Tag: bangla news

bangla news

  • Fuel Price: জনগণের স্বস্তি, স্থিতিশীল দাম! পেট্রল-ডিজেলের অন্তঃশুল্ক কমিয়ে বিরাট পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Fuel Price: জনগণের স্বস্তি, স্থিতিশীল দাম! পেট্রল-ডিজেলের অন্তঃশুল্ক কমিয়ে বিরাট পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আবহে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। পেট্রোল-ডিজেলে (Petrol-Diesel) কমানো হল অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক বা স্পেশাল অ্যাডিশনাল এক্সাইজ ডিউটি (Special Additional Excise Duty)। অন্য সময়ে এই আবগারি শুল্ক কমানো হলে, পেট্রোল পাম্পগুলিতে ভিড় লেগে যেত। দাম কমে যেত পেট্রোল-ডিজেলের। তবে এবার ব্যতিক্রম। আজ, শুক্রবার (২৭ মার্চ) কেন্দ্রীয় সরকার পেট্রোলের উপরে স্পেশাল অ্যাডিশনাল এক্সাইজ ডিউটি কমিয়ে প্রতি লিটারে ৩ টাকা করা হয়। ডিজেলের উপরে এই আবগারি শুল্ক সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়েছে। মোট ১০ টাকা করে শুল্ক কমানো হয়েছে। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর পেট্রলের উপর চাপানো শুল্ক ১৩ টাকা থেকে কমে দাঁড়াল ৩ টাকা।

    বিশ্ববাজারে তেলের দাম লাগাতার বৃদ্ধি

    পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতার কারণে বর্তমানে ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৪৯ ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। বিশ্ববাজারে গত কয়েক সপ্তাহে তেলের দাম লাগাতার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ভারতের অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি পেট্রোল-ডিজেলের দাম বিশেষ একটা বাড়ায়নি। দাম বেড়েছে প্রিমিয়াম জ্বালানির। এছাড়া নায়ারা এনার্জি তাদের পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়িয়েছে। এই আবহে কেন্দ্রের আবগারি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত।

    দেশে বাড়বে না জ্বালানির দাম!

    ওয়াকিবহাল মহল বলছে, রিটেল প্রাইজ অর্থাৎ যে দামে সাধারণ মানুষ পেট্রোল-ডিজেল কেনে, তা কমানোর বদলে আবগারি শুল্ক কমানো হয়েছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি থেকে অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলিকে সুরক্ষা দিতেই। এতে জ্বালানির দাম কমার বদলে বরং যে দাম বর্তমানে রয়েছে, তা যাতে আর না বাড়ে, তার চেষ্টাই করা হবে। নায়ারা এনার্জির পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধিও সেই কারণেই হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ায়, দেশীয় সংস্থাগুলির উপরেও চাপ বাড়ছে। তবে সরকারের এই আবগারি শুল্ক ছাড় দেওয়ায় আপাতত আর জ্বালানির দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    বিভিন্ন সূত্রে খবর, অন্তঃশুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তে সরাসরি সাধারণ মানুষের লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা কমই। দেশের তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলি (ওএমসি)-র ক্ষতি লাঘব করতে এই সিদ্ধান্ত। এর ফলে সরকার রাজস্বও হারাবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভারতীয় সংস্থাগুলি যে অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তার উপর সরকার অন্তঃশুল্ক নেয়। গত বছরই সেই শুল্ক বাড়িয়েছিল মোদি সরকার। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। তবে ভারতের বাজারে এখনও পর্যন্ত সাধারণ পেট্রল, ডিজেলের দাম বাড়েনি। এর ফলে ভারতীয় সংস্থাগুলিকে অনেকটাই ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই ক্ষতির ধাক্কা সামলে নিতেই অন্তঃশুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    জনগণের স্বার্থে সিদ্ধান্ত

    কেন অন্তঃশুল্ক কমানোর পথে হাঁটল সরকার? কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী জানিয়েছেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সরকারে কাছে দু’টি পথ খোলা ছিল। এক, অন্য দেশের মতো ভারতে পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়িয়ে দেওয়া। আর দুই, আর্থিক ক্ষতি মেনে নিয়ে দেশবাসীকে মূল্যবৃদ্ধির থেকে রক্ষা করা। মোদি সরকার দ্বিতীয় পথটা বেছে নিয়েছে বলে জানান পুরী। ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা যুদ্ধের আবহে আন্তর্জাতিক বাজারে চড়চড় করে বাড়তে পারে পেট্রোল ডিজেলের দাম। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চড়তে পারে দেশের মধ্যেও জ্বালানির দর। তবে এই মুহূর্তে এই কোপ যাতে দেশের মানুষের ঘাড়ে না পড়ে, তার জন্য বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। আর তার জেরে কমে যেতে পারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম! মনে করা হচ্ছে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানির দাম উত্তুঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা থেকে মুক্তি মিলবে। না কমলেও থিতু থাকতে পারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম।

    কমল বিমানের জ্বালানির দামও

    পেট্রোল-ডিজেলের সঙ্গেই এভিয়েশন টার্বাইন ফুয়েলের উপর অন্তঃশুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। প্রতি লিটারে ৫০ টাকা অন্তঃশুল্ক কমে হল ২৯ টাকা ৫০ পয়সা। জ্বালানির দাম বাড়ায় যাতে বিমানের টিকিটের দাম না বাড়ে, সেদিকে তাকিয়ে পদক্ষেপ কেন্দ্রের। বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে। প্রথমত, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। জ্বালানির দাম বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবহণ খরচে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে শুল্ক কমিয়ে সরকার সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কমানোর চেষ্টা করছে।

    গ্যাসের সংকটও হবে না

    ইরানের উপর আমেরিকা-ইজরায়েলের হামলা এবং তেহরানের প্রত্যাঘাতের আগে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানির অর্ধেকেরও বেশি সৌদি আরব ও ইউএই-র মতো পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে আসত। তবে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের হামলার পর ইরান হরমুজ প্রণালী কার্যত অবরুদ্ধ রেখেছিল। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে। কয়েকটি দেশের জাহাজ পারাপারের ‘অনুমতি’ দিয়েছে ইরান। সেই তালিকায় রয়েছে ভারতের কয়েকটি জাহাজও। তবে উৎকণ্ঠা কাটছে না। এরই মধ্যে মোদি সরকার বার বার আশ্বস্ত করছে, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল বা গ্যাস মজুত রয়েছে। ভারতে কত দিনের তেল এবং গ্যাস মজুত রয়েছে, তার পরিসংখ্যানও দিয়েছে কেন্দ্র। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশে যা অশোধিত তেল মজুত রয়েছে, তা দিয়ে ৬০ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে। এই সময়ের মধ্যে বিশ্বে বড় কোনও সঙ্কট হলেও তেলের জোগান ব্যাহত হবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে। এ-ও জানানো হয়েছে, আমেরিকা, রাশিয়ার মতো দেশ থেকে গ্যাসবাহী জাহাজ খুব শীঘ্রই ভারতের বন্দরগুলিতে ঢুকবে। ইতিমধ্যেই ৮০০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস আমদানি সুনিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে এক মাস পরেও গ্যাসের সঙ্কট হবে না।

  • Waqf Properties: ‘উমিদ’ সেন্ট্রাল পোর্টালে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় বাতিল বাংলার ৩,৫০৯টি ওয়াকফ সম্পত্তি

    Waqf Properties: ‘উমিদ’ সেন্ট্রাল পোর্টালে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় বাতিল বাংলার ৩,৫০৯টি ওয়াকফ সম্পত্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল শাসিত বঙ্গে ‘উমিদ’ (UMEED) সেন্ট্রাল পোর্টালে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় ৩,৫০৯টি ওয়াকফ সম্পত্তি (Waqf Properties) বাতিল করা হয়েছে। পোর্টালটিতে আপলোড করা হয়েছিল মোট ৮৫,১১০টি ওয়াকফ সম্পত্তি। তার মধ্যে মাত্র ১৮,৪৯৭টি সম্পত্তি যাচাই ও অনুমোদিত হয়েছে। রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নের উত্তরে একথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে মোট ৮০,৫৪৮টি ওয়াকফ সম্পত্তির মধ্যে মাত্র ২৩,০৯১টি উমিদ পোর্টালে আপলোড করা হয়েছিল। এর কারণ জানতে চান বিজেপি সাংসদ। জানতে চান, ঘটনায় দায়ী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    শমীকের প্রশ্ন (Waqf Properties)

    শমীক জানতে চান, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পোর্টাল বন্ধ হওয়ার আগে কেন মাত্র ২৩,০৯১টি সম্পত্তি আপলোড করা হয়েছিল? এটি উমিদ কাঠামোর নির্ধারিত সময়সীমা লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে কিনা। তাঁর প্রশ্ন, একাধিক পর্যালোচনা ও ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গ ওয়াকফ বোর্ড কেন (Waqf Properties) এত কম সংখ্যক সম্পত্তি আপলোড করেছে? বিজেপির এই সাংসদ এও জানতে চান, নির্ধারিত সময়ে আপলোড না হওয়া সম্পত্তিগুলির আইনি অবস্থান কী? ভবিষ্যতেই বা কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে? দায়ী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা, তাও জানতে চান তিনি।

    কী বললেন কিরেন রিজিজু

    সংখ্যালঘু বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, ৬ জুন ২০২৫ তারিখে উমিদ সেন্ট্রাল পোর্টাল চালু হয়। সংশোধিত আইনের আওতায় রেজিস্ট্রিকৃত সমস্ত ওয়াকফ সম্পত্তির তথ্য ৬ মাসের মধ্যে আপলোড করা বাধ্যতামূলক ছিল। প্রয়োজনে ওয়াকফ ট্রাইব্যুনাল আরও ৬ মাস সময় বাড়াতে পারত। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ওই দিন রাত্রি ১১:৫৯-এ পোর্টাল বন্ধ করা হয়। তিনি বলেন, “প্রথম ৬ মাসে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ২৩,০৯১টি সম্পত্তির তথ্য (Waqf Properties) আপলোড করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৭১৬টি অনুমোদিত হয় এবং ১৬১টি বাতিল করা হয়, বাকিগুলি বিভিন্ন পর্যায়ে ছিল। পরে ওয়াকফ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের জন্য সময় বাড়ানো হয়। পরে ফের পোর্টাল খোলা হয়েছে। খোলা থাকবে ২৪ জুন ২০২৬ পর্যন্ত। ১৭ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোট ৮৫,১১০টি সম্পত্তি আপলোড হয়েছে, যার মধ্যে ১৮,৪৯৭টি অনুমোদিত এবং ৩,৫০৯টি বাতিল হয়েছে। মন্ত্রক জানিয়েছে, আপলোডিং, যাচাই ও অনুমোদনের কাজ এখনও চলছে।চূড়ান্ত তথ্য যেমন, মামলা, দখলদারিত্ব, শ্রেণিবিভাগ, সম্পত্তির মূল্য ইত্যাদি—সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্ধারণ করা যাবে না (Waqf Properties)।

    অমিত মালব্যর প্রশ্ন

    এদিকে, বিজেপি নেতা অমিত মালব্য প্রশ্ন তোলেন, “এত বড় সংখ্যক সম্পত্তি যাচাইয়ে কেন বাতিল হল? তাহলে কি তথ্যগত ত্রুটি ছিল, নাকি কারচুপি হয়েছে, নাকি নথিপত্র অসম্পূর্ণ ছিল?” প্রশাসনিক ব্যর্থতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহিও দাবি করেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৩ জুলাই “ইউনিফায়েড ওয়াকফ ম্যানেজমেন্ট, এমপাওয়ারমেন্ট, এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট রুলস, ২০২৫” জারি করা হয়। ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫-এর অধীনে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার লক্ষ্য ছিল, রেকর্ড ডিজিটাইজেশন, নজরদারি বৃদ্ধি, অডিট দ্রুত করা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

     

  • Nitin Nabin: লক্ষ্য এবার নবান্ন! ২০২৬-এ বাংলায় পরিবর্তনের ডাক, আত্মবিশ্বাসী নিতিন নবীন

    Nitin Nabin: লক্ষ্য এবার নবান্ন! ২০২৬-এ বাংলায় পরিবর্তনের ডাক, আত্মবিশ্বাসী নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) পাখির চোখ করে বাংলায় ব্যাপক প্রচার অভিযান চালিয়েছে বিজেপি। সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin) তাঁর সফরের শুরুতেই জয়ের ব্যাপারে প্রবল আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলায় পরিবর্তনের সময় চলে এসেছে এবং আগামী নির্বাচনে বিজেপি একক শক্তিতেই সরকার গড়বে।”

    সংগঠন মজবুত করার কৌশল (Nitin Nabin)

    সফরের প্রথম দিন থেকেই নিতিন নবীন (Nitin Nabin) কলকাতা জোনের নেতাদের (West Bengal Elections 2026)  সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক শুরু করেছেন। সূত্রের খবর, বুথ স্তর থেকে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি নিচুতলার কর্মীদের মনোবল বাড়ানোই তাঁর এই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, দলের প্রতিটি কর্মীকে সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে সরকারের ব্যর্থতাগুলি তুলে ধরতে হবে।

    জয়ের পূর্বাভাস ও রণকৌশল

    সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “বাংলায় মানুষ এখন এক বিকল্প শাসনের অপেক্ষায়। আমরা কেবল লড়াই করার জন্য নয়, জয়ের মানসিকতা নিয়ে ময়দানে নেমেছি। ২০২৬-এ বাংলায় পদ্ম ফুটবেই (West Bengal Elections 2026) ।” তিনি আরও জানান যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনকল্যাণমুখী প্রকল্প এবং ‘টিম ইন্ডিয়া’র ভাবাবেগই হবে বিজেপির তুরুপের তাস।

    তৃণমূলের পাল্টা জবাব

    নিতিন নবীন (Nitin Nabin) এই সফর এবং মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে দিল্লি থেকে নেতাদের আসা বাংলার মানুষের কাছে নতুন কিছু নয়। তৃণমূলের দাবি, বাংলার মাটি ও সংস্কৃতির সঙ্গে সাধারণ মানুষের নাড়ির টান কেবল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছে।

    কেন এই সফর গুরুত্বপূর্ণ?

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ২০২৬-এর আগে বাংলায় (West Bengal Elections 2026)  কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না। নিতিন নবীনের মতো অভিজ্ঞ সংগঠককে দায়িত্ব দেওয়া এটাই প্রমাণ করে যে, এবারের লড়াইকে বিজেপি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে। বিশেষ করে আসন বিন্যাস এবং প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি যে কঠোর পেশাদারিত্ব বজায় রাখবেন, তার ইঙ্গিত ইতিমধ্য়েই পাওয়া গেছে।

  • Ratna Debnath: ‘‘আর মুখ ঢেকে নয়…’’ আদালতের অনুমতি নিয়ে ৫৯৪ দিন পরে প্রকাশ্যে ‘অভয়ার মা’ রত্না দেবনাথ

    Ratna Debnath: ‘‘আর মুখ ঢেকে নয়…’’ আদালতের অনুমতি নিয়ে ৫৯৪ দিন পরে প্রকাশ্যে ‘অভয়ার মা’ রত্না দেবনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনি জটিলতার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে এলেন আরজিকরকাণ্ডের নির্যাতিতা ‘অভয়া’র মা রত্না দেবনাথ। ৫৯৪ দিন পর সামনে এসে সাংবাদিকদের জানালেন মেয়ের ন্যায় বিচারের দাবি। আরজিকরে নিজের মেয়েকে হারানোর পর অন্তরাল থেকেই ন্যায় বিচারের জন্য লড়াই করছিলেন। অবশেষে রাজনৈতিক ময়দানে সম্মুখ সমরে তিনি। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বেজে উঠতেই রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। এবারের নির্বাচনে অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে পানিহাটি (Panihati BJP Candidate) বিধানসভা আসনটি। বিজেপি সেখানে প্রার্থী করেছে আরজি করের নির্যাতিতা ‘অভয়া’র মা রত্না দেবনাথকে (Ratna Debnath)। বুধবার দলের তৃতীয় তালিকায় তাঁর নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে জোরদার চর্চা। এবার সংবাদমাধ্যমের সামনে ‘অভয়া’র বাব-মা।

    “অভয়ার মা” থেকে রত্না দেবনাথ

    একসময় গোটা রাজ্যের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন শুধু “অভয়ার মা” বা “তিলোত্তমার মা” হিসেবে। তবে সেই পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে এবার নিজের নামেই সামনে আসতে চলেছেন তিনি—রত্না দেবনাথ। আর মুখ ঢেকে নয়, এবার প্রকাশ্যেই লড়াই লড়বেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রত্না দেবনাথ জানান, আদালতের অনুমতি নিয়েই তিনি সামনে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, “এবার আর মুখ ঢেকে নয়, সরাসরি লড়াই হবে।” তিনি আরও জানান, আদালত তাঁর নাম প্রকাশের অনুমতিও দিয়েছে।

    অন্যদিকে, বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও জানিয়েছেন, অভয়ার বাবা-মাকে প্রকাশ্যে আসার অনুমতি দিয়েছে আদালত। ফলে তাঁদের নাম প্রকাশ বা মুখ দেখানো নিয়ে আর কোনও আইনি বাধা নেই। অভয়ার বাবা জানান, এই বিষয়ে তাঁরা মানবাধিকার কমিশন ও মহিলা কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর এখন তাঁরা স্বেচ্ছায় নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করতে চান। তাঁদের কাছে আদালতের নির্দেশের কপিও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    আদালত থেকে নির্বাচনী ময়দান (Panihati BJP Candidate)

    সাধারণত, ধর্ষণের মামলায় নির্যাতিতার পরিচয় নাম, ঠিকানা, বাবা মায়ের নাম প্রকাশ করা যায় না। গত দেড় বছরে ন্যায় বিচারের লড়াইতে নিজের নাম আর মুখকে আড়ালে রেখেই আন্দোলনে ছিলেন। এবার আইনি জটিলতা এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রকাশ্যে বিজেপির প্রার্থী হয়ে লড়বেন। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রত্না দেবনাথ (Ratna Debnath), আদালতের নির্দেশের ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি এখন তিনি জনতা জনার্দনের দরবারে বিচার চাইতে এসেছেন। বিজেপি প্রার্থী (Panihati BJP Candidate) হয়ে তিনি বলেন, “মেয়ের বিচার এবং রাজ্যের মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। পানিহাটির মানুষ আমার সঙ্গে আছেন।”

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া

    এই হাই-প্রোফাইল বিজেপি প্রার্থীকে (Panihati BJP Candidate) নিয়ে রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রত্না দেবনাথের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে বলেছেন, “রত্না দেবী (Ratna Debnath) কেবল একজন মা নন, তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদের প্রতীক। পানিহাটিতে তাঁকে জেতানো মানেই বিচারহীনতার বিরুদ্ধে লড়াইকে জয়ী করা।” শুভেন্দু আরও যোগ করে বলেন, “আদালত তার কাজ করছে, কিন্তু রাজনৈতিকভাবে এই অপশাসনের জবাব দেবে বাংলার মানুষ।”

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে আরজি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছিল। সেই সময় থেকেই নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থেকেছে বিজেপি (Panihati BJP Candidate)। এখন রত্না দেবনাথকে প্রার্থী করে বিজেপি সেই প্রতিবাদের স্বরকেই বিধানসভায় নিয়ে যেতে চাইছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, বামফ্রন্ট এই আসনে কলতান দাশগুপ্তকে প্রার্থী করায় লড়াই এবার ত্রিমুখী এবং বেশ কঠিন হতে চলেছে। পানিহাটির সাধারণ মানুষ এই নতুন সমীকরণকে কীভাবে গ্রহণ করেন, এখন সেটাই দেখার। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যে ভোটগ্রহণ হতে চলেছে।

  • Delhi Crime Branch: পাকিস্তান-বাংলাদেশ অস্ত্রপাচার চক্রের হদিশ! দিল্লি পুলিশের জালে ১০ পাচারকারী

    Delhi Crime Branch: পাকিস্তান-বাংলাদেশ অস্ত্রপাচার চক্রের হদিশ! দিল্লি পুলিশের জালে ১০ পাচারকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি পুলিশের (Delhi Crime Branch) জালে এক বড় আন্তর্জাতিক অস্ত্র পাচার চক্র। পুরনো দিল্লির ওয়ার্ল্ড সিটি এলাকা থেকে পরিচালিত এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২১টি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং ২০০-রও বেশি কার্তুজ। ডিসিপি সঞ্জীব যাদবের নেতৃত্বে চালানো এই অভিযানে পাকিস্তান, নেপাল ও বাংলাদেশের (Pakistan-Bangladesh Arms Trail) সঙ্গে যুক্ত একটি সুসংগঠিত পাচার রুটের সন্ধান মিলেছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি চেক প্রজাতন্ত্র-নির্মিত সাবমেশিন গান এবং বেরেটা, ওয়ালথার, টরাস ও সিজেড-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার তৈরি একাধিক সেমি-অটোমেটিক পিস্তল। এছাড়া একটি উচ্চমানের পিএক্স৫.৭ পিস্তলও উদ্ধার হয়েছে, যা সাধারণত এলিট ট্যাকটিক্যাল ইউনিটে ব্যবহৃত হয়।

    পাকিস্তান থেকে নেপাল হয়ে দিল্লি

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অস্ত্রগুলি পাকিস্তান থেকে পাচার হয়ে নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকত এবং সেখান থেকে দিল্লিতে আনা হত। পুরনো দিল্লির ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাকে গুদাম ও বিতরণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হত। তদন্তকারীদের মতে, এই চক্রের কাছে এত উন্নতমানের অস্ত্রের উপস্থিতি এই নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ও উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে। এই চক্রটি দিল্লি-এনসিআর সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন সংগঠিত অপরাধচক্রে অস্ত্র সরবরাহ করত। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহকারী ও স্থানীয় অপরাধ জগতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছিল এই নেটওয়ার্ক। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, পুরনো দিল্লির জটিল ও ঘিঞ্জি গলিপথকে কাজে লাগিয়ে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই নজর এড়িয়ে কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিল।

    সংগঠিত অপরাধ জগতে বড় ধাক্কা

    পুলিশের মতে, এই অভিযানে উত্তর ভারতের অপরাধ জগতে বড় ধাক্কা লেগেছে। কারণ, বহু অপরাধচক্র এই নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এখন তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলি কাদের কাছে যেত, তা খুঁজে বার করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি, এই চক্রের আর্থিক লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে কোনো স্লিপার সেল বা দেশবিরোধী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো চক্রের মূল পান্ডাদের খোঁজ এবং নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি বোঝার চেষ্টা চলছে। পাকিস্তান-নেপাল-বাংলাদেশ সংযুক্ত এই অস্ত্র পাচার চক্র ভাঙার ঘটনায় আবারও সামনে এল সীমান্ত পেরিয়ে চলা অপরাধের জাল।

  • Crude Oil: ‘‘জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই’’, গোটা দেশের জন্য ৬০ দিনের পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে, আশ্বাস কেন্দ্রের

    Crude Oil: ‘‘জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই’’, গোটা দেশের জন্য ৬০ দিনের পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে, আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় আশ্বাস দিল কেন্দ্রীয় সরকার (India Government)। বৃহস্পতিবার সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে গোটা দেশের জন্য ৬০ দিনের ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের (Crude Oil) পর্যাপ্ত ভান্ডার মজুত রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো বিঘ্ন ঘটলেও আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ভারতের সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভাবে সুরক্ষিত।

    মজুত ভাণ্ডারের বিন্যাস (Crude Oil)

    কেন্দ্রীয় সরকারের (India Government) তরফে বলা হয়েছে, এই বিশাল পরিমাণ তেলের মজুত (Crude Oil) মূলত দুটি স্তরে ভাগ করা রয়েছে দেশের কৌশলগত তেল ভান্ডার (Strategic Reserves)। ওড়িশার চণ্ডীখোল এবং কর্নাটকের পদুর ও মাঙ্গালুরুতে অবস্থিত ভূগর্ভস্থ ভান্ডারে প্রায় ৯.৫ দিনের তেলের ব্যাকআপ রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলির (OMCs) কাছে নিজস্ব ট্যাঙ্কে আরও প্রায় ৫০.৫ দিনের ব্যবহারের উপযোগী তেল মজুত রয়েছে।

    সরকার কী বলছে?

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের এক ঊর্ধ্বতন আধিকারিক জানিয়েছেন, “ভারত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল (Crude Oil) আমদানিকারক দেশ হওয়া সত্ত্বেও আমাদের সরবরাহ ব্যবস্থা অত্যন্ত মজবুত। মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোনও অঞ্চলে অস্থিরতা দেখা দিলেও সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।” সরকার আরও স্পষ্ট করেছে যে, আপৎকালীন ব্যবহারের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে আরও নতুন কিছু ‘স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ’ তৈরির কাজ চলছে।

    বাজারের ওপর প্রভাব

    আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের (India Government) ওঠানামা সত্ত্বেও এই পর্যাপ্ত মজুত দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে পেট্রল ও ডিজেলের (Crude Oil) দাম স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে যুদ্ধের প্রভাবে যখন বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল, তখন ভারতের এই ‘এনার্জি বাফার’ দেশের অর্থনীতির জন্য এক বিশেষ সুরক্ষা কবচ।

  • PM Modi: জনমত সমীক্ষায় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা মোদি, অনেক পিছিয়ে ট্রাম্প

    PM Modi: জনমত সমীক্ষায় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা মোদি, অনেক পিছিয়ে ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার নিরিখে আবারও এক নম্বর স্থান দখল করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আন্তর্জাতিক সমীক্ষা সংস্থা ‘মর্নিং কনসাল্ট’ (Morning Consult)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের তাবড় তাবড় রাষ্ট্রনেতাদের পিছনে ফেলে জনসমর্থনের নিরিখে শীর্ষস্থান (Most Popular Leader) ধরে রেখেছেন তিনি।

    মোদির ক্ষেত্রে বিরোধিতার হার (PM Modi)

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক এই সংস্থাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানদের জনপ্রিয়তা নিয়ে নিয়মিত ট্র্যাকার পরিচালনা করে। তাদের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ৬৮ শতাংশ ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং’ নিয়ে তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মোদির ক্ষেত্রে বিরোধিতার হার (Disapproval Rating) অত্যন্ত কম, যা তাঁর প্রতি জনগণের আস্থার (Most Popular Leader) প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    অন্যান্য রাষ্ট্রনেতা

    তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সুইৎজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন (৬২ শতাংশ রেটিং)। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কিংবা ঋষি সুনাকের মতো নেতারা জনপ্রিয়তার দৌড়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন।

    বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জি-২০ (G20) সম্মেলন পরবর্তী সময়ে ভারতের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক প্রভাব এবং দেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডই মোদির (PM Modi) এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার (Most Popular Leader) মূল কারণ। ভারতের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    পূর্ববর্তী রেকর্ড

    তবে এটা প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিকবার ‘মর্নিং কনসাল্ট’-এর সমীক্ষায় বিশ্বের জনপ্রিয়তম নেতার তকমা পেয়েছেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। অতিমারি পরবর্তী সময়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের শক্ত অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক সংকটে মোদীর গঠনমূলক ভূমিকা তাঁকে এই বিশেষ সম্মানের অধিকারী করেছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এই সাফল্যকে ‘নতুন ভারতের’ জয় হিসেবে দেখছেন। তাঁদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বই ভারতকে বিশ্বমঞ্চে (Most Popular Leader)  এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

    কোন বিশ্ব নেতার জনপ্রিয়তা কেমন?

    নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভারত- ৬৮%
    গাই পারমেলিন (সুইৎজারল্যান্ড) – ৬২%
    লি জে-মিউং (দক্ষিণ কোরিয়া) – ৬২%
    আন্দ্রেজ বাবিস (চেক প্রজাতন্ত্র) – ৫৭%
    হাভিয়ের মিলেই (আর্জেন্টিনা) – ৫৬%
    ​​সানায়ে তাকাইচি (জাপান) – ৫৬%
    ​​মার্ক কার্নি (কানাডা) – ৫৫%
    ক্লডিয়া শেইনবাম (মেক্সিকো) – ৪৭%
    বার্ট ডি ওয়েভার (বেলজিয়াম) – ৪২%
    লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা (ব্রাজিল) – ৪২%
    জর্জিয়া মেলোনি (ইতালি) – ৪০%
    রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান (তুরস্ক) – ৪০%
    ডোনাল্ড টাস্ক (পোল্যান্ড) – ৪০%
    ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) – ৩৯%
    উলফ ক্রিস্টারসন (সুইডেন) – ৩৮%
    অ্যান্থনি অ্যালবানিজ (অস্ট্রেলিয়া) – ৩৭%
    জোনাস গার স্টোর (নরওয়ে) – ৩৬%
    পেদ্রো সানচেজ (স্পেন) – ৩৬%
    সিরিল রামাফোসা (দক্ষিণ আফ্রিকা) – ৩৩%
    ক্রিশ্চিয়ান স্টকার (অস্ট্রিয়া) – ৩৩%
    রব জেটেন (নেদারল্যান্ডস) – ৩২%
    কিয়ার স্টারমার (যুক্তরাজ্য) – ২৪%
    ফ্রিডরিখ মের্জ (জার্মানি) – ২০%
    এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ (ফ্রান্স) – ১৭%

  • PM Narendra Modi: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহ, শুক্র সন্ধ্যায় সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    PM Narendra Modi: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহ, শুক্র সন্ধ্যায় সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইজরায়েলের (Iran War) মধ্যে বাড়তে থাকা যুদ্ধের আবহে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এবং প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আজ, শুক্রবার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। সন্ধ্যেয় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রধানমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, দেশে কোভিড ১৯-এর সময় যেমন রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে সমন্বয় হয়েছিল এইবারও তেমনি সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।

    জ্বালানি নিরাপত্তা (PM Narendra Modi)

    সূত্রের খবর, এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য হল ‘টিম ইন্ডিয়া’র ভাবাবেগ বজায় রেখে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। বিশেষ করে ইরানের (Iran War) পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) অবরোধের ফলে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সংকট ও তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত কতটা প্রস্তুত, তা নিয়ে আলোচনা হবে।

    বৈঠকের প্রধান বিষয় জ্বালানি নিরাপত্তা। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ভারতের ওপর তার প্রভাব এবং বিকল্প পথ নিয়ে আলোচনা। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Narendra Modi) রাজ্য সরকারগুলিকে আশ্বস্ত করেছেন যে, কেন্দ্র ও রাজ্য একযোগে কাজ করলে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। তিনি কোভিড-১৯ অতিমারির সময়কার লড়াইয়ের উদাহরণ টেনে সকলকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    গুজব রোখা

    জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।  তিনি জানিয়েছেন, ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে দেশে পেট্রল বা এলপিজি-র কোনও ঘাটতি নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো গুজবে কান দিয়ে সাধারণ মানুষ যাতে পাম্পে ভিড় না করেন, সেই বিষয়ে তিনি সতর্ক করেছেন।

    দেশবাসীকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

    এর আগে, বুধবার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে একটি সর্বদলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) এর আগে রাজ্যসভায় জানিয়েছিলেন যে, এই যুদ্ধের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, তাই দেশবাসীকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে এই বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • Black Seed: হাঁপানি থেকে ডায়াবেটিস— ছয় রোগকে কাবু করবে কালোজিরা! জেনে নিন খাওয়ার সঠিক নিয়ম

    Black Seed: হাঁপানি থেকে ডায়াবেটিস— ছয় রোগকে কাবু করবে কালোজিরা! জেনে নিন খাওয়ার সঠিক নিয়ম

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    জীবন যাপনের ধরন বদলের সঙ্গে শক্তি বাড়াচ্ছে একাধিক রোগ।‌ সুস্থ জীবন যাপনে এবং রোগের দাপট কমাতে সাহায্য করতে পারে বাঙালির অতি পরিচিত মশলা। তেমনি একটি মশলা হলো কালোজিরা। একাধিক রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে কালোজিরা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রান্নায় নিয়মিত কালোজিরা ব্যবহার করলে নানান অসুখের ঝুঁকি কমবে!

    কালোজিরা খেলে কী উপকার পাওয়া যায়?

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কালোজিরায় থাইমোকুইনোন নামে এক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই উপাদান রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশু থেকে বয়স্ক, সর্দি-কাশিতে সকলেই ভুক্তভোগী। বিশেষত ঋতু পরিবর্তনের সময় অনেকেই জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভোগেন। কালোজিরা খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। ফলে এই ধরনের বছরভর ভোগান্তি কমে।

    হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে!

    কালোজিরা অন্ত্র এবং পাকস্থলীর জন্য বিশেষ উপকারি। তাই এই মশলা রান্নায় ব্যবহার করলে হজম ভালো হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়স বাড়লে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। লাগাতার হজমের সমস্যা গ্যাস্ট্রিকের মতো জটিল রোগ তৈরি করে। তাই বয়স বাড়লে রান্নায় নিয়মিত কালোজিরা ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এতে হজম শক্তি বাড়ে। বদহজমের ভোগান্তি কমে।

    খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়!

    নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা সহজেই নিয়ন্ত্রিত হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় খারাপ কোলেস্টেরল (LDL)। কালোজিরা এই খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে‌।

    রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তে অতিরিক্ত শর্করা এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্কুল পড়ুয়া থেকে প্রৌঢ়, সব বয়সেই দাপট বাড়াচ্ছে ডায়াবেটিস। এই সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। কিডনি ভালো থাকে।

    ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে!

    স্কুল বয়স থেকেই অতিরিক্ত ওজন এখন দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস এই অতিরিক্ত ওজনের নেপথ্যে রয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাধিক রোগের কারণ শরীরের বাড়তি ওজন। কালোজিরা এই ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কালোজিরা খেলে হজম ঠিক মতো হয়। শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমে না। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    কোন ছয় রোগকে কাবু করতে সাহায্য করে কালোজিরা?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জন্য কম বয়স থেকেই নানান রোগের দাপট বাড়ছে। শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে যেমন হাঁপানির সমস্যা বাড়ছে, তেমনি স্কুল পড়ুয়ারাও ডায়াবেটিস আক্রান্ত হচ্ছে। বয়স কুড়ির চৌকাঠ পেরনোর পরেই উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তবে, কালোজিরার মতো ঘরোয়া উপাদানেও একাধিক রোগের প্রকোপ কমানো সম্ভব।

    • বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস রুখতে কালোজিরা বিশেষ সাহায্য করে। কারণ কালোজিরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
    • হাঁপানির ঝুঁকি কমায় কালোজিরা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। ফুসফুস এবং শ্বাসনালীর সংক্রামণের ঝুঁকিও কমায়। তাই কালোজিরা নিয়মিত খেলে সর্দি-কাশির ভোগান্তি কমার পাশাপাশি হাঁপানির ঝুঁকিও কমে। অর্থাৎ সর্দি-কাশির ভোগান্তি কমাতে এবং হাঁপানির ঝুঁকি এড়াতে কালোজিরা বিশেষ সাহায্য করে।
    • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কালোজিরা বিশেষ সাহায্য করে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কালোজিরা নিয়মিত খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতাও স্বাভাবিক থাকে।
    • এছাড়াও ত্বকের জন্য কালোজিরা বিশেষ উপকারি। দূষণ ও একাধিক অন্যান্য কারণের জন্য ত্বকের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত কম বয়সিদের ব্রণ সহ একাধিক ত্বকের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। কালোজিরা খেলে এই ধরনের সমস্যা কমানো যায়।

    কীভাবে কালোজিরা খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, যেকোনও ভাবেই কালোজিরা খেলে শরীরে উপকার হয়‌—

    • সকালে গরম জলের সঙ্গে এক চামচ কালোজিরা মিশিয়ে খেলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। মধুর সঙ্গে কালোজিরার গুঁড়ো মিশিয়ে খেলেও উপকার হয়।
    • তবে, ডায়াবেটিস কিংবা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে, চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ খেলে, এই ধরনের উপকরণ খাওয়ায় আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। না হলে, দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যেতে পারে আবার রক্তচাপও কমে যেতে পারে। এর ফলে মাথা ঘোরা, বমির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
    • আবার, রান্নার মশলা হিসাবে কালোজিরা ব্যবহার করা যেতে পারে। যে কোনও তরকারি, মাছের ঝোলে উপকরণ হিসাবে কালোজিরা ব্যবহার করলেও শরীরে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
    • চুল ও ত্বকের সমস্যায় উপকার পেতে কালোজিরার তেল ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গরম তেলে কালোজিরা মিশিয়ে, সেটা চুল কিংবা ত্বকে ব্যবহার করলে ব্রণ কমে, চুল পড়ার ঝুঁকিও কমে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

  • Ram Navami 2026: স্লোগান-প্লাল্টা স্লোগানে রামনবমী উদযাপনে উত্তাল যাদবপুর-কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    Ram Navami 2026: স্লোগান-প্লাল্টা স্লোগানে রামনবমী উদযাপনে উত্তাল যাদবপুর-কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী আবহের মধ্যেই রামনবমী (Ram Navami 2026) পালনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতার দুই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)। একদিকে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পুজো ও ধর্মীয় স্লোগান, অন্যদিকে বাম-নকশাল ছাত্র সংগঠনগুলোর পাল্টা স্লোগান ও বিক্ষোভ। সব মিলিয়ে দিনভর টানটান উত্তেজনা বজায় ছিল দুই ক্যাম্পাসেই। গেরুয়া শিবিরের বড় শক্তি প্রদর্শন বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশ।

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের বাইরেই চলল আরাধনা (Jadavpur University)

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের ভেতরে রামনবমী পালনের জন্য গত ২৪ মার্চ কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চেয়েছিল এবিভিপি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনও সদুত্তর না পাওয়ায়, বুধবার গেটের বাইরেই পুজোর আয়োজন করে এবিভিপি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জোড়াসাঁকো থানার পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছিল। ফটকের বাইরে শ্রীরামের ছোট মূর্তি স্থাপন করে চলে উপাসনা। তবে এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়।

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়: অনুমতিহীন পুজো ও ছাত্র বিক্ষোভ

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও (Jadavpur University) পরিস্থিতি ছিল বেশ সংবেদনশীল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেছেন, “ক্যাম্পাসের ভেতরে রামনবমী পালনের জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হয়নি।” তাসত্ত্বেও একদল পড়ুয়া এবং বাইরের কিছু সদস্য ক্যাম্পাসের ভেতরে জমায়েত হয়ে পুজো শুরু করেন।

    স্লোগান যুদ্ধ

    একদিকে যখন এবিভির ‘জয় শ্রীরাম’ (Jadavpur University) ধ্বনি উঠছিল, তখনই বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলো ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান তুলে পাল্টা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে উপাচার্য নিজে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে ক্যাম্পাসের বাইরে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। নির্বাচনের ঠিক আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই ধরনের ধর্মীয় আয়োজন এবং তাকে কেন্দ্র করে ছাত্র সংঘাতের ঘটনা রাজ্যের প্রশাসনিক ও শিক্ষামহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পঠনপাঠনের পরিবেশ বজায় রাখাই এখন তাঁদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

LinkedIn
Share