Tag: bangla news

bangla news

  • Modi Rubio Meeting: ভারত ও আমেরিকা কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা, মোদিকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ রুবিওর

    Modi Rubio Meeting: ভারত ও আমেরিকা কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা, মোদিকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ রুবিওর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কটের আবহে চার দিনের ভারত সফরে এসেছেন আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিও (Modi Rubio Meeting)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তরফে হোয়াইট হাউসে যাওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন তিনি। শনিবার কলকাতা (Marco Rubio in India) থেকে ভারত সফর শুরু করলেন রুবিও। এদিন দুপুরে দিল্লি পৌঁছোন তিনি। রাজধানীতে নেমে সেবাতীর্থে মোদির সঙ্গে বৈঠকে বসেন রুবিও। এক ঘণ্টার বেশি বৈঠক হয় দুই রাষ্ট্রনেতার। বৈঠক শেষে এক্স পোস্ট করে মোদি জানান কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে রুবিওর সঙ্গে।

    কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা

    রুবিওর সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্স পোস্টে লেখেন, ‘‘আমরা ভারত ও আমেরিকার কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা করেছি। শুধু তা-ই নয়, আলোচনায় উঠে এসেছে বৈশ্বিক এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলিও।’’রুবিওর এই সফরকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে বর্ণনা করেছেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। তিনি জানান, এই সফর কোনও সম্পর্ক মেরামতের উদ্দেশ্যে নয়। বরং দুই বিশ্বস্ত অংশীদারের মধ্যে যোগাযোগের প্রতিফলন। তিনি এ-ও জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছেন। আসন্ন কোয়াড সম্মেলন নিয়েও আশাবাদী সার্জিও। তিনি জানান, ওই সম্মেলনে অনেক কিছু আলোচনার আছে। আশা করা যায়, ইতিবাচক ফলাফল বেরোবে। প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘দূরদৃষ্টির’ প্রশংসাও করেছেন সার্জিও।

    গত ১৪ বছরে এই প্রথম কলকাতায়

    শনিবার সকালে সস্ত্রীক কলকাতায় এসে পৌঁছোন রুবিও (Marco Rubio in India)। গত ১৪ বছরে এই প্রথম আমেরিকার কোনও বিদেশসচিব পশ্চিমবঙ্গে এলেন। শেষ বার কলকাতায় মার্কিন বিদেশসচিব হিসাবে এসেছিলেন হিলারি ক্লিন্টন। ২০১২ সালে এই মে মাসেই তিনি কলকাতায় পা রাখেন। কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা চলে যান তালতলার মাদার হাউসে। সেখানে ঘণ্টাখানেক থাকার পর রুবিও যান নির্মলা শিশুভবনে। এর পর কলকাতা থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন রুবিও। আগামী ২৬ মে পর্যন্ত রুবিও ভারতে থাকবেন। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, দিল্লি ছাড়াও তাঁর আগরা, জয়পুরে যাওয়ার কথা রয়েছে। চলতি মাসেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদল ঘটে গিয়েছে। প্রথম বার এ রাজ্যে সরকার গঠন করেছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি। তার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আমেরিকার বিদেশসচিবের এই কলকাতা সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

    কোয়াড বৈঠকে অংশ

    শুধু কলকাতা নয়, পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কটের আবহে রুবিওর ভারত সফরের কূটনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। ভারত বরাবর আলোচনার মাধ্যমে পশ্চিম এশিয়ায় সমস্যার সমাধান এবং শান্তি স্থাপনের পক্ষে কথা বলেছে। হরমুজ প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি বলেও বার বার দাবি জানিয়েছে নয়াদিল্লি। উল্লেখ্য, ভারত সফরের শেষ দিনে অর্থাৎ, ২৬ মে কোয়াডের বৈঠকে যোগ দেবেন রুবিও। তাঁর ভারত সফরে আসার অন্যতম উদ্দেশ্য ওই বৈঠক। কোয়াডের সদস্য দেশ অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং, জাপানের বিদেশমন্ত্রী মোটেগি তোশিমিৎসুর সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও সেই বৈঠকে থাকবেন।

  • CM Suvendu Adhikari: রাজ্যে চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প, কারা পাবেন সুবিধা?

    CM Suvendu Adhikari: রাজ্যে চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প, কারা পাবেন সুবিধা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আগের সরকার কেন্দ্রের সঙ্গে সহযোগিতা তো করেইনি, উল্টে বিরোধিতাই করেছে। যার ফলে কোটি কোটি মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন।’’ শনিবার নবান্নে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে এমনই অভিযোগ করলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, এবার রাজ্যের স্বাস্থ্যক্ষেত্রের জন্য আলাদা রোডম্যাপ তৈরি করছে রাজ্য সরকার।

    স্বাস্থ্যক্ষেত্রের জন্য আলাদা রোডম্যাপ (CM Suvendu Adhikari)

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন (Ayushman Bharat)। পরে নবান্নে করেন সাংবাদিক বৈঠক। সেখানেই ঘোষণা করা হয় স্বাস্থ্যক্ষেত্রের জন্য আলাদা রোডম্যাপ তৈরির কথা। রাজ্যের ৬ কোটি মানুষ তৃণমূল পরিচালিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেতেন। তাঁদের এবার কেন্দ্রের আয়ুষ্মান প্রকল্পের আওতাভুক্ত করা হচ্ছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। নতুন করেও আবেদন করা যাবে।  নবান্নের এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল এবং প্রধান উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত। তাঁদের পাশে বসিয়েই মুখ্যমন্ত্রী প্রথমেই আক্রমণ শানান পূর্বতন রাজ্য সরকারকে। তিনি জানান, যে সুবিধা (আয়ুষ্মান ভারত) অন্যান্য রাজ্য পেয়েছে, সেগুলি পশ্চিমবঙ্গ পায়নি। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর নতুন সরকার ভারত সরকারের স্বাস্থ্যক্ষেত্রের বিভিন্ন প্রকল্প রিভিউ করেছে। সেই মতো বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছে। পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের হেল্থ‌‌ সেক্টরে আমরা একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনছি।”

    কবে মিলবে আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড?

    রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী জানান, যাঁরা নতুন করে আয়ুষ্মান ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে চান এবং স্বাস্থ্যসাথীর সঙ্গে এত দিন যুক্ত হননি, এমন নাগরিকও চাইলে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা জুন মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দিল্লিতে আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের চুক্তি সই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেখানে পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারত সরকারের মন্ত্রী, আধিকারিকদের উপস্থিতিতে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটা করব। পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১ কোটি মানুষ, যাঁরা ভিন রাজ্যে রয়েছেন, তাঁরাও স্বাস্থ্যক্ষেত্রের এই সুবিধা পাবেন।’’ সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার রোধে ভ্যাকসিন দেওয়াও শুরু হবে রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশব্যাপী এই সুবিধা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে সাত লাখেরও বেশি ডোজ় দিতে চায় ভারত সরকার। শুভেন্দু বলেন, ‘‘১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সী বালিকাদের এই ডোজ় দিতে পারি আমরা। ৩০ মে থেকে দেওয়া হবে। বিধানগর সাব-ডিভিশন হাসপাতালে সেদিন আমি নিজে উপস্থিত থেকে এই প্রকল্প শুরু করব। ওই দিন থেকেই রাজ্যে শুরু হয়ে যাবে টিবি-মুক্ত ভারতের ওয়ার্কশপও (CM Suvendu Adhikari)।’’

    শিশুমৃত্যুর হার নিয়ে উদ্বেগ

    রাজ্যে শিশুমৃত্যুর হার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, আগের সরকার ঠিকঠাক মনিটরিং করেনি। তিনি বলেন, ‘‘পাঁচ বছরের নীচে মৃত্যুহার এরাজ্যে অনেক বেশি। কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম মালদা জেলাগুলির রিপোর্ট উদ্বেগজনক।’’ এমন আরও কয়েকটি রিপোর্টও দেন শুভেন্দু। পরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আজ (Ayushman Bharat) খুশির খবর দিচ্ছি। এই অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ভারত সরকার ২১০৩ কোটি আমাদের জন্য বরাদ্দ করেছে। আজ তার এক চতুর্থাংশ ট্রান্সফারও করে দিয়েছে।’’ রাজ্যে আরও প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি কেন্দ্র তৈরির ঘোষণাও করেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, রাজ্যে চারশোরও বেশি প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি কেন্দ্র তৈরি করা হবে। এতে সাধারণ মানুষের অনেকটা আর্থিক সাশ্রয় হবে। দুরারোগ্য অসুখের ওষুধে ৮০ শতাংশ ছাড় মিলবে। এমন ৪৬৯টি কেন্দ্র তৈরি হলে ১০ গুণ সুবিধা পাওয়া যাবে। তিনি জানান, ২০০০ টাকার ওষুধ ২০০ টাকায় পাওয়া যাবে। প্রত্যেক জেলায় যাতে মেডিকেল কলেজ থাকে, সেই জন্যও পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বর্তমানে চারটি প্রশাসনিক জেলায় মেডিকেল কলেজ নেই। শুভেন্দু বলেন, ‘‘স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে। এর সুফল কিছু দিনের মধ্যেই পেতে শুরু করবেন রাজ্যবাসী। চারটি প্রশাসনিক জেলা— আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, আসানসোল এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে মেডিকেল কলেজ হয়নি। সেজন্য প্রয়োজনীয় জমি ইত্যাদির প্রস্তাবও পাঠানো হবে কেন্দ্রকে। উত্তরবঙ্গে এমস তৈরির জন্যও পদক্ষেপ করা হবে (CM Suvendu Adhikari)।’’

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

    রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কবে থেকে চালু হবে, কারাই বা এর সুবিধা পাবেন, কিংবা আদৌ চালু হবে কিনা, তা নিয়ে একটা দোলাচল ছিল বঙ্গবাসীর মনে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের উপভোক্তারা আদৌ কেন্দ্রের এই প্রকল্পটির সুবিধা পাবেন কিনা, তা নিয়েও সংশয় ছিল। এদিন সেই সংশয়ের অবসান ঘটল তখন, যখন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, এই মুহূর্তে যাঁরা পূর্বতন সরকারের স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা পান, তাঁরা এখন থেকে সরাসরি আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন। জুলাই থেকেই আয়ুষ্মান ভারত কার্ড মিলবে। পরে এই প্রকল্প আরও বড় আকারে চালু করা হবে। তিনি জানান, এই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৯৭৬ কোটি টাকা (CM Suvendu Adhikari)।

    স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে বিস্তর অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে মমতার শাসনে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। কেন্দ্রের ওই প্রকল্প থেকে রাজ্যের বাসিন্দাদের বঞ্চিত করে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পে রাজ্যের সব পরিবারের মহিলাদের নামে এই কার্ড দেওয়া হয়। কার্ডটি ব্যবহার করে চিকিৎসা ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সুবিধা পান উপভোক্তারা। যদিও সেই কার্ড নিয়ে বিস্তর অভিযোগ রাজ্যবাসীর (Ayushman Bharat)। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগের সরকারের আমলে কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্যে কোনও সম্পর্ক ছিল না। স্বাস্থ্যের মতো যৌথ ক্ষেত্রেও আমলা বা আধিকারিকদের মধ্যে কথাবার্তা, চিঠিপত্র চালাচালিও হয়নি। এবার সেসব অতীত (CM Suvendu Adhikari)।

     

  • PM Modi: “ভারতের যুবসমাজ বিকশিত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে”, রোজগার মেলায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতের যুবসমাজ বিকশিত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে”, রোজগার মেলায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ১৯তম রোজগার মেলায় (Rozgar Mela) বিভিন্ন সরকারি দফতর ও সংস্থায় নবনিযুক্ত ৫১ হাজারেরও বেশি প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সমাবেশে বক্তব্যও রাখেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতের যুবসমাজ বিকশিত ভারতের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রোজগার মেলা যুবশক্তিকে নতুন সুযোগের মাধ্যমে ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে আমাদের সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    ভারতের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে, ইউএই এবং ইতালিতে তাঁর সাম্প্রতিক সফর সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সবুজ প্রযুক্তি এবং উন্নত উৎপাদন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতীয় যুবকদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করবে। তিনি বলেন, “নেদারল্যান্ডসে আমার সাম্প্রতিক সফরের সময় সেমিকন্ডাক্টর, জল ব্যবস্থাপনা, কৃষি এবং উন্নত উৎপাদন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সুইডেনে এআই ও ডিজিটাল উদ্ভাবনে সহযোগিতা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। নরওয়ে এবং ভারতের মধ্যে সবুজ প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, আর ইউএই-এর সঙ্গে কৌশলগত, জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

    সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের প্রসঙ্গ

    তিনি আরও জানান, ভারত ও ইতালির মধ্যে প্রতিরক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে চুক্তি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সমস্ত চুক্তি সরাসরি ভারতের যুবসমাজকে উপকৃত করবে।” সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের উদাহরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ডাচ সেমিকন্ডাক্টর যন্ত্র নির্মাতা এএসএমএল (ASML) এবং টাটা গ্রুপের (Tata Group) অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করেন। তিনি (PM Modi) বলেন, “ভারত বিশ্বের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সাপ্লাই চেইন অংশীদার হয়ে উঠছে। এএসএমএল ও টাটার এই চুক্তি একটি বিরল অংশীদারিত্ব, যা অসংখ্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে এবং ভারতের জন্য পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তির দরজা খুলে দেবে।”

    ১২ লাখ নিয়োগপত্র বিলি

    তিনি জানান, সুইডেন ও ইউএই-এর সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, বিশেষ করে এআই এবং সুপারকম্পিউটিং ক্ষেত্রে, ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং তরুণ পেশাজীবীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। সরকার জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর যে গুরুত্ব দিয়েছেন, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রোজগার মেলা উদ্যোগের লক্ষ্য হল দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এই উদ্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশজুড়ে আয়োজিত ১৮টি রোজগার মেলার মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ নিয়োগপত্র বিলি করা হয়েছে (PM Modi)। ১৯তম রোজগার মেলা (Rozgar Mela) দেশের ৪৭টি জায়গায় অনুষ্ঠিত হয়। নবনিযুক্ত প্রার্থীরা ভারতের বিভিন্ন মন্ত্রক ও বিভাগে যোগ দেবেন, যার মধ্যে রয়েছে রেলমন্ত্রক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক, আর্থিক পরিষেবা বিভাগ এবং উচ্চশিক্ষা বিভাগ ইত্যাদি।

     

  • Yuva Bharati Krirangan: ক্রীড়ামন্ত্রীর নির্দেশের পরই সরল যুবভারতীর সামনের সেই ‘বিদঘুটে’ মূর্তি

    Yuva Bharati Krirangan: ক্রীড়ামন্ত্রীর নির্দেশের পরই সরল যুবভারতীর সামনের সেই ‘বিদঘুটে’ মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী স্টেডিয়ামের (Yuva Bharati Krirangan ) সামনে থেকে সরিয়ে ফেলা হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনা এবং নকশায় তৈরি মূর্তি। ২০১৭ সালে যুব বিশ্বকাপের সময় ‘বিদঘুটে’ এই বিতর্কিত মূর্তিটি বসানো হয়। আইএসএলের ডার্বি দেখতে গিয়ে মূর্তিটি সরিয়ে ফেলার কথা বলেছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। কাজ শুরু হতে বেশি দেরি হল না। শনিবার সকালে নির্দেশমতো সেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। ওই মূর্তিতে কোমর থেকে পা পর্যন্ত শরীরের উপর পৃথিবী এবং তার উপর বিশ্ববাংলার লোগো ছিল। দু’পায়ে ছিল দু’টি ফুটবল। প্রথম থেকেই এই মূর্তি নিয়ে নানা প্রশ্ন ছিল। পায়ের বলে লেখা ‘জয়ী’।

    শুরু থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রে ওই মূর্তি

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই মূর্তির নকশা তৈরি করেছিলেন। ‘অনর্থক’ এই মূর্তি তৈরির পর থেকেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। ওই মূর্তিটির যে কী অর্থ, তা বাংলার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে পরিষ্কার ছিল না। রাজ্যে পালাবদলের পর ১৭ মে যুবভারতীতে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল ডার্বি দেখতে গিয়েছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিশীথ বলেছিলেন, “এরকম অদ্ভূত বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল । আমার তো মনে হয় এই মূর্তি লাগানোর পর থেকেই আগের সরকারের খারাপ দিন আসা শুরু হয়ে গিয়েছে। তারপর মেসি কাণ্ড হল, সরকার চলে গেল।” তখনই জানিয়ে দিয়েছিলেন পূর্ত দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে মূর্তিটা ভেঙে দেওয়া হবে।

    বসানো হবে কোনও ফুটবলারের মূর্তি

    মন্ত্রীর ইঙ্গিত মতোই শুক্রবার মধ্যরাতে সরিয়ে ফেলে হয়েছে মূর্তিটি। তবে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলা হয়নি। মূর্তির দু’পায়ের মোজার উপরের অংশ কেটে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও এক জোড়া মোজা এবং জুতোর সঙ্গে দু’টি বল থেকে গিয়েছে। বাকি অংশটিও সম্ভবত সরিয়ে দেওয়া হবে। সেই স্থানে কোনও ফুটবলারের মূর্তি বসানো হতে পারে বলে চর্চা চলছে। ডার্বির রাতেই নিশীথ বলেছিলেন, “আমরা এমন একটা মূর্তি যার কোনও অর্থ নেই, আমরা সেটা পরিবর্তন করব। এর বদলে বিখ্যাত কোনও ফুটবলারের মূর্তি বসানো হবে।”

     

  • Kolkata Airport: রাজ্যে পালাবদল হতেই সরতে চলেছে কলকাতা বিমানবন্দরের ভেতরে থাকা মসজিদ?  প্রশাসনিক উদ্যোগ শুরু

    Kolkata Airport: রাজ্যে পালাবদল হতেই সরতে চলেছে কলকাতা বিমানবন্দরের ভেতরে থাকা মসজিদ? প্রশাসনিক উদ্যোগ শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের জোরদার হল কলকাতা বিমানবন্দরের সেকেন্ডারি রানওয়ের পাশে অবস্থিত ১৩৬ বছরের পুরনো গৌরিপুর জামে মসজিদ বা ‘বাঁকড়া মসজিদ’ সরানোর উদ্যোগ। প্রায় তিন দশক ধরে বিতর্কে থাকা এই মসজিদকে ঘিরে এবার প্রশাসনিক তৎপরতা নতুন মাত্রা পেল। মঙ্গলবার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা মসজিদ পরিদর্শন করেন। পরদিন উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসকের দফতরে বৈঠকে বসেন প্রশাসন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং মসজিদ কমিটির প্রতিনিধিরা।

    বিমানবন্দর সূত্রে খবর, বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা, উড়ান পরিচালনা এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামোগত সম্প্রসারণের স্বার্থেই মসজিদ স্থানান্তরের প্রয়োজনীয়তার কথা বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে। তবে মসজিদ কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি শুধুমাত্র স্থানীয় কমিটির সিদ্ধান্তে সম্ভব নয়। তারা এই বিষয়ে দারুল উলুম দেওবন্দ, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড এবং জমিয়তে উলেমা-ই-হিন্দের মতো সংগঠনের মতামতের উপর নির্ভর করতে চায়। কলকাতা বিমানবন্দরের অধিকর্তা বিক্রম সিং বলেন, “বিমানবন্দরের ভিতরে এই মসজিদের উপস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যা তৈরি করছে। উড়ান পরিচালনায় একাধিক সীমাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বুধবারও এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।”

    রানওয়ের একেবারে কাছে মসজিদ

    ১৩৬ বছরের পুরনো এই মসজিদটি এখন বিমানবন্দরের অপারেশনাল এলাকার গভীরে অবস্থিত। সেকেন্ডারি রানওয়ে থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১৬৫ মিটার। অথচ আন্তর্জাতিক বিমান নিরাপত্তা বিধি অনুযায়ী, রানওয়ের কাছাকাছি স্থায়ী নির্মাণের ন্যূনতম দূরত্ব হওয়া উচিত ২৪০ মিটার। মসজিদটি বিমানবন্দরের বাউন্ডারি ওয়ালেরও প্রায় ১৫০ মিটার ভিতরে অবস্থিত।

    বিমানবন্দর আধিকারিকদের দাবি, মসজিদের কারণে সেকেন্ডারি রানওয়ের টাচডাউন পয়েন্ট ৮৮ মিটার দক্ষিণে সরিয়ে দিতে হয়েছে। এর ফলে রানওয়ের কার্যকর দৈর্ঘ্য কমে গিয়ে বর্তমানে তা মূলত এয়ারবাস এ৩২০ বা বোয়িং ৭৩৭-এর মতো ন্যারো-বডি বিমান পরিচালনার উপযোগী থাকলেও বোয়িং ৭৮৭ বা এয়ারবাস এ৩৩০-এর মতো ওয়াইড-বডি বিমান ওঠানামায় সমস্যা হচ্ছে। এক আধিকারিকের কথায়, “জরুরি অবতরণের ক্ষেত্রেও এটি সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে।”

    শীতকালে বাড়ছে সমস্যা

    বিমানবন্দর সূত্রে আরও জানা গেছে, কলকাতার ৩,৬৩৩ মিটার দীর্ঘ প্রধান রানওয়েতে অত্যাধুনিক ইনস্ট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম (ILS) রয়েছে, যার ফলে ঘন কুয়াশাতেও বিমান ওঠানামা সম্ভব হয়। কিন্তু সেকেন্ডারি রানওয়েতে সেই ব্যবস্থা বসানো যাচ্ছে না মূলত মসজিদের অবস্থানের কারণে। ফলে শীতকালে যখন মূল রানওয়ে ব্যবহারযোগ্য থাকে না, তখন বিমান পরিচালনায় বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়।

    আগে কেন হয়নি সমাধান?

    এই মসজিদ সরানোর চেষ্টা নতুন নয়। অতীতে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক একাধিকবার উদ্যোগ নিলেও রাজ্যের তৎকালীন সরকারগুলি— জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)— বিষয়টি এগোতে দেয়নি বলে বিমানবন্দর সূত্রের দাবি। এখন কেন্দ্রে ও রাজ্যে বিজেপি সরকার থাকায় প্রশাসনের একাংশ আশাবাদী যে এবার সমাধানের রাস্তা খুলতে পারে। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সম্প্রতি বিমানবন্দরের অপারেশনাল এলাকার ভিতরে মসজিদের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এবং স্থানান্তরের পক্ষে মত দিয়েছিলেন।

    কী বলছে মসজিদ কমিটি?

    মসজিদ কমিটির সদস্য আবুল কালাম জানিয়েছেন, “শুধুমাত্র বাঁকড়ার স্থানীয় মানুষজন এখানে নামাজ পড়তে আসেন। বাইরে থেকে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয় না। আমরা সবসময় প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করেছি। তল্লাশি, পরিচয়পত্র দেখানো— সব নিয়ম মেনেই চলি। কিন্তু মসজিদ সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া আমাদের একার পক্ষে সম্ভব নয়।” বর্তমানে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ১০ থেকে ২৫ জন পর্যন্ত ভক্ত আসেন। শুক্রবার জুমার নামাজে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৮০ হয়। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বাহিনী সিআইএসএফ যশোর রোডের গেট থেকে তাঁদের তল্লাশি করে বাসে করে মসজিদে নিয়ে যায় এবং পরে ফেরত পাঠায়।

    ধর্মীয় আবেগ বনাম বিমান নিরাপত্তা

    এই বিতর্কে একদিকে যেমন রয়েছে বহু পুরনো ধর্মীয় স্থাপনার আবেগ, অন্যদিকে তেমনই রয়েছে দেশের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের প্রশ্ন। প্রশাসন এখন আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র খুঁজতে চাইছে। তবে মুসলিম সংগঠনগুলির অবস্থান এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর থাকবে।

  • One Nation One Election: ৭ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা! ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ প্রস্তাবের পক্ষে যৌথ সংসদীয় কমিটি

    One Nation One Election: ৭ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা! ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ প্রস্তাবের পক্ষে যৌথ সংসদীয় কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে একসঙ্গে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন চালু হলে প্রায় ৭ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় হতে পারে। এর ফলে দেশের জিডিপি ১.৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে দাবি করলেন যৌথ সংসদীয় কমিটির (জেপিসি) চেয়ারম্যান পিপি চৌধুরী। সম্প্রতি, গান্ধীনগরে গুজরাট সরকারের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ (One Nation One Election) প্রস্তাবের পক্ষে এই বক্তব্য রাখেন। লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের সমকালীন আয়োজন নিয়ে গঠিত ৪১ সদস্যের সংসদীয় কমিটি বর্তমানে সংবিধানের ১২৯তম সংশোধনী বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল খতিয়ে দেখছে। গুজরাট সফরের তৃতীয় দিনে কমিটির সদস্যরা মুখ্যসচিব এম কে দাস, বিভিন্ন দফতরের সচিব এবং বিজেপি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

    জিডিপি ১.৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি

    বৈঠকের পর পিপি চৌধুরী জানান, গুজরাট সরকার এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে মতামত দিয়েছে, যা আগে বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়নি। তিনি বলেন, “আমরা রাজ্য সরকারকে একটি বিস্তৃত রিপোর্ট তৈরির নির্দেশ দিয়েছি, যা ভবিষ্যতে অন্য রাজ্যগুলির জন্যও আদর্শ মডেল হতে পারে।” চৌধুরীর মতে, ওই রিপোর্টে শিল্প, শ্রমিকদের স্থানান্তর, কর্মসংস্থান, জিএসটি সংগ্রহ, পর্যটন, শিক্ষা এবং সামগ্রিক অর্থনীতির উপর একসঙ্গে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, “অর্থনীতিবিদদের মতে, একযোগে নির্বাচন হলে দেশের জিডিপি ১.৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। পাশাপাশি প্রায় ৭ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। সেই অর্থ পরিকাঠামো উন্নয়ন, দরিদ্রকল্যাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা যেতে পারে।”

    নির্বাচনী সংস্কার দেশের উপকারে আসা উচিত

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র ভাবনার প্রসঙ্গ তুলে জেপিসি চেয়ারম্যান বলেন, “নির্বাচনী সংস্কার দেশের উপকারে আসা উচিত— এটাই প্রধানমন্ত্রী মোদির লক্ষ্য। সেই কারণেই প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটিও একসঙ্গে নির্বাচন করার সুপারিশ করেছে।” তিনি দাবি করেন, সাংবিধানিক কাঠামো বা ফেডারেল ব্যবস্থার উপর এর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলেই মত দিয়েছেন দেশের ছয়জন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। চৌধুরীর কথায়, “তাঁরা জানিয়েছেন, এতে মৌলিক অধিকার, ফেডারেল স্ট্রাকচার বা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর কোনও লঙ্ঘন হবে না।”

    ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ প্রস্তাবকে সমর্থন

    চৌধুরী আরও জানান, কোবিন্দ কমিটির প্রায় ১৮ হাজার পাতার রিপোর্ট সরকার গ্রহণ করেছে। ওই রিপোর্টে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের পাশাপাশি ১০০ দিনের মধ্যে পঞ্চায়েত ও পুরসভার নির্বাচন আয়োজনেরও সুপারিশ করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “বারবার নির্বাচনের চক্র কমলে সরকার উন্নয়ন, দারিদ্র দূরীকরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রশাসনিক কাজে আরও বেশি সময় ও সম্পদ ব্যয় করতে পারবে।” এর আগে আমেদাবাদে পৌঁছে তিনি বলেন, আইন কমিশন, নীতি আয়োগ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের নিয়ে গঠিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিও ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছে। এই বিষয়ে মতামত সংগ্রহের জন্য জেপিসি ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও কর্নাটক সফর করেছে। চৌধুরী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য সব পক্ষের মতামত শোনা এবং সর্বসম্মত অবস্থান তৈরির চেষ্টা করা।”

  • CM Suvendu Adhikari: “নিয়োগ দুর্নীতির জন্য পশ্চিমবঙ্গের অনেক বদনাম হয়েছে”, তৃণমূল সরকারকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: “নিয়োগ দুর্নীতির জন্য পশ্চিমবঙ্গের অনেক বদনাম হয়েছে”, তৃণমূল সরকারকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নিয়োগ দুর্নীতির কারণে পশ্চিমবঙ্গের অনেক বদনাম হয়ে গিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, এ রাজ্যের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয়েছে। তাই আগামী দিনে এই ভাবমূর্তি থেকে রাজ্যকে বের করে আনতে হবে।” শনিবার শিয়ালদায় রোজগার মেলার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ক্ষমতায় আসার পরে তা এক এক করে পূরণ করার কাজ শুরু করে দিয়েছে পদ্ম-সরকার। এবার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিয়েও যে রাজ্যের বিজেপি-সরকার বড় ধরনের চিন্তাভাবনা শুরু (Rojgar Mela) করেছে, শনিবারের রোজগার মেলার মঞ্চে তাও জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তৃণমূল সরকারের সমালোচনা মুখ্যমন্ত্রীর (CM Suvendu Adhikari) 

    দুর্নীতি নিয়ে পূর্বতন সরকারের সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ নিয়ে অনেক বদনাম হয়েছে। শিক্ষা থেকে পুর নিয়োগ দুর্নীতি, হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ, ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।” এরপরেই নিয়োগে স্বচ্ছতার ওপর জোর দিতে সংস্কারের কথা বলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রেল, আধাসামরিক বাহিনী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়োগে কেন্দ্রীয় সরকার যে উদ্যোগী হয়েছে, কেন্দ্রের দেখানো সেই পথেই পশ্চিমবঙ্গে হাঁটবে ডবল ইঞ্জিন সরকার। রাজ্যে যে লিখিত পরীক্ষা হয়, সেই পরীক্ষার ওএমআরের কার্বন কপি প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে দেওয়া উচিত বলেই মনে করেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী।

    কমছে ভাইবা পরীক্ষার নম্বর!

    তিনি বলেন, ‘‘আমাদের উদ্দেশ্য থাকবে ওএমআরের কার্বন কপি পরীক্ষার্থীদের দেওয়া।’’ শুভেন্দু বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে অনেক আশা ছিল। সেটা গত কয়েক বছরে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতিতে রাজ্যের অনেক বদনাম হয়ে গিয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে যাতে পরীক্ষা ও নিয়োগ হয়, তার ব্যবস্থা করা হবে (CM Suvendu Adhikari)।” ভাইবা পরীক্ষায় নম্বর কমিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানিয়ে দেন তিনি। বলেন, “ওরাল পরীক্ষায় দুর্নীতির সম্ভাবনা বেশি থাকে বলেই মনে করা হয়। তাই সেক্ষেত্রে নম্বর কমিয়ে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে আর নিয়োগ হবে না (Rojgar Mela)।’ তাঁর অভিযোগ, এতদিন কেন্দ্রের পরীক্ষাও রাজ্যে করতে দেওয়া হত না। প্রধানমন্ত্রীর আদর্শ সামনে রেখেই কেন্দ্রীয় সরকারের আদলেই রাজ্য সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে বলেও জানান রাজ্যের পালাবদলের সরকার (CM Suvendu Adhikari)।

     

  • Bakrid 2026: “গরু কোরবানি নয়, নমাজ আদায় মসজিদে”, বকরি ইদের আগে মুসলিমদের জন্য নির্দেশিকা জারি ইসলামিক সেন্টারের

    Bakrid 2026: “গরু কোরবানি নয়, নমাজ আদায় মসজিদে”, বকরি ইদের আগে মুসলিমদের জন্য নির্দেশিকা জারি ইসলামিক সেন্টারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত ও স্বাস্থ্যকরভাবে আসন্ন বকরি ইদ (Bakrid 2026) পালনের জন্য ১২ দফা নির্দেশিকা জারি করেছেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড (AIMPLB)-এর সদস্য এবং ইসলামিক সেন্টার অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান মৌলানা খালিদ রশিদ ফিরঙ্গি মহলি। এতে (Islamic Centre of India) বিশেষভাবে গরু কোরবানি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ১২ দফা ইদ-উল-আধা নির্দেশিকা (Bakrid 2026)

    সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইসলামিক সেন্টার অফ ইন্ডিয়া, লখনউ একটি ১২ দফা ইদ-উল-আধা নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে মুসলিম সমাজকে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র সেইসব পশুর কোরবানি করতে, যেগুলিতে কোনও আইনি নিষেধাজ্ঞা নেই। বিশেষ করে গরু কোরবানি করা যাবে না, কারণ তা দেশের আইনের বিরুদ্ধে।” এই নির্দেশিকায় শৃঙ্খলারক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশগত দায়িত্ববোধের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়কে সর্বজনীন জায়গায় নমাজ আদায় না করার অনুরোধও করা হয়েছে। মহলি বলেন, “এই নির্দেশিকায় আমরা মুসলিম সমাজকে নির্দেশ দিয়েছি যে নমাজ শুধুমাত্র ইদগাহ ও মসজিদের ভেতরে নির্ধারিত জায়গায় আদায় করতে হবে। কোরবানি করার সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধির প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। পশুর বর্জ্য বাইরে ফেলা যাবে না। নগর নিগম ও পুরসভার নির্ধারিত ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী তা ঠিকঠাকভাবে করতে হবে।”

    পাবলিক প্লেসে কোরবানি নয়

    তিনি এও বলেন, “কোরবানি শুধুমাত্র নির্ধারিত স্থানেই করতে হবে। কোনও পাবলিক প্লেস, রাস্তার ধারে বা গলির কাছে কোরবানি করা যাবে না।” মহলি জানান, এই নির্দেশিকায় মুসলিমদের দেশবাসীর কল্যাণ, সমৃদ্ধি এবং বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করার আহ্বানও জানানো হয়েছে (Islamic Centre of India)। তিনি বলেন, “নমাজের পরে তীব্র গরম থেকে মুক্তি, দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করতে হবে। একইভাবে দেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে রক্ষার জন্যও বিশেষ প্রার্থনা করা উচিত (Bakrid 2026)।” ইদ-আল-আধা বা বকরি ইদ, যা ২৭ বা ২৮ জুন পালিত হবে, ‘ত্যাগের উৎসব’ নামেও পরিচিত। এটি ইসলামি ক্যালেন্ডারের ১২তম মাস জিলহজ্জের দশম দিনে পালিত হয়। এই উৎসব বার্ষিক হজ পালন সমাপ্তির প্রতীক। প্রতি বছর এর তারিখ পরিবর্তিত হয়, কারণ এটি ইসলামি চন্দ্র-পঞ্জিকার ওপর নির্ভরশীল, যা পাশ্চাত্যের ৩৬৫ দিনের গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার থেকে প্রায় ১১ দিন কম (Bakrid 2026)।

  • BSF Women Expedition Team: এভারেস্টের চূড়ায় ‘বন্দে মাতরম’! ইতিহাস গড়লেন বাংলার মুনমুন সহ বিএসএফ-এর ৪ মহিলা জওয়ান

    BSF Women Expedition Team: এভারেস্টের চূড়ায় ‘বন্দে মাতরম’! ইতিহাস গড়লেন বাংলার মুনমুন সহ বিএসএফ-এর ৪ মহিলা জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করে ইতিহাস গড়লেন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর (Border Security Force) চার মহিলা কনস্টেবল। বিএসএফ এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘মিশন বন্দে মাতরম’। দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ইতিহাসে এটিই বিএসএফ-এর প্রথম সর্ব-মহিলা এভারেস্ট অভিযান। দেশজুড়ে ইতিমধ্যেই বিএসএফ-এর এই কৃতিত্ব নিয়ে প্রশংসার ঝড় উঠেছে। বলা হচ্ছে, এই সাফল্য শুধু পর্বতারোহণ নয়, দেশের নিরাপত্তা বাহিনীতে মহিলাদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ও সক্ষমতারও প্রতীক।

    চার সাহসিনী কারা?

    এই চার সাহসী আরোহী হলেন লাদাখের কাউসার ফাতিমা, পশ্চিমবঙ্গের মুনমুন ঘোষ, উত্তরাখণ্ডের রেবেকা সিং এবং কার্গিলের সেরিং চোরোল। গত ৬ এপ্রিল নয়াদিল্লি থেকে বিএসএফ-এর ডিরেক্টর জেনারেল প্রবীণ কুমার অভিযানের সূচনা করেছিলেন। বিএসএফ-এর ডায়মন্ড জুবিলি বর্ষ এবং ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তিকে সামনে রেখেই এই বিশেষ অভিযান সংগঠিত হয়। বুধবার সকাল ৮টা নাগাদ ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার উচ্চতার এভারেস্ট শৃঙ্গে পৌঁছে ভারতের জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ গেয়ে নজির সৃষ্টি করেন তাঁরা।

    এভারেস্টের চূড়ায় ‘বন্দে মাতরম’

    বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, শৃঙ্গে পৌঁছনোর পর চার মহিলা কনস্টেবল একসঙ্গে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি গেয়ে ওঠেন। এত উচ্চতায় দাঁড়িয়ে এই প্রথমবার জাতীয় গান পরিবেশিত হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এভারেস্ট বেস ক্যাম্প থেকে রেডিও লিঙ্কের মাধ্যমে দলের সঙ্গে কথা বলেন বিএসএফ ডিজি প্রবীণ কুমার। তিনি অভিযাত্রীদের অভিনন্দন জানান এবং তাঁদের এই সাফল্যকে গোটা দেশের গর্ব বলে উল্লেখ করেন।

    অমিত শাহের অভিনন্দনবার্তা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বিএসএফ-এর সর্ব-মহিলা দলের এই সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, “নারীশক্তি বিএসএফ-এর অদম্য ক্ষমতার প্রমাণ দিল। বাহিনীর ডায়মন্ড জুবিলি উপলক্ষে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয় করে এবং আকাশে বন্দে মাতরম ধ্বনি তুলে তাঁরা সাহস, দেশপ্রেম ও আত্মনিবেদনের এক বিরল উদাহরণ স্থাপন করেছেন।” এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, বিএসএফ অমিত শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ।

    বাংলার মুনমুন ঘোষের এভারেস্ট-জয়

    চারজনই দেশের চার ভিন্ন ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক অঞ্চল থেকে উঠে এসেছেন। কাউসার ফাতিমা এবং সেরিং চোরোল উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দা হওয়ায় তাঁদের শরীর স্বাভাবিকভাবেই কম অক্সিজেনের পরিবেশে মানিয়ে নিতে সক্ষম। হিমালয় অভিযানে এই অভিজ্ঞতা বড় সুবিধা হিসেবে কাজ করেছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুনমুন ঘোষ এবং উত্তরাখণ্ডের রেবেকা সিং বিএসএফ-এর সর্বভারতীয় নিয়োগ ব্যবস্থার প্রতিনিধিত্ব করছেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চারজনই কনস্টেবল পদমর্যাদার জওয়ান। ভারতীয় সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীতে উচ্চতর পর্বতারোহণ অভিযানে সাধারণত উচ্চপদস্থ বা বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যদেরই দেখা যায়। সেই জায়গায় কনস্টেবল পদে থাকা মহিলা জওয়ানদের এই সাফল্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিএসএফ-এর পর্বতারোহণ ইতিহাস

    বিএসএফ-এর দীর্ঘদিনের পর্বতারোহণ ঐতিহ্য রয়েছে। বাহিনীটি ইতিমধ্যেই ৫০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ শৃঙ্গ জয় করেছে। এর আগে ২০০৬ এবং ২০১৮ সালে বিএসএফ-এর পুরুষ সদস্যদের দল সফলভাবে এভারেস্ট অভিযান সম্পন্ন করেছিল। ভারতীয় মহিলা পর্বতারোহণের ইতিহাসে প্রথম বড় মাইলফলক আসে ১৯৮৪ সালে, যখন বচেন্দ্রী পাল প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন। পরে ১৯৯২ সালে সাত ভারতীয় মহিলার একটি দল একসঙ্গে এভারেস্টে ওঠেন। ২০১৩ সালে ৪৮ বছর বয়সে প্রেমলতা আগরওয়ালও এভারেস্ট জয় করে ইতিহাস গড়েছিলেন। বিএসএফ-এর এই নতুন সাফল্য সেই দীর্ঘ সংগ্রামী ঐতিহ্যেরই নতুন অধ্যায় বলে মনে করা হচ্ছে।

    ২০২৬ মরশুমে এভারেস্টে ভিড়

    এ বছর নেপালের দিক থেকে এভারেস্ট অভিযানে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে নেপাল সরকার রেকর্ড সংখ্যক ক্লাইম্বিং পারমিট ইস্যু করেছে। ফলে ২০২৬ সালের মরশুমকে এভারেস্ট ইতিহাসের অন্যতম ব্যস্ত মরশুম হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    এবার লক্ষ্য লোৎসে

    মহিলা দলের এভারেস্ট জয়ের পর এবার বিএসএফ-এর একটি সর্ব-পুরুষ দল বিশ্বের চতুর্থ উচ্চতম শৃঙ্গ লোৎসে (৮,৫১৬ মিটার) জয়ের চেষ্টা করবে। এভারেস্ট এবং লোৎসের রুট অনেকটাই এক হলেও ক্যাম্প ৩-এর পর পথ আলাদা হয়ে যায়। লোৎসে ফেস পেরিয়ে আলাদা কুলোয়ার ধরে শৃঙ্গে পৌঁছতে হয়।

  • Abhishek Illegal Construction: পুরসভার একের পর এক নোটিস! অভিষেকের থেকে দূরত্ব তৈরির চেষ্টা তৃণমূলের বহু নেতার

    Abhishek Illegal Construction: পুরসভার একের পর এক নোটিস! অভিষেকের থেকে দূরত্ব তৈরির চেষ্টা তৃণমূলের বহু নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর কলকাতা পুরসভার আতসকাচের নীচে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের (Abhishek Illegal Construction) কোম্পানি, তাঁর পরিবারের সদস্য়দের সম্পত্তি। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ ১৭টা নোটিস পাঠিয়েছে অভিষেককে। অথচ এই নোটিসের ব্যাপারে কিছুই জানতেন না, এমনটাই দাবি করেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। নোটিসকাণ্ডের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে দূরত্ব তৈরির চেষ্টা করছেন বহু তৃণমূল নেতা।

    অভিষেকের জবরদখল!

    মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির প্রসঙ্গ উঠে আসে শুভেন্দু অধিকারীর গলায়। তিনি বলেছেন, “ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লিপস অ্য়ান্ড বাউন্ডসের ১৪টা, নিজের নামে ৪টে, বাবার নামে আরও ৬টা, ২৪টা প্রপার্টি।” রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই অ্যাকশনে নামে কলকাতা পুরসভা। নোটিস পড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা ও আত্মীয়দের একের পর এক ঠিকানায়। কোনওটার বিরুদ্ধে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ। আবার কোনও সম্পত্তির চরিত্র বদলের অভিযোগে দেওয়া হয় নোটিস।

    জানতেন না ফিরহাদ!

    কলকাতা পুরসভার এই নোটিসকাণ্ড নিয়ে একরকম হাত তুলে নেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, “মেয়রকে জানানোর কথাই নয়। তার কারণ হচ্ছে, নোটিসটা হচ্ছে বিল্ডিং ডিপার্টমেন্টের।” কখনও আবার মেয়রের গলায় কার্যত শোনা যায় ক্ষোভের সুর। তিনি বলেন, “ওঁর ব্যক্তিগত বিষয়ে আমি কথা বলতে পারব না। কারণ, আমি কোনও ইজারা নিইনি।”

    অভিষেকের থেকে দূরত্ব বজায়

    অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের কোম্পানি ও তাঁর পরিবারের সদস্য়দের একাধিক ঠিকানায় যে ১৭টা নোটিস পাঠিয়েছে কলকাতা পুরসভা, তার মধ্য়ে ১৪টি গেছে ৯ নম্বর বরো থেকে। এই নোটিস-পর্বের মধ্যেই বরোর চেয়ারপার্সন পদ থেকে ইস্তফা দেন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সংস্থা ও আত্মীয়দের সম্পত্তির নামে কলকাতা পুরসভা নোটিস দেওয়ার পর তাঁর থেকে দূরত্ব তৈরি করেন বহু নেতা। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “এই বাড়ি, এই বিষয়টা, বাড়ি, নোটিস ইত্যাদি যার নাম জড়িয়েছে, তিনিই উত্তর দেওয়ার সঠিক ব্যক্তি।” তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “অভিষেক বুঝবে, আমি কী করে বলব ? ববি কিছু জানতে পারে, আমি জানি না।”

    কোন কোন ঠিকানায় নোটিশ দিয়েছে পুরসভা?

    ১৮৮-এ শান্তিনিকেতন

    ১৮৮-এ, হরিশ মুখার্জি রোডের এই বাড়িতে নোটিস দিয়েছে পুরসভা এবং এই নোটিস দেওয়া হয়েছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস প্রাইভেট লিমিটেডের নামে। এখানে যেটা বলা হয়েছে, যে অবৈধ অংশ রয়েছে, সেটাকে সাত দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে হবে অথবা ডেভিয়েশন কেন হল সেটা জানাতে হবে। লিফট, এসকেলেটর, সেগুলোর জন্য অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, সেগুলো জানাতে হবে। না হলে কলকাতা পুরসভা নিজেই অবৈধ অংশ ভেঙে দেবে। এবং ভেঙে দেওয়ার পর, তার যে খরচ, সেই খরচও যিনি হচ্ছেন মালিক তার থেকে আদায় করা হবে।

    ১১৯ কালীঘাট রোডের বাড়িতে

    ১১৯ কালীঘাট রোডের এই বাড়িতেও কলকাতা পুরসভার তরফে নোটিস দেওয়া হয়েছে। এটা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে এই নোটিস করা হয়েছে।

    ১২১, কালীঘাট রোডের বাড়ি

    ১২১, কালীঘাট রোডের এই বাড়িতে সাত-সাতটা নোটিস পৌঁছেছে। যার মধ্যে পাঁচটি নোটিস লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে, একটি লতা ও অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে, আর একটি শুধু লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে।

    প্রেমেন্দ্র মিত্র সরণির ৩টি বাড়িতে

    প্রেমেন্দ্র মিত্র সরণি, অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলিতে তিনটে ঠিকানায় নোটিস দিয়েছে কলকাতা পুরসভা। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির এই গলির তিনটি প্রিমিসেস রয়েছে, যেখানে তিন জন অ্যাসেসিকে নোটিস দিয়েছে কলকাতা পুরসভা। ৪৬-এর বি ও ২৯এ , ২৯-এর C  প্রেমেন্দ্র মিত্র সরণি, লতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নোটিস করা হয়েছে।

    ওস্তাদ আমির খান সরণি ও পণ্ডিতিয়া রোড

    ১বি ওস্তাদ আমির খান সরণি এবং ৩৭ পণ্ডিতিয়া রোডের ঠিকানাতেও নোটিস পাঠিয়েছে কলকাতা পুরসভা।

    মেজাজ হারালেন অভিষেক

    অন্যদিকে, পৌরনিগম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির অবৈধ অংশ ভাঙার নির্দেশ দেওয়ার পর তাঁর বক্তব্য জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকরা। আর তা শুনেই রীতিমতো তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তর দিতে গিয়ে রেগে গেলেন। বললেন, “কলকাতা পৌরনিগমে গিয়ে জিজ্ঞাসা করুন, অবৈধ অংশটা কোথায়।” শুক্রবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠকের পর বেরিয়ে আসছিলেন অভিষেক। তখনই তাঁর বক্তব্য জানতে চান সাংবাদিকরা। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, আপনার বাড়ির অবৈধ অংশ ভাঙার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পৌরনিগম, কী বলবেন? প্রশ্ন শুনে প্রথমে গাড়িতে উঠে যান অভিষেক। গাড়ির কাচ তোলা ছিল। তবে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে থাকায়, একসময় গাড়ির কাচ নামান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। অভিষেক বলেন, “আপনি জিজ্ঞাসা করে আসুন, কোন অবৈধ অংশ? যে অবৈধ অংশ মার্ক করে দেবে, উত্তর আমার থেকে নিয়ে যাবেন। যান।” বলেই গাড়ির কাচ তুলে দেন।

    কী বলছে বিজেপি?

    অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “এত চুরি জোচ্চুরির বন্যার পর, যে লোকটা যাদের কাছে হিরো ছিল, সেই হিরোগিরি চুপসে গিয়েছে, এইসময় কেউ তাঁকে পৌরনিগমের নোটিস নিয়ে প্রশ্ন করে? এরকম কাটা ঘায়ে কেউ নুনের ছিটে দেয়? নিকটাত্মীয়র জোরে আইপ্যাক আর রাজ্যের প্রশাসন যদি স্যালুট না করত, তাহলে তো এমন হত না। স্বজনপোষণের বলে উনি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। আর যিনি এমন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, তাঁর কাছ থেকে রাজনৈতিক কথা আশা করছেন কেন আপনারা?”

LinkedIn
Share