Tag: bangla news

bangla news

  • CM Suvendu Adhikari: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লেই সোজা বিএসএফ-এর হাতে হস্তান্তরের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    CM Suvendu Adhikari: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লেই সোজা বিএসএফ-এর হাতে হস্তান্তরের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বসবাসকারী অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের পুশব্যাক বা বিতাড়ন প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে বুধবারই নবান্ন থেকে রাজ্য সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তবে সেই প্রক্রিয়া ঠিক কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে তৈরি হওয়া ধোঁয়াশা বৃহস্পতিবার দ্ব্যর্থহীন ভাষায় দূর করলেন তিনি। এ দিন হাওড়ায় একটি উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোনও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে তাঁদের দীর্ঘমেয়াদী আইনি জটিলতা বা আদালতে পেশ করার প্রয়োজন নেই; দ্রুত পুশব্যাকের স্বার্থে সরাসরি তাঁদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ (BSF)-এর হাতে তুলে দিতে হবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, হাওড়া স্টেশনে কোনও অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত হলে, তাঁকে আইনি হেফাজতে না রেখে সরাসরি সীমান্ত এলাকায় পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। হাওড়ার পুলিশ কমিশনার ও জিআরপি (GRP) কর্তাদের ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    হাওড়া স্টেশনে নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ (CM Suvendu Adhikari)

    দেশের অন্যতম ব্যস্ত রেল প্রান্তিক হাওড়া স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষ যাতায়াত করেন। এই পরিস্থিতিতে অনুপ্রবেশ রুখতে স্টেশন চত্বরে নজরদারি বহুগুণ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) বলেন, “পুলিশ কমিশনার এবং আরপিএফ-কে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (CAA) আওতাভুক্ত নন এমন কোনও অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হাওড়া স্টেশনে ধরা পড়লে, তাঁকে আদালতে পাঠানোর প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনীয় মানবিকতা বজায় রেখে যথোপযুক্ত আহারের ব্যবস্থা করে তাঁকে সরাসরি বনগাঁর পেট্রাপোল সীমান্ত অথবা বসিরহাটের কোনও বিওপি (সীমান্ত চৌকি)-তে (BSF) পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।”

    সাপ্তাহিক রিপোর্টের কড়াকড়ি

    ধড়পাকড় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং প্রতি সপ্তাহে কতজন অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত হচ্ছেন, তার সঠিক পরিসংখ্যান নিজের দফতরে রাখতে চান মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari)। এই উদ্দেশ্যে প্রতি সপ্তাহের এই সংক্রান্ত খতিয়ান রাজ্য পুলিশের ডিজি (DG)-র মাধ্যমে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আইনি প্রেক্ষাপট ও সিএএ (CAA)

    উল্লেখ্য, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA) অনুযায়ী বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে বা নিপীড়নের আশঙ্কায় ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টান— এই ছয়টি ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়কে শরণার্থীর মর্যাদা দেওয়া হবে। ভারত সরকার তাঁদের কোনোভাবেই পুশব্যাক করবে না। ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল কার্যকর হওয়া ‘অভিবাসন ও বিদেশি’ আইনের ৩৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল।

    প্রচারে দেওয়া অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) বলেন, “যাঁরা সিএএ-র এই পরিধির মধ্যে পড়েন না, তাঁদের চিহ্নিত করে সরাসরি বিএসএফ-এর (BSF) হাতে তুলে দিতে হবে। কেন্দ্রের পাঠানো এই পূর্ববর্তী নির্দেশিকাটি আগের সরকার কার্যকর করেনি বলে অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, বর্তমান সরকার এটি অবিলম্বে রাজ্যে কার্যকর করছে। নির্বাচনের প্রচারে দেওয়া অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে ক্ষমতায় আসার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই নতুন সরকার এই কঠোর ও তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করল।”

  • Modi-Suvendu Meeting: ডবল ইঞ্জিন সরকারের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি? দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দুর নজরে বাংলার উন্নয়ন

    Modi-Suvendu Meeting: ডবল ইঞ্জিন সরকারের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি? দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দুর নজরে বাংলার উন্নয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের সফরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। রাজধানীতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। দিল্লিতে পৌঁছেই তিনি যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) বাসভবনে। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দু’জনের মধ্যে বৈঠক হয়। শুক্রবার সকালে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সারেন শুভেন্দু। এরপর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে তাঁর। দুপুরে উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকের পর বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

    রাজ্যে মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আলোচনা…

    বাংলায় পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন কবে হবে এবং কোন নেতার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফরকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বাংলার মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। খুব শীঘ্রই রাজ্যে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা ঘোষণা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।

    সিএএ প্রসঙ্গে কথা…

    শাহ-শুভেন্দু বৈঠকে মন্ত্রিসভা গঠন ছাড়াও সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ এবং সিএএ বাস্তবায়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। মন্ত্রিসভায় কাদের জায়গা দেওয়া হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত কথা হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও আঞ্চলিক স্তর থেকে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে খবর। শুধু প্রাক্তন বিধায়ক নন, পুরসভা ও পঞ্চায়েত স্তরে জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

    আলোচনা কাঁটাতার ও সীমান্ত নিয়েও…

    এছাড়াও সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার নির্মাণের জন্য জমি সংক্রান্ত অনুমোদন এবং পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ কার্যকর করার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের ভূমিকা কী হবে, সেই বিষয়টিও বৈঠকে উঠে এসেছে। পাশাপাশি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন অমিত শাহ।

    বিকেলের মোদি-শুভেন্দু বৈঠকে নজর

    অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন, ডবল ইঞ্জিন সরকারের রূপরেখা এবং আগামী দিনের প্রশাসনিক পরিকল্পনা নিয়ে দু’জনের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। নতুন সরকার গত দুই সপ্তাহে কী কী পদক্ষেপ করেছে, সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রের কাছে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজের দাবি তোলা হতে পারে বলেও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা রয়েছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় এবং পশ্চিমবঙ্গে ভারী শিল্প ও অন্যান্য বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

  • ISL Champion East Bengal: ঐতিহাসিক জয়! প্রথমবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    ISL Champion East Bengal: ঐতিহাসিক জয়! প্রথমবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুটবল মানেই বাংলা, আর বাংলা মানেই ফুটবল। প্রথমবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল (ISL Champion East Bengal) ক্লাবকে শুভেচ্ছা বার্তায় লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২২ বছর পর ফের ভারতসেরা হয়েছে লাল হলুদ শিবির। শুধু ইস্টবেঙ্গল ক্লাবই নয়। খেতাব জিততে না পারলেও রানার্স আপ হয়েছে গঙ্গা পাড়ের কলকাতার আরও একটি ঐতিহ্যশালী ক্লাব মোহনবাগান সুপারজায়ান্টস। বাংলার দুটো সেরা ক্লাবকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যোগ্য দল হিসেবে ভারতসেরা হয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে পিছিয়ে পড়েও ইন্টার কাশীকে ২-১ গোলে হারিয়ে অবশেষে স্বপ্নপূরণ হল লাল-হলুদ শিবিরের।

    মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

    নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, ‘‘ঐতিহাসিক জয়! ইস্টবেঙ্গল এফসি-কে ভারতীয় সুপার লিগ (ISL) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আজকের এই গৌরবময় মুহূর্ত শুধু ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের নয়, সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ তথা বিশ্বের অসংখ্য ফুটবলপ্রেমী বাঙালির জন্য গর্বের। বাংলার সমৃদ্ধ ফুটবল ঐতিহ্য আজ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। টিমের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং ক্লাব কতৃপক্ষের নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও লড়াইয়ের মানসিকতাই এই দুরন্ত সাফল্যের চাবিকাঠি। একইসঙ্গে মোহনবাগানকেও আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। সমান পয়েন্ট নিয়ে দুর্দান্ত লড়াই করেও গোল পার্থক্যের কারণে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছে তারা। সবুজ-মেরুন ব্রিগেডও বাংলার ফুটবল গৌরবকে সমানভাবে উজ্জ্বল করেছে। ফুটবল মানেই বাংলা, আর বাংলা মানেই ফুটবল। দুই প্রধান দলই আজ বাংলার সম্মান আরও বাড়িয়ে দিল।’’

    চ্যাম্পিয়নের দৌড়

    অবশেষে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। ইন্টার কাশীকে ২-১ গোলে হারিয়ে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল। ১৪ মিনিটে ইন্টার কাশীকে এগিয়ে দেন আলফ্রেড। প্রথমার্ধে পিছিয়েই ছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো ফিরে আসে অস্কার বাহিনী। ৪৯ মিনিটে সমতা ফেরান ইউসেফ। ৭২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান মহম্মদ রশিদ। ১৩ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি মোহনবাগানেরও সুযোগ ছিল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। তার জন্য ইস্টবেঙ্গলকে পয়েন্ট নষ্ট করতে হত। পাশাপাশি জিততে হত বাগানকে। যুবভারতীতে এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত জিতল মোহনবাগান। গোল করলেন মনবীর সিংহ ও জেমি ম্যাকলারেন। ইস্টবেঙ্গলের মতোই ২-১ গোলে জিতল বাগান। দু’দলই ১৩ ম্যাচে ২৬ পয়েন্টে শেষ করল। কিন্তু গোলপার্থক্যে এগিয়ে থাকায় জিতল ইস্টবেঙ্গল। মহমেডানের বিরুদ্ধে ৭-০ গোলে জেতার সুবিধা পেল তারা। সমান পয়েন্ট পেয়েও দ্বিতীয় স্থানে শেষ করল গত দু’বারের চ্যাম্পিয়নেরা। পঞ্জাব এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়ে তিন নম্বরে শেষ করল মুম্বই সিটি এফসি। লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে সোনার বুট জিতলেন ইস্টবেঙ্গলেরই ইউসেফ এজ্জেজারি।

  • PM Modi Cabinet Meeting: ‘ফাইল আটকে রাখবেন না, দ্রুত কাজ করুন’, মন্ত্রিসভার ম্যারাথন বৈঠকে কী কী নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর?

    PM Modi Cabinet Meeting: ‘ফাইল আটকে রাখবেন না, দ্রুত কাজ করুন’, মন্ত্রিসভার ম্যারাথন বৈঠকে কী কী নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজের ক্ষেত্রে কোনও রকম অলসতা নয়। কাজ করতে হবে দ্রুত। জনস্বার্থ দেখেই কাজ করতে হবে মন্ত্রীদের। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সঙ্গেই প্রশাসনিক কাজে সংস্কারের কথাও জানিয়েছেন তিনি। পাঁচ দিনের বিদেশ সফর থেকে ফিরেই বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে ম্যারাথন বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার ওই বৈঠকে আগামী দিনে সরকারের কাজ কেমন হবে তার ধারণাও দিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে মন্ত্রীদের জন্য কঠোর সংস্কার কর্মসূচি পেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গেই ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-কে সামনে রেখে কাজ করার জন্য বলা হয়।

    কোন কোন মন্ত্রক বিস্তারিত রিপোর্ট দিল

    বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লির ‘ভারত মণ্ডপম’-এ বিকেল পাঁচটায় শুরু হওয়া এই বৈঠকটি টানা সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে চলে। সূত্র মতে, চলতি বছরের এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠক। সূত্রের খবর, ভারতের উন্নয়ন যাত্রাকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে শাসনের অগ্রাধিকার, সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ন’টি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, কৃষি, বন, শ্রম, সড়ক পরিবহন, কর্পোরেট বিষয়ক, বিদেশ, বাণিজ্য এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রক বিস্তারিত প্রতিবেদন পেশ করেছে। এই বৈঠকের সময় ক্যাবিনেট সচিব এবং নীতি আয়োগও তাদের নিজ নিজ উপস্থাপনা তুলে ধরেন। বৈঠকে সরকারের গত ১২ বছরের সাফল্য, কল্যাণমূলক নানা প্রকল্প এবং নেওয়া হওয়া বিভিন্ন সংস্কারের খতিয়ানও পেশ করা হয়।

    বিকশিত ভারত-এর অঙ্গীকার

    ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭ কোনও স্লোগান নয়। তা আমাদের অঙ্গীকার।’ ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে উদ্দেশ্য-চালিত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করতে বলেও জানিয়েছেন মোদি। ঠিক বারো বছর আগে এই জুন মাসেই দিল্লির তখতে প্রথমবার শপথ নিয়েছিল মোদি সরকার। আগামী মাসে কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকারের টানা ১২ বছর (Modi government 12 years) এবং তৃতীয় মেয়াদের (Modi 3.0) দ্বিতীয় বছর পূর্ণ হতে চলেছে। আর এই ঐতিহাসিক মাইলফলকের ঠিক আগেই দিল্লির অলিন্দে হাই-প্রোফাইল ম্যারাথন বৈঠক সারলেন মোদি। তাঁর সাফ নির্দেশ, ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ যেন শুধু স্লোগান হয়ে না থেকে যায়, তার যথাযথ প্রয়োগ যেন দেশের সর্বত্র প্রতিফলিত হয় (Viksit Bharat 2047 vision Modi)।

    সংস্কারের গতি বাড়ানোই লক্ষ্য

    দীর্ঘ ১১ মাস পর এই প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সমস্ত সদস্যদের নিয়ে পূর্ণাঙ্গ বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে গত বছর ৪ জুন এই ধরনের বৈঠক হয়েছিল। বৈঠক থেকেই সমস্ত মন্ত্রীদের এক কড়া ও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি— “অতীতে কী হয়েছে ভুলে যান, এবার সম্পূর্ণভাবে ভবিষ্যতের দিকে ফোকাস করুন।” এদিনের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আগামী দিনে সরকারের মূল লক্ষ্য হতে হবে সংস্কারের গতি বাড়ানো, জনকল্যাণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও সরল করে তোলা। যে সমস্ত মন্ত্রক কিছুটা পিছিয়ে আছে তাদের কাজ এবং পরিকল্পনাগুলি বাস্তবায়নে জোর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ফাইল আটকে রাখা চলবে না

    সরকারি কার্যক্রমে আরও বেশি দক্ষতার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রকগুলির মধ্যে নথিপত্রের দ্রুত চলাচল নিশ্চিত করতে এবং অপ্রয়োজনীয় পদ্ধতিগত বিলম্ব দূর করার নির্দেশ দেন। প্রতিটি স্তরে শাসনব্যবস্থাকে সরল করার পাশাপাশি কম সময়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করার গুরুত্বের ওপরেও জোর দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, কোনও সংস্কার বা সরকারি প্রকল্পের কাজ যেন শুধু ফাইলের মধ্যেই বন্দি না থাকে। ফাইল যেন আমলাদের টেবিলে অপ্রয়োজনে আটকে না থাকে, বরং অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ফাইল ছাড়তে হবে। এর ফলে সরকারি পরিষেবা আরও গতিশীল ও সরল হবে এবং দেশের নাগরিকেরা তার সরাসরি সুফল পাবেন। মন্ত্রীদের হাতে যে সময়টুকু রয়েছে, তার প্রতিটি সেকেন্ড যাতে ১০০ শতাংশ উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করা হয়, সেই বিষয়েও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।

    জয়শঙ্করের কূটনৈতিক বার্তা

    এই বৈঠকের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ব্রিফিং। সম্প্রতি ভারতের কূটনীতিকে বিশ্বমঞ্চে আরও মজবুত করতে পাঁচ দেশের একটি অত্যন্ত সফল এবং তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক সফরে গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। সেই বিদেশ সফরের খুঁটিনাটি ও সফল কূটনৈতিক বার্তা এদিন মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের সামনে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন বিদেশমন্ত্রী। এই বৈঠকে জ্বালানি, কৃষি, সার, বিমান চলাচল, নৌপরিবহন এবং লজিস্টিকসের মতো ক্ষেত্রগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয় এবং এগুলির প্রতি নিবিড় মনোযোগ দেওয়া হয়।

    বাংলা জয়ে অভিনন্দন

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রীদের একটি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন অনানুষ্ঠানিক গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণ নজরদারি করছে। দক্ষিণ কোরিয়া সফরে থাকায় রাজনাথ সিং বৃহস্পতিবারের মন্ত্রীপরিষদ বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি। অন্যদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বর্তমানে জেনেভায় রয়েছেন। এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপির জয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। বৈঠকের শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর মন্ত্রীদের স্পষ্ট জানিয়েছেন, গত ১২ বছর ধরে দেশের মানুষের জন্য এই সরকার কী কী কাজ করেছে, তা সাধারণ মানুষের কাছে সরাসরি পৌঁছে দিতে হবে। সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি, জনকল্যাণমুখী প্রকল্প এবং দেশের ভোল বদলে দেওয়া সংস্কারের যে এজেন্ডা, তা নিয়ে মন্ত্রীদের সরাসরি আমজনতার দরবারে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

  • PM Modi Gifts Melody: ‘মেলোডি খাও, খুদ জান যাও’ এবার বিশ্বমঞ্চে! মোদির উপহারে ভাইরাল টফি ব্র্যান্ড, কী বললেন ভারতীয় সংস্থার কর্তা?

    PM Modi Gifts Melody: ‘মেলোডি খাও, খুদ জান যাও’ এবার বিশ্বমঞ্চে! মোদির উপহারে ভাইরাল টফি ব্র্যান্ড, কী বললেন ভারতীয় সংস্থার কর্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে ‘মেলোডি’ টফি উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই দেয়া নেয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তৈরি হয়েছে এক মিষ্টি মুহূর্ত। আর সেই ঘটনাতেই কার্যত আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ভারতের জনপ্রিয় টফি ব্র্যান্ড ‘মেলোডি’। ‘মোদি’ ও ‘মেলোনি’-র নাম মিলিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বহুল ব্যবহৃত ‘মেলোডি’ ডাকনামের সঙ্গেই যেন বাস্তবের এই উপহারকে জুড়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই অপ্রত্যাশিত প্রচারে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত পার্লে প্রোডাক্টস। সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট ময়াঙ্ক শাহ জানিয়েছেন, এই উপহার দেওয়ার বিষয়ে তাদের আগে কোনও ধারণাই ছিল না। তিনি বলেন, “আমরা সম্পূর্ণ অবাক, তবে ভীষণভাবে আনন্দিত। আমাদের সম্মানীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতেই হবে, কারণ তিনি এই ব্র্যান্ডকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন।”

    ‘মেলোডি’-র চাহিদা বেড়েছে

    ঘটনার পর থেকেই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও কুইক কমার্স অ্যাপে ‘মেলোডি’-র চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলেও জানিয়েছেন শাহ। তাঁর কথায়, “সকাল থেকেই বিপুল ট্র্যাকশন দেখা যাচ্ছে। আগামী দিনে এই বৃদ্ধির গতি আরও বাড়বে বলেই আমরা আশা করছি।” পার্লের দাবি, ‘মেলোডি’ ইতিমধ্যেই ভারতের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া টফি ব্র্যান্ড। আন্তর্জাতিক স্তরে এই প্রচারের ফলে শুধু ভারত নয়, বিদেশের বাজারেও বিক্রি বাড়বে বলে আশাবাদী সংস্থা। বর্তমানে বিশ্বের ২০০-রও বেশি দেশে রফতানি করা হয় ‘মেলোডি’। ময়াঙ্ক শাহ জানান, এই মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে বিদেশের বাজারে আরও বড় আকারে প্রবেশের পরিকল্পনাও করা হতে পারে। এমনকি বিভিন্ন দেশে স্থানীয় উৎপাদন শুরু করার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    পার্লের জন্য বিশ্বজোড়া প্রচার

    চাহিদা বাড়লেও আপাতত দাম বাড়ানোর কোনও পরিকল্পনা নেই বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন পার্লে কর্তা। তাঁর কথায়, “দাম বাড়ানোর কথা ভাবছি না। তবে চাহিদা যে হু হু করে বাড়ছে, তা ইতিমধ্যেই বোঝা যাচ্ছে।” পণ্যের স্বাদ বা পরিচয়ে বড় কোনও বদলের ইঙ্গিতও দেয়নি সংস্থা। শাহ বলেন, “মেলোডি মানেই চকলেটি স্বাদ। এটা একটি ক্লাসিক ব্র্যান্ড, আমরা সেটাকেই বজায় রাখতে চাই।” সঙ্গে হাসতে হাসতেই তিনি স্মরণ করিয়ে দেন জনপ্রিয় ট্যাগলাইন— “মেলোডি খাও, খুদ জান যাও।” স্টক মার্কেটে তালিকাভুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনাও উড়িয়ে দিয়েছেন মায়াঙ্ক। জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে পার্লে প্রোডাক্টসের আইপিও আনার কোনও পরিকল্পনা নেই। একটি সাধারণ টফি যে আন্তর্জাতিক কূটনীতির আলোচনায় জায়গা করে নিতে পারে, তা হয়তো ভাবেনি কেউই। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদির এই ‘মিষ্টি কূটনীতি’ এখন পার্লের জন্য এনে দিয়েছে বিশ্বজোড়া প্রচারের নতুন সুযোগ।

  • Weather Update: গরমে নাজেহাল! সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকছে দেশে, বাংলায় কবে? দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস

    Weather Update: গরমে নাজেহাল! সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকছে দেশে, বাংলায় কবে? দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যাচপ্যেচে গরমে (Weather Update) নাজেহাল বাঙালি। শহরে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি চরমে উঠেছে। তবে শুধু বাংলা নয়, সূর্যের তাপে মোটামুটি পুড়ছে ভারতের একটা বড় অংশ। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) রাজধানীতে বারবার তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করছে। একইভাবে রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশও তীব্র গরমে পুড়ছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা শুষ্ক ও গরম বাতাস এই পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। এই সময়ই সুখবর দিল হাওয়া অফিস। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ করছে বর্ষা (Monsoon Forecast 2026)। ভারতের মূল ভূখণ্ড কেরলে ২৬ মে ঢুকে যেতে পারে বর্ষা।

    দেশে কবে বর্ষার প্রবেশ

    এবছর ১৬ মে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ঢুকেছিল বর্ষা ৷ আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে মৌসুমী বায়ু দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগরের কিছু অংশে ঢুকে পড়বে। অগ্রগতি হতে পারে কোমোরিন এলাকাতে। দক্ষিণপূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের বাকি এলাকা এবং পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরের এলাকাতে ঢুকবে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, যা দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ বার্ষিক বৃষ্টিপাত নিয়ে আসে, তা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় এক সপ্তাহ আগেই প্রবেশ করছে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, ২৬ মে নাগাদ কেরল উপকূলে পৌঁছাতে পারে বর্ষা। আর মৌসমি বায়ু দেশে প্রবেশের স্বাভাবিক সময় হল ১ জুন।

    বাংলায় কবে আসছেন বর্ষারানি

    কেরলে বর্ষার আগাম আগমন মানেই যে সারা দেশে দ্রুত বা বেশি বৃষ্টি হবে, এমনটা বলা যায় না। পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা সাধারণত উত্তর-পূর্ব ভারতের দিক দিয়ে প্রবেশ করে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢুকতে ৫ জুনের কাছাকাছি সময় লাগে এবং দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রথম বৃষ্টি পৌঁছাতে প্রায় ১০ জুন পর্যন্ত সময় গড়ায়। বাংলায় বর্ষা প্রবেশ না করলেও উত্তরবঙ্গে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই। ভারী বৃষ্টির আরও একটা স্পেল চলবে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু করে আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার পর্যন্ত।

    এল নিনোর প্রভাব দেশে

    দেশে সময়ের আগে বর্ষা প্রবেশ করলেও আইএমডি-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বর্ষায় স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ বছরের বৃষ্টিপাত দীর্ঘমেয়াদি গড়ের প্রায় ৯২ শতাংশ হতে পারে। আইএমডি জানিয়েছে, ধীরে ধীরে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। আর এই পরিস্থিতি ভারতের মৌসুমী বায়ুকে দুর্বল করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জুলাই-অগাস্টে মৌসুমি বায়ু এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এল নিনোর প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে। ইতিমধ্যেই জৈষ্ঠ্যে চাঁদিফাটা রোদে জ্বলছে বঙ্গবাসী। সকাল থেকেই অস্বস্তিকর গরমে হাঁসফাঁস করছে কলকাতা সহ- দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal Heatwave) একাধিক জেলা। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হতে পারে। এই আবহে বর্ষাতেও যদি কম বৃষ্টি হয়, তাহলে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যহত হবে।

     

  • Sona Pappu: সোনা পাপ্পু কাণ্ডে তোলপাড় বাংলা! কলকাতা থেকে কান্দি— একযোগে ইডির হানা

    Sona Pappu: সোনা পাপ্পু কাণ্ডে তোলপাড় বাংলা! কলকাতা থেকে কান্দি— একযোগে ইডির হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনা পাপ্পু মামলার তদন্তে আরও সক্রিয় হল ইডি। শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক এলাকায় শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, কসবা, চক্রবেড়িয়া এবং রয়েড স্ট্রিট-সহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় একযোগে অভিযান চালানো হচ্ছে। সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দারকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় যে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য হাতে এসেছে, তার ভিত্তিতেই এই তল্লাশি শুরু হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। একইসঙ্গে মুর্শিদাবাদের কান্দিতেও কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের প্রাসাদোপম বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। নিউটাউনের CRPF ক্যাম্প থেকেও অতিরিক্ত জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর।

    কলকাতার একাধিক জায়গায় ইডির তল্লাশি

    শুক্রবার সকাল থেকে পার্ক স্ট্রিট, বালিগঞ্জ প্লেস এবং ভবানীপুর-সহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে যায় ইডির একাধিক দল। ভবানীপুরের চক্রবেড়িয়ায় আশু বিশ্বাস রোডে প্রোমোটার অতুল কাঠারিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়েছে এলাকা। ইডি সূত্রে দাবি, অতুল কাঠারিয়ার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর আর্থিক যোগাযোগ ছিল এবং মামলার কালো টাকা তাঁর মাধ্যমে বিনিয়োগ করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অন্যদিকে, কসবার বালিগঞ্জ প্লেসের একটি বিলাসবহুল বাড়িতেও তল্লাশি চালায় ইডির আরেকটি দল। সেখানে কলকাতা পুলিশের এক সাব-ইন্সপেক্টরের বাড়িতে অভিযান ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ওই পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে এই চক্রের কোনও যোগসূত্র ছিল কি না। পাশাপাশি, মধ্য কলকাতার ৪ রয়েড স্ট্রিটে ‘The Corporate’ নামে একটি ক্যাফেটেরিয়া-কাম-হোটেলেও হানা দেয় ইডি। ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে তল্লাশি শুরু হয় এবং হোটেলের মালিককে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কেন এই অভিযান?

    সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতি ও বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে তদন্ত করছে ইডি। সংস্থার দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে একাধিক সংস্থার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার তথ্য। পাশাপাশি, সেই টাকা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছেও পৌঁছেছিল বলে সন্দেহ। তদন্তকারীদের অনুমান, ওই অর্থ বিভিন্ন সংস্থায় বিনিয়োগও করা হয়েছিল। এই সমস্ত তথ্যের সূত্র ধরেই শুরু হয়েছে নতুন করে তল্লাশি অভিযান। উল্লেখ্য, গত ১৮ মে বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুকে গ্রেফতার করে ইডি। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং গুণ্ডাগিরির মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে তাঁকে খুঁজছিল তদন্তকারীরা। একাধিকবার তলব করা হলেও দীর্ঘদিন অধরা ছিলেন তিনি। পরে নিজেই ইডি দফতরে হাজির হলে প্রায় ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    কান্দিতে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতেও হানা

    কলকাতার পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের কান্দিতেও অভিযান চালাচ্ছে ইডি। সোনা পাপ্পু মামলায় গ্রেফতার হওয়া কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের পৈত্রিক বাড়িতে তল্লাশি শুরু হয়েছে। কান্দি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ওই বাড়িতে বর্তমানে থাকেন তাঁর বোন তথা কান্দি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গৌরী সিনহা বিশ্বাস। তবে বাড়িতে পৌঁছে প্রথমে সমস্যার মুখে পড়েন তদন্তকারীরা। সদর দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় সঙ্গে সঙ্গে ঢোকা সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় থানার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তালা ভেঙে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেন ইডি আধিকারিকরা। প্রায় দু’ঘণ্টা অপেক্ষার পর শুরু হয় তল্লাশি। বাড়ির বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সোনা পাপ্পু মামলার জাল কতটা বিস্তৃত এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, কলকাতা ও কান্দিতে একযোগে চলা এই তল্লাশির পর তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।

  • Child Health: তীব্র গরম! এই আবহাওয়ায় শিশুদের কোন ভোগান্তি বাড়তে পারে?

    Child Health: তীব্র গরম! এই আবহাওয়ায় শিশুদের কোন ভোগান্তি বাড়তে পারে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের তীব্রতা বাড়ছে! বেলা বাড়তে তাপমাত্রার পারদ ৩৪ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যদিও রোদের তাপ যেন অনুভূতি দিচ্ছে পঞ্চাশ ডিগ্রি তাপমাত্রার! এই প্রচন্ড গরমে একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিশেষত শিশুদের নানান স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাই এই আবহাওয়ায় পরিবারের একরত্তি সদস্যের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কোন ধরনের স্বাস্থ্য সঙ্কটের আশঙ্কা করছেন?

    ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই তীব্র গরমে শিশুদের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুরা দীর্ঘ সময় একজায়গায় বসে থাকে না। তাদের স্বভাবজাত ভাবেই তারা ছোটাছুটি, লাফালাফি করে। এর ফলে তাদের ঘাম হয়। এই আবহাওয়ায় আদ্রতা আরও বেশি। স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি ঘাম হচ্ছে। শিশুদেরও অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছে। এর জেরে শরীর থেকে জল বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই শরীরে জলশূণ্যতা কিংবা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অত্যন্ত কম পরিমাণ প্রস্রাব হলে বা চোখ-মুখে শুকনো ভাব এলে, বাড়তি সতর্কতা জরুরি। শিশুর ডিহাইড্রেশনের সমস্যা প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে।

    হিট র‌্যাশের সমস্যা

    শিশুদের শরীরে হিট র‌্যাশের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বহু শিশুর ত্বকে এই গরমে লাল চাকা দাগ বা ফুসকুড়ি দেখা দিচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে, হাম বা অন্যকোনো ভাইরাসঘটিত অসুখ বলে সন্দেহ হলেও, পরীক্ষা করে বোঝা যাচ্ছে, অতিরিক্ত গরমের জেরেই ত্বকে এই ধরনের র ্যাশ তৈরি হচ্ছে। যা শিশুর ভোগান্তি বাড়াচ্ছে।

    হিট ফিভারে ভোগান্তি বাড়ছে!

    পাঁচ বছর বা তার কম বয়সী শিশুদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে উঠছে হিট ফিভার। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত গরমে শিশুর শরীরের তাপমাত্রা ভারসাম্য রাখতে পারছে না। এর ফলে, সেটাও গরম হয়ে উঠছে। তাই মনে হচ্ছে শিশুর জ্বর হয়েছে। কিন্তু সেটা ভাইরাস ঘটিত কোনো জ্বর নয়। গরমের জেরেই শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। একে হিট ফিভার বলা হয়।

    হজমের সমস্যা এবং বমি!

    অতিরিক্ত গরমের জেরে বমি, হজমের গোলমালের মতো সমস্যায় ভুগছে বহু শিশু। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় খাবার হজম করা মুশকিল হয়ে উঠছে। এর ফলে শিশুরা বমি বা পেটের সমস্যায় ভুগছে।

    শিশুকে সুস্থ রাখতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    • ১) শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় শিশুদের খাবারের দিকে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। তাঁদের পরামর্শ, স্বল্প পরিমানে বারবার শিশুদের জল খাওয়াতে হবে। ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমানো যায়, এমন ব্যবস্থার দিকে নজরদারি প্রয়োজন।
    • ২) তাঁদের পরামর্শ, জলের পাশপাশি নিয়মিত ডাবের জল, লেবুর সরবত খাওয়াতে হবে। এতে একদিকে শরীরে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমবে। আরেকদিকে ভিটামিন সি এবং অন্যান্যা ভিটামিন, খনিজ পদার্থের জোগান শরীর সহজেই পাবে। এর ফলে শরীরে ক্লান্তি গ্রাস করবে না। তাছাড়া শিশুর ত্বকের সমস্যা কমবে।
    • ৩) নিয়মিত এই আবহাওয়ায় শিশুদের খাবারের তালিকায় তরমুজ, শশার মতো রসালো ফল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে শরীর ঠান্ডা থাকবে। একাধিক সমস্যা কমবে।
    • ৪) গরম থেকে বাঁচাতে শিশুকে নিয়মিত টক দই খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন বয়স দুই বছরের বেশি হলে নিয়মিত টক দই খাওয়ানো যেতে পারে। এতে অন্ত্র ভালো থাকবে। হজমের গোলমাল এড়ানো যাবে। গরমের ভোগান্তি কমবে।
    • ৫) হালকা মাছের ঝোল, ডিম সিদ্ধ, হালকা সব্জি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সহজ পাচ্য খাবার খাওয়ালে শিশুদের বমি, পেটের সমস্যা সহজেই এড়ানো যাবে।
    • ৬) হিট ফিভারের মোকাবিলা করার জন্য নিয়মিত ভালোভাবে স্নান করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুকে নিয়মিত ভালোভাবে স্নান করাতে হবে। শিশুকে নিয়ে বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। সকালে কিংবা সন্ধ্যায় খেলাধুলা করলেও দুপুরে শিশু যাতে অতিরিক্ত দৌড়াদৌড়ি না করে সেদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Daily Horoscope 22 May 2026: কাজের চাপ বাড়লেও সফল হবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 22 May 2026: কাজের চাপ বাড়লেও সফল হবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১. আজ কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২. পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে।
    ৩. অর্থ ব্যয়ে একটু সতর্ক থাকুন।

    বৃষ

    ১. পুরনো কাজের ভালো ফল মিলতে পারে।
    ২. বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।
    ৩. মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।

    মিথুন

    ১. কাজের চাপ বাড়লেও সফল হবেন।
    ২. নতুন পরিচয় লাভজনক হতে পারে।
    ৩. ভ্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    কর্কট

    ১. পরিবারের তরফে সুখবর আসতে পারে।
    ২. অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হবে।
    ৩. স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন।

    সিংহ

    ১. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।
    ২. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সাফল্য মিলবে।
    ৩. রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    কন্যা

    ১. কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন।
    ২. শিক্ষার্থীদের জন্য শুভ দিন।
    ৩. পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে।

    তুলা

    ১. খরচ কিছুটা বাড়তে পারে।
    ২. প্রেমের সম্পর্কে সুখ থাকবে।
    ৩. পরিবারের সমর্থন পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১. নতুন পরিকল্পনায় সাফল্য আসবে।
    ২. প্রতিযোগিতায় জয় লাভ করবেন।
    ৩. আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ধনু

    ১. শুভ সংবাদ পেতে পারেন।
    ২. ভ্রমণের যোগ রয়েছে।
    ৩. ধর্মীয় কাজে মন বসবে।

    মকর

    ১. কাজের চাপ বাড়বে।
    ২. অর্থনৈতিক দিক শক্তিশালী থাকবে।
    ৩. পরিবারের সঙ্গে ভালো সময় কাটবে।

    কুম্ভ

    ১. নতুন কাজে লাভ হতে পারে।
    ২. বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দে সময় কাটবে।
    ৩. শরীরের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

    মীন

    ১. আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
    ২. ধৈর্য ধরলে কর্মক্ষেত্রে লাভ হবে।
    ৩. সন্ধ্যার পর সুখবর মিলতে পারে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 652: “দুই নৌকায় পা দিয়ে কি হবে, কাজ সেরে আসাই ভাল…যিনি কালী ঠিক চিনেছেন, তাঁকে দর্শন করলেই হবে”

    Ramakrishna 652: “দুই নৌকায় পা দিয়ে কি হবে, কাজ সেরে আসাই ভাল…যিনি কালী ঠিক চিনেছেন, তাঁকে দর্শন করলেই হবে”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১৩ই এপ্রিল

    ঈশ্বরকোটির কি কর্মফল, প্রারব্ধ আছে? যোগবাশিষ্ঠ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সঙ্কেত করিয়া বলিতেছেন, “বেশ মা মা বলছে!”

    ব্রাহ্মণীর ছেলেমান্‌সের স্বভাব। ঠাকুর হাসিয়া রাখালকে ইঙ্গিত করিতেছেন, “ওকে গান গাইতে বল না।” ব্রাহ্মণী গান গাইতেছেন। ভক্তেরা হাসিতেছেন (Kathamrita)।

    ‘হরি খেলব আজ তোমার সনে,
    একলা পেয়েছি তোমায় নিধুবনে।’

    মেয়েরা উপরের ঘর হইতে নিচে চলিয়া গেলেন।

    বৈকাল বেলা। ঠাকুরের কাছে মণি ও দু-একটি ভক্ত বসিয়া আছেন। নরেন্দ্র ঘরে প্রবেশ করিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ঠিকই বলেন, নরেন্দ্র যেন খাপখোলা তলোয়ার লইয়া বেড়াইতেছেন।

    সন্ন্যাসির কঠিন নিয়ম ও নরেন্দ্র

    নরেন্দ্র আসিয়া ঠাকুরের কাছে বসিলেন। ঠাকুরকে শুনাইয়া নরেন্দ্র মেয়েদের সম্বন্ধে যৎপরোনাস্তি বিরক্তিভাব প্রকাশ করিতেছেন। মেয়েদের সঙ্গ ঈশ্বরলাভের ভয়ানক বিঘ্ন, — বলিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কোন কথা কহিতেছেন না, সকলি শুনিতেছেন।

    নরেন্দ্র আবার বলিতেছেন, আমি চাই শান্তি, আমি ইশ্বর পর্যন্ত চাই না। শ্রীরামকৃষ্ণ নরেন্দ্রকে একদৃষ্টে দেখিতেছেন। মুখে কোন কথা নাই। নরেন্দ্র মাঝে মাঝে সুর করিয়া বলিতেছেন — সত্যং জ্ঞানমনন্তম্‌।

    রাত্রি আটটা। ঠাকুর শয্যাতে বসিয়া আছেন, দু-একটি ভক্তও সম্মুখে বসিয়া। সুরেন্দ্র আফিসের কার্য সারিয়া ঠাকুরকে দেখিতে আসিয়াছেন, হস্তে চারিটি কমলালেবু ও দুইছড়া ফুলের মালা। সুরেন্দ্র ভক্তদের দিকে এক-একবার ও ঠাকুরের দিকে এক-একবার তাকাইতেছেন; আর হৃদয়ের কথা সমস্ত বলিতেছেন (Kathamrita)।

    সুরেন্দ্র (মণি প্রভৃতির দিকে তাকাইয়া) — আফিসের কাজ সব সেরে এলাম। ভাবলাম, দুই নৌকায় পা দিয়ে কি হবে, কাজ সেরে আসাই ভাল। আজ ১লা বৈশাখ, আবার মঙ্গলবার; কালীঘাটে যাওয়া হল না। ভাবলাম যিনি কালী — যিনি কালী ঠিক চিনেছেন, তাঁকে দর্শন করলেই হবে।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ঈষৎ হাস্য করিতেছেন।

    সুরেন্দ্র — গুরুদর্শনে, সাধুদর্শনে শুনেছি ফুল-ফল নিয়ে আসতে হয়। তাই এগুলি আনলাম। আপনার জন্যে টাকা খরচ, তা ভগবান মন দেখেন। কেউ একটি পয়সা দিতে কাতর, আবার কেউ বা হাজার টাকা খরচ করতে কিছুই বোধ করে না। ভগবান মনের ভক্তি দেখেন তবে গ্রহণ করেন।

    ঠাকুর মাথা নাড়িয়া সঙ্কেত করিয়া বলিতেছেন (Kathamrita) , “তুমি ঠিক বলছ।” সুরেন্দ্র আবার বলিতেছেন, “কাল আসতে পারি নাই, সংক্রান্তি। আপনার ছবিকে ফুল দিয়ে সাজালুম।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মণিকে সঙ্কেত করিয়া বলিতেছেন, “আহা কি ভক্তি!”

    সুরেন্দ্র — আসছিলাম, এই দুগাছা মালা আনলাম, চার আনা দাম।

    ভক্তেরা প্রায় সকলেই চলিয়া গেলেন। ঠাকুর মণিকে পায়ে হাত বুলাইয়া দিতে বলিতেছেন ও হাওয়া করিতে বলিতেছেন।

LinkedIn
Share