Suvendu Adhikari: পাক-জঙ্গিদের নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী! শুভেন্দুর নিরাপত্তায় বুলেটপ্রুফ গাড়ি

suvendu adhikari uses bulletproof car after cm got jaish terror threat

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গিদের টার্গেটে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর গতিবিধির উপর নজর রেখেছে সন্ত্রাসীরা। বর্ধমান থেকে সন্দেহভাজন জইশ জঙ্গি হামিম মণ্ডলকে জেরা করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। তারপরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হল। মুখ্যমন্ত্রীর জন্য বুলেটপ্রুফ গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাঁথির বাড়ি থেকে সেই বুলেটপ্রুফ গাড়িতেই কলকাতার রবিবার উদ্দেশে রওনা দেন শুভেন্দু। শুভেন্দু অধিকারী সাধারণত প্রতি সপ্তাহান্তে কলকাতা থেকে নিজের কাঁথির বাড়িতে যান। আবার রবিবার ফিরে আসেন। তাঁর যাওয়ার রাস্তাই ১৬ নং জাতীয় সড়ক। মুখ্যমন্ত্রীর জন্য বুলেটপ্রুফ গাড়ির পাশাপাশি গোটা রুটে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

কেন বুলেটপ্রুফ গাড়ি

সন্দেহভাজন জইশ জঙ্গি হামিমকে বেঙ্গল এসটিএফ গ্রেফতার করার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। তবে শুভেন্দু অধিকারী এতদিন যে গাড়িটি ব্যবহার করতেন, তা বুলেটপ্রুফ ছিল না। হামিম ধরা পড়ার পর জানা যায়, পাকিস্তান থেকে হ্যান্ডলাররা মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির তথ্য চেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কোনও আনগার্ডেড মুভমেন্ট থাকলে, জানাতে বলা হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গতকাল রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রীর বুলেটপ্রুফ গাড়ি ব্যবহার করা উচিত। জ্যামার থাকা দরকার। পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রীর বুলেটপ্রুফ গাড়িতে যাতায়াত করা উচিত। এসটিএফ সেইমতোই ভাবনা চিন্তা করল।

সাধারণের জন্য ব্রতী মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রীর ভাই তথা এগরার বিজেপি বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “বাংলার মানুষ শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে রয়েছেন। আর পরিবারের একজন হিসেবে আমাদের, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, এসটিএফ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর আস্থা রয়েছে। নিশ্চিতভাবে বাংলার প্রত্যেকটি মানুষ সুরক্ষিত থাকবেন।” হামিমকে ধরার জন্য রাজ্য পুলিশকে ধন্যবাদ জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে পছন্দ করেন। বারবার সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এতে কি তাঁরা উদ্বিগ্ন? এই নিয়ে দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “গতকাল যেভাবে বাড়ি এসেছিলেন, আজও সেভাবে গিয়েছেন। তাঁর নিরাপত্তায় বাড়তি কিছু কি লক্ষ্য করেছেন আপনারা? তিনি চান, সাধারণ মানুষের একজন প্রতিনিধি হিসেবে উন্নয়ন মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে। তার জন্য যদি প্রাণ দিতে হয়, তার জন্য আমরা তৈরি রয়েছি।”

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share