Tag: bangla news

bangla news

  • Dilip Ghosh at Eden: গেরুয়া উত্তরীয় সঙ্গে ফুলের স্তবক! ইডেনে দিলীপ ‘বরণ’ সৌরভের, খেলার মাঠেও বিজেপি নেতাদের হাতে ঝালমুড়ি

    Dilip Ghosh at Eden: গেরুয়া উত্তরীয় সঙ্গে ফুলের স্তবক! ইডেনে দিলীপ ‘বরণ’ সৌরভের, খেলার মাঠেও বিজেপি নেতাদের হাতে ঝালমুড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের ক্রিকেট প্রেম নতুন নয়। এর আগেও তাঁকে বহুবার দেখা গিয়েছে ইডনের বক্সে। বুধবারও ইডেনে কেকেআর-মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের খেলা দেখতে হাজির ছিলেন দিলীপ (Dilip Ghosh at Eden)। সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক তাপস রায়-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারাও। বর্তমানে সদ্য ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন, মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন, কাজের চাপও অনেক বেড়েছে আগের তুলনায়। তবু আইপিএল দেখতে ইডেনে হাজির দিলীপ। তাঁকে বরণ করে নেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ম্যাচ দেখতে এসে সিএবির তরফ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় দিলীপ ঘোষকে। সিএবির অফিসে রাজ্যের নতুন মন্ত্রীকে গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে, ফুলের স্তবক দিয়ে স্বাগত জানান সিএবি সভাপতি।

    দিলীপ-বরণ ইডেনে

    রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বাইশ গজেও। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে এক মঞ্চে দেখা গিয়েছিল আগে, এবার দিলীপ ঘোষের সঙ্গে খোশ মেজাজে গল্প করতে দেখা গেল মহারাজ-কে। দিলীপ ঘোষ ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মধ্যে খানিক কথাও হয়। তবে দুজনের মধ্যে কোন বিষয়ে কথা হয়েছে তা জানা যায়নি। দিলীপ ঘোষকে অভ্যর্থনা জানাতে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ছাড়া অন্য সিএবি কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। বুধবারই শিলিগুড়িতে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তারপরও শহরে ফিরেই নিজের প্রিয় খেলা ও প্রিয় দলের ম্যাচ দেখতে ইডেনে হাজির হন তিনি। এদিন মুম্বইকে ৪ উইকেটে হারিয়ে দেয় কলকাতা।

    ইডেনে ঝালমুড়ি সংস্কৃতি

    ভোটের প্রচারে এসে ঝাড়গ্রামে গিয়ে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যে ছবি, ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। তারপর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বারবার উঠে এসেছে ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ। এবার ইডেন গার্ডেন্সেও ঝালমুড়ি সংস্কৃতি! ঝালমুড়ি খেতে খেতে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (KKR vs MI) ম্যাচ দেখলেন রাজ্যের মন্ত্রী। ঘড়িতে তখন কাঁটায় কাঁটায় ৮.১৫ । ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায় বৃষ্টিতে । প্রথমে ব্য়াট করে তখন মুম্বইয়ের স্কোর ৫৭/৪ । খেলা বন্ধ রইল এক ঘণ্টা। ঠিক সেই সময়ই ইডেনে এলেন দিলীপ। ক্লাব হাউসে বিধায়ক ও বিধানসভার স্পিকার তাপস রায়, বৈশালী ডালমিয়া, তমোঘ্ন ঘোষদের সঙ্গে বসে খেলা দেখলেন। হাতে ঝালমুড়ির ঠোঙা। বললেন, ‘উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলাম। খানিক আগেই সেখান থেকে ফিরেছি। ফিরেই খেলা দেখতে চলে এলাম। আমি কেকেআরের সমর্থক। ওরা এখনও প্লে অফে যেতে পারে। শেষ দুই ম্যাচ জিততে হবে। শুরুর দিকে কয়েকটা ম্যাচ ভালো যায়নি। শুরুটা ভালো হলে এতদিনে আমরা প্লে অফে পৌঁছে যেতাম।’

  • Weather Update: তীব্র তাপে পুড়ছে গোটা দেশ! বিদ্যুতের চাহিদা পৌঁছাল রেকর্ড ২৬৫ গিগাওয়াটে, আগামীতে আরও গরমের পূর্বাভাস

    Weather Update: তীব্র তাপে পুড়ছে গোটা দেশ! বিদ্যুতের চাহিদা পৌঁছাল রেকর্ড ২৬৫ গিগাওয়াটে, আগামীতে আরও গরমের পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে উত্তর ও মধ্য ভারতে জাঁকিয়ে বসা তীব্র দাবদাহ ও তাপপ্রবাহের (Weather Update) কারণে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০ মে বুধবার দুপুর ৩:৪৫ মিনিটে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা (Peak Power Demand) রেকর্ড করা হয়েছে, যার পরিমাণ ছিল ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াট (GW)। এই নিয়ে টানা তিন দিন দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ (Rising Temperature) চাহিদা পূর্ববর্তী সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল। তবে এত বিপুল পরিমাণ চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কোনওরকম বিদ্যুৎ বিভ্রাট ছাড়াই গ্রিড সফলভাবে এই সরবরাহ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। এদিকে আবহাওয়া দফতর (IMD) সতর্ক করেছে যে, আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলবে।

    টানা তিন দিনের রেকর্ডের খতিয়ান (Weather Update)

    চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই তাপমাত্রার (Weather Update) পারদ চড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের ব্যবহারও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এসি (Air Conditioner), কুলার এবং রেফ্রিজারেটরের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এই চাহিদাকে আকাশছোঁয়া করে তুলেছে:

    • ● সোমবার (১৮ মে): বিদ্যুতের চাহিদা ছুঁয়েছিল ২৫৭.৩৭ গিগাওয়াট।
    • ● মঙ্গলবার (১৯ মে): আগেরর রেকর্ড ভেঙে চাহিদা পৌঁছায় ২৬০.৪৫ গিগাওয়াটে।
    • ● বুধবার (২০ মে): সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে এক লাফে প্রায় ৫ গিগাওয়াট বৃদ্ধি পেয়ে চাহিদা দাঁড়ায় ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াটে।

    এর আগে গত ২৫ এপ্রিল দেশের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ২৫৬.১১ গিগাওয়াট। অর্থাৎ এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এই নিয়ে চতুর্থবার সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ (Rising Temperature) চাহিদার নতুন রেকর্ড তৈরি হল।

    গ্রিড ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি

    বিদ্যুৎ মন্ত্রক জানিয়েছে, ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াটের এই বিশাল চাহিদা সম্পূর্ণ নিরবচ্ছিন্নভাবে মেটানো সম্ভব হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই চাহিদার সিংহভাগ বা প্রায় ৬১.২% মেটানো হয়েছে তাপবিদ্যুৎ (Thermal Power) থেকে। এছাড়া সৌরবিদ্যুৎ ২১.৫%, বায়ুবিদ্যুৎ ৬.৫%, জলবিদ্যুৎ ৬.৩% এবং পারমাণবিক শক্তি থেকে ২.৬% সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

    চলতি মরসুমে সরকারের পক্ষ থেকে গ্রীষ্মকালীন সর্বোচ্চ বিদ্যুতের (Rising Temperature) চাহিদা ২৭১ গিগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিদ্যুৎ ক্ষেত্র সর্বোচ্চ ২৮০ গিগাওয়াট পর্যন্ত চাহিদা সামলানোর জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা

    আইএমডি (IMD) জানিয়েছে, দেশের একাধিক অংশে, বিশেষ করে রাজধানী দিল্লি এবং উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ (Severe Heatwave) অব্যাহত থাকবে। দিল্লির জন্য ইতিমধ্যেই ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (Weather Update) ছাড়িয়ে গেছে। উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলায় তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই রেকর্ড ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা (Rising Temperatur) কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। ফলে দুপুরের পাশাপাশি রাতের দিকেও বিদ্যুতের চাহিদা চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যা বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা ও গ্রিড ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেবে।

  • Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে পাকিস্তান! লাহোর থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল জঙ্গি অপারেশন, চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি এনআইএ-র

    Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে পাকিস্তান! লাহোর থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল জঙ্গি অপারেশন, চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় (Pahalgam Terror Attack) ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদতের প্রমাণ পেয়েছে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ (NIA)। আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে (NIA Chargesheet) এনআইএ-র তরফে দাবি করা হয়েছে, গোটা হামলার পরিকল্পনা, নিয়ন্ত্রণ এবং জঙ্গিদের নির্দেশ দেওয়া—সবকিছুই পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে লস্কর-ই-তৈবা (LeT) এবং তার ছদ্ম সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF)-এর সক্রিয় ভূমিকার তথ্যও।

    লাহোরে বসে হামলাকারীদের নির্দেশ দিচ্ছিল জঙ্গি-নেতা সইফুল্লাহ্

    এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের লাহোর থেকে হামলার নেপথ্য মূলচক্রী হিসেবে কাজ করছিল সইফুল্লাহ্ ওরফে সাজিদ জাট ওরফে ‘ল্যাংড়া’। সে লস্কর-ই-তৈবা এবং টিআরএফ-এর শীর্ষ জঙ্গি-নেতা। চার্জশিট অনুযায়ী, পহেলগাঁওয়ে হামলা চালানো জঙ্গিদের সঙ্গে সে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত এবং রিয়েল-টাইমে অবস্থান, চলাচলের পথ, লুকিয়ে থাকার জায়গা ও পালানোর রুট সংক্রান্ত তথ্য পাঠাত। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামলার আগে ১৫ ও ১৬ এপ্রিল পাকিস্তান থেকে তিন জঙ্গি— ফয়জল জাট ওরফে সুলেমান, হাবিব তাহির ওরফে ছোটু এবং হামজা আফগানিকে— বৈসরণ উপত্যকা ও আশপাশের এলাকায় রেকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারা পর্যটকদের আনাগোনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং হামলার সম্ভাব্য রুট খতিয়ে দেখে। এরপর হামলার দিন লাহৌর থেকেই সইফুল্লাহ্ জঙ্গিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে হামলা পরিচালনা করে।

    পাকিস্তানের “ফলস ফ্ল্যাগ” তত্ত্বও ভেস্তে দিল এনআইএ

    এনআইএ-র তদন্তে পাকিস্তানের তথাকথিত “ফলস ফ্ল্যাগ” তত্ত্বও ভেস্তে গিয়েছে। হামলার পরপরই ‘কাশ্মীর ফাইট’ নামে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে টিআরএফ হামলার দায় স্বীকার করে। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্তরে তীব্র নিন্দা শুরু হলে এবং রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ হামলার নিন্দা জানালে সংগঠনটি নিজেদের অবস্থান বদলায়। পরে দাবি করা হয়, টেলিগ্রাম চ্যানেলটি নাকি “হ্যাক” হয়েছিল এবং হামলার সঙ্গে টিআরএফ-এর কোনও যোগ নেই। তবে এনআইএ-র প্রযুক্তিগত তদন্তে উঠে এসেছে, ‘কাশ্মীর ফাইট’ টেলিগ্রাম চ্যানেলটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বাট্টাগ্রাম এলাকা থেকে পরিচালিত হত। এছাড়া ‘TheResistanceFront_OfFcial’ নামে আরেকটি চ্যানেল রাওয়ালপিন্ডি থেকে চালানো হত বলেও জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলকে বিভ্রান্ত করতে এবং হামলার দায় এড়াতে লস্কর ও টিআরএফ যৌথভাবে এই ভুয়ো প্রচার চালায়।

    নিহত জঙ্গিদের মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    ‘অপারেশন মহাদেব’-এ নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অন্তত দুটি মোবাইল ফোন থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। এনআইএ জানিয়েছে, একটি ফোন অনলাইনে কেনা হয়েছিল এবং সেটি লাহোরের কায়েদ-ই-আজম ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটের একটি ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল। অন্য ফোনটি কেনা হয়েছিল করাচির শাহরা এলাকা থেকে। এই তথ্য পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় দুই বাসিন্দা— পারভেজ এবং বশির আহমেদ— পাকিস্তানি জঙ্গিদের হামলা চালাতে সাহায্য করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে আশ্রয় দেওয়া, রসদ সরবরাহ এবং পালানোর পথ দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’ প্রত্যাঘাত ভারতের

    পহেলগাঁও হামলার পর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাল্টা সামরিক অভিযান চালায়। ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানের ভিতরে থাকা লস্করের একাধিক জঙ্গি লঞ্চপ্যাড ও ঘাঁটি লক্ষ্য করে নির্ভুল হামলা চালায়। গ্লাইড বোমা, ড্রোন এবং ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করে বহু জঙ্গি অবকাঠামো ধ্বংস করা হয় বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি, ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। এনআইএ-র দাবি, এই চার্জশিটে থাকা তথ্য, ডিজিটাল প্রমাণ, যোগাযোগের নথি এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ফরেন্সিক বিশ্লেষণ পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ জড়িত থাকার অভিযোগকে আরও শক্তিশালী করেছে। তদন্তকারী সংস্থার মতে, পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে ভারতে নাশকতা চালানোর পুরনো কৌশলই আবারও সামনে এল পহেলগাঁও হামলার ঘটনায়।

  • India Italy Relation: ‘মেলোডি’-র হাত ধরে ভারত-ইটালির কূটনীতিতে নয়া মোড়! কী হল মোদি-মেলোনি বৈঠকে?

    India Italy Relation: ‘মেলোডি’-র হাত ধরে ভারত-ইটালির কূটনীতিতে নয়া মোড়! কী হল মোদি-মেলোনি বৈঠকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনীতিতে চকোলেটের মতো মিষ্টি-মধুর সম্পর্ক তৈরি হল ভারত-ইটালির (India Italy Relation)। ‘মেলোডি’ শুধু দুই ব্যক্তির বন্ধুত্বপূর্ণ রসায়নেই থেমে থাকল না। বুধবার ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে পাশে (Modi-Meloni Meet) নিয়ে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘স্পেশাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে’ পরিণত করার ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে দিলেন বাণিজ্য থেকে প্রতিরক্ষায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলবে দুই দেশ। মোদি-মোলোনির বন্ধুত্বের ছাপ পড়ল দুই দেশের সম্পর্কেও। যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বাড়ানোর কথা জানিয়ে জর্জিয়া বলেন, ‘বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৪ বিলিয়ন ইউরো। ২০২৯ সালের মধ্যে সেটিকে আমরা ২২ বিলিয়ন ইউরোতে নিয়ে যেতে চাই।’

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে বিশাল সুযোগ

    ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি। আর সেটাকেই কাজে লাগাতে চান ‘মেলোডি’। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সময়ে ইটালির সমর্থনের জন্য মেলোনিকে ধন্যবাদ জানান মোদি। সোজাসুজি বলে দেন, ‘দুই দেশের ব্যবসায়ীরা যাতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পান, তার জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করব।’ ২০২৩ সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৪০০ কোটি ইউরো। ২০২৯ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০০০ কোটি ইউরোতে (সাড়ে ২ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি) পৌঁছোনোর যৌথ লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন দুই প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে ভারতে ৮০০-র বেশি ইটালির সংস্থা কাজ করছে।

    ইন্ডিয়া-ইটালি ইনোভেশন সেন্টার

    প্রযুক্তির উপরে সবচেয়ে বেশি জোর দেন মোদি। তিনি বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা ও অসামরিক পারমাণবিক শক্তির মতো ক্ষেত্রে ভারত-ইতালির কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে।’ দুই দেশের স্টার্টআপ, গবেষণা কেন্দ্র ও শিল্পক্ষেত্রকে যুক্ত করতে একটি ‘ইন্ডিয়া-ইটালি ইনোভেশন সেন্টার’ গড়ে তোলার কথাও ঘোষণা করেন তিনি। প্রতিরক্ষা এবং ক্লিন এনার্জি খাতেও একসঙ্গে কাজ হবে বলে ঘোষণা করেছেন মোদি। প্রতিরক্ষা ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি এবং জ্বালানি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি, ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সম্পর্ক নিবিড় করার কথা জানানো হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে।

    লজিস্টিকস এবং ব্লু ইকোনমি

    ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরান-সহ পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালীতে সঙ্কটের প্রসঙ্গও এসেছে যৌথ বিবৃতিতে। বৈঠকের পরে মোদি বলেন, “প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন আমাদের অংশীদারির চালিকাশক্তি। এআই, কোয়ান্টাম, মহাকাশ এবং অসামরিক পারমাণু শক্তির মতো অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।” জাহাজ চলাচল, বন্দর আধুনিকীকরণ, লজিস্টিকস এবং ব্লু ইকোনমি আগামী দিনে নয়াদিল্লি-রোম সম্পর্কের অন্যতম ভরকেন্দ্র হবে বলেও জানান মোদি। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা— ‘‘হেলিকপ্টার, নৌ-প্ল্যাটফর্ম-সহ সমুদ্র-যুদ্ধের উপযোগী অস্ত্র এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা—সংক্রান্ত অংশীদারিত্ব বাড়ানো হবে।’’

    প্রেসিডেন্ট মাত্তারেল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির

    ২০ মে রোমের কুইরিনালে প্রাসাদে প্রেসিডেন্ট মাত্তারেল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বৈঠকে দুই নেতা ভারত-ইটালি সম্পর্কের দ্রুত অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ গুরুত্ব পায় উদীয়মান প্রযুক্তি ও এআই। ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করার উপর জোর দেন দুই নেতা। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়া ও ইউরোপের সংঘাত পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়। আন্তর্জাতিক আইন, সমুদ্রপথে স্বাধীন চলাচল এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তাঁরা।

    ভারত-পশ্চিম এশিয়া-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর

    দুই প্রধানমন্ত্রী ভারত-পশ্চিম এশিয়া-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর (আইএমইসি)-এ সহযোগিতার কথাও ঘোষণা করেছেন। মেলোনি জানিয়েছেন, বিশেষত ছাত্রছাত্রী, গবেষক ও দক্ষ কর্মীদের যাতায়াত বাড়াতে এবং শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা উন্নয়নে ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হবে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে গাজায় যাওয়া জাহাজ আটক করা নিয়ে ইজরায়েলের সমালোচনা করেন মেলোনি।

    ভারত-ইটালি নিয়মিত আলোচনা

    মোদি-মেলোনি বৈঠকে স্থির হয়, দুই দেশ প্রতি বছর শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক করবে এবং নিয়মিত মন্ত্রীস্তর ও প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা চালিয়ে যাবে। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়েও একমত হয়েছে দুই দেশ। সন্ত্রাসে অর্থ জোগান বন্ধে যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গুজরাটের লোথালে ন্যাশনাল মেরিটাইম হেরিটেজ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা এবং ভারতীয় নার্স নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভারত ও ইতালি ২০২৭ সালকে সংস্কৃতি এবং পর্যটনের বছর “Year of Culture and Tourism” হিসেবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    একে অপরের পরিপূরক

    যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ইটালির ডিজাইন ও জিনিস তৈরির দক্ষতা এবং ভারতের উদ্ভাবনী চিন্তা একে অপরের পরিপূরক। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী মেলোনি এই দিনটিকে “ঐতিহাসিক” বলে উল্লেখ করে জানান, ভারত-ইতালি সম্পর্ক এখন এক নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। কূটনৈতিক বৈঠকের বাইরেও নজর কাড়ে মোদি-মেলোনি দুই নেতার ব্যক্তিগত মুহূর্ত। কূটনীতির টেবিলে চুক্তির কালি শুকোতে সময় লাগে। তবে ‘মেলোডি’র মিষ্টি স্বাদ বুঝিয়ে দিয়েছে— ভারত ও ইটালির সম্পর্ক এখন শুধু কাগজে-কলমে নয়, তাতে অন্য রসায়নও দানা বাঁধছে।

     

     

     

  • CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকারীদের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণার নির্দেশ কেন্দ্রের

    CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকারীদের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণার নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব বিধি, ২০০৯-এ সংশোধন এনে পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে আসা যেসব ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের নিজের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণা করা (CAA) বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্র।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি (CAA)

    সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে (Passport), আবেদনকারীদের এখন ঘোষণা করতে হবে যে তাঁদের কাছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান বা বাংলাদেশ সরকারের জারি করা বৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ কোনও পাসপোর্ট নেই। যদি কোনও আবেদনকারীর কাছে বর্তমানে সচল পাসপোর্ট থাকেও, তবে তাঁকে পাসপোর্ট নম্বর, কোথায়, কবে ইস্যু হয়েছে, এবং মেয়াদ শেষের তারিখ-সহ সমস্ত তথ্য জমা দিতে হবে।

    আবেদনকারীদের আরও একটি অঙ্গীকারপত্র

    সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীদের আরও একটি অঙ্গীকারপত্র দিতে হবে এই মর্মে যে, নাগরিকত্বের আবেদন অনুমোদিত হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তাঁরা তাঁদের বৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্ট বা সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্টের কাছে জমা দেবেন। নয়া এই বিধানটি নাগরিকত্ব বিধির সিডিউল আইসি (Schedule IC)-এর পরে সংযোজন করা হয়েছে। এটি আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ভুক্ত নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করছেন (CAA)। এই পদক্ষেপটি সিএএ (Citizenship Amendment Act, 2019)-এ কার্যকর করতে করা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আগত নথিবিহীন অ-মুসলিম অভিবাসীরা, যাঁরা (CAA) ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ (Passport) পাবেন।

    নাগরিকত্ব বিধির প্রথম বিজ্ঞপ্তি

    প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব বিধি (CAA) সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রথমে জারি হয়েছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সালে। সর্বশেষ সংশোধিত হয়েছে ১১ মার্চ, ২০২৪ সালে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সংসদে পাস হয়েছিল নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (CAA)। আইনটি নিয়ে বিতর্ক চলাকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেছিলেন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশে ধর্মীয় নির্যাতনের মুখে পড়ে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষদের স্বস্তি দেওয়াই এই আইনের উদ্দেশ্য। তিনি এও জানিয়েছিলেন, এই আইন ভারতের কোনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয় (Passport)। ভারতীয় নাগরিকদের অধিকার সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত থাকবে। নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন দেওয়ার লক্ষ্যে নির্ধারিত শর্ত পূরণের ভিত্তিতে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

    অমিত শাহের দাবি

    শাহ বলেছিলেন, এই আইনে যে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, তা ভারতে প্রবেশের তারিখ ও বছর থেকেই কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং যোগ্য আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে যেসব আইনি প্রক্রিয়া চলছে, সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি জানিয়েছিলেন, এই সব অভিবাসীদের পাসপোর্ট বা ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও, তাঁদের অবৈধ অভিবাসী বলে গণ্য করা হবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে (Passport) সংখ্যালঘু জনসংখ্যা বছরের পর বছর উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। তাই বহু মানুষ ভারতে আসতে বাধ্য হয়েছেন (CAA)।

     

  • PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া তাজ, পেলেন রাষ্ট্রসংঘের ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’, উৎসর্গ করলেন ভারতের কৃষকদের

    PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া তাজ, পেলেন রাষ্ট্রসংঘের ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’, উৎসর্গ করলেন ভারতের কৃষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাষ্ট্রসংঘের অধীনস্থ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা সংক্ষেপে ‘ফাও’ (FAO)-এর সর্বোচ্চ সম্মান ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’ দেওয়া হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। ‘ফাও’ প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সম্মান শুধু আমার নয়, ১৪০ কোটি ভারতবাসীর। এটি ভারতের কৃষক ও মৎস্যজীবীদের সম্মান (Indian Farmers)। আমি এই পদক ভারতের কৃষকদের উৎসর্গ করছি।” তিনি বলেন, “ভারতে কৃষিই মূলধারা। আমরা আমাদের ভূমিকে পুজো করি।”

    মানুষের কল্যাণে মোদির অবদান (PM Modi)

    রোমে ‘ফাও’-র সদর দফতরের ঐতিহাসিক প্লেনারি হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্থার মহাসচিব কিউ দংয়ু (Qu Dongyu) এই পদক তুলে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হাতে। তিনি বলেন, “মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান ও অঙ্গীকার, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং কৃষকদের কল্যাণে যুগান্তকারী প্রকল্প চালুর জন্য এই সম্মান প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই, সর্বজনীন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রসংঘের কৌশলগত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) পূরণ এবং ভারতের জি২০ সভাপতিত্বের সময় আন্তর্জাতিক স্তরে কৃষিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই পদক দেওয়া হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা

    তিনি ভারতের কৃষিক্ষেত্রকে রূপান্তর করতে প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা করেন। কৃষক-কেন্দ্রিক, উদ্ভাবনী ও যুগান্তকারী উদ্যোগগুলিরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ‘ফাও’-র মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারতের খাদ্য ও কৃষি সংক্রান্ত উদ্যোগগুলির ব্যাপকতা ও প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি ভারতের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ কর্মসূচি, করোনা অতিমারির পর থেকে ৮০ কোটি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, ১১ কোটিরও বেশি কৃষককে সরাসরি আর্থিক সাহায্য দেওয়া, প্রাকৃতিক ও পুনর্জাগরণমূলক কৃষির উন্নয়নে জাতীয় উদ্যোগ এবং ফাও-র সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ উদযাপনের প্রশংসা করেন (PM Modi)।

    মোদির ক্রেডিট

    তিনি এও বলেন, “ভারতের জি২০ সম্মেলনে সভাপতিত্বের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামোকে বিশ্বজনীন সম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ও কার্যকর পরিষেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে (Indian Farmers)।” তাঁর মতে, এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে ভারতে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ঊর্ধ্বে উঠে এসেছে (PM Modi)।

  • Falta Repoll: ছাপ্পা-রিগিং বিতর্কের পর পুনর্নির্বাচনের ফলতায় চলছে ভোটগ্রহণ, সকাল থেকেই বুথে বুথে লাইন ভোটারদের

    Falta Repoll: ছাপ্পা-রিগিং বিতর্কের পর পুনর্নির্বাচনের ফলতায় চলছে ভোটগ্রহণ, সকাল থেকেই বুথে বুথে লাইন ভোটারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে আজ, বৃহস্পতিবার ২১ মে পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। এই কেন্দ্রের মোট ২৮৫টি বুথে পুনরায় ভোট নেওয়া হচ্ছে। মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার। আগামী ২৪ মে ভোটগণনা হবে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, ২৯ এপ্রিলের ভোটে একাধিক অনিয়ম ও ভোটপ্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার অভিযোগের জেরে গোটা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ভোটে অনিয়মের অভিযোগ

    গত ২৯ এপ্রিল ছিল রাজ্যের শেষ দফার বিধানসভা নির্বাচন। সেই দিন ফলতা কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথ থেকে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ওঠে, একাধিক ইভিএমে আতর, কালি ও টেপ লাগানো হয়েছিল। কোথাও বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ জমা পড়ে। ভোটারদের ভয় দেখানো, ভোট দিতে বাধা দেওয়া এবং ভুয়ো ভোটারের মাধ্যমে অন্যের হয়ে ভোট দেওয়ার মতো অভিযোগও ওঠে। এছাড়াও বেশ কিছু বুথে সিসিটিভি বা ভিডিও রেকর্ডিং পাওয়া যায়নি বলে জানা যায়। কোথাও দীর্ঘ সময় নজরদারি ব্যবস্থা বন্ধ ছিল বলেও অভিযোগ ওঠে। কিছু বুথে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কর্মীদের অযাচিত উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

    কমিশনের সিদ্ধান্ত

    ফলতা থেকে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসার পর পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, পরিস্থিতি বিচার করে নির্বাচন কমিশনের উচিত পুনরায় ভোট করানো। পরে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ভোটের দিন সকালে কয়েকটি বুথে ক্যামেরা বন্ধ ছিল এবং পরে “টেপ রিমুভড” বলে তথ্য দেওয়া হয়। ওই সময়ের মধ্যেই বিপুল ভোট পড়ে যায় বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। এরপর নির্বাচন কমিশন জানায়, ফলতায় “স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক ভোটপ্রক্রিয়া” বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণেই কেন্দ্রের সবকটি বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    পুনর্নির্বাচন ঘিরে ফলতায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর সূত্রে খবর, আগের ভোটের তুলনায় নিরাপত্তা প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। এবার প্রতিটি বুথে ৮ জন করে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (CAPF) জওয়ান মোতায়েন থাকবেন। গত ২৯ এপ্রিল বুথপিছু মাত্র ৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। মোট ২৮৫টি বুথের জন্য প্রায় ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩০টি কুইক রেসপন্স টিম (QRT) প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

    ওয়েবকাস্টিং ও ড্রোন নজরদারি

    প্রতিটি বুথের ভেতরে দুটি এবং বাইরে একটি করে ওয়েব ক্যামেরা বসানো হয়েছে। গোটা ভোটপ্রক্রিয়ার লাইভ ওয়েবকাস্টিং করা হচ্ছে, যা জেলা নির্বাচন আধিকারিক ও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে ড্রোনের মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। পুরো প্রক্রিয়া তদারকির জন্য তিন জন বিশেষ নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

    ভোটের আগে সরে দাঁড়ালেন জাহাঙ্গির

    পুনর্নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগেই ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, তিনি আর এই নির্বাচনে লড়ছেন না। নিজেকে “ফলতার ভূমিপুত্র” উল্লেখ করে জাহাঙ্গির বলেন, তিনি চান ফলতায় শান্তি ও উন্নয়ন বজায় থাকুক। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উন্নয়ন প্যাকেজের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

    রাজনৈতিক সমীকরণে বদল

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একসময় ফলতার রাজনীতিতে জাহাঙ্গির খানের যথেষ্ট প্রভাব ছিল। কিন্তু এবারের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। এলাকায় তৃণমূল বিরোধী সুর জোরালো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর রোড শোও রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, প্রচারের পুরো পর্বে জাহাঙ্গির খানের সমর্থনে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতিও রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। এর মধ্যেই তাঁর ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানো নতুন করে জল্পনা তৈরি করে।

  • Daily Horoscope 21 May 2026: পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 21 May 2026: পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১. কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২. অর্থনৈতিক দিক আগের তুলনায় ভালো থাকবে।
    ৩. পরিবারের সঙ্গে অযথা তর্ক এড়িয়ে চলুন।

    বৃষ

    ১. ধৈর্য ধরে কাজ করলে লাভ পাবেন।
    ২. পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে।
    ৩. শরীরের যত্ন নেওয়া দরকার।

    মিথুন

    ১. অপ্রয়োজনীয় খরচ বাড়তে পারে।
    ২. পড়াশোনায় সাফল্যের যোগ আছে।
    ৩. নতুন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।

    কর্কট

    ১. পরিবারে সুখবর আসতে পারে।
    ২. কর্মস্থলে প্রশংসা পাবেন।
    ৩. ভ্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    সিংহ

    ১. আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
    ২. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ভেবে নিন।
    ৩. আর্থিক দিক মোটামুটি শুভ।

    কন্যা

    ১. কাজের চাপ বাড়তে পারে।
    ২. শত্রুপক্ষ থেকে সতর্ক থাকুন।
    ৩. স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

    তুলা

    ১. প্রেমের ক্ষেত্রে শুভ দিন।
    ২. ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।
    ৩. নতুন পরিচয় কাজে লাগতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১. মানসিক চাপ বাড়তে পারে।
    ২. পরিবারের সমর্থন পাবেন।
    ৩. সরকারি কাজে অগ্রগতি হবে।

    ধনু

    ১. দূরের খবর আনন্দ দিতে পারে।
    ২. চাকরিক্ষেত্রে উন্নতির যোগ আছে।
    ৩. ভ্রমণ শুভ হতে পারে।

    মকর

    ১. অর্থনৈতিক দিক শক্তিশালী হবে।
    ২. পুরনো সমস্যা মিটতে পারে।
    ৩. বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১. নতুন কাজে সাফল্য আসতে পারে।
    ২. দাম্পত্য জীবনে সুখ থাকবে।
    ৩. অতিরিক্ত রাগ এড়িয়ে চলুন।

    মীন

    ১. ধর্মীয় কাজে মন যাবে।
    ২. কর্মক্ষেত্রে ধীরে চলাই ভালো।
    ৩. শরীরের প্রতি অবহেলা করবেন না।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • CM Suvendu Adhikari: বিএসএফকে জমি দিল শুভেন্দুর সরকার, রাজ্যে লাগু সিএএ-ও

    CM Suvendu Adhikari: বিএসএফকে জমি দিল শুভেন্দুর সরকার, রাজ্যে লাগু সিএএ-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসার ১১ দিনের মাথায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফকে জমি দিয়ে দিল শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার। অনুপ্রবেশকারীদের বড় বার্তাও দিলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষমতায় এলে যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে কথা নির্বাচনী প্রচারেই লাগাতার বলে (Infiltrator Deportation) গিয়েছে বিজেপি। ক্ষমতায় আসার পর সেটাই করা হল বাস্তবায়িত।

    অনুপ্রবেশকারী প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা (CM Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে পারলেই গ্রেফতার করবে পুলিশ। তুলে দেওয়া হবে বিএসএফের হাতে। কেন্দ্রের আইন বুধবার (২০ মে) থেকেই রাজ্যে লাগু হচ্ছে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় সরকার আবেদন করেছিল ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তের জন্য জমি দিতে। আগের সরকার (তৃণমূল সরকার) তা দিতে চায়নি। ফলে এই মুহূর্তে খুব খারাপ জায়গায় রয়েছে সীমান্ত এলাকা। দু’সপ্তাহের মধ্যে আমাদের আমলারা, বিশেষ করে ভূমি এবং রাজস্ব দফতরের সচিবরা ২৭ কিমি ফেনসিং এবং আউটপোস্টের জন্য জমি চিহ্নিত করে আজ তুলে দিচ্ছেন।” তিনি বলেন, “আমাদের রাজ্য ২২০০ কিমির মধ্যে ১৬০০ কিমিতে কাঁটাতার দিতে পারেনি। ৬০০ কিলোমিটার অংশ রয়েছে কাঁটাতারবিহীন। ২০১৬ সালে রাজনাথ সিং ব‍্যক্তিগতভাবে জমি চেয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যন্ত অনুরোধ করেছিলেন। তার পরেও জমি দেওয়া হয়নি।”

    অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার প্রক্রিয়া শুরু

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, আজ থেকেই অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে (CM Suvendu Adhikari)। ২০২৫-এর ১৪ মে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য। কিন্তু বিগত সরকার, একদিকে সিএএর বিরোধিতা করেছিল, আর অন্যদিকে ভারত সরকারের এই আইন কার্যকর করেনি। এবার সেই আইনই কার্যকর করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলাজনিত অপরাধ, লাভ জেহাদ, বলপূর্বক ধর্মান্তর, নারী নিরাপত্তার প্রশ্নে যে ধরনের অসামাজিক কাজকর্মের বৃদ্ধি আমরা লক্ষ্য করেছি, যারা তার সঙ্গে যুক্ত বলে ধরা পড়েছে, তাদের বড় অংশই বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী। এদিন, বিএসএফের তরফে ফুলের তোড়া এবং স্মারক দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রীকে (Infiltrator Deportation)।

    প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) অনুযায়ী, ২০২৪-এর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, আইনে নির্দিষ্ট করা সম্প্রদায়ের যে সব মানুষ বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছে, তাদের কোথাও কোন‌ও হেনস্থা করা হবে না (CM Suvendu Adhikari)। যারা ওই সময়ের পরে এসেছে, তাদের রাজ্য পুলিশ সরাসরি গ্রেফতার করে বিএসএফের হাতে তুলে দেবে, যাতে বিডিআরের সঙ্গে কথা বলে তাদের ডিপোর্ট করা যায় (Infiltrator Deportation)।

     

  • WB Assembly Row: রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়া হয়নি শোভনদেবকে, তৃণমূলের অভিযোগের জবাবে কী বললেন বিধানসভার সচিব?

    WB Assembly Row: রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়া হয়নি শোভনদেবকে, তৃণমূলের অভিযোগের জবাবে কী বললেন বিধানসভার সচিব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের আগেও, যে ঘরটায় বসতেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী, সেই ঘরটা এখনও অবধি তালাবন্দি (WB Assembly Row)। যদিও ইতিমধ্যেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূল পরিষদীয় দলের তরফে বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত করার কথা জানানো হয়েছে।

    বিধানসভার সচিবের বক্তব্য (WB Assembly Row)

    এহেন পরিস্থিতিতে আরটিআই করেছিলেন এই প্রবীণ তৃণমূল নেতা। এই বিষয়ে জবাব দিলেন বিধানসভার সচিব সৌমেন্দ্রনাথ দাস। তাঁর সাফ কথা, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে (Shovondeb Chattopadhyay) বিরোধী দলনেতা করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিয়ম মানেনি তৃণমূল কংগ্রেস।শোভনদেবের আরটিআইয়ের জবাবে সচিব মনে করিয়ে দেন, বিধানসভার ভেতরে অধ্যক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তাঁর সিদ্ধান্তকে কোনওভাবেই চ্যালেঞ্জ করা যায় না। স্পিকার নির্বাচনের দিন শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতার প্রথাগত রীতি পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ঠিকই, তবে তার মানে এই নয় যে বিধানসভা কর্তৃপক্ষ পরবর্তীকালে তাঁর পদের সপক্ষে প্রয়োজনীয় কোনও নথি চাইতে পারবে না।

    ‘রেজুলিউশন কপি’ কোথায়?

    একটি চিঠি পেশ করে তিনি জানান, তৃণমূলের তরফে যে আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল, তার সঙ্গে বিধায়কদের কোনও ‘রেজুলিউশন কপি’ (সমর্থনপত্র) অ্যাটাচ করা ছিল না। তাই জানা যায়নি শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে দলের ঠিক কতজন বিধায়ক সমর্থন করছেন। একই ত্রুটি ছিল ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার আবেদন পত্রের ক্ষেত্রেও। সচিবের বক্তব্য, এই আইনি ও প্রশাসনিক ত্রুটির কারণেই বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু নিয়ম মেনে (WB Assembly Row) দলীয় সিদ্ধান্তের রেজুলিউশন কপি চেয়েছিলেন। যদিও তা এখনও জমা দেওয়া হয়নি। বিধানসভার সচিব চিঠিটা দেখিয়ে বলেন, “এই চিঠির সঙ্গে কোনও রেজুলিউশন কপি যুক্ত ছিল না। শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে  ক’জন বিধায়ক তাঁর (Shovondeb Chattopadhyay) মত ব্যক্ত করেছেন, সেটা উল্লেখ নেই।” ফিরহাদ হাকিমকেও চিফ হুইপ করতে কতজন তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেছেন, তারও উল্লেখ নেই। সেই কারণেই সমস্যা হচ্ছে বলে জানান বিধানসভার সচিব (WB Assembly Row)।

     

LinkedIn
Share