-শিপ বেসড হাই-অল্টিটিউড সিউডো স্যাটেলাইট (AS-HAPS) প্ল্যাটফর্ম কেনার ক্ষেত্রেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ডিএসি বৈঠকে।

    ‘অ্যাকসেপ্ট্যান্স অব নেসেসিটি’ প্রদান

    জানা যাচ্ছে, বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি আন্তঃসরকারি সমঝোতা (Inter-Governmental Agreement) পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি ভারতের সরকারি সফরের ঠিক আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (MoD) এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রায় ৩.৬০ লক্ষ কোটি টাকার একাধিক প্রতিরক্ষা প্রকল্পের জন্য কাউন্সিল ‘অ্যাকসেপ্ট্যান্স অব নেসেসিটি’ (AoN) প্রদান করেছে। প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, ২৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান সরাসরি ফ্লাইঅ্যাওয়ে কন্ডিশনে ফ্রান্সের দাসো অ্যাভিয়েশনের কারখানা থেকে উড়িয়ে আনা হবে। বাকি ৯০টি বিমান দেশীয়ভাবে উৎপাদন করা হবে।

    অস্ত্র ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করার পূর্ণ স্বাধীনতা

    বাণিজ্যিক আলোচনার পর দেশীয় উপাদানের হার প্রায় ৫০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে, যা আগে ৩০ শতাংশ নির্ধারণের কথা ছিল। এছাড়া, রাফাল বিমানে ভারতের নিজস্বভাবে তৈরি অস্ত্র ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করার পূর্ণ স্বাধীনতা বজায় রাখবে ভারত। তবে এই প্রস্তাব কার্যকর করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS)-এর চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন। সেখানে সবুজ সঙ্কেত মিললেই কেনার বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ নেবে। শুরু হবে দুপক্ষের দর-কষাকষি ও টেকনিক্যাল বিষয়ক আলোচনা।

    রাফালের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৭৫টি

    বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনার বহরে ৩৫টি রাফাল যুদ্ধবিমান রয়েছে। পাশাপাশি, ভারতীয় নৌসেনা বিমানবাহী রণতরীতে ব্যবহারের জন্য ২৬টি রাফাল-এম (Rafale-M) যুদ্ধবিমান অর্ডার করেছে। নতুন এই চুক্তি সম্পন্ন হলে ভারতের মোট রাফাল বিমানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৭৫টি। এতে অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও লজিস্টিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

  • Jaish-e-Mohammed: লালকেল্লা বিস্ফোরণে জইশ-যোগ! পাকিস্তান অস্বীকার করলেও রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে ভারতের দাবিকেই মান্যতা

    Jaish-e-Mohammed: লালকেল্লা বিস্ফোরণে জইশ-যোগ! পাকিস্তান অস্বীকার করলেও রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে ভারতের দাবিকেই মান্যতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের একটি রিপোর্টে (UN report)। যেখানে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed) এখনও সক্রিয় এবং ভারতের মাটিতে একাধিক হামলার সঙ্গে তাদের সঙ্গে যোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গত বছর দিল্লির লালকেল্লার কাছে হওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণ (Delhi Red Fort Blast)। পাকিস্তান বারবার দাবি করেছে জইশ-ই-মহম্মদ এখন সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয়। কিন্তু ভারতের দাবি ছিল জইশের জঙ্গি কার্যকলাপ চালু রয়েছে পুরোদমে। রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট সেই দাবিকেই সত্যি প্রমাণ করল।

    রাষ্ট্রসংঘের নয়া রিপোর্ট

    রাষ্ট্রসংঘের অ্যানালিটিকাল সাপোর্ট ও স্যাংশন মনিটরিং টিমের (UN Analytical Support and Sanctions Monitoring Team) ৩৭তম রিপোর্টে জানানো হয়েছে, একটি সদস্য দেশ (নাম প্রকাশ করা হয়নি) তাদের কাছে তথ্য দিয়েছে যে জইশ একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে। এর মধ্যে রয়েছে গত ১০ নভেম্বরের লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনাও রয়েছে। এই ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে, সংগঠনটি এখনও জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছে। রিপোর্টে কাশ্মীর উপত্যকায় চলতি বছরের বিভিন্ন ঘটনারও উল্লেখ আছে। জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের এপ্রিলে পহেলগাঁও হামলায় (Pahalgam terror attack) ২৬ জন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়, যার দায় স্বীকার করেছিল লস্কর-ই-তইবার ঘনিষ্ঠ সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF)। পরে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালিয়ে পাকিস্তানে জঙ্গি ঘাঁটির উপর পাল্টা আঘাত হানে।

    পরিকল্পিত সন্ত্রাসী চক্রের অংশ

    লালকেল্লার বিস্ফোরণ (Delhi Red Fort Blast) ঘটনাটি শুরু থেকেই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে এনআইএ। এর আগে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ তদন্তে ‘হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল’-এর (White Collar Terror Module) সন্ধান পায়, যার যোগ ছিল জইশ ও আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে। আটক করা হয়েছে মোট ৯ জনকে, এদের মধ্যে তিনজন ডাক্তারও রয়েছেন, যারা নেটওয়ার্ককে সাহায্য করতেন বলে সন্দেহ। তদন্তে উদ্ধার হওয়া একটি ভিডিওতে বিস্ফোরণকারী উমর-উন-নবীকে আত্মঘাতী হামলার কথা বলতে দেখা যায়। এতে স্পষ্ট হয়, হামলাটি কোনও একক সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি পরিকল্পিত সন্ত্রাসী চক্রের অংশ। দিল্লি বিস্ফোরণে যে জইশের যোগ থাকতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথা আগেই উঠে এসেছিল। বিস্ফোরণের পর ধরপাকড়ের সময়ে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে তদন্তকারীদের হাতে ধরা পড়েছিলেন তুফাইল নিয়াজ ভাট নামে এক সন্দেহভাজন। তুফাইলের সঙ্গে জইশের যোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছিলেন তদন্তকারীরা। এবার রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টেও উল্লেখ করা হল দিল্লি বিস্ফোরণে জইশ-যোগের প্রসঙ্গ। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ স্বীকৃত লালকেল্লা ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় এই অভিযোগকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    জইশ-সম্পর্কে ভিন্ন মত

    বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তা নজরদারি এড়ানো, লজিস্টিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং সমর্থনভিত্তি বাড়ানোর লক্ষ্যে অন্যান্য উগ্রপন্থী সংগঠনের মতোই জেইএমও নতুন কৌশল নিচ্ছে। জেইএমকে রাষ্ট্রসংঘ আল-কায়েদা-সম্পর্কিত সত্তা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটির বিরুদ্ধে বিশেষত জম্মু ও কাশ্মীরে একাধিক হামলার অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহার দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন; তাঁর বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ জব্দের নির্দেশ রয়েছে। তবে মনিটরিং টিম জানিয়েছে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সংগঠনটির বর্তমান অবস্থান নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কিছু দেশ জেইএমকে সক্রিয় ও বিপজ্জনক বলে মনে করলেও, অন্য এক সদস্য রাষ্ট্রের দাবি, সংগঠনটি কার্যত নিষ্ক্রিয়। এই ভিন্নমত দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদবিরোধী সহযোগিতাকে জটিল করে তুলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    জইশ-এর মহিলা জঙ্গি সংগঠন

    জইশের বিষয়ে রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, সম্প্রতি জইশ প্রধান মহম্মদ মাসুদ আজহার আনুষ্ঠানিক ভাবে একটি নতুন শাখা সংগঠনের কথা ঘোষণা করেছেন। শুধু মহিলাদের নিয়ে তৈরি এই জঙ্গিবাহিনীর কাজ বিভিন্ন নাশকতায় সাহায্য করা। মহিলাদের নিয়ে তৈরি ওই জঙ্গিবাহিনীর নাম দেওয়া হয়েছে জামাত উল-মুমিনাত। বস্তুত, জইশ হল পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী। ভারতে বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপে অতীতে জইশের যোগের অভিযোগ উঠে এসেছে। ভারত এবং পাকিস্তান উভয়েই রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার সদস্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘জামাত-উল-মোমিনাত’-এর গঠন ভবিষ্যতে ভারতীয় উপমহাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে।

    ভারতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা

    জইশের মহিলা ব্রিগেড ‘জামাত-উল-মোমিনাত’ জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে। জানা গিয়েছে, ‘জামাত-উল-মোমিনাত’ জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে। অনলাইন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতে তাদের কার্যকলাপ বৃদ্ধির চেষ্টা করছে তারা। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে নিজেদের ভাবনা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ব্রিগেড ধর্মের নামে মহিলাদের প্রলুব্ধ করে নিজেদের দলে যোগ দেওয়ানোর চেষ্টা করবে। পাশাপাশি, শিক্ষিত এবং শহুরে মুসলিম মহিলাদের টার্গেট করা হবে বলেও মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ‘জামাত-উল-মোমিনাত’-এর নেতৃত্ব রয়েছে মাসুদ আজাহারের বোন সাদিয়া আজাহার। অপারেশন সিঁদুরে সাদিয়ার স্বামী ইউসুফের মৃত্যু হয়। ই ব্রিগেডে ইতিমধ্যেই নাম লেখানো শুরু করেছে সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের স্ত্রীরা। পাশাপাশি, ভাওয়ালপুর, করাচি, মুজফফরাবাদ-সহ দেশের বিভিন্ন এলাকার অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মহিলাদের দলে টানার চেষ্টা করছে জইশ।

  • India UNSC Bid: চিনের অবস্থান বদল! রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে ‘বোঝে ও সম্মান করে’, জানাল বেজিং

    India UNSC Bid: চিনের অবস্থান বদল! রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে ‘বোঝে ও সম্মান করে’, জানাল বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারতের ইচ্ছাকে “বোঝে ও সম্মান করে” চিন। ভারত সফরে এসে এমনটাই জানালেন চিনের উপ-বিদেশমন্ত্রী। বেজিংয়ের এই মন্তব্য চাৎপর্যপূর্ণ এই কারণে যে, চিনের বিরোধিতামূলক অবস্থানের কারণেই ভারত এখনও পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হতে পারেনি। সেখান থেকে চিনের এই মন্তব্য তাদের তরফে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে।

    চিন-বৈঠক নিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতি…

    আগামী ব্রিকস সম্মেলন ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তার আগে, ৮ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বসেছিল ব্রিকস দেশগুলির শেরপা-বৈঠক। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন চিনের এক্সিকিউটিভ ভাইস ফরেন মিনিস্টার (EVFM) মা ঝাওশু। ১০ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রির সঙ্গে কৌশলগত আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন ঝাওশু। সেখানেই তিনি সফল ব্রিকস সম্মেলন আয়োজনের জন্য ভারতকে শুভকামনা প্রদান করেন এবং সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তার সঙ্গেই জানান, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে দিল্লির ইচ্ছাকে বেজিং বোঝে ও সম্মান করে। বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারতে আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন যাতে সাফল্যের সঙ্গে আয়োজন করা যায়, তার জন্য চিনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, উপ-বিদেশমন্ত্রীমা ঝাওশু জানিয়েছেন যে, নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদের ক্ষেত্রে ভারতের ইচ্ছাকে বোঝে ও সম্মান করে চিন।”

    কেন গুরুত্বপূর্ণ চিনের এই অবস্থান পরিবর্তন?

    ২০২২ সালে ভারত যখন রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছিল, তখন পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের মধ্যে একমাত্র চিনই ভারতের প্রার্থিতাকে সমর্থন করেনি। ওই বছর ২২ জুলাই লোকসভায় দেওয়া এক উত্তরে তৎকালীন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ভি মুরালিধরণ জানান, চারটি স্থায়ী সদস্য দেশ ভারতের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছিল। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মোট ১৫ জন সদস্য থাকে। এর মধ্যে পাঁচজন স্থায়ী ও ১০ জন অস্থায়ী সদস্য। স্থায়ী সদস্য দেশগুলি হল চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, ব্রিটেন ও আমেরিকা। এই পাঁচ দেশের প্রত্যেকেরই ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।

    ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাশিয়া ভারতের প্রার্থিপদের প্রতি সমর্থন জানায়। পরে একই বছরের ডিসেম্বরে ফ্রান্স ও ব্রিটেনও সমর্থনের কথা ঘোষণা করে। ভারতের পাশাপাশি ব্রাজিল, জার্মানি, জাপান ও দক্ষিণ আফ্রিকাও নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য শীর্ষ দাবিদার দেশগুলির মধ্যে রয়েছে।

    ‘‘ভারতের  স্থায়ী আসন পাওয়া উচিত’’

    ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ভারতের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে জানান, আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের পক্ষে সমর্থন ক্রমেই বাড়ছে এবং এই অর্জন “অপরিহার্য”। তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে একটি অনুভূতি তৈরি হয়েছে যে বর্তমান কাঠামো বদলানো দরকার এবং ভারতের একটি স্থায়ী আসন পাওয়া উচিত। প্রতি বছর এই অনুভূতি আরও জোরদার হচ্ছে। তবে বড় কিছু অর্জন কখনই কঠোর পরিশ্রম ছাড়া সম্ভব নয়।”

    ভারত-চিন কৌশলগত আলোচনা

    • ● ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ভারত-চিন কৌশলগত আলোচনায় উভয় দেশই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতাবস্থার গুরুত্বের ওপর জোর দেয়।
    • ● বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশ মতবিনিময় করেছে। আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-চিন সম্পর্ক স্থিতিশীল করা এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা বৃদ্ধির পথ খোঁজা।
    • ● দু’পক্ষই তাদের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে এবং বিশেষ করে বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়গুলিকে রাজনৈতিক ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে।
    • ● কৈলাস মানসরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু হওয়াকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে এর আরও সম্প্রসারণের আশা প্রকাশ করেন বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি।
    • ● ভারত ও চিন একটি উড়ান পরিষেবা চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে এবং ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়।
    • ● চলতি বছরে ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের প্রেক্ষাপটে বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
  • T20 World Cup 2026: মাথায় পাকিস্তান! নামিবিয়ার বিরুদ্ধে আজ নিজেদের ঝালিয়ে নিতে চাইছেন সূর্যরা

    T20 World Cup 2026: মাথায় পাকিস্তান! নামিবিয়ার বিরুদ্ধে আজ নিজেদের ঝালিয়ে নিতে চাইছেন সূর্যরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ, আর সেই বিশ্বকাপেই ইতিহাস গড়ার সুযোগ সূর্যদের সামনে। প্রথম দল হিসেবে তিন বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) ট্রফি ঘরের তোলার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে ভারতীয় দল। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে ২৯ রানে প্রথম ম্যাচে হারিয়েছে তারা। সপ্তাহান্তেই আবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ। সেই ম্যাচের আগে বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে (India vs Namibia) মাঠে নামবে ভারত। আর, চলতি বিশ্বকাপে অন্যতম কঠিন পরীক্ষার মুখে নামছে নামিবিয়া।

    ভারত-পাকিস্তান মহারণ

    আর মাত্র তিনদিন। তারপরই ভারত-পাকিস্তান মহারণ। তার আগে বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচ টিম ইন্ডিয়ার। কিন্তু ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ম্যাচের ভাবনা ঢুকে পড়েছে শিবিরে। ম্যাচের আগে আগাম হুঁশিয়ারি তিলক বর্মার। জানান, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলার জন্য তাঁরা তৈরি। দাবি করেন, ম্যাচটা হবে জানার পর দল তেড়েফুঁড়ে আছে। এক কথায়, ম্যাচ জোনে প্রবেশ করে ফেলেছে ভারত। এই প্রসঙ্গে তিলক বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমরা খুবই উত্তেজিত। আমরা দু’দিন আগে জানতে পেরেছি, ম্যাচটা হবে। আমরা তৈরি। আমরা সব দলের দিকে নজর রাখছি। আমরা বোলার এবং ব্যাটারদের দিকে নজর রাখছি। সমস্ত প্লেয়ার এবং দলের সদস্যরা খেলার জন্য তৈরি। আমরা ম্যাচ জোনে ঢুকে পড়েছি। এবার পরিকল্পনা শুরু হবে।’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলার জন্য সবসময় মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিল ভারতীয় ক্রিকেটাররা। সম্প্রতি বয়কটের সিদ্ধান্ত তুলে ফেলায় সেটা আরও মজবুত হয়েছে। দাবি করেন টিম ইন্ডিয়ার সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে। গম্ভীরের ডেপুটি বলেন, ‘আমরা এটা ধরে নিয়েই এগোচ্ছিলাম। আমরা সবসময় মনে করছিলাম আমাদের খেলতে হবে।’ ভারত-পাক ম্যাচের মঞ্চ তৈরি।

    পাকিস্তান-ম্যাচের আগে প্র্যাকটিস!

    ক্রিকেট ময়দানে ভারত এবং নামিবিয়ার মধ্যে কোনও তুলনাই হয় না। একদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট দল ইতিমধ্যে ২ বার টি-২০ বিশ্বকাপের খেতাব জয় করেছে। অন্যদিকে, নামিবিয়া যে টি-২০ বিশ্বকাপে (ICC T20I World Cup 2026) খেলার সুযোগ পেয়েছে এটাই অনেক বড় ব্যাপারে। সত্যি কথা বলতে কী, টিম ইন্ডিয়া আগামী ম্য়াচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে। ফলে এই ম্যাচটাকে তারা মহড়া হিসেবেই দেখতে চাইছে। এই পরিস্থিতিতে গেরহার্ড এরাসমাসের দল যদি কোনও ‘অঘটন’ ঘটাতে পারে, সেটা দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অবশ্যই স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। নামিবিয়ার কাছে আপাতত হারানোর মতো কিছু নেই। চোটে কাহিল টিম ইন্ডিয়া। গোটা দলটা আপাতত একটা মিনি হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। পেট খারাপ হওয়ার জন্য অভিষেক শর্মা এই ম্য়াচে হয়ত খেলতে নামবেন না। অনিশ্চিত জশপ্রীত বুমরা। শোনা যাচ্ছে, অনুশীলন করার সময় চোট পেয়েছেন ঈশান কিষান। তিনিও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তাই পাকিস্তান ম্যাচের আগে এগুলো ভাবাচ্ছে ভারতকে।

    কেমন খেলবে নামিবিয়া

    অ্যাসোসিয়েট দেশগুলো এবার বিশ্বকাপে বেশ চাপে রাখছে বিপক্ষকে। নেপাল, নেদারল্যান্ডস, আমেরিকা প্রতিটা দলই কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে প্রতিপক্ষকে। শুধু তারা চাপ রাখতে পারছে না বলেই ম্যাচ হেরে ফিরে আসছে। এই পরিস্থিতিতে নামিবিয়া ভারতের বিরুদ্ধে কী স্ট্র্যাটেজি নিয়ে খেলবে সেই প্রশ্নটা ঘোরাফেরা করছে। বিদেশি লিগে খেলা কোনও প্লেয়ার নেই নামিবিয়ায়। যতজন খেলেন তাঁরা নেপাল প্রিমিয়ার লিগের মতো দ্বিতীয় সারির ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলেন। যতজন প্লেয়ার খেলেন, তাঁদের অভিজ্ঞতাই এখন গোটা দলের সঙ্গী। চলতি বিশ্বকাপে নামিবিয়া একটি ম্যাচ খেলেছে। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচে তারা সাত উইকেটে হেরে যায়। সেটা অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে হওয়ায় পিচ চিনে গিয়েছে তারা।

LinkedIn
Share