Tag: bangla news

bangla news

  • Epstein Files: আমেরিকায় কেলেঙ্কারি! তালিকায় বিল গেটস-সহ একাধিক প্রভাবশালীর নাম

    Epstein Files: আমেরিকায় কেলেঙ্কারি! তালিকায় বিল গেটস-সহ একাধিক প্রভাবশালীর নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই প্রকাশ করা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (US) বিচার বিভাগের জেফ্রি এপস্টাইন সংক্রান্ত নথিপত্রের (Epstein Files) একটি অংশ। তার জেরেই ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে মার্কিন মুলুকে। ওই নথিগুলোতে মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস-সহ একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উল্লেখ রয়েছে বলে খবর।

    যৌন অপরাধে দণ্ডিত (Epstein Files)

    এপস্টাইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টে যৌন অপরাধে দণ্ডিত জেফ্রি এপস্টাইন সংক্রান্ত তদন্তের সঙ্গে যুক্ত ৩০ লাখেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি, ২ হাজারেরও বেশি ভিডিও এবং প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি প্রকাশ করেছে। এই উপকরণগুলির মধ্যে যৌন নির্যাতনের শিকারদের সাক্ষাৎকার এবং বিপুল সংখ্যক ই-মেইল যোগাযোগও রয়েছে। প্রকাশিত কিছু নথিতে ‘জর্জ বুশ ১’-এর বিরুদ্ধে অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে। তবে এখানে নামটি আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশকেই নির্দেশ করছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এপস্টাইনের ব্যক্তিগত লগবুকে বুশের নাম পাওয়া যায়নি। তবে এপস্টাইনের এক ভুক্তভোগী নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের চাইল্ড এক্সপ্লয়টেশন ডিটেকটিভ ব্যুরোয় দায়ের করা অভিযোগে এই নামটি উল্লেখ করেছিলেন। বিল গেটসের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি এপস্টাইনের ১৮ জুলাই, ২০১৩ তারিখের খসড়া বার্তায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ওই বার্তাগুলির কিছু অংশে গেটসের তৎকালীন উপদেষ্টা বরিস নিকোলিকের কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা ছিল।

    এপস্টাইনের দাবি

    একটি খসড়া বার্তায় এপস্টাইন দাবি করেন, গেটস ‘রুশ মেয়েদের’ সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন এবং এতে তিনি যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হন। এপস্টাইনের অভিযোগ, গেটস নাকি অনুরোধ করেছিলেন যাতে গোপনে তাঁর তৎকালীন স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। এপস্টাইন আরও দাবি করেন, ওই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ই-মেইলগুলি মুছে ফেলতে গেটস তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন। একই খসড়া বার্তায় এপস্টাইন গেটসের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিন্ন হওয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। গেটসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ায় তিনি অকল্পনীয়ভাবে হতাশ হয়েছিলেন বলে জানিয়েছিলেন। বার্তায় এপস্টাইন (Epstein Files) লিখেছিলেন, “কাটা ঘায়ে নুন ছেটানোর মতো তুমি এরপর আমায় অনুরোধ করো তোমার যৌনরোগ সংক্রান্ত ই-মেইলগুলি, মেলিন্ডাকে গোপনে দেওয়ার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক চাওয়ার বিষয়টি এবং তোমার যৌনাঙ্গের বর্ণনা সংক্রান্ত লেখাগুলি মুছে ফেলতে।” এর আগে বিচার বিভাগ প্রকাশিত এপস্টাইন-সংক্রান্ত একাধিক ছবিতে বিভিন্ন স্থানে এপস্টাইনের সঙ্গে বিল গেটসকে দেখা গিয়েছিল। তবে এপস্টাইনের আনা সব অভিযোগই বিল গেটস সরাসরি অস্বীকার করেন।

    মুখপাত্রের বক্তব্য

    সংবাদ মাধ্যমে গেটসের এক মুখপাত্র বলেন, “এই অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ অবাস্তব ও ভিত্তিহীন। এই নথিগুলি কেবল এটুকুই প্রমাণ করে যে গেটসের সঙ্গে সম্পর্ক চালু না থাকায় এপস্টাইন কতটা হতাশ ছিলেন এবং কীভাবে তিনি ফাঁদ পেতে অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা করতেন।” এপস্টাইনের এক ভুক্তভোগীর বিবরণ সংবলিত একটি ই-মেইলে লেখা রয়েছে, “ধন্যবাদ এম, আমি বুঝতে পারিনি বুশও তাকে ধর্ষণ করেছিল। ঠিক আছে।” ওই নথিতে ভুক্তভোগী সম্পর্কে আরও বলা হয়, “এই ইয়টে থাকার সময় সে দেখতে পেয়েছিল আফ্রিকান-আমেরিকান পুরুষরা শ্বেতাঙ্গ স্বর্ণকেশী নারীদের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত ছিল, এবং যৌনক্রিয়ার সময় সবাই রক্তাক্ত হচ্ছিল (US)।” নথিতে আরও বলা হয়, “সে এক ধরনের আচারভিত্তিক বলিদানের শিকার হয়েছিল, যেখানে তার পা তরবারি দিয়ে কাটা হয়, যদিও কোনো স্থায়ী দাগ ছিল না। ইয়টে সে শিশুদের খণ্ডবিখণ্ড করা, তাদের নাড়িভুঁড়ি বের করে ফেলা এবং সেই নাড়িভুঁড়ির মল খাওয়ার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে।”

    ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ

    নথিতে আরও দাবি করা হয় যে ‘জর্জ বুশ ১’ ওই ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করেছিলেন। “সে জর্জ বুশ ১-এর দ্বারাও ধর্ষিত হয়েছিল,” নথিতে উল্লেখ করা হয়। এছাড়াও বলা হয়, “ভুক্তভোগী জানান, ট্রু পণ্ডিতের প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল মুর তাঁকে এফবিআই ভবনে নিয়ে যান। বিভিন্ন অনলাইন সূত্রে ট্রু পণ্ডিতকে একটি ষড়যন্ত্রতত্ত্বনির্ভর সংবাদমাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা এফবিআইকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে (Epstein Files)।” আর এক পুরুষ ভুক্তভোগীর বয়ানে বলা হয়েছে, ২০০০ সালে একটি বড় ইয়টে তাঁকে এপস্টাইন এবং প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। ভুক্তভোগী জানান, ওই সফরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর বর্তমান স্ত্রী মেলানিয়াও ইয়টে উপস্থিত ছিলেন (US)। তবে ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার সময় তিনি মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন এবং দীর্ঘদিন থেরাপি নেওয়ার পর ২০১৬ সালে এসব স্মৃতি তাঁর মনে ফিরে আসে। ২০১৯ সালের অগাস্টে এফবিআই পরিচালিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব তথ্য দেন। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ডিসেম্বরে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক চাপ এবং কংগ্রেসে পাস হওয়া নতুন আইনের নির্ধারিত আইনি সময়সীমার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার বিভাগ এপস্টাইন ফাইলস প্রকাশ করে (Epstein Files)।

     

  • Suspected Separatists: পাক পুলিশের ওপর হামলা বালুচিস্তানে, খতম ১০

    Suspected Separatists: পাক পুলিশের ওপর হামলা বালুচিস্তানে, খতম ১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের হিংসতাপীড়িত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সর্বশেষ হিংসার ঘটনায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর (Suspected Separatists) হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন নিরাপত্তা আধিকারিক (Pakistani Policemen) এবং ৩৭ জন স্বাধীনতাকামী। আজ, শনিবার ভোরে শুরু হয় এই হামলা। প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটার একাধিক পুলিশ স্টেশনকে টার্গেট করা হয়। অভিযোগ, জাতিগত বালুচ বন্দুকধারীরাই এই হামলা চালিয়েছে। খনিজসমৃদ্ধ বালুচিস্তান প্রদেশে পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের মুখে রয়েছে। আফগানিস্তান এবং ইরান সীমান্তঘেঁষা এই প্রদেশে বিদ্রোহীরা নিয়মিতভাবে রাষ্ট্রীয় বাহিনী, বিদেশি নাগরিক এবং স্থানীয় নন-লোকালদের ওপর হামলা চালিয়ে থাকে।

    বালুচিস্তানের বিভিন্ন স্থানে অভিযান

    পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি এক বিবৃতিতে জানান, হামলায় ১০ জন নিরাপত্তা আধিকারিক নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা করেন, যাঁরা বালুচিস্তানের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা অভিযানে ৩৭ জন সশস্ত্র যোদ্ধাকে হত্যা করেছেন। মন্ত্রীর দাবি, এই হামলাগুলি ভারত-সমর্থিত ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ গোষ্ঠীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ ঘোষিত বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এবং অন্যান্য বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে বোঝাতে এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, হামলার দায় স্বীকার করেছে বিএলএ। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তারা গুলিবর্ষণ ও আত্মঘাতী হামলার মাধ্যমে সামরিক কাঠামো, পুলিশ এবং বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের টার্গেট করেছে (Suspected Separatists)। বালুচিস্তান সরকারের মুখপাত্র শাহিদ রিন্দ বলেন, “অধিকাংশ হামলাই প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।” হামলার সময় পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যকে অপহরণ করা হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গিয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইন্টারনেট ও ট্রেন পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছে এবং বর্তমানে একটি বড় ধরনের নিরাপত্তা অভিযান চলছে।

    দেশজুড়ে হামলার মাত্রা বাড়ছে

    শনিবারের এই হামলা এমন একটা সময়ে ঘটল, যার ঠিক একদিন আগেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল যে তারা বালুচিস্তানে পৃথক দুটি অভিযানে ৪১ জন সশস্ত্র যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ থাকা সত্ত্বেও বালুচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে দরিদ্র প্রদেশ হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরেই ইসলামাবাদে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে স্বাধীনতার দাবিতে সেখানে আন্দোলন করছেন বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। সাম্প্রতিক মাসগুলোয় বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এবং পাকিস্তানি তালিবান, যারা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) নামে পরিচিত, তারা দেশজুড়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। টিটিপি একটি পৃথক সংগঠন হলেও তারা আফগানিস্তানের তালিবানের মিত্র, যারা ২০২১ সালের আগস্টে আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে (Pakistani Policemen)। গত বছর জাতিগত বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ৪৫০ যাত্রীবাহী একটি ট্রেনে হামলা চালায়। এর জেরে দু’দিনব্যাপী অবরোধ তৈরি হয়, যেখানে অন্তত কয়েক ডজন মানুষ নিহত হন (Suspected Separatists)।

     

  • India AI Impact Summit: ‘সবার জন্য এআই’ এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    India AI Impact Summit: ‘সবার জন্য এআই’ এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সবার জন্য এআই’ (AI for All) এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY)-এর উদ্যোগে আগামী ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬। এই সম্মেলন বিশ্বজুড়ে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে। এটি এখনও পর্যন্ত আয়োজিত সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক এআই সম্মেলনে পরিণত হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি, ২০২৬) এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাম্প্রতিক কালে এআই নিয়ে বিভিন্ন শিল্পনেতা, ডেভেলপার ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগ করেছেন। ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইকোসিস্টেমের সুসংগঠিত অগ্রগতির লক্ষ্যে এই বৈঠকগুলো ফলপ্রসূ।

    এআই নিয়ে ভারতের ভাবনা

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, দেশের শীর্ষস্থানীয় আইটি সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই ২০০-র বেশি খাতভিত্তিক ও নির্দিষ্ট এআই মডেল তৈরি করেছে, যা এই সম্মেলনের সময় উদ্বোধন করা হবে। এআই পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রায় ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। সম্মেলন শেষে এই অঙ্ক দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এআই প্রতিভা উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, শিল্প-সম্মত পাঠক্রম ও পরিকাঠামো সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৫০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ চালু করা হবে। শক্তি চাহিদা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এআই প্রযুক্তির জন্য বিপুল শক্তি প্রয়োজন হওয়ায় পারমাণবিক শক্তি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ভারতের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ৫০ শতাংশই সবুজ শক্তি, যা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পাচ্ছে।

    সবার জন্য এআই-এটাই লক্ষ্য

    এই উপলক্ষে প্রায় ৬০ জন বিশিষ্ট শিল্প বিশেষজ্ঞের মতামত সংকলিত একটি কম্পেন্ডিয়াম — ‘দ্য ইমপ্যাক্ট এজেন্ডা: লিডারশিপ রিফ্লেকশনস’ — প্রকাশ করা হয়, যেখানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি, উদ্ভাবন ও সমাজে এআই-এর প্রভাব সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রনিক্স ও আইটি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ, প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা অজয় সুদ, এবং মেইটি-র শীর্ষ আধিকারিকরা। মেইটি সচিব এস. কৃষ্ণন জানান, এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তির গণতান্ত্রিকীকরণ, বিশেষ করে এআই, যাতে এর সুফল সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

    সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টা

    সম্মেলন সপ্তাহে ভারত মণ্ডপম ও সুষমা স্বরাজ ভবনে প্রায় ৫০০টি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি, এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো-তে থাকবে ৮৪০টিরও বেশি প্রদর্শনী, যার মধ্যে বিভিন্ন দেশের প্যাভিলিয়ন, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার, শিল্প সংস্থা, স্টার্টআপ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এই সম্মেলনে ১৫ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, ৪০ জনের বেশি মন্ত্রী, ১০০-রও বেশি শীর্ষস্থানীয় সিইও ও সিএক্সও, এবং ১০০ জনের বেশি খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ অংশগ্রহণ করতে চলেছেন। জিও, কোয়ালকম, ওপেনএআই, এনভিডিয়া, গুগল, মাইক্রোসফট, অ্যাডোব এবং গেটস ফাউন্ডেশন-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক শিল্প অংশীদারের উপস্থিতিও প্রত্যাশিত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ রূপরেখা তৈরি করতে ইতিমধ্যেই দেশের প্রথম সারির প্রযুক্তি সংস্থার সিইও এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামনেই আসছে ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’। তার আগে এই বৈঠকে অংশগ্রহণকারী প্রযুক্তিবিদরা ভারতকে এআই প্রযুক্তির হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকারের এই নিরন্তর প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছেন।

  • Kerala CPM: সিটু ছেড়ে বিএমএসে যোগ পুরো ইউনিটের, হতাশ সিপিএম

    Kerala CPM: সিটু ছেড়ে বিএমএসে যোগ পুরো ইউনিটের, হতাশ সিপিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বামদুর্গে (Kerala CPM) বড় ধস কেরলে। সেখানে আঙ্গাডিপ্পুরম এফসিআই গোডাউনের সম্পূর্ণ সিটু (CITU) ইউনিট সংগঠন ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএমএস (BMS) (ভারতীয় মজদুর সংঘ)-এ যোগ দিয়েছে। এই পরিবর্তন থেকে যে বার্তাটি স্পষ্টভাবে উঠে আসছে, তা হল, কেরলে রাজনৈতিক ও ট্রেড ইউনিয়ন পরিসরে লক্ষণীয় পরিবর্তন ঘটছে, যা রাজ্যের ভেতরে একটি বৃহত্তর পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    বিএমএসে যোগ (Kerala CPM)

    গণপদত্যাগ এবং বিএমএসে যোগদানের পর সিপিএমের ট্রেড ইউনিয়ন শাখা সিটু কার্যত হতবাক। শ্রমিকদের অভিযোগ, সিটু নেতারা কয়েক দশক ধরে দরিদ্র শ্রমিকদের ভুল পথে চালিত ও প্রতারিত করে আসছেন। তাঁদের নিয়ন্ত্রণে রেখে ইউনিট পরিচালনা করেছেন। তাঁদের মতে, আঙ্গাডিপ্পুরমে এফসিআই গোডাউন প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই এই ধারা চলে আসছে। শ্রমিকরা যখন বুঝতে পারেন যে তাঁদের বিভ্রান্ত ও শোষণ করা হচ্ছে, তখন তাঁরা একযোগে সংগঠন ছেড়ে বিএমএসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সিটু-নিয়ন্ত্রিত এফসিআই ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বদানকারী সুধাকরণ-সহ কে আবু তাহির এবং পি আবদুল রাজাক সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সিটু ছেড়ে বিএমএসের সদস্যপদ গ্রহণ করেন।

    দূরবর্তী স্থানে বদলি

    শ্রমিকদের সিটু ছেড়ে করে বিএমএসে যোগদানের আগে, চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের দূরবর্তী স্থানে বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে সিটু নেতৃত্বের কাছে বারবার আবেদন জানানো হয়েছিল। শ্রমিকদের অভিযোগ, সংগঠন এ বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ করেনি। প্রবীণ শ্রমিকরা ডিরেক্ট পেমেন্ট সিস্টেম (ডিপিএস)-এর আওতায় ন্যূনতম মজুরি নিশ্চয়তা ও প্রকৃত কাজের পারিশ্রমিক পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু বদলি হলে তাঁদের জায়গায় নতুন চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক নিয়োগ করা হত। ফলে তাঁরা ডিপিএস সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন। শ্রমিকদের দাবি, সিটুর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঠিকাদারদের এক (BMS) অশুভ আঁতাতের ফলেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে (Kerala CPM)। অসন্তোষ আরও তীব্র হয় যখন সিটু নেতারা ২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত আঙ্গাডিপ্পুরম সিটু ইউনিটের বৈঠকে উপস্থিত থাকার প্রতিশ্রুতি দিলেও, বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে তা প্রত্যাহার করে নেন।

    রাজ্য সম্মেলন

    পরে ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য রাজ্য সম্মেলনে যোগদানের জন্য ইউনিটের পদাধিকারীরা ১৭ জন প্রতিনিধির একটি তালিকা পাঠালেও রাজ্য নেতৃত্ব তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। এসব ঘটনা, যা সিটু থেকে ইউনিটটির ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত, শ্রমিকদের বিএমএস নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে প্ররোচিত করে। এদিকে, সিটু নেতারা ঠিকাদারদের সঙ্গে সমঝোতা করে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের সুবিধাজনক ইউনিটে বদলির ব্যবস্থা করেন বলে অভিযোগ। এমভি গোবিন্দন এবং সিটুর প্রবীণ নেতা ইলামারাম করিম ও টিপি রামকৃষ্ণনের কাছে শ্রমিকদের পাঠানো চিঠিগুলির কোনও জবাব পাওয়া যায়নি বলেও জানা গিয়েছে (Kerala CPM)। এই সব কাজের ফল মারাত্মক হয় বয়স্ক শ্রমিকদের ক্ষেত্রে। আঙ্গাডিপ্পুরম এফসিআই গোডাউনের অধিকাংশ শ্রমিকের বয়স পঞ্চাশের বেশি এবং তাঁরা সিটুর অধীনে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন। দূরবর্তী স্থানে বদলি কার্যত অনেক শ্রমিককে জীবিকা ছেড়ে অন্য পেশায় যেতে বাধ্য করত (BMS)।

    সিটু শ্রমিক-বিরোধী…

    তা সত্ত্বেও, সিটু শ্রমিক-বিরোধী এসব ব্যবস্থার জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি বলেও অভিযোগ। বরং, ইউনিয়ন নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে সমালোচনার অভিমুখ ঘুরিয়ে দিয়ে এক ধরনের এড়িয়ে যাওয়ার নীতি গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ।এদিকে, গণপদত্যাগের পর বিএমএস নেতাদের সঙ্গে শ্রমিকদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়। বিএমএসের জাতীয় সম্পাদক ভি রাধাকৃষ্ণন ও অন্য নেতারা শ্রমিকদের আশ্বস্ত করেন যে বিষয়টি অবিলম্বে রেলমন্ত্রক এবং কেরালার এফসিআই ম্যানেজারের কাছে উত্থাপন করা হবে। শ্রমিকদের বিএমএসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আরও জোরদার করে, ভি রাধাকৃষ্ণন বিএমএস ইউনিট গঠনের বৈঠকের সূচনা করেন এবং সদস্যপদ বিতরণ তদারকি করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফজল রহমান, সেথু থিরুভেনকিটাম, বালাচন্দ্রন এবং বি রতীশ (Kerala CPM)। সিটু ইউনিটের বিএমএসে চলে যাওয়া প্রসঙ্গে ভি রাধাকৃষ্ণন জানান, বিএমএস তিরুবনন্তপুরমে অবস্থিত এফসিআইয়ের জেনারেল ম্যানেজারের কাছে চিঠি লিখে গোডাউনগুলিতে চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে শ্রমিক শোষণ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে (BMS)।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    এই ঘটনা আঙ্গাডিপ্পুরমের বাইরেও বিস্তৃত রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে। কেরালায় সিপিএমকে প্রায়ই সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্ণনা করা হয় এবং এর ট্রেড ইউনিয়ন শাখা সিটু রাজ্যের কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির মধ্যে সমানভাবে প্রভাবশালী। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলিতে বহু দলীয় কর্মী সিপিএম ছেড়েছেন। তাঁদের অনেকেই বিজেপি, আরএসএস এবং অন্যান্য সংঘ-প্রভাবিত বা জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে সিপিএমের একাধিক প্রবীণ নেতা, মুখপাত্র এবং প্রাক্তন বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন এবং (BMS) সক্রিয়ভাবে বিজেপি ও অন্যান্য সংঘ-অনুপ্রাণিত সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করছেন (Kerala CPM)।

     

  • Pakistan:‘‘মাথা নিচু করে ভিক্ষে করতে হয়’’ দেশের করুণ অবস্থার কথা মেনে নিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী

    Pakistan:‘‘মাথা নিচু করে ভিক্ষে করতে হয়’’ দেশের করুণ অবস্থার কথা মেনে নিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দৈন্যদশা আর লুকোতে পারলেন না! বিদেশি ঋণের উপর পাকিস্তানের নির্ভরশীলতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি জানান, এতে দেশের জনগণ ও কর্তাদের আত্মসম্মান নষ্ট হয়। ইসলামাবাদে পাকিস্তানের পরিচিত ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের নিয়ে একটি সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘‘যখন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে আমি দেশে দেশে অর্থ ভিক্ষা করে বেড়াই, তখন আমার অত্যন্ত খারাপ লাগে। লজ্জায় মাথা নীচু হয়ে যায়। তারা অনেক কিছু আমাদের করতে বলে, আমরা না বলতে পারি না।’’

    আত্মসম্মানের সঙ্গে আপস করতে হয়

    শুক্রবার ইসলামাবাদে শীর্ষ পাকিস্তানি রফতানিকারকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় শরিফ স্বীকার করে নিলেন, পাকিস্তান সম্পূর্ণরূপে বিদেশি আর্থিক সাহায্য এবং নানা ধরনের প্যাকেজের উপর নির্ভরশীল। ঋণ চেয়ে চেয়ে দেশের মুখ আন্তর্জাতিক স্তরে একেবারে পুড়ে গিয়েছে, এ কথাও মেনে নিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। শরিফ বলেন, ‘‘আমি কীভাবে বলব আমরা কোন কোন বন্ধু দেশের থেকে ঋণ চেয়েছি! সেই দেশগুলি আমাদের হতাশ করেনি যদিও। কিন্তু ঋণ যে নিতে যায় তার মাথা হেঁট তো থাকবেই।’’ তিনি স্পষ্ট ভাবে স্বীকার করেছেন, যখন কোনও দেশ আর্থিক সাহায্য চায় তখন তাকে তার আত্মসম্মানের সঙ্গে আপস করতে হয়। অনেক বাধ্যবাধকতা থাকে। এক একটা সময়ে যা মেনে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।

    পাক অর্থনীতি বর্তমানে ঋণের উপর নির্ভরশীল

    উল্লেখ্য, পাকিস্তানের পুরো অর্থনীতি বর্তমানে ঋণের উপর নির্ভরশীল। তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫২.৩৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শাহবাজ শরিফের বক্তব্য প্রমাণ করে, পাকিস্তান এখন সম্পূর্ণরূপে ঋণের ফাঁদে আটকে পড়েছে এবং সার্বভৌমত্বের সঙ্গে আপস করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই তাদের কাছে। শাহবাজ বলেন, তাঁর সরকার- কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং অর্থ মন্ত্রককে পুঁজির সহজলভ্যতা বাড়িয়ে শিল্প বৃদ্ধিকে সমর্থন করার নির্দেশ দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘‘গভর্নরকে ব্যবসায়িক নেতাদের কথা শুনতে হবে এবং সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘ব্যক্তিগত ভাবে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি দেশে তিনিও সফর করেছেন। আইএমএফ প্রোগ্রাম বাঁচাতে কোটি কোটি ডলার সাহায্যের অনুরোধ করেছি।’’ আইএমএফ-এর কঠোর শর্ত মেনে চলার জন্য সরকার জনসাধারণের উপর ভারী কর এবং মুদ্রাস্ফীতি চাপিয়ে দিচ্ছে। তবে, পাকিস্তান কেবল আইএণএফ এবং বিশ্বব্যাঙ্কের কাছে ঋণী নয় বরং চিন ও সৌদি আরবের কাছ থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণের বোঝায় চাপা পড়ে রয়েছে।

  • Sayak Chakraborty: ধর্মান্তরনের চেষ্টা! পার্কস্ট্রিটের রেস্তরাঁয় হিন্দু অভিনেতাকে পরিবেশন করা হল গরুর মাংস

    Sayak Chakraborty: ধর্মান্তরনের চেষ্টা! পার্কস্ট্রিটের রেস্তরাঁয় হিন্দু অভিনেতাকে পরিবেশন করা হল গরুর মাংস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি একে হিন্দু, তার ওপর আবার ব্রাহ্মণ। এহেন এক হিন্দুকে পরিবেশন করা হল গরুর মাংস! কলকাতার পার্কস্ট্রিটের (Muslim Waiter) ঘটনায় রাজ্যজুড়ে সমালোচনার ঝড়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার পার্কস্ট্রিট এলাকার একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী (Sayak Chakraborty)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর দুই বন্ধুও। অভিযোগ, খাসির মাংস অর্ডার দিয়ে টেবিলে গিয়ে বসেন তাঁরা। এই রেস্তরাঁর এক মুসলিম ওয়েটার গরুর মাংস পরিবেশন করে বলে অভিযোগ।

    কী বলছেন হিন্দু অভিনেতা? (Sayak Chakraborty)

    ফেসবুকে প্রকাশিত এক ভিডিওয় সায়ককে বলতে শোনা যায়, “এই মুহূর্তে আমরা পার্কস্ট্রিটের একটি বড় রেস্তোরাঁয় রয়েছি। এখানে আমরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলাম। তারা আমাদের বিফ স্টেক পরিবেশন করেছে। আমরা জানতাম না, এটা কী। আমরা ভেবেছিলাম এটা মাটন স্টেকই। আমরা খেয়েও ফেলি।” গরুর মাংস খাওয়ানো হচ্ছে জেনে ব্যাপক খেপে যান অভিনেতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “তুমি কি জানো আমি একজন ব্রাহ্মণ? আমায় না বলেই কী করে গরুর মাংস খাইয়ে দিলে? গোমাতাকে খাইয়ে দিলে? তোমার ধর্ম কি? আমি তোমায় না বলে শুয়োরের মাংস খাইয়ে দিলে, খাবে তো?” তর্কাতর্কি শুরু হতেই ওই মুসলমান ওয়েটার ক্ষমা চায়। কবুল করে তার ভুল হয়ে গিয়েছে। এর পরেই সায়ক ফের তাকে জিজ্ঞেস করেন, “এটা কি কোনও রসিকতা?” এদিকে, প্রশ্ন করা হলে অভিজাত রেস্তরাঁর ম্যানেজারকে হাসতে দেখা যায়। অভিনেতার বন্ধু অনন্যা গুহ বলেন, “এটা হাসির বিষয় নয়। এটা একজন নিরামিষাশীকে মুরগির মাংস খাইয়ে দেওয়ার মতোই অপরাধ (Sayak Chakraborty)।”

    দাঙ্গা লাগানোর ইচ্ছেই আমার নেই

    সায়ক বলেন, “তুমি একজন মুসলিম হয়ে আমায় বিফ খাইয়েছ। তুমি এটা কীভাবে করলে? ইচ্ছাকৃতভাবে (Muslim Waiter)?” তিনি বলেন, “দাঙ্গা লাগানোর কোনও ইচ্ছেই আমার নেই। আমার মুসলমান বন্ধুও রয়েছে। রিয়াজের বাড়িতে আমি ইদেও খেতে গিয়েছি। আমার কন্টেন্টেও সব সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হয়। আমি বিশ্বাস করি, বন্ধুত্বের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে না ধর্ম।” তিনি বলেন, “যেটা আমি খাই না, সেটা যখন আমার অজান্তে আমায় পরিবেশন করা হল, তার প্রতিবাদ যদি আজ না করি, তাহলে আরও অনেক মানুষের সঙ্গে এরকম ঘটনা ঘটবে (Sayak Chakraborty)।”

     

  • Odisha: ওড়িশার বিজেপি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা বিশ্বব্যাঙ্কের

    Odisha: ওড়িশার বিজেপি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা বিশ্বব্যাঙ্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশা (Odisha) সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করল বিশ্বব্যাঙ্ক। বিশ্বব্যাঙ্ক (World Bank) গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গা ভুবনেশ্বরের লোকসেবা ভবনে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই বৈঠকে রাজ্যের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ওড়িশা সরকারের শীর্ষ আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন মুখ্যসচিব শ্রীমতী অনু গর্গ, উন্নয়ন কমিশনার শ্রী ডিকে সিং এবং বিশ্বব্যাঙ্কের প্রতিনিধিরা।

    বৈঠকে আলোচ্য বিষয় (Odisha)

    আলোচনায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মজবুত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, পরিকাঠামো শক্তিশালী করা, সামাজিক খাতে ফল উন্নত করা এবং স্থিতিস্থাপক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। উভয় পক্ষই বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের জন্য যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য সরকারের ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ ও সংস্কারমূলক নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন, যার লক্ষ্য হল পরিকাঠামো, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (MSME), কৃষি, সংশ্লিষ্ট খাত এবং পর্যটনে বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, বিশেষত যুবক ও মহিলাদের জন্য। তিনি বলেন, “ওড়িশার ব্যবসাবান্ধব সংস্কারের ফলে ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ আকৃষ্ট হয়েছে, যা সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (CMIE) প্রকাশিত ডিসেম্বর ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী অন্ধ্রপ্রদেশের পরে দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।”

    ভূয়সী প্রশংসা

    অজয় বঙ্গা ওড়িশার সংস্কারমুখী দৃষ্টিভঙ্গি ও দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, আসন্ন বিশ্বব্যাঙ্ক গ্রুপ ভারত কৌশলগত পরিকল্পনা ভুবনেশ্বরের সেন্ট্রাল টুল রুম অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (CTTC)-এর মতো সফল মডেলগুলির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে, যা আইটিআইগুলি উন্নত করার জন্য ভারতের ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জাতীয় উদ্যোগের অংশ (World Bank)। বিশ্বব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট প্রযুক্তিগত সহায়তা, নীতি-পরামর্শ পরিষেবা এবং আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে ওড়িশাকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতির কথা ফের একবার মনে করিয়ে দেন। তিনি দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের গুরুত্বের ওপরও জোর দেন। উভয় পক্ষ বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, যেমন পরিকাঠামো উন্নয়ন, নগরায়ণ এবং টেকসই সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়েও মতবিনিময় করেন। তাঁরা ওড়িশার উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র অনুসন্ধানে সম্মত হন।

    রাজ্যের রোডম্যাপ

    মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের রোডম্যাপ “ওড়িশা ভিশন ২০৩৬ ও ২০৪৭: বিকশিত ভারতের জন্য বিকশিত ওড়িশা” শেয়ার করেন এবং উভয় পক্ষ এই কাঠামোয় সহযোগিতা আরও গভীর করার যৌথ অঙ্গীকার করেন (World Bank)। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি জানান, ওড়িশা উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। রাজ্যের নিট রাজ্য ঘরোয়া উৎপাদন (NSDP) ২০২৩–২৪ সালে ৬.৯৯ লাখ কোটি টাকা থেকে ২০২৪–২৫ সালে আনুমানিক ৭.৯০ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা ১৩.০৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রতিফলন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সংসদে পেশ করা ভারতের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬-এর উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের মাথাপিছু এনএসডিপি বেড়ে ১,৬৮,৯৬৬ টাকায় পৌঁছেছে, যা আয় বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ইঙ্গিত দেয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভারতের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে ওড়িশার (Odisha) স্থিতিশীল অগ্রগতি নিশ্চিত করেছে।”

    মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের কর্মদক্ষতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “কৃষি ওড়িশার উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে এবং বর্তমানে রাজ্যটি দেশের শীর্ষ তিনটি সূর্যমুখী উৎপাদনকারী রাজ্যের মধ্যে অন্যতম।” তিনি আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অগ্রগতির কথাও উল্লেখ করেন, জানান যে ব্যাঙ্ক আমানত বেড়ে ৫.৮৩ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা রাজ্যজুড়ে সঞ্চয় ও বিনিয়োগকে শক্তিশালী করছে (World Bank)। মাঝি বলেন, “ওড়িশার (Odisha) আর্থিক অবস্থান এখনও শক্তিশালী রয়েছে, যার ফলে পরিকাঠামো, শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণে ধারাবাহিক বিনিয়োগ সম্ভব হচ্ছে।” তিনি বলেন, “শিক্ষা ও দারিদ্র্য হ্রাসে অগ্রগতি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উচ্চতর আয়, মানসম্মত কর্মসংস্থান এবং সকল নাগরিকের জন্য বিস্তৃত সুযোগে রূপান্তরিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Odisha)।

     

  • Beldanga Violence: বেলডাঙায় পৌঁছল এনআইএ, সঙ্গে ফরেন্সিক দল! স্বাগত জানালেন শুভেন্দু-সুকান্ত, বিজেপির দাবিই কী সত্যি?

    Beldanga Violence: বেলডাঙায় পৌঁছল এনআইএ, সঙ্গে ফরেন্সিক দল! স্বাগত জানালেন শুভেন্দু-সুকান্ত, বিজেপির দাবিই কী সত্যি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেলডাঙায় অশান্তির (Beldanga Violence) ঘটনার তদন্ত করবে এনআইএ ৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে ৷ ঝাড়খণ্ডে কাজ করতে গিয়ে কয়েক দিন আগে খুন হন মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার এক পরিযায়ী শ্রমিক ৷ তাঁর মৃত্যুর খবর এসে পৌঁছতেই অশান্ত হয়ে ওঠে এলাকা ৷ দীর্ঘ দু’দিন ধরে অশান্তি হয় ৷ এরপর পরিস্থিতি খানিক নিয়ন্ত্রণে আসে ৷ এবার এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-কে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ৷ কেন টানা দু’দিন বেলডাঙায় অশান্তি হল, তা পরিকল্পিত ছিল কি না, কেন্দ্রীয় সংস্থা তা যাচাই করে দেখবে।

    এনআইএ-র প্রতিনিধিদলে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ

    শনিবার সকালেই কেন্দ্রীয় সংস্থার ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল বেলডাঙা থানায় পৌঁছে গিয়েছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে এনআইএ-র কাছে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন অমিত শাহ। তদন্তকারীরা থানায় কেস ডায়েরি এবং অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। এখনও পর্যন্ত বেলডাঙার ঘটনায় চারটি পৃথক মামলা রুজু হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে মূল অভিযুক্ত-সহ ৩৬ জনকে। এনআইএ তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবে। এনআইএ-র প্রতিনিধিদলে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞেরাও আছেন। সূত্রের খবর, সাত থেকে আট সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।

    কী ঘটেছিল বেলডাঙায়

    ঝাড়খণ্ডে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুর খবরে অশান্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা। গত ১৬ জানুয়ারি আলাউদ্দিনের দেহ সেখানে পৌঁছোতেই সাধারণ মানুষ রাস্তায় নামেন। ভিন্‌রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিকদের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, বাঙালি হওয়ায় বাংলাদেশি সন্দেহে হত্যা করা হয়েছে আলাউদ্দিনকে। তার পর তাঁর দেহ ঘরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও ঝাড়খণ্ডের পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করে। প্রাথমিক ভাবে ওই যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলেই দাবি করা হয়। তাঁর মৃত্যুর প্রতিবাদে ১৬ তারিখ জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। এমনকি, বিক্ষোভে ব্যাহত হয় শিয়ালদহ-লালগোলা ট্রেন চলাচলও।

    পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি বেলডাঙায়

    বেলডাঙায় (Beldanga Violence) সে দিন আক্রান্ত হয়েছিলেন এক মহিলা সাংবাদিক। প্রথম দিন পুলিশ বিক্ষোভ সরালেও পরের দিন সকাল থেকে বেলডাঙা ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ পরে আদালতে দাবি করেছে, বেলডাঙার প্রথম দিনের বিক্ষোভ কিছুটা হলেও ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। কিন্তু দ্বিতীয় দিন পরিকল্পিত ভাবে সেখানে অশান্তি করা হয়। রাস্তা অবরোধ এবং ট্রেন আটকে দেওয়ায় বহু মানুষ ভোগান্তির শিকার হন। এই সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্ট জানিয়েছিল, কেন্দ্রীয় সরকার যদি চায়, এনআইএ-কে দিয়ে বেলডাঙার ঘটনার তদন্ত করাতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনে কেন্দ্রের কাছ থেকে আরও বাহিনী চাইতে পারবে রাজ্য। তার পরেই তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

    পিএফআই আর সিমি-র মতো নিষিদ্ধ সংগঠন জড়িত

    এ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ৷ তাঁরা দুজনেই এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ৷ এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “এর আগেও মুর্শিদাবাদে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল ৷ সে সময় আমি কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলাম ৷ তাতে আদালত যে নির্দেশ দিয়েছিল তা এখনও বহাল হয়েছে ৷ কিন্তু জেলা প্রশাসন সেই নির্দেশ মানেনি ৷ এরপর আবারও বেলডাঙায় হিংসার ঘটনা ঘটে ৷ এনআইএ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ৷ আমি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই ৷ বেলডাঙায় যা হয়েছে সেটা প্রতিবাদ নয়, দেশ বিরোধী আচরণ ৷ পিএফআই আর সিমি-র মতো নিষিদ্ধ সংগঠন এই অশান্তির নেপথ্যে আছে ৷”

    খুন নয় আত্মহত্যাই

    ঝাড়খণ্ডে গত সপ্তাহে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় যে হিংসাত্মক বিক্ষোভ ছড়িয়েছিল, সেই পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখ আত্মহত্যাই করেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। মৃত শ্রমিকের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এবং মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের তদন্তে খুন বা কোনও ধরনের ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মেলেনি বলে স্পষ্ট করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের এক বিবৃতিতে শনিবার জানানো হয়েছে, আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুর পর তদন্তের অংশ হিসেবে এক সাব-ইন্সপেক্টর ঝাড়খণ্ডের পালামুতে গিয়েছিলেন। সেখানে ওই এলাকায় বসবাসকারী ৮ থেকে ১০ জন বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের বয়ান নেওয়া হয়। তবে তাঁদের কেউই খুনের কোনও ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করেননি বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিজেপির দাবি, বেলডাঙার হিংসা ছিল পূর্বপরিকল্পিত। বিজেপি নেতা অমিত মালব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে অভিযোগ করেন, এই অশান্তি স্বতঃস্ফূর্ত নয় এবং এর নেপথ্যে রাজনৈতিক স্বার্থ রয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, কারা উপকৃত হল এবং কেন প্রশাসন সময়মতো পদক্ষেপ নিল না।

    সঠিক তদন্ত করবে এনআইএ, প্রকাশ্যে আসবে সত্য

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমরা সকলে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই ৷ সেদিন যেভাবে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল তার থেকে স্পষ্ট এর নেপথ্যে কোনও বড় চক্রান্ত ছিল ৷ এনআইএ রাজ্য পুলিশের আওতার বাইরে ৷ আমি আশা করি, তারা সঠিক তদন্ত করে লুকিয়ে থাকা সত্যটা প্রকাশ্যে নিয়ে আসতে পারবে ৷ ” বেলডাঙার অশান্তির ঘটনার তদন্তভার এনআইএ গ্রহণ করতেই রাজ্য পুলিশের কাছেও পৌঁছেছে একটি নির্দেশ। শুক্রবার পুলিশকে বিশেষ এনআইএ আদালতের নির্দেশ, অশান্তির ঘটনা সংক্রান্ত সমস্ত নথি যত দ্রুত সম্ভব কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের হাতে তুলে দিতে হবে।

  • Sunetra Pawar: মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা উপ-মুখ্যমন্ত্রী! শনিবারই শপথ সুনেত্রা পাওয়ারের, অর্থ দফতর বিজেপির হাতে

    Sunetra Pawar: মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা উপ-মুখ্যমন্ত্রী! শনিবারই শপথ সুনেত্রা পাওয়ারের, অর্থ দফতর বিজেপির হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন সুনেত্রা পওয়ার (Sunetra Pawar)। রাজনীতির মঞ্চে শোক আর সিদ্ধান্ত—দুটোই পাশাপাশি। একদিকে অজিত পাওয়ারের আকস্মিক মৃত্যুর রেশ, অন্যদিকে রাজ্যের প্রশাসনিক ভারসাম্য বজায় রাখতে বড় সিদ্ধান্ত। দলীয় সূত্রে খবর, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অজিতের শূন্যস্থান পূরণের প্রস্তাব পাওয়ার পরে পাওয়ার পরিবারের অন্দরে এই বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। তার পরেই এই গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করতে রাজি হয়েছেন সুনেত্রা। শনিবার বিকেল পাঁচটায় হবে শপথ গ্রহণ। একই সঙ্গে তিনি এনসিপির প্রধানের দায়িত্বও নিতে চলেছেন বলে খবর। রাজভবনে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যায় শপথগ্রহণ

    এনসিপি সূত্রে জানা গিয়েছে, মার্চে বাজেট অধিবেশন থাকায় আপাতত অর্থ দফতর মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের কাছেই থাকবে। অধিবেশন মিটলেই সেই দায়িত্ব এনসিপির হাতে যেতে পারে। এখন উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের আবগারি এবং ক্রীড়া দফতরের দায়িত্বও সামলাবেন সুনেত্রা। দলের অন্দরমহলের মতে, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পুনে জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের দিশা স্পষ্ট করতেই অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ারকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী করার প্রস্তাব ওঠে। প্রস্তাব ঘিরে পওয়ার পরিবারের মধ্যেও আলোচনা হয়। পরিস্থিতি ও দায়িত্বের ভার বিচার করেই শেষ পর্যন্ত সম্মতি দেন সুনেত্রা। শনিবার সন্ধ্যার শপথগ্রহণের মধ্য দিয়েই রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তরে তাঁর আনুষ্ঠানিক প্রবেশ ঘটতে চলেছে। এনসিপি দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের বর্ষীয়ান নেতা ছগন ভুজবল এ কথা জানান।

    অজিতকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শাহ-গড়কড়ি

    উল্লেখ্য, বুধবার সকালে বরামতীতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। অবতরণের সময় রানওয়ের কাছেই ভেঙে পড়ে চার্টার্ড বিমানটি। বিমানে থাকা পাঁচজনেরই মৃত্যু হয়—অজিত পাওয়ারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, এক বিমানকর্মী ও দুই পাইলটও ছিলেন তাঁদের মধ্যে। বৃহস্পতিবার বরামতীর বিদ্যা প্রতিষ্ঠান ময়দানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয় অজিত পাওয়ারের শেষকৃত্য। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি, এনসিপি (এসসিপি) প্রধান শরদ পওয়ার, অভিনেতা রীতেশ দেশমুখ-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি।

    অজিত পাওয়ারের হাতে থাকা দফতরগুলির বণ্টন

    শুক্রবার এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল, সুনীল তাটকারে এবং ধনঞ্জয় মুন্ডে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন বর্ষা বাংলোয় বৈঠক করেন। বর্তমানে অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি মহারাষ্ট্রে বিজেপি ও একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিব সেনার সঙ্গে জোট সরকারে রয়েছে। এনসিপি দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ছগন ভুজবল জানান, মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবীশ স্পষ্ট করেছেন যে শনিবারই যদি উপমুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ হয়, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই—শর্ত একটাই, দলের বিধায়ক দলের পক্ষ থেকে সেই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে নেওয়া হতে হবে। অজিত পাওয়ারের হাতে থাকা দফতরগুলির ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি অর্থ, পরিকল্পনা ও আবগারি দফতরের দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ এবং সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্বও তাঁর হাতে ছিল। দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, অর্থ ও পরিকল্পনা দফতর বিজেপির হাতে যেতে পারে।

    এনসিপি প্রধানের পদে কে?

    এদিকে শনিবার দুপুর ২টায় এনসিপির বিধায়ক দলের বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি সুনীল তাটকারে। বিধানসভা ও বিধান পরিষদের সদস্যদের পাশাপাশি সাংসদরাও উপস্থিত থাকবেন। বৈঠকেই দলের প্রধান নির্বাচন করা হবে এবং সেই সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীকে জানানো হবে। এর আগে ভুজবল জানিয়েছিলেন, ৩১ জানুয়ারির বিধায়ক দলের বৈঠকেই সুনেত্রা পাওয়ারের নাম দলের প্রধান হিসেবে ঘোষণা করা হবে। বর্তমানে সুনেত্রা পওয়ার রাজ্যসভার সাংসদ। তিনি মহারাষ্ট্র বিধানসভা বা বিধান পরিষদের সদস্য নন। তবে অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর ফলে পুণে জেলার বারামতী বিধানসভা কেন্দ্রটি শূন্য হয়েছে। ভুজবল আরও জানান, শোককাল কতদিন হবে—তিন দিন না দশ দিন—এই ধরনের কিছু প্রযুক্তিগত বিষয় খতিয়ে দেখছেন প্রবীণ নেতা প্রফুল্ল প্যাটেল ও সুনীল তাটকারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বিধায়ক দলের বৈঠকেই।

    সুপ্রিয়া সুলের পরিবর্তে কেন সুনেত্রা পাওয়ার

    সুপ্রিয়া সুলের পরিবর্তে কেন সুনেত্রা পাওয়ার—এই প্রশ্নে দলীয় সূত্রের বক্তব্য, অজিত পাওয়ার শিবিরের অধিকাংশ নেতা সুনেত্রাকেই উপমুখ্যমন্ত্রী ও দলের মুখ হিসেবে চান।কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, এনসিপি মূলত পরিবারকেন্দ্রিক দল এবং নেতৃত্ব পরিবারেই থাকা উচিত। পাশাপাশি দলটি মারাঠা ভিত্তিক হওয়ায় অ-মারাঠা নেতাদের নেতৃত্বে মানতে রাজি নন কর্মী ও সমর্থকদের বড় অংশ। সুনেত্রা পওয়ার মারাঠা মুখ এবং অজিত পাওয়ারের ঘনিষ্ঠ পরিবারভুক্ত হওয়ায় এই ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবেন বলে মত নেতৃত্বের। গত কয়েক বছর ধরে তিনি দলের দৈনন্দিন কাজকর্মেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন এবং এনসিপির দুই শিবিরেই তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে দাবি।

    এনসিপি’র দুই গোষ্ঠীর একত্রীকরণ

    এনসিপি’র দুই গোষ্ঠীর একত্রীকরণ প্রসঙ্গে দলের কর্মী-সমর্থকদের বড় অংশই চান শরদ ও অজিত পাওয়ার শিবির এক হোক। প্রাক্তন মন্ত্রী অনিল দেশমুখের দাবি, দুই গোষ্ঠীর মিলনই ছিল অজিত পাওয়ারের আন্তরিক ইচ্ছা। তাঁর কথায়, অজিত পওয়ার জীবিত থাকতেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, এখন তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই উচিত। অজিত পওয়ারের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ কিরণ গুজরও জানান, তিনি দুই গোষ্ঠীর একত্রীকরণ নিয়ে শতভাগ নিশ্চিত ছিলেন এবং মৃত্যুর কয়েক দিন আগেই বলেছিলেন, প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে, খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে। ১৫ জানুয়ারির পুনে ও পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পুরসভা নির্বাচন দুই শিবির যৌথভাবে লড়েছিল। এরপর আগামী মাসের জেলা পরিষদ নির্বাচনেও জোট বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটেই এনসিপির ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।

  • Daily Horoscope 31 January 2026: মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 31 January 2026: মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) মনের মতো পরিবেশ পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য জীবন খুব ভালো কাটতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলুন।

    ২) ব্যবসায় ভালো লাভের সময়।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) সতর্কভাবে চলাফেরা করুন।

    কর্কট

    ১) অভিনয়ের প্রতি অনুরাগ বাড়তে পারে।

    ২) আয়ের দিক থেকে দিনটি ভালো।

    ৩) ব্যবসায় লাভ।

    সিংহ

    ১) কোনও ভাল কাজ না হওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) নতুন চাকরির চেষ্টা করতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) রাজনীতির লোকেদের জন্য ভালো খবর আসতে পারে।

    ২) সারা দিন ব্যস্ত থাকতে হবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    তুলা

    ১) কাজ নিয়ে ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) পাওনা আদায় নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) নিজের বাক্যে সংযম রাখুন।

    বৃশ্চিক

    ১) কীটপতঙ্গ থেকে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) সংসারে ব্যয় কমানোর আলোচনা।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    ধনু

    ১) সকালের দিকে শরীরে আঘাত লাগতে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে শান্তি পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) কোনও আশা ভঙ্গ হতে পারে।

    ২) দূরে কোথাও ভ্রমণের আলোচনা হতে পারে।

    ৩) হতাশ হবেন না কোনওভাবে।

    কুম্ভ

    ১) অতিরিক্ত কথায় বাড়িতে বিবাদ।

    ২) শরীরে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) সাবধানে চলাফেরা করুন।

    মীন

    ১) শরীরে যন্ত্রণা হতে পারে।

    ২) প্রেমে বিরহ দেখা দিতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে শিখুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share