Tag: bangla

bangla

  • Pakistan: আফগানিস্তানে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান, কারণ কী?

    Pakistan: আফগানিস্তানে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান, কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই বাড়ছে পাকিস্তান (Pakistan)- আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত বরাবর চলা সংঘাতের ঝাঁঝ। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে এই সংঘাত। তা কমার কিংবা স্থায়ী সমাধানের কোনও লক্ষণ এখনই দেখা যাচ্ছে না। গত বছর কাতার-সহ কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় দু’দেশের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তা এখন কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়েছে। কারণ পাকিস্তান ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে আফগানিস্তানে (Afghanistan) হামলা চালিয়েই যাচ্ছে।

    আফগান ভূখণ্ডে ব্যাপক হামলা (Pakistan)

    সাম্প্রতিক উত্তেজনার আবহেই আফগান ভূখণ্ডে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। যার জেরে আফগানভূমে পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে নারী ও শিশু-সহ নিরীহ সাধারণ মানুষের জীবন। জানা গিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় পাকিস্তান আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় ২০০-টিরও বেশি রকেট ও আর্টিলারি শেল ছুড়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের একাধিক অঞ্চল। কুনার প্রদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর জানিয়েছে, তীব্র হামলা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি।

    পাল্টা আঘাত আফগানিস্তানের

    পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত গত ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে তীব্র হতে শুরু করেছে। এখনও উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। পাকিস্তান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে আফগান ভূখণ্ডে হামলা চালানো শুরু করে এবং তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (TTP) ঘাঁটিগুলিকে টার্গেট করে। এর প্রতিক্রিয়ায় আফগানিস্তানের তালিবান নেতৃত্বাধীন সরকার সীমান্তের ওপারে পাক ভূখণ্ডে পাল্টা হামলা চালায় (Pakistan)। কাবুল সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানের এই হামলা আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার লঙ্ঘন (Afghanistan)।

    ‘নৃশংস আগ্রাসন’

    পাকিস্তান কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া অঞ্চলেও নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। তালিবান নেতৃত্বাধীন সরকারের অভিযোগ, পাকিস্তান নির্বিচারে অসামরিক এলাকাকে টার্গেট করে হামলা চালিয়েছে। এর ফলে মৃত্যু হয়েছে নারী ও শিশুর। তালিবান সরকারের অভিযোগ, কান্দাহার বিমানবন্দরের কাছে একটি বেসরকারি এয়ারলাইনের জ্বালানি ডিপোয়ও বোমা ছুড়েছে পাকিস্তান। তালিবান সরকার আরও জানিয়েছে, পূর্ব আফগানিস্তানের একটি প্রদেশে পাকিস্তানের আর্টিলারি হামলায় একই পরিবারের চারজন সদস্য নিহত হয়েছে, যার মধ্যে দু’জন আবার শিশু। কাবুল ইসলামাবাদের এই হামলাকে ‘নৃশংস আগ্রাসন’ বলে নিন্দে করেছে। তারা জানিয়েছে, এর জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।

    কাবুলের অভিযোগ

    পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তান তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তার ফলে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। তবে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, পাকিস্তান জঙ্গিদের আড়াল করতেই এমনতর অভিযোগ করছে (Pakistan)। কাবুলের অভিযোগ, পাকিস্তান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে আফগানিস্তানে (Afghanistan) হামলা চালিয়ে মিথ্যে খবর রটাতে চাইছে। এসব করে তারা অর্থনৈতিক ব্যর্থতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মতো নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার থেকে বিশ্ববাসীর নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে।

    পাক-আফগান সংঘর্ষের এই প্রেক্ষাপটে নয়াদিল্লিও আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানিয়েছে, পাকিস্তান তার অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতাগুলিকে বাইরের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে (Pakistan)।

     

  • Yogi Adityanath: “সোঁগালে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ যোগ দিতে পেরে আমি ধন্য”, বললেন যোগী

    Yogi Adityanath: “সোঁগালে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ যোগ দিতে পেরে আমি ধন্য”, বললেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বহু বছর পর হরিয়ানার কাইথল জেলার সোঁগাল গ্রামে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ হয়েছে। এটি এই জায়গার আধ্যাত্মিক গুরুত্ব ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে।” শনিবার কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    কী বললেন যোগী? (Yogi Adityanath)

    সোঁগাল গ্রামে এক ধর্মসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই পবিত্র স্থানে সমবেত সাধুসন্ত ও ভক্তদের আশীর্বাদ গ্রহণ করতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে করছি।” তিনি বলেন, “বহু বছর পর সোঁগালে এমন বিশাল সংখ্যক সাধুসন্ত ও ভক্ত উপস্থিত হয়েছেন। এই পবিত্র ভূমি, যা প্রতিটি যুগে নিজের প্রভাব দেখিয়েছে, সেখানে আজ এই পবিত্র ভাণ্ডারা ও ধর্মসভার মাধ্যমে আপনাদের দর্শন পাওয়ার এবং আপনাদের মাধ্যমে সেই মহান ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পেয়ে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।”

    আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

    আদিত্যনাথ সোঁগালের ভূমিকে আধ্যাত্মিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে বলেন, “এই জায়গাটি বহু বছর ধরে ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।” তাঁর মতে, সাধুসন্ত ও ভক্তদের এই ধরনের সমাবেশ দেশের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করে এবং মানুষকে ধর্মবিশ্বাস ও সেবার পথে চলতে প্রাণিত করে। তিনি এও বলেন, “এই ধরনের অনুষ্ঠান শুধু ধর্মীয় মূল্যবোধকে শক্তিশালী করে না, বরং বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষকে একত্রিত করে ভক্তদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে।” তিনি ধর্মসভা ও ভাণ্ডারা আয়োজনের জন্য আয়োজক ও স্থানীয় ভক্তদের প্রশংসা করেন। এই ধর্মসভায় বিপুল সংখ্যক সাধু, আধ্যাত্মিক নেতা ও অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বক্তৃতার পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছিল ভোজের। ভক্তরা একত্রিত হয়ে প্রার্থনা ও আধ্যাত্মিক আলোচনায় অংশ নেন।

    বাজপেয়ীর স্বপ্ন পূরণে কাজ

    মুখ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাধুসন্তদের শ্রদ্ধা জানান এবং ফের তুলে ধরেন ভারতের সমৃদ্ধ আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্বের কথা। এর আগে শুক্রবার, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও লখনউয়ের সাংসদ রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে লখনউয়ে ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ গ্রিন করিডর প্রকল্পের দু’টি ধাপের উদ্বোধন করেন। এটি রাজ্যের রাজধানীতে নগর পরিবহণ উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি আসন্ন আরও দু’টি ধাপের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে রাজ্য সরকার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করছে।

     

  • PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমার প্রিয় পশ্চিমবঙ্গবাসী ভাই ও বোনেরা আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সশ্রদ্ধ প্রণাম। বাংলার ঐতিহাসিক মাটি, এই ব্রিগেড প্যারেড (Brigade Rally) গ্রাউন্ড আর বাংলার মানুষের ঐতিহাসিক জমায়েত। যত দূর আমার চোখ যাচ্ছে, শুধুই লোক আর লোক দেখা যাচ্ছে। একটা অদ্ভুত দৃশ্য। আপনাদের এই উৎসাহ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বাংলার মানুষের মনে কী চলছে। যাঁরা দেখার, তাঁরা এই ছবিটা দেখুন।” শনিবার ব্রিগেডে নাগাড়ে কথাগুলি বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্প (PM Modi)

    প্রথমে ব্রিগেডের সরকারি মঞ্চ থেকে বাংলার জন্য ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার জন্য একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব ভারতের বিকাশের নয়া অধ্যায় শুরু হচ্ছে। সড়ক, রেলওয়ে এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ১৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন হল। বাংলার উন্নয়নে নয়া দিশা দেখাবে এই প্রকল্পগুলি। লাখ লাখ মানুষের জীবন সহজ ও সুন্দর হবে। নয়া সুযোগ মিলবে। খড়্গপুর-মৌরিগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের অনেকাংশে আর্থিক উন্নতি হবে। দুবরাজপুর বাইপাস, কংসাবতী, শিলাবতী নদীর ওপর যে সেতু তৈরি হবে, তাতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতের জনগণকে শুভেচ্ছা।” ৬টি অমৃত ভারত স্টেশনের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি- এই ছয় স্টেশন অমৃত স্টেশন করা হচ্ছে। হলদিয়া ডক ও কলকাতা ডকের সংস্কার করা হচ্ছে। খিদিরপুর ডকেও কার্গো হ্যান্ডেলিং বাড়ানোর ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পগুলির ফলে পূর্ব ভারতে লজিস্টিক সিস্টেমের আরও উন্নতি হবে।”

    বাংলা থেকে মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে

    প্রশাসনিক সভা শেষে হয় রাজনৈতিক সভা। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বাংলা থেকে নির্মম সরকারের বিদায় হবে। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আওয়াজ উঠছে, চাই বিজেপি সরকার, চাই বিজেপি সরকার।” তিনি বলেন, “আজ এই সভা আটকানোর জন্য নির্মম সরকার সব হাতিয়ার ব্যবহার করতে চেয়েছে। ব্রিজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, গাড়ির ওপর হামলা করা হয়েছে, ট্রাফিক জ্যাম করেছে, পোস্টার ছিঁড়ে দিয়েছে। এত কিছু করেও নির্মম সরকার জনপ্লাবণ আটকাতে পারেনি। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজের পতনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে।”

    তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “এক সময় বাংলা গোটা ভারতের বিকাশে সাহায্য করত। শিল্প-বাণিজ্যে সবার আগে ছিল বাংলা। কিন্তু এখন (PM Modi) বাংলার যুবরা ডিগ্রি নিতে পারছে না। রোজগার হচ্ছে না। চাকরি নেই। কাজের জন্য অন্য রাজ্যে পালাতে হচ্ছে। প্রথমে কংগ্রেস, পরে কমিউনিস্ট এবং এখন তৃণমূল – এরা বাংলায় এসেছে, শুধু পকেট ভরেছে। আর বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে (Brigade Rally)। তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে। খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে চাকরি। এখন সময় এসেছে বদলানোর। যুবরা যাতে বাংলার উন্নতিতে নেতৃত্ব দেয়, এই স্বপ্ন আপনার। আর এই স্বপ্ন পূরণ করাই মোদির গ্যারেন্টি।” তিনি বলেন, “রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রানি রাসমণিদের মতো মহান ব্যক্তিরা যে বাংলার পরিকল্পনা করেছিলেন, বিজেপি সেই বাংলাই নতুন করে নির্মাণ করবে। বাংলার উন্নতি সঠিক নীতিতে হবে। বাংলায় এখন আমাদের সরকার নেই। কিন্তু তাও কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্যে বিজেপি বাংলার উন্নতির চেষ্টা করে চলেছে।”

    বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে সরকার

    রাজ্য সরকারকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে। কেন্দ্রের সূর্যঘর প্রকল্প চালু করতে দিচ্ছে না। তৃণমূল চায় না, বাংলার মানুষের বিদ্যুৎ বিল শূন্য হোক। চা শ্রমিকরাও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। আয়ুষ্মান প্রকল্পে ৫ লাখ করে টাকা পাচ্ছেন দেশের কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু সেই প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে রাখা হচ্ছে। তৃণমূল সরকারের পতন হলেই গরিবদের জন্য পাকা ঘর তৈরি শুরু হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি। বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে যাবে, বিনামূল্যে দেওয়া হবে চিকিৎসা। বাংলায় সুশাসন আসবে।” রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার ধর্ষকদের আশ্রয় দেয়। অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করে। সন্দেশখালি, আরজিকরের ঘটনা ভোলেননি বাংলার মানুষ। অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।”

    অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে

    অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ টেনে তিনি (PM Modi) বলেন, “অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে। জনবিন্যাস বদলে দিয়েছে। আর বাঙালি হিন্দুদের সংখ্যালঘু করে দেওয়া হচ্ছে। ওরা হিন্দুদের নিজের ভোটব্যাঙ্ক মনে করে না। বাংলাকে এখন অসুরক্ষিত বানিয়ে ফেলেছে। কোটি কোটি বাঙালিকে শেষ করার চেষ্টা করছে।” রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে তিনি বলেন, “আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি জনজাতিদের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন (Brigade Rally)। কিন্তু অহঙ্কারে ডুবে থাকা সরকার রাষ্ট্রপতিকে অপমান পর্যন্ত করেছে। তৃণমূলের মনে রাখার দরকার ওরা শুধু রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করেনি, ওরা দেশের সংবিধান, বাবা সাহেব আম্বেদকর, দেশের হাজার লাখ জনজাতি মানুষকে অপমান করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদিকে আমরা সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মন্ত্র নিয়ে চলব। আর একদিকে সবকা হিসাব লিয়া যায়গা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। অপরাধীদের জায়গা হবে জেলে (PM Modi)।”

     

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন”, প্রধানমন্ত্রীর সভায় আবেদন সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন”, প্রধানমন্ত্রীর সভায় আবেদন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনাদের হাতে আর হয়তো ৪০ দিন সময় আছে, তার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন।” ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Rally) জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    মোদির জন্য হৃদয়ভরা ভালোবাসা (Sukanta Majumdar)

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আজকের সভাই  আগামীর পথ দেখাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের এই অপশাসন কীভাবে দূর হবে। তার আগে মুখ্যমন্ত্রী কলকাতাজুড়ে গো ব্যাক পোস্টার লাগিয়েছেন। দিদি আপনি যতই পোস্টার লাগান, বাংলার মানুষ আপনাকে গো-ব্যাক জানাচ্ছেন। নরেন্দ্র মোদির জন্য হৃদয়ভরা ভালোবাসা রয়েছে এখানকার মানুষের।” ধর্মতলার ধর্না মঞ্চে প্ররোচনামূলক বক্তব্য রখায় এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়ানোর অভিযোগ করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী এক বিশেষ সম্প্রদায়কে উসকানি দিয়ে জানিয়েছিলেন যে সবাই এক হলে হিন্দুদের ধূলিসাৎ করে দেওয়া হবে। ছিঃ মুখ্যমন্ত্রী, আপনি তো সবাইকে ছাপিয়ে গেলেন! আমি আপনাকে জানাচ্ছি যে আমরা আপনার মতো সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে হাজার হাজার বছর ধরে লড়াই করছি। তাই আমরা টিকে আছি। এই লড়াই চলবেই।” এর পরেই তিনি বলেন, “আপনাদের হাতে আর হয়তো ৪০ দিন সময় আছে, তার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন (Sukanta Majumdar)।”

    সুকান্তর নিশানায় তৃণমূল

    কৃষি ইস্যুতেও রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ শানান সুকান্ত। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সেই উদ্যোগকে গুরুত্ব দেননি।” এদিন সুকান্তের বক্তৃতায় অনিবার্যভাবেই এসে পড়েছে আলুচাষিদের কথা। তিনি বলেন, “রাজ্যে আলুর দাম কমে যাওয়ায় কৃষকরা বড় সঙ্কটে পড়েছেন।” তাঁর দাবি, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে আলুর জন্য সহায়ক মূল্য নির্ধারণ করা হবে। কৃষকরা যাতে ফসলের ন্যায্য দাম পান (PM Modi Rally), তাই। পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ রক্ষায় রাজনৈতিক পরিবর্তন যে জরুরি, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন বিজেপির এই নেতা। তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশে পরিণত হতে দিতে চাই না। তাই বাংলায় বিজেপি সরকার গড়তে হবে।”

  • PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারের বারবেলায় ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী রইল পশ্চিমবঙ্গ। এদিনই দুপুরে ব্রিগেডে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঐতিহাসিক জনসভা। তার আগে তৃণমূল দেখিয়ে দিল ক্ষমতার লোভে তারা কতটা নীচে নামতে পারে (BJP TMC Clash)!

    গিরিশ পার্কে রক্তারক্তিকাণ্ড (PM Modi)

    দুয়ারে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন। সেই উপলক্ষে এদিন ছিল প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশ। তার আগে আক্ষরিক অর্থেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল উত্তর কলকাতার গিরিশ পার্ক চত্বর। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের ওপর দফায় দফায় আক্রমণ চালানো হয়। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা তল্লাট। দেদার ইটবৃষ্টির পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়ি। ইটের ঘায়ে মাথা ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

    মেরে মাথা ফাটানো হল বিজেপি কর্মীর

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে উত্তর কলকাতা থেকে বিজেপি কর্মীদের একটি মিছিল ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এই সময় গিরিশ পার্ক মোড়ে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে আচমকা ইটবৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। বিজেপি কর্মীদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে তাঁদের পরিকল্পিতভাবে বাধা দিয়েছে তৃণমূল। পদ্ম শিবিরের এক কর্মীর কথায়, “আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিল লক্ষ্য করে বাড়ির ছাদ ও রাস্তা থেকে ইট ছোড়া হয়। আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়। মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।” রাস্তায় রক্তাক্ত এক বিজেপি কর্মীকে যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখা যায়। মাথা ফেটে গিয়েছে উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষেরও।

    থমথমে পরিস্থিতি

    গোটা রাস্তা ইট ও পাথরের টুকরোয় ভরে যায়। পুলিশের সামনেই দু’পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেও, প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ। পরে অবশ্য পরিস্থিতি চলে আসে নিয়ন্ত্রণে। ফের যাতে অশান্তির ঘটনা না ঘটে, তাই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ (RAF)। বর্তমানে গিরিশ পার্ক চত্বরের পরিস্থিতি থমথমে (PM Modi)। শুধু গিরিশ পার্কই নয়, এদিন পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় দফায় দফায় বিজেপির বিভিন্ন গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলা করা হয় কর্মীদের ওপর। পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায়ও বিজেপির ভাড়া করা একটি বাসে ভাঙচুর চালানো হয় (BJP TMC Clash)।

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে এই ধরনের ঘটনা কার্যত বিরল। এর আগে ব্রিগেডে একাধিকবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জনসমাবেশ হলেও, কখনও শাসকদলের পক্ষ থেকে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের এই মরিয়া প্রচেষ্টায় স্পষ্ট, ক্ষমতা হারাতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। তাই ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে মরণ কামড় দিতে চাইছে তারা (PM Modi)।

     

  • RN Ravi: রাজ্যপাল পদে ইস্তফা আনন্দ বোসের, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে

    RN Ravi: রাজ্যপাল পদে ইস্তফা আনন্দ বোসের, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী বাংলায় আচমকাই পদত্যাগ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আজ, বৃহস্পতিবারই ইস্তফা দেন আনন্দ বোস। এ রাজ্যের (West Bengal) অন্তর্বর্তী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হল তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আরএন রবিকে (RN Ravi)। তামিলনাড়ুর পাশাপাশি বাংলার দায়িত্বও সামলাবেন তিনি। রাজ্যপাল পদে আসীন হওয়ার আগে রবি ছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং আইবিতে। এ রাজ্যে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে প্রাক্তন আইপিএস অফিসারকে অন্তর্বর্তী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া (RN Ravi)

    ঘটনায় যারপরনাই বিস্ময় এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, এর কারণ তাঁর জানা নেই। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগাম কোনও পরামর্শ ছাড়াই আরএন রবির নয়া রাজ্যপাল হিসেবে আসন্ন নিয়োগের বিষয়ে জানিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিত, এই পরিবর্তনটি হয়তো নির্বাচনী স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। কেন্দ্রীয় সরকারকে তিনি এমন একটি সরকার হিসেবে বর্ণনা করেন, যা ক্রমশ পদত্যাগের মাধ্যমে চিহ্নিত হয়ে উঠছে।

    বোস-বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক

    বোসের সঙ্গে বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্ক ছিল অম্ল-মধুর। দায়িত্ব নেওয়ার পরে পরেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নানা বিষয়ে মনান্তর হয়েছে রাজ্যপালের। পরে আবার মিটমাটও হয়ে গিয়েছে। ওদিকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির সঙ্গে সে রাজ্যের (RN Ravi) স্টালিন সরকারের ‘সংঘাতে’র খবরও প্রায়ই শিরোনাম হয়েছে সংবাদ মাধ্যমের। গত বছর স্বাধীনতা দিবসে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির চা-চক্রে অংশ নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্টালিন। এ নিয়ে রীতিমতো বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছিলেন তিনি। রাজ্যপালের নাম না করে ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যিনি প্রতিনিয়ত তামিলনাড়ুর জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করছেন, তাঁর আমন্ত্রণে সাড়া দেবেন না মুখ্যমন্ত্রী। চেন্নাইয়ের রাজভবনে রাজ্যের অন্য মন্ত্রীরাও যাবেন না বলে জানানো হয়েছিল সেই বিজ্ঞপ্তিতে। তারপর ২০২৩ সাল থেকে রাজ্যপালের চা চক্র এড়িয়েই চলছে তামিলনাড়ুর স্টালিন সরকার।

    দায়িত্ব আরএন রবির হাতে

    কয়েক বছর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে রাজ্যপালকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছিল তামিলনাড়ু সরকার। এর পরে বিধানসভায় পাশ হওয়া ১০টি বিল রাজ্যপাল আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেছিল স্টালিন সরকার। শেষমেশ সুপ্রিম নির্দেশে ২০২৫ সালের শুরুতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে বিলগুলিতে স্বাক্ষর করেছিলেন রবি। তারপরেও রবির সঙ্গে স্টালিন সরকারের সম্পর্ক আক্ষরিক অর্থেই অহি-নকুলের। চলতি বছরের শুরুতে তামিলনাড়ু বিধানসভায় জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার অভিযোগও তোলেন রাজ্যপাল। সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ না করেই অধিবেশন ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন (West Bengal) রবি। এহেন রবির ওপরই বর্তেছে বঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্বও, তাও আবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগে (RN Ravi)।

    এখন দেখার, কোথাকার জল কোথায় গড়ায়!

     

  • India: “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের আইএমএফ-ঋণের দ্বিগুণ”, ইসলামাবাদকে জায়গা মনে করাল ভারত

    India: “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের আইএমএফ-ঋণের দ্বিগুণ”, ইসলামাবাদকে জায়গা মনে করাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদে পাকিস্তানের (Pakistan) অভিযোগের কড়া জবাব দিল ভারত (India)। ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগ করেন ভারতের প্রতিনিধি। ২৫ ফেব্রুয়ারি উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে ‘রাইট টু রিপ্লাই’ বা জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ কর বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রতিনিধি অনুপমা সিং। সেখানে পাকিস্তান এবং ইসলামিক সহযোগী সংস্থা (OIC)-এর তোলা অভিযোগ খারিজ করে তিনি বলেন, “এই জোট একটি সদস্য রাষ্ট্রকে ইকো চেম্বার হিসেবে ব্যবহৃত হতে দিয়েছে।”

    অনুপমার বক্তব্য (India)

    পাকিস্তান এবং ওআইসি তাদের বক্তৃতায় ঠিক কী বলেছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বুধবার প্রথম সচিব অনুপমা সিং বলেন, “পাকিস্তানের মন্তব্য ঈর্ষা থেকে প্রণোদিত।” তিনি জানান, ভারত এই ধরনের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে চায় না, তবে তা খণ্ডন ও অসত্য প্রমাণ করার জন্য কয়েকটি তথ্য উপস্থাপন করবে। ভারত জম্মু-কাশ্মীরের অগ্রগতি ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে, যার মধ্যে বিশ্বের সর্বোচ্চ চেনাব রেলসেতুও রয়েছে। এর পাশাপাশি অঞ্চলটির উন্নয়ন বাজেটের সঙ্গে পাকিস্তান সম্প্রতি আইএমএফের কাছে যে বেইলআউট প্যাকেজ চেয়েছে, তার তুলনা করা হয়। অনুপমা বলেন, “পাকিস্তান যদি এই বাস্তবতা স্বীকার না করে, তবে তারা লা-লা ল্যান্ডে বাস করছে।” তিনি জানান, জম্মু ও কাশ্মীরের বাজেট পাকিস্তানের চাওয়া আইএমএফ বেইলআউট প্যাকেজের দ্বিগুণেরও বেশি। এসব মন্তব্য ছিল পাকিস্তানের বয়ান মোকাবিলা এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতি তুলে ধরার জন্য নয়াদিল্লির বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ (India)।

    জেনেভা অধিবেশন

    জেনেভায় অধিবেশনে (Pakistan) অনুপমা বলেন, “জম্মু-কাশ্মীর ছিল, আছে এবং সর্বদা ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ হিসেবেই থাকবে। পাকিস্তানের যতই ইচ্ছাকৃত বক্তব্য বা দুঃসাহসী প্রোপাগান্ডা থাকুক না কেন, ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে জম্মু-কাশ্মীরের ভারতের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তি সম্পূর্ণ বৈধ ও চূড়ান্ত। তাই  এই অপরিবর্তনীয় সত্য বদলানো যাবে না।” ভারতীয় কূটনীতিক অনুপমা আরও বলেন, “একমাত্র অমীমাংসিত বিষয় হল পাকিস্তানের দখলে থাকা ভারতের ভূখণ্ডের অবৈধ দখল।” তিনি ইসলামাবাদকে জোরপূর্বক দখলে রাখা অঞ্চলগুলি খালি করে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আবারও বলেন, “পাকিস্তান যেন লা-লা ল্যান্ডে বাস করছে (India)।”

    তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ ও বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড ভোটারের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে সেখানকার মানুষ পাকিস্তান-প্রচারিত সন্ত্রাস ও হিংসার মতাদর্শ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” রাষ্ট্রসংঘে তিনি এও বলেন, “যদি গত বছর উদ্বোধন হওয়া বিশ্বের সর্বোচ্চ চেনাব রেলসেতুকে ভুয়ো বলা হয়, তবে পাকিস্তান নিশ্চয়ই লা-লা ল্যান্ডে (কল্পনার জগতে) বাস করছে।” তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের সাম্প্রতিক আইএমএফ বেইলআউট আবেদনের দ্বিগুণেরও বেশি (India)। অবশ্য এটি পাকিস্তানের কাছে অবিশ্বাস্য বলেই মনে হতে পারে (Pakistan)।”

     

  • Uranium Supply Deal: মার্চে কার্নির দিল্লি সফরে ইউরেনিয়াম নিয়ে ১০ বছরের চুক্তি হতে পারে ভারত-কানাডার

    Uranium Supply Deal: মার্চে কার্নির দিল্লি সফরে ইউরেনিয়াম নিয়ে ১০ বছরের চুক্তি হতে পারে ভারত-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই গলছে ভারত-কানাডা সম্পর্কের বরফ। ভারতে ইউরেনিয়াম সাপ্লাই নিয়ে ১০ বছরের একটি চুক্তি হতে পারে নয়াদিল্লি ও অটোয়ার মধ্যে। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মাইক কার্নির (Canadian PM India Visit) প্রস্তাবিত মার্চের প্রথম সপ্তাহে (Uranium Supply Deal) ভারত সফরের সবচেয়ে বড় সাফল্য হতে পারে এই চুক্তি। এই সফরে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত একাধিক চুক্তিও (India Canada Trade) চূড়ান্ত হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে অপরিশোধিত তেল, এলপিজি এবং এলএনজি। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (Uranium Supply Deal)

    তবে ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তিটিই সফরের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে। এই সফরের লক্ষ্য হবে ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠন করা, যা জাস্টিন ট্রুডোর প্রধানমন্ত্রিত্বকালে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। কানাডা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউরেনিয়াম উৎপাদক দেশ। বিশ্বে উৎপাদনের প্রায় ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ জোগান দেয় এই দেশ। উৎপাদিত ইউরেনিয়ামের প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে জ্বালানি হিসেবে রফতানি করা হয়। কানাডায় রয়েছে বিশ্বের তৃতীয় বা চতুর্থ বৃহত্তম প্রমাণিত তেল মজুত কেন্দ্র, মূলত আলবার্টার বিস্তীর্ণ অয়েল স্যান্ডস অঞ্চলে, যার পরিমাণ ১৬৩ থেকে ১৭০ বিলিয়ন ব্যারেলের কাছাকাছি। দেশটির প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতও উল্লেখযোগ্য। এদিক থেকে বিশ্বে ১৬তম স্থানে রয়েছে দেশটি, যার পরিমাণ এক হাজার ট্রিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি (Uranium Supply Deal)।

    কানাডা সফরে  ডোভাল

    কার্নির সফরের আগে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত ডোভাল এবং কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রবীণ মন্ত্রী অটোয়া (কানাডার রাজধানী) সফরে যান। কার্নির সফরের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে (India Canada Trade)। এদিকে, গত সপ্তাহে ভারতে সফরে এসে কানাডার জ্বালানিমন্ত্রী টিম হজসন জানান, আলোচনায় ভারত-কানাডা পারমাণবিক চুক্তির আওতায় পারমাণবিক সহযোগিতার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি বলেন, “জ্বালানি ও খনি খাত হবে দুই দেশের সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্র, যার মধ্যে অপরিশোধিত তেল এবং এলএনজি লেনদেনের সম্ভাবনাও রয়েছে।” ভারত ও কানাডার মধ্যে প্রস্তাবিত কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (CEPA) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা মার্চ মাসে শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পট্টনায়ক। তাঁর দাবি, আলোচনা শুরু হওয়ার এক বছরের মধ্যেই এই চুক্তি চূড়ান্ত করা সম্ভব। উল্লেখ্য, প্রায় দু’বছর ধরে এই বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত ছিল, যা গত নভেম্বর মাসে পুনরুজ্জীবিত করতে উভয় দেশ রাজি হয় (Uranium Supply Deal)।

    অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

    হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যা মামলার প্রসঙ্গে পট্টনায়ক জানান, কানাডায় এই ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা চলছে। তিনি বলেন, “যদি কোনও ভারতীয় নাগরিকের জড়িত থাকার প্রমাণ উঠে আসে, তাহলে ভারত উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে।” প্রসঙ্গত, এই সফরের পরিকল্পনা এমন একটা সময়ে করা হচ্ছে, যখন কানাডা ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একেবারেই তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী কার্নি ভারত ও চিনের সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণে আগ্রহী, যাতে রফতানি ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে কানাডার অর্থনীতিকে চাঙা করা যায় (Uranium Supply Deal)। ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে সমালোচনার সুর আরও চড়িয়ে কার্নি বলেন, “সাম্প্রতিক মার্কিন পদক্ষেপগুলি বৈশ্বিক বাণিজ্যের বাস্তবতাকে নতুন করে গড়ে তুলেছে।”

    বাড়ছে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ 

    এদিকে, কানাডা দশকের শেষ নাগাদ ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য (India Canada Trade) ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৬০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে। এই লক্ষ্য নির্ধারণের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, যখন অটোয়া নয়াদিল্লিতে একটি উচ্চপর্যায়ের সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও পরিবর্তনশীল সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের প্রতিফলনও এতে দেখা যাচ্ছে (Uranium Supply Deal)। ইন্ডিয়া এনার্জি উইকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হজসন বলেন, এই বাণিজ্য লক্ষ্যটি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। অংশীদারিত্বের অগ্রগতি মূল্যায়নের জন্য নির্দিষ্ট ও পরিমাপযোগ্য কর্মদক্ষতা সূচকও নির্ধারিত হয়েছে।

    ভারত–কানাডা বাণিজ্য সম্পর্ক

    তিনি জানান, প্রাকৃতিক সম্পদ ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পারস্পরিক পরিপূরকতা থাকা সত্ত্বেও ভারত–কানাডা বাণিজ্য সম্পর্ক তার সম্ভাবনার তুলনায় এখনও যথেষ্ট বিকশিত নয়। প্রস্তাবিত এই বাণিজ্য সম্প্রসারণকে উভয় দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করার জন্য পারস্পরিকভাবে লাভজনক উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এই নয়া অংশীদারিত্বের মূল স্তম্ভ হিসেবে জ্বালানি খাতকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কানাডা বিশ্বের প্রায় ৬ শতাংশ তেল উৎপাদন করলেও, ভারতের মোট তেল আমদানির এক শতাংশেরও কম আসে কানাডা থেকে। হজসনের মতে, বৈশ্বিক গড়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাণিজ্য (India Canada Trade) প্রবাহ পুনর্বিন্যাস করা গেলে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে এবং একই সঙ্গে (Uranium Supply Deal) কানাডার রফতানি বাজারের বৈচিত্র্যও বাড়বে। বর্তমানে ভারত কানাডা থেকে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) আমদানি করে।

     

  • Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন। তাই ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে যৌথভাবে অনুসন্ধান, উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পুনর্ব্যবহারের চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India) করছে ভারত (Critical Minerals Deals)। খনন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশ্বের বহু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহে আধিপত্য এবং উন্নত খনন ও প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির কারণে চির-প্রতিদ্বন্দ্বী চিনের ওপর ভারতের অতিরিক্ত নির্ভরতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই পরিস্থিতি কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভারতের জ্বালানি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    কোন কোন দেশের সঙ্গে আলোচনা (Critical Minerals Deals)

    তবে আবিষ্কার থেকে উৎপাদন পর্যায়ে পৌঁছতে খনিশিল্পে সময় লাগে বিস্তর। শুধু অনুসন্ধান কাজই পাঁচ থেকে সাত বছর পর্যন্ত চলে এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা খনি প্রতিষ্ঠায় গিয়ে শেষ হয় না। সূত্রের খবর, “অনুরোধ এসেছে এবং আমরা ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের সঙ্গে আলোচনা করছি। অন্যদিকে কানাডার সঙ্গে চুক্তিটি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।” সূত্রের মতে, এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারতের খনিমন্ত্রক। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মার্চের শুরুতে ভারত সফর করতে পারেন এবং ইউরেনিয়াম, জ্বালানি, খনিজ এবং এআই সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। কানাডার প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগ জানুয়ারি মাসে এক বিবৃতির দিকে ইঙ্গিত করে জানিয়েছে, উভয় পক্ষ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে রাজি হয়েছে (India)।

    মন্তব্য করেনি কোনও দেশই

    নয়াদিল্লিতে ব্রাজিলের দূতাবাস, ভারতের খনিমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। নেদারল্যান্ডসের দূতাবাসের তরফেও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মন্তব্য করতে চায়নি ফ্রান্সের দূতাবাসও। ভারত বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সন্ধান জোরদার করেছে এবং ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পেরু ও চিলির সঙ্গে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে, যার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে (Critical Minerals Deals)। ভারতের এই আন্তর্জাতিক তৎপরতা এমন একটা সময়ে বাড়ছে, যখন গত মাসে ওয়াশিংটনে জি-৭ ও অন্যান্য বড় অর্থনীতির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে চিন থেকে ‘রেয়ার আর্থ’ নির্ভরতা কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে (India)। ২০২৩ সালে ভারত লিথিয়াম-সহ ২০টির বেশি খনিজকে “গুরুত্বপূর্ণ” বলে চিহ্নিত করেছে, যা তার জ্বালানি রূপান্তর এবং শিল্প ও পরিকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য (Critical Minerals Deals)।

     

  • BJP: “ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত”! রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি বিজেপির নিশিকান্ত দুবের

    BJP: “ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত”! রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের দাবি বিজেপির নিশিকান্ত দুবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে সাবস্ট্যান্টিভ মোশন (Substantive Motion) জমা দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বৃহস্পতিবার এ কথা জানান তিনি। এতে তিনি রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল করার এবং তাঁকে আজীবনের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন। বুধবার (BJP) কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাহুল। তার পরেই বিজেপি সাংসদের এই পদক্ষেপ। তিনি ভারত-আমেরিকা অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে “দেশ বিক্রি করে দেওয়ার” অভিযোগ করেন। রাহুলের দাবি, এই চুক্তি কৃষকদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে, বস্ত্র শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সুবিধা দিয়ে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করে।

    কিরেন রিজিজুর বক্তব্য (BJP)

    এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু মন্তব্য করেছিলেন যে সরকার রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে সংসদকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে একটি প্রিভিলেজ মোশন (Privilege Motion) আনবে। যদিও দুবে জানান, এই ধরনের কোনও প্রিভিলেজ মোশন দাখিল করা হয়নি। তিনি বলেন, “এটি কোনও প্রিভিলেজ মোশন নয়। আমি একটি সাবস্ট্যান্টিভ মোশন জমা দিয়েছি, যেখানে উল্লেখ করেছি যে তিনি নাকি সোরোস ফাউন্ডেশন, ফোর্ড ফাউন্ডেশন, ইউএসএইডের সঙ্গে যুক্ত এবং তাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম ও আমেরিকা সফর করেছেন। তিনি ভারত-বিরোধী শক্তির সঙ্গে যুক্ত।”

    দুবের বক্তব্য

    দুবে বলেন, “এটি সর্বজনবিদিত যে আমাদের দেশের কোনও নাগরিক বা জনপ্রতিনিধি কিংবা উচ্চপদস্থ কর্তা এমন কিছু করেন না যা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে। দলীয় ভেদাভেদ নির্বিশেষে সাংসদদের মধ্যে একটি নীরব সমঝোতা রয়েছে যে সাময়িক রাজনৈতিক লাভের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বা তার আধিকারিকদের টেনে আনা হবে না। কিন্তু রাহুল গান্ধীর ক্ষেত্রে এই নৈতিক মানদণ্ড প্রযোজ্য নয়। ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে লোকসভায় তাঁর ভাষণে স্পষ্ট, যেখানে তিনি কৌশলে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানের নাম নিয়েছেন (Rahul Gandhi)।” দুবে বলেন, “সময়ের দাবি হল জরুরি ও কাঠামোবদ্ধ তদন্ত পরিচালনা করা, যাতে একজন সাংসদ ও বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁর কথিত অনৈতিক আচরণ পরীক্ষা করা যায় এবং তাঁকে অবিলম্বে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা যায় (BJP)।”

    রাহুলের সদস্যপদ বাতিলের দাবি

    তিনি রাহুলের সদস্যপদ বাতিল ও স্থায়ীভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। তবে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লোকসভার প্রাক্তন মহাসচিব পিডিটি আচার্য দুবের পদক্ষেপের প্রক্রিয়াগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “দুবে কোন নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে মোশন জমা দিয়েছেন তা উল্লেখ করেননি (Rahul Gandhi)।” আচার্য বলেন, “সব মোশনই সাবস্ট্যান্টিভ। তিনি কোন নিয়ম উদ্ধৃত করছেন? নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী মোশন জমা দিতে হয়। যদি কেউ সংসদের অবমাননা করে, তাহলে অবমাননার নোটিশ দেওয়া যেতে পারে। তা প্রিভিলেজেস কমিটি পরীক্ষা করবে এবং রিপোর্ট বা সুপারিশ করবে। এরপর হাউস ব্যবস্থা নেবে, এটাই প্রক্রিয়া। এর বাইরে অন্য কোনও পথ নেই (BJP)।” তিনি আরও বলেন, “সংসদের কোনও সদস্যকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা হাউসের থাকলেও অযোগ্য ঘোষণা করার ক্ষমতা নেই। অযোগ্য ঘোষণা কেবলমাত্র দলত্যাগ বিরোধী আইন (Anti-Defection Law) এবং জন প্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People’s Act) অনুযায়ী হতে পারে।”

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    এদিকে, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল বলেন, “দল এসব পদক্ষেপে বিচলিত নয়। আমরা কোনও মোশন নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের ফাঁসি দিতে চাইলে তাতেও প্রস্তুত আছি।” তাঁর অভিযোগ, লোকসভায় রাহুলের কিছু বক্তব্য বুধবার রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। লোকসভার স্পিকারকে অপসারণের নোটিশ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বেণুগোপাল বলেন, “আমরা চেয়ার থেকে ন্যায়বিচার পাচ্ছি না (BJP)।” রাহুলের বক্তব্যের বিরুদ্ধে শাসক দলের পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “রাহুল গান্ধী কোন বিশেষাধিকার ভঙ্গ করেছেন? আগেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছিল। তারপর জনগণ আরও বেশি ভোট দিয়ে তাঁকে জয়ী করেছেন।” তিনি বলেন, “আমরা সত্য বলা বন্ধ করব না (Rahul Gandhi)।” রাহুলের বক্তব্য রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার চেয়ারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে যাতে বিরোধী সদস্যরা কথা বলার সুযোগ না পান।” তিনি বলেন, “রাহুলজি যা বলেছেন, তা সম্পূর্ণভাবে রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্মলা সীতারামনের অনুরূপ মন্তব্য রেকর্ডে রাখা হয়েছে। সরকারের দ্বৈত মানদণ্ড রয়েছে। এই সংসদ চালাচ্ছে সরকার, তবে বিরোধীদের জন্য নয় (BJP)।”

    রিজিজুর বক্তব্য

    মন্ত্রী রিজিজু বলেন, “আমি রাহুল গান্ধীকে কোনও পাঠ শেখাতে পারি না। তিনি কোন জগতে বাস করেন, তা আমি বুঝতে পারি না।
    কোন আদর্শ তাঁর কাজকর্ম পরিচালিত করে? কংগ্রেসের প্রবীণ নেতাদের উচিত তাঁকে বোঝানো যে সংসদ এভাবে চলতে পারে না। এখানে শিশুদের মতো আচরণ করবেন না। আমাদের দেশ বিশাল, এবং নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (BJP)।”

     

LinkedIn
Share