Tag: bangla news

bangla news

  • India Italy Relation: ‘মেলোডি’-র হাত ধরে ভারত-ইটালির কূটনীতিতে নয়া মোড়! কী হল মোদি-মেলোনি বৈঠকে?

    India Italy Relation: ‘মেলোডি’-র হাত ধরে ভারত-ইটালির কূটনীতিতে নয়া মোড়! কী হল মোদি-মেলোনি বৈঠকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনীতিতে চকোলেটের মতো মিষ্টি-মধুর সম্পর্ক তৈরি হল ভারত-ইটালির (India Italy Relation)। ‘মেলোডি’ শুধু দুই ব্যক্তির বন্ধুত্বপূর্ণ রসায়নেই থেমে থাকল না। বুধবার ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে পাশে (Modi-Meloni Meet) নিয়ে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘স্পেশাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে’ পরিণত করার ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে দিলেন বাণিজ্য থেকে প্রতিরক্ষায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলবে দুই দেশ। মোদি-মোলোনির বন্ধুত্বের ছাপ পড়ল দুই দেশের সম্পর্কেও। যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বাড়ানোর কথা জানিয়ে জর্জিয়া বলেন, ‘বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৪ বিলিয়ন ইউরো। ২০২৯ সালের মধ্যে সেটিকে আমরা ২২ বিলিয়ন ইউরোতে নিয়ে যেতে চাই।’

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে বিশাল সুযোগ

    ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি। আর সেটাকেই কাজে লাগাতে চান ‘মেলোডি’। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সময়ে ইটালির সমর্থনের জন্য মেলোনিকে ধন্যবাদ জানান মোদি। সোজাসুজি বলে দেন, ‘দুই দেশের ব্যবসায়ীরা যাতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পান, তার জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করব।’ ২০২৩ সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৪০০ কোটি ইউরো। ২০২৯ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০০০ কোটি ইউরোতে (সাড়ে ২ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি) পৌঁছোনোর যৌথ লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন দুই প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে ভারতে ৮০০-র বেশি ইটালির সংস্থা কাজ করছে।

    ইন্ডিয়া-ইটালি ইনোভেশন সেন্টার

    প্রযুক্তির উপরে সবচেয়ে বেশি জোর দেন মোদি। তিনি বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা ও অসামরিক পারমাণবিক শক্তির মতো ক্ষেত্রে ভারত-ইতালির কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে।’ দুই দেশের স্টার্টআপ, গবেষণা কেন্দ্র ও শিল্পক্ষেত্রকে যুক্ত করতে একটি ‘ইন্ডিয়া-ইটালি ইনোভেশন সেন্টার’ গড়ে তোলার কথাও ঘোষণা করেন তিনি। প্রতিরক্ষা এবং ক্লিন এনার্জি খাতেও একসঙ্গে কাজ হবে বলে ঘোষণা করেছেন মোদি। প্রতিরক্ষা ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি এবং জ্বালানি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি, ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সম্পর্ক নিবিড় করার কথা জানানো হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে।

    লজিস্টিকস এবং ব্লু ইকোনমি

    ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরান-সহ পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালীতে সঙ্কটের প্রসঙ্গও এসেছে যৌথ বিবৃতিতে। বৈঠকের পরে মোদি বলেন, “প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন আমাদের অংশীদারির চালিকাশক্তি। এআই, কোয়ান্টাম, মহাকাশ এবং অসামরিক পারমাণু শক্তির মতো অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।” জাহাজ চলাচল, বন্দর আধুনিকীকরণ, লজিস্টিকস এবং ব্লু ইকোনমি আগামী দিনে নয়াদিল্লি-রোম সম্পর্কের অন্যতম ভরকেন্দ্র হবে বলেও জানান মোদি। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা— ‘‘হেলিকপ্টার, নৌ-প্ল্যাটফর্ম-সহ সমুদ্র-যুদ্ধের উপযোগী অস্ত্র এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা—সংক্রান্ত অংশীদারিত্ব বাড়ানো হবে।’’

    প্রেসিডেন্ট মাত্তারেল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির

    ২০ মে রোমের কুইরিনালে প্রাসাদে প্রেসিডেন্ট মাত্তারেল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বৈঠকে দুই নেতা ভারত-ইটালি সম্পর্কের দ্রুত অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ গুরুত্ব পায় উদীয়মান প্রযুক্তি ও এআই। ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করার উপর জোর দেন দুই নেতা। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়া ও ইউরোপের সংঘাত পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়। আন্তর্জাতিক আইন, সমুদ্রপথে স্বাধীন চলাচল এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তাঁরা।

    ভারত-পশ্চিম এশিয়া-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর

    দুই প্রধানমন্ত্রী ভারত-পশ্চিম এশিয়া-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর (আইএমইসি)-এ সহযোগিতার কথাও ঘোষণা করেছেন। মেলোনি জানিয়েছেন, বিশেষত ছাত্রছাত্রী, গবেষক ও দক্ষ কর্মীদের যাতায়াত বাড়াতে এবং শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা উন্নয়নে ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হবে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে গাজায় যাওয়া জাহাজ আটক করা নিয়ে ইজরায়েলের সমালোচনা করেন মেলোনি।

    ভারত-ইটালি নিয়মিত আলোচনা

    মোদি-মেলোনি বৈঠকে স্থির হয়, দুই দেশ প্রতি বছর শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক করবে এবং নিয়মিত মন্ত্রীস্তর ও প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা চালিয়ে যাবে। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়েও একমত হয়েছে দুই দেশ। সন্ত্রাসে অর্থ জোগান বন্ধে যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গুজরাটের লোথালে ন্যাশনাল মেরিটাইম হেরিটেজ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা এবং ভারতীয় নার্স নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভারত ও ইতালি ২০২৭ সালকে সংস্কৃতি এবং পর্যটনের বছর “Year of Culture and Tourism” হিসেবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    একে অপরের পরিপূরক

    যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ইটালির ডিজাইন ও জিনিস তৈরির দক্ষতা এবং ভারতের উদ্ভাবনী চিন্তা একে অপরের পরিপূরক। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী মেলোনি এই দিনটিকে “ঐতিহাসিক” বলে উল্লেখ করে জানান, ভারত-ইতালি সম্পর্ক এখন এক নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। কূটনৈতিক বৈঠকের বাইরেও নজর কাড়ে মোদি-মেলোনি দুই নেতার ব্যক্তিগত মুহূর্ত। কূটনীতির টেবিলে চুক্তির কালি শুকোতে সময় লাগে। তবে ‘মেলোডি’র মিষ্টি স্বাদ বুঝিয়ে দিয়েছে— ভারত ও ইটালির সম্পর্ক এখন শুধু কাগজে-কলমে নয়, তাতে অন্য রসায়নও দানা বাঁধছে।

     

     

     

  • CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকারীদের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণার নির্দেশ কেন্দ্রের

    CAA: ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকারীদের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণার নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব বিধি, ২০০৯-এ সংশোধন এনে পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে আসা যেসব ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের নিজের নিজের দেশের পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা ঘোষণা করা (CAA) বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্র।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি (CAA)

    সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে (Passport), আবেদনকারীদের এখন ঘোষণা করতে হবে যে তাঁদের কাছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান বা বাংলাদেশ সরকারের জারি করা বৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ কোনও পাসপোর্ট নেই। যদি কোনও আবেদনকারীর কাছে বর্তমানে সচল পাসপোর্ট থাকেও, তবে তাঁকে পাসপোর্ট নম্বর, কোথায়, কবে ইস্যু হয়েছে, এবং মেয়াদ শেষের তারিখ-সহ সমস্ত তথ্য জমা দিতে হবে।

    আবেদনকারীদের আরও একটি অঙ্গীকারপত্র

    সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীদের আরও একটি অঙ্গীকারপত্র দিতে হবে এই মর্মে যে, নাগরিকত্বের আবেদন অনুমোদিত হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তাঁরা তাঁদের বৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্ট বা সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্টের কাছে জমা দেবেন। নয়া এই বিধানটি নাগরিকত্ব বিধির সিডিউল আইসি (Schedule IC)-এর পরে সংযোজন করা হয়েছে। এটি আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ভুক্ত নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করছেন (CAA)। এই পদক্ষেপটি সিএএ (Citizenship Amendment Act, 2019)-এ কার্যকর করতে করা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আগত নথিবিহীন অ-মুসলিম অভিবাসীরা, যাঁরা (CAA) ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ (Passport) পাবেন।

    নাগরিকত্ব বিধির প্রথম বিজ্ঞপ্তি

    প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব বিধি (CAA) সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রথমে জারি হয়েছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সালে। সর্বশেষ সংশোধিত হয়েছে ১১ মার্চ, ২০২৪ সালে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সংসদে পাস হয়েছিল নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (CAA)। আইনটি নিয়ে বিতর্ক চলাকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেছিলেন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশে ধর্মীয় নির্যাতনের মুখে পড়ে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষদের স্বস্তি দেওয়াই এই আইনের উদ্দেশ্য। তিনি এও জানিয়েছিলেন, এই আইন ভারতের কোনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয় (Passport)। ভারতীয় নাগরিকদের অধিকার সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত থাকবে। নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন দেওয়ার লক্ষ্যে নির্ধারিত শর্ত পূরণের ভিত্তিতে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

    অমিত শাহের দাবি

    শাহ বলেছিলেন, এই আইনে যে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, তা ভারতে প্রবেশের তারিখ ও বছর থেকেই কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং যোগ্য আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে যেসব আইনি প্রক্রিয়া চলছে, সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি জানিয়েছিলেন, এই সব অভিবাসীদের পাসপোর্ট বা ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও, তাঁদের অবৈধ অভিবাসী বলে গণ্য করা হবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে (Passport) সংখ্যালঘু জনসংখ্যা বছরের পর বছর উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। তাই বহু মানুষ ভারতে আসতে বাধ্য হয়েছেন (CAA)।

     

  • PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া তাজ, পেলেন রাষ্ট্রসংঘের ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’, উৎসর্গ করলেন ভারতের কৃষকদের

    PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া তাজ, পেলেন রাষ্ট্রসংঘের ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’, উৎসর্গ করলেন ভারতের কৃষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাষ্ট্রসংঘের অধীনস্থ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা সংক্ষেপে ‘ফাও’ (FAO)-এর সর্বোচ্চ সম্মান ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’ দেওয়া হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। ‘ফাও’ প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সম্মান শুধু আমার নয়, ১৪০ কোটি ভারতবাসীর। এটি ভারতের কৃষক ও মৎস্যজীবীদের সম্মান (Indian Farmers)। আমি এই পদক ভারতের কৃষকদের উৎসর্গ করছি।” তিনি বলেন, “ভারতে কৃষিই মূলধারা। আমরা আমাদের ভূমিকে পুজো করি।”

    মানুষের কল্যাণে মোদির অবদান (PM Modi)

    রোমে ‘ফাও’-র সদর দফতরের ঐতিহাসিক প্লেনারি হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্থার মহাসচিব কিউ দংয়ু (Qu Dongyu) এই পদক তুলে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হাতে। তিনি বলেন, “মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান ও অঙ্গীকার, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং কৃষকদের কল্যাণে যুগান্তকারী প্রকল্প চালুর জন্য এই সম্মান প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই, সর্বজনীন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রসংঘের কৌশলগত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) পূরণ এবং ভারতের জি২০ সভাপতিত্বের সময় আন্তর্জাতিক স্তরে কৃষিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই পদক দেওয়া হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা

    তিনি ভারতের কৃষিক্ষেত্রকে রূপান্তর করতে প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা করেন। কৃষক-কেন্দ্রিক, উদ্ভাবনী ও যুগান্তকারী উদ্যোগগুলিরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ‘ফাও’-র মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারতের খাদ্য ও কৃষি সংক্রান্ত উদ্যোগগুলির ব্যাপকতা ও প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি ভারতের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ কর্মসূচি, করোনা অতিমারির পর থেকে ৮০ কোটি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, ১১ কোটিরও বেশি কৃষককে সরাসরি আর্থিক সাহায্য দেওয়া, প্রাকৃতিক ও পুনর্জাগরণমূলক কৃষির উন্নয়নে জাতীয় উদ্যোগ এবং ফাও-র সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ উদযাপনের প্রশংসা করেন (PM Modi)।

    মোদির ক্রেডিট

    তিনি এও বলেন, “ভারতের জি২০ সম্মেলনে সভাপতিত্বের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামোকে বিশ্বজনীন সম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ও কার্যকর পরিষেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে (Indian Farmers)।” তাঁর মতে, এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে ভারতে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ঊর্ধ্বে উঠে এসেছে (PM Modi)।

  • Falta Repoll: ছাপ্পা-রিগিং বিতর্কের পর পুনর্নির্বাচনের ফলতায় চলছে ভোটগ্রহণ, সকাল থেকেই বুথে বুথে লাইন ভোটারদের

    Falta Repoll: ছাপ্পা-রিগিং বিতর্কের পর পুনর্নির্বাচনের ফলতায় চলছে ভোটগ্রহণ, সকাল থেকেই বুথে বুথে লাইন ভোটারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে আজ, বৃহস্পতিবার ২১ মে পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। এই কেন্দ্রের মোট ২৮৫টি বুথে পুনরায় ভোট নেওয়া হচ্ছে। মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার। আগামী ২৪ মে ভোটগণনা হবে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, ২৯ এপ্রিলের ভোটে একাধিক অনিয়ম ও ভোটপ্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার অভিযোগের জেরে গোটা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ভোটে অনিয়মের অভিযোগ

    গত ২৯ এপ্রিল ছিল রাজ্যের শেষ দফার বিধানসভা নির্বাচন। সেই দিন ফলতা কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথ থেকে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ওঠে, একাধিক ইভিএমে আতর, কালি ও টেপ লাগানো হয়েছিল। কোথাও বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ জমা পড়ে। ভোটারদের ভয় দেখানো, ভোট দিতে বাধা দেওয়া এবং ভুয়ো ভোটারের মাধ্যমে অন্যের হয়ে ভোট দেওয়ার মতো অভিযোগও ওঠে। এছাড়াও বেশ কিছু বুথে সিসিটিভি বা ভিডিও রেকর্ডিং পাওয়া যায়নি বলে জানা যায়। কোথাও দীর্ঘ সময় নজরদারি ব্যবস্থা বন্ধ ছিল বলেও অভিযোগ ওঠে। কিছু বুথে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কর্মীদের অযাচিত উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

    কমিশনের সিদ্ধান্ত

    ফলতা থেকে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসার পর পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, পরিস্থিতি বিচার করে নির্বাচন কমিশনের উচিত পুনরায় ভোট করানো। পরে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ভোটের দিন সকালে কয়েকটি বুথে ক্যামেরা বন্ধ ছিল এবং পরে “টেপ রিমুভড” বলে তথ্য দেওয়া হয়। ওই সময়ের মধ্যেই বিপুল ভোট পড়ে যায় বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। এরপর নির্বাচন কমিশন জানায়, ফলতায় “স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক ভোটপ্রক্রিয়া” বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণেই কেন্দ্রের সবকটি বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    পুনর্নির্বাচন ঘিরে ফলতায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর সূত্রে খবর, আগের ভোটের তুলনায় নিরাপত্তা প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। এবার প্রতিটি বুথে ৮ জন করে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (CAPF) জওয়ান মোতায়েন থাকবেন। গত ২৯ এপ্রিল বুথপিছু মাত্র ৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। মোট ২৮৫টি বুথের জন্য প্রায় ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩০টি কুইক রেসপন্স টিম (QRT) প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

    ওয়েবকাস্টিং ও ড্রোন নজরদারি

    প্রতিটি বুথের ভেতরে দুটি এবং বাইরে একটি করে ওয়েব ক্যামেরা বসানো হয়েছে। গোটা ভোটপ্রক্রিয়ার লাইভ ওয়েবকাস্টিং করা হচ্ছে, যা জেলা নির্বাচন আধিকারিক ও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে ড্রোনের মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। পুরো প্রক্রিয়া তদারকির জন্য তিন জন বিশেষ নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

    ভোটের আগে সরে দাঁড়ালেন জাহাঙ্গির

    পুনর্নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগেই ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, তিনি আর এই নির্বাচনে লড়ছেন না। নিজেকে “ফলতার ভূমিপুত্র” উল্লেখ করে জাহাঙ্গির বলেন, তিনি চান ফলতায় শান্তি ও উন্নয়ন বজায় থাকুক। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উন্নয়ন প্যাকেজের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

    রাজনৈতিক সমীকরণে বদল

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একসময় ফলতার রাজনীতিতে জাহাঙ্গির খানের যথেষ্ট প্রভাব ছিল। কিন্তু এবারের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। এলাকায় তৃণমূল বিরোধী সুর জোরালো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর রোড শোও রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে, প্রচারের পুরো পর্বে জাহাঙ্গির খানের সমর্থনে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতিও রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। এর মধ্যেই তাঁর ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানো নতুন করে জল্পনা তৈরি করে।

  • Daily Horoscope 21 May 2026: পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 21 May 2026: পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১. কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২. অর্থনৈতিক দিক আগের তুলনায় ভালো থাকবে।
    ৩. পরিবারের সঙ্গে অযথা তর্ক এড়িয়ে চলুন।

    বৃষ

    ১. ধৈর্য ধরে কাজ করলে লাভ পাবেন।
    ২. পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে।
    ৩. শরীরের যত্ন নেওয়া দরকার।

    মিথুন

    ১. অপ্রয়োজনীয় খরচ বাড়তে পারে।
    ২. পড়াশোনায় সাফল্যের যোগ আছে।
    ৩. নতুন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।

    কর্কট

    ১. পরিবারে সুখবর আসতে পারে।
    ২. কর্মস্থলে প্রশংসা পাবেন।
    ৩. ভ্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    সিংহ

    ১. আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
    ২. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ভেবে নিন।
    ৩. আর্থিক দিক মোটামুটি শুভ।

    কন্যা

    ১. কাজের চাপ বাড়তে পারে।
    ২. শত্রুপক্ষ থেকে সতর্ক থাকুন।
    ৩. স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

    তুলা

    ১. প্রেমের ক্ষেত্রে শুভ দিন।
    ২. ব্যবসায় লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।
    ৩. নতুন পরিচয় কাজে লাগতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১. মানসিক চাপ বাড়তে পারে।
    ২. পরিবারের সমর্থন পাবেন।
    ৩. সরকারি কাজে অগ্রগতি হবে।

    ধনু

    ১. দূরের খবর আনন্দ দিতে পারে।
    ২. চাকরিক্ষেত্রে উন্নতির যোগ আছে।
    ৩. ভ্রমণ শুভ হতে পারে।

    মকর

    ১. অর্থনৈতিক দিক শক্তিশালী হবে।
    ২. পুরনো সমস্যা মিটতে পারে।
    ৩. বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১. নতুন কাজে সাফল্য আসতে পারে।
    ২. দাম্পত্য জীবনে সুখ থাকবে।
    ৩. অতিরিক্ত রাগ এড়িয়ে চলুন।

    মীন

    ১. ধর্মীয় কাজে মন যাবে।
    ২. কর্মক্ষেত্রে ধীরে চলাই ভালো।
    ৩. শরীরের প্রতি অবহেলা করবেন না।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • CM Suvendu Adhikari: বিএসএফকে জমি দিল শুভেন্দুর সরকার, রাজ্যে লাগু সিএএ-ও

    CM Suvendu Adhikari: বিএসএফকে জমি দিল শুভেন্দুর সরকার, রাজ্যে লাগু সিএএ-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসার ১১ দিনের মাথায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফকে জমি দিয়ে দিল শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার। অনুপ্রবেশকারীদের বড় বার্তাও দিলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষমতায় এলে যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে কথা নির্বাচনী প্রচারেই লাগাতার বলে (Infiltrator Deportation) গিয়েছে বিজেপি। ক্ষমতায় আসার পর সেটাই করা হল বাস্তবায়িত।

    অনুপ্রবেশকারী প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা (CM Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে পারলেই গ্রেফতার করবে পুলিশ। তুলে দেওয়া হবে বিএসএফের হাতে। কেন্দ্রের আইন বুধবার (২০ মে) থেকেই রাজ্যে লাগু হচ্ছে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় সরকার আবেদন করেছিল ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তের জন্য জমি দিতে। আগের সরকার (তৃণমূল সরকার) তা দিতে চায়নি। ফলে এই মুহূর্তে খুব খারাপ জায়গায় রয়েছে সীমান্ত এলাকা। দু’সপ্তাহের মধ্যে আমাদের আমলারা, বিশেষ করে ভূমি এবং রাজস্ব দফতরের সচিবরা ২৭ কিমি ফেনসিং এবং আউটপোস্টের জন্য জমি চিহ্নিত করে আজ তুলে দিচ্ছেন।” তিনি বলেন, “আমাদের রাজ্য ২২০০ কিমির মধ্যে ১৬০০ কিমিতে কাঁটাতার দিতে পারেনি। ৬০০ কিলোমিটার অংশ রয়েছে কাঁটাতারবিহীন। ২০১৬ সালে রাজনাথ সিং ব‍্যক্তিগতভাবে জমি চেয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যন্ত অনুরোধ করেছিলেন। তার পরেও জমি দেওয়া হয়নি।”

    অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার প্রক্রিয়া শুরু

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, আজ থেকেই অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে (CM Suvendu Adhikari)। ২০২৫-এর ১৪ মে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য। কিন্তু বিগত সরকার, একদিকে সিএএর বিরোধিতা করেছিল, আর অন্যদিকে ভারত সরকারের এই আইন কার্যকর করেনি। এবার সেই আইনই কার্যকর করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলাজনিত অপরাধ, লাভ জেহাদ, বলপূর্বক ধর্মান্তর, নারী নিরাপত্তার প্রশ্নে যে ধরনের অসামাজিক কাজকর্মের বৃদ্ধি আমরা লক্ষ্য করেছি, যারা তার সঙ্গে যুক্ত বলে ধরা পড়েছে, তাদের বড় অংশই বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী। এদিন, বিএসএফের তরফে ফুলের তোড়া এবং স্মারক দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রীকে (Infiltrator Deportation)।

    প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) অনুযায়ী, ২০২৪-এর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, আইনে নির্দিষ্ট করা সম্প্রদায়ের যে সব মানুষ বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছে, তাদের কোথাও কোন‌ও হেনস্থা করা হবে না (CM Suvendu Adhikari)। যারা ওই সময়ের পরে এসেছে, তাদের রাজ্য পুলিশ সরাসরি গ্রেফতার করে বিএসএফের হাতে তুলে দেবে, যাতে বিডিআরের সঙ্গে কথা বলে তাদের ডিপোর্ট করা যায় (Infiltrator Deportation)।

     

  • WB Assembly Row: রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়া হয়নি শোভনদেবকে, তৃণমূলের অভিযোগের জবাবে কী বললেন বিধানসভার সচিব?

    WB Assembly Row: রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়া হয়নি শোভনদেবকে, তৃণমূলের অভিযোগের জবাবে কী বললেন বিধানসভার সচিব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের আগেও, যে ঘরটায় বসতেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী, সেই ঘরটা এখনও অবধি তালাবন্দি (WB Assembly Row)। যদিও ইতিমধ্যেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূল পরিষদীয় দলের তরফে বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত করার কথা জানানো হয়েছে।

    বিধানসভার সচিবের বক্তব্য (WB Assembly Row)

    এহেন পরিস্থিতিতে আরটিআই করেছিলেন এই প্রবীণ তৃণমূল নেতা। এই বিষয়ে জবাব দিলেন বিধানসভার সচিব সৌমেন্দ্রনাথ দাস। তাঁর সাফ কথা, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে (Shovondeb Chattopadhyay) বিরোধী দলনেতা করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিয়ম মানেনি তৃণমূল কংগ্রেস।শোভনদেবের আরটিআইয়ের জবাবে সচিব মনে করিয়ে দেন, বিধানসভার ভেতরে অধ্যক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তাঁর সিদ্ধান্তকে কোনওভাবেই চ্যালেঞ্জ করা যায় না। স্পিকার নির্বাচনের দিন শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতার প্রথাগত রীতি পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ঠিকই, তবে তার মানে এই নয় যে বিধানসভা কর্তৃপক্ষ পরবর্তীকালে তাঁর পদের সপক্ষে প্রয়োজনীয় কোনও নথি চাইতে পারবে না।

    ‘রেজুলিউশন কপি’ কোথায়?

    একটি চিঠি পেশ করে তিনি জানান, তৃণমূলের তরফে যে আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল, তার সঙ্গে বিধায়কদের কোনও ‘রেজুলিউশন কপি’ (সমর্থনপত্র) অ্যাটাচ করা ছিল না। তাই জানা যায়নি শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে দলের ঠিক কতজন বিধায়ক সমর্থন করছেন। একই ত্রুটি ছিল ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার আবেদন পত্রের ক্ষেত্রেও। সচিবের বক্তব্য, এই আইনি ও প্রশাসনিক ত্রুটির কারণেই বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু নিয়ম মেনে (WB Assembly Row) দলীয় সিদ্ধান্তের রেজুলিউশন কপি চেয়েছিলেন। যদিও তা এখনও জমা দেওয়া হয়নি। বিধানসভার সচিব চিঠিটা দেখিয়ে বলেন, “এই চিঠির সঙ্গে কোনও রেজুলিউশন কপি যুক্ত ছিল না। শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে  ক’জন বিধায়ক তাঁর (Shovondeb Chattopadhyay) মত ব্যক্ত করেছেন, সেটা উল্লেখ নেই।” ফিরহাদ হাকিমকেও চিফ হুইপ করতে কতজন তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেছেন, তারও উল্লেখ নেই। সেই কারণেই সমস্যা হচ্ছে বলে জানান বিধানসভার সচিব (WB Assembly Row)।

     

  • TMC: প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের কঙ্কালসার চেহারা! দলীয় কর্মসূচিতে গরহাজির সিংহভাগ বিধায়ক

    TMC: প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের কঙ্কালসার চেহারা! দলীয় কর্মসূচিতে গরহাজির সিংহভাগ বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বিধানসভায় ধরা পড়ল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) কঙ্কালসার চেহারাটা! ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে গোহারা হেরে গিয়ে কালীঘাটের ঘরে সেঁধিয়ে গিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। বাকি ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভার সদস্য, বিধানসভার নন। এহেন দুই হেভিওয়েট ‘বন্দ্যোপাধ্যায়’ পর্দার আড়ালে চলে যাওয়ায় ফাঁপরে পড়েছেন ঘাসফুল প্রতীকে জয়ী বিধায়করা (MLAs Skip Protest Programme)। ২৯৪টি আসন রয়েছে বিধানসভায়। ভোট হয়েছে ২৯৩টিতে। বৃহস্পতিবার, ২১ তারিখে পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে। এই ২৯৩টির মধ্যে মাত্র ৮০টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন ঘাসফুলের প্রতিনিধিরা। বুধবার দলীয় কর্মসূচিতে দেখা গেল না তাঁদেরই ৪৬ জনকে। তার জেরে মাত্র আধঘণ্টার মধ্যেই নমো নমো করে কর্মসূচি সেরে পাততাড়ি গুটিয়ে পালাতে হল তৃণমূলকে।

    ‘ফ্লপ’ তৃণমূলের কর্মসূচি (TMC)

    ফেরা যাক খবরে। এদিন ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস, হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিধানসভার আম্বেডকর মূর্তির পাদদেশে অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করেছিলেন তৃণমূল বিধায়করা। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে দেখা গেল না তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের অর্ধেকেরও বেশিকে। প্রশ্ন হল, কেন? এ প্রসঙ্গে বেলেঘাটার বিধায়ক তৃণমূলের কুণাল ঘোষ বলেন, “আমাদের পরিষদীয় দলের বৈঠক থেকে এই কর্মসূচিটা হয়েছে। আমরা সেটা ভাগ করে নিয়েছি (TMC)। কয়েকজন আমরা এখানে বসব, যাঁরা এলাকা সামলেও আসতে পারবেন। আবার বহু এলাকায় মানুষ ঘরছাড়া, যেখানে মানুষ এখনও বাড়িই ঢুকতে পারছেন না, থানার সঙ্গে কো-অর্ডিনেট করা দরকার, সেই বিধায়কদের বলা হয়েছে অবিলম্বে সেখানে চলে যেতে।”

    শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা তৃণমূলের!

    কুণাল বলেন, “মানুষের পাশে বসে না থেকে, সবাই এখানে থাকবেন? আবার এরকমও হতে পারে ক’দিন বাদে, তাঁরা এসে কোনও ইস্যুতে বসবেন, আমরা এলাকায় থাকব।” কুণালের শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বুঝতে পেরে বালিগঞ্জের বিধায়ক তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের অনেক নেতা-কর্মীকে কেস দেওয়া হচ্ছে। তাই বহু বিধায়কই এসব ঝামেলা সামাল দিতে গিয়ে আটকে পড়েছেন৷ বিভিন্ন কারণে দলের বিধায়করা ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন (MLAs Skip Protest Programme)৷ তাই অনেকে আসতে পারেননি৷” তিনি বলেন, “আমরা সবাই একসঙ্গেই আছি। এটা ভাবার কোনও কারণ নেই যে আমরা আলাদা আছি (TMC)৷”

    তৃণমূলে ভাঙন ধরছে…!!

    তবে, তৃণমূলের বিধায়করা যা-ই বলুন না কেন, বিধায়কের দলে অর্ধেকেরও বেশি সদস্যের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এবার কি তৃণমূলে বড়সড় ভাঙন ধরতে চলেছে? বিজেপির দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের ভিতরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়কের অনুপস্থিতিকে সেই অস্বস্তিরই প্রতিফলন বলে কটাক্ষ করেছে তাঁরা।  ভাঙনের জল্পনা ছড়িয়েছে দলের অন্দরেও। কারণ, ধর্না মঞ্চে রাজনৈতিক স্লোগানের মধ্যেও বিশেষভাবে নজর কাড়ে একটি বিষয়। কর্মসূচিতে ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ’ ধ্বনি শোনা গেলেও, একসময় তৃণমূলের সভা-সমাবেশে নিয়মিত উচ্চারিত হওয়া ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ’ স্লোগান এদিন প্রায় শোনা যায়নি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পরিবর্তন দলের অন্দরমহলের বর্তমান সমীকরণেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    জাহাঙ্গিরকে নিয়েও অসন্তোষ দলে…

    এই প্রথম নয়। সম্প্রতি, ফলঘোষণার পর কালীঘাটে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে হওয়া বৈঠকেও অনুপস্থিত ছিলেন একাধিক তৃণমূল নবনির্বাচিত বিধায়ক।  বিধায়কের দলে অর্ধেকেরও বেশি সদস্যের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র জল্পনা। তার ওপর, মঙ্গলবারের বৈঠকে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরাও জাহাঙ্গির খানের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সম্প্রতি ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে ঘিরে দলের ভিতরেই অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, জাহাঙ্গির খানকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই দেখা হয়। তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহার নিয়ে হওয়া মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই দলের একাংশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছে। একাধিক বিধায়কও দাবি তুলেছেন, জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে দল যেন কড়া পদক্ষেপ করে। ফলে, সবমিলিয়ে বিরাট পরাজয়ের পর দলের অন্দরে বিদ্রোহ ও বিক্ষোভের আঁচ প্রকট হয়ে উঠেছে।

  • Abhishek Banerjee Properties: অভিষেকের ২৪, সোনা পাপ্পুর ২৪, জাভেদ খানের ছেলের ৯০টা সম্পত্তি! ‘‘আমি ছেড়ে দেওয়ার মানুষ নই’’ বললেন শুভেন্দু

    Abhishek Banerjee Properties: অভিষেকের ২৪, সোনা পাপ্পুর ২৪, জাভেদ খানের ছেলের ৯০টা সম্পত্তি! ‘‘আমি ছেড়ে দেওয়ার মানুষ নই’’ বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ফের তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সরকার গঠনের পর থেকেই দুর্নীতি ও সম্পত্তি কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতির কথা বলে আসা বিজেপি সরকার এবার সরাসরি নিশানায় আনে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক প্রভাবশালী নেতাকে। সম্প্রতি বিস্ফোরক দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ চারজনের বিপুল সম্পত্তির খতিয়ান সরকারের হাতে এসেছে এবং সেই সম্পত্তির উৎস খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    সক্রিয় পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনারকে নির্দিষ্ট কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির সম্পত্তির নথি সংগ্রহের নির্দেশ দেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই তিনি জনসমক্ষে একাধিক নাম ও সম্পত্তির সংখ্যা প্রকাশ করেন। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, “বাংলাকে যারা লুট করেছে, তাদের কাউকে ছাড়া হবে না। সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে যারা প্রাসাদ গড়েছে, তাদের প্রত্যেককে আইনের মুখোমুখি করা হবে।”

    কার কত সম্পত্তি?

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রকাশ করা তালিকায় প্রথমেই উঠে আসে বেলেঘাটার তৃণমূল নেতা রাজু নস্করের নাম। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর নামে ১৮টি সম্পত্তি রয়েছে। দ্বিতীয় নাম কসবার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার, যার নামে ২৪টি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে দাবি সরকারের। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী আক্রমণের কেন্দ্রে আনেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর অভিযোগ, “ভাইপো”-অভিষেকের নামে ও তাঁর সঙ্গে যুক্ত সংস্থা লিপস্ অ্যান্ড বাউন্ডস্-এর নামে মিলিয়ে মোট ২৪টিরও বেশি সম্পত্তি রয়েছে। এছাড়াও অভিষেকের বাবার নামেও একাধিক সম্পত্তির উল্লেখ করেন তিনি। তালিকার চতুর্থ নাম হিসেবে উঠে আসে কসবার তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খানের ছেলের নাম, যার নামে একাই ৯০টি সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    অভিষেকের ৪৩টি সম্পত্তির তালিকা বিজেপির হাতে!

    সূত্রের দাবি, ২৪ নয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত মোট ৪৩টি সম্পত্তির তালিকা নাকি হাতে এসেছে বিজেপি সরকারের। যদিও সেই তালিকার সব সম্পত্তিই তাঁর একক মালিকানাধীন নয়। বেশ কিছু ক্ষেত্রে তিনি যুগ্ম মালিক বা পারিবারিক অংশীদার হিসেবে রয়েছেন। তবুও এই বিপুল সম্পত্তির উৎস কী, তা খতিয়ে দেখতে বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট ও বাণিজ্যিক সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে হেম দে লেন, ধর্মতলা রোড, গিরিন্দ্র শেখর বোস রোড, পণ্ডিত মদন মোহন মালব্য সরণী, দেবেন্দ্র ঘোষ রোড, রাজকৃষ্ণ ঘোষাল রোড, বৈষ্ণবঘাটা বাই লেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু রোড, পূর্বাচল রোড, বরাখোলা, ব্রহ্মপুর এবং কালিয়াপাড়া মুখার্জি রোডের একাধিক ঠিকানা। কয়েকটি সম্পত্তি ফ্ল্যাট, আবার কয়েকটি আবাসন ও বাণিজ্যিক ইউনিট হিসেবেও চিহ্নিত হয়েছে বলে দাবি।

    ‘‘আমি ছেড়ে দেওয়ার মানুষ নই’’

    এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কলকাতা পুরসভার ফাইল খোলা হচ্ছে। কীভাবে বাংলাকে লুট করা হয়েছে, মানুষ কল্পনাও করতে পারবে না। আমরা ক্যাবিনেটে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছি। এই কমিটি প্রত্যেকটি অভিযোগ খতিয়ে দেখবে। আমি ছেড়ে দেওয়ার মানুষ নই।” শুভেন্দু অধিকারী আরও দাবি করেন, ইতিমধ্যেই দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বোস এবং পুলিশ আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে আরও বড় রাঘববোয়ালদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযান চলবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

    ইডির জালে সোনা পাপ্পু, পুলিশের হাতে রাজু নস্কর…

    এরইমধ্যে, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডি গ্রেফতার করেছে সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দারকে। জমি দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, হাওয়ালা লেনদেন এবং তোলাবাজির অভিযোগে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, বেলেঘাটার রাজু নস্করও ইতিমধ্যেই অপহরণ ও মারধরের মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। ফলে তৃণমূলের একাধিক স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি চাপ ক্রমশ বাড়ছে।

    গ্রেফতারি এড়াতে হাইকোর্টে অভিষেক!

    এই পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন করে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে দায়ের হওয়া একটি মামলায় সম্ভাব্য গ্রেফতার এড়াতে সোমবারই তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জাান গিয়েছে। যদিও তৃণমূলের তরফে এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ জবাব দেওয়া হয়নি, দলের অন্দরে এই ইস্যু ঘিরে চাপা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।

    “দুর্নীতিবিরোধী সরকার” হওয়ার লক্ষ্যে…

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর বিজেপি প্রশাসনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হয়ে উঠছে দুর্নীতি ও সম্পত্তি তদন্ত। একদিকে যেমন বিরোধী শিবিরে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে এই অভিযানকে সামনে রেখে নিজেদের “দুর্নীতিবিরোধী সরকার” হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার। আগামী দিনে এই তদন্ত কতদূর গড়ায় এবং সত্যিই কোনও বড় আইনি পদক্ষেপ হয় কি না, সেদিকেই এখন নজর রাজ্য রাজনীতির।

  • CM Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বার্তা পেয়েই নড়েচড়ে বসল পুলিশ, নিরাপত্তার খোলনলচে বদলাচ্ছে রাজ্যের পাঁচ সরকারি হাসপাতালে

    CM Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বার্তা পেয়েই নড়েচড়ে বসল পুলিশ, নিরাপত্তার খোলনলচে বদলাচ্ছে রাজ্যের পাঁচ সরকারি হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেই বাম-তৃণমূল জমানার ঘুণ ধরা সমাজব্যবস্থাটাকে আমূল বদলে দিতে কোমর কষে মাঠে নেমে পড়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। এর আগে রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশকে ফ্রি-হ্যান্ড খেলতে দিয়েছেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তার পর উদ্যোগী হয়েছেন রাজ্যের হাসপাতালগুলির (Hospital Security Guidelines) ভোল বদলাতে। সেই কারণেই দিন কয়েক আগে এসএসকেএম হাসপাতালে হাই-প্রোফাইল বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। তার রেশ কাটার আগেই ‘অ্যাকশনে’ নেমে পড়েছে লালবাজার।

    দালাল-রাজ নির্মূলে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari)

    সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং দালাল-রাজ নির্মূল করতে শহরের পাঁচটি বড় সরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। আজ, বুধবার থেকেই নয়া নিয়ম কার্যকর হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে খবর। গত শুক্রবারই স্বাস্থ্য দফতরের পদস্থ কর্তা এবং মেডিক্যাল কলেজগুলির প্রিন্সিপাল-সুপারদের নিয়ে ম্যারাথন বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বহিরাগতদের প্রবেশ রোখার ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই বার্তা পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ-প্রশাসন।

    বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা কলকাতার পাঁচ হাসপাতালে

    পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে কলকাতার পাঁচটি বড় সরকারি হাসপাতালে এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ করা হচ্ছে। এই হাসপাতালগুলি হল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, এসএসকেএম হাসপাতাল, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ভেতরে যাতে কোনওভাবেই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কিংবা চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনা না ঘটে, তাই গুচ্ছের গাইডলাইন জারি করা হয়েছে লালবাজারের তরফে (Hospital Security Guidelines)।

    আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার বলয়

    আগে হাসপাতালে যে কেউ, যখন তখন দালালদের হাত ধরে হাসপাতালে ঢুকে পড়ত। নয়া ব্যবস্থায় হাসপাতালে ঢুকতে গেলেই কড়া চেকিংয়ের মুখে পড়তে হবে। ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি রোগী এবং তাঁদের পরিজনদেরও পরিচয়পত্র বা নির্দিষ্ট কালার-কোডেড ব্যান্ড খতিয়ে দেখে তবেই দেওয়া হবে হাসপাতালে ঢোকার ছাড়পত্র। বহিরাগতদের প্রবেশ রুখতেই এই সিদ্ধান্ত (CM Suvendu Adhikari)। হাসপাতাল চত্বরে সর্বক্ষণ নজরদারির জন্য সক্রিয় থাকবে কলকাতা পুলিশের বিশেষ ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম। কোনওরকম অশান্তির আঁচ পেলেই মুহূর্তের মধ্যে খবর চলে যাবে কন্ট্রোল রুমে। রাতের শিফটে ডিউটিতে থাকা জুনিয়র ডাক্তার ও নার্সদের সুরক্ষায় হাসপাতাল চত্বরে চলবে পুলিশের বিশেষ ‘নাইট পেট্রলিং’। মহিলা চিকিৎসকদের রেস্ট রুম এবং ডিউটি রুমের আশপাশে নজরদারি করা হয়েছে দ্বিগুণ।

    বাড়ানো হচ্ছে নজরদারিও

    করা নিরাপত্তার বলয় তৈরির পাশাপাশি ঢেলে সাজানো হচ্ছে হাসপাতালগুলির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও। পরিকাঠামো ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে তা আরও উন্নত করা হচ্ছে। আপৎকালীন পরিস্থিতির মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। হাসপাতালগুলিতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও হাইড্র্যান্ট প্রস্তুত থাকবে। দমকল বিভাগের সঙ্গেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সমন্বয় রাখার কথা বলা হয়েছে লালবাজারের তরফে জারি করা ওই নির্দেশিকায় (CM Suvendu Adhikari)। হাসপাতালগুলিতে সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা, নিয়মিত তা পরীক্ষা করতে হবে। হাসপাতালের সব জায়গা যাতে সিসিটিভির আওতায় চলে আসে, তাও নিশ্চিত করাতে হবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পদক্ষেপ করার কথাও বলা হয়েছে লালবাজারের তরফে জারি করা ওই নির্দেশিকায়। সব জায়গায় সুষ্ঠুভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে (Hospital Security Guidelines)। পুলিশকর্মী ছাড়াও হাসপাতালগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বেসরকারি সংস্থাকে নির্দিষ্টি ডিউটি রোস্টার বানানোর নির্দেশও দিয়েছে লালবাজার। সেই হিসেবেই তাদের কর্মী নিয়োগ করতে বলা হয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে অবৈধ পার্কিংও বন্ধ করা হচ্ছে। রোগীর পরিবার, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া অন্য কারও গাড়ি রাখা যাবে না। হাসপাতালের প্রধান গেটগুলির সামনের এলাকা হকারমুক্ত করা হবে। হাসপাতালজুড়ে চিকিৎসক, নার্স ও রোগীদের জন্য বড় বড় করে লেখা থাকবে হেল্পলাইন নম্বর।

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    পুলিশ সূত্রে খবর, ওই পাঁচটি হাসপাতালের সুপার ও অধ্যক্ষের সঙ্গে স্থানীয় থানা, ডিভিশনাল ও লালবাজার কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগ থাকবে। প্রতি রাতে প্রতিটি হাসপাতালে টহল দেবে পুলিশকর্মী এবং নিরাপত্তা কর্মীর যৌথ দল (CM Suvendu Adhikari)।  ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তৃণমূল জমানায় আরজি করকাণ্ডের জেরে তৈরি হওয়া ক্ষতে প্রলেপ দিতে এবং হাসপাতালে দালাল-রাজে ইতি টানতে শুভেন্দুর সরকার যে কোনও আপস করতে রাজি নয়, লালবাজারের এই তৎপরতাই তার প্রমাণ। দুর্নীতি এবং দাদাগিরি বন্ধে নয়া মুখ্যমন্ত্রী নিয়েছেন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। সেই বার্তা পেয়েই পুলিশ-প্রশাসনের সর্বস্তরেই শুরু হয়েছে খোলনলচে বদলানোর কাজ (Hospital Security Guidelines)।

    প্রসঙ্গত, বছর দুই আগে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এক তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে খুনের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। তারপর থেকেই জুনিয়র ও সিনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে হাসপাতালের নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোর বেহাল দশা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। মমতা জমানার এই ঘটনায় সোচ্চার হয়েছিল রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে গোহারা হারিয়ে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে নবান্নে এসেছে শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। তার পরেই রাজ্যের নানা ভেঙে পড়া ব্যবস্থাকে স্বমহিমায় ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে পদ্ম-পার্টি (CM Suvendu Adhikari)।

LinkedIn
Share