Tag: bangla news

bangla news

  • PM Modi: ডাচ প্রধানমন্ত্রীর বিরূপ মন্তব্য, কড়া প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

    PM Modi: ডাচ প্রধানমন্ত্রীর বিরূপ মন্তব্য, কড়া প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন ডাচ প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন। অন্তত এমনই খবর প্রকাশিত হয় সংবাদ মাধ্যমে। এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেদারল্যান্ডস সফর কূটনৈতিকভাবে কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে (Netherlands Trip)। এর জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল নয়াদিল্লি। ঘটনাটি ঘটে প্রধানমন্ত্রীর দু’দিনের দ্য হেগ সফরের সময়। এর মূল উদ্দেশ্যই ছিল ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সেমিকন্ডাক্টর, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক কৌশলগত বিষয়গুলিতে সহযোগিতা আরও জোরদার করা।

    বিতর্কের সূত্রপাত (PM Modi)

    বিতর্কের সূত্রপাত হয় তখন, যখন এক ডাচ সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, কেন মোদি ও জেটেন যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেননি। তিনি ভারতের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে উদ্বেগের প্রসঙ্গ তোলেন। ডাচ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের আগে জেটেন বলেছিলেন যে ডাচ সরকারের ‘ভারতের পরিস্থিতি’ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে, বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘুদের অবস্থা নিয়ে। তবে এই মন্তব্য আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক বৈঠকে করা হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। ভারত এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করে।

    ভারতের প্রতিক্রিয়া

    বিদেশমন্ত্রকের সচিব (পশ্চিম) সিবি জর্জ (Sibi George) জানান, এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত ভারতের ইতিহাস, গণতন্ত্র ও সামাজিক কাঠামো সম্পর্কে ‘বোঝাপড়ার অভাব’ থেকে উঠে আসে। তিনি বলেন, “এই ধরনের প্রশ্ন ওঠে মূলত প্রশ্নকর্তার যথাযথ বোঝার অভাবের কারণে।” ভারতের গণতান্ত্রিক পরিচয় তুলে ধরে জর্জ বলেন, “ভারত একটি ৫,০০০ বছরের প্রাচীন সভ্যতা। ধর্ম, ভাষা, খাদ্য ও সংস্কৃতির দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম বৈচিত্র্যময় সমাজ।” তিনি এও জানিয়ে দেন, হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, জৈনধর্ম এবং শিখধর্ম—সবক’টির উৎপত্তি ভারতে এবং এগুলি এখনও সহাবস্থান করছে। ২,৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতে নির্যাতন ছাড়াই বসবাস করেছে ইহুদি সম্প্রদায়। খ্রিস্টধর্ম এবং ইসলামও শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এদেশে বিকশিত হয়েছে (PM Modi)। ভারতীয় এই কূটনীতিক সাম্প্রতিক নির্বাচন ও ভোটদানের হারকে ভারতের গণতান্ত্রিক শক্তির প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “সম্প্রতি আমাদের দেশে নির্বাচন হয়েছে। ভোটদানের হার কত ছিল, তা জানা দরকার। ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন। এটাই ভারতের সৌন্দর্য (Netherlands Trip)।”

    ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র

    তিনি জানিয়ে দেন, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র, যেখানে শত শত মিলিয়ন ভোটার নিয়মিত রাজ্য ও জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেন। সরকার বরাবরই বলে আসছে যে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর, স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাপক ভোটারের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর দৃঢ়তা প্রমাণ করে (PM Modi)। এদিকে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আন্তর্জাতিক মহলে ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে বিতর্ক বেড়েছে। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (Reporters Without Borders) এবং ফ্রিডম হাউসের (Freedom House) মতো সংস্থা যেসব বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, সেগুলির মধ্যে রয়েছে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, ইন্টারনেট বন্ধ, মিডিয়া মালিকানার কেন্দ্রীকরণ, ধর্মীয় মেরুকরণ, ঘৃণামূলক মন্তব্যের ঘটনা। তবে ভারত সরকার বহু আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিং ও প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট, নির্বাচিত তথ্যভিত্তিক বা ভারতের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন বলে প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে।

    ভারতে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সক্রিয় সংবাদমাধ্যম

    সরকারি কর্তাদের দাবি, ভারতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সক্রিয় সংবাদমাধ্যম রয়েছে, যেখানে হাজার হাজার সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিভিন্ন ভাষায় পরিচালিত হচ্ছে। জর্জ জানিয়ে দেন, ভারতে সংখ্যালঘুরা পদ্ধতিগতভাবে হুমকির মুখে রয়েছে—এমন ধারণা ঠিক নয়। তিনি স্বাধীনতার পর থেকে ভারতে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা বৃদ্ধির উদাহরণ দেন (PM Modi)। তিনি বলেন, “আমরা স্বাধীন হওয়ার সময় ভারতে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা ছিল ১১ শতাংশ। এখন তা ২০ শতাংশেরও বেশি (Netherlands Trip)।” এহেন কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও ভারত নেদারল্যান্ডস-দুই দেশই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে। জেটেন জানান, ভারত ও নেদারল্যান্ডস উভয়েই গণতন্ত্র, সুশাসন এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফরের মূল ফোকাস ছিল, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সবুজ জ্বালানি ও জলবায়ু উদ্যোগ, সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন, সামুদ্রিক লজিস্টিকস, প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব, এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক সমন্বয়।

    নেদারল্যান্ডস ইউরোপে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার এবং শিপিং, জল ব্যবস্থাপনা, কৃষি প্রযুক্তি ও উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (PM Modi)। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গণতন্ত্রকে কীভাবে দেখা হয়, সেই বিতর্ককেও সামনে নিয়ে এসেছে। যদিও ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নিয়মিত নির্বাচন ও সক্রিয় জনঅংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারত এখনও একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে কাজ করছে। সমালোচকদের মতে, ভারতের বৈশ্বিক প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, ভিন্নমত ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে উদ্বেগগুলির ওপর নজর রাখা প্রয়োজন (Netherlands Trip)।

     

  • Janatar Darbar: শুরু হল শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী

    Janatar Darbar: শুরু হল শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কার্যভার গ্রহণের পর প্রথম ‘জনতার দরবার’ (Janatar Darbar) কর্মসূচির সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১ জুন থেকে এই জনসংযোগ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, নির্ধারিত সময়ের দশ দিন পূর্বেই, অর্থাৎ ১৮ মে সল্টলেকের বিজেপি রাজ্য কার্যালয়ে তিনি এই কর্মসূচির আয়োজন করেন। সাধারণ মানুষ নিজের নিজের সমস্যার কথা তুলে ধরলেন বিজেপির এই মুখ্যমন্ত্রীকে। উল্লেখ্য প্রাচীন কাল থেকেই ভারতীয় রাজা-মহারাজারা জনতার দরবারে বসতেন। সাধারন মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতেন।

    রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উপস্থিত হন জনতা (Janatar Darbar)

    সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে। উপস্থিত নাগরিকসমাজ জমি সংক্রান্ত বিরোধ, প্রশাসনিক জটিলতা, স্থানীয় স্তরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সামাজিক সমস্যার কথা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর নিকট উত্থাপন করেন। শিক্ষার্থীসহ সমাজের নানা স্তরের মানুষের এই অভাব-অভিযোগ ও আবেদন অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে শোনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপর জনতার দরবার (Janatar Darbar) থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বেশ কিছু সমস্যার দ্রুত প্রশাসনিক সমাধানের আশ্বাসও প্রদান করেন।

    শপথ গ্রহণের পরেই সিদ্ধান্ত হয়

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মে রাজ্যের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জনগণের অভাব-অভিযোগ সরাসরি শ্রবণের উদ্দেশ্যে এই নিয়মিত জনতার দরবার (Janatar Darbar) কর্মসূচি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। ভারতের প্রশাসনিক ইতিহাসে এই ব্যবস্থার ঐতিহ্য সুপ্রাচীন। আধুনিক ভারতেও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কিংবা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নীতিশ কুমার নিজ নিজ রাজ্যে এই ধরনের সফল জনতার দরবার পরিচালনা করেছেন। এমনকি ২০০১ সালে মধ্যপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উমা ভারতীও তাঁর সরকারি বাসভবনে অনুরূপ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

    প্রথম সপ্তাহেই সুশাসনের ইঙ্গিত

    এদিকে, ভারতীয় জনতা পার্টির (Suvendu Adhikari) রাজ্য শাখার পক্ষ থেকে সামাজিক মাধ্যমে একটি বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে, রাজ্যে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম সপ্তাহেই অর্থাৎ ৯ থেকে ১৬ মে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে বেশ কিছু জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্ত (Janatar Darbar) ও পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, “বিগত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনাধীনে পশ্চিমবঙ্গ যা অর্জন করতে পারেনি, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম সপ্তাহেই সেই সুশাসনের গতি নিশ্চিত করতে শুরু করেছে। এটিই হলো প্রগতিশীল ও নতুন পশ্চিমবঙ্গের প্রকৃত পরিচয়।”

  • Agnimitra Paul: জুন থেকেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পুরোহিত-ইমাম ভাতা, জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

    Agnimitra Paul: জুন থেকেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পুরোহিত-ইমাম ভাতা, জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুষ্টিকরণের রাজনীতিতে ইতি পড়বে বলে নানা সময় জানিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। নবান্নের কুর্সি আঁকড়ে (Agnimitra Paul) থাকতে এই রাজনৈতিক সংস্কৃতির ‘আমদানি’ করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, সোমবার (Religious Assistance) হয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভার ক্যাবিনেট বৈঠক। সেখানে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, জুন মাস থেকেই বন্ধ হচ্ছে ধর্মীয় সব সহায়তামূলক প্রকল্প। ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

    কী জানালেন মন্ত্রী

    সোমবার অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই নীতিগত সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। পরিবর্তনের সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সাংবাদিক সম্মেলনে এসে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও ধরনের স্কলারশিপ বা শিক্ষামূলক অনুদান বন্ধ করা হচ্ছে না; শুধুমাত্র ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে দেওয়া ভাতাগুলিই বন্ধ করা হচ্ছে।

    নবান্নে আয়োজিত এই বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী জানান, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের আওতায় ধর্মীয় শ্রেণিভিত্তিক যেসব আর্থিক সহায়তা বা ভাতা চালু ছিল, সেগুলি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি মাস পর্যন্ত বর্তমান সুবিধাভোগীরা ভাতা পেলেও আগামী মাস থেকে এই প্রকল্পগুলি সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হবে।

    পুরোহিত ভাতা ও ইমাম ভাতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, খুব শীঘ্রই সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত জানানো হবে। একইসঙ্গে তিনি পুনরায় আশ্বস্ত করেন, ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু থাকা বিভিন্ন স্কলারশিপ, বৃত্তি বা শিক্ষা-সহায়তা প্রকল্পের ওপর এই সিদ্ধান্তের কোনও প্রভাব পড়বে না।

    সপ্তম পে-কমিশন ও অন্নপূর্ণা ভান্ডার

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনার লক্ষ্যে সপ্তম পে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, অন্নপূর্ণা যোজনারও অনুমোদন মিলেছে। এছাড়াও, রাজ্যের সমস্ত সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে যাতায়াতের নীতিগত সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আগামী ১ জুন থেকে এই পরিষেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ঘোষণা করা হয়েছে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পাঁচ মন্ত্রী—দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। এছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার অগ্রবাল।

  • Ashok Kirtania: লক্ষ্য ‘দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন’, জাল রেশন কার্ড নিয়ে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    Ashok Kirtania: লক্ষ্য ‘দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন’, জাল রেশন কার্ড নিয়ে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বঙ্গ-বিধানসভার নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে রাজ্যকে ‘দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন’ উপহার দেওয়ার কথা বলেছিলেন (Ration Card) বিজেপির শীর্ষ নেতারাও। পালাবদলের পর প্রতিনয়ত এই চেষ্টাই করে চলেছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই খাদ্য দফতরকে দুর্নীতিমুক্ত করার ডাক দিয়েছিলেন বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বিজেপির অশোক কীর্তনিয়া (Ashok Kirtania)।

    জাল রেশন কার্ড নিয়েও হুঁশিয়ারি (Ashok Kirtania)

    জাল রেশন কার্ড নিয়েও এবার কড়া পদক্ষেপ করার কথা জানালেন তিনি। সাফ জানিয়ে দিলেন, ভারতের নাগরিক না হলে সমস্তরকম সুযোগ-সুবিধা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হবে। রবিবার বনগাঁয় এক সাংবাদিক বৈঠকে খাদ্য ও সমবায়মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া জানান, এসআইআরে যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা কোনও সরকারি সুবিধা পাবেন না। রেশনও পাবেন না। এসআইআরের পরেও ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম ওঠেনি, তাঁদের রেশন কার্ড বাতিল করা হবে। তবে, যেসব ভোটার ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তাঁদের পরিষেবা চালু থাকবে। এসআইআর-উত্তর পর্বে মতুয়া সম্প্রদায়ের অনেকেরই নাম বাদ গিয়েছে ভোটার তালিকা থেকে। সেই সব ভোটারদের অবিলম্বে সিএএ-র জন্য আবেদন করার আর্জি জানান মন্ত্রী।

    মতুয়া সম্প্রদায়কে বার্তা

    তিনি বলেন, “যাঁরা উদ্বাস্তু মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ, তাঁদের কোনও সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে অনেক মানুষ সিএএ-তে আবেদন করেননি। আমি তাঁদের বার বার বলছি, শীঘ্রই আবেদন করুন। সিএএতে আবেদন করলেও তাঁরা কোনও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।’ নয়া খাদ্যমন্ত্রী আরও জানান, অনেক সরকারি কর্মীর নামে রয়েছে বিপিএল তালিকাভুক্ত রেশন কার্ড। তাঁদের দ্রুত কার্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। না হলে কড়া পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারিও দেন মন্ত্রী। দু’-এক দিনের মধ্যেই আধিকারিকদের না জানিয়ে খাদ্য দফতরের বিভিন্ন অফিসে সারপ্রাইজ় ভিজ়িট হবে বলেও জানান তিনি (Ashok Kirtania)।

    আদর্শ মুখ্যমন্ত্রী, লালবাতি গাড়ি ছাড়লেন খাদ্যমন্ত্রী

    এদিকে, মন্ত্রী হওয়ার পর লালবাতি লাগানো গাড়ি পেয়েছেন অশোক। যদিও তিনি চান না তাঁর গাড়িতে লালবাতি থাকুক। বলেন, “আমি সাধারণ মানুষের সঙ্গে থাকতে চাই।” তিনি বলেন, “আমাদের মুখ্যমন্ত্রী লালবাতি ব্যবহার করছেন না। তাই আমিও করছি না।” বনগাঁ উত্তরের দু’বারের বিধায়ক অশোক মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। মন্ত্রী হওয়ার পরেও একটুও বদলাননি মাটির কাছাকাছি থাকা এই মানুষটি। সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে বদ্ধপরিকর রাজ্যের ডাবল ইঞ্জিন সরকার। সেই ব্যবস্থা করতেই রবিবার বনগাঁয় গিয়েছিলেন মন্ত্রী। জমি অধিগ্রহণ করতে স্থানীয়দের সঙ্গে সরকারি তরফে কথা বলাও শুরু হয়েছে। মন্ত্রী জানান, দেশের (Ration Card) সুরক্ষার স্বার্থে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য জমি প্রয়োজন। মালিকদের জমি দেওয়ার অনুরোধও করেন তিনি (Ashok Kirtania)।

     

  • Yuva Bharati Stadium: খুলছে মেসি ফাইল! যুবভারতীর সামনে থেকে ‘বিদঘুটে’ ভাস্কর্য সরানোর নির্দেশ নিশীথের

    Yuva Bharati Stadium: খুলছে মেসি ফাইল! যুবভারতীর সামনে থেকে ‘বিদঘুটে’ ভাস্কর্য সরানোর নির্দেশ নিশীথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের (Yuva Bharati Stadium) ভিভিআইপি (VVIP) প্রবেশদ্বারের সম্মুখে অবস্থিত পূর্বতন শাসকদলের আমলে নির্মিত বিতর্কিত ভাস্কর্যটি অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবগঠিত রাজ্য সরকার। গত রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী ‘ডার্বি’ ম্যাচ উপভোগ করতে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের  ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্টেডিয়ামের নান্দনিক পরিবেশ ও পরিকাঠামো সংস্কারের অংশ হিসেবে এই ভাস্কর্যটি স্থানান্তরের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

    বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল (Nisith Pramanik)

    তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে নির্মিত এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নকশাকৃত এই ভাস্কর্যটিতে মানব অবয়বের নিম্নাংশের ওপর ‘বিশ্ববাংলা’র প্রতীক ও ফুটবল প্রদর্শিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, শিল্পসম্মত উৎকর্ষের অভাব এবং ক্রীড়াঙ্গনের (Yuva Bharati Stadium) প্রবেশদ্বারের নান্দনিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় ভাস্কর্যটি অপসারণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক মন্তব্য করেন, ‘‘শিল্পটির গঠনে এক প্রকার অসঙ্গতি রয়েছে এবং এর কোনও সুনির্দিষ্ট অর্থ বা তাৎপর্য প্রকাশ পায় না। এরকম বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল । আমার তো মনে হয় এই মূর্তি লাগানোর পর থেকেই বিগত সরকারের খারাপ দিন আসা শুরু হয়েছে। তারপর মেসি কাণ্ড হল, সরকার চলে গেল। এমন একটা মূর্তি যার কোনও অর্থ নেই, কোনও মানে নেই সেটা আমরা রাখব না, আমরা পরিবর্তন করব।’’ তিনি মজা করে আরও বলেন, ‘‘এই ভাস্কর্যটি স্থাপনের পর থেকেই পূর্বতন সরকারের শাসনব্যবস্থায় নানাবিধ জটিলতা ও বিপর্যয় দৃশ্যমান হয়েছিল।’’

    ফুড কোর্ট স্থাপন করা হবে

    ভাস্কর্য অপসারণের পাশাপাশি যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগত সংস্কারের কথা ঘোষণা করেন ক্রীড়ামন্ত্রী। তিনি বলেন, “স্টেডিয়াম চত্বরে দর্শকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যুক্ত ফুড কোর্ট (Food Court) স্থাপন করা হবে। সেখানে পরিবেশিত খাবারের গুণগত মান কঠোরভাবে বজায় রাখতে ফুড টেস্টিং অফিসার বা খাদ্য পরিদর্শকদের নিয়মিত নিয়োজিত করা হবে, যা দর্শকদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবে।” ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে তিনি আরও জানান যে, প্রশাসনিক ব্যস্ততা না থাকলে যুবভারতীতে (Yuva Bharati Stadium) আয়োজিত ফুটবল ও ক্রিকেট ম্যাচগুলোতে তিনি সশরীরে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড় ও দর্শকদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করবেন।

    মেসি ফাইল’ ওপেন

    সাংবাদিক বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীত প্রামাণিক বিগত সময়ে যুবভারতীকে (Yuva Bharati Stadium) কেন্দ্র করে ঘটা বহুল আলোচিত ‘মেসি ফাইল’ বা ম্যাচ সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের তদন্ত প্রসঙ্গেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন, যেসকল ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে প্রতারিত ও অসম্মানিত বোধ করেছিলেন, সরকার তাঁদের সেই সম্মান ও অধিকার ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর। সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং দর্শকদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে ক্রীড়া মন্ত্রক সর্বতোভাবে সহায়তা প্রদান করবে।

  • Nabanna Cabinet Meeting: নবান্নে বড় ঘোষণা! সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম পে কমিশনে সিলমোহর, মহিলাদের জন্য ফ্রি বাস ও ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’

    Nabanna Cabinet Meeting: নবান্নে বড় ঘোষণা! সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম পে কমিশনে সিলমোহর, মহিলাদের জন্য ফ্রি বাস ও ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হলো নতুন বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠক। সরকার গঠনের পর এটি ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক, যেখানে রাজ্যের সাধারণ মানুষ, বিশেষত মহিলা ও সরকারি কর্মচারীদের স্বার্থে একাধিক বড় ও তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্তগুলির বিস্তারিত ঘোষণা করেন। তাঁর কথায়, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মানুষের জন্য দ্রুত কাজ শুরু করেছে এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিকে ফের সক্রিয় করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

    সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম পে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত

    দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অন্যতম বড় দাবি ছিল কেন্দ্রীয় হারে বেতন কাঠামো এবং মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে আজকের বৈঠকে সপ্তম পে কমিশন (7th Pay Commission) গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, এর ফলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতন পুনর্বিবেচনা, বকেয়া ডিএ এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সংক্রান্ত জট দ্রুত কাটতে পারে। যদিও কমিশনের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো, সদস্য তালিকা এবং কার্যকর হওয়ার সময়সীমা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। সাধারণত ১০ বছর অন্তর কেন্দ্র ও রাজ্য পে কমিশন গঠন করে। রাজ্যে ষষ্ঠ পে কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর। রাজ্য মন্ত্রিসভা সপ্তম পে কমিশনে সিলমোহর দেওয়ার পর বেতন বৃদ্ধির অঙ্ক নিয়েও চলছে জল্পনা।সরকারি কর্মীরা বলছেন, সপ্তম পে কমিশন গঠন হয়ে কার্যকর হলে, একলাফে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে কর্মীদের বেসিক পে।

    প্রতিশ্রুতি পালন বিজেপির

    নির্বাচনী ইস্তেহার থেকে প্রচারে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, রাজ্যে ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে সপ্তম পে কমিশন। তার ফলে বেতন পরিকাঠামোয় বদল আসবে। ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশ হয়েছে। রাজ্যে পালা বদল ঘটেছে। গত ৯ মে, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার ঠিক ৯ দিনের মাথায় দ্বিতীয় বৈঠকে সপ্তম পে কমিশনে সায় দিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “আমরা আগে থেকেই বলেছিলাম, শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, প্রশাসনিক কাজেও গতি আনা হবে। সরকার গঠনের পর থেকেই মানুষের জন্য কাজ শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি ফের রাজ্যে চালু করাই আমাদের লক্ষ্য।” যদিও ডিএ নিয়ে এদিনের বৈঠকে কোনও আলোচনা হয়নি। তবে তা অ্যাজেন্ডায় রয়েছে বলেই জানান মন্ত্রী। রাজ্য সরকারের এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি সরকারি কর্মীরা।

    ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর বদলে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’

    সবচেয়ে বড় ঘোষণা এসেছে রাজ্যের বহুল জনপ্রিয় মহিলা সহায়তা প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ নিয়ে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, প্রকল্পটির নাম পরিবর্তন করে নতুনভাবে চালু করা হবে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ নামে। ক্যাবিনেট সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আওতায় আর্থিক সহায়তা পেতেন, তাঁদের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্পে স্থানান্তরিত করা হবে। ফলে পুরনো উপভোক্তাদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন হবে না। আগের মতোই সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।

    নতুন অনলাইন পোর্টাল চালু শীঘ্রই

    এছাড়া, যাঁরা এখনও এই প্রকল্পের সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য খুব শীঘ্রই একটি নতুন অনলাইন পোর্টাল চালু করা হবে। সেখান থেকে আবেদন করে নতুন উপভোক্তারা এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ-র জন্য আবেদনকারীদেরও এই প্রকল্পের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, যাঁরা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তাঁরাও ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর সুবিধা পাবেন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    ১ জুন থেকে মহিলাদের জন্য সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত

    মহিলাদের জন্য আরও একটি বড় স্বস্তির ঘোষণা করেছে নতুন সরকার। আগামী ১ জুন থেকে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সরকারি বাসে মহিলারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, এই উদ্যোগের ফলে কর্মজীবী, ছাত্রী, গৃহবধূ এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মহিলাদের যাতায়াত ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। মন্ত্রী আরও জানান, জুন মাসে পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের পর রাজ্যে নতুন বাস নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস (E-Bus) পরিষেবা সম্প্রসারণে।

    রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বার্তা

    বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভা বৈঠক থেকেই স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে মহিলা কল্যাণ, সরকারি কর্মীদের আর্থিক দাবি এবং গণপরিবহণ—এই তিন ক্ষেত্রকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। বিশেষ করে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ ও বিনামূল্যে বাসযাত্রার মতো সিদ্ধান্ত আগামী দিনে রাজনৈতিকভাবে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। জুনের পূর্ণাঙ্গ বাজেটের দিকে এখন নজর থাকবে রাজ্যবাসীর, কারণ সেখানেই এই ঘোষণাগুলির আর্থিক কাঠামো এবং বাস্তবায়নের রূপরেখা স্পষ্ট হতে পারে।

  • Shamik Bhattacharya: “তোমাকে মিস করছি… হে বীর”, অভিষেককে কটাক্ষ শমীকের, ফলতায় সংখ্যালঘুদের আশ্বাস বিজেপির

    Shamik Bhattacharya: “তোমাকে মিস করছি… হে বীর”, অভিষেককে কটাক্ষ শমীকের, ফলতায় সংখ্যালঘুদের আশ্বাস বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের আসন্ন উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। গত শনিবার এই কেন্দ্রে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মনোনীত প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে আয়োজিত একটি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি শাসকদলের প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের কড়া সমালোচনা করেন। এর ঠিক পরদিনই, অর্থাৎ রবিবার, ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে এক ভিন্ন রাজনৈতিক কৌশল অবলম্বন করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করার পাশাপাশি, তাঁকে ফলতায় এসে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সশরীরে প্রচার করার আহ্বান জানান শমীক।

    রাজনৈতিক দাপট আজ অপ্রাসঙ্গিক (Shamik Bhattacharya)

    আগামী ২১ মে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। শনিবারের সভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি প্রার্থীকে ন্যূনতম এক লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জয়ী করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলেন। রবিবার শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) সেই লক্ষ্যমাত্রাকে আরও প্রসারিত করে সোয়া লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জয়ের দাবি জানান। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক পরিহাসের সুরে তিনি বলেন, “প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং পুলিশি বেষ্টনী ব্যতিরেকে শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের চিরাচরিত রাজনৈতিক দাপট আজ অপ্রাসঙ্গিক। তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক যদি ফলতায় নির্বাচনী প্রচারে আসেন, তবে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মী সমর্থকেরা তাঁকে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক সৌজন্য প্রদর্শন করবেন। হে বীর তোমায় মিস করছি, তুমি এসো। যিনি বলেছিলেন ডিজে বাজাবেন, আমি বলছিলাম হারমোনিয়াম, জলতরঙ্গও বাজাতে পারেন। সব বাড়ির মধ্যে। যাঁরা লড়াই  করবেন বলছিলেন, বাড়িতে এখন শ্যাডো প্র্যাক্টিস করছেন। যাঁরা বিশু ছিলেন তাঁরা এখন শিশু হয়ে গেছেন। আর পথ নেই।”

    তৃণমূলের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের

    উল্লেখ্য, বিগত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী জাহাঙ্গির খান তাঁর অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে রাজনৈতিক মহলে পরিচিত। তবে শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) অভিযোগ করে বলেন, “রাজ্যে তৃণমূলের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের পর বর্তমান পরিস্থিতিতে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার কার্য পরিচালনায় শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে এক প্রকার অনীহা ও জড়তা নজরে আসছে। বিগত পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় বিজেপি কর্মীদের ওপর নানাভাবে রাজনৈতিক হিংসার দৃষ্টান্ত লক্ষ্য করা গিয়েছে। সমস্ত প্রতিকূলতা অতিক্রম করে বিজেপি কর্মীরা যেখানে সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় রয়েছেন, সেখানে শাসকদলের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি আজ অত্যন্ত সীমিত।”

    সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    উক্ত সমাবেশ থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও ইতিবাচক বার্তা প্রদান করেন। শমীক (Shamik Bhattacharya) আশ্বস্ত করে বলেন, “সাধারণ সংখ্যালঘু নাগরিকদের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির কোনও আদর্শগত বা রাজনৈতিক বিরোধ নেই। দেশকে নিজের মাতৃভূমি হিসেবে গভীর প্রত্যয়ের সাথে গ্রহণ করেন এবং বিজেপি সর্বদা আপনাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রাজ্যে বর্তমানে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তন ঘটেছে এবং শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে আইনি শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে, কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করে, তবে প্রশাসন আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

    দ্রুত এই অঞ্চলে শিল্পায়ন

    ফলতার স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশ্যে শমীক (Shamik Bhattacharya) ভট্টাচার্য জানান, সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক উপায়ে এবং কোনও প্রকার ভীতি ব্যতিরেকে তাঁরা নিজেদের প্রচার কর্মসূচি ও জনসভা পরিচালনা করতে পারেন; বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও রূপ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হবে না। তবে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের পুনরায় রাজনৈতিক ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণ নাকচ করে দেন তিনি। পরিশেষে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অর্থনৈতিক অনগ্রসরতা দূরীকরণের আশ্বাস দিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি উল্লেখ করেন, নবগঠিত সরকার দ্রুত এই অঞ্চলে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বাস্তবায়ন করবে, যাতে স্থানীয় যুবসমাজকে জীবিকার তাগিদে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে ভিন রাজ্যে গমন করতে না হয়।

    বিজেপির প্রতিকে টেপ লাগানো হয়েছিল

    উল্লেখ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে তৃণমূলের সর্বভারতীয়  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, “যারা আমাদেরকে এসে ধমকাচ্ছে, বাংলার মাটিতে এসে বাঙালিকে চমকাচ্ছে, ‘উল্টা করকে লটকা দেগা’, আমি বলব, সৎ সাহস থাকলে ৪ তারিখ বাংলায় থাকবেন। বেলা ১২টার পর কথা হবে, দেখা হবে। কে কাকে উল্টো করে টাঙায়, বাংলার মানুষ দেখিয়ে দেবে ৪ তারিখ।”

    ফলতায়  এদিন তা নিয়েও বক্তব্য রাখেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “ডায়মন্ড হারবারের কিছু অংশের মানুষকে বোঝানো হয়েছিল, বিরোধী বলে কিছু রাখতে নেই। এখন আমরা বলছি, উত্তরাধিকার কেমন আছ? হয় সোমা ঘোষকে পাঠাচ্ছি লালপার সাদা শাড়ি পড়ে বরণ করবে,  আর নয়তো গ্রিন করিডর করে দিচ্ছি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাড়ি চলে যাও। কী যেন বলে ছিলে, হোদল কুতকুত।”

    তবে ৪ মে ফলাফল ঘোষনার পর তৃণমূলের যে ভরাডুবি হয়েছে তার জেরে বড় নেতাদের আনাগোনা কমে গিয়েছে । এই কেন্দ্রে ব্যাপক ছাপ্পা এবং বিজেপির প্রতীকে টেপ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কমিশনের কাছে নালিশ যেতেই ২১ মে ফের আরেকবার ভোট গ্রহণ হবে।

  • Chaos at Park Circus: ভিড়ে মিশে বহিরাগতরা, আগাম ইন্টেলিজেন্স ছিল, কীভাবে পার্ক সার্কাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করল কলকাতা পুলিশ?

    Chaos at Park Circus: ভিড়ে মিশে বহিরাগতরা, আগাম ইন্টেলিজেন্স ছিল, কীভাবে পার্ক সার্কাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করল কলকাতা পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার প্রতিবাদে অশান্ত পার্ক সার্কাস (Chaos at Park Circus) সেভেন পয়েন্ট। বেআইনি জমায়েত, রাস্তা অবরোধের চেষ্টা। রবিবার অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ইটবৃষ্টি করে। পুলিশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলায় জখম হয়েছেন একাধিক পুলিশকর্মী। ভাঙচুর করা হয়েছে পুলিশের গাড়ি ও একটি বাসও। পুলিশ সূত্রে খবর, তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দাদের নামে এই জমায়েত হলেও সেখানে বাইরের লোকও উপস্থিত ছিল।

    কীভাবে চলে হামলা

    পুলিশের দাবি, জমায়েতের কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এগিয়ে গেলে আচমকাই তাদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ঘটনার জেরে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পুলিশবাহিনী। কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও (Central Forces) ঘটনাস্থলে নামানো হয়েছে বলে খবর। ঘটনা প্রসঙ্গে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অসীম বিশ্বাস জানান, অবৈধ জমায়েত হয়েছিল। রাস্তা অবরোধের চেষ্টা চলছিল। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে পুলিশের উপর হামলা করা হয়। পুলিশের তিনটি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পাশেই থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর একটি বাসেও বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ।

    কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনল পুলিশ

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের ৩ জন আহত হন। ঘটনার পর কড়া পদক্ষেপ পুলিশের। গ্রেফতার করা হয়েছে ২০ জনকে। ধৃতদের মধ্যে একজন ফেসবুক লাইভ করে আজ জমায়েতের ডাক দিয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে। তিনি আরও জানান, গোটা ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামলায় জড়িত কাউকেই ছাড়া হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারিও দেন পুলিশকর্তা। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অশেষ বিশ্বাস এই ঘটনার তাব্র নিন্দা করেন। ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও।

    কেন অশান্ত পার্ক সার্কাস

    গত ১২ মে তিলজলা থানা এলাকার জিজে খান রোডের একটি চারতলা বাড়ির দোতলায় থাকা কারখানায় আগুন লাগে। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের তদন্তে প্রাথমিক ভাবে ওই ঘটনায় বেআইনি বাড়ি, বেআইনি কারখানার মতো বিষয় সামনে এসেছে। আগুন লাগার ঘটনার পরেই তিলজলার ওই বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভাঙা শুরু হয়। তবে তার উপর কলকাতা হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, পার্ক সার্কাসে রবিবার দুপুরে বিক্ষোভের মূল কারণ তিলজলায় বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙা। পুলিশের একাংশের দাবি, শনিবার রাতেই পার্ক সার্কাসে রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা হয়, তবে সেই সময়ে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রের খবর, রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে পার্ক সার্কাসে বিক্ষোভ দেখানোর ডাক দেওয়া হয়। এ দিন দুপুর ২টো নাগাদ প্রায় ৪০০ জনের একটি জমায়েত দেখা যায় পার্ক সার্কাস সাত মাথার মোড়ে। ওই বিক্ষোভ ও অবরোধের জেরে ঘণ্টা খানেক রাস্তা বন্ধ ছিল। রবিবার হওয়া সত্ত্বেও ব্যস্ত ওই তল্লাটে স্বভাবতই যানজট হয়

    বাইরের লোকও মিশেছিল দাবি পুলিশের

    তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে বুলডোজার ব্যবহারের প্রতিবাদে পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্টে উপস্থিত হন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশের বক্তব্য, স্থানীয় বাসিন্দাদের এই অবৈধ জমায়েতে বাইরের লোকও মিশে ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ইন্টেলিজেন্সের তথ্য পেয়ে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল পুলিশ। সেজন্য বড় ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানালেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অশেষ বিশ্বাস। তিনি বলেন, “অবৈধ জমায়েত হয়েছিল। রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করছিল। পুলিশ হঠাতে গিয়েছিল। তখন পুলিশের উপর হামলা চালায়। পুলিশের তিনটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়।” ডেপুটি কমিশনার (সাউথ–ইস্ট ডিভিশন বা এসইডি) সৈকত ঘোষ জানান, এ দিনের ঘটনায় কলকাতা পুলিশের এক জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার, বেনিয়াপুকুর থানার ওসি এবং কয়েক জন পুলিশকর্মী, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাসচালক ও সাধারণ মানুষ— সব মিলিয়ে জনা দশেক আহত হয়েছেন।

    ইন্টেলিজেন্সের তথ্য ছিল, বড় কিছু হয়নি

    পুলিশের উপর হামলাকারীদের ছাড়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “এর পিছনে কারা রয়েছে, আমরা খতিয়ে দেখছি। আমাদের কাছে তথ্য এসেছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বাইরে থেকেও লোক এসেছিল। আমরা সব খতিয়ে দেখছি। কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা কাউকে ছাড়ব না। কড়া পদক্ষেপ করা হবে। আমাদের ৩ পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। আমাদের কাছে ইন্টেলিজেন্সের তথ্য ছিল। আমরা তৈরি ছিলাম। সেজন্য বড় কিছু হয়নি।” বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশের উপর হামলা হলে লাঠিচার্জ হবেই। জেন্ডার দেখা হবে না।” রাজ্যের শাসকদল বিজেপির অন্যতম মুখপাত্র দেবজিত সরকার বলেন, ‘সংবিধান স্বীকৃত আইনের কোনও বিরোধিতা করা যাবে না। সকলকে সংবিধান ও দেশের আইন মেনে চলতে হবে। না–মানলে পুলিশ পদক্ষেপ নেবে। রাজ্য সরকারের পুলিশ পদক্ষেপ করায় তাদের অভিনন্দন।’

  • PM Modi Sweden Visit: বিশ্বকবির ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ উপহার বিনিময় মোদি-ক্রিস্টারসনের, সামনে এল ১০০ বছরের ইতিহাস

    PM Modi Sweden Visit: বিশ্বকবির ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ উপহার বিনিময় মোদি-ক্রিস্টারসনের, সামনে এল ১০০ বছরের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও সুইডেনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতে বিশেষ উপহার বিনিময় করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। রবিবার সুইডেনে পৌঁছনোর পর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এই প্রতীকী উপহার বিনিময় বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, কারণ এ বছর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক সুইডেন সফরের শতবর্ষও উদযাপিত হচ্ছে।

    কী উপহার পেলেন নরেন্দ্র মোদি?

    সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উপহার দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে লেখা দুটি এপিগ্রামের (সংক্ষিপ্ত কাব্যপংক্তি) প্রতিলিপি। এর সঙ্গে ছিল একটি ব্যাখ্যামূলক নোট এবং ১৯২১ সালে রবীন্দ্রনাথের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয় সফরের সময় তোলা একটি ঐতিহাসিক আলোকচিত্র। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, এই মূল নথিগুলি সম্প্রতি সুইডিশ ন্যাশনাল আর্কাইভস থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলি রবীন্দ্রনাথের ১৯২১ এবং ১৯২৬ সালের সুইডেন সফরের সময় রচিত।

    কী উপহার দিলেন নরেন্দ্র মোদি?

    অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনাবলীর একটি বিশেষ সংকলন। সঙ্গে ছিল শান্তিনিকেতনের শিল্পীদের হাতে তৈরি একটি কারুকার্যখচিত ব্যাগ, যার নকশায় ব্যবহার করা হয়েছে সেইসব মোটিফ যা রবীন্দ্রনাথ নিজে স্থানীয় কারিগরদের ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে বেছে নিয়েছিলেন।

    কবিগুরুর সুইডেন সফর…

    সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ব্যাগটি রবীন্দ্রনাথের সেই দর্শনের প্রতীক, যেখানে শিল্পকে শুধুমাত্র গ্যালারির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, বুদ্ধিবৃত্তিক শিল্পচর্চা এবং ব্যবহারিক জীবনের মধ্যে সেতুবন্ধনই ছিল তাঁর ভাবনার মূল ভিত্তি। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্যক্তিগত কারণে সুইডেনে গিয়ে পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেননি। পরবর্তীতে ১৯২১ সালে সুইডেন সফরকালে তাঁকে রাজা পঞ্চম গুস্তাভ অভ্যর্থনা জানান। সেই সফরই ভারত-সুইডেন সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

    ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

    উপহার বিনিময়ের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুইডেন সফর কূটনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। দুই দিনের সফরে তিনি সুইডেনের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মানগুলির অন্যতম ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার, ডিগ্রি কমান্ডার গ্র্যান্ড ক্রস’-এ ভূষিত হন। ভারত-সুইডেন সম্পর্ক উন্নয়নে অসামান্য অবদান এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। দুই দেশের প্রতিনিধিদল-স্তরের বৈঠকে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), উদীয়মান প্রযুক্তি, স্টার্টআপ, গ্রিন ট্রানজিশন এবং স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খল নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। ২০২৫ সালে ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৭.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে দুই পক্ষই আশাবাদী।

    রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে ভারত-সুইডেন সাংস্কৃতিক কূটনীতি

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কেন্দ্র করে এই সাংস্কৃতিক কূটনীতি শুধুমাত্র ঐতিহাসিক সম্পর্কের পুনরুজ্জীবন নয়, বরং ভারত-সুইডেন সম্পর্ককে মানবিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তিতেও আরও শক্তিশালী করার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। মোদির এই সফর প্রমাণ করল, কূটনীতির ভাষা শুধু বাণিজ্য বা প্রতিরক্ষা নয়—সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং সাহিত্যও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।

  • Chandranath Rath Murder: ‘বিচার হবে’, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে কান্নাভেজা চোখে কথা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    Chandranath Rath Murder: ‘বিচার হবে’, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে কান্নাভেজা চোখে কথা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রতিটি অন্যায়ের ‘বিচার হবে’। খুন হওয়া আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath Murder) বাড়িতে গিয়ে আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সদ্য নির্বাচনের ফলাফল জানা গিয়েছে তখন। বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে বিজেপি। তখনও সিদ্ধান্ত হয়নি যে, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) হবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যেই ঘটে যায় ভয়াবহ ঘটানা। মধ্যমগ্রামের কাছে রাস্তার ওপর গাড়ি দাঁড় করিয়ে, নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। ভয়ঙ্কর সেই রাতের পর ১১ দিন অতিবাহিত। রবিবার, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে তাঁর বাড়ি গিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে ভিজল তাঁর চোখও।

    মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে

    রবিবার চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছে তাঁর দেশের বাড়ি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে। সন্ধ্যায় চণ্ডীপুর এলাকায় চন্দ্রনাথের বাড়িতে পৌঁছন শুভেন্দু। আপ্তসহায়কের ছবিতে মালা দিয়ে তিনি কথা বলেন চন্দ্রনাথের মা-সহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কান্নায় ভেঙে পড়েন পুত্রহারা হাসিরানি রথ। মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার পর চন্দ্রনাথের মা বলেন, ‘‘উনি যে আমার বাড়িতে এসেছেন, সেটা আমার পরম সৌভাগ্য। আমার ছেলেকে মনে রেখেছেন উনি। অনেকেই পদ পাওয়ার পর সব ভুলে যান। কিন্তু উনি এসে কান্নাকাটি করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, তিনি আমাদের পাশে আছেন। দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দেবেন উনি। মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে। আশা রাখছি, ছেলের খুনের বিচার হবে।’’

    দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী

    চন্দ্রনাথের খুনের তদন্তে রাজ্য পুলিশ সিট গঠন করে। সুদূর উত্তরপ্রদেশ থেকে দু’জন এবং বক্সার থেকে এক ‘শার্প শুটার’কে গ্রেফতার করে আনে তারা। কিন্তু মূল চক্রী কে, কার ষড়যন্ত্রে এই খুন, তা এখনও জানা যায়নি। আপাতত এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে। হাসি জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে বলেছেন চন্দ্রনাথকে তিনি নিরাপত্তার মধ্যে থাকতে বলেছিলেন। কিন্তু সে কথায় আমল দেননি তাঁর পুত্র। মহিলার কথায়, ‘‘হয়তো ভবানীপুরের হার মেনে নিতে পারেনি মাননীয়া। সে জন্য আমার ছেলেকে খুন হতে হল। যাঁরা আমার ছেলেকে মেরেছে, তাদের কঠোর শাস্তি হোক। মুখ্যমন্ত্রীর উপর আমাদের আস্থা আছে। উনিও দোষীদের কঠোর শাস্তি চেয়েছেন। আমরা বিচার চেয়েছি। সিবিআইয়ের তদন্ত এগোলে সবটা জানতে পারব।’’

LinkedIn
Share