Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • PM Modi in Bengal: ‘‘বিজেপি জিতবেই, গুজরাটেও সকাল ১১টায় এমন সভা হয় না’’ কাটোয়ায় জনসমাগমে আপ্লুত মোদি

    PM Modi in Bengal: ‘‘বিজেপি জিতবেই, গুজরাটেও সকাল ১১টায় এমন সভা হয় না’’ কাটোয়ায় জনসমাগমে আপ্লুত মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈতন্য মহাপ্রভুর পবিত্র ভূমিতে তৃণমূল পাপের রাজত্ব চালাচ্ছে। কিন্তু এটা আর চলবে না। ১৫ বছরের দুর্নীতির হিসেব হবে। ওরা মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। কিন্তু আর পারবে না। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর জনসভা থেকে হুঙ্কার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই সভায় জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। মোদি বলেন, জনপ্লাবন বলে দিচ্ছে, বাংলার মানুষ পরিবর্তনের (Assembly Election in Bengal) জন্য তৈরি। আরও একবার আমজনতার সামনে তুলে ধরলেন ৬ গ্যারান্টি। আশ্বাস দিলেন বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে মাসে ঢুকবে ৩০০০ টাকা। চাকরি পাবেন বেকাররা। মোদির আশ্বাস, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে সরকারি সমস্ত শূন্যপদ পূরণ হবে। শিল্প আসবে বাংলায়।” সভা মঞ্চ থেকেই মোদির মুখে শোনা গেল নতুন স্লোগান, “ভয় আউট, ভরসা ইন, বিজেপিকে ভোট দিন।”

    গুজরাটেও হয় না, জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত

    এদিন পূর্ব বর্ধমানের জেলা নেতৃত্ব কাটোয়ার মঞ্চে স্বাগত জানিয়েছেন মোদিকে। উত্তরীয় পরিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মোদির সামনে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন শমীক। জানান, বর্ধমানকে ধান উৎপাদনে এক থেকে তিনে নামিয়ে এনেছে শাসকদল। কাটোয়ার সভায় প্রধানমন্ত্রীর জন্য কয়েক জন শিশু ছবি নিয়ে এসেছিল। তাদের ছবি জমা দিয়ে দিতে বলেন মোদি। জানান, পিছনে নাম ও ঠিকানা লেখা থাকলে তিনি ধন্যবাদবার্তা পাঠাবেন। একই সঙ্গে বলেন, ‘‘গুজরাটেও সকাল ১১-১২টায় এমন সভা আমি করতে পারি না। চাইলেও করা যায় না। আপনারা এখানে আশ্চর্য জমায়েত করেন প্রতি বার। আমি অভিভূত। এ রাজ্যে যে ৪ মে-র পর পরিবর্তন আসছে, তা এই সভা থেকেই নিশ্চিত।’’

    সব দুর্নীতির হিসেব হবে

    এদিন মোদি বলেন, ‘‘আপনাদের ছ’টি গ্যারান্টি দিয়েছিলাম। সেগুলি পূরণের সময় এসেছে। তৃণমূলের নির্মম সরকারের ভয়ের রাজকে সরিয়ে ভরসায় বদলে দেবে আমার গ্যারান্টি। দুর্নীতি নিয়ে বিজেপি শ্বেতপত্র জারি করবে। যাতে তৃণমূলের সব সিন্ডিকেট, সব দুর্নীতিগ্রস্তদের হিসেব করা যায়। ১৫ বছরের হিসেব হবে। সব কাজের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। তৃণমূল ভয় পেয়ে গিয়েছে। একের পর এক মিথ্যা বলছে। বলছে আমরা ক্ষমতায় এলে নাকি সব প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। আসলে তা নয়। আসলে বিজেপি ওদের দুর্নীতির দোকান বন্ধ করবে। লুট বন্ধ করবে।’’

    সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা

    বর্ধমান থেকে মোদি বলেন, ‘‘এখানকার সীতাভোগ আর মিহিদানার সুগন্ধ সারা দুনিয়ায় জনপ্রিয়। তৃণমূলের সরকার আলু চাষিদের বরবাদ করে দিয়েছে। আলু পচছে। এটা চলবে না। বাংলা চুপ থাকবে না।’’ বিজেপি কৃষকদের জন্য ইস্তাহারে অনেক ঘোষণা করেছে বলে জানান মোদি। ‘ডবল ইঞ্জিন’-এর সুবিধা পাবেন কৃষকেরা। বিজেপি এলে যুবসমাজ লক্ষ লক্ষ চাকরি পাবে। বেকারদের ভাতাও দেওয়া হবে। দুর্নীতির জন্য যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত, তাঁদের বয়সে ছাড় দেওয়া হবে। রোজগার মেলার আয়োজন করা হবে এখানেও। সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাবেন কর্মচারীরা। রাজ্যের সব শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে।’’

    মহিলাদের মাসে তিন হাজার টাকা

    বিজেপির সংকল্প পত্রে মহিলাদের জন্য মাসে তিন হাজার টাকা, বিনামূল্যে সরকারি বাসে যাতায়াতের ঘোষণা করেছে বিজেপি। সেগুলি উল্লেখ করেন মোদিও। জানান, বিজেপির আমলে এ রাজ্যের মহিলারা নিরাপদে, নির্ভয়ে যাতায়াত করতে পারবেন। মতুয়াদের উদ্দেশে মোদি বলেন, ‘‘মতুয়া, নমঃশূদ্র, সব শরণার্থী পরিবার তৃণমূলের দয়ায় নেই। দেশের সংবিধান আপনাদের সুরক্ষিত করেছে। সিএএ করেছি, যাতে মতুয়া-সহ শরণার্থীরা সুরক্ষা পান। সিএএ-র মাধ্যমে তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ আরও দ্রুত করা হবে।’’

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধার অভিযোগ

    এদিন ফের মোদির মুখে শোনা যায় আয়ুষ্মান ভারত-এর কথা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘তৃণমূল রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধা দেয়। আয়ুষ্মান ভারত যোজনাতেও বাধা দিয়েছে তৃণমূল। ৪ মে-র পর বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শপথ নিলে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই এই প্রকল্প চালু করা হবে, আমার গ্যারান্টি রইল। পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের অধীনে শিল্পীদের কেন্দ্রীয় সরকার প্রশিক্ষণ দেয়। অসমে এক লক্ষ মানুষ এই প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। বিহারেও পেয়েছেন। প্রত্যেকে ১৫ হাজার টাকার আর্থিক সাহায্যও পেয়েছেন। তৃণমূল এই প্রকল্প এখানে আনতে দেয়নি। অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়েছে আপনাদের।’’

  • ED Raid: ফের পার্থের নাকতলার বাড়িতে ইডি! ‘মিডলম্যান’ প্রসন্নের দফতরেও চলছে তল্লাশি

    ED Raid: ফের পার্থের নাকতলার বাড়িতে ইডি! ‘মিডলম্যান’ প্রসন্নের দফতরেও চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে রাজ্যে ফের তৎপর ইডি (ED Raid)। শনিবার সকালে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) নাকতলার বাড়িতে ফের পৌঁছে গেল ইডি। শিক্ষক নিয়োগের মামলাতেই ফের পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে অনুমান। জামিন পাওয়ার পর একাধিক বার তাঁকে ইডি ডেকে পাঠিয়েছিল। কিন্তু পার্থ হাজিরা দেননি বলে অভিযোগ। প্রতি বারই তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, সেই কারণেই এবার পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাঁর বাড়িতে যায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে ইডির একটি দল পৌঁছে গিয়েছে নিউ টাউনে প্রসন্ন রায়ের দফতরেও। নিয়োগ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ‘মিডলম্যান’ এই প্রসন্ন। তাঁর বাড়িতেও ইডি গিয়েছে বলে খবর।

    কেন পার্থর বাড়িতে ইডি

    শনিবার বেলা পৌনে ১১টা নাগাদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা৷ সঙ্গে ছিল বিরাট কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ তারা পার্থর বাড়ি দ্রুত ঘিরে ফেলে বলে খবর৷ ভোটের আগে এসএসসি নিয়োগ মামলা সূত্রেই তাঁকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় বলে সূত্রের খবর৷ জামিন পাওয়ার পরে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দু’বার সমনও পাঠিয়েছে ইডি৷ কিন্তু, কোনওবারই তিনি হাজিরা দেননি বলে অভিযোগ৷ প্রতিবারই দিয়েছেন অসুস্থতার ‘অজুহাত’৷ চিঠিতে জানানো হয়েছিল, প্রয়োজনে ইডি যদি মনে করে ভিডিও কল বা তাঁর বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে৷ মনে করা হচ্ছে, সেই কারণেই এবার পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গেল কেন্দ্রীয় সংস্থা। উল্লেখ্য, নাকতলার বাড়ি থেকেই ২০২২ সালে নিয়োগ মামলায় পার্থকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। নিয়োগ মামলায় তিন বছরেরও বেশি সময় জেল খেটেছেন পার্থ।

    বেআইনি আর্থিক লেনদেন ঠেকানোই লক্ষ্য

    ইডির একটি দল পৌঁছে গিয়েছে নিউ টাউনে প্রসন্ন রায়ের দফতরেও। নিয়োগ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ‘মিডলম্যান’ এই প্রসন্ন, পার্থের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। ইডির একাধিক চার্জশিটে পার্থ, প্রসন্নের নাম রয়েছে। গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতায় ইডি সক্রিয়। পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যে একাধিক বার রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষকে তলব করা হয়েছে। সুজিত বসু হাসপাতালে ভর্তি থাকায় নথিপত্র নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছেন তাঁর ছেলে সমুদ্র। জমি সংক্রান্ত মামলায় শহরের কিছু ব্যবসায়ীর বাড়িতেও ইডি হানা দিয়েছে। সূত্রের খবর, ভোটের আগে বেআইনি আর্থিক লেনদেন ঠেকাতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। তার জন্যই বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে।

  • Artemis-2: সফল আর্টেমিস-২ মিশন, মানবজাতির জন্য ‘ওয়াটারশেড মোমেন্ট’, বলছেন ভারতীয় মহাকাশচারীরা

    Artemis-2: সফল আর্টেমিস-২ মিশন, মানবজাতির জন্য ‘ওয়াটারশেড মোমেন্ট’, বলছেন ভারতীয় মহাকাশচারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ পাঁচ দশকের প্রতীক্ষার অবসান। চাঁদের চারপাশ ঘুরে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার চার নভশ্চর পৃথিবীতে ফিরে এলেন। ১০ দিন মহাকাশে কাটানোর পর শনিবার সকালে (ভারতীয় সময় ভোর ৫টা ৩৭ মিনিটে) তাঁরা পৃথিবীতে অবতরণ করেছেন। দক্ষিণ ক্যালিফর্নিয়ার উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে নির্বিঘ্নেই নেমেছে নাসার ক্যাপসুল ‘ওরিয়ন’ (Orion)। তার ভিতর থেকে ধীরে ধীরে চার জনকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসা হয়েছে। এই সাফল্যকে মানবজাতির জন্য এক “ওয়াটারশেড মোমেন্ট” হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন ভারতীয় মহাকাশচারীরা।

    এবার লক্ষ্য মঙ্গল

    নাসা এই চন্দ্রাভিযানের নাম দিয়েছিল ‘আর্টেমিস’ (Artemis-2)। এটি তার দ্বিতীয় ধাপ। ২০২৮ সালে এই অভিযানের তৃতীয় ধাপেই চাঁদে ফের মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে মার্কিন সংস্থার। নাসার মহাকাশচারীরা পৃথিবীতে অবতরণ করতেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। সেই সঙ্গে বেঁধে দিয়েছেন নতুন লক্ষ্যও। ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘আর্টেমিস ২-এর এই অসাধারণ এবং অত্যন্ত মেধাবী সদস্যদের অভিনন্দন। সমগ্র সফরটি দুর্দান্ত ছিল। অবতরণও হয়েছে নিখুঁত। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে এটা আমার কাছে খুব গর্বের একটা দিন। হোয়াইট হাউসে আপনাদের সকলের সঙ্গে শীঘ্রই দেখা হবে। আমরা এই কাজটা আবার করব এবং তার পর আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য মঙ্গলগ্রহ!’’ চাঁদে মানুষ পাঠানোর অভিযান শেষ করার পর মঙ্গলে আমেরিকা যে মনোনিবেশ করবে, স্পষ্ট করে দিয়েছেন ট্রাম্প।

    সুস্থ রয়েছেন চার মহাকাশচারী

    নাসা (NASA) তাদের ব্লগে জানিয়েছে, এ ওরিয়ন স্পেসক্রাফ্ট পৃথিবীতে ফিরে এল ৷ মহাকাশযানটি সফলভাবে স্যান দিয়েগোর একটি এলাকায় প্যারাসুটে নির্ভর করে স্প্ল্যাসডাউন করেছে ৷ তারপর ইঞ্জিনিয়ররা একাধিক পরীক্ষা করেন এবং সম্পূর্ণভাবে মহাকাশযানটির পাওয়ার-ডাউন করা হয় ৷ নাসার রিকভারি ডায়েক্টরের নির্দেশে মার্কিন সেনাবাহিনীর ছোটো নৌকা স্পেসক্রাফ্টের কাছে পৌঁছয় ৷ সঙ্গে ছিলেন ইঞ্জিনিয়রদের একটি দল ৷ তাঁরা স্পেসক্রাফ্টটি পরীক্ষা করার পর সম্পূর্ণভাবে পাওয়ার ডাউন করেন ৷ প্রায় এক ঘণ্টা পর চার মহাকাশচারীকে ওরিঅন থেকে বের করা হয় ৷ তারপর বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে করে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের জন্য রাখা নির্দিষ্ট জাহাজে ৷ এবং সেই জাহাজে করে তাঁরা ফিরে আসেন ৷ সর্বপ্রথম চার মহাকাশচারীকে নিয়ে যাওয়া হয় নির্দিষ্ট হাসপাতালে ৷ সেখানে তাঁদের শারীরিক বিষয় পরীক্ষা করা হয় ৷ সেখান থেকে নাসা-র হউসটন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় ৷

    উচ্ছ্বসিত ভারতীয় মহাকাশচারীরা

    ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন অঙ্গদ সিং বলেন, “৫০ বছরেরও বেশি সময় পর মানুষ আবার চাঁদের পথে গিয়েছে—এটি সমগ্র মানবজাতির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।” তিনি আরও জানান, এই মিশন প্রমাণ করেছে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি, দৃঢ়তা ও আধুনিক প্রযুক্তি থাকলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। মিশনের সময় আর্টেমিস-২-এর ক্রুরা পৃথিবী থেকে সর্বাধিক দূরত্বে যাওয়ার মতো একাধিক রেকর্ডও গড়েছে। মহাকাশ অভিযানের পেছনে বিপুল পরিশ্রম, সাহস ও অর্থের প্রয়োজন হয় বলেও উল্লেখ করেন অঙ্গদ সিং। একই সুরে কথা বলেন এয়ার কমোডর পি বালাকৃষ্ণন নায়ার। তিনি এই মিশনকে এক নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখছেন। তাঁর কথায়, “এই সাফল্য মানবজাতির সামনে অসীম সম্ভাবনার দরজা খুলে দিল।”

    গগনযান-এর জন্য অনুপ্রেরণা

    গত ২ এপ্রিল ভোরে (ভারতীয় সময়) চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল নাসার মহাকাশযান। তাতে ছিলেন কমান্ডার রিড ওয়াইসম্যান (প্রাক্তন নৌসেনা পাইলট, ১৬৫ দিন মহাকাশে কাটানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে), পাইলট ভিক্টর গ্লোভার (নাসার ক্রু-১ অভিযানে শামিল হয়েছিলেন), অভিযান বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিনা কচ (মহিলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি সময় স্পেসফ্লাইট চালিয়েছেন) এবং জেরেমি হানসেন (কানাডার মহাকাশচারী, প্রথম বার মহাকাশে)। প্রায় ১০ দিন পৃথিবীর বাইরে কাটিয়ে চাঁদের কাছ থেকে ঘুরে আবার তাঁরা ফিরে এলেন। ‘আর্টেমিস ২’-এর লক্ষ্য চাঁদের মাটিতে পা রাখা নয়। বরং চাঁদের সামনে থেকে ঘুরে আসা। উল্লেখ্য, অ্যাপোলো প্রোগ্রামের (Apollo program) পর এই প্রথম মানুষ আবার চাঁদের নিকটবর্তী অঞ্চলে পৌঁছাল। বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্টেমিস-২-এর এই সাফল্য ভবিষ্যতে চাঁদের মাটিতে মানুষ নামানোর পথ প্রশস্ত করবে। ভারতের ক্ষেত্রেও এই মিশন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, দেশ ইতিমধ্যেই নিজস্ব মানব মহাকাশযাত্রা প্রকল্প গগনযান (Gaganyaan)-এর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আর্টেমিস-২ ভারতের জন্য একদিকে অনুপ্রেরণা, অন্যদিকে একটি মানদণ্ড হিসেবেও কাজ করবে।

    নাসার বিজ্ঞানীরা বিস্মিত

    গভীর মহাকাশে ভ্রমণের সময় এবং চাঁদকে প্রদক্ষিণ করার সময়, মহাকাশচারীরা হাজার হাজার ছবি তুলেছেন। তাঁরা একটি সূর্যগ্রহণও দেখেছন, সেই সঙ্গে চন্দ্রপৃষ্ঠে অস্বাভাবিক উল্কাপিণ্ডের আঘাতও পর্যবেক্ষণ করেছেন। যা নাসার বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করেছে। এই অভিযানে বেশ কিছু মাইলফলক স্থাপিত হয়েছে। গ্লোভার প্রথম অশ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি হিসেবে চাঁদ প্রদক্ষিণ করেন, কচ প্রথম মহিলা অভিযাত্রী এবং কানাডিয় নভোচারী হ্যানসেন প্রথম অ-আমেরিকান হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।

    ২০২৮-এ চাঁদে মানুষ!

    সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২৮ সালে অভিযানের তৃতীয় ধাপে চাঁদে নামবে মানুষ। দীর্ঘ পাঁচ দশক পরে চাঁদে মানুষ পাঠাচ্ছে নাসা। ১৯৬৯ সালে আমেরিকার এই সংস্থার অ্যাপোলো অভিযানেই চাঁদে প্রথম নেমেছিল মানুষ। ১৯৭২ সালে সেই অভিযান শেষ হয়। ৫৩ বছর পর ফের ‘আর্টেমিস’ অভিযানের হাত ধরে চাঁদ ছুঁতে চাইছে আমেরিকা। চার মহাকাশচারীকে নিয়ে নাসার মহাকাশযান ১১ লক্ষ ১৭ হাজার ৫১৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছে। পৃথিবীর দু’টি কক্ষপথ পেরিয়ে চাঁদের সামনে থেকে ঘুরে এসেছেন মহাকাশচারীরা। ক্যালিফর্নিয়ার উপকূলে সূর্যাস্তের ঘণ্টা দুয়েক আগে তাঁদের অবতরণের সরাসরি সম্প্রচার করেছে নাসা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে, এটি ছিল আগামী দিনে চাঁদে মানুষের স্থায়ী বসতি গড়ার একটি ‘ড্রেস রিহার্সাল’।

  • Amarnath Yatra 2026 Registration: অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশন শুরু এপ্রিলেই, এর ভিত্তিতেই মিলবে ভ্রমণ পারমিট

    Amarnath Yatra 2026 Registration: অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশন শুরু এপ্রিলেই, এর ভিত্তিতেই মিলবে ভ্রমণ পারমিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশনের (Amarnath Yatra 2026 Registration) তারিখ ঘোষণা করা হল। পুণ্যার্থীরা ১৫ এপ্রিল থেকে অমরনাথ যাত্রার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। শ্রী অমরনাথ শ্রাইন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তীর্থযাত্রীরা দেশজুড়ে ৫৫৪টি নির্ধারিত ব্যাঙ্ক শাখার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এর ভিত্তিতেই ভ্রমণ পারমিট জারি করা হবে। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভক্ত অমরনাথ যাত্রা করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ পবিত্র অমরনাথ গুহা দর্শন করতে আসেন। পহেলগাঁও থেকে ২৯ কিলোমিটার দূরত্বে অমরনাথের গুহা অবস্থিত। হিমবাহ ও বরফের পাহাড়ে ঘেরা এই গুহা বছরের বেশিরভাগ বরফে আচ্ছাদ্দিত থাকে। এই তীর্থক্ষেত্রে ভক্তদের হেঁটে কিংবা হেলিকপ্টারের করে পৌঁছতে হয়। তাই এক্ষেত্রে লাগবে হেল্থ সার্টিফিকেটও।

    সফরের আনুষ্ঠানিক তারিখ

    মোদি সরকার অমরনাথ যাত্রার প্রতিটি পথে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে। কোনও তীর্থযাত্রী কোনও সমস্যা বা দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে হবে। ভক্তদেরও সমস্ত সুরক্ষা বিধি মেনে চলার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। এই তীর্থযাত্রার আনুষ্ঠানিক তারিখ শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। ভক্তদের সময়মতো রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ২০২৬ সালের অমরনাথ যাত্রায় অংশগ্রহণের জন্য পূর্ব-রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। এই বছর আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিস্ট্রেশন শুরু হচ্ছে এবং অনুমোদিত ব্যাঙ্ক ও শ্রী অমরনাথজি শ্রাইন বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন ও অফলাইন উভয়ভাবেই তা করা যাচ্ছে। তবে, এবারও সীমিত সংখ্যক তীর্থযাত্রীকে—প্রতিদিন প্রায় ১৫,০০০ জনকে—অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে।

    কবে হবে রেজিস্ট্রেশন

    রেজিস্ট্রেশন ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে করা হবে। নির্ধারিত ব্যাঙ্ক শাখাগুলির মাধ্যমে ১৫ এপ্রিল থেকে অমরনাথ যাত্রা ২০২৬-এর রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে। পহেলগাঁও এবং বালতাল উভয় পথের জন্যই রেজিস্ট্রেশন খোলা থাকবে। ১৩ বছরের কম এবং ৭০ বছরের বেশি বয়সীদের এই তীর্থযাত্রায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে না। বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বছর আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক ই-কেওয়াইসি যাচাইকরণের পর এনআইসি পোর্টাল-ভিত্তিক একটি সিস্টেমের মাধ্যমে ভ্রমণ অনুমতিপত্র ইস্যু করা হবে। যাচাইকরণে কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দিলে, ব্যাঙ্ক শাখা ম্যানুয়ালি ছবি ও তথ্য এন্ট্রির মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগ্রহী ব্যক্তিরা দেশজুড়ে ৫৫৪টি ব্যাঙ্ক শাখায় রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এর জন্য আধার কার্ড ও স্বাস্থ্য শংসাপত্র প্রয়োজন হবে। এবার সরকার যাত্রীদের আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে আরও উন্নত সুবিধা প্রদান করবে। নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হবে।

  • Yashwant Verma: দিল্লির বাড়িতে মিলেছিল টাকার পাহাড়, অবশেষে ইস্তফা বিচারপতি ভর্মার

    Yashwant Verma: দিল্লির বাড়িতে মিলেছিল টাকার পাহাড়, অবশেষে ইস্তফা বিচারপতি ভর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদীয় ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া চূড়ান্ত রূপ নেওয়ার আগেই পদত্যাগ করলেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি যশবন্ত ভার্মা (Justice Yashwant Varma)। বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল সরাসরি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে নিজের পদত্যাগপত্র (Justice Yashwant Varma Resignation) পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। দিল্লিতে বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের জেরে অবশেষে ইস্তফা দিলেন দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি যশবন্ত ভর্মা। জানা গিয়েছে, তিনি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু-র কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়েছিল, তবে স্বেচ্ছায় ইস্তফা দেওয়ায় সেই প্রক্রিয়ার আর প্রয়োজন রইল না।

    কেন বিতর্ক?

    ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ দিল্লির লুটিয়েন্স এলাকায় বিচারপতি ভর্মার সরকারি বাসভবনে আগুন লাগে। আগুন নেভাতে গিয়ে দমকল কর্মীরা সার্ভেন্ট কোয়ার্টারের পাশে একটি স্টোররুম থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করেন। টাকার বেশিরভাগই আগুনে পুড়ে যাওয়ায় সঠিক অঙ্ক জানা যায়নি, তবে টাকার স্তূপ প্রায় দেড় ফুট উঁচু ছিল বলে জানা যায়। ঘটনার সময় বিচারপতি ভর্মা ও তাঁর স্ত্রী ভোপালে ছিলেন। তিনি দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া টাকা তাঁর নয় এবং তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাঁকে দায়ী করা যায় না।

    তদন্ত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ

    ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ওই কমিটি তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না-র কাছে রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে উদ্ধার হওয়া টাকার ছবি ও ভিডিওও সংযুক্ত ছিল। এরপর তাঁকে দিল্লি হাইকোর্ট থেকে সরিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টে বদলি করা হয়। পাশাপাশি তাঁকে কোনও বিচারিক কাজও দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। যদিও বিচারপতি ভর্মা সেই কমিটির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। হাজারো বিতর্কের মাঝে অবশেষে তিনি নিজে থেকেই বিচারপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন।

    কী লেখা আছে পদত্যাগের চিঠিতে?

    রাষ্ট্রপতিকে লেখা সংক্ষিপ্ত অথচ গম্ভীর চিঠিতে বিচারপতি ভার্মা তাঁর এই সিদ্ধান্তের কোনও সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি। তিনি লিখেছেন, “কেন আমি এই পদত্যাগপত্র দিতে বাধ্য হলাম, সেই কারণগুলো জানিয়ে আপনার দফতরকে ভারাক্রান্ত করতে চাই না। তবে অত্যন্ত ব্যথিত হৃদয়ে আমি এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতির পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। এটি অবিলম্বে কার্যকর করা হোক।”

     

     

     

     

     

  • BJP Sankalp Patra: অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, ৪৫ দিনে সপ্তম বেতন কমিশন! বিজেপির নির্বাচনী “সংকল্প পত্র”-এ আর কী কী?

    BJP Sankalp Patra: অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, ৪৫ দিনে সপ্তম বেতন কমিশন! বিজেপির নির্বাচনী “সংকল্প পত্র”-এ আর কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন থেকে শুরু করে কৃষকদের সহায়তা বৃদ্ধি, সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন থেকে রাজ্যে নতুন উপনগরী তৈরির বার্তা উঠে এল বিজেপির সংকল্প পত্রে। বাদ যায়নি সিঙ্গুরের পড়ে থাকা জমি থেকে তাজপুরের সমুদ্র বন্দর প্রসঙ্গ। গুরুত্ব পেয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়নের কথাও। শুধু উন্নয়নের বার্তাই নয়, তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে হওয়া দুর্নীতির বিচার ও অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়ারও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বিজেপির সংকল্প পত্রে। শুক্রবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপির এই নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’

    বাংলার জন্য সংকল্প পত্রে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া মনোভাব ফের একবার স্পষ্ট করল বিজেপি ৷ সংকল্প পত্রে বলা হয়েছ, ‘‘অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’। আমরা ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট নীতির মাধ্যমে বেছে বেছে অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্য থেকে বার করব। দেশকে সুরক্ষিত করব।’’ বিজেপির দাবি, ‘‘বাংলায় সকল নাগরিকের জন্য এক আইন নিশ্চিত করা হবে। অনুপ্রবেশকারীদের জন্য সীমানা সুরক্ষিত করার পাশাপাশি গরু পাচার একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হবে।’’

    সংকল্প পত্রে কী কী বলা হল

    ডিএ সুনিশ্চিত: সকল সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের ডিএ সুনিশ্চিত করা হবে। ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে।

    বেকারত্ব ঘুচবে: নতুন রোজগারের পথ খুলবে বিজেপি। তাতে বেকারত্ব ঘুচবে। বেকারদের মাসে তিন হাজার টাকা করে অর্থসাহায্য করা হবে।

    রাজনৈতিক হিংসার তদন্ত: সকল রাজনৈতিক হিংসার তদন্তের জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের দিয়ে কমিটি গড়ে দ্রুত তদন্তের ব্যবস্থা করা হবে।

    বিশেষ স্কোয়াড: মহিলাদের সুরক্ষায় বিশেষ স্কোয়াড গঠন করা হবে। আলু চাষিদের জন্যেও বিশেষ ব্যবস্থা করার আশ্বাস রয়েছে বিজেপির ইস্তাহারে।

    নতুন প্রতিষ্ঠান: উত্তরবঙ্গে এমস, আইআইটি, আইআইএম এবং ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে আলাদা আলাদা জেলায়। রাজ্যে বন্দেমাতরম মিউজিয়াম গঠন করার কথাও জানালেন অমিত শাহ।

    মাফিয়ারাজের মোকাবিলা: যে সব জমির কাজ আটকে আছে, ৪৫ দিনের মধ্যেই ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তা ছেড়ে দেবে। মাফিয়ারাজের মোকাবিলার রোড ম্যাপ সরকারে এলে প্রথম ছ’দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।

    মেধার ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরি: সুনির্দিষ্ট ও দুর্নীতিমুক্ত প্রক্রিয়ায় যোগ্যদের মেধার ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরি নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া, যাঁরা দুর্নীতির জন্য চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের পাঁচ বছর পর্যন্ত বয়সে ছাড় দেওয়া হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য যুবদের ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

    মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ : রাজ্যের সব চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে। সব মণ্ডলে মহিলা থানা থাকবে। প্রতি পুলিশ জেলায় মহিলা ডেস্ক থাকবে। দিনরাত সেখানে কাজ হবে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীকে কখনও এমন কথা বলতে হবে না যে, মহিলারা কেন রাতে বাইরে বেরিয়েছেন। মহিলাদের জন্য ১০০ শতাংশ বিনা শুল্ক পরিবহণ নিশ্চিত করবে বিজেপি সরকার। সন্দেশখালির মতো ঘটনা আটকাতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণে তদন্ত হবে।

    প্রধান রফতানি ক্ষেত্র : তাজপুর, কুলপিতে বিশেষ ডিপ সি পোর্ট তৈরির পরিকল্পনা। চা এবং পাট শিল্পেও জোর দেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গকে ব্লু ইকনমির প্রধান রফতানি ক্ষেত্র বানানো হবে।

    চারটি নতুন উপনগরী: রাজ‍্যে চারটি নতুন উপনগরী তৈরি করা হবে। জায়গা বেছে করা হবে। আগামীর সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করাই লক্ষ্য। হলদিয়া বন্দরের বিকাশের জন্য আলাদা পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাকে একসঙ্গে রেখে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন করা হবে। দার্জিলিংকে হেরিটেজ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পর্যটন শিল্পে জোর দেওয়া হবে। কলকাতাকে সারা বিশ্বের সামনে ‘লিভিং সিটি’ হিসাবে প্রকাশ করা হবে।

    ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় গঠন: উত্তরবঙ্গে একটি ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করা হবে। কৃষকদের ধানের মূল্য নির্দিষ্ট করা হবে। আয়ুষ্মান ভারতের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর যোজনাও যোগ করা হবে। প্রত্যেক গরিব মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। উত্তরবঙ্গে নতুন ক্যানসার হাসপাতাল তৈরি হবে যেখানে সব সুবিধা থাকবে।

    প্রধানমন্ত্রী কিসান প্রকল্প: প্রধানমন্ত্রী কিসান প্রকল্পের টাকা বাড়ানো হবে। কেন্দ্রের ৬০০০ টাকার সঙ্গে রাজ্য সরকারের ৩০০০ টাকা যোগ করে মোট ৯০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। চৈতন্য মহাপ্রভু আধ্যাত্মিক সার্কিটের উন্নয়ন হবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তৈরি করা হবে। থিয়েটারের জন‍্য আধুনিক ইনস্টিটিউট তৈরি করা হবে। থিয়েটারের বার্ষিক অনুদান বাড়িয়ে এক লক্ষ করা হবে।

  • Fast Breeder Reactor: ব্যর্থ হয় আমেরিকা, ডাহা ফেল ফ্রান্স-জাপানও! পরমাণু প্রযুক্তিতে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন ভারতের

    Fast Breeder Reactor: ব্যর্থ হয় আমেরিকা, ডাহা ফেল ফ্রান্স-জাপানও! পরমাণু প্রযুক্তিতে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বে পরমাণু শক্তি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বড়সড় সাফল্য অর্জন করল ভারত। তামিলনাড়ুর কালপাক্কমে (KNPP) ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রোটোটাইপ ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর (PFBR) প্রথম বারের মতো ‘ক্রিটিক্যালিটি’ অর্জন করেছে। যার অর্থ রিঅ্যাক্টরে স্বনির্ভর পারমাণবিক চেন বিক্রিয়া সফলভাবে শুরু হয়েছে।

    এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ…

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তিগত সাফল্য নয়, বরং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বনির্ভরতার পথে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এই অর্জনের ফলে ভারত এমন একটি সক্ষমতা অর্জন করল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং জাপানের মতো উন্নত দেশগুলো দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখতে পারেনি। বর্তমানে বাণিজ্যিক স্তরে শুধুমাত্র রাশিয়াই এই প্রযুক্তি সফলভাবে ব্যবহার করছে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB) জানিয়েছে, “সম্পূর্ণরূপে চালু হলে ভারত রাশিয়ার পর বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হবে, যারা বাণিজ্যিকভাবে ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর পরিচালনা করবে।”

    কী এই ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর?

    সাধারণ পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর যেখানে ইউরেনিয়াম জ্বালানি ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করে, সেখানে ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর (Fast Breeder Reactor) ব্যবহার করা জ্বালানির থেকেও বেশি পরিমাণে নতুন জ্বালানি উৎপাদন করতে সক্ষম। এই ‘ফিসাইল’ জ্বালানি ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজে লাগে। এই রিঅ্যাক্টরে মিশ্র অক্সাইড (MOX) জ্বালানি ব্যবহার করা হয় এবং তরল সোডিয়াম কুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে। এখন এটি নিম্ন-ক্ষমতার বিভিন্ন পরীক্ষা পর্যায় অতিক্রম করবে, এরপর পূর্ণ বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে।

    ভারতের জন্য কেন তা তাৎপর্যপূর্ণ?

    ভারতের জন্য এই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশে ইউরেনিয়ামের মজুত সীমিত হলেও থোরিয়ামের ভাণ্ডার বিপুল। ওড়িশা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুর উপকূলে এই থোরিয়াম মজুত রয়েছে। কালপাক্কমের এই রিঅ্যাক্টরটি সীমিত ইউরেনিয়াম ও বিপুল থোরিয়ামের বাস্তবতাকে একত্রে কাজে লাগায়। প্রথম পর্যায়ে ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে শুরু হলেও, পরবর্তী পর্যায়ে থোরিয়াম-ভিত্তিক জ্বালানিতে এটি চালানো সম্ভব হবে। এর ফলে ইউরেনিয়াম আমদানির ওপর ভারতের নির্ভরতা কমবে। এই রিঅ্যাক্টর শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই করবে না, বরং যতটা জ্বালানি ব্যবহার করবে তার থেকেও বেশি জ্বালানি তৈরি করতে পারবে। ফলে ভবিষ্যতে থোরিয়াম ব্যবহার করে শতাব্দীর পর শতাব্দী বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথ খুলে যাবে। এটি যেমন বৈজ্ঞানিক সাফল্য, তেমনই একটি কৌশলগত জয়।

    তিন-পর্যায়ের পরমাণু কর্মসূচিতে বড় অগ্রগতি

    এই সাফল্যের মাধ্যমে ভারত তার তিন-পর্যায়ের পরমাণু কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করল। এই কর্মসূচির ধারণা প্রথম দেন ভারতের পরমাণু কর্মসূচির জনক ডক্টর হোমি জেহাঙ্গির ভাবা।

    • ● প্রথম পর্যায়: প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও প্লুটোনিয়াম তৈরি
    • ● দ্বিতীয় পর্যায়: ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টরে সেই প্লুটোনিয়াম ব্যবহার করে আরও জ্বালানি উৎপাদন
    • ● তৃতীয় পর্যায়: থোরিয়াম ব্যবহার করে ইউরেনিয়াম-২৩৩ তৈরি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ উৎপাদন

    কেন ব্যর্থ হয় আমেরিকা ও ফ্রান্স?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৬০-এর দশকে ‘ফার্মি-১’ রিঅ্যাক্টর তৈরি করলেও প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও দুর্ঘটনার কারণে প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়। পরে ‘ক্লিঞ্চ রিভার’ প্রকল্পও ব্যয়বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা সমস্যার জন্য বাতিল করা হয়। ফ্রান্সের ‘সুপারফেনিক্স’ রিঅ্যাক্টরও সোডিয়াম লিক, আগুন ও রাজনৈতিক বিরোধিতার কারণে দীর্ঘদিন টেকেনি এবং ১৯৯৮ সালে বন্ধ হয়ে যায়। জাপানের ‘মনজু’ রিঅ্যাক্টরও একাধিক দুর্ঘটনার জেরে শেষ পর্যন্ত ২০১৬ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা

    বর্তমানে ভারত প্রায় ৮ গিগাওয়াট পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। সরকারের লক্ষ্য ২০৪৭ সালের মধ্যে তা বাড়িয়ে ১০০ গিগাওয়াটে পৌঁছানো। ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর এই লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, কারণ এটি আমদানিকৃত ইউরেনিয়াম ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাবে। এটি স্থিতিশীল ও পরিষ্কার বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা থেকেও ভারতকে সুরক্ষা দেবে। কালপাক্কমের এই রিঅ্যাক্টর প্রায় ৩০ লক্ষ পরিবারের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালপাক্কমের ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর ভারতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি স্বনির্ভরতা এবং কৌশলগত স্বাধীনতার ভিত্তি মজবুত করবে। দশকের পর দশক গবেষণা, বিনিয়োগ এবং ধৈর্যের ফল এই সাফল্য এসেছে। এই ঐতিহাসিক সাফল্য নিঃসন্দেহে ভারতের জন্য গর্বের মুহূর্ত।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সাফল্যকে ভারতের অসামরিক পরমাণু কর্মসূচির “একটি নির্ধারক পদক্ষেপ” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার প্রতিফলন এবং থোরিয়াম ব্যবহারের পথে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA) ভারত, প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং ভারতীয় বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের এই সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে। তারা বলেছে, “এই রিঅ্যাক্টর কম জ্বালানি ব্যবহার করে এবং একটি ক্লোজড ফুয়েল সাইকেলের পথে দিশা দেখাবে।”

  • BJP Manifesto: ‘‘ভয়রহিত আর ভরসাযুক্ত বাংলা গড়া’’-র ডাক, বিজেপির নির্বাচনী “সংকল্প পত্র” প্রকাশ অমিত শাহের

    BJP Manifesto: ‘‘ভয়রহিত আর ভরসাযুক্ত বাংলা গড়া’’-র ডাক, বিজেপির নির্বাচনী “সংকল্প পত্র” প্রকাশ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় আসন্ন বিধানসভা ভোট উপলক্ষে বিজেপির নির্বাচনী “সংকল্প পত্র” (BJP Manifesto) প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার নিউটাউনের একটি হোটেল থেকে বিজেপির ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশ করলেন শাহ (Amit Shah)। ইস্তাহারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভয় নয় ভরসা’। শাহ বলেন, এই সংকল্প পত্র বাংলার সমাজের “প্রতিটি অংশের” প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ও জনবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে চায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসনকে “অন্ধকারের যুগ” আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, রাজ্যের মানুষ এখন ভীত ও পরিবর্তন চাইছে।

    কারা কারা প্রকাশ করলেন সংকল্প পত্র

    ভোটের মুখে ফের রাজ্য সফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর আগে তিনি পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের ‘অপশাসন’-এর চার্জশিট প্রকাশ করতে এসেছিলেন। পরে এসেছিলেন ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার রোড শো-তেও। এবার প্রকাশ করলেন নির্বাচনী সংকল্প পত্র। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, দুই বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুর, বিজেপি নেতা তাপস রায়, বিজেপি মহিলা মোর্চা সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, প্রমুখ। ইস্তাহার তৈরির জন্য বিজেপি যে কমিটি গড়েছিল, তার সভাপতিত্ব করেন তাপস রায়।

    প্রত্যাশা পূরণ হয়নি

    সভামঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এদিন অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, গত ১৫ বছর বাংলার মানুষের জন্য ‘কালরাত্রি’ হিসেবে কেটেছে। দীর্ঘ দিনের বাম শাসনের পর পরিবর্তনের আশায় মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সুযোগ দিয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সভামঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, “গত ১৫ বছর বাংলার মানুষের জন্য কালরাত্রি হয়ে রয়েছে। দীর্ঘ কমিউনিস্ট অপশাসনের পর মানুষ পরিবর্তনের আশায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সুযোগ দিয়েছিল, কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বরং রাজ্যে অপশাসন, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক হিংসা বেড়েছে। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষ এখন নতুন পরিবর্তন চাইছে এবং বিজেপি গত ১০ বছরে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে।”

    ভরসাযুক্ত বাংলা গড়ার ডাক

    অনুষ্ঠানে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন—‘‘ভয়রহিত বাংলা গড়া আর ভরসাযুক্ত বাংলা গড়া— আমাদের সঙ্কল্পপত্রের মূল ভাব এটাই। গত প্রায় পাঁচ দশক বাংলাকে শুধু নীচে নামানো হয়েছে। আমরা বাংলায় আবার সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ আনব। দুর্নীতিমুক্ত রাজ্য বানাব। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অনুপ্রবেশ মুক্তি, শিল্পোন্নয়ন, কৃষকের উন্নয়নে জোর দেবে নতুন সরকার।’’ তাঁর কথায়, ‘‘এই ইস্তাহার পশ্চিমবঙ্গের ভীত মহিলা, যুবদের আস্থা জোগাবে। নরেন্দ্র মোদির বিকশিত ভারতের ‘রোড ম্যাপ’ রাজ্যের জনগণের সামনে রাখবে।’’

    নববর্ষের দিনে প্রচার যাত্রা শুরু

    ‘‘বাঙালি নববর্ষের দিন সঙ্কল্পের সঙ্গে আমাদের প্রচারের যাত্রা শুরু হবে। তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের দুঃস্বপ্ন ঘুচবে। আগামী পাঁচ বছরে বিজেপি সরকার এ রাজ্যের বিকাশের রাস্তা খুলবে। মমতা দিদি ভয়, ভ্রষ্টাচার প্রতিস্থাপিত করেছেন। এটা আইনের শাসনের ভরসা। রোজগারের ভরসা। সোনার বাংলা তৈরি করব আমরা। আমার বিশ্বাস, বাংলার জনতা আমাদের এখানে পাঁচ বছরের জন্য সরকার তৈরির সুযোগ দেবেন। আমরা সেই ভরসার ভিত্তিতে রাজ্যের পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করব।’’

    রাজ্যে এ দফায় শাহের কর্মসূচি

    সংকল্পপত্র প্রকাশের (BJP Manifesto) পর জেলায় নির্বাচনী প্রচারে পশ্চিম মেদিনীপুরে যাবেন শাহ। সেখানে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। এদিন ডেবরায় একটি জনসভা এবং খড়্গপুরে একটি রোড শো করার কথা রয়েছে। শনিবার শাহের কর্মসূচি রয়েছে বাঁকুড়ার ছাতনা এবং পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে। যেখানে ভোট প্রচারের বার্তা তুলে ধরবেন অমিত শাহ। পাশাপাশি, সাংগঠনিক বৈঠকও করার কথা তাঁর। অন্যদিকে, শনিবার ফের পশ্চিমবঙ্গে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওইদিন কৃষ্ণনগর, জিয়াগঞ্জ ও কুশমণ্ডিতে সভা করবেন তিনি।

  • Assembly Election 2026: ৯১ শতাংশ ভোট পুদুচেরিতে! গণতন্ত্রের উৎসবে পিছিয়ে নেই অসম ও কেরলও

    Assembly Election 2026: ৯১ শতাংশ ভোট পুদুচেরিতে! গণতন্ত্রের উৎসবে পিছিয়ে নেই অসম ও কেরলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হল অসম, কেরল ও পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) ভোটপর্ব। কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া মোটের উপর ভোট ছিল শান্তিপূর্ণ। নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারিতে সমাপ্ত হল ভোটপর্ব। উৎসবের আবহেই ভোট (Assembly Election) হল এই রাজ্যগুলিতে। ধরা পড়ছে তার খণ্ড খণ্ড চিত্র। কোথাও দেখা গেল, বিয়ের সাজেই ভোট দিতে চলে এসেছেন কনে। আবার কোথাও স্টার প্রার্থীকে ঘিরে সেলফি তোলার ভিড়। অসমে ভোট দিলেন প্রয়াত গায়ক জুবিন গর্গের স্ত্রী গরিমা গর্গও। দুই রাজ্য অসম ও কেরল এবং কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরিতে ব্যাপক ভোটদানের হার নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার ভোটারদের অংশগ্রহণ আগের সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের “অটুট আস্থা”-র প্রমাণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    কোথায় কত শতাংশ ভোট

    পুদুচেরিতে সর্বোচ্চ ৯১.২ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা এর আগে ২০১১ সালের ৮৬.২ শতাংশের রেকর্ড ভেঙেছে। অসমে ভোটদান হয়েছে ৮৫.৮ শতাংশ—২০১৬ সালের ৮৪.৭ শতাংশের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে কেরলে ৭৮.২ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা ১৯৮৭ সালের পর সর্বোচ্চ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এই ভোটদানকে “ঐতিহাসিক” বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর কথায়, “এটি শুধু ভারতের নয়, গোটা বিশ্বের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।” নির্বাচন কমিশনের একাধিক আধিকারিক জানিয়েছেন, ভোটার তালিকা সংশোধন (Special Intensive Revision) এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের ফলে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে। মৃত, স্থানান্তরিত বা ডুপ্লিকেট নাম বাদ পড়ায় মোট ভোটার সংখ্যা কিছুটা কমলেও ভোটদানের হার বেড়েছে।

    অসমে সংখ্যালঘু এলাকায় ভোটের জোয়ার

    অসমে ভোটদানের চিত্র সমান নয়। মুসলিম অধ্যুষিত কেন্দ্রগুলিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। দরং জেলার দলগাঁও কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৯৪.৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। এরকম প্রায় ১৫টি কেন্দ্রে ৯০ শতাংশের বেশি ভোটদান হয়েছে। অন্যদিকে, আপার অসমের হিন্দু প্রধান এলাকায় ভোটের হার ছিল প্রায় ৮২ শতাংশ, যা রাজ্যের গড়ের নিচে। বোধো অঞ্চলে ৮৫ শতাংশ, বরাক উপত্যকায় ৮২.৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কার্বি আংলং ও দিমা হাসাও পাহাড়ি জেলায়—৭৪.২ শতাংশ। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এই ভোটদানকে “ঐতিহাসিক” বলে উল্লেখ করে ১২৬ আসনের মধ্যে ৯০টির বেশি আসনে জয়ের আশা প্রকাশ করেছেন।

    রেকর্ড পরিমাণ ভোট

    বুধবার রাত থেকেই দফায় দফায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে অসমের বিভিন্ন প্রান্তে। বৃহস্পতিবার সকালেও ছিল আকাশের মুখ ভার। ছিল বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতও। তবে সেসব উপেক্ষা করেই এদিন গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হয়েছিলেন সেরাজ্যের মানুষ। অসমের আইজি (আইন-শৃঙ্খলা) অখিলেশ কুমার সিং জানিয়েছেন, বুধবরা রাতে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল তমুলপুর ও শিবসাগর বিধানসভা কেন্দ্র। পাথারকান্দি, মেরাপানি, রাহার বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে অশান্তি হয়েছে। অন্যদিকে শ্রীভূমি, গোলাঘাট ও নগাঁও জেলায় বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে ছোটখাটো সংঘর্ষ হয়েছে।

    সরকার গড়বে বিজেপি-ই!

    কামরূপ শহরের গরাল বুনিয়াদি এলপি স্কুলের বুথে সপরিবারে ভোট দেন অসমের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। উল্লেখ্য, অসমে পরপর দু’বার সরকারে বিজেপি। প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা ধরে রাখার লড়াইয়ে নামছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী গৌরব গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস। বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় অসমে বিজেপিকে এগিয়ে রাখছে। যদিও কংগ্রেসের দাবি, অসমে পরিবর্তনের চোরাস্রোত বইছে। যেভাবে অহমের মূল নিবাসীরা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে, তাতে রাজ্যে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। যদিও বিজেপি ১০০ আসন জয়ের টার্গেট বেঁধে রেখেছে।

    কেরলে উৎসাহ, তাপদাহ উপেক্ষা করেও লম্বা লাইন

    কেরলেও তাপদাহ উপেক্ষা করে ভোটারদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। বহু জেলায় ৮০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। নির্ধারিত সময় পেরিয়েও ভোটকেন্দ্রে লাইন ছিল। মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, বিরোধী নেতা ভি ডি সতীশান এবং বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি ভোট দেন। চলচ্চিত্র জগতের মম্মুট্টি, মোহনলাল, সুরজ ভেঙ্কারামুডু ও আসিফ আলিও ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তিরুবনন্তপুরমে প্রথমবার ভোটদাতাদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়—তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় হালুয়ার বাক্স ও ধন্যবাদ কার্ড, যা ভোটে অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে সাহায্য করেছে।

    কেরলে শান্তিপূর্ণ ভোট

    দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই মিটল কেরলের ভোটগ্রহণ পর্বও। জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী এলডিএফ ও ইউডিএফ-উভয় শিবিরই। ভোটদানের পর মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বলেন, ‘কেরল উন্নত রাজ্য হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই ভোটেও যাত্রা অব্যাহত থাকবে।’ অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা শশী থারুর বলেন, ‘ভোটদানের হার বেশি। এর থেকেই প্রমাণ হয় মানুষ সরকার বদল চায়।’ পাশাপাশি কেরলে বিজেপি কোনো ফ্যাক্টর নয় বলেও জানান তিনি। ভোটারদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমবারের ভোটারদের জন্য এর্নাকুলামে ভোটকেন্দ্র গুলিতে ছিল বিশেষ ব্যবস্থা। ভোটদানে উৎসাহ দিতে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় হালুয়ার প্যাকেট। অন্যদিকে বিয়ের মণ্ডপ থেকে এদিন সরাসরি ভোটকেন্দ্রে চলে আসেন সদ্য বিবাহিত দম্পতি দিব্যশ্রী ও অশ্বনাথ লম্বোদরণ। নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বিপুল ভোটদান প্রমাণ করে যে মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর আস্থা রাখছেন এবং সচেতনভাবে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

  • Election Commission: সুপ্রতিমকে তামিলনাড়ু যেতেই হবে! ভোটের আগে আরও ১৪৯ পুলিশ আধিকারিককে সরাল নির্বাচন কমিশন

    Election Commission: সুপ্রতিমকে তামিলনাড়ু যেতেই হবে! ভোটের আগে আরও ১৪৯ পুলিশ আধিকারিককে সরাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (WB Assembly Polls 2026) আগে রাজ্য পুলিশে ফের রদবদল করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ৮১ জন পুলিশ ইনস্পেক্টরকে ভোটের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। সরানো হল ৬৮ জন সাব-ইনস্পেক্টরকেও। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, এই আধিকারিকেরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কোনও কাজের সঙ্গেই আর যুক্ত থাকতে পারবেন না। কলকাতার সদ্য প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে না। তাঁকে ভোটের দায়িত্ব পালনের জন্য পর্যবেক্ষক হিসেবে তামিলনাড়ুতেই যেতে হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

    তামিলনাড়ুতেই যেতে হবে সুপ্রতিম সরকারকে

    শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তামিলনাড়ুর পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন কলকাতার সদ্য প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার। কিন্তু কমিশন তাঁর সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, তাঁকে তামিলনাড়ুতেই ভোটের দায়িত্ব পালন করতে যেতে হবে। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত কয়েকটি জনসভা থেকে সুপ্রতিম সরকারের এই বদলি ও দায়িত্ব প্রদান নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন।

    শুক্রবারই দায়িত্ব নিতে হবে

    কমিশনের (Election Commission) বৃহস্পতিবার জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অপসারিত ৮১ জন ইনস্পেক্টরকে আজ, শুক্রবার বিকেল ৫টার মধ্যে তাঁদের নতুন পদে দায়িত্ব নিতে হবে। কমিশনের নির্দেশে এঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছেন সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারেরা। কমিশন জানিয়েছে, এই পুলিশ অফিসারেরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ভোটের (WB Assembly Polls 2026) কাজে হস্তক্ষেপ করবেন না, এই মর্মে পুলিশ সুপারদের মুচলেকা দিতে হবে। সাব-ইনস্পেক্টরদের বদলি সংক্রান্ত পৃথক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কমিশন। তাতে বলা হয়েছে, গত ২৯ মার্চ ১৫০ জন ইনস্পেক্টর এবং সাব-ইন্সপেক্টরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে ৪৯ জন এসআই বিভিন্ন থানায় কাজ করছেন। সেই ৪৯ জন যে জেলায় কর্মরত, সেখান থেকে তাঁদের অন্য জেলায় সরিয়ে দিতে হবে। তাঁরা ভোটের কাজে কোনও ভাবেই যুক্ত থাকতে পারবেন না। এ ছাড়া আর একটি বিজ্ঞপ্তিতে আলাদা করে ১৯ জন সাব-ইনস্পেক্টরকে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কোন জেলায় কতজনকে সানো হল

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যে সমস্ত ইনস্পেক্টরকে ভোটের (WB Assembly Polls 2026) কাজ থেকে সরানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কোচবিহারের দু’জন, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার চার জন, ইসলামপুর পুলিশ জেলার চার জন, আলিপুরদুয়ারের এক জন, দক্ষিণ দিনাজপুরের তিন জন, শিলিগুড়ির দু’জন, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার তিন জন, বারুইপুর পুলিশ জেলার দু’জন, বারাসত পুলিশ জেলার তিন জন, বসিরহাট পুলিশ জেলার এক জন, বনগাঁ পুলিশ জেলার এক জন, ব্যারাকপুরের চার জন, বিধাননগরের ছ’জন, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার চার জন, রানাঘাট পুলিশ জেলার চার জন, আসানসোল দুর্গাপুরের এক জন, পশ্চিম মেদিনীপুরের তিন জন, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁচ জন, পুরুলিয়ার দু’জন, বীরভূমের দু’জন, জলপাইগুড়ির এক জন, মালদহের তিন জন, বাঁকুড়ার এক জন ইনস্পেক্টর রয়েছেন।

LinkedIn
Share