Tag: bangla news

bangla news

  • Maoist Attack Plot: ওড়িশায় মাওবাদী হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    Maoist Attack Plot: ওড়িশায় মাওবাদী হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও দমনে ফের মিলল বড় ধরনের সাফল্য। ওডিশার (Odisha) কন্ধমাল জেলায় একটি বড় মাওবাদী হামলার (Maoist Attack Plot) পরিকল্পনা ভেস্তে দিল নিরাপত্তা বাহিনী। ডারিংবাড়ি থানার অধীনে একটি বনাঞ্চলের গোপন গুহা থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক।

    নকশালবিরোধী অভিযান (Maoist Attack Plot)

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (SOG) এবং ডিস্ট্রিক্ট ভলান্টারি ফোর্স (DVF) যৌথভাবে পাকরি, বাবুটি, জামাবাড়ি এবং মাতাবাড়ি গ্রাম-সহ বিভিন্ন এলাকায় নকশালবিরোধী অভিযান শুরু করে। ৩০ মার্চ তল্লাশি অভিযানের সময় নিরাপত্তা কর্মীরা মাতাবাড়ি গ্রামের কাছে একটি গোপন গুহা আবিষ্কার করেন, যেখানে মাওবাদীরা অস্ত্র ও লজিস্টিক সামগ্রী মজুত করত।

    উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের পরিমাণ

    উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র। এগুলি হল— একটি এসএলআর রাইফেল, একটি .৩০৩ রাইফেল, দুটি ১২-বোর বন্দুক, দুটি এসবিজিএল (SBGL) রাইফেল এবং একটি দেশি অস্ত্র। এর সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি ম্যাগাজিন এবং ৭৯ রাউন্ড গুলিও। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১০টি এসবিজিএল গ্রেনেড, ৩০টি ইলেকট্রিক ডিটোনেটর এবং কিছু বিস্ফোরক পদার্থ (কোডেক্স)। এই মজুত ভান্ডারই ইঙ্গিত দেয় মাওবাদীরা বড় ধরনের কোনও নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে পাঁচটি ওয়াকি-টকি, তিনটি সোলার প্যানেল, দুটি টর্চলাইট, খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ, বাসনপত্র এবং মাওবাদী পুস্তিকা। পুলিশের সন্দেহ, এই মজুত করা সামগ্রী নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালানোর উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল।

    চলছে জোরদার তল্লাশি অভিযান

    বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানের পর আশপাশের বনাঞ্চলে জোরদার করা হয়েছে তল্লাশি অভিযান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ন’জন মাওবাদী, যার মধ্যে দু’জন পুরুষ এবং সাতজন মহিলা—এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। মাওবাদী নেত্রী শীলা, যিনি (Odisha) এই অঞ্চলে সক্রিয় বলে মনে করা হচ্ছে, তাঁর মাথার দাম ২৭ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে (Maoist Attack Plot)। কান্ধামালের পুলিশ সুপার হরিশ বিশি জানান, রাইকিয়া এবং ডারিংবাড়ির সীমান্তবর্তী বনাঞ্চলে বড় পরিসরে মাওবাদীবিরোধী অভিযান চলছে। তিনি বলেন, “এই অভিযানে আমরা ২৮টি দল মোতায়েন করেছি। গোপন অস্ত্রভান্ডারের তথ্যের ভিত্তিতে এসওজি এবং ডিভিএফে যৌথ দল তল্লাশি চালিয়ে মাতাবাড়ি গ্রামের কাছে বড়সড় মাওবাদী অস্ত্রভান্ডার উদ্ধার করেছে।”

    পুলিশ কর্তার বক্তব্য

    পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা জানান, ওডিশা প্রায় মাওবাদী-মুক্ত অবস্থার দিকে এগোচ্ছে।  এডিজি (নকশালবিরোধী অভিযান) সঞ্জীব পান্ডা বলেন, “নিরাপত্তা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের ফলে রাজ্যে মাওবাদী কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।” তিনি জানান, ইতিমধ্যেই আটটি জেলাকে মাওবাদী-মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৫ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে পরিস্থিতির (Maoist Attack Plot)।তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে মোট ২৭ জন মাওবাদীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, ১২০ জন আত্মসমর্পণ করেছে, গ্রেফতার করা হয়েছে ৯ জনকে। তবে তিনি দীর্ঘদিনের এই সংঘর্ষের গুরুত্ব স্বীকার করে জানান, নকশালবিরোধী অভিযানে ২৩৯ জন নিরাপত্তাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। আর মাওবাদী হিংসার বলি হয়েছেন ৩৫৯ জন সাধারণ মানুষ।

    লক্ষ্যের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছি আমরা

    তিনি বলেন, “এই অগ্রগতি নিরাপত্তা বাহিনীর ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগের ফল। আমরা লক্ষ্যের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছি। এখন হাতেগোণা কয়েকজন মাওবাদী সক্রিয় রয়েছে।” পুলিশের এই কর্তা ওই মাওবাদীদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান (Odisha)। এদিকে, নিরাপত্তা বাহিনী সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অবশিষ্ট মাওবাদীরা আত্মসমর্পণ না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘন বনাঞ্চলে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে, যা ওডিশার দীর্ঘদিনের মাওবাদী বিদ্রোহ দমনে এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়কে নির্দেশ করছে এবং রাজ্যকে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে (Maoist Attack Plot)।

     

  • ED Raid In Kolkata: ভোটের আগে শহরে সক্রিয় ইডি! সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে অস্ত্র, ব্যবসায়ীর ঘরে নগদ কোটি টাকা উদ্ধার

    ED Raid In Kolkata: ভোটের আগে শহরে সক্রিয় ইডি! সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে অস্ত্র, ব্যবসায়ীর ঘরে নগদ কোটি টাকা উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশিতে খাস কলকাতায় মিলল বিপুল নগদ টাকা। বুধবার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে নগদ ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে ইডি (ED Raid In Kolkata )। জমি দখল সংক্রান্ত মামলায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। বুধবার সকাল থেকে ইডি হানা দেয় নির্মাণ সংস্থার অফিসে। একসঙ্গে ছয় জায়গায় তল্লাশি চালানো হয় এদিন। তল্লাশি চালানো হয় বালিগঞ্জের ‘ত্রাস’ সোনা পাপ্পু বাড়িতেও।

    ফার্ন রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার অস্ত্র

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এই তল্লাশির মূল লক্ষ ছিল আর্থিক প্রতারণা মামলার (Money Laundering Case) ঘটনায় অভিযুক্ত পলাতক বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) বাড়ি। জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পুর ফার্ন রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্র। কিছুদিন আগে, গোলপার্কের (Golpark) কাঁকুলিয়া রোডে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয় সোনা পাপ্পুকে। রাসবিহারির বিধায়ক দেবাশিষ কুমারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এই সোনা পাপ্পু। ঘটনাচক্রে, সোমবার ইডি ডেকে পাঠায় দেবাশিষ কুমারকে। তারপরেই এই তল্লাশি অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অভিযোগ, নির্মাণকাজের নামে কোটি কোটি টাকা তুলেছে সোনা পাপ্পু আর সেই টাকা তিনি পৌঁছে দিতেন প্রভাবশালীদের কাছে।

     তৃণমূলের নির্বাচনে খরচ, অভিযোগ শুভেন্দুর

    সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ রাহুল দাসের বাড়িতেও পৌঁছে যায় ইডি। কাঁকুলিয়া রোডের বাড়িতে তল্লাশি চলে দীর্ঘক্ষণ। তল্লাশি চলে নির্মাণ ব্যবসায়ী জয় কামদারের বেহালার বাড়িতেও। সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই টাকার উৎস কী, তা জানাতে পারেননি ওই ব্যবসায়ী। জয় কামদার সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ বলেই জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে শাসক দলের নেতাদের যোগও সামনে আসছে। বিভিন্ন সময়ে একাধিক শাসক দলের অনুষ্ঠানেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। এই বিষয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সোনা পাপ্পুর সঙ্গে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস, দেবাশিষ কুমার, জাভেদ খানকে অ্যারেস্ট করতে হবে। এই টাকা তৃণমূলের নির্বাচনে খরচ করার জন্য রাখা ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার ৬৭ নম্বর ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে যাবতীয় নিয়ন্ত্রণের কাজ করে সোনা পাপ্পু।

  • SIR: এসআইআরে নাম নেই, মালদায় তাণ্ডব, সাত বিচারককে আটকে রেখে বিক্ষোভ, গভীর রাতে উদ্ধার

    SIR: এসআইআরে নাম নেই, মালদায় তাণ্ডব, সাত বিচারককে আটকে রেখে বিক্ষোভ, গভীর রাতে উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরে (SIR) নাম না থাকায় বুধবার কার্যত তাণ্ডব চলল মালদার (Malda) কালিয়াচকে। সাত বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। পরে মধ্যরাতে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময়ও পুলিশের কনভয়ে হামলার চেষ্টা করা হয়ে বিডিও অফিসের গেট আটকে দেয় আন্দোলনকারীরা। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, লাগানো হয় আগুনও। পরে, পুলিশ গিয়ে বিচারকদের উদ্ধার করে।

    সাত বিচারককে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার অভিযোগ (SIR)

    বুধবার সকাল থেকেই কালিয়াচক ২ নম্বর বিডিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ চলছিল। এসআইআরে নাম বাদ পড়ায় এদিন বিক্ষোভ প্রদর্শন চলছিল। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভের পাশাপাশি, বিডিও অফিসের গেট আটকেও দিয়ে চলে বিক্ষোভ। জেলার একাধিক জায়গায় ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয় বুধবার দুপুর থেকেই। এর মধ্যেই খবর আসে, সাত বিচারক দুপুর থেকে দীর্ঘক্ষণ আটকে পড়েছেন বিডিও অফিসেই। ওই বিচারকরা ট্রাইবুনালের কাজে সেখানে গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অবশেষে মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ওই বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। সেই সময় উন্মত্ত জনতা ইট-পাটকেল ছোড়ে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে। পুরো ঘটনাটির একটি ভিডিও পোস্ট করেছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। তাতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশের গাড়ির সিটে পড়ে রয়েছে কাচের টুকরো। জানা গিয়েছে, বিকেল ৪টে থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আটকে ছিলেন বিচারকরা।

    পুলিশের কনভয়েও হামলার চেষ্টা

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, জুডিশিয়াল অফিসারদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের কনভয়েও হামলার চেষ্টা করা হয়। রাস্তায় বাঁশ ফেলে চেষ্টা করা হয় পুলিশের কনভয় আটকানোর। বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিচারকদের আটকে রাখা হয়েছে শুধু তাই নয়, বিচারকদের যখন উদ্ধার করে আনা হচ্ছিল সেই সময় রাস্তায় বাঁশ ফেলে কনভয় আটকানোর চেষ্টা করা হয়। মহিলা বিচারকদের শারীরিকভাবে হেনস্থার চেষ্টা করা হয়েছে। সবটাই তৃণমূলের উস্কানি (SIR)।”

     রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    প্রসঙ্গত, প্রায় একদিন ছাড়া সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট বের করছে নির্বাচন কমিশন। এখনও অবধি প্রায় ২২ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে সূত্রের খবর। তারই প্রতিবাদে ধীরে-ধীরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদায়। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, মূলত তাঁরাই প্রথম পথে নামেন। কালিয়াচকের ওই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে কমিশন (SIR)। কমিশন সূত্রে খবর, পুরো বিষয়টি জানানো হয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালকেও। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, গত ২৩ মার্চ জেলা প্রশাসনের কাছে গন্ডগোলের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। নিষ্পত্তির কাজ ব্লক অফিস থেকে জেলাশাসকের অফিসে সরানোর জন্য আগেই জেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছিল। অভিযোগ, জানানোর পরেও জেলা প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

  • IPL 2026: বরুণে-বিশ্বাস নায়ারের, নারিনের মিস্ট্রির অপেক্ষায় নাইটরা! ঘরের মাঠে জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া কেকেআর

    IPL 2026: বরুণে-বিশ্বাস নায়ারের, নারিনের মিস্ট্রির অপেক্ষায় নাইটরা! ঘরের মাঠে জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া কেকেআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ের কাছে হার দিয়ে আইপিএল ২০২৬ (IPL 2026) অভিযান শুরু করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এবার ঘরের মাঠে নামতে চলেছে কেকেআর। ২ এপ্রিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (KKR vs SRH) বিরুদ্ধে নামবে ৩ বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা। ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে টানা তিনটি হোম ম্যাচ নাইটদের। টুর্নামেন্টে নিজেদের ভালো জায়গায় রাখতে এই তিন ম্যাচই পাখির চোখ কলকাতার। নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের জন্য তৈরি হচ্ছে দলের ক্রিকেটাররা।

    ব্যর্থ বোলিং বিভাগ

    প্রথম ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ব্যাটাররা ভালো পারফর্ম করলেও বোলিং ডিপার্টমেন্ট কেকেআরের পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। যা দ্বিতীয় ম্যাচ শক্তিশালী ব্যাটিং সমৃদ্ধ হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নামার আগে চিন্তায় রেখেছে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে। প্রথম ম্যাচে কেকেআরের বোলিং অ্যাটাকের ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় ম্যাচে একাদশে কেমন কম্বিনেশন হবে তা জল্পনা রয়েছে। মুজারবানি প্রথম ম্যাচে ফ্লপ। ফলে দ্বিতীয় ম্যাচে ৩ বিদেশি নিয়েও খেলতে পারে নাইটরা। নারিন বাদে সকল বোলাররাই ভারতীয় হতে পারে।

    নারিন-বরুণ কেমিস্ট্রি উধাও

    প্রথম ম্যাচে হারের পর স্বভাবতই চাপে কেকেআর। নতুন দল। নতুন ভাবে শুরু করতে চাইলেও, অভিষেক নায়ারের সমস্যা বোলিং নিয়েই। আর সেটা কীভাবে কাটাতে পারেন সেটাই হাতড়ে বেড়াচ্ছেন কেকেআর কর্তারা। তবে সমস্যা আরও বাড়িয়েছে বরুণ চক্রবর্তী ও সুনীল নারিনের পারফরম্যান্স। বরুণ টি২০ বিশ্বকাপে সেভাবে ছন্দে ছিলেন না। আইপিএল-এও সেই ছন্দ প্রথম ম্যাচে খুঁজে পাননি। সুনীল নারিনের যে মিস্ট্রি ছিল সেটাও উধাও। এখন পিচ থেকেও যদি সাহায্য সেভাবে না পাওয়া যায় তবে কলকাতার ভাগ্য ফেরানো কঠিন হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বরুণে আস্থা নায়ারের

    গ্রিনের বোলিং প্রসঙ্গে নায়ার জানান, নিলামের সময় কোনও প্লেয়ারকে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের সব দিক সবসময় জানা সম্ভব হয় না। তাঁর কথায়, ‘নিলামে প্লেয়ার নেওয়ার সময় ভবিষ্যৎ কী হবে, সেটা সবসময় বোঝা যায় না। গ্রিন যেমন ভালো ব্যাটার, তেমনই অলরাউন্ডার। তবে আমাদের সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।’ বরুণ চক্রবর্তীর পারফরম্যান্স নিয়ে আস্থা রেখেছেন কেকেআর কোচ। তিনি বলেন, ‘বরুণ মানসিকভাবে খুব শক্তিশালী অবস্থায় আছে। আমরা জানি ও কতটা দক্ষ বোলার। ভারতের হয়ে যেমন পারফর্ম করেছে, সেভাবেই আবার ফিরে আসবে। ওয়াংখেড়ের পিচটা চ্যালেঞ্জিং ছিল, তবুও আমরা ওর উপর ভরসা রাখছি। শ্রীলঙ্কার পেসার মথিশা পাথিরানার ফিটনেস নিয়েও আপডেট দিয়েছেন নায়ার। তিনি জানান, পাথিরানা এখনও ফিটনেস টেস্টের মধ্যে রয়েছেন এবং ফিজিও টিমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই তিনি দলে যোগ দেবেন।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    কলকাতা দল মুম্বইয়ের কাছে পরাজিত হয়েছে, অন্যদিকে হায়দ্রাবাদও বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে হারতে হয়েছে। ফলে এই ম্যাচে জয় পেয়ে ছন্দে ফেরার চেষ্টা করবে দুই দলই। শুরুতেই পরপর হার কোনও দলই চাইছে না, তাই লড়াইটা জমজমাট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই মরশুমে দুই দলের ব্যাটিং শক্তি বেশ ভালো। তবে বোলিং বিভাগে কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। চোট সমস্যাও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কলকাতা তাদের প্রধান পেসারের জন্য অপেক্ষা করছে, আর হায়দরাবাদ দলের অধিনায়কও পুরোপুরি ফিট নন। এই অবস্থায় দলের ভারসাম্য ঠিক রাখা বড় চ্যালেঞ্জ।

    ইডেনে হাই স্কোরিং ম্যাচ

    ইডেন গার্ডেন্সে সাম্প্রতিক সময়ে বড় রানের ম্যাচ বেশি দেখা যাচ্ছে। তাই এই ম্যাচেও চার-ছক্কার বন্যা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ব্যাটাররা সুবিধা পেলে সহজেই বড় রান তুলতে পারে, তবে বোলারদের সঠিক সময়ে ভালো পারফরম্যান্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। পিচের দিক থেকেও এই মাঠে রান তাড়া করা তুলনামূলক সহজ। শিশিরের প্রভাব থাকায় দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা দল সুবিধা পেতে পারে। শুরুতে কিছুটা সুইং থাকলেও পরে ব্যাটিং সহজ হয়ে যায়। তাই টস জেতা দল আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ অপেক্ষা করছে।

    কেকেআরের সম্ভাব্য একাদশ: অজিঙ্কে রাহানে (অধিনায়ক), ফিন অ্যালেন, ক্যামেরন গ্রিন, আংক্রিশ রঘুবংশী (উইকেটকিপার), রিঙ্কু সিং, রমনদীপ সিং, অনুকুল রয়, সুনীল নারিন, বরুণ চক্রবর্তী, বৈভব অরোরা, উমরান মালিক

    সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সম্ভাব্য় একাদশ: ট্রেভিস হেড, অভিষেক শর্মা, ইশান কিশান (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), নীতিশ কুমার রেড্ডি, হেনরিক ক্লাসেন, সলিল অরোরা, অনিকেত বর্মা, হর্শ দুবে, হার্শল প্যাটেল, জয়দেব উনাদকাট, ইশান মালিঙ্গা

  • Iran War: ভরসা সেই ভারতই, তীব্র জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে হাত পাতল বাংলাদেশ-মলদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা

    Iran War: ভরসা সেই ভারতই, তীব্র জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে হাত পাতল বাংলাদেশ-মলদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদে পড়ে সাধুও কলার খোসা খায়! তেমনই দশা হয়েছে বাংলাদেশ, মলদ্বীপের। মাস কয়েক আগেও ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান দিচ্ছিল (Iran War) যারা, তারাই (Energy Crisis) ফের হাত পাতছে ভারতের কাছে। পশ্চিম এশিয়ায় ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট চরমে। এমতাবস্থায় ভারতের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশ এবং মলদ্বীপকে। শ্রীলঙ্কাকেও জ্বালানি দেবে নরেন্দ্র মোদির ভারত। যে ভারতের বিরুদ্ধে এক সময় কুকথা বলেছিল বাংলাদেশের মৌলবাদীরা, বয়কটের ডাক দিয়েছিল ভারতীয় পণ্য, জ্বালানি সঙ্কটের জেরে সেই মোদি সরকারের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশ-মলদ্বীপকে। আর ভারত? যাবতীয় তিক্ততা ভুলে গিয়ে সে বাড়িয়ে দিয়েছে সাহায্যের হাত। এটি তার ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অংশ।

    হরমুজ প্রণালী (Iran War)

    অবশ্য একটি কঠিন সত্য হল, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এশিয়ার দেশগুলির জন্য নির্ধারিত। এতে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মতো জ্বালানি আমদানি-নির্ভর দেশগুলির দুর্বলতা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে ইরান ভারতের “বন্ধু” হিসেবেই চিহ্নিত। তাই তেল এবং এলপিজি  ট্যাঙ্কারগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। যার ফলে স্বস্তিতে নয়াদিল্লি। জানা গিয়েছে, সঙ্কটকালে ভারত ইতিমধ্যেই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পাঠিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায়। বিবেচনা করা হচ্ছে মলদ্বীপের অনুরোধও। যদিও ভুটান ও নেপালে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে নরেন্দ্র মোদির দেশ (Iran War)।

    কী বললেন রণধীর জয়সওয়াল

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ওই দেশগুলি ভারতের কাছে সাহায্য চেয়েছে (Energy Crisis)। অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন বিবেচনা করেই নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত। বর্তমানে ভারতের কাছে প্রায় দু’মাসের জ্বালানি মজুদ থাকায় আতঙ্কের পরিস্থিতি নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সঙ্কটকালে দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত অপরিহার্য শক্তি। ইরান-যুদ্ধজনিত সঙ্কটের সব চেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। দেশটি ৯৫ শতাংশ তেল এবং ৩০ শতাংশ গ্যাস আমদানি করে। গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাংলাদেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। দেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস খাত ডিজেলের অভাবে হুমকির মুখে।

    বাংলাদেশকে সাহায্যের হাত বাড়াল ভারত

    বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে, স্থগিত করা হয়েছে পাঁচটির মধ্যে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানার কাজকর্ম।এই সঙ্কট-পর্বের মোকাবিলা করতে ভারতের সাহায্য চেয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার। ভারত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকেও জ্বালানি পাঠানো হচ্ছে (Energy Crisis)। জানা গিয়েছে, ১০ মার্চ ভারত বাংলাদেশকে ৫,০০০ টন ডিজেল পাঠিয়েছে। এটি ১৫ বছরের চুক্তির অংশ। পরবর্তী সপ্তাহে আরও ১০,০০০ টন এবং নতুন করে ৭,০০০ টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে। এই সহযোগিতার ঘটনা এমন একটি সময়ে ঘটছে, যখন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নয়া সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে (Iran War)।

    “বয়কট ইন্ডিয়া” স্লোগান

    ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের জমানায় তলানিতে পৌঁছয় ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক। সেই সময় “বয়কট ইন্ডিয়া”-সহ ভারতবিরোধী মনোভাব বেড়ে গিয়েছিল। সেই আবহে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হয় গভীর। বিএনপি সরকারের উদ্যোগে অবশ্য ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের লেখচিত্র ফের ঊর্ধ্বমুখী। এক বছর আগেও ভারতের কড়া সমালোচক ছিল মলদ্বীপ। এখন জ্বালানি সঙ্কটে পড়ে দ্বারস্থ হয়েছে ভারতের। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু “ইন্ডিয়া আউট” প্রচারের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার করেন এবং চিনের দিকে ঝোঁকেন। তবে বর্তমান সঙ্কটের প্রেক্ষিতে মলদ্বীপ আবার ভারতের কাছে সাহায্য চাইতে বাধ্য হয়েছে। পর্যটননির্ভর অর্থনীতির এই দেশ মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে (Iran War)। পেট্রোল, ডিজেল ও এলপিজির ঘাটতিতে দৈনন্দিন জীবন প্রায় স্থবির। মলদ্বীপ এখন ভারতের কাছে জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ করেছে, যা বিবেচনা করছে দিল্লি (Energy Crisis)।

    জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারতের ভূমিকা

    শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি ২০২২ সালের অর্থনৈতিক সংকটের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। তখন দেশটি চিনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল এবং ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষা করে চিনা জাহাজকে বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দেয়। বর্তমান ইরান যুদ্ধ আবারও শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। দেশটি তার ৬০ শতাংশ জ্বালানি আমদানি করে, যার বড় অংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। সঙ্কটের কারণে জ্বালানির দাম ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে হয়েছে (Iran War)। মার্চের মাঝামাঝি প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করেন। এর পরেই ভারত দ্রুত ২০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল ও ১৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল পাঠায়। দিসানায়েকে বলেন, “ভারতের দ্রুত সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।” প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতের প্রতিবেশী অঞ্চলের পরিস্থিতি অস্থির ছিল। যার প্রমাণ মলদ্বীপে “ইন্ডিয়া আউট” প্রচার বা বাংলাদেশে ভারতবিরোধী শক্তির মাথাচাড়া দেওয়া। কিন্তু ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সঙ্কট একটি কঠিন বাস্তবতা সামনে এনে দিয়েছে। এটি হল, রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, ভৌগোলিক বাস্তবতাই গুরুত্বপূর্ণ (Iran War)। এই বাস্তবতায় (Energy Crisis) দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত এখনও কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।

  • Suvendu Adhikari: “২০২১ সালের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর নেই, দিনকাল বদলে গিয়েছে”, নন্দীগ্রামে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “২০২১ সালের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর নেই, দিনকাল বদলে গিয়েছে”, নন্দীগ্রামে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে নির্বাচনী প্রচারের সময়ে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) লক্ষ্য করে করা কটূক্তিকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, শাসক (West Bengal Elections 2026) শিবিরের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি নির্দিষ্ট স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী— উভয় পক্ষের মধ্যেই শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ।

    পরিস্থিতিকে কিছুটা উত্তেজিত করে (Suvendu Adhikari)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) যখন নন্দীগ্রামের একটি নির্দিষ্ট এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত কিছু ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এই স্লোগানটি বর্তমানে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে পরিচিত। বিরোধী দলনেতার উপস্থিতিতে এই ধরণের স্লোগান প্রদান পরিস্থিতিকে কিছুটা উত্তেজিত (West Bengal Elections 2026) করে তোলে।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অত্যন্ত কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। স্লোগান শুনে তিনি গাড়ি থেকে নেমে পড়েন এবং যারা স্লোগান দিচ্ছিলেন তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “২০২১ সালের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর নেই। দিনকাল বদলে গিয়েছে। এই রকম করবেন না। সবার কাছে যাওয়ার অধিকার আমার আছে। আমাকে দেখে এমন করবেন না। আমি সব মুসলিম বাড়িতে যাব। আমার এমএলএ অফিস থেকে সবাই সাহায্য পেয়েছে।” এই ধরণের স্লোগান প্রদানের মাধ্যমে রাজনৈতিক উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বিষয়টিকে (West Bengal Elections 2026) গণতান্ত্রিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন এবং জানান যে, নন্দীগ্রামের মানুষই এর উপযুক্ত জবাব দেবেন। তাঁর মতে, পরিকল্পিতভাবেই তাঁর যাত্রাপথে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ‘জয় বাংলা’ কোনও নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং এটি বাঙালির আবেগের প্রতিফলন। সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই স্লোগান দিয়েছেন এবং এতে অন্যায়ের কিছু নেই। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, পুলিশের উপস্থিতিতেই বিরোধী দলনেতাকে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যে এই জমায়েত করা হয়েছিল। এটি রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতারই বহিঃপ্রকাশ (West Bengal Elections 2026)।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    ঘটনার পর থেকে নন্দীগ্রামের ওই এলাকায় পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেদিকে কড়া নজর রাখছে প্রশাসন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের (West Bengal Elections 2026) মাটি যে পুনরায় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, এই ঘটনা তারই ইঙ্গিতবাহী।

  • Ramakrishna 613: “অন্ত কোথা তাঁর, অন্ত কোথা তাঁর, এই সবে সদা জিজ্ঞাসে হে। চেতন নিকেতন পরশ রতন সেই নয়ন অনিমেষ”

    Ramakrishna 613: “অন্ত কোথা তাঁর, অন্ত কোথা তাঁর, এই সবে সদা জিজ্ঞাসে হে। চেতন নিকেতন পরশ রতন সেই নয়ন অনিমেষ”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    একবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    মাস্টার ও ডাক্তার সংবাদ

    মাস্টার ডাক্তারের বাড়ি উপস্থিত হইয়া দেখিলেন, ডাক্তার দুই-একজন বন্ধু সঙ্গে বসিয়া আছেন।

    ডাক্তার (মাস্টারের প্রতি)—এই একমিনিট হল তোমার কথা কচ্ছিলাম (Kathamrita)। দশটায় (Ramakrishna) আসবে বললে, দেড় ঘণ্টা বসে। ভাবলুম, কেমন আছেন, কি হল। (বন্ধুকে) ‘ওহে সেই গানটা গাও তো’।

    বন্ধু গাহিতেছেন:

    কর তাঁর নাম গান, যতদিন দেহে রহে প্রাণ।
    যাঁর মহিমা জ্বলন্ত জ্যোতিঃ, জগৎ করে হে আলো;
    স্রোত বহে প্রেমপীযূষ-বারি, সকল জীব সূখকারী হে।
    করুণা স্মরিয়ে তনু হয় পুলকিত বাক্যে বলিতে কি পারি।
    যাঁর প্রসাদে এক মুহূর্তে সকল শোক অপসারি হে।
    উচ্চে নিচে দেশ দেশান্তে, জলগর্ভে, কি আকাশে;
    অন্ত কোথা তাঁর, অন্ত কোথা তাঁর, এই সবে সদা জিজ্ঞাসে হে।
    চেতন নিকেতন পরশ রতন সেই নয়ন অনিমেষ,
    নিরঞ্জন সেই, যাঁর দরশনে, নাহি রহে দুঃখ লেশ হে।

    ডাক্তার (মাস্টারকে) — গানটি খুব ভাল, — নয়? ওইখানটি কেমন?

    ‘অন্ত কোথা তাঁর, অন্ত কোথা তাঁর, এই সবে সদা জিজ্ঞাসে।’

    মাস্টার — হাঁ, ও-খানটি বড় চমৎকার! খুব অনন্তের ভাব।

    ডাক্তার (সস্নেহে) — অনেক বেলা হয়েছে, তুমি খেয়েছো তো? আমার দশটার মধ্যে খাওয়া হয়ে যায়, তারপর আমি ডাক্তারী করতে বেরুই। না খেয়ে বেরুলে অসুখ করে। ওহে, একদিন তোমাদের খাওয়াব মনে করেছি।

    মাস্টার — তা বেশ তো, মহাশয় (Ramakrishna)।

    ডাক্তার — আচ্ছা, এখানে না সেখানে? তোমরা যা বল (Kathamrita)। —

    মাস্টার — মহাশয়, এইখানেই হোক, আর সেইখানেই হোক, সকলে আহ্লাদ করে খাব।

    এইবার মা কালীর কথা হইতেছে।

    ডাক্তার — কালী তো একজন সাঁওতালী মাগী। (মাস্টারের উচ্চহাস্য)

    মাস্টার — ও-কথা কোথায় আছে?

    ডাক্তার — শুনেছি এইরকম। (মাস্টারের হাস্য)

    পূর্বদিন শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ ও অন্যান্য ভক্তের ভাবসমাধি (Ramakrishna) হইয়াছিল। ডাক্তারও উপস্থিত ছিলেন। সেই কথা হইতেছে।

    ডাক্তার — ভাব তো দেখলুম। বেশি ভাব কি ভাল?

    মাস্টার — পরমহংসদেব বলে যে, ঈশ্বরচিন্তা করে যে ভাব হয় তা বেশি হলে কোন ক্ষতি হয় না। তিনি বলেন যে মণির জ্যোতিতে আলো হয় আর শরীর স্নিগ্ধ হয়, কিন্তু গা পুড়ে যায় না!

    ডাক্তার — মণির জ্যোতিঃ; ও যে Reflected light!

    মাস্টার — তিনি আরও বলেন, অমৃতসরোবরে ডুবলে মানুষ মরে যায় না। ঈশ্বর অমৃতের সরোবর। তাঁতে ডুবলে মানুষের অনিষ্ট হয় না; বরং মানুষ অমর হয়। অবশ্য যদি ঈশ্বরে বিশ্বাস থাকে।

  • Jan Samarth Portal: ‘জন সমর্থ পোর্টাল’ চালু হওয়ার পর ১,০৬,০০০ কোটি টাকারও বেশি ঋণের আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে, জানাল কেন্দ্র

    Jan Samarth Portal: ‘জন সমর্থ পোর্টাল’ চালু হওয়ার পর ১,০৬,০০০ কোটি টাকারও বেশি ঋণের আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘জন সমর্থ পোর্টাল’ চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১,০৬,০০০ কোটি টাকারও বেশি ঋণের আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে। সোমবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই প্ল্যাটফর্মের (Jan Samarth Portal) মাধ্যমে ৪১ লাখেরও বেশি আবেদনপত্র জমা পড়েছে (Loans)। এর মধ্যে ৩৫ লাখেরও বেশি সুবিধাভোগী ইতিমধ্যেই ৮৪,৩৬৫.৫৫ কোটি টাকার ডিজিটাল অনুমোদন পেয়ে গিয়েছেন।

    জন সমর্থ পোর্টাল (Jan Samarth Portal)

    ২০২২ সালের ৬ জুন চালু হওয়া জন সমর্থ পোর্টালকে মূলত একটি একীভূত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভাবা হয়েছিল, যাতে ঋণ-সংযুক্ত সরকারি প্রকল্পগুলিতে সহজে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা যায়। প্রায় চার বছর পর এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ঋণ বাজারে (digital loan marketplace) পরিণত হয়েছে, যেখানে ব্যক্তি, ব্যবসা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সংস্থাগুলি একক ইন্টারফেসে যুক্ত হয়েছে। এই সাফল্য কেবল সংখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি ভারতের প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ ব্যবস্থায় একটি গভীর পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, বিশেষ করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক এবং সাধারণ মানুষের জন্য, যারা আগে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় প্রবেশে নানা বাধার সম্মুখীন হতেন। বর্তমানে ওই পোর্টালে রয়েছে কৃষি, ক্ষুদ্র ও ছোট ব্যবসা, আবাসন, নবায়নযোগ্য শক্তি এবং জীবিকা উন্নয়ন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১৫টি প্রধান ঋণ-সংযুক্ত সরকারি প্রকল্প। একাধিক প্রকল্পকে একত্রিত করার ফলে আবেদনকারীদের আর বিভিন্ন অফিসে যেতে বা জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্যে যেতে হয় না (Jan Samarth Portal)।

    উল্লেখযোগ্য প্রকল্প

    এই প্ল্যাটফর্মে থাকা উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা, কিষান ক্রেডিট কার্ড, পিএম সভানিধি, প্রধানমন্ত্রীর এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রাম এবং রুফটপ সোলার ফাইনান্সিং স্কিমস (Loans)। এই সব প্রকল্পকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা এবং প্রবেশযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জন সমর্থ পোর্টাল একটি সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম হিসেবে কাজ করে। এতে ইউজাররা সহজেই সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে জানতে পারেন, যোগ্যতা যাচাই করতে পারেন এবং বারবার কাগজপত্র জমা দেওয়া বা ব্যাঙ্কে না গিয়েই ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন। এই সমন্বিত পদ্ধতি ঋণ বিতরণে সময় কমিয়েছে, বাড়িয়েছে দক্ষতা (Jan Samarth Portal)। জানা গিয়েছে, ২০২৬ সালের ২০ মার্চ পর্যন্ত এই প্ল্যাটফর্মে মোট ২৫৪টি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে  টি পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্ক, ২০টি প্রাইভেট সেক্টর ব্যাঙ্কস, ২৮টি রিজিওনাল রুরাল ব্যাঙ্ক, ১৭৩টি জেলা সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কস, ১৫টি  ১৫টি এনবিএফসিস (NBFCs) এবং ৬টি স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্কস। এই বিস্তৃত নেটওয়ার্ক শহর ও গ্রাম উভয় অঞ্চলের আবেদনকারীদের জন্য ঋণপ্রাপ্তি অনায়াস করেছে।

    ঋণদাতার অংশগ্রহণ প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি

    বিভিন্ন ঋণদাতার অংশগ্রহণ প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করেছে এবং পরিষেবার মান উন্নত করেছে। আবেদনকারীরা নিজের পছন্দ অনুযায়ী ঋণদাতা নির্বাচন করতে পারেন, ফলে ভালো শর্ত এবং দ্রুত অনুমোদন পাওয়া যায় (Loans)। এই প্ল্যাটফর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর সহজ এবং ব্যবহারবান্ধব আবেদন প্রক্রিয়া, যা চারটি ধাপে সম্পন্ন করা যায়- এক, ব্যবহারকারী নিজের তথ্য দিয়ে যোগ্যতা যাচাই করতে পারেন, দুই, অনলাইনে আবেদনপত্র জমা দিতে পারেন, পছন্দের ঋণদাতা নির্বাচন করে ডিজিটাল অনুমোদন পেতে পারেন এবং রিয়েল-টাইমে আবেদন ট্র্যাক করতে পারেন। এই পদ্ধতি ঐতিহ্যবাহী ব্যাঙ্কিং প্রক্রিয়ার তুলনায় অনেক দ্রুত এবং সহজ (Jan Samarth Portal)।

    রিয়েল-টাইম মনিটরিং

    এই প্ল্যাটফর্মের কার্যকারিতা শক্তিশালী প্রযুক্তিগত পরিকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল। এটি বিভিন্ন ডেটাবেসের সঙ্গে যুক্ত, যেমন, ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট, জিএসটি নেটওয়ার্ক ইত্যাদি। এর ফলে দ্রুত যাচাই, প্রতারণা কমানো এবং সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে ঋণ অনুমোদন সম্ভব হয়। রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের মাধ্যমে আবেদনকারী ও ঋণদাতা উভয়ই আবেদন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি দেখতে পারেন, যা স্বচ্ছতা ও বিশ্বাস বাড়িয়েছে। জন সমর্থ পোর্টাল অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে তৈরি করা হয়েছে। এটি ৮টি ভাষায় উপলব্ধ এবং ব্যাঙ্কিং প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সহায়তাও দেওয়া হয়, যাতে ডিজিটাল জ্ঞান না থাকলেও মানুষ এটি ব্যবহার করতে পারেন। এই প্ল্যাটফর্ম ওয়েবসাইট এবং অ্যানড্রয়েড এবং আইওএস অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়।

    সরকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন

    এই উদ্যোগ সরকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন (inclusive growth) লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি সাধারণ মানুষকে ব্যবসা, শিক্ষা, আবাসন এবং নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ করতে সক্ষম করছে। এতে একটি গ্রিভেন্স রিড্রেশাল মেকানিজম রয়েছে, যার মাধ্যমে আবেদনপত্র বা ঋণ সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হয় (Loans)। এই প্ল্যাটফর্মের প্রভাব শুধুমাত্র ঋণ অনুমোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নেও অবদান রাখছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক, পথবিক্রেতা এবং স্বনিযুক্ত ব্যক্তিরা সহজে ঋণ পাচ্ছেন।নবায়নযোগ্য শক্তি যেমন, রুফটপ সোলার প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি টেকসই উন্নয়নেও অবদান রাখছে। ১ লাখ কোটি টাকারও বেশি ঋণ আবেদন প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে জন সামর্থ পোর্টাল ভারতের ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কেন্দ্রীয় ও রাজ্য প্রকল্প যুক্ত করা হবে। এই প্ল্যাটফর্ম প্রযুক্তির মাধ্যমে ঋণপ্রাপ্তি সহজ করে নাগরিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ককে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে (Jan Samarth Portal)।

     

  • West Bengal Elections 2026: কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সভার জোর প্রস্তুতি বিজেপির, জোড়া কর্মসূচি ঘিরে উন্মাদনা কর্মীদের

    West Bengal Elections 2026: কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সভার জোর প্রস্তুতি বিজেপির, জোড়া কর্মসূচি ঘিরে উন্মাদনা কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) উপলক্ষে কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবিত জনসভার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রশাসনিক এবং কৌশলগত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ১ এপ্রিল আলিপুরদুয়ার শহরে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা এবং ৫ এপ্রিল কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জনসভা। পদ্ম শিবির দুই কর্মসূচিতেই বড়সড়ো জমায়েতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভোট প্রচারে উত্তরবঙ্গে বিজেপির প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। যদিও উত্তরবঙ্গে বিজেপি গত লোকসভা ভোটেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত স্থানে মঞ্চ নির্মাণ (West Bengal Elections 2026)

    প্রাথমিকভাবে কোচবিহারের একটি নির্দিষ্ট মাঠে এই সভার পরিকল্পনা করা হলেও, দর্শক সমাগম এবং নিরাপত্তার খাতিরে এখন অন্য একটি বড় প্রাঙ্গণ বেছে নেওয়া হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বের মতে, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভায় যে পরিমাণ মানুষের ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তা সামাল দিতে আরও প্রশস্ত জায়গার প্রয়োজন ছিল। নতুন নির্ধারিত স্থানে মঞ্চ নির্মাণ এবং সভার প্রস্তুতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

    প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা

    বিজেপির রাজ্য ও জেলা স্তরের শীর্ষ নেতারা নিয়মিত সভাস্থল পরিদর্শন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজি (SPG) আধিকারিকরাও ইতিমধ্যে কোচবিহারে পৌঁছেছেন এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলছেন। সভাস্থলের চারপাশ সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে এবং ড্রোন নজরদারির পরিকল্পনাও রয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, ১ এপ্রিল বিজেপির পাঁচ প্রার্থী (West Bengal Elections 2026) একসঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ১০ হাজার মানুষের জমায়েতের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই পাঁচ হাজার জমায়েতের কথা বলা হয়েছে। জেলা সদর এই বিধানসভার মধ্যেই রয়েছে। জেলা সভাপতি মিঠু দাস বলেন, “দুটো কর্মসূচিই আমাদের কাছে বড়। সেগুলো সফল করতে বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা চলছে। দুটো কর্মসূচিই সফল হবে।”

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি রয়েছে। নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আগে মোদির (PM Modi) এই সফর কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। সভায় প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি নিয়ে কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহল। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার এই দুই জেলার প্রার্থীদের সমর্থনে কোচবিহার রাসমেলার মাঠে বিজেপির জনসভা হবে। সেখানে আলিপুরদুয়ার থেকে ৩০ হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে যাওয়ার টার্গেট দেওয়া হয়েছে। সেইমতো বিভিন্ন মণ্ডলে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বাবুলাল সাহা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় জেলার সব বুথ থেকেই মানুষজন যাবে। সমস্ত বুথ থেকে ২০-২৫ জন করে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।”

    মনোনয়ন জমা ও রোড শো

    দলীয় পরিকল্পনানুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভার ঠিক পরেই আলিপুরদুয়ারের বিজেপি প্রার্থী (West Bengal Elections 2026) এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে মহকুমা শাসকের দফতরে মনোনয়ন জমা দেবেন। এই মিছিলে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের জনসমর্থন তুলে ধরাই এই ‘মেগা প্ল্যান’-এর মূল উদ্দেশ্য।

    প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক বৈঠক

    কর্মসূচি সফল করতে ইতিমধ্যেই জেলা কমিটির পক্ষ থেকে একাধিক ব্লক ও বুথ স্তরের বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সুশৃঙ্খলভাবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রেখে এই মিছিলে অংশগ্রহণ করা হয়। পুলিশের সঙ্গেও প্রয়োজনীয় সমন্বয় রক্ষা করা হচ্ছে যাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

    বুধবার বিজেপির পাঁচ প্রার্থী নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শহরের চৌপথি এলাকায় বিএম ক্লাবের মাঠে একত্রিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেখান থেকে মিছিল করে নেতা কর্মীরা আসবেন ডুয়ার্সকন্যায়। মনোনয়নপত্র দেওয়ার মিছিলে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কেউ থাকবেন না। তবে রাজ্যের নেতাদের থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। হাতে সময় কম থাকায় এই কর্মসূচি সফল করতে বিজেপিতে কাজের বিভাজন করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বিজেপি এই ধরণের বড় মাপের কর্মসূচি গ্রহণ করছে। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফরের ঠিক পরেই এই মনোনয়ন জমা দেওয়ার কৌশলটি জনমানসে বাড়তি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Oracle Lay Off: ওরাকেলে কর্মীছাঁটাই! বিশ্বজুড়ে কাজ হারালেন ৩০ হাজার কর্মী, ভারতে ১২ হাজার

    Oracle Lay Off: ওরাকেলে কর্মীছাঁটাই! বিশ্বজুড়ে কাজ হারালেন ৩০ হাজার কর্মী, ভারতে ১২ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম মেধাই ভরসা! ওরাকেলে (Oracle) গণছাঁটাই! রাতারাতি ৩০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করল মার্কিন টেক জায়ান্ট সংস্থা ওরাকেল। বিশ্বজুড়ে এই ছাঁটাই পক্রিয়া চলেছে। বাদ যায়নি ভারতও। এ-দেশে বহু কর্মী চাকরি হারিয়েছেন বলে খবর। ভারত থেকে ছাঁটাই হয়েছেন প্রায় ১২ হাজার কর্মী। মঙ্গলবার সকালে ই-মেল-এর মাধ্যমে কর্মীদের ছাঁটাই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     মোট কর্মীর ১৮ শতাংশ কাজ হারালেন

    বেশ কিছুদিন থেকেই ওরাকলে (Oracle Lay Off) ছাঁটাই নিয়ে জল্পনা চলছিল। জানা গিয়েছে, ভোর ৫টা-৬টা নাগাদ কর্মীদের কাছে ছাঁটাই সংক্রান্ত ই-মেল পাঠানো হয়। যে নোটিশ সঙ্গে সঙ্গে কার্যকরী হচ্ছে বলেও কর্মীদের জানানো হয়েছে। ভারতের ১২ হাজার সহ বিশ্বজুড়ে ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় মোট ৩০ হাজার জন কাজ হারিয়েছেন। যা ওরাকেলের মোট কর্মীর ১৮ শতাংশ। সংস্থার পক্ষ থেকে এক ই-মেলে ছাঁটাই কর্মীদের জানানো হয়েছে, “এই পরিবর্তনগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে, সংস্থার কার্যক্রমকে সুবিন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে; যার ফলস্বরূপ—দুর্ভাগ্যবশত—আপনি বর্তমানে যে পদে কর্মরত আছেন, সেই পদটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।”

    কোন কোন শর্তে কাজ হারাচ্ছেন কর্মীরা

    সংস্থার পক্ষ থেকে ভারতে চাকরিরতদের প্রতি পূর্ণ বছরের জন্য ১৫ দিনের বেতনের পাশাপাশি—চাকরি অবসানের তারিখ পর্যন্ত এক মাসের বকেয়া বেতন, জমা থাকা ছুটির মূল্য (leave encashment), যোগ্যতা সাপেক্ষে গ্র্যাচুইটি এবং এক মাসের নোটিশ পিরিয়ডের বেতন প্রদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কোম্পানি ‘টপ-আপ’ হিসেবে অতিরিক্ত দু’মাসের বেতন দেবারও প্রস্তাব দিয়েছে। তবে, এই ‘সেভারেন্স প্যাকেজ’ বা ক্ষতিপূরণ সুবিধা কেবল সেইসব কর্মীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যাঁরা স্বেচ্ছায় এবং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে কোম্পানি থেকে পদত্যাগ করবেন।

    গণছাঁটাই কেন?

    চলতি অর্থবর্ষে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাটির আয় ব্যাপক হারে বেড়েছে। তাহলে গণছাঁটাই কেন? প্রাথমিক ভাবে ৩০ হাজার কর্মীর ছাঁটাইয়ের কথা জানা গেলেও ওরাকেল চাকরি হারানো কর্মীর সংখ্যা নিশ্চিত করেনি। সংবাদসংস্থা এএনআই দাবি করেছে, সবচেয়ে বেশি করে প্রভাব পড়েছে ভারত ও মেক্সিকোয়। এভাবে রাতারাতি ৩০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাইয়ের নেপথ্যে রয়েছে এআই বা কৃত্রিম মেধার উপর সংস্থার ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা।

    কৃত্রিম মেধাই সংস্থার ভবিষ্যৎ

    কৃত্রিম মেধাই সংস্থার ভবিষ্যৎ। সেকথা মাথায় রেখে ডেটা সেন্টার নির্মাণে ওরাকেল সম্প্রতি ১৫৬ বিলিয়ান ডলার বিনিয়োগ করেছে। মূলত ওপেনএআই-এর জন্য বিনিয়োগ। এই বিপুল খরচের অন্যতম কারণ ডেটা সেন্টারের জন্য ৩ মিলিয়ান বিশেষ ধরনের চিপস কেনা। প্রাথমিক বিনিয়োগ ছাড়াও এর জন্য বছরে ৬.৯ বিলিয়ান থেকে ৫০ বিলিয়ান অবধি খরচ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের কারণেই কোম্পানিটি কর্মী ছাঁটাই-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচের পথে হাঁটল।

LinkedIn
Share