Tag: bangla news

bangla news

  • Maoist Surrender Bankura: বন্দুক ধরার প্রয়োজন ফুরিয়েছে! বাঁকুড়ায় অস্ত্র-সহ ৩ মাওবাদী শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

    Maoist Surrender Bankura: বন্দুক ধরার প্রয়োজন ফুরিয়েছে! বাঁকুড়ায় অস্ত্র-সহ ৩ মাওবাদী শীর্ষ নেতার আত্মসমর্পণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ত্র ছেড়ে জীবনের মূল স্রোতে ফিরে এলেন নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই মাওবাদীর তিন শীর্ষ কমান্ডার। রাজ্য সরকারের আত্মসমর্পণ তথা পুনর্বাসন নীতির ওপর আস্থা রেখে বাঁকুড়া জেলা পুলিশের ধারাবাহিক ও যৌথ অভিযানের মুখে অস্ত্র সংবরণ করলেন তাঁরা। তিন শীর্ষ মাওবাদী নেতা-নেত্রীর আত্মসমর্পণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে বাঁকুড়ায়। দীর্ঘদিন জঙ্গলে সক্রিয় থাকার পর অস্ত্র ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। বাঁকুড়া (Bankura) পুলিশ লাইনের কনফারেন্স হলে রাজ্য পুলিশের এডিজি আনন্দ কুমারের কাছে নিজেদের অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।

    অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করলেন কারা

    পুলিশ সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছেন রামপ্রসাদ মান্ডি ওরফে শচীন, নয়নতারা সাহু এবং জবা মাহাতো। তিনজনই দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়খণ্ড-বাংলা সীমান্তবর্তী জঙ্গল এলাকায় সক্রিয় ছিলেন। রামপ্রসাদ মান্ডি ছিলেন আঞ্চলিক কমিটির সদস্য। নয়নতারা সাহু ছিলেন জোনাল কমিটির সদস্য। এ ছাড়াও জবা মাহাতোও ছিলেন জোনাল কমিটির সদস্য। তাঁদের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন রাজ্যগুলো মিলিয়ে মোট ৮০-এর বেশি মামলা রয়েছে। রামপ্রসাদ মান্ডি, নয়নতারা সাহু এবং জবা মাহাতো ১ টি একে ৪৭, ২ টি ইনসাস বন্দুক নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। এ ছাড়াও পুলিশের কাছে ১০ টি ম্যাগাজিন ও ১৫৪ রাউন্ড কার্তুজও জমা দেন ওই ৩ জন আত্মসমর্পণকারী মাওবাদী। তাঁরা জানিয়েছেন, একসময় জঙ্গলমহল ও সংশ্লিষ্ট এলাকার বঞ্চনা ও সমস্যার কারণে তাঁরা সশস্ত্র আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছিলেন। বর্তমানে তাঁরা তাঁদের ভুল বুঝতে পেরেছেন। আর সেই কারণেই এই দীর্ঘ সময় পর তাঁরা সেই পথ থেকে সরে স্বাভাবিক সামাজিক জীবনে ফিরতে চান বলে জানিয়েছেন।

    চলবে আইনি প্রক্রিয়া ও পুনর্বাসনের প্রয়াস

    ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গোটা দেশ থেকে মাওবাদী মুক্ত করার ডাক দিয়েছেন। আর তারই প্রক্রিয়া হিসেবে সারা দেশেই ক্রমাগত অভিযান চলছে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে। আর তাতে ক্রমশই কোনঠাসা হচ্ছে মাওবাদীরা। এবার সেই প্রক্রিয়াতেই এল বড় সাফল্য। এই আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়ার পিছনে নিরাপত্তা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং মাওবাদীদের উপর বাড়তে থাকা চাপের কথা উঠে এসেছে। আত্মসমর্পণকারীদের সরকারি পুনর্বাসন ও আত্মসমর্পণ প্যাকেজের আওতায় আনার প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্যোগী হয়েছে প্রশাসন। রাজ্য পুলিশের এডিজি বলেন, “আত্মসমর্পণের প্যাকেজের সুযোগ যাতে এই আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীরা পায় তার জন্য স্ক্রিনিং কমিটির কাছে আবেদন জানাবে রাজ্যের পুলিশ।” প্রশাসনিকভাবে নির্দিষ্ট যাচাই ও স্ক্রিনিংয়ের পর তাঁরা কী কী সুবিধা পাবেন, তা নির্ধারিত হবে। দীর্ঘদিনের সশস্ত্র কার্যকলাপের পর তিন মাওবাদী ক্যাডারের আত্মসমর্পণ জঙ্গলমহল ও ঝাড়খণ্ড-বাংলা সীমান্তের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। অস্ত্র ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সিদ্ধান্তের পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি প্রক্রিয়াও চলবে।

  • Gautam Adani: নিউটাউনে ২ হাজার শয্যার হাসপাতালের শিলান্যাস, বাংলায় আরও বিনিয়োগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে গৌতম আদানি

    Gautam Adani: নিউটাউনে ২ হাজার শয্যার হাসপাতালের শিলান্যাস, বাংলায় আরও বিনিয়োগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে গৌতম আদানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউটাউনের অ্যাকশন এরিয়া-২-এ বৃহস্পতিবার প্রস্তাবিত ২,০০০ শয্যার মেগা হাসপাতাল ‘আদানি আরোগ্য মন্দিরে’র শিলান্যাস করলেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি (Gautam Adani)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় এই প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যে আরও কয়েকটি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে এ দিন একাধিক বৈঠক ও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। শিল্প, বিদ্যুৎ, বন্দর, সড়ক, পর্যটন এবং ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কার—বিভিন্ন ক্ষেত্রেই আদানি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা এগোচ্ছে বলে (Mega Hospital) নবান্ন সূত্রে খবর।

    নিউটাউনের ৫১.৭৫ একর জমির উপর গড়ে উঠছে প্রস্তাবিত স্বাস্থ্য পরিকাঠামোটি। প্রকল্পটির প্রাথমিক পরিকল্পনায় ১,০০০ শয্যার হাসপাতালের কথা থাকলেও, পরে শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে ২,০০০ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, আদানি গোষ্ঠী লিখিতভাবে ২,০০০ শয্যার হাসপাতাল তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে ১,০০০ শয্যা আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের চিকিৎসার জন্য বিনামূল্যে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। বাকি ১,০০০ শয্যা বাণিজ্যিক পরিষেবার আওতায় থাকবে।

    ‘আদানি আরোগ্য মন্দির প্রকল্পে প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা বা তারও বেশি বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। নবান্ন সূত্রের হিসাবেও প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১,২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ এবং নির্মাণপর্বে আরও প্রায় ১,৮০০ কোটি টাকা লগ্নি করার কথাও উঠে এসেছে।

    আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের জন্যও শয্যা (Gautam Adani)

    স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে প্রকল্পটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হবে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের জন্য নির্দিষ্ট শয্যা। ২,০০০ শয্যার অর্ধেক বিনামূল্যে বা অত্যন্ত কম খরচে চিকিৎসার জন্য ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা হাসপাতালটিতে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও শোনা গিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা পরিষেবা গড়ে তুলতে আমেরিকার মেয়ো ক্লিনিকের (Mayo Clinic) সঙ্গে প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক সহযোগিতার প্রস্তাব রয়েছে। নবান্ন-ঘনিষ্ঠ সূত্রের বক্তব্য, অত্যাধুনিক সুপার-স্পেশ্যালিটি পরিষেবা, রোবোটিক সার্জারি এবং প্রযুক্তিনির্ভর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার মতো পরিকাঠামোও প্রকল্পের অংশ হতে পারে।

    রাজ্য সরকারের তরফেও এই প্রকল্পে একাধিক আর্থিক ছাড় দেওয়ার কথা জানা গিয়েছে। নবান্নের হিসাবে জমির চরিত্র পরিবর্তন এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ছাড় বাবদ প্রায় ১,৯৬৭ কোটি টাকার রাজস্ব ছাড় দেওয়ার খবর মিলেছে। একই সঙ্গে হাসপাতাল, সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য পরিষেবা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও গবেষণা এবং চিকিৎসা-পর্যটন মিলিয়ে বছরে প্রায় ৪,০৮৫ কোটি টাকার আর্থিক সুফল পাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া (Gautam Adani) হয়েছে।

    হাসপাতালের পর শিল্প-বিনিয়োগে নজর

    হাসপাতালের শিলান্যাসের পর গৌতম আদানির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক হওয়ার কথা। সরকারি অতিথি নিবাস ‘সৌজন্য’-তে এই বৈঠকে বাংলায় নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। শিল্প ও পরিকাঠামোর বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠীর আগ্রহের বিষয়গুলি সেখানে উঠে আসতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর।

    এর আগে একটি অভিজাত হোটেলে রাজ্যের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গেও আদানির বৈঠকের সম্ভাবনার কথা জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে রাজ্যে কয়েকটি প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়া নিয়েও আলোচনা চলছে। এর মধ্যে রয়েছে কলকাতার ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কার ও পুনরুদ্ধার এবং কুমোরটুলি ঘাটের পুনর্নির্মাণ। রাইটার্স বিল্ডিং সংস্কারে আদানি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে এবং সংস্থার প্রতিনিধিরা ভবনটি পরিদর্শনও করেছেন। সাম্প্রতিক রিপোর্টে এই পুনরুদ্ধার প্রকল্পে প্রায় ১২০ কোটি টাকার সম্ভাব্য ব্যয়ের কথাও উঠে এসেছে।

    বন্দর-বিদ্যুতেও লগ্নির সম্ভাবনা আদানির

    বন্দরের ক্ষেত্রেও আদানি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য আগ্রহ নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পে অতীতে আদানি গোষ্ঠীর নাম সামনে এসেছিল। পরবর্তী সময়ে সেই প্রক্রিয়া বাতিল করে নতুন দরপত্রের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমানে তাজপুরের পরিবর্তে পূর্ব মেদিনীপুরের দাদনপাত্রবারে গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলার প্রস্তাব নিয়ে রাজ্য সরকার এগোচ্ছে। সেই প্রকল্পে আদানি গোষ্ঠী নতুন করে আগ্রহ দেখাতে পারে কি না, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তবে বিনিয়োগের কাঠামো, অনুমোদন এবং অন্যান্য শর্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি (Gautam Adani)।

    বিদ্যুৎ ক্ষেত্রেও আদানি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য বিনিয়োগ নিয়ে জল্পনা রয়েছে। পুরুলিয়ার সাঁওতালডিতে ১,৬০০ মেগাওয়াটের একটি তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে আগ্রহের কথা নবান্ন সূত্রে জানা গেলেও, আলোচনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে বলেই খবর। সাঁওতালডিতে ১৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার নতুন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য রাজ্য বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক কমিশনের নথিতে ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়া এগোনোর প্রমাণ মিলেছে (Mega Hospital)।

    কলকাতায় রিং রোড প্রকল্পে আদানি অংশগ্রহণ নিয়ে জোর চর্চা

    কলকাতাকে ঘিরে প্রস্তাবিত রিং রোড প্রকল্পেও আদানি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়েও চর্চা চলছে। নতুন সরকারের পক্ষ থেকে কলকাতার যানজট কমানো এবং শহরতলি ও সংলগ্ন অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর জন্য রিং রোডের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। এই প্রকল্পে আদানিদের অংশগ্রহণ নিয়ে এখনও বিস্তারিত আলোচনা হয়নি বলেই খবর। উত্তরবঙ্গেও পর্যটন পরিকাঠামো তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে আদানি গোষ্ঠী সমীক্ষা করেছে বলে সরকারি সূত্রের খবর। দেউচা-পাচামি কয়লা ব্লক এবং বিদ্যুৎ ক্ষেত্রেও আদানি গোষ্ঠীর বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিউটাউনের যে জমিতে হাসপাতালটি তৈরি হচ্ছে, সেই জমিই আগে আদানি গোষ্ঠীকে ডেটা সেন্টার প্রকল্পের জন্য দেওয়া হয়েছিল। নবান্ন সূত্রের খবর, ডেটা সেন্টারের জন্য প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও অন্যান্য পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণেই জমির ব্যবহার পরিবর্তনের পথে এগিয়েছে সংস্থা (Gautam Adani)।

    আইসিসি-র মঞ্চেও গৌতম আদানি

    এদিকে, বৃহস্পতিবার বিকেলে আইসিসির  বার্ষিক অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা গৌতম আদানির। তাজ বেঙ্গলের ক্রিস্টাল হলে শিল্পপতিদের সঙ্গে আলোচনায় রাজ্যের সম্ভাব্য নতুন বিনিয়োগের বিভিন্ন দিক উঠে আসবে। রাজ্য শিল্প দফতরের তরফে লজিস্টিকস হাব, এনার্জি বা বিদ্যুৎ এবং হেলথ সিটি নিয়ে প্রেজেন্টেশন দেওয়ার কথা রয়েছে। ফলে হাসপাতাল প্রকল্পের বাইরে বাংলায় আদানি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিধি কতটা বিস্তৃত হতে পারে, সে বিষয়ে এ দিনের শিল্পমহলের বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

    কালীঘাটে পুজো দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু

    এদিন সকালে স্ত্রী প্রীতিকে সঙ্গে নিয়ে কালীঘাট মন্দিরে যান আদানি। সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ মন্দিরে পৌঁছে তিনি পুজো দেন। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় কালীঘাট মন্দিরে পুজো দেওয়ার ছবি পোস্ট করেন আদানি। সেখানে বাংলার মানুষের শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করার কথা জানান তিনি। ভবিষ্যৎ কর্মসূচির জন্য আশীর্বাদ চাওয়ার কথাও ছিল তাঁর পোস্টে।

    বুধবার কলকাতায় পৌঁছনোর পর (Mega Hospital) বৃহস্পতিবার আদানির কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দু ছিল নিউটাউনের হাসপাতাল প্রকল্প। তবে দিনের বাকি কর্মসূচি দেখাচ্ছে, স্বাস্থ্য পরিষেবার পাশাপাশি বাংলায় আরও বৃহত্তর শিল্প ও পরিকাঠামোগত বিনিয়োগের সম্ভাবনাও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। হাসপাতাল, বিদ্যুৎ, বন্দর, সড়ক, পর্যটন, তথ্যপ্রযুক্তি এবং ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য—একাধিক ক্ষেত্রে আদানির লগ্নির প্রস্তাবগুলি কতদূর বাস্তবায়িত হয়, এখন তা-ই দেখার (Gautam Adani)।

     

  • OIC: জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ওআইসির মন্তব্য, ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর অধিকার নেই’, কড়া জবাব ভারতের

    OIC: জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ওআইসির মন্তব্য, ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর অধিকার নেই’, কড়া জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ওআইসি (অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন) গোষ্ঠীর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাল ভারত। নয়াদিল্লির বক্তব্য, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের একান্ত অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এ নিয়ে মন্তব্য করার কোনও অধিকার ওআইসির (OIC) নেই। একই সঙ্গে পাকিস্তানকে ভারতবিরোধী প্রচারের মঞ্চ (Kashmir References) করে না দেওয়ার জন্যও ওআইসিকে পরামর্শ দিয়েছে ভারত।

    বুধবার এক বিবৃতিতে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক ওআইসির জম্মু-কাশ্মীর সংক্রান্ত মন্তব্যকে অপ্রয়োজনীয় এবং তথ্যগত ভাবে ভুল বলে অভিহিত করেছে। মন্ত্রকের বক্তব্য, “ভারতের একান্ত অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মন্তব্য করার কোনও এখতিয়ারই নেই ওআইসির।”

    ভারত আরও একবার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দু’টি দেশের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ। আন্তর্জাতিক কোনও মঞ্চে জম্মু-কাশ্মীরের মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা তা পরিবর্তনের চেষ্টা ভারত মেনে নেবে না বলেও নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে নয়াদিল্লি।

    নিউ ইয়র্কে ওআইসির বৈঠক (OIC)

    মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ওআইসির যোগাযোগ গোষ্ঠীর বৈঠক হয়। বৈঠকের পর ওআইসি জানায়, জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বলে তারা যে বিষয়টিকে উল্লেখ করেছে, তার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে যোগাযোগ গোষ্ঠী। এর পরেই ভারতের বিদেশ মন্ত্রক ওই মন্তব্যের বিরোধিতা করে বিবৃতি দেয়।

    ওআইসির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ভারতের

    জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে বারবার মন্তব্য করার কারণে ওআইসির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য, “এই ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্যকে বারবার সমর্থন করা ওআইসির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে।”

    ভারত দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মঞ্চে জম্মু-কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপনের বিরোধিতা করে আসছে। নয়াদিল্লির অবস্থান হল, বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে তা নিয়ে হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজন নেই।

    পাকিস্তানকে ‘পরামর্শ’ দেওয়ার কথা ওআইসিকে

    ওআইসির বৈঠকে পাকিস্তানের ভূমিকারও সমালোচনা করেছে ভারত। নয়াদিল্লির অভিযোগ, ভারত যে বিষয়গুলিকে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মনে করে, পাকিস্তান সেগুলিকেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার জন্য ওআইসিকে ব্যবহার করছে (OIC)।

    বিদেশ মন্ত্রক বলেছে, “পাকিস্তানকে তার মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার চালানোর জন্য মঞ্চ দেওয়ার পরিবর্তে, ওআইসির উচিত পাকিস্তানকে পরামর্শ দেওয়া।”

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে সমর্থন ও মদত দেওয়ার সুপ্রতিষ্ঠিত ও নথিবদ্ধ রেকর্ড রয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে ভারত। নয়াদিল্লির বক্তব্য, পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা থেকে সন্ত্রাসবাদের যে হুমকি তৈরি হচ্ছে, ইসলামাবাদের উচিত প্রথমে সেই সমস্যার মোকাবিলা করা।

    ওআইসি বৈঠকে কী বললেন ইশাক দার?

    নিউ ইয়র্কে ওআইসির যোগাযোগ গোষ্ঠীর বৈঠকে বক্তব্য রাখেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। রাষ্ট্রপুঞ্জ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ওআইসির সদস্য দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

    ২০১৯ সালের ৫ অগাস্টের পর ভারত যে পদক্ষেপগুলি নিয়েছে, সেগুলি প্রত্যাহারের দাবিও জানান দার। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার দাবিও তোলেন (Kashmir References) তিনি।

    পাকিস্তান জম্মু-কাশ্মীর প্রসঙ্গ নিয়মিত আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরে আসছে। আর, ভারত বরাবরই এই ধরনের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর (OIC) দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এই বিষয়ে কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।

     

  • Industrial Development in Bengal: পশ্চিমবঙ্গে পাঁচ-ছ’টি ক্ষেত্রে বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানিরা! রাজ্যে কর্মসংস্থান ও শিল্প-পরিবেশ নিয়ে বার্তা শুভেন্দুর

    Industrial Development in Bengal: পশ্চিমবঙ্গে পাঁচ-ছ’টি ক্ষেত্রে বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানিরা! রাজ্যে কর্মসংস্থান ও শিল্প-পরিবেশ নিয়ে বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদানির পর আম্বানি, রাজ্যে শিল্প ফেরাতে সক্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে নতুন শিল্প এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে মরিয়া ডাবল ইঞ্জিন সরকার। বুধবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের রূপরেখা নিয়ে বিশদে জানালেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে কত বিনিয়োগ আসছে, তার চেয়েও কর্মসংস্থানকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে অতীতে সিপিএম এবং গত পনেরো বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে জমে থাকা জট বা ‘ব্যাকলগ’ কাটিয়ে নতুন পথে হাঁটার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    রাজ্যে বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি

    রাজ্যে পাঁচ-ছ’টি ক্ষেত্রে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মুকেশ অম্বানির রিলায়্যান্স গোষ্ঠী। বুধবার কলকাতার মেলাপ্রাঙ্গণে শিল্পের জন্য জমি বিতরণ অনুষ্ঠানে এমনটাই জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘অম্বানিরা রাজ্যে পাঁচ-ছ’টি ক্ষেত্রে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে এবং শীঘ্রই তাদের একটি প্রতিনিধিদল রাজ্যে আসতে পারে।’’ উল্লেখ্য, সোমবার মুম্বইতে অম্বানিদের বাসভবন ‘অ্যান্টিলিয়া’য় গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। যোগ দেন তাঁদের বাড়ির গণেশপুজোয়। পরে মুকেশ অম্বানির সঙ্গে নৈশভোজও সারেন।

    রাজ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ!

    বুধবার রাজ্যে শিল্পের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে বার্তা দিয়ে শিল্পপতিদের পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘৩৩টি শিল্পসংস্থার হাতে শিল্পজমির বরাদ্দপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। সরকারের দাবি, এই প্রকল্পগুলিতে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হতে পারে এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্রায় ৬২ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।’’ বিনিয়োগ টানার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ওপর যে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে, সেকথা স্পষ্ট করে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমার ভাবনা হচ্ছে যে কত ইনভেস্টমেন্ট করলেন সেটা বড় কথা নয়, কত এমপ্লয়মেন্ট দিলেন তার উপরে আমরা গুরুত্ব দিতে চাই।”

    রাজ্যে শিল্পস্থাপনের সহায়ক পরিবেশ

    শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘রাজ্যে শিল্পস্থাপনের ক্ষেত্রে কোনওরকম হুমকি বা তোলাবাজির অভিযোগ উঠলে সরাসরি সরকারকে জানানো যাবে।’’ এ জন্য টোল-ফ্রি নম্বর চালু করা হয়েছে। কোথাও কেউ হুমকি দিলে বা তোলাবাজির চেষ্টা করলে ওই নম্বরে অভিযোগ জানালে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘রাজ্যে বিনিয়োগ টানতে প্রশাসনিক সহায়তার পাশাপাশি শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।’’ নতুন শিল্প প্রকল্প এলে স্থানীয় স্তরে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পরিষেবা, পরিবহণ, সরবরাহ এবং ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়তে পারে বলে প্রশাসনের তরফে আশা করা হচ্ছে।

    শিল্পক্ষেত্রের জন্য জমি বরাদ্দ

    এদিন সরকারের তরফে বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রের জন্য জমি বরাদ্দের কথা জানানো হয়। তার মধ্যে রয়েছে সেমিকন্ডাক্টর, প্রতিরক্ষা, সৌরবিদ্যুৎ, বৈদ্যুতিক গাড়ি, ইঞ্জিনিয়ারিং, ওষুধ, ইস্পাত, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বস্ত্রশিল্প এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। রাজ্যের বিভিন্ন শিল্প পার্কে এই জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। হরিণঘাটা, খড়্গপুর, পানাগড়, রঘুনাথপুর, ফলতা, উলুবেড়িয়া, কল্যাণী, নৈহাটি, কোচবিহার, সল্টলেক এবং অঙ্কুরহাটি-সহ একাধিক শিল্পাঞ্চলের নামও অনুষ্ঠানের প্রচারপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শিল্পায়নের লক্ষ্যেই ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের বিভিন্ন শিল্প পার্কে এই জমি দেওয়া হয়েছে। সরকারের বক্তব্য, জমি বরাদ্দের মাধ্যমে বিনিয়োগের প্রস্তাবগুলিকে দ্রুত বাস্তবায়নের পথে নিয়ে যাওয়া হবে।

    বাম ও তৃণমূল সরকারের সমালোচনা

    শিল্পনীতি নিয়ে এ দিন পূর্বতন বাম ও তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বাম আমলে শিল্পায়নের চেষ্টা থাকলেও দলের অবস্থান ছিল নেতিবাচক। তাঁর আরও বক্তব্য, তৃণমূল সরকারের আমলে জমি নীতির কারণে শিল্পের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়েছিল এবং সিঙ্গুর থেকে টাটাদের চলে যাওয়ার প্রসঙ্গও তিনি তোলেন। পূর্বতন সরকারের শিল্পনীতির সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘আগের সরকারে ‘ইনসেন্টিভ’ বা বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়ার ব্যবস্থা কার্যত গুরুত্ব পায়নি। বর্তমান সরকার শিল্পে উৎসাহ দিতে ৫ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল তৈরি করেছে।’’ রাজ্যের নতুন খসড়া শিল্প নীতি (Draft Industrial Policy) প্রসঙ্গে তিনি জানান, এই নীতিতে ইনসেন্টিভ বা উৎসাহভাতার বিশেষ সংস্থান রাখা হয়েছে। এই প্রস্তাবিত খসড়াটি ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যসচিবের (CS) কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। মুখ্যসচিব নিজের দফতরের সমস্ত হেড অফ ডিপার্টমেন্টদের নিয়ে তা খুঁটিয়ে বিশ্লেষণ করে ক্যাবিনেটে পেশ করবেন। এরপর মন্ত্রিগোষ্ঠীর চূড়ান্ত অনুমোদনের পরেই তা কার্যকর হবে। তবে পূর্বের শাসনকালগুলির অর্থনৈতিক স্থবিরতা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিতেও ছাড়েননি তিনি। শুভেন্দু অধিকারীর কড়া মন্তব্য, অতীতে সিপিএম আমল এবং বিগত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের জমানায় অর্থনীতির বেহাল দশা হয়েছে। সেই পুরনো জমানার জঞ্জাল বা ব্যাকলগের বোঝা আর বর্তমান সরকার বহন করতে পারবে না। সম্পূর্ণ কর্মসংস্থানমুখী ইনসেন্টিভ এবং স্বচ্ছ নীতির হাত ধরেই বাংলা শিল্পচিত্রে নতুন যুগ দেখবে বলে বার্তা শুভেন্দুর।

    পরিকাঠামোগত সুবিধা

    মুখ্যমন্ত্রী শিল্পপতিদের উদ্দেশে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার পাশে থাকবে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চলগুলিতে জমির ব্যবহার এবং পরিকাঠামোগত সুবিধা বাড়ানোর উপরও জোর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগের গতি বাড়বে বলেই আশা সরকারের। আরও শিল্প আসবে। শিল্প সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে শিল্পপতি গৌতম আদানির সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকের প্রসঙ্গ টানেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি জানান, শিল্পপতি গৌতম আদানি এবং আম্বানি গোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁদের অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। যদিও সেই আলোচনার সব কথা এখনই প্রকাশ্যে আনতে চাননি তিনি, তবে আদানি গোষ্ঠী যে বাংলার একাধিক সেক্টরে কাজ করতে চলেছে, সে বিষয়ে পূর্ণ আশ্বাস মিলেছে। সেই লক্ষ্যে আগামী ১০ দিনের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বা টিম রাজ্যে পাঠাচ্ছে আদানি গোষ্ঠী। পাশাপাশি শিল্পপতি গৌতম আদানি আজ সকাল ১১ টায় নিউটাউনে প্রায় দু’হাজার শয্যাবিশিষ্ট ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’ বা হাসপাতালের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলেও জানান তিনি।

     

     

     

     

  • BJP: বাংলায় সুনীল বনসলই, তিন সহ-পর্যবেক্ষক নিয়ে নতুন পদ্ম-দল

    BJP: বাংলায় সুনীল বনসলই, তিন সহ-পর্যবেক্ষক নিয়ে নতুন পদ্ম-দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সংগঠন সামলানোর দায়িত্বে সুনীল বনসলকেই (Sunil Bansal) রেখে দিলেন বিজেপির (BJP) কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বুধবার দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য নতুন পর্যবেক্ষক ও সহ-পর্যবেক্ষকদের নাম ঘোষণা করেন। সেই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক হিসেবে নাম রয়েছে বনসলের। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক করা হয়েছে লাল সিংহ আর্য, রাজেন্দ্র সিংহ এবং পিঙ্কি কুশওয়াহাকে। বিজেপির সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসে একাধিক রাজ্যে নতুন দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও পশ্চিমবঙ্গ এবং তেলঙ্গানায় বনসলের দায়িত্ব বহাল রাখা হয়েছে। তেলঙ্গানাতেও তাঁর সঙ্গে নতুন করে দুই সহ-পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

    তিন সহ-পর্যবেক্ষক নিয়ে বাংলায় বনসলের দল (BJP)

    পশ্চিমবঙ্গে সংগঠন পরিচালনায় বনসলকে সাহায্য করবেন লাল সিংহ আর্য, রাজেন্দ্র সিংহ এবং পিঙ্কি কুশওয়াহা। বিজেপির প্রকাশিত তালিকাতেও এই তিনজনের নাম পশ্চিমবঙ্গের সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে।

    বিজেপির সাংগঠনিক দায়িত্বে বনসলের সঙ্গে নতুন তিন নেতাকে যুক্ত করার মাধ্যমে রাজ্য সংগঠনের কাজ আরও ভাগ করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং নির্বাচনী প্রস্তুতিতে এই দল কাজ করবে বলে বিজেপি সূত্রে খবর।

    পড়শি রাজ্য অসমের দায়িত্বেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। অসমের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে মঙ্গল পাণ্ডেকে। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকছেন ফাংনন কোন্যাক এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা।

    স্মৃতি ইরানি, রাম মাধবদেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব

    সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসে একাধিক প্রবীণ ও পরিচিত নেতাকে বিভিন্ন রাজ্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে হরিয়ানা ও ছত্তিশগড়ের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব পেয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছেন জগদীশ পটেল, মেধা কুলকার্নি, প্রদীপ বর্মা এবং অনন্ত ওঝা।

    দিল্লির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিনয় সহস্রবুদ্ধেকে। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হয়েছেন জামিয়াং সেরিং নামগিয়াল এবং দর্শনা জারদোস। মহারাষ্ট্রের পর্যবেক্ষক হয়েছেন বৈজয়ন্ত জয় পাণ্ডা। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছেন অমিত মালব্য, সদানন্দ শেঠ তানাওয়াড়ে এবং কমলজিৎ সেহরাওয়াত।

    দক্ষিণ ভারতে তামিলনাড়ু ও উত্তরাখণ্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাম মাধবকে। তামিলনাড়ুতে তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছেন নির্মল কুমার সুরানা এবং ডি কে অরুণা। উত্তরাখণ্ডে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন অরবিন্দ মেনন ও বাঁসুরি স্বরাজ।

    সিকিমের দায়িত্বে দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্ত

    দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তকে সিকিমের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। বিজেপির এই সিদ্ধান্তের কথা সিকিমের দলীয় নেতৃত্বও জানিয়েছেন। মধ্যপ্রদেশের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে। বিজেপির প্রকাশিত তালিকায় ওড়িশার দায়িত্বে ডি পুরন্দেশ্বরী এবং গুজরাতের দায়িত্বে তরুণ চুঘের নামও রয়েছে (BJP)।

    কেন্দ্রীয় প্রচার ও সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বে রদবদল

    রাজ্যভিত্তিক সাংগঠনিক দায়িত্বের পাশাপাশি দলের সংবাদমাধ্যম ও যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও পরিবর্তন করা হয়েছে। অনিল বালুনিকে দলের যোগাযোগ বিভাগের সমন্বয়কারী করা হয়েছে। এই বিভাগের অধীনে থাকবে জাতীয় সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কাজ। আশিস ঊষা আগরওয়ালকে জাতীয় সংবাদমাধ্যম বিভাগের আহ্বায়ক করা হয়েছে।

    বিজেপির এই নতুন সাংগঠনিক কাঠামো ২০২৭ সালের একাধিক বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বলেই দাবি পদ্ম শিবির সূত্রের। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, উত্তরাখণ্ড-সহ একাধিক রাজ্যে আগামী নির্বাচনী প্রস্তুতিকে সামনে রেখেই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গে বনসলকে (Sunil Bansal) বহাল রাখার সঙ্গে তিন নতুন সহ-পর্যবেক্ষক যুক্ত হওয়ায় রাজ্য সংগঠনের দায়িত্বে একটি সম্প্রসারিত কাঠামো তৈরি হল। ২০২২ সালে পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে বনসল রাজ্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এবারও তাঁকেই দায়িত্বে রেখে নতুন তিন নেতাকে তাঁর সঙ্গে যুক্ত করলেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এক বিজেপি (BJP) নেতার কথায়, “সুনীল বনসল জেলায় জেলায়, এমনকি ব্লক স্তর পর্যন্ত গিয়ে সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করেছেন। তাই তাঁকে ফের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”

     

  • Arrear DA: বকেয়া ডিএ মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত নবান্নের, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের টাকা এক কিস্তিতেই!

    Arrear DA: বকেয়া ডিএ মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত নবান্নের, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের টাকা এক কিস্তিতেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (Arrear DA) মেটানোর বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal)। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এককালীন এক কিস্তিতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

    অর্থাৎ, নির্দিষ্ট সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবার ধাপে ধাপে নয়, একবারেই মেটানো হবে। তবে ওই সময়ের জন্য আগে যে টাকা দেওয়া হয়েছে, তা হিসেবের সঙ্গে ধরা হবে। ফলে একই সময়ের বকেয়া বাবদ যাতে দু’বার অর্থ প্রদান না হয়, সেই বিষয়টিও বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে।

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা একবারেই (Arrear DA)

    ১ এপ্রিল ২০০৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত সময়ের জন্য রাজ্য সরকারি কর্মীদের যে পরিমাণ মহার্ঘ ভাতা প্রাপ্য, তা এককালীন মেটানো হবে। হিসেব করা হবে সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্যসূচক এবং ১০০ শতাংশ নিরপেক্ষীকরণের ভিত্তিতে। তবে চলতি বছরের ১৩ মার্চ এবং ২৩ মার্চ জারি করা আগের নির্দেশ অনুযায়ী ওই সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত যে অর্থ ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে, তা নতুন করে নির্ধারিত বকেয়া থেকে বাদ দিয়ে হিসেব করা হবে।

    কার টাকা ভবিষ্যনিধিতে, কার টাকা সরাসরি ব্যাঙ্কে?

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মীদের শ্রেণি অনুযায়ী আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ‘ক’, ‘খ’ এবং ‘গ’ শ্রেণির কর্মীদের প্রাপ্য বকেয়া অর্থ তাঁদের সংশ্লিষ্ট সাধারণ ভবিষ্যনিধি হিসাবে জমা হবে। অন্যদিকে ‘ঘ’ শ্রেণির কর্মীদের বকেয়া অর্থ সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক হিসাবে দেওয়া হবে। তবে অবসরের তিন মাস আগে যাঁদের চূড়ান্ত সাধারণ ভবিষ্যনিধির অর্থ মেটানোর সময় এসে গিয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সাধারণ ভবিষ্যনিধিতে জমা হবে না। ওই অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্মীর ব্যাঙ্ক হিসাবে দেওয়া হবে। সাধারণ ভবিষ্যনিধিতে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার অর্থ জমা হলেও তা সঙ্গে সঙ্গে তোলা যাবে না। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩১ মার্চ ২০২৮ পর্যন্ত ওই অর্থ তোলার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। তবে তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মীর অবসর, অবসরজনিত অবসান, মৃত্যু বা পদত্যাগ হলে, যে ঘটনা আগে ঘটবে, সেই অনুযায়ী নিয়ম প্রযোজ্য হবে (Arrear DA)।

    আয়কর কেটে দেওয়া হবে বকেয়া অর্থ

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার সময় প্রযোজ্য আয়কর কেটে নেওয়া হবে। পাশাপাশি ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে আগে যে আয়কর কাটা হয়নি, প্রয়োজন অনুযায়ী তার হিসেবও করা হবে। প্রতিটি দফতরের বেতন ও কর্মীর চাকরিসংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখে সঠিক হিসেব করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রাপ্য অর্থ নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে সতর্কতার সঙ্গে নথি যাচাই করতে হবে। হিসেবের ভুল, যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা অন্য কোনও কারণে কোনও কর্মী তাঁর প্রাপ্যের তুলনায় বেশি অর্থ পেয়ে গেলে সেই অতিরিক্ত অর্থ পরবর্তী সময়ে ফেরত নেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে কর্মীর প্রাপ্য অর্থের সঙ্গে তা অ্যাডজাস্টও করা হতে পারে।

    অনলাইন ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানোর প্রক্রিয়া সহজ করতে রাজ্য সরকারের অনলাইন মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাতেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের মাধ্যমে বকেয়া অর্থের বিল তৈরি ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে পৃথক বিস্তারিত নির্দেশিকাও জারি করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চে রাজ্য সরকার ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দুই কিস্তিতে দেওয়ার (West Bengal) ব্যবস্থা করেছিল। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মেটানোর পদ্ধতি পরে জানানো হবে বলে সেই সময়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল (Arrear DA)।

     

  • Assam: অসমে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া নজর, কাছাড়ে ২২ জনকে পুশব্যাক

    Assam: অসমে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া নজর, কাছাড়ে ২২ জনকে পুশব্যাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করেছে অসম (Assam)। বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা কিংবা রাজ্যে বেআইনিভাবে বসবাস করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী (Infiltrators Pushed Back)। সর্বশেষ অভিযানে কাছাড় জেলার সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করা ২২ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আটক করে সীমান্তের ওপারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবারের ঘটনা।

    বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার (Assam)

    এর পাশাপাশি, অসম পুলিশ রাজ্যে বেআইনিভাবে বসবাসকারী আরও ছয় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করেছে। তাঁদের তুলে দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, “রাজ্যে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা সমস্ত দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের বাহিনী সতর্ক রয়েছে।”

    এ ধরনের কার্যকলাপ প্রতিরোধে রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। অন্য একটি ঘটনায়, অসম পুলিশ দুই সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশি নাগরিককে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেয়। পরে সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাঁদের বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে।

    গবাদি পশু পাচার ঘিরে ফের তৎপরতা

    এদিকে, সীমান্তপারের গবাদি পশু পাচারকে কেন্দ্র করে পৃথক একটি ঘটনায় অসমের শ্রীভূমি জেলায় চার বাংলাদেশি নাগরিক এবং তাঁদের এক ভারতীয় সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, তাঁরা গরু ও মহিষ বেআইনিভাবে সীমান্ত পার করে পাচারের চেষ্টা করছিলেন।

    পুলিশের কাছে এলাকায় সন্দেহজনক সীমান্তপারের গবাদি পশু পাচারের চেষ্টার খবর আসার পর সোমবার রাতে বদরপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেই অভিযানে পাঁচজনকে আটক করা হয় (Assam)।

    পুলিশ জানিয়েছে, বদরপুর থানার অন্তর্গত মহাকাল গ্রামে চার বাংলাদেশি নাগরিককে ধরা হয়। তাঁদের নাম রেজাউল করিম, সাব্বির আহমেদ, রাচেল আহমেদ এবং হাসান আহমেদ তাহিম। তাঁরা বাংলাদেশের সিলেট জেলার জকিগঞ্জের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।

    এই ঘটনায় এক ভারতীয় নাগরিককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর নাম ফজলউদ্দিন। তিনি কাছাড় জেলার কাটিগড়া বিধানসভা এলাকার জগদীশপুর গ্রামের বাসিন্দা। তদন্তকারীদের সন্দেহ, সীমান্ত পার করে গবাদি পশু নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে তিনি স্থানীয় সহযোগী হিসেবে কাজ করছিলেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অভিযুক্ত বাংলাদেশি নাগরিকরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের টুকরগ্রাম এলাকা দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। অভিযোগ, পরে গবাদি পশুগুলি ফের বাংলাদেশে পাচার করার উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের।

    কীভাবে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকলেন, এর নেপথ্যে আরও বড় কোনও পাচারচক্র সক্রিয় রয়েছে কি না এবং এই চক্রের সঙ্গে কারা যুক্ত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    পাঁচ অভিযুক্তকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁদের ভারতে প্রবেশের পথ, পাচারচক্রের সঙ্গে যুক্ত অন্য ব্যক্তিদের পরিচয় এবং গবাদি পশু পাচারের পিছনে থাকা গোটা ব্যবস্থার সন্ধান চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

    মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা আরও বলেন, “সীমান্তের ওপারে হোক বা রাজ্যের ভিতরে, আমরা প্রত্যেক অবৈধ কার্যকলাপে যুক্ত ব্যক্তিকে খুঁজে বের করব (Infiltrators Pushed Back) এবং রাজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Assam)।”

     

  • Donald Trump: ইরানের বিকল্প পথে জ্বালানি সরবরাহে জোর, ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ করিডরকে সমর্থন ট্রাম্পের

    Donald Trump: ইরানের বিকল্প পথে জ্বালানি সরবরাহে জোর, ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ করিডরকে সমর্থন ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি পরিকাঠামোকে ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন পথ থেকে সরিয়ে বিকল্প রুট গড়ে তোলার পক্ষে জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এ ক্ষেত্রে ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডরকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের নেতাদের সঙ্গে বহুপাক্ষিক বৈঠকে মঙ্গলবার এ কথা (IMEC) বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    ট্রাম্প বলেন, “প্রতিবেশী দেশগুলিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর ইরানের জঙ্গি হামলা দেখিয়ে দিয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি পরিকাঠামোকে ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন পথ থেকে সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।”

    তিনি আরও বলেন, “এই কারণেই আমার প্রশাসন ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর এবং তেল বাইরে নিয়ে যাওয়ার অন্যান্য পথ—তা পাইপলাইন হোক বা অন্য কোনও ব্যবস্থা—দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে। একসঙ্গে আমরা এমন সব চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছি, যেগুলি এক দশক ধরে এই অঞ্চলকে সমস্যায় রেখেছে।”

    ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর (Donald Trump)

    ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর একটি বহুদেশীয় পরিবহণ, জ্বালানি ও যোগাযোগ পরিকাঠামো প্রকল্প। ২০২৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ভারত, আমেরিকা, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই প্রকল্প নিয়ে সমঝোতাপত্রে সই করে।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই করিডরের একটি পূর্বাঞ্চলীয় পথ ভারতকে উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে এবং একটি উত্তরাঞ্চলীয় পথ উপসাগরীয় অঞ্চলকে ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত করবে। এর মধ্যে রেলপথ, বন্দর-সংযোগ এবং সমুদ্র ও স্থলপথের যৌথ পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

    প্রকল্পের আওতায় জ্বালানি ও ডিজিটাল যোগাযোগের জন্য তার এবং পরিষ্কার হাইড্রোজেন পরিবহণের জন্য পাইপলাইন তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। এর লক্ষ্য ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং অর্থনৈতিক সংযোগ আরও বাড়ানো।

    চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের বিকল্প হিসেবেও এই করিডরকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। পাশাপাশি ইরান-নিয়ন্ত্রিত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভারত ও ইউরোপের মধ্যে পণ্য পরিবহণের সময় কমানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।

    বাড়ছে বিকল্প জ্বালানি পথের গুরুত্ব

    বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক জ্বালানি পরিবহণপথ হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে অস্থিরতার কারণে বিকল্প জ্বালানি করিডরের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের বক্তব্যেও এই প্রেক্ষাপট স্পষ্ট হয়েছে।

    তবে ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ করিডর এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। প্রকল্পটির অগ্রগতি নিয়ে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে রেলপথ, বন্দর ও মহাসড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। তবে প্রকল্পের পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য নির্দিষ্ট সামগ্রিক সময়সীমা এখনও স্পষ্ট নয় (Donald Trump)।

    ইরানকে ফের কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    এদিকে, রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া আগের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে ইরানকে ফের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমেরিকা ইরানকে আর্থিকভাবে বিচ্ছিন্ন করেছে। তেহরান দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে বলেও আশা করছেন তিনি।

    ট্রাম্প বলেন, “একটা সময় আসবে যখন অনেক দেরি হয়ে যাবে এবং একটি দেশ হিসেবে তাদের টিকে থাকার সুযোগ দেওয়ার মতো পরিস্থিতি আমাদের হাতে আর থাকবে না। আমি সেটা দেখতে চাই না। তবে এই টেবিলে বসে থাকা মানুষগুলির অনেকেই সেটাই দেখতে চান।”

    ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প গত বছরের মার্কিন সামরিক অভিযান ‘মিডনাইট হ্যামারে’র কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, ওই অভিযানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট পরমাণু স্থাপনাগুলি ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে যায় (IMEC)।

    তবে ২০২৫ সালের ওই হামলার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের দাবির বাইরে বিভিন্ন মূল্যায়নে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। মার্কিন কংগ্রেসের গবেষণা সংস্থার নথি অনুযায়ী, ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানের পরমাণু স্থাপনাগুলিতে হামলা চালানো হয়েছিল। পরে মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন নিয়ে ট্রাম্পের “সম্পূর্ণ ধ্বংস” দাবির মাত্রা নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয় (Donald Trump)।

     

  • Mirabai Chanu: ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান, এশিয়ান গেমসে রুপো মীরাবাই চানুর

    Mirabai Chanu: ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান, এশিয়ান গেমসে রুপো মীরাবাই চানুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সে রুপো, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা, কমনওয়েলথ গেমসে একের পর এক সাফল্য— কিন্তু একটাই সাফল্য অধরা ছিল মীরাবাই চানুর (Mirabai Chanu)। এশিয়ান গেমসে কোনও পদক ছিল না ভারতের এই তারকা ওয়েটলিফটারের। অবশেষে মিটল সেই অপূর্ণতা। বুধবার এশিয়ান গেমসে মহিলাদের ৪৯ কেজি ভারোত্তোলনে রুপো জিতলেন মীরাবাই চানু। মোট ১৯৮ কেজি ওজন তুলে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেন মণিপুরের তারকা ভারোত্তোলক। একই সঙ্গে এশিয়ান গেমসে ভারোত্তোলনে ভারতের ২৮ বছরের পদক-খরা কাটালেন তিনি। চলতি এশিয়াডে ভারতের পদক সংখ্যা বেড়ে হলো ১২।

    ভারোত্তোলনে পদক-খরা কাটল

    শেষবার এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2026) ভারোত্তোলনে ভারত পদক জিতেছিল ১৯৯৮ সালে। ব্যাংককে রুপো জিতেছিলেন কারনাম মল্লেশ্বরী। ২৮ বছর আর কোনও পদক পায়নি ভারত। বুধবার সেই খরা কাটালেন মীরাবাই চানু। ব্যক্তিগত ভাবেও অধরা ছিল এশিয়ান গেমসের পদক। সেটাও পূর্ণ করলেন চানু। উল্লেখ্য, এর আগে দু’বার এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়েও পদক জিততে পারেননি মীরাবাই। এদিন সোনা জেতেন উত্তর কোরিয়ার রি সং গাম। মোট ২১৫ কেজি ওজন (স্ন্যাচে ৯৪ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১২১ কেজি) তুলে বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি।

    জয়ের ধারা অব্যাহত ভারতের কবাডি দলের

    এশিয়ান গেমসে জয়ের ধারা অব্যাহত ভারতের কবাডি দলের। বুধবার গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আইচি-নাগোয়াতে ইরানকে ৩৭-২৩ গোলে হারাল ভারতের মেয়েরা। শুরুটা মন্থর করে ভারত। প্রথমার্ধে একটা সময় ৯-১১ গোলে পিছিয়ে পড়ে। তারপর দুরন্ত কামব্যাক। মোমেন্টাম ফিরে পায় ভারতের মেয়েরা। প্রথমার্ধের শেষে ১৯-১৫ তে লিড নিয়ে নেয়। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন ভাবনা দেবী। কয়েকটি দুর্দান্ত ট্যাকেল করেন। ম্যাচের কন্ট্রোল ধরে রাখেন পূজা। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ায় ভারত। শেষপর্যন্ত ৩৭-২৩ গোলে ইরানকে হারায়। এশিয়ান গেমসে কবাডিতে জোড়া জয় তুলে নিল ভারতের মেয়েরা। এর আগে ওপেনিং ম্যাচে বাংলাদেশকে ৪২-২১ গোলে হারায় ভারত। বৃহস্পতিবার জাপানের মুখোমুখি ভারতের মেয়েরা। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশকে (Bangladesh) সহজেই হারিয়ে চলতি এশিয়ান গেমসে পুরুষদের কবাডির সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নিল ভারতীয় দল। বুধবার আইচির টোকাই সিটিজেন জিমন্যাশিয়ামে ভারতের পক্ষে ম্যাচের ফল ৪৮-২৫। চলতি এশিয়ান গেমসে এখনও পর্যন্ত তিন ম্যাচ খেলে তিন ম্যাচেই জয় পেয়েছে ভারতের পুরুষ কবাডি দল। গ্রুপ এ-তে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখায় গতবারের এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী ভারতীয় দল। দুই সেমি-ফাইনালে পরাজিত দলই ব্রোঞ্জ পদক পাবে। ফলে ভারতীয় দলের পদক নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। পুরুষদের কবাডিতে ভারত এশিয়ান গেমসের রেকর্ড আটবারের চ্যাম্পিয়ন। এশিয়ান গেমসে কবাডি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর জাকার্তা ২০১৮ ছাড়া প্রতিটি আসরেই সোনা জিতেছে ভারত। ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইরান।

    ভারতের সাফল্য

    এশিয়ান গেমস ২০২৬-এ শুটিংয়ে ভারতের পদক অভিযান অব্যাহত। মহিলাদের স্কিট দলের পর এবার পুরুষদের স্কিট দলও ব্রোঞ্জ পদক জিতে নিল। ভবতেগ সিং গিল, অনন্তজিৎ সিং নারুকা এবং মেরাজ আহমেদ খানের ত্রয়ী ফাইনালে ৩৪৬ স্কোর করে তৃতীয় স্থান দখল করেছে। তবে এদিন পদক হাতছাড়া হয় মনু ভাকেরের। তাঁকে ঘিরে সোনা জয়ের স্বপ্ন ছিল। কিন্তু পঞ্চম স্থানে শেষ করেন অলিম্পিকের জোড়া পদকজয়ী। সফট টেনিসেও নিশ্চিত হয় পদক। পুরুষদের সিঙ্গলস কোয়ার্টার ফাইনালে ফিলিপিন্সের শেরউইন নাগুইটকে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৪-৩ গেমে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠেন জয় মীনা। শেষ চারে ওঠা চার খেলোয়াড়ই পদক নিশ্চিত করায়, সফট টেনিসে এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে ভারতের প্রথম পদক নিশ্চিত হয়েছে। এর পাশাপাশি রোয়িং, ক্যানো স্প্রিন্ট এবং টেবিল টেনিসেও নজরকাড়া পারফরম্যান্স ভারতের।

  • India Canada: ভারত-কানাডার বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ফের আলোচনা, আগামী তিন মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বললেন পীযূষ গোয়েল

    India Canada: ভারত-কানাডার বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ফের আলোচনা, আগামী তিন মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বললেন পীযূষ গোয়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের গতি পেতে চলেছে ভারত ও কানাডার (India Canada) মধ্যে প্রস্তাবিত ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি নিয়ে আলোচনা। ৫ অক্টোবর থেকে এই চুক্তির পঞ্চম দফার আলোচনা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। দুই দেশই আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি বছরের শেষের মধ্যে চুক্তির আলোচনা শেষ করার লক্ষ্যও রয়েছে।

    সাংবাদিক বৈঠকে গোয়েল ভারত-কানাডা সম্পর্কের ক্ষেত্রে আগামী তিন মাসকে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, “আগামী ৯০ দিন ভারত-কানাডা সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় হতে চলেছে।”

    আলোচনার গতি বাড়ানোয় জোর (India Canada)

    সম্প্রতি মুম্বইয়ে কানাডার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমন্ত্রী মানিন্দর সিধুর সঙ্গে গোয়েলের বৈঠকে চতুর্থ দফার আলোচনা শেষ হয়েছে। দুই পক্ষই আলোচনার গতি বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের পরেই ৫ অক্টোবর থেকে পঞ্চম দফার আলোচনা শুরু করার কথা জানানো হয়েছে।

    প্রস্তাবিত চুক্তির মূল লক্ষ্য হল দুই দেশের মধ্যে পণ্য ও পরিষেবার বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ আরও বাড়ানো। পাশাপাশি একে অপরের বাজারে প্রবেশের সুযোগ সম্প্রসারণ, বাণিজ্যিক বাধা কমানো এবং রফতানিকারী ও আমদানিকারীদের জন্য আরও নিশ্চয়তা তৈরির বিষয়েও চুক্তিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আলোচনায় দুই দেশের স্বার্থ ও উদ্বেগকে বিবেচনায় রেখে পারস্পরিক সুবিধাজনক সমঝোতায় পৌঁছনোর চেষ্টা করা হবে।

    ভারত ও কানাডার মধ্যে ওষুধ, প্রকৌশলজাত পণ্য, বস্ত্র, কৃষি, জ্বালানি এবং পরিষেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ২০২৫ সালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩০.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০৩০ সালের মধ্যে সেই বাণিজ্য ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।

    চুক্তির প্রক্রিয়া

    প্রস্তাবিত ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির আলোচনা অবশ্য নতুন নয়। ২০২২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু হওয়ার পর ২০২২ ও ২০২৩ সালে মোট নয় দফা আলোচনা হয়েছিল। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে টানাপোড়েনের মধ্যে ২০২৩ সালের আগস্টে আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়। পরে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ফের সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং ২০২৬ সালে নতুন করে চুক্তির প্রক্রিয়া এগোয়। মার্চ ২০২৬-এ দুই দেশের মধ্যে আলোচনার কাঠামো সংক্রান্ত শর্তাবলিতেও সম্মতি হয় (India Canada)।

    কানাডার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মন্ত্রকও ২১ সেপ্টেম্বর জানিয়েছে, দুই দেশ ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং চলতি বছরের মধ্যে পারস্পরিকভাবে লাভজনক একটি চুক্তিতে পৌঁছনোর বিষয়ে কানাডার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

    পরবর্তী দফার আলোচনা

    ফলে ৫ অক্টোবর শুরু হতে চলা পরবর্তী দফার আলোচনায় এখনও অমীমাংসিত বিষয়গুলিতে কতটা অগ্রগতি হয় এবং দুই দেশ চুক্তির দিকে কতটা এগোতে পারে, এখন সেটাই দেখার। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সাম্প্রতিক আলোচনার গতি এবং দুই দেশের নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, আগামী কয়েক মাস ভারত-কানাডার অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে (India Canada)।

     

LinkedIn
Share